Category: কুমিল্লার খবর

  • কুমিল্লায় দেবরের সাথে পালিয়ে গেলেন প্রবাসীর স্ত্রী

    (জাগো কুমিল্লা.কম)
    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের জুগিরকান্দি প্রকাশ খুন্তা গ্রামের বাচ্চু মিয়ার পুত্র সৌদি প্রবাসী মোঃ হাবিবুর রহমানের (৩৫) সাথে একই ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে হালিমা বেগমের সাথে সামাজিক ভাবে বিয়ে হয়।

    বিয়ের কয়েক বছর পর হালিমার সাথে তার দেবর সিএনজি চালক তাজুল ইসলামের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিষয়টি হাবিবুর রহমান তার মা বাবাকে জানান এবং ঘরোয়াভাবে মিমাংসা করা হয়। পরবর্তীতে উভয়ে আবারো গোপনে সম্পর্ক বজায় রাখে। এক পর্যায়ে হাবিবুর রহমান স্ত্রী হালিমার মোবাইল নিয়ে নেন- যেন যোগাযোগ রাখতে না পারে। তাজুল ইসলাম তার মায়ের মোবাইল দিয়ে যোগাযোগ রক্ষা করত বলে অভিযোগ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হালিমার এক চাচাত ভাই। ইতিমধ্যে হালিমা তাজুল অবৈধ সম্পর্কের কথা জানাজানি হয়ে গেলে গ্রাম্য সালিশ দরবারের ভয়ে গত ৩ মে বিকালে ডাক্তার দেখানোর নাম করে হালিমার শ্বশুর শ্বাশুড়ি তাজুল ইসলামকে দিয়ে হালিমা বেগমকে ডাক্তারের নিকট পাঠায় বলে অভিযোগ করেন হালিমার বাবা সিরাজুল ইসলাম।

    সেই থেকে অদ্যবদী দেবর ভাবির আর খোঁজ মিলেনি বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। গৃহবধু হালিমার এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। তাছাড়া তাজুল ইসলামের স্ত্রী ছাড়াও দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। হালিমার বড় বোন রুবী জানান, ৪ মে তাজুল ইসলাম মোবাইল ফোনে বলে বেশী বাড়াবাড়ি করলে হালিমার লাশ পাবেন। এই ব্যপারে হালিমা বেগমের পিতা সিরাজুল ইসলাম বাদি হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করছেন। চৌদ্দগ্রাম থানার এ এস আই আবদুল কুদ্দুছ ঘঠনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • শতভাগ পাশে হারানো ঐতিহ্য ফিরে পেল ঈশ্বর পাঠশালা ( ভিডিও)

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    শত বছরের ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা ঈশ্বর পাঠশালা(উচ্চ বিদ্যালয়) এসএসসি ফলাফলে চমক দেখিয়েছে পরীক্ষার্থীরা।
    রবিাবার প্রকাশিত ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাশের সফলতা অর্জন করেছে এই প্রতিষ্ঠান। এ বছর মোট পরিক্ষার্থী ছিল ৩৪ জন।এদের মধ্যে ৫ জন জিপিএ পেয়েছে। বাকিরা এ গ্রেড পেয়ে সফলতার সাথে পাশ করেছি।

    জিপিএ ৫ প্রাপ্ত পরিক্ষার্থীরা হলেন হলেন, অন্তর দেবনাথ, জয় রায়, আবু সাইদ, মো: তৌহিদ, মো: তারেক, বাঁধন সরকার। যা বিগত কয়েক বছরের ফলাফলের তুলনায় অনেকাংশ ভাল। অবশেষে ধীরে ধীরে হারানো ঐহিত্য ফিরে পাচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

    কুমিল্লা ঈশ^র পাঠাশালা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শুধাংশু কুমার মজুমদার বলেন, সৃষ্টি কর্তার অশেষ কৃপায় গত বছরের তুলনায় এবারের ফলাফল অনেক ভাল। এই ভাল ফলাফলের পেছনে ম্যানিজিং কমিটি, সকাল অভিভাবক সকল শিক্ষক- শিক্ষার্থীর চেষ্টা ও পরিশ্রম রয়েছে।এই স্কুলের সকল কর্মকা-ে সার্বিক সহযোগীতা করার জন্য কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার ভাইয়ের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

    বিদ্যালয়ের সভাপতি বাবু বিষ্ণ পদ সিন্হা বলেন, এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। শিক্ষার্থীরা যে সুনাম বহে এসেছে তা যেন চির স্থায়ী হিসাবে থাকবে আশা করি। আগামীতে এই ফলাফল আরো উন্নত করার চেষ্টা করবো। এ ফলাফলে পেছনে শিক্ষকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তাদের আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

    উক্ত অবিস্মরনীয় ফলাফলে স্কুল জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করঝে। কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সাথে আনন্দে মেতে উঠেন উক্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য ১৯১৪ সালে দানবীর মহেশ চন্দ্র ভট্টাযার্চ্য এই কুমিল্লা ঈশ্বর পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন।

    ভিডিও:

  • সব জেলাকে পেছনে ফেলে শীর্ষে কুমিল্লার ৫ প্রতিষ্ঠান

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে পেছনে ফেলে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লার ৫ টি প্রতিষ্ঠান।

    এর মধ্যে ৩৮৮টি জিপিএ ৫ পেয়ে প্রথম স্থান রয়েছে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল , এ স্কুলে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ শ ৩৯ জন. ফেল করেছে ৪ জন। কুমিল্লা জিলা স্কুলে দ্বিতীয় অবস্থানে। জিপিএ ৫ পেয়ে ৩৩০টি. মোট পরীক্ষার্থী ৩৯৫ জন, শত ভাগ পাশ।

    তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লা ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ৩৭১ জন পরীক্ষার মধ্যে পাশ করেছে ৩৭০ জন। মোট জিপিএ ২৯৯ জন।

    চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ। এই স্কুলে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯২১ জন, পাশ করেছে ৯১৫ জন। জিপি ৫ পেয়েছে ২০২ জন।

    পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লার ইস্পাহানী স্কুল এণ্ড কলেজ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৪২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৮৮ জন।


    শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানান ,গত বছর তুলনায় এ বছর ২শ ৬৮ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার পাশের ছিল ৫৯.০৩ । যা এ বছর বেড়ে ৮০.৪০ ভাগ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় শতকরা ২১.৩৭ ভাগ ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।

    রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম।

    এক নজরে দেখুন কুমিল্লা বোর্ডের শীর্ষ ১২ প্রতিষ্ঠানের ফলাফল

    ( জাগো কুমিল্লা. কম)
    এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন কুমিল্লা, নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মধ্যে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষ ১২ প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৫ টি প্রতিষ্ঠান শীর্ষে রয়েছে। ৬ষ্ঠ ও ৭ম অবস্থানে রয়েছে নোয়াখলি জেলা দুইটি প্রতিষ্ঠান। ৮ম অবস্থানে রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি স্কুল, ৯ম ও ১০ অবস্থানে রয়েছে ফেনীর দুইটির স্কুল, ১১ ও ১২ তম অবস্থানে রয়েছে চাঁদপুরের দুইটি স্কুল।

    জাগো কুমিল্লা পাঠকদের জন্য জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষ ১২ প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত দেওয়া হলো:

    ১। কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল। পরীক্ষার্থী ছিল ১২ শ ৩৯ জন। জিপিএ৫ পেয়েছে ৩৮৮ জন। পাশের হার ৯৯.৬০ %

    ২। কুমিল্লা জিলা স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ৩৯৫ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৩০ জন। শতভাগ পাশের হার।

    ৩।নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা । মোট পরীক্ষার্থী ৩৭১ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯৯ জন । পাশের হার ৯৯.৭৩ %।

    ৪। ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা । মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯২১ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২০২ জন। পাশের হার ৯৯.৩৫ %

    ৫। ইস্পাহানী স্কুল এণ্ড কলেজ, কুমিল্লা । মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৪২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৮৮ জন। শতভাগ পাশের হার।

    ৬। নোয়াখালি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় । মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৫৫ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১শ ৪৫ জন। পাশের হার ৯৯.৭২ %

    ৭। নোয়াখালি জিলা স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৩৯ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১শ ৪৫ জন। পাশের হার ৯৮.৫৩ %

    ৮। আনন্দ সরকারি হাই স্কুল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৭৫ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৩৮ জন। শতভাগ পাশের হার।

    ৯। ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩১৬ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৩৫ জন। পাশের হার ৯৯.৬৮%।

    ১০। ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৩৬ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২৪ জন। পাশের হার ৯৮.৭৩%

    ১১। আল আমিন একাডেমী, চাঁদপুর। মোট পরীক্ষার্থী ৫৯২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১১৮ জন। পাশের হার ৯৬.২৮%

    ১২। মাতৃপিঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর। মোট পরীক্ষার্থী ২৮০ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১০২ জন। পাশের হার ৯৮.৫৭%

     

    তবুও কুমিল্লা বোর্ডে ফেল ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন !

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    বার বার ফলাফল বিপর্যয়ের পর নড়ে চড়ে বসে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড। বোর্ডের  আওতাধীন ১ হাজার ৭ শ ৭ টি প্রতিষ্ঠানে এস এস সি নির্বাচনী পরীক্ষায় কোন অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহন করানো হয়নি। তবুও কেন এত ফেল !

    এ বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো: শহিদুল ইসলাম জানান, আমরা প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাল ফলাফলে জন্য মতবিনিময় সভা  করেছি। নির্বাচনী পরীক্ষায় কোন অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহন না করানোর নির্দেশনা ছিল। তবুও কেন এত ফেল করলো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

    শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানান ,গত বছর তুলনায় এ বছর ২শ ৬৮ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার পাশের ছিল ৫৯.০৩ । যা এ বছর বেড়ে ৮০.৪০ ভাগ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় শতকরা ২১.৩৭ ভাগ ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।

    রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম।

    কুমিল্লা বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডের শতকরা পাশের হার ৮০.৪০ । এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।

    রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম।

    গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে ও বিদেশের কয়েকটি কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমানের লিখিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলে ৪ মার্চ পর্যন্ত।

    ৫ জেলাকে পেছনে ফেলে শীর্ষে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে পেছনে ফেলে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে অবস্থান করছে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল।

    এদিকে ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ভিড়ে সকাল থেকেই মুখরিত হয়ে উঠতে থাকে স্কুল প্রাঙ্গন। ফলাফলের প্রত্যাশায় উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

    অবশেষে দুপুর দেড়টায় সকল উদ্বিগ্নতার অবসান ঘটিয়ে স্কুলে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করে। এসময় আনন্দে মেতে উঠে শিক্ষার্থীরা। তাদের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেয় স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকরাও।

    এবার কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল থেকে ১২৩৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১২৩৫ জন শিক্ষার্থী পাশ করেছে। কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮৮ জন। পাশের হার ৯৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

    কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা কাঙ্খিত ফল পাওনি তারা মনোবল না হারিয়ে আবারও পূর্ণ উদ্যোমে পড়াশোনা শুরু করে দাও।

    পরিশ্রম করলে সাফল্য আসবেই। হতাশ না হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। পড়াশোনায় মনোযোগী হলে এবং পরিশ্রম করলে জীবনে সাফল্য আসবেই।

    সেরা দশ রয়েছে কুমিল্লার ৫ টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ৩৮৮টি জিপিএ ৫ পেয়ে প্রথম স্থান রয়েছে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল , এ স্কুলে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ শ ৩৯ জন. ফেল করেছে ৪ জন। কুমিল্লা জিলা স্কুলে দ্বিতীয় অবস্থানে।

    জিপিএ ৫ পেয়ে ৩৩০টি. মোট পরীক্ষার্থী ৩৯৫ জন, শত ভাগ পাশ।তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লা ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ৩৭১ জন পরীক্ষার মধ্যে পাশ করেছে ৩৭০ জন। মোট জিপিএ ২৯৯ জন।চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ। এই স্কুলে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯২১ জন, পাশ করেছে ৯১৫ জন। জিপি ৫ পেয়েছে ২০২ জন।

    পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লার ইস্পাহানী স্কুল এণ্ড কলেজ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৪২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৮৮ জন।

    এসএসসিতে কুমিল্লা বোর্ডে পাশের হার ৮০.৪০

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডের শতকরা পাশের হার ৮০.৪০ । রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম। এই বোর্ডে  মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন।

    গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে ও বিদেশের কয়েকটি কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমানের লিখিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলে ৪ মার্চ পর্যন্ত।

    নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে কুমিল্লা জিলা স্কুল

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    কুমিল্লার ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক কুমিল্লা জিলা স্কুল প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এস এস সি পরীক্ষায়ও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে। রবিবার প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে দ্বিতীয় স্থান করেছে।

    এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৯৫ জন। মোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৩০ জন। বাকিরা সবাই এ গ্রেড পেয়ে কৃতকার্য হয়েছে। বর্তমান প্রধান শিক্ষককের গতিশীল নেতৃত্বে জিলা স্কুল প্রতিবছরই সাফল্যের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রেখেছে। গত বছর স্কুলে ৩৬৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৮১ জন।

    কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার জানান, সব ধরণের পাবলিক পরীক্ষায় ফলাফলের অভাবনীয় সাফল্যের দাবিদার এই স্কুল। সুদীর্ঘ ঐহিহ্যের ধারক ও বাহক এই স্কুল প্রতিবছর পুরনো রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়ার কাজে লিপ্ত।

    আসলে ছাত্র-শিক্ষক- অভিভাবক এই তিন দলের সমন্বিত কর্ম প্রচেষ্ঠার পুরস্কার হিসেবে বোর্ডে সেরা স্থানটি দখল করেছে।প্রতি শিক্ষককে অনধিক ১০ জন করে পরীক্ষার্থীকে পারিবারিক পর্যায়ে তদারকির দায়িত্বদান জিলা স্কুলের ভাল ফলাফলর অন্যতম কারণ।

    রাজমিস্ত্রী হয়েও ৩২ বছর বয়সে দাখিল পাশ করলেন কুমিল্লার জাকির

    (মোঃ শাহীন আলম,চৌদ্দগ্রাম )
    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেশায় রাজমিস্ত্রী হয়েও ৩২ বছর বয়সে দাখিল পাশ করেছেন জাকির হোসেন নামের এক যুবক। রোববার প্রকাশিত ফলে উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের কাছারিপাড়া ফাযিল মাদরাসার থেকে তিনি জিপিএ-৪.৩০ পেয়েছেন। জাকির একই গ্রামের হতদরিদ্র কৃষক নুরুল ইসলামের পুত্র। তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জনক। তার সাফল্যে আনন্দিত হয়েছেন মাদরাসার শিক্ষক, এলাকাবাসী ও পরিবারের লোকজন।

    গতকাল রোববার দুপুরে সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, জাকির হোসেন আর্থিক সমস্যার কারণে পড়ালেখা বন্ধ করে রাজমিস্ত্রী কাজে যোগ দেন। রাজমিস্ত্রী হিসেবে এলাকায় তাঁর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। কিন্তু তিনি নিয়মিত পবিত্র কোরআন ও হাদিস অধ্যয়ন করতে থাকেন। সুরা আলাক পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৬ বছর আগে আবারও নিয়মিতভাবে পড়ালেখা শুরু করেন। এরই মধ্যে তিনি ২০১৫ সালে কাছারিপাড়া মাদরাসা থেকে জেডিসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

    সম্প্রতি তিনি মাদরাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা মশিউর রহমান সালেহীর বেশি পরামর্শ নিতেন। প্রভাষকও যতœ সহকারে জাকিরকে পড়াতেন। অন্যান্য শিক্ষকরাও তাকে উৎসাহ দিতেন। বর্তমানে তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জনক। বড় মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণি ও ছোট মেয়ে নার্সারিতে পড়ালেখা করে। ছেলেকে আগামী বছর মাদরাসায় ভর্তি করানো হবে।

    কি কারনে ছেলে-মেয়ে এবং সংসার থাকা স্বত্ত্বেও ৩২ বছর বয়সে দাখিল পরীক্ষা দিলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে জাকির হোসেন বলেন-শিক্ষার কোন নির্দিষ্ট বয়স নেই। জ্ঞান অর্জনের জন্যই পড়ালেখা করেছি। কারন-মুর্খ বন্ধুর চেয়ে শিক্ষিত শত্রু অনেক ভালো। আমি চাই-সমাজের সকলেই শিক্ষিত হয়ে যাক। তাহলে সমাজে আর হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানি থাকবে না। সকলেই আল্লাহর নির্দেশিত পথেই চলবে।

    এদিকে কৃষক নুরুল ইসলামের তিন ছেলের মধ্যে জাকির হোসেন সবার ছোট। সাংবাদিক ও স্থানীয়দের মাধ্যমে ছেলের সাফল্যের খবর পেয়ে তিনিও আনন্দিত হয়ে আল্লাহর নিকট শুকরিয়া প্রকাশ করেছেন।
    এ ব্যাপারে মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাখছুদুর রহমান বলেন, জাকির হোসেন নামের ছেলেটি খুবই পরিশ্রমী। তার সাফল্যে আনন্দিত হয়েছি। আমি তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করছি।

     

  • তবুও কুমিল্লা বোর্ডে ফেল ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন !

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    বার বার ফলাফল বিপর্যয়ের পর নড়ে চড়ে বসে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড। বোর্ডের  আওতাধীন ১ হাজার ৭ শ ৭ টি প্রতিষ্ঠানে এস এস সি নির্বাচনী পরীক্ষায় কোন অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহন করানো হয়নি। তবুও কেন এত ফেল !

    এ বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো: শহিদুল ইসলাম জানান, আমরা প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাল ফলাফলে জন্য মতবিনিময় সভা  করেছি। নির্বাচনী পরীক্ষায় কোন অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহন না করানোর নির্দেশনা ছিল। তবুও কেন এত ফেল করলো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

    শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানান ,গত বছর তুলনায় এ বছর ২শ ৬৮ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার পাশের ছিল ৫৯.০৩ । যা এ বছর বেড়ে ৮০.৪০ ভাগ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় শতকরা ২১.৩৭ ভাগ ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।

    রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম।

  • কুমিল্লা বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডের শতকরা পাশের হার ৮০.৪০ । এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।

    রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম।

    গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে ও বিদেশের কয়েকটি কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমানের লিখিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলে ৪ মার্চ পর্যন্ত।

  • এসএসসিতে কুমিল্লা বোর্ডে পাশের হার ৮০.৪০

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডের শতকরা পাশের হার ৮০.৪০ । রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম। এই বোর্ডে  মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন।

    গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে ও বিদেশের কয়েকটি কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমানের লিখিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলে ৪ মার্চ পর্যন্ত।

    এক নজরে দেখুন কুমিল্লা বোর্ডের শীর্ষ ১২ প্রতিষ্ঠানের ফলাফল

    ( জাগো কুমিল্লা. কম)
    এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন কুমিল্লা, নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মধ্যে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষ ১২ প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৫ টি প্রতিষ্ঠান শীর্ষে রয়েছে। ৬ষ্ঠ ও ৭ম অবস্থানে রয়েছে নোয়াখলি জেলা দুইটি প্রতিষ্ঠান। ৮ম অবস্থানে রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি স্কুল, ৯ম ও ১০ অবস্থানে রয়েছে ফেনীর দুইটির স্কুল, ১১ ও ১২ তম অবস্থানে রয়েছে চাঁদপুরের দুইটি স্কুল।

    জাগো কুমিল্লা পাঠকদের জন্য জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষ ১২ প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত দেওয়া হলো:

    ১। কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল। পরীক্ষার্থী ছিল ১২ শ ৩৯ জন। জিপিএ৫ পেয়েছে ৩৮৮ জন। পাশের হার ৯৯.৬০ %

    ২। কুমিল্লা জিলা স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ৩৯৫ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৩০ জন। শতভাগ পাশের হার।

    ৩।নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা । মোট পরীক্ষার্থী ৩৭১ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯৯ জন । পাশের হার ৯৯.৭৩ %।

    ৪। ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা । মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯২১ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২০২ জন। পাশের হার ৯৯.৩৫ %

    ৫। ইস্পাহানী স্কুল এণ্ড কলেজ, কুমিল্লা । মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৪২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৮৮ জন। শতভাগ পাশের হার।

    ৬। নোয়াখালি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় । মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৫৫ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১শ ৪৫ জন। পাশের হার ৯৯.৭২ %

    ৭। নোয়াখালি জিলা স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৩৯ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১শ ৪৫ জন। পাশের হার ৯৮.৫৩ %

    ৮। আনন্দ সরকারি হাই স্কুল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৭৫ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৩৮ জন। শতভাগ পাশের হার।

    ৯। ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩১৬ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৩৫ জন। পাশের হার ৯৯.৬৮%।

    ১০। ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৩৬ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২৪ জন। পাশের হার ৯৮.৭৩%

    ১১। আল আমিন একাডেমী, চাঁদপুর। মোট পরীক্ষার্থী ৫৯২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১১৮ জন। পাশের হার ৯৬.২৮%

    ১২। মাতৃপিঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর। মোট পরীক্ষার্থী ২৮০ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১০২ জন। পাশের হার ৯৮.৫৭%

    শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানান ,গত বছর তুলনায় এ বছর ২শ ৬৮ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার পাশের ছিল ৫৯.০৩ । যা এ বছর বেড়ে ৮০.৪০ ভাগ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় শতকরা ২১.৩৭ ভাগ ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন। তথ্য সূত্র: কুমিল্ল শিক্ষা বোর্ড।

    কুমিল্লায় এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় আত্মহত্যা

    আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়

    কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা মধ্য পাড়া গ্রামে এস এস সি পরীক্ষায় ফেল করায় হালিমা আক্তার মনি (১৭) পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা করেছে।রবিবার সন্ধ্যায় তার বশত ঘরের দরজা বন্ধ করে ৎওড়না পেচিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্নহত্যা করে।

    নিহতের মা আয়শা আকতার জানান, আমার মেয়ে আজ রোজা রেখেছে। এই বছর চট্রগ্রাম ষোল শহর পাবলিক স্কুল থেকে ব্যবসা শাখায় এস এস সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে। তার রেজিঃ নং ১৫১৪৮১৯০৭৪ রোল নং ৫২৫৮৫২ সে জানতে পারে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়। ইফতারির সময় তাকে খুজে না পেয়ে পাশের ঘরের দরজা খোলে বাড়ীর লোকজন দেখতে পায় সে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। বাড়ীর লোকজন তাকে জীবিত মনে করে সিলিং ফ্যানের থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় নামিয়ে দেখতে পায় সে মারা গেছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: শাহ আলম জাগো কুমিল্লা ডট কমকে জানান, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া আত্মহত্যা করেছে। বিষয়টি তদন্ত শেষ জানা যাবে।

    তবুও কুমিল্লা বোর্ডে ফেল ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন !

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    বার বার ফলাফল বিপর্যয়ের পর নড়ে চড়ে বসে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড। বোর্ডের আওতাধীন ১ হাজার ৭ শ ৭ টি প্রতিষ্ঠানে এস এস সি নির্বাচনী পরীক্ষায় কোন অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহন করানো হয়নি। তবুও কেন এত ফেল !

    এ বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো: শহিদুল ইসলাম জানান, আমরা প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাল ফলাফলে জন্য মতবিনিময় সভা করেছি। নির্বাচনী পরীক্ষায় কোন অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহন না করানোর নির্দেশনা ছিল। তবুও কেন এত ফেল করলো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

    শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানান ,গত বছর তুলনায় এ বছর ২শ ৬৮ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার পাশের ছিল ৫৯.০৩ । যা এ বছর বেড়ে ৮০.৪০ ভাগ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় শতকরা ২১.৩৭ ভাগ ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    কুমিল্লা বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডের শতকরা পাশের হার ৮০.৪০ । এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।

    রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম।

    সব জেলাকে পেছনে ফেলে শীর্ষে কুমিল্লার ৫ প্রতিষ্ঠান

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে পেছনে ফেলে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লার ৫ টি প্রতিষ্ঠান।

    এর মধ্যে ৩৮৮টি জিপিএ ৫ পেয়ে প্রথম স্থান রয়েছে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল , এ স্কুলে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ শ ৩৯ জন. ফেল করেছে ৪ জন। কুমিল্লা জিলা স্কুলে দ্বিতীয় অবস্থানে। জিপিএ ৫ পেয়ে ৩৩০টি. মোট পরীক্ষার্থী ৩৯৫ জন, শত ভাগ পাশ।

    তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লা ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ৩৭১ জন পরীক্ষার মধ্যে পাশ করেছে ৩৭০ জন। মোট জিপিএ ২৯৯ জন।

    চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ। এই স্কুলে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯২১ জন, পাশ করেছে ৯১৫ জন। জিপি ৫ পেয়েছে ২০২ জন।

    পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লার ইস্পাহানী স্কুল এণ্ড কলেজ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৪২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৮৮ জন।

    শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানান ,গত বছর তুলনায় এ বছর ২শ ৬৮ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার পাশের ছিল ৫৯.০৩ । যা এ বছর বেড়ে ৮০.৪০ ভাগ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় শতকরা ২১.৩৭ ভাগ ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।

    রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম।

    ৫ জেলাকে পেছনে ফেলে বোর্ডের শীর্ষে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে পেছনে ফেলে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে অবস্থান করছে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল।

    এদিকে ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ভিড়ে সকাল থেকেই মুখরিত হয়ে উঠতে থাকে স্কুল প্রাঙ্গন। ফলাফলের প্রত্যাশায় উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

    অবশেষে দুপুর দেড়টায় সকল উদ্বিগ্নতার অবসান ঘটিয়ে স্কুলে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করে। এসময় আনন্দে মেতে উঠে শিক্ষার্থীরা। তাদের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেয় স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকরাও।

    এবার কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল থেকে ১২৩৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১২৩৫ জন শিক্ষার্থী পাশ করেছে। কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮৮ জন। পাশের হার ৯৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

    কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা কাঙ্খিত ফল পাওনি তারা মনোবল না হারিয়ে আবারও পূর্ণ উদ্যোমে পড়াশোনা শুরু করে দাও।

    হতাশ না হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। পড়াশোনায় মনোযোগী হলে এবং পরিশ্রম করলে জীবনে সাফল্য আসবেই।

    নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে কুমিল্লা জিলা স্কুল

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    কুমিল্লার ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক কুমিল্লা জিলা স্কুল প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এস এস সি পরীক্ষায়ও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে। রবিবার প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে দ্বিতীয় স্থান করেছে।

    এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৯৫ জন। মোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৩০ জন। বাকিরা সবাই এ গ্রেড পেয়ে কৃতকার্য হয়েছে। বর্তমান প্রধান শিক্ষককের গতিশীল নেতৃত্বে জিলা স্কুল প্রতিবছরই সাফল্যের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রেখেছে। গত বছর স্কুলে ৩৬৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৮১ জন।

    কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার জানান, সব ধরণের পাবলিক পরীক্ষায় ফলাফলের অভাবনীয় সাফল্যের দাবিদার এই স্কুল। সুদীর্ঘ ঐহিহ্যের ধারক ও বাহক এই স্কুল প্রতিবছর পুরনো রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়ার কাজে লিপ্ত।

    আসলে ছাত্র-শিক্ষক- অভিভাবক এই তিন দলের সমন্বিত কর্ম প্রচেষ্ঠার পুরস্কার হিসেবে বোর্ডে সেরা স্থানটি দখল করেছে।প্রতি শিক্ষককে অনধিক ১০ জন করে পরীক্ষার্থীকে পারিবারিক পর্যায়ে তদারকির দায়িত্বদান জিলা স্কুলের ভাল ফলাফলর অন্যতম কারণ।

    রাজমিস্ত্রী হয়েও ৩২ বছর বয়সে দাখিল পাশ করলেন কুমিল্লার জাকির

    (মোঃ শাহীন আলম,চৌদ্দগ্রাম )
    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেশায় রাজমিস্ত্রী হয়েও ৩২ বছর বয়সে দাখিল পাশ করেছেন জাকির হোসেন নামের এক যুবক। রোববার প্রকাশিত ফলে উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের কাছারিপাড়া ফাযিল মাদরাসার থেকে তিনি জিপিএ-৪.৩০ পেয়েছেন। জাকির একই গ্রামের হতদরিদ্র কৃষক নুরুল ইসলামের পুত্র। তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জনক। তার সাফল্যে আনন্দিত হয়েছেন মাদরাসার শিক্ষক, এলাকাবাসী ও পরিবারের লোকজন।

    গতকাল রোববার দুপুরে সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, জাকির হোসেন আর্থিক সমস্যার কারণে পড়ালেখা বন্ধ করে রাজমিস্ত্রী কাজে যোগ দেন। রাজমিস্ত্রী হিসেবে এলাকায় তাঁর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। কিন্তু তিনি নিয়মিত পবিত্র কোরআন ও হাদিস অধ্যয়ন করতে থাকেন। সুরা আলাক পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৬ বছর আগে আবারও নিয়মিতভাবে পড়ালেখা শুরু করেন। এরই মধ্যে তিনি ২০১৫ সালে কাছারিপাড়া মাদরাসা থেকে জেডিসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

    সম্প্রতি তিনি মাদরাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা মশিউর রহমান সালেহীর বেশি পরামর্শ নিতেন। প্রভাষকও যতœ সহকারে জাকিরকে পড়াতেন। অন্যান্য শিক্ষকরাও তাকে উৎসাহ দিতেন। বর্তমানে তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জনক। বড় মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণি ও ছোট মেয়ে নার্সারিতে পড়ালেখা করে। ছেলেকে আগামী বছর মাদরাসায় ভর্তি করানো হবে।

    কি কারণে ছেলে-মেয়ে এবং সংসার থাকা স্বত্ত্বেও ৩২ বছর বয়সে দাখিল পরীক্ষা দিলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে জাকির হোসেন বলেন-শিক্ষার কোন নির্দিষ্ট বয়স নেই। জ্ঞান অর্জনের জন্যই পড়ালেখা করেছি। কারন-মুর্খ বন্ধুর চেয়ে শিক্ষিত শত্রু অনেক ভালো। আমি চাই-সমাজের সকলেই শিক্ষিত হয়ে যাক। তাহলে সমাজে আর হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানি থাকবে না। সকলেই আল্লাহর নির্দেশিত পথেই চলবে।

    এদিকে কৃষক নুরুল ইসলামের তিন ছেলের মধ্যে জাকির হোসেন সবার ছোট। সাংবাদিক ও স্থানীয়দের মাধ্যমে ছেলের সাফল্যের খবর পেয়ে তিনিও আনন্দিত হয়ে আল্লাহর নিকট শুকরিয়া প্রকাশ করেছেন।
    এ ব্যাপারে মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাখছুদুর রহমান বলেন, জাকির হোসেন নামের ছেলেটি খুবই পরিশ্রমী। তার সাফল্যে আনন্দিত হয়েছি। আমি তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করছি।

  • এবার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে চমক; কিছুক্ষণ পর ফল প্রকাশ

    ( জাগো কুমিল্লা ডটকম)
    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার কুমিল্লা বোর্ডে ভাল ফলাফল করেছে। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর বিশ্বস্ত সূত্রে নিশ্চিত করেছে। ধারণা করা হচ্ছে কুমিল্লা বোর্ডের শতকরা পাশের হার ৮০% ওপরের হওয়ার সম্ভাবন রয়েছে।

    এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের আটটি সাধারণ বোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। মাদরাসা বোর্ডে ৭০ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

    এবার ৭৭.৭৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন, যাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন।

    গত বছর এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন।

    সেই হিসাবে এবার মাধ্যমিকে পাসের হার কমেছে ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ পয়েন্ট। এ ছাড়া জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৫ হাজার ৮৬৮ জন।
    গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যেই ফল প্রকাশ করে আসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ রোববার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন। বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা এসময় তার সঙ্গে ছিলেন।

    দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করবেন শিক্ষামন্ত্রী। দুপুর ২টার পর থেকে পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

    গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে ও বিদেশের কয়েকটি কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমানের লিখিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলে ৪ মার্চ পর্যন্ত।

    এ বছর ৩ হাজার ৪১২টি কেন্দ্রে মোট ২০ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৯ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তার মধ্যে ১০ লাখ ২৩ হাজার ২১২ জন ছাত্র, ছাত্রীর সংখ্যা ১০ লাখ ৮ হাজার ৬৮৭ জন।

    ২০১৮ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে রবিবার (৬ মে)। প্রতিবছর দুপুর ২টায় ওয়েবসাইট, মোবাইলফোন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলাফল পাওয়া গেলেও এবার তা এক ঘণ্টা আগে পাওয়া যাবে। অর্থাৎ এবার দুপুর ১টায় শিক্ষার্থীরা ফলাফল হাতে পাবে।

    এর আগে সকাল ১০টায় শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফল হস্তান্তর করবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। আর প্রধানমন্ত্রীর হাতে হস্তান্তরের পর শিক্ষামন্ত্রী সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করবেন দুপুর ১২ টায়। এরপর দুপুর ১টা থেকে ওয়েবসাইট, মোবাইলফোন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ফল পাওয়া যাবে।

    এদিকে, এবারের ফলাফলেও লেটার গ্রেডের পাশাপাশি বিষয়ভিত্তিক নম্বরও জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা। তবে তা শুধু শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে। অবশ্য, শারীরিক শিক্ষা ও ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের নম্বর ওয়েবসাইটে যুক্ত থাকলেও এই দুই বিষয়ের নম্বর জিপিএ নির্ধারণে ভূমিকা রাখে না বলে জানিয়েছেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

    যেসব ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে ফলাফল: www.educationboardresults.gov.bd, ও সকল শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট–এ পাওয়া যাবে। এর মধ্যে ফল প্রকাশের পরপরই (দুপুর ১টা থেকে) শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল (বিষয় ভিত্তিক নম্বরসহ) পাওয়া যাবে।

    এছাড়া স্ব–স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে ফলাফল পাওয়া যাবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল ডাউনলোড পূর্বক প্রিন্ট করে আগের মতোই নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেয়ার সুযোগ পাবেন।

    মোবাইলের এসএমএস’র মাধ্যমে ফলাফল: সব অপারেটর (টেলিটক, রবি, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক ও এয়ারটেল) থেকে : মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC অথবা DAKHIL লিখে একটি space দিয়ে শিক্ষাবোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর (chi) লিখে একটি space দিয়ে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর লিখে একটি space দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। সংক্ষেপে : চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের ক্ষেত্রে SSC (space) chi (space) Roll (space) ২০১৮ লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

    মাদ্রাসাবোর্ডের ক্ষেত্রে: Dakhil (space) Mad (space) roll (space) ২০১৮ লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

    টেকনিক্যাল (কারিগরি) বোর্ডের ক্ষেত্রে: SSC (space) tec (space) roll (space) ২০১৮ লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়। লিখিত সৃজনশীল অংশের পরীক্ষা চলে ২৪ তারিখ পর্যন্ত। পরীক্ষায় সারা দেশের ২০ লাখ ৩১ হাজার ৮৯৯ জন অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ২৩ হাজার ২১২ এবং ছাত্রী ছিল ১০ লাখ আট হাজার ৬৮৭ জন।

  • ফের আলোচনায় তনু হত্যা মামলা: তদন্ত রিপোর্ট শিগগিরই :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, কুমিল্লায় কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের উচ্চ পর্যায়ে তদন্ত চলছে। শিগগিরই তদন্ত রিপোর্ট আলোর মুখ দেখবে।

    শনিবার বিকেলে সাভারের দত্তপাড়া এলাকায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ২১তম ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অন স্টুডেন্টস কোয়ালিটি কন্ট্রোল সার্কেল ২০১৮ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, টেকশই উন্নয়নে গুণগত শিক্ষার বিকল্প নেই। তাই মান সম্মত শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষা উপকরণ ও তথ্য জ্ঞান সমৃদ্ধ শিক্ষা ব্যবস্থার তথ্য বিনিময় এই কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্যে।

    উল্লেখ্য, ‘বৈশ্বিক শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য মানসম্মত শিক্ষা’ এ প্রতিবাদ্যকে সামনে রেখে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে চার দিনব্যাপী ২১তম ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অন স্টুডেন্টস কোয়ালিটি কন্ট্রোল (আইসিএসকিউসিসি) সার্কেল-২০১৮ শুরু হয়েছে গত বৃহস্পতিবার।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড কাউন্সিল ফর টোটাল কোয়ালিটি এন্ড এক্সেলেন্স ইন এডুকেশন এর চেয়ারম্যান ড. জগদীশ গান্ধী, নির্বাহী পরিচালক ড. ভিনিতা কামরান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইউসুফ এম ইসলাম, বাংলাদেশ সোসাইটি ফর টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট এর চেয়ারম্যান এ এম এম খায়রুল বাশার ও আইসিএসকিউসিসি-২০১৮ এর আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এম আর কবির।

    ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ইতিহাসের বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুকে হত্যা করে কুমিল্লা সেনানিবাসের পাওয়ার হাউজ এলাকার পাশের একটি জঙ্গলে লাশ ফেলে দেয় ঘাতকরা।

  • কুমিল্লায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

    অনলাইন ডেস্ক:
    কুমিল্লার চান্দিনায় বজ্রপাতে রহমত আলী (৪৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল ৫টায় উপজেলার গল্লাই ইউনিয়নের উত্তর গল্লাই ও মীরাখোলা গ্রামের ফসলি মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত রহমত আলী গল্লাই উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত আক্কাস আলীর ছেলে। আজ বিকেলে ঝড়-বৃষ্টির সময় ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু তার।

    চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী মাহমুদ জানান, বিষয়টি শুনেছি তবে বিস্তারিত জানি না। পুলিশের পক্ষ থেকে খোঁজ নেয়া হচ্ছে।

  • কুমিল্লার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী শানু বাহিনীরাই পুলিশের ওপর হামলা করে !

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী গলিয়ারা ইউনিয়নের উত্তর সূর্যনগর এলাকায় শুক্রবার সন্ধ্যায় ডিবি পুলিশের সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময়ের ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    ডিবির এসআই আনসারুল ইসলাম বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও মাদক আইনে ওই দুটি মামলা দায়ের করেন। শনিবার সন্ধ্যায় ডিবির ওসি নাসির উদ্দিন মৃধা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ডিবি সূত্রে জানা যায়, ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেলে সদর দক্ষিণ উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী উত্তর গলিয়ারা ইউনিয়নের উত্তর সূর্য নগর এলাকায় অভিযান চালায় ডিবির একটি টিম। এ সময় চোরাকারবারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে ডিবি পুলিশের ওপর হামলা ও গুলি বর্ষণ করে। এ সময় ডিবি পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে ডিবি পুলিশের এসআই ইসহাক মিয়া, এএসআই ফয়েজুর রহমান, কনস্টেবল মিল্লাত এবং মাদক ব্যবসায়ী শানু মিয়া আহত হন।

    এদিকে এ হামলার খবর পেয়ে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে ডিবির ওসি নাসির উদ্দিন মৃধা, কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আবু সালাম মিয়া এবং ডিবির পরিদর্শক ফিরোজ হোসেন অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশের ওই অভিযানে ২৫০ বোতল ফেনসিডিল ও ৭০ বোতল কিংফিসার বিয়ার উদ্ধার করা হয়।

    শনিবার সন্ধ্যায় ডিবির ওসি নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, মাদক উদ্ধার ও পুলিশের ওপর হামলার করার ঘটনায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী শানু মিয়াকে প্রধান আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহত পুলিশ এবং মাদক ব্যবসায়ী শানুকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।