Category: উপজেলার খবর

  • সুবিচার পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ভুক্তভোগী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র

     

    স্টাফ রিপোর্টার:

     বিগত ৯ বছর ধরে নানা অন্যায়ের শিকার হচ্ছেন নগরীর ৪নং ওয়ার্ড পুরাতন চৌধুরী পাড়ার, ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা, জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। একের পর হুমকি কারনে ২০১৭ সালে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য কুমিল্লা কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন।যার নাম্বার  -১৫৭ তারিখ-০৩.০৫.২০১৭।পরের বছর ২০১৮ সালের ২৮ জুন ফের একটি জিডি করেন তিনি।

    সাংবাদিক মওদুদ জানান, গ্রামের বাড়ী বরুড়া কেমতলীতে জাওয়ার পথে নিমশার এলাকায় সন্রাসী  হামলার শিকার হন।এ ঘটনায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৭ নং আমলী আদালতে  বরুড়া থানা সি আর -১২০৯/১৮, তারিখ:- ২৪.১০.২০১৮ ইং  দায়ের করলে বরুড়া থানায়  পুলিশের এস আই খাদেমুলের তদন্তাধীন থাকা সময়  জোরপূর্বক প্রত্যাহারের চাপ দেওয়া হয়। এরপর  জনমনে নাসকতা ছড়িয়ে আতঙ্ক  তৈরি করতে এবং ভয় ভীতি দেখাতে তার সাথে প্রান নাসের চেস্টা চালায়। এক পর্যায়ে তিনি প্রশাসন সহ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ মহলে লিখিত ভাবে তার সাথে এবং তাকে টার্গেট করে তার পরিবারের সাথে  বিভিন্ন অন্যায়-অত্যাচার সহ বিবিধ অপরাধ করে আসে এর উপর ভিত্তি করে মওদুদ আব্দুল্লাহ ভুক্তভোগী হয়ে লিখিত অভিযোগ আকারে উক্ত সমস্যাগুলোর প্রতিকার ও সমাধান প্রাপ্তির জন্যে  আবেদন করেন। এ সকল আবেদন গুলো গুরত্ব সহকারে এখতিয়ার সম্পন্ন পুলিশ প্রশাসন সহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আমলে নিয়ে  তদন্ত করেন।কিন্তু এই চক্রটির অশুভ শক্তি ও ক্ষমতার দাপটের কাছে সব কিছু  বাধাগ্রস্ত হয়।বিজ্ঞ আদালতে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র বাদী হয়ে প্রথম দিকে যে মামলা অপরাধে অভিজুক্ত অপরাধী গনদের নামে দায়ের করেন।সেই মামলার হাজিরার ধার্য তারিখে মওদুদ আব্দুল্লাহ আদালতে  উপস্থিত হতে গেলে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে তাকে আদালতে যেতে না দেওয়ায় অনেক গুলো তারিখ আদালতে অনুপস্থিত হতে হয়। তখন বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত মামলাটি খারিজ করে দেয়।

    পরবর্তীতে তারা দুইটি নাম্বার ব্যবহার করে ০১৯৭১ ০৭৩৫৮৪ ও ০১৭০৪ ২৭২৯৬১ নাম্বার দিয়ে আমার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ০১৭১১৪৩২২৬৯ তে কল ও বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি সহ ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।সদ্য গত ০৯.০৭.২০২৫ ইং আবার অপরাধে অভিজুক্ত অপরাধীরা তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ০১৩৪২ ৭১৩৮১২ থেকে কল দিয়ে ও এস এম এস দিয়ে  মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রকে প্রান নাশের হুমকি,আজে বাজে অশ্লীল অগ্রীম মওদুদ আব্দুল্লাহ আশে পাশে অবস্থান করে হুমকি  কথা বলে তার সাথে তারা বিভিন্ন ভাবে অপরাধ করবে বলে তার মধ্যে জানায় এবং প্রতিনিয়ত করে আসছে।তারা এও বলে বাসার ছাদের উপরে  পানির ট্যাংকির ভীতরে বিষ মিশিয়ে সবাইকে মেরে গন খুন করে ফেলবে এবং সামাজিক পরিসরে রাজনৈতিক অরাজকতাময় সহ তথ্য বিভ্রান্তি করে ক্ষতি সাধন সহ সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে অশ্লীল ছবি অপরাধীচক্রটি তৈরি করে তার সাথে ভিডিও ফুটেজ তৈরি করে এখানে সেখানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সহ বিভিন্ন ভাবে ছড়িয়ে দিবে এবং ইতিমধ্যে দিয়েছে বলে হুমকি প্রদান করে, যদি কিনা আগামী ১০ দিনের ভেতরে দায়ের করা থানা ও আদালতের  মামলা সমুহ আদালতের মাধ্যমে নিস্পত্তি না করা হয় তার সাথে এই সন্রাসীদের দাবি কৃত ১০ লাখ টাকা চাঁদা  না দেওয়া হয়।এই সন্ত্রাসী চক্র এই বিবিধ অপরাধ গুলো সুনিশ্চিত করবে বলে আগাম আল্টিমেটাম দেয়।তারা মতিন ও আলয়ামিন নামের আদালতের জারিকারক ও পুলিশ সদস্য একটি আদালতের থেকে ওয়ারেন্ট কপি দিয়ে যায় সাথে কুমিল্লা পুলিশ সুপার অফিস সুত্র শাখায় জোগাজগ করতে বলে আবার জেল জুলুম গ্রেপ্তার আতংকেত হুমকি দেখায় পরে পুলিশ তদন্তে প্রমাণিত হয় মিথ্যা জালিয়াতি মুলক ওয়ারেন্ট। অত:পর উক্ত আদালতের জারিকারক এবং পুলিশ সদস্য পোশাক পরে এসে থানার মামলা ও 

    জি ডি প্রত্যাহার না করলে তারা আমার ও আমার পরিবার যে কোন ধরনের তারা বললেই  মামলা ছাড়া তদন্ত ও সমনবিহীন এক তরফা মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে / থানার এফ আই  হয়ে জায় এই ধরনের আল্টিমেটাম তারা মোবাইল ফোনে এবং এস এম এস দিয়ে যাচ্ছে এবং সরাসরি আদালতের সামনে পাঞ্জাবি পায়জামা পরিহিত একজন ভদ্র লোক এবং পিছনে একজন বোরকা পরিহিত মহিলা উভয় নাকি  মামলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের কুমিল্লা তদন্ত হয়ে ওয়ারেন্ট বের হয় হয়। এই বিষয়ক এই ধরনের অপরাধ মামলা নাকি হয়েছে।এই বিষয়ে থানায় আমার আইনি অধিকার প্রসাসনিক সহজোগিতা পেতে থানায় ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কল্পে জি ডি করা হয়।এই বিষয়ে চক্রান্তকারীরা নেটওয়ার্ক করে বিভিন্ন ছদ্মবেশে এসে তারা অপরাধে এই পুরো নাসকতা ও অরাজকতা পৃষ্ঠপোষক ও আশ্রয়দাতা দের মাধ্যমে পরোক্ষ ভাবে এই চক্র টা কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানায় নিরাপত্তার জন্য সাধারণ ডায়েরি  প্রত্যাহার নানা প্রকার ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে।তারা আইন অমান্য করে এবং প্রশাসনকে অমান্য করে তারা নিজেদের কে বিড়াট কিছু ভাবছে।এই ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসন সহ অন্যান্য এখতিয়ার সম্পন্ন প্রশাসনকে  লিখিত ও মোখিক ভাবে অবগত করি। উক্ত জি ডি পুলিশ তদন্ত করে এই সকল মিথ্যা বিভিন্ন প্রশাসনের পরিচয় প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ    প্রমানিত হওয়ায়  সদ্য কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার সাধারণ ডায়েরি মুলে জি ডি তদন্তের আয়ু অফিসার ইনচার্জ কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার মাধ্যমে প্রসিকিউসন কুমিল্লা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মাধ্যমে তদন্তের অনুমতি প্রাপ্ত হয়।অত:পর সাংবাদিক  ও  পেশাজীবি মওদুদ আব্দুল্লাহ উপর একাধিক বার হামলা মামলা হওয়ার পর কি ভাবে অপরাধ গুলো করে এই বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন কে সাংবাদিক ও পেশাজীবি মওদুদ আব্দুল্লাহ পক্ষ থেকে আমার উক্ত অপরাধী নারী পুরুষ চক্র সাথে তাদের সাইবার অপরাধী হ্যাকার গ্রুপ তাদের কে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে বলা হয়- ” অনুগ্রহ করে আপনারা প্রশাসন আমাকে একজন জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে অনুগ্রহ করে আমার পিছনে আমাকে অবগত করে পিছু নেন তখন দেখতে পারবেন যে কারা ছদ্মবেশ ধারী অপরাধী আবার এও বলা হয় আপনারা আমাকে অবগত উক্ত আসামীগনদের পরোক্ষ লোকজন জারা আমার আশে পাশে সাম্ভাব্য অবস্থান করে বিবিধ অগ্রীম চক্রান্ত কতে ক্ষতি করার চেস্টা করছে আমি যেহেতু মামলার বাদী এবং জি ডি’ র বাদী আমাকে অবগত করে তাদের উপর গোয়েন্দা নজরদারিরে রাখুন। তখন এই বিবিধ অপরাধের অপরাধী মাস্টার মাইন্ড গডফাদারদের তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা যাবে।তবে এই খানে পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ পক্ষে পুলিশ প্রশাসন সহ সুশীল সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবিশেষরা বলেন- পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ একজন উচ্চ শিক্ষিত ও সভ্রান্ত উচ্চ শিক্ষিত পরিবারের কুমিল্লার প্রবীন সরকারি স্কুলের শিক্ষক দম্পত্তির সন্তান।সে মধ্যবিত্ত। তার পিছনে এই রকম ভাবে এতো বিবিধ চক্রান্ত বিভিন্ন সময়ে করে তাকে প্রতিটি মুহুর্তে বিপদে ফেলার এই অপরাধী চক্রের উদ্দেশ্য টা কি? কেন? কি কারনে? এই বিষয় টি সবার  ধারনা করে এই অপরাধ গুলো সম্ভবত সাংবাদিক ও পেশাজীবি মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র একজন মানবিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক। তার পিছনে বা তার পরিবারের পিছনে যদি কেহ তাদের জান, মাল ও প্রানের ক্ষতির উদ্দেশ্যে লেগেই থাকে তাহলে এ ক্ষেত্রে ধারনা সুনিশ্চিত ও সুনির্দিষ্ট ভাবে করা হচ্ছে- সাংবাদিক ও পেশাজীবি মওদুদ আব্দুল্লাহ চেনা জানা পরিচিত লোকজন মাধ্যমে ভাড়া করা অচেনা অপরাধী চক্রের দারা এই ধরনের অপরাধ গুলো করছে।

    অপরদিকে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় মানবাধিকার নেতা কর্মীরা বলছেন এবং এই বিষয়ক কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র নিরাপত্তা সহ এই ধরনের চক্রান্তবাজ অপরাধী ও তথ্য অপব্যাখ্যা কারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার প্রস্তাব ও অবগতি পত্র দিয়ে সকল আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের ব্যবস্থা পত্র সংলিস্ট অফিসে প্রদান করেন এবং বক্তব্যে বলা হয়  এদের গ্রেপ্তার আওতায় না আনলে এই ঘটনার পরিসমাপ্তি ঘটবে।আর তা না হলে পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র এবং তার পরিবারের কোন ধরনের উক্ত চক্র কিংবা উক্ত নারী পুরুষ গ্রুপ দারা ঘটে তার দায়ের করা জি আর মামলা রেকর্ড হওয়ার পর কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় তার ও তার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে ঘটলে এর দায়ভার সংলিস্ট পুলিশ প্রশাসনের উপর আসে।সংলিস্ট অপরাধ অভিজুক্ত অপরাধী ও চাদাবাজি চক্র সে বা তারা জেই হোক তারা বিভিন্ন মৌখিক এবং চক্রান্তমূলক কৌশলে যদি কোন অপরাধ করে আসছে তাদের এই এখতিয়ার আইনেও নেই যে কারোর মোলিক সুখাধিকার, ব্যক্তিগত জীবন জীবিকা, পেশাগত আর্থিক উপার্জনের বিষয়ক,  পারিবারিক  ও ব্যক্তিগত বিষয়ক এবং ভুমি বসত ভিটা সংক্রান্ত বিষয়ক বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ছাড়া  সমাজের বুকে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কোন ক্ষতিসাধন ক্ষমতা কেহ  রাখে না ও রাখতেও পারে না,ইহা আইনি বিরোধী ।এই খানে পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র দায়ের করা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী  চাদাবাজি চক্রের বিরুদ্ধে দায়ের করস মামলা ও কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল জি ডি তে এই বিষয় গুলো উল্লিখিত হয় এবং নথি পত্রতে এই ধরনের লিখিত ভাষাগত  আভাস পাওয়া জায়। অর্থাৎ এই খানে স্পষ্ট বুঝায় জাই কোন পেশীশক্তি বা কোন দস্যু এই অপরাধ গুলো করাচ্ছে। এই খানে কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সহ সকলের বক্তব্য একটা পুলিশ প্রশাসন অবশ্যই বাদী মওদুদ আব্দুল্লাহ সাথে অবগত করে অপরাধী কারা আরো গভীর ভাবে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আদালতের মামলা দায়ের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

    এছাড়া গত বছরের ৪ আগস্ট টিক্কাচর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় রাতের বেলায় শুভ্রকে উপর্যপুরী ছুরিকাঘাত করে মারধর করে।

    এ ঘটনায় কুমিল্লা সিনিয়র জ্যুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাদাঁবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩জন পুরুষ ও একজন মহিলাসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে ” চাঁদাবাজি সহ বিবিধ অপরাধ” মামলা দায়ের করে। যার নাম্বার দ্রুত সিআর ৩৬/২৪ যাহা কুমিল্লা  পিবিআই পুলিশ তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট গত ০৭.০৫.২০২৫ ইং স্মারক নাম্বার -২৭১৬ মুলে আদালতে দাখিল করেন। এরপর গত বছরের ১৩ ও ১৬ অক্টোবর তার উপর হামলা করে পুনরায় এই আসামী চক্র সহ অজ্ঞাতনামা আসামীগন হত্যার উদ্দেশ্য আক্রমন সহ চাদাবাজির নাসকতা চালায় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে আক্রমন চালায় ,এ ঘটনায় সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র বাদী হয়ে ৮ জন এজহার নামীয় আসামী সহ অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জন অপরাধে অভিজুক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে ” জখমী সহ বিবিধ অপরাধ ” অভিযোগ এনে  কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা এফ আই আর মামলা দায়ের করেন।যার নাম্বার-৪১, জি আর নাম্বার-৮৫০, তারিখ-১৪.১১.২০২৪ইং।উক্ত মামলায় একজন আসামিকে পুলিশ সহ যৌথবাহিনী গ্রেপ্তার করে। বাকি আসামীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে।তারাই মুলত পরোক্ষ লোক মারফত নানা বিধ অপরাধ করিয়ে আসছে তার সাথে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র দায়ের করা  মামলা প্রত্যাহার ও চাঁদার টাকা দাবি করে আসছে।তাছাড়াও উক্ত চক্রটি নারী পুরুষ স্যার গ্রুপ গঠন করে সিন্ডিকেট টি মওদুদ আব্দুল্লাহ বাসার আশে পাশে প্রায় এবং প্রতিনিয়ত ঘুরাফেরা করছে এবং কারোর বাসায় অবস্থান করছে বলে তাদের উপরোক্ত মোবাইল নাম্বার থেকে কল ও এস এম এস দিয়ে জানান দেয় যে, তারা অনেক শক্তিশালী তারা এও বলেন তাদের সাথে পুলিশ প্রশাসন সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের যোগাযোগ এবং তাদের ওই বাসায় যে বাসা অবস্থান করছে সেই বাসায় নিয়মিত যাতায়াত আছে। তাই তাদেরকে  অথবা কোন পুলিশ প্রশাসন, ডিবি পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‍্যাব সহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্যরা  কেহ কিছু করতে পারবে না। উলটো তারা চাইলে তারা পুলিশ প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহ সাধারণ মানুষ যারা যে কোন  মুহুর্তে যে কোন মানুষের সাথে তারা যে কাউকে যে কোন ভাবে যে কোন মামলায় গ্রেপ্তার,গুম খুন,কিডন্যাপ ও হত্যা সব করাতে পারবে।

    উক্ত মামলার আসামীদের সহ আসামীদের সংগীয় অপরাধে সুনির্দিষ্ট ভাবে অভিজুক্ত আসামীগনদের  গ্রেফতারের ব্যাপারে  চেষ্টা করে যাচ্ছে কুমিল্লা থানা পুলিশ, কুনিল্লা ডি বি পুলিশ সহ অন্যান্য  আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সর্বশেষ বিভিন্ন হ্যাকিং গ্রুপ দিয়ে  ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে তথ্য প্রজুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন অশ্লীল ছবি তৈরি করে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্রকে পুনরায় পাঠিয়ে চাদা দাবী করে আসছে।এই বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার কে বিস্তারিত  অপরাধের ঘটনা অবগত করে উনার আইনি পরামর্শ কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকেও অবগত ও অনুমতি ক্রমে অনলাইনে সাইবার অপরাধ সহ বিবিধ অপরাধ প্রতিকার চেয়ে আইনগত সুরক্ষা ও প্রশাসনিক নিরাপত্তা চেয়ে অনলাইনে  একটি সাধারণ ডায়েরি ( জি ডি)  দায়েত করা হয়। যার নাম্বার ২২২। জিডির তদন্তে ঘটনার সত্যতা খুজে পেয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-০১ কুমিল্লা স্মারক নাম্বার ২৩৮৯ তাং-১৭-০৩-২৫জিডিতে বর্ণিত সকল আসামীদের সকল অপরাধ তদন্তের অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত ডিআর ৫২৬/২৫, তাং-১৯-০৩-২৫ ইং মূলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেন। অতপর তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায়স্মারক নাম্বার ২৮২৬ তাং-০৬-০৪-২৫ইং অনুমতি নিয়ে আদালতে একটি নন এফআইআর মামলা করার জন্য প্রসিকিউশন দাখিল করলে মামলা রুজু হয়।যার  নন জিআর মামলা নাম্বার ২০/২৫তারিখ ০৭-০৪-২৫ রজু হয়। যাহা আসামীদের প্রতি সমন জারি করা হয়।কিন্তু আসামিরা সমন গ্রহন না করে আদালত অবমাননা এবং বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশ অবমাননা করার তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইতিমধ্যে প্রস্তুতি কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।সদ্যই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হবে বলে আদালত সুত্রে খবর পাওয়া যায়। 

    এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মুহিনল ইসলাম বলেন, মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র একাধিক অভিযোগ আমরা পেয়েছি, আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ আন্তরিকতার সহিত কাজ করছে।এই মামলা এজহার নামীয় সকল অপরাধে অভিজুক্ত  আসামিসহ উক্ত আসামিদের সাথে অপরাধে  সম্পৃক্ততা রয়েছে এই ঘটনার  সকল আসামীদেরকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে। ইতিমধ্যে এই অপরাধে অভিজুক্ত একজন আসামী কে পুলিশ তার আগের একাধিক মামলা সহ উক্ত মামলায়  অভিযান চালিয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ গ্রেপ্তার গ্রেফতার করে। এর পর কয়েক মাস পর থেকে শুরু হয় বিভিন্ন প্রেস মিডিয়াতে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় শুরু হয় অপরাধী চক্রের একটির পর একটি নাসকতা সাথে তথ্য বিভ্রান্তি। এই ব্যাপারে প্রশাসনের সকল এখতিয়ায় সম্পন্ন দপ্তর সহ পুলিশ সুপার সহ ডি বি পুলিশ, কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ক্যাম্পের অধিনায়ক সহ র‍্যাবের কোম্পানি কমান্ডার কে লিখিত ভাবে দায়ের করা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার এফ আই আর কপি, কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার  নিরাপত্তা সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি পত্রাদি সংজুক্তি করে অবগত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের অন্যান্য জেলার গোয়েন্দা সংস্থার বরাবরে লিখিত ভাবে অভিযোগ করা হয়। এই ক্ষেত্রে আসামীগনরা অত্যন্ত বেপরোয়া, তারা মামলা প্রত্যাহার সহ চাদাবাজি করার ফাদ পেতে প্রতিনিয়ত সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র একের পর এক দু:ঘটনা ঘোষণা দিয়ে ভবিষ্যতে যে কোন মুহুর্তে করবে তারই ধারাবাহিকতায় তারা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারন করে অরাজকতা করে আসছে।এই ভাবে তারা নিজেদেরকে প্রায় সময় মিথ্যা প্রশাসনের পরিচয় প্রদান করে যে কোন সময় যে কোন নাসকতা করার লক্ষ্যে একটি নারী পুরুষ সহ একটি চক্র অপরাধ করে আসছে।ধারনা করা যাচ্ছে তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ভীতরে সাংবাদিক ও পেশাজীবি মওদুদ আব্দুল্লাহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি নাজে হাল করে প্রান নাস করা সহ বিভিন্ন চক্রান্ত করে ক্ষতি সাধন করা।এদের প্রায় রহস্যময় আচরনের সাম্ভাব্য নারী পুরুষ কু- চক্রীয় বাহিনী মহল কে তাদের আশে পাশে চলাফেরা এবং অসাভাবিক আচরনে অনেক সময় তাদের কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেই তারা বলে- তারা এমনেতেই চলাফেরা হাটাহাটি করছে।পরে দেখা জায় তারা সুনির্দিষ্ট কিছু জায়গায় আশ্রয় পাচ্ছে।সেই খান থেকে তারা গোপন মিটিং করে তাদের অপরাধ গুলো চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিক থেকে মানবাধিকার কর্মী হিসেবে  বিভিন্ন সালিশ দরবার মিটিং করে, মিটিং দেখা যায়  সমাজের বিভিন্ন গন্য মান্য ব্যক্তি বিশেষ আইনজীবি সহ সকলের উপস্তিতিতে অভিযোগকারী ও বিবাদীদের জিজ্ঞাসা বাদ করলে  সেই খানে যদি সামাজিক সালিশের জেই পক্ষের কাগজের আইনে সঠিক আছে সেই পক্ষে কথা বললে বিপরীত পক্ষ অন্য দিকে প্রভাহিত করে এই নাসকতা করতে পারে নয়তো তার উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে অবৈধ চাহিদা পুরন না করতে পারায় তারা ক্ষতির উদ্দেশ্যে এই অপরাধ গুলো করতে পারে। এছাড়া তার মতো সাধারণ  পেশাজীবি, কর্মজীবী ও মানবাধিকার সদস্যদের সাথে লাগার মতো কোন কারন নেই।

    তিনি আরো জানায়, এই অপরাধী চক্রটাকে দমন করার জন্য এবং এদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতিমধ্যে হার্ডলাইন  অবস্থান নিয়েছে,খুব দ্রুতই মামলার এজহার নামীয় আসামী সহ আসামী চক্রের সন্ত্রাসী সকল অপরাধী ইন্ধনদাতাদের ,চাঁদাবাজ সহ  সকলকে নামে সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী  মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র দায়ের করা মামলা ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আগে থেকেই আছে।তাই তাদের  আইনের আওতায় এনে অতি দ্রুত গ্রেপ্তার করার ব্যাপারে থানা পুলিশ এবং এই মামলার তদন্তের আয়ু  যেটা যেটা আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করার দরকার, ইতিমধ্যে তার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।এই  মামলার অপরাধে অভিজুক্ত অপরাধী  আসামিদের গ্রেপ্তারের  অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • খালেদা জিয়ার আজ ৮১তম জন্মদিন

    অনলাইন ডেস্ক:

    বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৫ সালের এ দিনে তিনি দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদার দম্পতির তৃতীয় সন্তান তিনি। জন্মদিনের এই দিনে বিএনপির প্রধান গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় অবস্থান করবেন।

    কয়েক বছর ধরে খালেদা জিয়ার নির্দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে জন্মদিন পালন করা থেকে বিরত আছে বিএনপি। আজও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার জন্য তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। জন্মদিন উপলক্ষ্যে দলীয় প্রধানের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় আজ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

    কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে বেলা ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হবে। 

    অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন। পৈতৃক নিবাস ফেনীর ফুলগাজী হলেও তার শৈশব-কৈশোর কেটেছে দিনাজপুরে বাবার কর্মস্থলে। ১৯৬০ সালের আগস্টে তৎকালীন সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন খালেদা জিয়া।

    এ দম্পতির দুই সন্তান, তারেক রহমানের জন্ম ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর এবং ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট আরাফাত রহমান কোকোর। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের নামে বর্বরোচিত গণহত্যা শুরু করলে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি সেনারা বিদ্রোহ করেন। ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পর যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন মানুষ।

    ১৯৮১ সালের ৩০ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে বিপথগামী সৈন্যদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন। এর পরপরই জিয়াউর রহমানের গড়া বিএনপির রাজনীতিতে আগমন ঘটে খালেদা জিয়ার। দলের নেতাকর্মীদের দাবির মুখে ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি তিনি বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ লাভ করেন।

    পরে তৎকালীন সরকারবিরোধী দীর্ঘ আপসহীন আন্দোলনের পর ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এ পর্যন্ত তিন দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন খালেদা জিয়া। ওয়ান-ইলেভেনের পর মউনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকারের আমলে তিনি কারাবন্দি হন। পরে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির অভিযোগে কারাদণ্ড হলে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে আবারও বন্দি করা হয়।

    করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ৬ মাসের জন্য সাজা স্থগিত করে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ খালেদা জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয় সরকার। সেই থেকে বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি। ৬ মাস পরপর তার মুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছিল তৎকালীন সরকার।

    গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়ার সাজা বাতিল করে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান বিএনপির চেয়ারপারসন। লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। টানা ১৭ দিন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৫ জানুয়ারি বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসায় যান। টানা ৪ মাস চিকিৎসা শেষে মে মাসে ঢাকায় আসেন। এরপর থেকে গুলশানের বাসা ফিরোজায় অবস্থান করছেন।

    এদিকে খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে কেক কাটা বা আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান না করার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানান দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষ্যে তার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় এবং একই সঙ্গে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী শহীদ, ৯০-এর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ও ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের আশু সুস্থতা কামনায় বিএনপির উদ্যোগে ঢাকাসহ দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয় অথবা মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

  • বরুড়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে আউশ আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ

    মোঃ শরীফ উদ্দিন, বরুড়া:
    কুমিল্লার বরুড়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে আউশ আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন। ২১ এপ্রিল সোমবার সকাল ১০টায় বরুড়া উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে বরুড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে খরিপ-১/২০২৫ -২০২৬ মৌসুমে উফশী আউশ ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নু-এমং মারমা মং।
    প্রণোধনা বিতরণ কর্মসূচির সভাপতিত্ব করেন
    বরুড়া উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আলী, প্রদীপ দাস, পলাশ মজুমদার, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও আগত কৃষকবৃন্দ। এদিন উপজেলার ১৫ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ৭ হাজার কৃষক কে ৫ কেজী করে উফসী আউস ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার বিতরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য বরুড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যে কোন দূর্যোগ পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক সময়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নু-এমং মারমা মং এর সহযোগিতায় প্রণোদনা হিসেবে বিনামূল্যে ধান বীজ, সার ও বারো মাসি সবজি বীজ এবং নগদ অর্থ বিতরণ করে।

  • কুমিল্লায় মাটি কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল শ্রমিকের !

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বজ্রপাতে আনোয়ারুল হক (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ মে) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের খিরনশাল-লনিশ্বর মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত আনোয়ারুল লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার বারগরিয়া গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে।মুন্সিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সাহাব উদ্দিন মজুমদার রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    নিহতের সহকর্মী মজিবুর জানান, লনিশ্বর গ্রামের মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের কৃষি জমিতে সকাল থেকে আমরা ১০-১২ জন মাটি কাটছিলাম। দুপুরের দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। এক পর্যায়ে বজ্রপাতে আনোয়ারুল গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবুল হাসেম বলেন, বজ্রপাতে আহত আনোয়ারুল নামে ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়।

  • কুমিল্লা বরুড়ায় সম্পত্তি বিরোধ নিয়ে সংঘর্ষ; প্রাণ গেল দুইজনের, গুরুতর আহত ৩

    মারুফ আবদুল্লাহ,  কুমিল্লা

    কুমিল্লার বরুড়ার ভবানীপুর ইউনিয়নের জালগাঁও গ্রামে দুপক্ষের সংঘর্ষে দুই জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও তিন জন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

    দুজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভবানীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান।

    নিহতরা হলেন– জালগাঁও গ্রামের হাসান আলীর ছেলে আব্দুস সাত্তার (৬২) ও জামাল হোসেনের ছেলে খোরশেদ আলম (৩৫)। আহত হয়েছেন– নিহত খোরশেদের আত্মীয় জহির, জয়নাল ও মোর্শেদ।

    ইউপি চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান বেলা ৩টায়  বলেন, ‘একটি জমি নিয়ে আব্দুস সাত্তার এবং তার প্রতিবেশী জয়নাল ও তার ভাইদের দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলে আসছিল। এই ঘটনায় আদালতে একটি মামলাও চলছি। আজ সকালে সাত্তার জমিতে কাজ করতে গেলে জয়নাল, খোরশেদ, মোর্শেদ ও জহির তাকে বাধা দিতে যায়। এ সময় সাত্তার সঙ্গে থাকা একটি ছুরি দিয়ে চার জনকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় খোরশেদ। বাকি তিন জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনা শুনে জয়নালের লোকরা এসে সাত্তারকে পিটুনি দিলে সে ঘটনাস্থলে মারা যায়।’

    কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. আব্দুল্লাহ আল রাফি  বলেন, ‘জহিরুল ইসলাম জহির (২২), খোরশেদ ও জয়নাল আবেদিনকে (৪৬) এই হাসপাতালে আনা হয়েছিল।  তাদের সবার অবস্থার খারাপ ছিল। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় রেফার করেছি। শুনেছি দাউদকান্দি এলাকায় পৌঁছালে খোরশেদ নামের একজন মারা গেছেন। পরে তার লাশ নিয়ে আসা হয়। বাকিরা ঢাকায় আছে।’

    বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ আছে। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত আছে। বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।’

  • হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজে জাতীয় শোক দিবস পালিত

    আশিক ইরান।।
    যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করে বরুড়া উপজেলার হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ। দিবসটি উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মিলাদ ও আলোচনা সভা আয়োজিত হয়।


    কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর কাজী মোঃ মজিবুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সফিউল্লাহ পাটোয়ারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কামাল হোসেন পাটোয়ারী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।


    সভায় বক্তারা বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর অসামান্য অবদানকে স্মরণ করেন। একই সাথে ৭৫’র ১৫ আগস্টে নৃশংস হত্যাকান্ডের মাধ্যমে বাঙালি জাতির প্রতি দেশি-বিদেশী চক্রান্ত নিয়ে আলোচনা করেন।

  • কুমিল্লায় সম্পত্তির জন্য বাবাকে হত্যার দায়ে তিন ছেলের ফাঁসি


    মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

    কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বাবাকে হত্যার দায়ে তিন ছেলের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত।


    মঙ্গলবার কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খাঁন এ রায় দেন।

    দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার কান্দি এলাকার হাজী আব্দুল করিমের ছেলে ফয়েজ উল্লাহ, অহিদ উল্লাহ ও শহীদ উল্লাহ। বর্তমানে তারা পলাতক রয়েছেন।

    বিচারক তাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশের পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। অভিযুক্ত বাকি চার আসামিকে খালাস দেয়া হয়। কুমিল্লা আদালত পুলিশের ইন্সপেক্টর মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, হাজী আব্দুল করিম তিনটি বিয়ে করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত তিন ছেলেই তার প্রথম স্ত্রীর সন্তান। তৃতীয় স্ত্রীর ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে প্রথম স্ত্রীর ছেলে মেয়েদের জমি নিয়ে ঝামেলা হয়।

    ২০১৩ সালের ২৬ আগস্ট সকালের দিকে এ বিষয়ে ঝগড়ার এক পর্যায়ে প্রথম স্ত্রীর সন্তানরা বাবা হাজী আব্দুল করিমের ওপর হামলা করেন। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন তৃতীয় স্ত্রী সাফিয়া বেগম ।

  • মামলার রহস্য উদঘাটনে শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত বরুড়া থানা ওসি ফিরোজ হোসেন

    মোঃ শরীফ উদ্দিনঃ
    কুমিল্লার বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ হোসেন মামলার রহস্য উদঘাটনে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১১মে) মাননীয় আইজিপি কর্তৃক মনোনীত কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানা নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ হোসেন ও তার সংগীয় ফোর্স (ওসি তদন্ত নাহিদ আহমেদ) সহ মাননীয় আইজিপি কর্তৃক প্রশংসীত হয়েছে। কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল মান্নান (বিপিএম বার) এর ধন্যবাদ পত্রে জানা যায় বিগত এপ্রিল মাসে মামলার নং ২০টি তার মধ্যে গত ২৬-০৪-২০২৩ এর ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(৩)/৩০ তৎসহ ৩২৩/৫০৬ পিসি সংক্রান্ত গণধর্ষন মামলার ঘটনায় জড়িত ০৪ জন আসামীকে মামলা রুজুর পূর্বে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার ও তিনজন আসামির কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি গ্রহণের মাধ্যমে মামলার রহস্য উদঘাটন করেছেন এতে কুমিল্লা জেলা পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জল হয়েছে। তাই কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল মান্নান বিপিএম বার কর্তৃক মামলার রহস্য উদঘাটনে শ্রেষ্ঠ টিম ও অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কৃতিত্ব কর্মের স্বীকৃতি স্বরুপ সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেছেন বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ হোসেন।

    এ বিষয়ে বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ হোসেন বলেন সবাই ভালো কাজের সম্মাননা চায়। আমিও যেন ভালো কাজের মাধ্যমে বরুড়া বাসীর জন্য আইনের সেবক হিসাবে থাকতে পারি এটাই আমার প্রত্যাশা এবং ভালো কাজের মাধ্যমে বরুড়া থানার কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সর্বদাই সচেষ্ট থাকব।

  • কুমিল্লায় প্রতিবেশীদের দিয়ে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ; গ্রেফতার ৩

    আবু সুফিয়ান রাসেল।।
    কুমিল্লার বরুড়ায় প্রতিবেশীদের দিয়ে প্রেমিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

    এ বিষয়ে পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বলেন,বরুড়ার শাকপুর গ্রামের রাফির (২১) সাথে একজন তরুণীর (১৯) ফেসবুকে পরিচয় হয়। তারা দু’জন গার্মেন্টস শ্রমিক। পরিচয়ের পর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। গত ২৫ এপ্রিল রাতে ছেলের বাড়িতে মেয়ে আসে। রাত সাড়ে দশটায় রাফির মা তরুণীকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। শাকপুর ইঞ্জিনিয়ার গেইটের সামনে সিএনজি চালিত অটো রিকশার গতিরোধ করে। ভিকটিমকে বাগান বাড়িতে নিয়ে তিন যুবক মিলে পালাক্রমে রাত ১২টা পর্যন্ত গণধর্ষণ করে। সে রাতে ভিকটিম বরুড়া থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিএনজি চালিত অটো রিকশা চালকের সূত্র ধরে আসামীদের গ্রেফতার করা হয়। আসামীরা হলো রুবেল (২৭), শামিম (২৩) ও জাকির (৩৫)। তারা জানিয়েছে ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিমের প্রেমিক রাফির ইন্ধন আছে। তারা সবাই শাকপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। একে অন্যের প্রতিবেশী। এ মামলার তদন্ত চলমান। আসামী রুবেলের নামে তিনটি, শামিমের নামে একটি এ জাকিরের নামে তিনটি মামলা আছে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) খন্দকার আশফাকুজ্জামান, বরুড়া থানার ওসি ফিরোজ হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বরুড়ায় জঙ্গলে নিয়ে কিশোরীকে ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা

    আবদুল্লাহ আল মারুফ

    কুমিল্লায় বরুড়ায় জঙ্গলে নিয়ে এক কিশোরীকে (১০ ) ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলার উপজেলার ভাউকসার ইউনিয়নের রাড়ী গ্রামের একটি জঙ্গলে কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। স্থানীয়দের অভিযোগ ধর্ষণের শিকার হয়ে মৃত্যু হয় ওই কিশোরীর। এ ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে আটক করে স্থানীয়রা।

    আটক যুবক ভাউকসার ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের মনোহর আলীর ছেলের মো. জসিম (২৮)।সে মাদকাসক্ত। এলাকার বিভিন্ন স্পর্টে মাদক সেবন করে একটি চক্র।

    স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সফিকুর রহমান রাত ১০ টায় বলেন, সন্ধ্যায় আমাকে মেয়ের মামাতো ভাই কল দিয়ে বলে তার ফুফাতো বোনকে তারা পাচ্ছে না। জসিমের সাথে শেষবার তাকে দেখা গেছে তাই স্থানীয়রা তাকে আটক করেছে। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে জসিমকে জিজ্ঞেস করলে সে অস্বীকার করে বলে সে ওই কিশোরীকে দেখেনি। পরে স্থানীয় কয়েকজন তার সামনেই দেখেছে বললে সে চুপ হয়ে যায়। আমি তাকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসি। ইউনিয়ন পরিষদে আসলে খবর আসে ওই মেয়েটার লাশ পাওয়া গেছে। আমি ঘটনাস্থলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর পুলিশও ঘটনাস্থলে আসে। ওই ছেলেকে পুলিশ নিয়ে গেছে এবং লাশও নিয়ে যায়।

    তিনি বলেন, ধর্ষণের শিকার হয়েছে কিনা তা বলতে পারবো না। তবে ধারণা করা হচ্ছে এমনটাই। তাছাড়া মেয়েটার হাতে দড়ি বা কিছু দিয়ে বাধার চিহ্ন আছে।

    স্থানীয় ভাউকসার ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মাশরুল হক বলেন, ঘটনা শুনেছি। ধর্ষণের কারণে মেয়েটা মারা গেছে বলে জানতে পারলাম। তবে এখনও নিশ্চিত না। পুলিশ তদন্ত করছে।

    বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, কিশোরীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।