Author: bikedokan@gmail.com

  • বরুড়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে আউশ আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ

    মোঃ শরীফ উদ্দিন, বরুড়া:
    কুমিল্লার বরুড়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে আউশ আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন। ২১ এপ্রিল সোমবার সকাল ১০টায় বরুড়া উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে বরুড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে খরিপ-১/২০২৫ -২০২৬ মৌসুমে উফশী আউশ ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নু-এমং মারমা মং।
    প্রণোধনা বিতরণ কর্মসূচির সভাপতিত্ব করেন
    বরুড়া উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আলী, প্রদীপ দাস, পলাশ মজুমদার, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও আগত কৃষকবৃন্দ। এদিন উপজেলার ১৫ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ৭ হাজার কৃষক কে ৫ কেজী করে উফসী আউস ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার বিতরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য বরুড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যে কোন দূর্যোগ পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক সময়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নু-এমং মারমা মং এর সহযোগিতায় প্রণোদনা হিসেবে বিনামূল্যে ধান বীজ, সার ও বারো মাসি সবজি বীজ এবং নগদ অর্থ বিতরণ করে।

  • কুমিল্লায় গুড়া মাছ কিনে আনায় ছুড়ে মারেন স্বামীর উপর; স্ত্রীকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ স্বামীর!

     (নাজিম উদ্দিন, মুরাদনগর)

    বাজার থেকে কিনে আনা পুটি মাছ কাটাকুটি নিয়ে দ্বন্দের জেরে স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা করেছে স্বামী। স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বামী নিজেই আবার থানায় গিয়ে উপস্থিত হয়ে দেন ঘটনার বর্ণনা। শনিবার দুপুরে এমনটাই ঘটেছে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজার এলাকার উত্তর ত্রিশ গ্রামে। 

    ঘাতক স্বামী বাছির উদ্দিন (৩৫) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার সাহাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে। নিহত স্ত্রী মৌসুমী আক্তার (২৯) দেবিদ্বার উপজেলার নবীপুর গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে। 

    স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বাছির উদ্দিন একটি মেডিসিন কোম্পানির মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ এরিয়ার রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে চাকুরি করেন। সেই সুবাদ আড়াই বছর যাবত উত্তর ত্রিশ গ্রামের আলাল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া আছেন।

    শনিবার দুপুরে কোম্পানিগঞ্জ বাজার থেকে পুটি মাছ কিনে নিয়ে যায় বাছির উদ্দিন। সেই ছোট দেশী পুটি মাছ নিয়ে বাসায় যেতেই স্ত্রী মৌসুমী আক্তার মাছ কাটাকুটি করতে পারবে না বলে মাছ ছুড়ে মারেন স্বামীর উপর। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী বাছির উদ্দিন তার স্ত্রী মৌসুমী আক্তারকে গলাচেপে ধরে শ্বাসরুধ করে হত্যা করে। পরে সে নিজেই মুরাদনগর থানায় গিয়ে উপস্থিত হয়ে পুলিশকে তার স্ত্রীকে হত্যার বিষয়টি জানায়।

    থানায় উপস্থিত হয়ে পুলিশকে বাছির উদ্দিন জানান, নয় বছর আগে সে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন মৌসুমী আক্তার কে। তাদের এই সংসার জীবনে রয়েছে ৪ বছর বয়সী জমজ ১টি ছেলে ও ১টি মেয়ে। সে আরো জানায় দীর্ঘদিনের এই সংসার জীবনে তার স্ত্রী মৌসুমী আক্তার তাকে প্রতিনিয়ত মানসিক ভাবে যন্ত্রণা দিতো। তবে সে তার স্ত্রীকে হত্যার কোন পূর্বপরিকল্পনা ছিলনা। বাজার থেকে আনা পুটি মাছ যখন তার উপর ছুড়ে মারে সে তখন নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে গলাটিপে হত্যা করে।

    ঘাতক বাছির উদ্দিন এর বাড়ীর মালিক আলাল জানান, দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে তারা আমার বাসায় ভাড়া থাকে। আমার চোখে দেখা বাছির একজন অত্যন্ত ভালো মানুষ। এখন পর্যন্ত তাদের কোন পারিবারিক কলহ আমাদের চোখে পড়েনি। কেন এই হত্যাকান্ড আসলে কিছুই বুঝতে পারছি না। শয়তানের ধোকায় পরে হয়তো সেই কাজটা করেছে। 

    মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান জানান, শনিবার দুপুরের দিকে যখন বাছির উদ্দিন থানায় উপস্থিত হয়ে আমাকে জানায় সে তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে, তখন প্রথমে আমার বিশ্বাস হয়নি। পরে খোঁজ নিয়ে জানি ঘটনা সঠিক। ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বাছির উদ্দিন থানা হেফাজতে আছে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

  • শুভ্রর সাত বছরের দুঃস্বপ্ন: ‘স্যার গ্রুপ’-এর হুমকি, হামলা ও হয়রানির শিকার এক ঠিকাদার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা:
    ২০১৭ সালে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য কুমিল্লা কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নগরীর ৪নং ওয়ার্ড ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। সেই জিডিতে তিনি সাবেক ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কিছু চিহ্নিত ব্যক্তিসহ কয়েকজন স্থানীয় দুর্বৃত্তের নাম উল্লেখ করেছিলেন (জিডি নং: ১৫৭)। কিন্তু নিরাপত্তার আশায় করা সেই জিডি তার জন্য আশীর্বাদ নয়, পরিণত হয় দীর্ঘমেয়াদি এক দুঃস্বপ্নে।

    পরের বছর ২০১৮ সালের ২৮ জুন ফের একটি জিডি করেন শুভ্র (জিডি নং: ১৫৩৮)। এরপর থেকেই তার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসার এলাকায় তার ওপর হামলা হয়, কিন্তু কোতোয়ালী থানায় তখন মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায় পুলিশ। বাধ্য হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। সেই মামলা প্রত্যাহারের জন্য ‘স্যার গ্রুপ’ নামক একটি চক্র তার বাসার সামনে ককটেল হামলা চালায়। একপর্যায়ে তিনি পরিবার নিয়ে শহর ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।

    ভুয়া ওয়ারেন্ট, পুলিশের ছদ্মবেশ ও চাঁদাবাজি
    এক সময় দুই ব্যক্তি নিজেকে আদালতের পুলিশ পরিচয় দিয়ে শুভ্রর বাসায় গিয়ে ভুয়া ওয়ারেন্ট দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং টাকা দাবি করে। পরে তদন্তে ওয়ারেন্টটি ভুয়া প্রমাণিত

    উক্ত বিষয় ও ঘটনার উপর ভিত্তি করে কুমিল্লা সিনিয়র জ্যুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাদাঁবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩জন পুরুষ ও একজন মহিলাসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করে। যার নাম্বার দ্রুত সিআর ৩৬/২৪, তাং-১৯-০৮-২০২৪। যাহা পিবিআই এর তদন্তাধীন রয়েছে। অত:পর কুমিল্লা কতোয়ালী থানায় জখমি সহ বিবিধ অপরাধ এর উপর ভিত্তি করে ৮জনের নাম উল্লেখ কওে অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামী করে অপর আরেকটি জিডি করা হয় যার নাম্বার- ৪১/৮৫০, তাং-১৪-১১-২৪। এই অভিযোগের মূলে আসামীদেও গ্রেফতার করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন।
    তারপর থেকে স্যারগ্রুপের সদস্যরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে প্রকাশ্যে চাদাঁ দাবী শুরু করে। বিভিন্ন দেশীয় ও অগ্নেয় অস্ত্র নিয়ে শুভ্রের পেশাগত কাজের সাইটে তারা পিছু পিছু যায়। ৪ জানুষারী ২০২৫ সন্ত্রাসীরা পিস্তলের বাট দিয়ে শুভ্রকে আঘাত করে আহত করে। এবিষয়ে কতোয়ালী থানায় আরেকটি অভিযোগ করা হয়। যার নাম্বার এসডিআর, রেকর্ড নাম্বার-২৬/২৫।
    সর্বশেষ স্যার গ্রুপ অনলাইনে বিভিন্ন হ্যাকিং এর মাধ্যমে ক্ষতি করার চেষ্টা চালায়। দুটি নাম্বার থেকে চাদৃঁ দাবী কওে নাম্বারগুলো হলো ০১৯৭১০৭৩৫৮৪, ০১৭১৪২৭২৯৬১। এবিষয়ে একটি জিডি হয় যার নাম্বার ২২২ তাং-০৩-০২-২৫
    পরবর্তীতে জিডির তদন্তের আই ও এসআই ফিরোজ হোসেন তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা খুজে পায় ওআসামীদেও শনাক্ত করতে পারেন। তিনি বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-০১ কুমিল্লা স্মারক নাম্বার ২৩৮৯ তাং-১৭-০৩-২৫জিডিতে বর্ণিত সকল আসামীদের সকল অপরাধ তদন্তের অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত ডিআর ৫২৬/২৫, তাং-১৯-০৩-২৫ ইং মূলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেন। অতপর তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায়স্মারক নাম্বার ২৮২৬ তাং-০৬-০৪-২৫ইং অনুমতি নিয়ে আদালতে একটি নন এফআইআর মামলা করার জন্য প্রসিকিউশন দাখিল করে।যার নাম্বার ২৪/২৫ নন জিআর মামলা নাম¦ার ২০/২৫তারিখ ০৭-০৪-২৫ রজু হয়। যাহা আসামীদেও প্রতি সমন সহ প্রয়োজনিয় ব্যাবস্থা গ্রহন করে। অত:পর এই সংগীয় স্যার গ্রুপ চক্র কাকতালীয় ভাবে খবর পেয়ে যায় এবং মটরসাইকেল ও বিভিন্ন গাড়ি নিয়ে ভিক্টিমের পিছু নেয়। তাকে মিথ্যা মামলা, গুম-খুন করে হয়রানীর প্রচেষ্টা চালায়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরামর্শে ভিক্টিম আরেকটি জিডি করে যার নাম্বার ৮৭, তাং-১৩-০৪-২৫ যা অনলাইনে রেকর্ডভুক্ত করা হয়। এর আগে শুভ্র পুলিশ সুপারকে সকল ধরনের অভিযোগ উল্লেখ করে একটি অভিযোগ করেন। যার স্মারক নং-২৪৮৩/এম, তাং-১২-০৪-২৫। বিষয়গুলো পুলিশ সুপারের নজরে আসলে তিনি বিষয়টি আমলে নিয়ে থানার অফিসার ইনচার্জকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার ও এজাহার ভ’ক্ত আসামীদের গ্রেফতারের নির্দেশ প্রদান করেন।

  • সয়াবিন তেল লিটারে ১৪ টাকা বাড়ল

    প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৪ টাকা বাড়িয়েছেন ভোজ্যতেল মিলমালিকেরা। এর ফলে বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম এখন ১৮৯ টাকা, যা আগে ১৭৫ টাকা ছিল। রোববার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    নতুন দাম ঘোষণার পর আজ থেকেই তা কার্যকর হয়েছে বলে জানান তারা।

    নতুন ঘোষণা অনুসারে পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯২২ টাকা, যা আগে ছিল ৮৫২ টাকা। বোতলজাত তেলের পাশাপাশি খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ১৬৯ টাকা, যা আগে ছিল ১৫৭ টাকা।

    এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর সর্বশেষ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন লিটারপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয় ১৭৫ টাকা।

  • কুমিল্লায় ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক স্কুলের হিফজ বিভাগের ওরিয়েন্টেশন 

    আবু সুফিয়ান, কুমিল্লা 

    ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক স্কুলের হিফজ বিভাগের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১২ এপ্রিল)কুমিল্লা নগরীর ডিসি রোডের স্কুলের নিজস্ব ক্যাম্পাসে 

    এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন কাসেমুল উলূম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক,  নাগাইশ দরবারের পীর সাহেব মাওলানা মোস্তাক ফয়েজী, সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ নূর উদ্দিন আহমেদ, আল-হারাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠার মাওলানা জুহাইর বিন আব্দুস সাত্তার, কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক স্কুলের চেয়ারম্যান ডাঃ আ. ন. ম. জানে আলম, স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জি. মোঃ সাইফুল ইসলাম,টিএন্ডটি তারা জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব ক্বারী কাওসার আল হামিদ। 

    সমাপনী আলোচনায় কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক স্কুলের চেয়ারম্যান ডাঃ আ. ন. ম. জানে আলম বলেন, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এ প্রতিষ্ঠান। আমরা চাই ক্যামব্রিজ সিলেইবাসের পাশাপাশি আমাদের ইসলামী জ্ঞান অর্জন করবে। ধর্মের মৌলিক বিষয় জানবে। এ স্কুলে পরিচালকদের সন্তানরা পড়ে।

  • ঈদ যাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩২২, আহত ৮২৬

    অনলাইন ডেস্ক:

    পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের সড়ক মহাসড়কে ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত ৮২৬ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথে ২১টি দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত, আটজন আহত হয়েছেন। নৌ-পথে চারটি দুর্ঘটনায় ১০ জন নিহত, একজন আহত ও একজন নিখোঁজ আছেন। সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট ৩৪০টি দুর্ঘটনায় ৩৫২ জন নিহত ও ৮৩৫ জন আহত হয়েছেন।

    আজ বুধবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

    তিনি বলেন, এবার দীর্ঘ ছুটির কারণে ধাপে ধাপে বাড়ি ফেরার সুযোগ হওয়ায় দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। দেশের সড়ক-মহাসড়কের অবস্থা আগের তুলনায় ভালো থাকায়, সরকারের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, হাইওয়ে পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কার্যক্রম ছিল যাত্রীবান্ধব ও দৃশ্যমান।

    ঈদযাত্রা শুরুর দিন ২৪ মার্চ থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ১৫ দিনে ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত ৮২৬ জন আহত হয়েছে। ২০২৪ সালের ঈদুল ফিতরে ৩৯৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০৭ জন নিহত ও ১ হাজার ৩৯৮ জন আহত হয়েছিলেন। গত বছরের সঙ্গে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ২১ দশমিক ০৫ শতাংশ, প্রাণহানি ২০ দশমিক ৮৮ শতাংশ, আহত ৪০ দশমিক ৪১ শতাংশ কমেছে।

    প্রতিবেদনে দেখা যায়, বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। এবারের ঈদে ১৩৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫১ জন নিহত, ১৫৫ জন আহত হয়েছেন, যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৪২ দশমিক ৮৫ শতাংশ, নিহতের ৪৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং আহতের ১৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ প্রায়।

    মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সময়ে সড়কে মাফিয়া সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ায় ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকায় সড়কে খানিকটা শৃঙ্খলা ফিরেছে। দীর্ঘ ছুটির কারণে ধাপে ধাপে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগানোর কারণে স্বস্তিদায়ক যাতায়াতের পাশাপাশি দুর্ঘটনা কিছুটা কমেছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘দক্ষ চালক গড়ে তোলা, উন্নত বাস নেটওর্য়াক গড়ে তোলা, আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা, সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনিয়ম দুর্নীতি ও মালিক সমিতির প্রভাব মুক্ত রাখা, মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ করা, নিষিদ্ধ ত্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধ করা, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের আমদানি বন্ধ করে দেশব্যাপী উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওর্য়াক গড়ে তুলতে হবে।

    দুর্ঘটনার কিছু কারণ শনাক্ত করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এগুলো হলো, দেশের সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোরিকশা অবাধে চলাচল। জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা। সড়কে মিডিয়ামে রোড ডিভাইডার না থাকা, অন্ধ বাঁকে গাছপালায় দৃষ্টি-প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি। উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাঁদাবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন। অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন। বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং একজন চালক অতিরিক্ত সময় ধরে যানবাহন চালানো।

    দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কিছু সুপারিশ দিয়েছে সংস্থাটি। এগুলো হলো- মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশা আমদানি ও নিবন্ধন বন্ধ করা। জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতের বেলায় অবাধে চলাচলের জন্য আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা। দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ, যানবাহনের ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিটনেস প্রদান। গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে সার্ভিস লেনের ব্যবস্থা করা। ঈদের ছুটি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া।

  • কুমিল্লায় কেএফসি ভাংচুর; অভিযানে আটক ৩

    তানভীর দিপু, কুমিল্লা 

    ইসরায়েলি পণ্য বলে অভিযোগ এনে কুমিল্লা নগরীর কেএফসি রেস্টুরেন্টে ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেছে। এপর্যন্ত ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল মালিক। অন্যান্যদের গ্রেফতার ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর রানের বাজারে কেএফসি ভাঙচুরের পর কোতোয়ালি থানা ও ডিবি পুলিশের একাধিক টিম সিসি ক্যামেরা ফুটেজ ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রের সহায়তায় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। পুলিশ জানায়, গ্রেফতার হওয়া তিনজন হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার মাটিয়ারা এলাকার তোফায়েল আহমেদের ছেলে শাফায়াত (২৭), নগরীর কাপ্তানবাজার এলাকার জহিরুল ইসলামের ছেলে মো: জিহাদ (২১) এবং শাসনগাছা এলাকার শামসুল আলমের ছেলে মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক আসলাম (২১)।

    এ বিষয়ে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক আরো জানান, গতকাল সন্ধ্যায় কেএফসি রেষ্টুরেন্টে অতর্কিত ভাংচুরের ঘটনার পর থানা ও ডিবি পুলিশের একাধিক টিম সিসিটিভি ফুটেজ, সোশ্যাল মিডিয়া ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা শুরু করে। মঙ্গলবার দুপুরে কেএফসি ভাঙচুরের ঘটনায় কোতোয়ালি থানার পুলিশ উপরিদর্শক বীরঙ্গচন্দ্র মন্ডল বিশেষ ক্ষমতায়নে একটি মামলা দায়ের করেন। এরই মধ্যে গতকাল রাত থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি অপরাধীদের গ্রেফতার করার জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এসব ভাঙচুরের বিষয় বরদাস্ত করা হবে না, যারাই এসব কাজে জড়িত থাকবে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে

  • জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন মওদুদ শুভ্র, প্রধান ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ

    মানুষ যখন নিজের বাচাঁর অধিকার হারিয়ে ফেলে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায় তখন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তির দৃষ্টি কামণা করে একটু বেঁচে থাকার জন্য। মনের আকুতি দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তির হস্তক্ষেপ কামণা করেন যেন বাবা, মা,স্ত্রী ও সন্তানাদি নিয়ে এ পৃথিবীতে একটু স্বাভাবিক ভাবে বাঁচতে পারে।

    একাধিকবার হামলাকারী দুর্বৃত্তরা তাকে জখম,হামলা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে লাশ ইট ভাটায় পুড়িয়ে ফেলবে বলে থ্রেট দিয়েছে অনেকবার ।

    মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র কুমিল্লা জেলা প্রশাসক বরাবর ২৭ নভেম্বর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। একই তারিখে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর এবং কুমিল্লা র‍্যাব ১১ কোম্পানি কমান্ডার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

    গত বছরের ৪ ডিসেম্বর জেলা ডিজিএফআই এবং এনএসআই কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

    দীর্ঘ সাত মাসে পুলিশ এজহারনামীয় মাত্র একজন জন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে। বাকি আসামীরা এখনও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। এতে প্রাণনাশের শঙ্কা নিয়ে প্রতিনিয়ত চলাচল করছেন তিনি।

    মওদুদ শুভ্র জানান, আমার স্ত্রী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। তাকে সন্ত্রাসীরা কলেজে যাওয়ার সময় এসিড মারার হুমকি দেয়। যার দরুন আমার স্ত্রীর কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে এজন্য তার পড়ালেখা বন্ধ হয়ে গেছে । ভিকটিম শুভ্রর ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইমো তথ্য প্রযুক্তি অপব্যবহার করে হ্যাকিং ও ক্লোনিং করা সহ পরোক্ষ লোকদারা জনমনে অপুরনীয় ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে নানা বিধ তথ্য বিভ্রান্তি ও তথ্য গুজব চাদাবাজি ও মামলা প্রত্যাহার করার অসৎ উদ্দেশ্যে উক্ত কথিত প্রশাসনের নাম ধারী ” স্যার গ্রুপ ” নামীয় অস্ত্রধারী দুঃস্কৃতিকারিরা।

    এ বিষয়ে মওদুদ শুভ্র বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের সাবেক ক্ষমতাসীন নেতার অনুসারী সন্ত্রাসীরা আমার বাসার সামনে পুরাতন চোধুরী পাড়ার ডেলুনি বাড়ি গলিতে কালিবাড়ীর পুকুর পাড়ে দু’টি মোটরসাইকেলে এসে অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যায়। এসময় তারা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং আমাকে মামলা প্রত্যাহার করতে আল্টিমেটাম দেয়। মামলা প্রত্যাহার না করলে উল্টো তারা মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে ফাঁসাবে বলে আল্টিমেটাম দিয়ে যায়। আমাকে তারা উঠিয়ে নিয়ে যাবে এবং জানে মেরে ফেলবে। সেই সঙ্গে লাশ গুম করে ফেলবে বলেও হুমকি দিয়ে যায়।

    তিনি আরও জানান, মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয় কে অবগত করে ও অফিসার ইনচার্জ কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় আইনি পরামর্শে তথ্য প্রজুক্তি সহ অপরাধী কর্তৃক বিভিন্ন নাশকতামূলক তথ্য বিভ্রান্তি, ফেসবুক আইডি হ্যাকিং, মোবাইল সিম নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ ক্লোনিং এবং ফেসবুকে ছবি এডিট করে বেকায়দায় ফেলে চাদা দাবি করা সহ আমার দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার বিষয়ক হুমকি ধমকি সহ উক্ত আসামীদের পরোক্ষ লোক এবং আসামিদের মনোনিত সাইবার অপরাধী চক্র এই নাসকতা গুলো করন সহ অপুরনীয় ক্ষতি করার চেস্টা করে জার নিরাপত্তা, প্রতিরোধ ও প্রতিকার চেয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানায় অনলাইনে বিশেষ জি ডি ( সাধারণ ডায়েরি) রেকর্ড ভুক্ত করন করা হয়। যাহার নাম্বার-২২২, তারিখ:০৩. ০২.২০২৫।উক্ত জি ডি’ র তদন্তের আয়ু এস আই ফিরোজ হুসাইন।

    আমার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ২০১৭ সাল থেকে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে আসছি। আমাকে অস্ত্র দিয়ে জখম, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের দরুন কোতোয়ালি মডেল থানায় ১৪ নভেম্বর আমি ৮ জনের নামসহ অজ্ঞাত ৪ থেকে ৫ জনের নামে মামলা দায়ের করি।

    মামলার এজহার নামীয় পলাতক সহ তাদের পরোক্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দ্বারা হুমকি ধমকি সহ প্রান নাশ করিবে এবং ভিক্টিম মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র পরিবারের সদস্যদের অপূরণীয় ক্ষতি করিবে বলে আল্টিমেটাম দিয়ে যাচ্ছে।এই ব্যাপারে স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবগত থাকার পরও আসামিদের সন্ধান মিলছে না বিধায় আসামিদেরকে গ্রেফতার হতে আনতে পারছে না।কিন্তু আসামিপক্ষের তো আসামিপক্ষে পরোক্ষ লোক নাশকতা থেমে নেই।

    গত বছরের ৩ আগস্ট রাতে আমি টিক্কচর ব্রিজ অতিক্রম করে শহরের দিকে আসছিলাম। এসময় বিগত আওয়ামী লীগের ১৩/১৪ জন সন্ত্রাসী ৪ থেকে ৫টি মোটরসাইকেল ও একটি সিনএনজিতে এসে আমার সিএনজির গতিরোধ করে। এসময় সন্ত্রাসীরা আমার কাছে দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমার সঙ্গে থাকা মোবাইল ও টাকা পয়সা এবং সাংবাদিকতার কাজে ব্যবহৃত ক্যামেরা, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন সিম সহ ছিনিয়ে নেয়। তখন আমি তাদেরকে বলি দশ লাখ টাকা চাঁদা কেন দিতে হবে? তখন তাদের মধ্যে কয়েকজন বলে- কুমিল্লার এই শহরে কাজ করলে আমাদেরকে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি করলে তারা আমাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। আমি সিএনজি চালকের সাহায্যে আমার বন্ধু কুমিল্লা জজকোর্টের আইন পেশায় নিয়োজিত মোহাম্মদ জিল্লুর সহ অন্যান্য বন্ধুদের ফোন করি।তারা কয়েকজন কিছু ক্ষিনের ভীতরে এসে আমাকে নিয়ে ওই রাতেই কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করায় ও বাম হাতে সেলাই সহ পুরো শরীরে সন্ত্রাসীদের আঘাতের জখমী চিকিৎসা সেবা নেন ।

    ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মধ্যে পতনের দু’দিন আগে ৩ আগস্ট থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকার কারণে গত বছরের ১৯ আগস্ট দ্রুত বিচার আইনে অজ্ঞাতনামা ৩ জন পুরুষ ও একজন মহিলাকে আসামি করে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরসহ মামলা দায়ের করা করি। যাহা কুমিল্লা জেলা পিবিআইয়ের তদন্তনাধীন রয়েছে। মামলার ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় কুমিল্লা জেলা পিবিআইয়ের ইন্সপেক্টর মোসলেহ উদ্দিন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চূড়ান্ত প্রতিবেদন বিজ্ঞ আদালতে দাখিলের পর্যায়ে রয়েছে।

    আমার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ২০১৭ সাল থেকে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে আসছি। আমাকে অস্ত্র দিয়ে জখম, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের দরুন কোতোয়ালি মডেল থানায় ১৪ নভেম্বর আমি ৮ জনের নামসহ অজ্ঞাত ৪ থেকে ৫ জনের নামে মামলা দায়ের করি।

    সন্ত্রাসীবাহিনীরা পুনরায় ভিক্টিম মওদুদ আব্দুল্লাহকে দ্রুত তার করা মামলা প্রত্যাহার চাপ প্রদান করে আসছে শুধু তাই নয় বিভিন্ন প্রশাসনের পরিচয় প্রদান করে অজ্ঞাত নামা নারী পুরুষ কিছু লোক জন বলে – এই মামলা প্রত্যাহার না করলে সন্ত্রাসী পক্ষের পরোক্ষ লোকেরা সরাসরি যে কোন মামলা দিয়ে তুলে নিয়ে সরাসরি গুম করে ইট ভাটায় লাশ পুড়িয়ে ফেলবে বলে জানায় এবং এরই সুত্র ধরে গত দিন গুলো ধরে অপরিচিত বিভিন্ন অজ্ঞাত নামা হ্যালমেট পড়া লোকজন প্রতিনিয়ত ভিক্টিম মওদুদ শুভ্র চারপাশে ঘুরাফেরা করছে। যে কোন মুহূর্তে যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে এবং সুনিশ্চিত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

    এই ব্যাপারে তার ও তার পারিবারিক নিরাপত্তা বিষয়ক কুমিল্লা কোতোয়ালি অফিসার ইনচার্জ সহ তদন্তের অফিসার , কুমিল্লা জেলা ডি বি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সহ সেনাবাহিনী কুমিল্লার ক্যাম্প কমান্ডার সকলকে সন্ত্রাসীদের অপরাধের কার্যকলাপ লিখিতভাবে ও মৌখিকভাবে জান – মালের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়ে অবগত করে দ্রুত অপরাধীদের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

    ২০১৭ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশাসনিক মহলে অভিযোগ করেও সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। সন্ত্রাসীরা এতটাই বেপোরোয়া যে তারা কাউকে ভ্রুক্ষেপ পর্যন্ত করে না। প্রশাসনিক নিরাপত্তাসহ আইনগত সুরক্ষার কোন ধরনের ফল না পেয়ে হতাশ এই তরুণ সাংবাদিক এবং মানবধিকার কর্মী ।

    তিনি কোতয়ালি মডেল থানার প্রথম জিডি করেন২০১৭ সালের ৩ মে যার নম্বর ১৫৭। আসামীরা তারপরও আটক না হওয়ার তিনি পূণরায় ২০১৮ সালের ২৮ জুন দ্বিতীয়বারের মত জিডি করেন যার নম্বর ১৫৩৮। মওদুদ শুভ্র একের পর এক হামলা নির্যাতনের কারণে তিনি ২০২৩ সালের ১৪ জানুয়ারি কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন যার এসডিআর নাম্বার ১৯২।

    সন্ত্রাসীরা আরো ক্ষিপ্ত হওয়ার কারণে মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রকে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেয়ার কারণে দ্রুত বিচার আইন আদালতে ২০২৪ সালের ১৯ আগষ্ট মামলা করেন যার নম্বর সি আর ৩৬/২৪ ।

    কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানায় চাঁদাবাজি,চুরি ও ছিনতাইয়ের কারণে মামলা করা হয় ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর যার নম্বর ৪১/৮৫০।

    একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায়। অভিযোগ থেকে জানা গেছে, মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র মানবধিকার কর্মী ও মেসার্স মওদুদ ভ্যারাইটিজ কনস্ট্রাকশন এবং মওদুদ বিল্ডার্সের একক স্বত্বাধিকারী। আসামি পক্ষের চেনা জানা লোকজন এই বিবাদীর মোবাইল নাম্বারে হুমকি প্রদান করে আসছে। অপরাধীরা বিভিন্নভাবে মওদুদ শুভ্রকে নাজেহাল, মারধরসহ চাঁদা দাবি করছে। মওদুদ শুভ্র’কে হত্যার উদ্দেশ্যে উক্ত সন্ত্রাসীরা ছুরিকাঘাতও করেছে। তখন এই সন্ত্রাসী বাহিনীকে পুরাপুরি শনাক্ত করতে না পেরে থানায় মামলা করা যায়নি এবং আসামিরা বেশিরভাগ আওয়ামী লীগ নেতাদের অনুসারী হওয়ায় সকল স্থানে আধিপত্য বিস্তার করত। তাকে আহত করার পর পুনরায় এসে চাঁদা দাবি করায় আসামিদের চিহ্নিত করে অজ্ঞাতনামাসহ আরও কিছু আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

    আর দুটি বিষয়ে দুটি মামলা হয় ৪ আগস্ট হত্যার উদ্দেশ্য ছুরি ও অস্ত্র প্রদর্শন করে শারীরিক ভাবে আহত করে এবং নিয়মিত ভাবে চাদা চাইতে থাকে চাদা না দেওয়াতে ছুরিকাঘাত, টাকা পয়সা, মোবাইল ও সাংবাদিকতার ক্যামেরা সব ছিনিয়ে নেয় পরে থানায় মামলা এই বিষয়ে না নেওয়াতে আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাদাবাজি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার নাম্বার -দ্রুত সি আর-৩৬/২৪, তারিখ:১৯.০৮.২০২৪ ইং।ধারা – আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ ( দ্রুত বিচার) আইন ২০০২ ( সংশোধনী /২০১৯) এর ৪/৫ নং । অত:পর পুনরায় এই সন্ত্রাসী চক্র গত ১৩ -১৬ অক্টোবর চাদাবাজি পুনরায় করতে থাকে সরাসরি এসে এবং হুমকি ধমকি দিতে থাকে সাথে মোবাইল কল ও এস এম এস দিতে থাকে।যেটা ভিক্টিম মওদুদ শুভ্র’র মোবাইলে সব সংরক্ষিত আছে অত:পর এজহার নামীয় সন্ত্রাসী বাহিনী সহ তাদের পরোক্ষ অজ্ঞাত নামা লোক জন এবং প্রশাসনের নাম অপব্যবহার করা কঠিত অস্ত্রধারী খুনী নারী পুরুষ সম্মিলিত ” স্যার গ্রুপ ” হত্যার হুমকি ধমকি এবং সুযোগ খুজতে থাকে পরে বাধ্য হয়ে শারিরিক জখমি থেকে শুরু করে সার্বিক অপরাধের বিষয় অবগত করে পৃথক আরেকটি ১৪ই নভেম্বর, ২০২৪ ইং থানায় ৮ জনকে অভিজুক্ত করে সাথে অজ্ঞাতনামা আরো ৫/৬ জনকে আসামি করে তাদের সকলের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি এফ আই আর / জি আর মামলা দায়ের করা হয়।

    কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার মামলা নাম্বার-৪১/ ৮৫০, ধারা-১৪৩/৩৪২/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৪২৭/৩৮৫/৫০৬(২)/৩৪ প্যানেল কোড ১৮৬০।

    এবংআমারপরিবার-পরিজনের ক্ষয়ক্ষতি করবে বলে প্রকাশ্যে, মোবাইল ফোনে ও এসএমএস দিয়ে হুমকি দেয়। ইতোমধ্যে তারা আমার ফেসবুক আইডি হ্যাকও করেছে এবং নানাবিধ অপরাধের আশ্রয় নিচ্ছে।

    পুরাতন চৌধুরী পাড়ায় মাফিয়া স্যার গ্রুপের অত্যচার মহামারি আকার ধারণ করছে কখনো দুটি মটর সাইকেলে ৪ জন আবার কখনো ৩ টি মোটর সাইকেলে ৬ জন একসাথে আসে একে অপরকে স্যার বকে সম্ভোধন করে। গলি এ রাস্তায় সবার মাথায় হেলমেট থাকে তাদেরকে হেলমেটের দরুন চেনা যায় না।

    ভুক্তভোগী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র বলেন, আসামীদের বিরুদ্ধে আমি দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয়।

    তিনি আরও বলেন বিগত চার মাস ধরে এজহার নামীয় বাকী আসামীদের আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধব মাফিয়া ” স্যার গ্রুপ” যারা নাম দিয়ে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম ভাঙ্গিয়ে আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে মামলা তুলে নেয়ার জন্য । তারা আমার ফেসবুক আইডি হ্যাক করে এবং আমার মোবাইল নাম্বার ক্লোন করেছে। ১০ লাখ টাকা না দিলে আমার আমার ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন অশ্লিল ছবি ও ভিডিও পোস্টসহ নানা ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে। এজন্য তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমি থানায় জিডি করি সাইবার ক্রাইম ও জিটিটাল নিরাপত্তার জন্য।ইতিমধ্যে আদালতে ইহা নন এফ আই আর মামলার জি ডি’র রেফারেন্সে তথ্য ও প্রজুক্তি বিষয়ক সাইবার অপরাধে অভিজুক্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে করা হয়

    জিডির সূত্রে জানা যায়, স্যার গ্রুপ নামের চক্রটি মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র’র আইডি থেকে পরিচালিত একটি অনলাইন পত্রিকার পেইজ হ্যাক করে নানাভাবে ব্ল্যাক মেইলিংয়ের চেষ্টা করছে। মামলার এজহার নামীয় আসামি যুবলীগ ক্যাডার” কে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেফতার হওয়ায় এজহার নামীয় অন্যান্য আসামীরা আমাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে মামলা তুলে নেয়ার জন্য। আমি অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি এবং প্রশাসনের কাছে আমার জীবনের নিরাপত্তা দাবি করছি।

    এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ এই মামলাটির আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। তিনি জানান, অতি দ্রুত আসামিদেরকে গ্রেফতারসহ তথ্যসূত্রে মূল আসামিদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ভুক্তোভোগী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র জানিয়েছেন তাকে মোটরসাইকেলে এসে অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার নলেজে আসার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়েছি তার নিরাপত্তার জন্য। তারা চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী তাই ভুক্তভোগীর কাছে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গায়।

    কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজির আহমেদ খাঁন বলেন, আমি মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রকে বলেছি, কোন সমস্য হলে যেকোন সময় আমাকে ফোন দিবেন আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

    কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই ও মামলার আইও খাজু মিয়া জানান, এজহার নামীয় অভিযুক্ত অপরাধীসহ তাদের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী গ্রেফতারের ব্যবস্থা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

    মানবধিকার কর্মী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র বলেন আসামী পক্ষের পরোক্ষ লোক জন আমার এলাকার আশে পাশে বিভিন্ন স্থানে অস্ত্র সস্ত্র নারী -পুরুষ কু চক্রিয় মহল প্রশাসন নাম অপ ব্যাবহার করে চাদাবাজি আর মামলা প্রত্যাহার হুমকি দিচ্ছে।ভিক্টিম মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র তার পেশাগত কাজের জন্য যেখানেই যাচ্ছে সেখানেই তার পিছনে পিছনে ঘুরা ফেরা করছে।

    তার ও তার পরিবারের আইনগত সুরক্ষা এবং প্রশাসনিক সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এবং আসামীদেরকে দ্রুত গ্রেফতার এবং আসামীদের মদদদাতা – পৃষ্ঠপোষক কথিত খুনী সিন্ডিকেট বাহিনী ” অস্ত্রধারী স্যার গ্রুপের ” সনাক্ত করে তাদের মদদে এই ধরনের নাশকতা ছড়ানোর জন্য ভিক্টিম মওদুদ শুভ্র বাসস্থানের আশে পাশে এবং পরোক্ষ মামলা প্রত্যাহার জন্য চাপ প্রয়োগ ও চাদাবাজির আইনি বিচার চেয়ে পুরো প্রশাসনের নাম অপ- ব্যবহারকারী বে- আইনি স্যার গ্রুপকে গ্রেপ্তার করার জন্য মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় ড. মুহামদ ইউনুস ও মাননীয় সরাস্ট্র উপদেষ্টা নিকট আকুল সাহায্য প্রার্থনা করেন।

  • ঈদ যাত্রায় কুমিল্লায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা;  নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিশা বাসের ৩ যাত্রী নিহত

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লার চান্দিনায় যাত্রবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তিনজন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চান্দিpনা উপজেlলার পালকি সিনেমা হলসংলগ্ন ইন্দ্রারচর এলাকা এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় আরো অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়।

    তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

    তবে নিহত সবাই পুরুষ। আহতদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে হাইওয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী, চান্দিনা থানা পুলিশ ও চান্দিনা ফায়ার সার্ভিস উৎদ্ধার তৎপরতা চালায়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রাত ৮টা পর্যন্ত) উদ্ধারকাজ চলছিল।

    চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার লিডার বাহারুল ইসলাম জানান, তিশা প্লাস পরিবহনের বাসটি ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে কুমিল্লা যাচ্ছিল। চান্দিনার ইন্দ্রারচর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছের সাথে ধাক্কা লেগে দুমড়েমুচড়ে যায় বাসটি। এতে ঘটনাস্থলে একজন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পরে আরো দুজন মারা যায়। আহতদের উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশপাশের হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

    তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

    চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত ডা. সুবল দেবনাথ বলেন, ‘হাসপাতালে আনার পর দুজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সূত্র: কালের কন্ঠ

  • কুমিল্লায়  সেনাবাহিনীর অভিযানে পাঁচ ডাম  মদ উদ্ধার, আটক ৪

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মদ তৈরির একটি কারখানা গুড়িয়ে দিয়েছে সেনাবাহিনী। এসময় মাটির নিচ থেকে পাঁচ ড্রাম মদ উদ্ধার করেছে এবং মদ তৈরির সাথে জড়িত এবং সেবনকারীসহ চার জনকে আটক করে চৌদ্দগ্রাম থানায় সোপর্দ করেছে সেনাবাহিনী।  

    আটককৃতরা হলো;  জোড়কানন এলাকার মৃত  হরিচরন রবিদাসের ছেলে দিলীপ রবিদাস, পূর্ব জোরকানন এলাকার মৃত রকি দাসের ছেলে সুমন রবিদাস, রামরায় এলাকার শাহিন মিয়ার ছেলে ফখরুল ইসলাম এবং নাটাপাড়া এলাকার রাজা মিয়ার ছেলে রোকন মিয়া। 

    চৌদ্দগ্রাম সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম বাজারের মুচি পট্টিতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে, চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালিত হয়। 

    চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জামাল হোসেন বলেন, গত ২২শে মার্চ চৌদ্দগ্রাম বাজারে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা সময় আমরা জানতে পারে এখানে তৈরি হয় এবং মদ বিভিন্ন জায়গায় সাপ্লাই দেয়া হয়। ঈদকে সামনে রেখে তারা মদের উৎপাদন এবং সাপ্লাই আরো বাড়িয়ে দেয়।

     রবিবার রাতে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন  বোরহানের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি টিম চৌদ্দগ্রাম বাজারের মুচি পট্টির মদ তৈরির কারখানায় অভিযান চালায়। এই অভিযানে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ, সাংবাদিক এবং সচেতন জনগণের পজেটিভ ভূমিকা ছিল।