Category: সারাবিশ্ব

  • ফের গাড়িতে তুলে নিয়ে ধর্ষণ!

    অনলাইন ডেস্ক:
    ফের গাড়ির মধ্যে ধর্ষণ। ফুটপাত থেকে এক কিশোরীকে গাড়িতে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। সোমবার (১১ জুন) রাতে ফুটপাতের ওই কিশোরীর সঙ্গে এমনটা করে ধর্ষক।

    ভারতের রাজধানী দিল্লির বুরারিতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে।

    পুলিশ জানান, ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরীর কোনো বাড়ি ঘর নেই। রাস্তার ধার দিয়ে ওই কিশোরী হেঁটে যাচ্ছিল। ঠিক তখনই অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দেয়ার নাম করে গাড়িতে তুলে নেয়। কিশোরীও তাদের কথায় গাড়িতে উঠে বসে। এরপর গাড়িটিকে পরিত্যক্ত একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে মেয়েটিকে। ওই রাতেই বিধ্বস্ত অবস্থায় মেয়েটিকে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় ধর্ষক।

    এ ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ইতোমধ্যে অভিযুক্তের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি শুরু করে দিয়েছে।

    জানা গেছে, ভুক্তভোগী নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী রাস্তায় বসে কাঁদছিল। এক পথচারী মেয়েটিকে কাঁদতে দেখে জিজ্ঞাসা করে কী হয়েছে এসময় তাকে সবকিছু খুলে বলে। এরপর সেই পথচারী ব্যক্তিই পুলিশকে ফোন করে ঘটনাটি জানান। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে হাজির হয়। তাৎক্ষণিক মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    নির্যাতিতা কিশোরী জানান, রাত কাটানোর জন্য সে একটি আশ্রয় খুঁজছিল। এ ঘটনার দিন স্থানীয় একটি পার্কের দিকে হেঁটে যাচ্ছিল সে। তখনই ওই অভিযুক্ত মেয়েটিকে পার্কে পৌঁছে দেবে বলে গাড়িতে তুলে নেয়। কিশোরীটিও গাড়িতে উঠে পড়ে। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তির অসৎ উদ্দেশ্য বুঝতে পারেনি সে। এরপর পরিত্যক্ত জায়গায় নিয়ে গিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়।

  • ‘প্রবাসীদের পাঠানো টাকায় কোন ভ্যাট আরোপ করা হয়নি’

    অনলাইন ডেস্ক:
    প্রবাসী আয় বা রেমিটেন্সের ওপর সরকার কর বসিয়েছে, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন প্রচারণা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর বিষয়টির উপর ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

    তারা বলেছেন, ‘প্রবাসীরা আড়াই লাখ টাকার বেশি আয় করলে কর দিতে হবে’ ফেসবুকে ঘুরে বেড়ানো এই পোস্টটি ‘অপপ্রচার’। তাদের ধারণা, বৈধ পথে প্রবাসী আয় পাঠানোকে নিরুৎসাহিত করে হুন্ডির মাধ্যমে পাঠাতে এই চক্রান্ত করা হয়েছে।গত ৭ জুন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত প্রবাসী আয়ে কর আরোপ করেছেন এমন কথা সংসদে জাতীয় বাজেট পেশের পরপরই ছড়িয়ে পড়ে। বলা হয়, আড়াই লক্ষ টাকার বেশি বাংলাদেশে পাঠালেই আয়কর দিতে হবে। এর পরই অনেক প্রবাসী কথিত এই করারোপের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

    তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর বলছে, বাজেটে রেমিটেন্সের ওপর কোন কর প্রস্তাব করা হয়নি, হবেও না।অর্থমন্ত্রী আগামী অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করার পর থেকেই তাতে করসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া এসেছে দেশের ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন মহল থেকে।কিন্তু হঠাৎ করেই ফেসবুকে অনেকে স্ট্যাটাস দিয়ে প্রবাসী আয়ে কর বসানোর এমন একটি তথ্য প্রচার করেন যা ব্যবসায়ী কিংবা অর্থনীতিবিদ- কারও পক্ষ থেকেই বলা হয়নি।

    আজ বুধবার (১৩ জুন) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, ‘পুরো বিষয়টি একটি চক্রান্ত। ঈদকে সামনে রেখে একটি মহল এ ধরনের প্রচার শুরু করেছে যাতে প্রবাসীরা অবৈধ পন্থায় টাকা পাঠান।’

    দেশের প্রায় এক কোটি মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্থায়ী বা অস্থায়ী ভিত্তিতে বসবাস করেন এবং প্রতি বছর বিশেষ করে ঈদ বা এ ধরণের উৎসবের আগে দেশে তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে প্রচুর অর্থ পাঠিয়ে থাকেন। সরকারের হিসেব অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে, যার জন্য প্রায় প্রবাসীদের কৃতিত্ব দেয়া হয়।এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি প্রবাসীদের আশ্বস্ত করতে চাই, শুধু এ বাজেট কেন ভবিষ্যতেও ফরেন রেমিটেন্স বাংলাদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন ধরনের করারোপ কিংবা ভ্যাট ধার্য করা হবে না।’

    তিনি বলেন, ‘বিদেশী রেমিটেন্সকে উৎসাহিত করা হচ্ছে এবং হবে। কোন যুক্তি বা আইনে আমরা এর ওপর করারোপ করবো! ব্যাংকিং চ্যানেল বরং আমরা উৎসাহিত করি।’

    ‘সরকার মানিলন্ডারিং ও হুন্ডির বিরুদ্ধে বরং আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে চায়। ঈদের আগে মানুষ যেন হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠায়, সেজন্যই এমন মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে’ বলে তিনি মনে করেন।

    এর আগে সকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেইজে লিখেন, ‘এই বাজেটে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর কোনো ভ্যাট বা ট্যাক্স আরোপ করা হয়নি। এরকম কোনো আলোচনাও কোথাও হয়নি।’

    ‘প্রবাসী ভাইয়েরা এসব গুজবে কান দেবেন না। এই বাজেটে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর কোনো ভ্যাট বা ট্যাক্স আরোপ করা হয়নি। এরকম কোন আলোচনাও কোথাও হয়নি। পরিকল্পিত ভাবে বিভ্রান্ত ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’

    তিনি আরও লিখেন, ‘এটা অবৈধ পথে যারা প্রবাসীদের আয় পাঠানোর ব্যবসা করেন তাদের কাজ হতে পারে, আর সেই সাথে সরকার বিরোধীরা তো রয়েছেই। দয়া করে প্রবাসীদের মাঝে এই বার্তাটা ছড়িয়ে দেবেন।’

  • স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমিকের বিয়ে দিলেন স্বামী!

    অনলাইন ডেস্ক:
    পারিবারিক পছন্দেই বিয়ে করেছিলেন সুজিত। কিন্তু কিছুদিন পর জানতে পারেন বিয়ের আগে তার স্ত্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তার স্ত্রীকে জোড় করেই তার সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়েছে। এরপর পত্নীনিষ্ঠ স্বামী নিজের স্ত্রী’র সঙ্গে প্রেমিকের বিয়ে দিলেন! এমন ঘটনায় অবাক হওয়ারই কথা। কেননা, এমনটি সচারচর শোনা যায় না।

    ভারতের কানপুরের চাকেরি জেলার সনিগ্বোয়ান গ্রামে ঘটেছে এই অদ্ভুত ঘটনাটি। গত বুধবার সুজিত এলিয়াস গোলু নামের এক ব্যক্তি তার স্ত্রী শান্তির সঙ্গে প্রেমিক রবির বিয়ে দিলেন।

    চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ১৯ তারিখে সনিগ্বোয়ান এলাকার বাসিন্দা সুজিত শ্যামনগর নিবাসী শান্তিকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু দু’সপ্তাহ শ্বশুরবাড়িতে থাকার পরে শান্তি বাপের বাড়ি ফিরে আসে। কিন্তু তার পরে অনেকদিন পর্যন্ত শান্তির কোনো খোঁজ না পাওয়ায় সুজিত স্ত্রীকে বাড়ি না ফেরার কারণ জিজ্ঞেস করেন। এসময় স্ত্রী প্রথমে সোজাসুজি কোনো উত্তর দিতে না চাইলেও পরে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং জানান সুজিতের সঙ্গে বিয়েতে একেবারেই রাজি ছিলেন না তিনি। পরিবারের লোকজন তাকে জোর করে সুজিতের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছে।

    স্ত্রী শান্তি আরো বলেন, লখনৌ-এর গোসাইনগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা রবির সঙ্গে অনেকদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছে তার। কিন্তু জোর করে সুজিতের সঙ্গে বিয়ে হওয়ায় তার কোনো কিছুই করার ছিল না বলে জানান।

    এদিকে, শান্তির অতীত কাহিনি শুনে সুজিত খুব বিচলিত হয়ে পড়েন। এরপরে তিনি শান্তির প্রেমিক রবির সঙ্গে দেখা করেন এবং রবির মুখ থেকেও একই কথা শুনে সিদ্ধান্ত নেন শেষ পর্যন্ত রবি আর শান্তির বিয়ে দিতে পারলেই তিনি নিজেও সুখে থাকবেন।

    ভারতীয় একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সম্পূর্ণ ঘটনাটি তিনি চাকেরি থানার পুলিশকে জানান। এর পরে গত বুধবার চাকেরি জেলার সনিগ্বোয়ানের একটি হনুমান মন্দিরে তারা পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। এই বিরল ঘটনার সাক্ষী ছিলেন বহু মানুষ। সকলেই সুজিতের সিদ্ধান্তে খুশি হয়ে তাকে আশীর্বাদ করেন।

    এ বিষয়ে চাকেরি থানার পুলিশ জানান, ‘সুজিতের এই সিদ্ধান্ত ভীষণই উদার ও মিষ্টি। মানুষ ওকে মনে রাখবে।’

  • ভুয়া খবর বন্ধে যেভাবে কাজ করবে ফেসবুক

    অনলাইন ডেস্ক:
    বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। ফেক নিউজের কবলে বিপাকে পড়ছে ফেসবুক। আর তাই বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি এড়াতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ২০১৪ সালে শুরু করা ‘ট্রেন্ডিং নিউজ’ বিভাগটি তুলে নিচ্ছে সামাজিক এই যোগাযোগ মাধ্যম।

    ফেসবুকের হেড অব নিউজ প্রোডাক্ট অ্যালেক্স হার্দিম্যান একটি ব্লগে জানিয়েছেন, ‘গবেষণায় আমরা জেনেছি, সময় যত গড়াচ্ছে এই ট্রেন্ডিং নিউজটিকে অপ্রয়োজনীয় মনে করছেন অধিকাংশ ব্যবহারকারী। আগামী সপ্তাহ থেকে তাই এটি সরিয়ে নেওয়া হবে। এমনকি থার্ড পার্টি এপিআইগুলোতেও এটি মিলবে না।’

    এই ট্রেন্ডিং নিউজ নিয়ে দুবছর আগেই বিতর্কে জড়িয়েছিল ফেসবুক। এর অ্যালগরিদমে বিভিন্ন খবর নির্বাচন নিয়েই তৈরি হয় বিতর্ক। অ্যালগরিদম নিখুঁতভাবে সংবাদ বাছাই করতে পারে না বলে প্রায়ই ভুয়া খবর ট্রেন্ডিং শুরু হয় এবং তা দ্রুত ছড়িয়েও পড়ে। এরপর এই নিয়ে জবাবদিহি করতে হয় ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গকেও।

    লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, ভবিষ্যতে সংবাদ পরিবেশনে নতুন মাত্রা যোগ করতেই এই ব্যবস্থা নিচ্ছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, এখন পর্যন্ত গড়ে মাত্র এক দশমিক পাঁচ শতাংশ ক্লিক হয়েছে এই ট্রেন্ডিং নিউজে। তাই এটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

    এছাড়া লাইভ ভিডিও, কিংবা আলোচনার ভিডিও অথবা খবরের ভিডিও পোস্ট করা যাবে। এর পাশাপাশি কোনো নিউজ পোস্টে ব্রেকিং নিউজের লেবেলও লাগানো যাবে।

    তবে এই ট্রেন্ডিং নিউজের পরিবর্তে নতুন কি ফিচার আনবে ফেসবুক? জানা গেছে, তারা ‘ব্রেকিং নিউজ লেবেল’, ‘টুডে ইন’ ও ‘ফেসবুক ওয়াচ’ নামে তিনটি নতুন ফিচার আনবে। এর মধ্যে নিউজ ভিডিওর জন্য ‘ফেসবুক ওয়াচ’কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ইউটিউবের মতোই ভিডিও হাব তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে ফেসবুকের।

    অপরদিকে, একই সেকশনে স্থানীয় সংবাদ প্রকাশকেরা তাদের শহরের বিভিন্ন মানুষকে তথ্য ও খবরের সঙ্গে যুক্ত করতে পারবেন। পাশাপাশি স্থানীয় সংবাদও পাওয়া যাবে ‘টুডে ইন’ নামে ফেসবুকে এমন একটি নির্দিষ্ট সেকশন থাকবে।

  • ফের পরিবর্তন সৌদির মন্ত্রিসভায়!

    অনলাইন ডেস্ক:
    ফের মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন এনেছে সৌদি আরব। দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্বিতীয়বারের মতো দেশটির বাদশা মোহাম্মদ বিন সালমান মন্ত্রীসভায় পরিবর্তন আনলেন। সৌদি আরব ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের খবরে বলা হয়, আজ শনিবার ভোরে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মন্ত্রী পরিষদের ওই রদবদল আনা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে দুটি আলাদা আলাদা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেন বাদশাহ। পবিত্র নগরী মক্কা ও মদীনার দায়িত্ব এতদিন এককভাবে ছিল বাদশাহর হাত, যা এবার রাজপরিবারের কাছে ন্যস্ত হলো।
    এছাড়া বিশেষ সংরক্ষিত এলাকার দেখাশোনায় একটি কাউন্সিল গঠিত হয়েছে। যার মূল দায়িত্বে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

    এদিকে মন্ত্রিসভার রদবদলে সংস্কৃতি মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন- প্রিন্স বদর বিন আবদুল্লাহ বিন ফারহান আল সৌদ। নতুন শ্রমমন্ত্রী বিখ্যাত ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আহমেদ বিন সুলায়মান আল রাজি। এছাড়া ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী হয়েছেন শেখ আবদুল লতিফ আল শেখ। শুরা কাউন্সিলের ডেপুটি স্পিকার হলেন আবদুল্লাহ বিন সালিম আল মুতানি।

    এছাড়াও মন্ত্রিসভা ও প্রশাসনিক প্রায় ২০টি পদে এসেছে পরিবর্তন।

  • রোজা ভেঙে হিন্দুর সন্তানকে বাঁচাতে রক্ত দিলেন যুবক

    অনলাইন ডেস্ক:

    ভারতের বিহারের দ্বারভাঙা জেলার এক মুসলিম যুবক দুই দিনের নবজাতককে বাঁচাতে রোজা ভেঙে রক্ত দিলেন। দুদিন আগে রমেশকুমারের স্ত্রী আরতি দ্বারভাঙার একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হোন। সেখানেই একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন তিনি। কিন্তু জন্মের পর নবজাতকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। চিকিৎসকরা জানান, নবজাতককে বাঁচাতে রক্ত লাগবে। রক্তের গ্রুপ ‘ও নেগেটিভ’। কিন্তু পরিবারের কোনো সদস্যের ‘ও নেগেটিভ’ রক্ত নেই।

    উপায় না দেখে রক্তের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে বেছে নিলেন নবজাতকের পরিবার। ফেসবুক আর ওয়াটসঅ্যাপের বিভিন্ন গ্রুপে বিষয়টি জানিয়ে ‘ও নেগেটিভ’ রক্তের জন্য আবেদন করেন।

    বিহারের দ্বারভাঙার বাসিন্দা মোহম্মদ আশফাক। তার রক্তের গ্রুপ ‘ও নেগেটিভ’। ২৮ মে সোমবার ফেসবুকে বার্তাটি দেখতে পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গে নবজাতকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন আশফাক।
    আশফাক দেরি না করে নবজাতককে রক্ত দিতে নার্সিংহোমে চলে যান। কিন্তু আশফাক রোজা রাখার কারণে চিকিৎসক তার রক্ত নিতে পারবেন না বলে জানান। কারণ হিসেবে চিকিৎসক জানান, রোজা থাকা অবস্থায় রক্ত দিলে আশফাক নিজেই অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। আশফাক কোনো উপায় না দেখে বাধ্য হয়ে রোজা ভাঙার সিদ্ধান্ত নিলেন। রোজা ভেঙে খাবার খেয়ে রক্ত দেন তিনি। আর সেই রক্তেই বেঁচে যায় নবজাতকটি। আশফাক বলেন, ‘এই রোজাটি পরে অন্য সময় রাখা যাবে।’

    নবজাতকটির পরিবার জানায়, ধর্মের নামে ঘৃণার পরিবেশ তৈরি করেন যারা, তারা আশফাকের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে পারেন।

    সূত্র: খালিজ টাইমস/আনন্দবাজার

  • বাংলাদেশী ভাইরাসে কেরালায় ১৩ জনের মৃত্যু

    অনলাইন ডেস্ক:
    ভারতের কেরালা রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে নিপা ভাইরাস। পুনেতে অবস্থিত ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজি (এনআইভি)-এর বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ থেকে। আক্রান্ত একজন রোগির গলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তার পূর্ণাঙ্গ জিনোম অবমুক্ত করেছেন ওই বিজ্ঞানীরা। এ

    রপর তারা উপসংহারে এসেছেন। দুই রকম নিপা ভাইরাস আছে। একটি হলো মালয়েশিয়ার (এনআইভিএম) এবং অন্যটি হলো বাংলাদেশের (এনআইভিবি)।

    দুটি ভাইরাসই ভীষণ প্রাণঘাতী। এমন প্রাণসংহারের হার শতকরা ৬০ ভাগ থেকে ৮৫ ভাগ পর্যন্ত। কেরালায় যে ভাইরাস দেখা দিয়েছে তার জেনেটিক গঠন বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর সঙ্গে বাংলাদেশী ভাইরাসের মিল রয়েছে। এমনটা বলেছেন, এনআইভি-পুনের পরিচালক দেবেন্দ্র মৌর্য্য।

    প্রথমে বাংলাদেশের মেহেরপুরে দেখা দেয় নিপা ভাইরাস। তারপর থেকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কোনো না কোনো স্থানে প্রতি বছরই নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়। এ মাসে এ পর্যন্ত কেরালায় এ ভাইরাসে মারা গেছেন ১৩ জন।

  • যে কারণে হিন্দু নাম রাখে ইন্দোনেশিয়ার মুসলমানরা

    অনলাইন ডেস্ক:
    বিশ্বের বৃহত্তম মুসলমান দেশ ইন্দোনেশিয়া। এখানে দুই শতাংশেরও কম হিন্দু রয়েছে। তারপরেও এখানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই হিন্দুত্বের ছাপ স্পষ্ট। হিন্দু দেব-দেবীর পূজা হয় এখানে, পাশাপাশি ভাষাতেও তার প্রভাব রয়েছে। এর কারণ হচ্ছে, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে একে অন্যের খুব কাছাকাছি।

    ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ জাভা, যেখানে দেশটির ৬০ শতাংশ মানুষ বাস করে। তেরো থেকে পনেরো শতকের মাঝে এখানে মাজাপাহিত নামের এক হিন্দু সাম্রাজ্য ফুলে ফেঁপে ওঠে। আর তখন থেকেই এখানের সংস্কৃতি, ভাষা ও ভূমির ওপর হিন্দু সংস্কৃতির ছাপ পড়ে যায়।

    ইন্দোনেশিয়ার অনেক জায়গা ও অনেক ব্যক্তির নাম সংস্কৃতের জেনে অনেকেই অবাক হন। অনেক মুসলমান নারীদের নাম এখানে বিদ্যা, প্রিয়া, কৃষ্ণা।

    ইন্দোনেশিয়ার ভাষাকে বাহাসা ইন্দোনেশিয়া বলা হয়। তাদের ভাষাতে সংস্কৃতের প্রভাব দেখা যায়। ইন্দোনেশিয়াতে একটা কথা প্রচলিত রয়েছে, নেম ইজ আ উইশ অর্থাৎ সন্তানদের যেমন দেখতে চান অভিভাবকেরা তেমনই নাম রাখেন। অর্থাৎ সন্তানকে শক্তিশালী দেখতে চাইলে ভীম নামও রাখেন অনেকে।

  • ভারতকে কঠোর হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

    অনলাইন ডেস্ক:
    রাশিয়ার কাছ থেকে এস-ফোর হান্ড্রেড সামরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনলে ভারতকে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

    এস-ফোর হান্ড্রেড নিয়ে মার্কিন প্রশাসন এবং কংগ্রেসের মধ্যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা কাজ করছে বলে ভারতের ইকোনমিক টাইমস পত্রিকাকে জানিয়েছেন মার্কিন নেতা ম্যাক থর্নবেরি।

    একইসঙ্গে রুশ অস্ত্র কেনার আগে এর পরিণতি কি হতে পারে তা ভেবে দেখতে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    যে কোনও দেশ এস-ফোর হান্ড্রেড কিনলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জটিল করবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।

    গত সপ্তাহে সোচিতে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে এস-ফোর হান্ড্রেড কেনার চুক্তি চূড়ান্ত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    তিনশ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র এস-ফোর হান্ড্রেড বর্তমান বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি। ৪০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে রাশিয়ার থেকে এ প্রযুক্তি কেনার চুক্তি করেছে ভারত।

    রাশিয়ার কাছ থেকে এ বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কেনার খবর প্রকাশ হলে সেসময় ভারতকে সশস্ত্র ড্রোন না দেয়ার হুমকি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এরপরই এ কঠোর হুঁশিয়ারি দিল যুক্তরাষ্ট্র।

  • যাকে ভালোবেসে বাড়ি ছেড়েছি, সেই আমাকে পতিতা পল্লীতে বিক্রি করে দিল !

    অনলাইন ডেস্ক:
    অল্পস্বল্প পরিচয় থেকে ক্রমশ গড়ে উঠেছিল তাদের ঘনিষ্ঠতা। আর তাই একে-অপরের হাত ধরে ঘর বাঁধার স্বপ্নও দেখেছিল তারা। একপর্যায়ে ভালোবাসার মানুষের হাত ধরে অজানার উদ্দেশ্যে বাপের বাড়ি ছেড়েছিল কিশোরী। কিন্তু তার বুকভরা স্বপ্ন যে দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে সেটি একবারের জন্যও ভাবেননি ওই কিশোরী।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা সোমবার এক প্রতিবেদনে জানায়, দেশটির উত্তর দিনাজপুরের ওই কিশোরী প্রেমে পড়েছিল মালদহের কালিয়াচকের এক যুবকের। সম্পর্ক গভীর হলে তারা বিয়ে করবে ঠিক করে।

    যুবকের আশ্বাসে কিশোরী বাড়ি থেকে পালিয়েও যায়। প্রেমিকের হাত ধরে পাড়ি দেয় অজানার উদ্দেশ্যে। কিন্তু প্রেমিক তাকে নিয়ে আসে বিহারের সীতামঢ়ীর এক পতিতা পল্লীতে। সেখানেই তাকে বিক্রি করে দেয় প্রেমিক।

    এরপর এক মাস, দু’মাস করে দু’বছর কেটে যায়। এক সময় আশা ছিল, একদিন হয়তো এই নরক থেকে তার মুক্তি মিলবে। কিন্তু নিজেকে বিকিয়ে দিতে দিতে সেই স্বপ্নও ফিকে হতে থাকে।

    এমনই এক সময়ে যেন ত্রাতা হয়ে আসে রেলের চাকুরে এক যুবক। খদ্দের হয়ে এলেও কিশোরীর সঙ্গে তার আলাপ পরিচয় হয়। সেই সময়েই ঐ যুবক জানতে পারেন, মেয়েটি প্রতারণার শিকার।

    পতিতা পল্লী থেকে মুক্তির আশায় এর আগে অনেককেই কাকুতি মিনতি করেছে মেয়েটি। কেউ তাতে কান দেয়নি। কিন্তু রেলকর্মী ওই যুবক কিশোরীর মিনতিকে উপেক্ষা করতে পারলেন না।

    এই বিষয়ে ওই যুবক আনন্দবাজার পত্রিকাকে জানায়, ‘‘যখনই ওর কাছে যেতাম, কান্নাকাটি করত। খুব খারাপ লাগত আমার। খালি মনে হত, ওকে যদি সাহায্য করা যায়। যদি কোনও ভাবে ওকে বাড়িতে ফিরিয়ে দেওয়া যায়।’’

    ভাবনা থেকেই মেয়েটির কাছ থেকে বাড়ির ঠিকানা জেনে সেই যুবক চলে যান উত্তর দিনাজপুরে। ঠিকানা খুঁজে বের করেন মেয়েটির বাড়ি। পরিবারের সঙ্গে দেখা করে কিশোরীর বর্তমান অবস্থার কথা জানান। সেই সময় স্থানীয় এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গেও কথা বলেন ওই যুবক।

    এরপর গত বৃহস্পতিবার সেই সংগঠনের কয়েকজনকে নিয়ে সীতামঢ়ীর সেই পতিতা পল্লীতে যান। তারপর পান খাওয়ার নাম করে তরু‌ণীকে নিয়ে পালান তিনি। একগাল হেসে সংবাদমাধ্যমকে ওই যুবক জানান, ‘‘আমার বাড়ি সীতামঢ়ীতেই। এখানকার অলিগলি ওদের থেকে অনেক বেশি চিনি আমি।’’

    শনিবার বাড়ি ফেরার পর মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার মা বলেন, ‘‘মেয়ে অনেক যন্ত্রণা সহ্য করেছে। কয়েকটা দিন যাক! ওকে নিজের পায়ে দাঁড় করাবই।’’ স্থানীয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাসুদেব দে’ও বলেছেন, ‘‘সবার মেয়েটির পাশে দাঁড়ানো উচিত।’’

    আর এমন কাজে আত্মতৃপ্ত যুবক বলছেন, শেষ পর্যন্ত যে ওকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিতে পেরে দারুণ লাগছে। তবে তিনি এটাও বলেন, ‘‘পতিতা পল্লীতে এ রকম আরও অনেক মেয়ে রয়েছে। নারী পাচার রুখতে এবং পাচার হওয়া এমন মেয়েদের ফেরাতে পুলিশের আরও তৎপর হওয়া উচিত।’’

    স্থানীয় থানার ওসি দিলীপকুমার রায় জানিয়েছেন, ঘটনার ঠিক পরেই দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত অন্য দোষীরাও ধরা পড়বে বলে জানান এই কর্মকর্তা।