Category: বিনোদন

  • ‘আমি যে কাজ করেছি তা করার সাহস কারও হবে না’

    অনলাইন ডেস্ক:
    ঋতুপর্ণা সেন। ‘গান্ডু’ ও ‘কসমিক সেক্স’ এর মতো সিনেমাতে কাজ করে তিনি একইসঙ্গে যেমন প্রশংসিত হয়েছেন, তেমনি নিন্দিত হয়েছেন।

    ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের মতো টলিউডে তিনি এতোটা পরিচিত মুখ না হলেও কলকাতায় বিকল্প ধারার বাংলা সিনেমার প্রথম সারির অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেন। তিনি কলকাতায় ‘ঋ’ নামেই বেশি পরিচিত।

    ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ‘গান্ডু’ ও ‘কসমিক সেক্স’ এর মতো সিনেমায় কাজ করার কারণে ক্যারিয়ারও ঝুঁকিতে পড়েছে এ অভিনেত্রীর। কারণ অন্যসব নির্মাতারাও তাকে এ ধরনের চরিত্রেই নিতে চাইছেন। সম্প্রতি এজন্য মুম্বাইমুখী হয়েছেন তিনি।

    এ নিয়ে ঋতুপর্ণা সেন বলেন, আমি যে যে কাজ করেছি, তা করার সাহস কারও হবে না। হ্যাঁ, এটাও ঠিক যে তার জন্য পরবর্তীকালে আমার হাত থেকে অনেক কাজ চলে গেছে। আমার একটা ব্যক্তিত্ব আছে, লোকে তাকে হট ভাবতে পারে, সেক্সি ভাবতে পারে। তাতে আমার কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু বিচার করলে খারাপ লাগে। ওইভাবে আমাকে ভাঙা যাবে না। আগে যা করেছি, সব ভুল করেছি- ভেবে কোনোদিন হতাশা হব না।

    সম্প্রতি মুম্বাইমুখী হওয়ার বিষয়ে ঋতুপর্ণা আরও বলেন, কলকাতার লোকে কখনও কলকাতার লোককে দাম দেয় না। আজ যদি আমি মুম্বাইয়ে একটা ছবিতে কাজ করে আসি কিংবা একটা ভোজপুরি ছবিতে নেচে আসি, তাহলে হাউ হাউ করে শোরগোল বাঁধাবে! শুধু আমার বেলায় নয়। সবার বেলায়। তাই তো, সকলে চলে যাচ্ছেন। আমি কলকাতায় সকলের সঙ্গে কাজ করতে চাই। কিন্তু তাদেরও তো আমাকে নিয়ে কাজ করার ইচ্ছেটা থাকতে হবে!

    ঋতুপর্ণা সেন আরো বলেন, এই মুহূর্তে কলকাতায় কোনো ছবি করছি না। বরং প্রচুর ওয়েব সিরিজ করছি। আগে যখন কাজ করতাম, তখন এত পিআরের (প্রচার, জনসংযোগ) চাপ ছিল না। সব জায়গাতেই এখন একটা দলবাজির ব্যাপার চলে এসেছে। কলকাতাতেও এসেছে।

    ভারতীয় অভিনেত্রী ঋ বলেন, সবাই নিজের লোকজনদের নিয়ে কাজ করছে। নিজের বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে কাজ করছে। টিকে থাকার ক্ষেত্রে এটা খুব কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়াচ্ছে প্রচুর অভিনেতা-অভিনেত্রী এমনকী পরিচালকদের পক্ষেও! কাজের মান কমে যাচ্ছে, সেটা বাজেটই হোক বা বিষয়বস্তু। কাজের বৈচিত্র্য তো নেই। হয় টিভি করো, না হয় সিনেমা! নতুন কে বা কারা আসছেন, বলুন তো? কারণ, আসতে দেওয়াই তো হচ্ছে না। ওই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে চার-পাঁচজন লোকই শুধু কাজ করে চলেছে।

  • কুমিল্লার আসিফের নতুন চমক ; মিউজিক ভিডিওটি না দেখলে চরম মিস

    অনলাইন ডেস্ক:
    রোজার মাস ফুরালেই আসে ঈদ। আগেভাগেই তার আমেজটা শুরু হয়। ঈদের আনন্দকে ভক্তদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নিত্যনতুন গান নিয়ে হাজির হন শিল্পীরা। সেই ধারাবাহিতায় ঈদের আমেজ ছড়িয়ে দিতেই আজ বৃহস্পতিবার ইউটিউবে প্রকাশ করা হলো ‘বাংলা গানের যুবরাজ’ খ্যাত সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর ও কলকাতার জেমি ইয়াসমিনের গাওয়া নতুন গান ‘দুই দুবার’।

    প্রযোজনা সংস্থা ‘নিউ ভিশন বিডি’ এর অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে গানটির মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। কলকাতার শ্রী প্রীতমের সুর ও সংগীতে গানটির কথা লিখেছেন বাংলাদেশের গীতিকার সুদীপ কুমার দীপ। গানটির মিউজিক ভিডিওতে মডেল হিসেবে আসিফ ইমরোজ-আফ্রির পাশাপাশি দেখা যাবে গানটির সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর ও জেমি ইয়াসমিনকেও। গানটির কোরিওগ্রাফিতে ছিলেন নৃত্য পরিচালক হাবিব। আর এর সার্বিক পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে ছিল নিউ ভিশন বিডি ক্রিয়েটিভ টিম।

    নতুন এই গান প্রসঙ্গে আসিফ আকবর বললেন,‌‌ ‘ভিন্ন স্বাদের একটি গান হয়েছে। প্রীতমের সঙ্গে আগেও কাজ করেছি, এবার জেমির সঙ্গে প্রথম কাজ করলাম। ওর কণ্ঠটাও বেশ সুন্দর। গানটির মিউজিক ভিডিওটিও ভালো হয়েছে। আশা করছি, ‘দুই দুবার’ গানটি সকলের ভালো লাগবে। আর নিউ ভিশন বিডির জন্য রইলো শুভ কামনা।’

    গানটির সুরকার ও সংগীত পরিচালক শ্রী প্রীতম বললেন,‌‌ ‘আসিফ ভাইয়ের সাথে কাজ করার মজাটাই আলাদা। উনার জন্য যে ধরনের বা সুরের গানই করি না কেন উনি ঠিকই গানটি নিজের মতো করে গেয়ে তার সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেন। আর জেমি বেশ প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পী। এর আগেও বাংলাদেশের ছবি ‘আমি নেতা হবো’তে ওর গাওয়া ‘চুম্মা’ গানটি বাংলাদেশের শ্রোতারা গ্রহণ করেছিলেন ভালোভাবে। আশা করছি আসিফ ভাইয়ের সাথে তার এই দ্বৈত গানটিও শ্রোতারা সাদরে গ্রহণ করবেন। আর এই গানটির প্রযোজনা সংস্থা নিউ ভিশন বিডির জন্য রইলো শুভ কামনা।’

    প্রযোজনা সংস্থা নিউ ভিশন বিডির কর্ণধার ফরমান আলী বললেন, ‘নিউ ভিশন বিডি সবসময় দর্শক-শ্রোতাদের কথা মাথায় রেখেই কাজ করে। আসিফ আকবর-জেমির গানটিও দর্শকদের ঈদ আনন্দের কথা মাথায় রেখেই করা। আশা করছি আমাদের এই প্রচেষ্টা শ্রোতা-দর্শকদের ভালো লাগবে।’

    ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন:

    https://youtu.be/9uDU3ZDXV5E

  • স্ত্রী আনুশকাকে নিয়ে যা বললেন বিরাট!

    অনলাইন ডেস্ক:
    ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি জানিয়েছেন, তার স্ত্রী বলিউড তারকা আনুশকা শর্মা খুবই ধার্মিক। বিরাট এও বলেন, আনুশকা তার জীবন বদলে দিয়েছে।

    সম্প্রতি ইএসপিএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনইটাই জানালেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

    বিরাট বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে আনুশকার সঙ্গে সম্পর্ক চলাকালীন সময়ে আমি অনেক কিছু বুঝেছি। কারণ ও (আনুশকা) খুব ধার্মিক একজন মানুষ। আমি এই সব থেকে অনেকটা দূরেই থাকতাম।

    তিনি আরো বলেন, কিন্তু এখন অনেক কিছু বদলে গেছে। যা আমি বলে বোঝাতে পারব না। তবে আমি এখন বুঝি যে আগে যা যা আমার কাছে কঠিন মনে হত সেগুলো সহজ হতে শুরু করেছে। আমি বুঝতে পারছি আমি এই সব করতে চাইতাম সব সময়। এটা আশীর্বাদ।

    কয়েকদিন আগে ভারতীয় একটি টিভিতে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্ত্রী আনুশকা শর্মার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন টিম ইন্ডিয়া ক্যাপ্টেন। বিরাট বলেছিলেন, খেলার মাঠে তিনি অধিনায়ক হলেও মাঠের বাইরের অধিনায়ক স্ত্রী আনুশকা।

    বিরাটের ভাষ্য, মাঠের বাইরে তার জীবনের পুরোটাই নেতৃত্ব দেন তার সহধর্মিনী। মাঠের ভেতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তিনি ভুল করলেও, মাঠের বাইরে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেন না আনুশকা শর্মা।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ডিসেম্বরে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আনুশকা শর্মার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এর আগে, তিন বছরের মতো চুটিয়ে প্রেম করেছেন এই জুটি। সাত পাকে বাধা পরার পর বেশ সুখে শান্তিতেই একে অপরের সান্নিধ্য উপভোগ করছেন বিরাট-আনুশকা দম্পতি।

  • এবারের ঈদে ইত্যাদিতে তারকাদের মিলনমেলা

    অনলাইন ডেস্ক:
    ইত্যাদি এখন ঈদের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। প্রতি ঈদেই দর্শক অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন ঈদের এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি দেখার জন্য। এবারের ঈদ ইত্যাদির নানা চমকের একটি হচ্ছে এই প্রজন্মের জনপ্রিয় চার তারকাকে নিয়ে একটি বিশেষ মিউজিক্যাল পর্ব।

    পুরনো দিনের দুটি জনপ্রিয় গানের সঙ্গে সে সময়কার কথা আর তার বর্তমান রূপ কেমন— তাই তুলে ধরা হয়েছে নৃত্য-গীত-ছন্দ-সুরে, পুরো গানে। নারীর সম্ভ্রম রক্ষা, ভিনদেশী সিরিয়ালের ক্ষতিকর প্রভাব ইত্যাদি বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে সুরে সুরে। নাচে-গানে এই পর্বটিতে প্রাণবন্ত অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ফেরদৌস, অভিনেতা অপূর্ব, অভিনেত্রী মম ও মোনালিসা। সঙ্গে আছেন কয়েকশ নৃত্যশিল্পী। শত ব্যস্ততার মাঝেও এই তারকারা ইত্যাদির এই গানটির জন্য আন্তরিকতার সঙ্গে মহড়া করেছেন। শিল্পীরা বলেন, শত ব্যস্ততা থাকলেও তাদেরও প্রিয় অনুষ্ঠান ইত্যাদির জন্য সময় বের করতে চেষ্টা করেন।

    ইত্যাদি যেন শিল্পীদের একটি মিলনমেলা। বিটিভির ঈদ অনুষ্ঠানমালায় ঈদের পরদিন ঈদের বিশেষ ইত্যাদি প্রচার হবে। ইত্যাদি রচনা, উপস্থাপনা ও পরিকল্পনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিডিও প্রতিষ্ঠান। ইত্যাদি প্রচার হবে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের সৌজন্যে।

  • যে কারণে বাংলাদেশে জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া !

    অনলাইন ডেস্ক
    রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে কক্সবাজার গিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।২১ মে, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকায় এসেছেন প্রিয়াঙ্কা। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছিলেন। বেলা ১২টা নাগাদ তিনি কক্সবাজার পৌঁছান।

    জানা গেছে, জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) শুভেচ্ছাদূত হিসেবে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে এসেছেন।

    এদিকে প্রিয়াঙ্কা তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দিয়ে আজ সকালে জানিয়েছিলেন তিনি রোহিঙ্গা শিবিরে যাচ্ছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বিশ্বের যত্নের প্রয়োজন, আমাদের যত্ন নিতে হবে।’

    জানা গেছে, বাংলাদেশ সফরে দুই দিন অবস্থান করবেন এই তারকা। সোমবার দিনব্যাপী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলো ‍ঘুরে দেখবেন। দুই দিনের এই সফরে প্রিয়াঙ্কা ইউনিসেফ এর শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কিছু কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।

    এর আগে গত বছর সিরিয়ায় যুদ্ধে আক্রান্ত শিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। চলতি বছরের মার্চ মাসে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন এই অভিনেত্রী। শরণার্থীদের বিষয়ে প্রিয়াঙ্কা বলেছিলেন, ‘আমাদের সবাইকে বুঝতে হবে এটি একটি বৈশ্বিক মানবিক সংকট, আঞ্চলিক নয়।’

    যুক্তরাজ্যে বান্ধবী মেগানের সঙ্গে প্রিন্স হ্যারির বিয়েতে অংশ নেওয়ার পর লন্ডন থেকে ঢাকা আসেন এই অভিনেত্রী।

  • বাপ্পার বিয়ের খবর শুনে মুখ খুললেন চাঁদনী !

    অনলাইন ডেস্ক:
    কেমন আছেন? প্রশ্নটাই ছুড়তেই পাল্টা প্রশ্ন উড়ে এলো- বাপ্পা মজুমদারের নতুন বিয়েতে আমার অনুভূতি জানতে কল করেছেন? একটু ইতস্তত লাগলো। আজকের মিডিয়ার সবকিছুতেই অনুভূতি দরকার পড়ে এই নেতিবাচক ভাবনার বিষয়টা দিনে দিনে সবাই মেনে নিচ্ছেন। টিভি পর্দার জনপ্রিয় মুখ চাঁদনীও মেনে নিয়েছেন।

    তার প্রশ্নের উত্তর দিতে দেরি হওয়ায় তিনি নিজেই বলে গেলেন, ‘আমার ভাই কোনো অনুভূতি নেই। আমি এখন অনুভূতিহীনতায় চলে গেছি। আজ সকালে ঘুম ভাঙলো মোবাইলের কল পেয়ে। কোনো এক সাংবাদিক ভাই জানালেন বিয়ে করছেন বাপ্পা। শুনে মুচকি হাসলাম। এছাড়া আমি কী করবো? আমার কী করার আছে? আমার কী করা উচিত? আমি বাবা হারানোর শোকে রয়েছি। তার মধ্যে এ ধরনের খবর। এমন পরিস্থিতিতে মানুষ কী করে? আমি কার জন্য কাঁদবো? বাবার জন্য নাকি সংসারের জন্য? অন্য কোনো মেয়ে এই পরিস্থিতে থাকলে কী করতো আমার জানা নেই।’


    বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে সোমবার (২১ মে) দুপুরে চাঁদনী বলেন, ‘সবাই কেন আমাকে কল দেয়? কেন এই বিচ্ছেদের ব্যাপারে বাপ্পার কাছে জানতে চায় না। বিয়ে তো সে করছে, আমি না। আপনাদের উচিত তার কাছেই জানতে চাওয়া কেন বিচ্ছেদ হলো, কবে বিচ্ছেদ হলো। আমি এসব নিয়ে মুখ খুলতে চাই না। আমার মুখ খুলে গেলে অনেক জনপ্রিয় মানুষের মুখোশ খুলে যাবে। আমি এসব বিতর্ক চাই না। আর বাপ্পার বিয়ের ব্যাপারে আমি নিশ্চিত কিছু কোথাও শুনিওনি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘সবাই জানেন আমি কেমন মেয়ে। আমার নামে কোনো বাজে রিউমার ছিল না কোথাও। আপনমনে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। একটি মানুষ, একটি বিয়ে আমার জীবনটাকে ঝড়ের মুখে ফেলে দিলো। আজ যার খুশি সেই চাঁদনীকে নিয়ে আজেবাজে কথা ছড়ানোর সাহস পায়। তবুও আমি শান্ত থাকতে চাই। আমি সবকিছুর ফায়সালার মালিক আল্লাহর ওপর ভরসা করতে চাই। তিনি সব দেখেন ও জানেন। নিশ্চয়ই তিনি সব বিচার করবেন, আমাদের সবাইকে সম্মান নিয়ে বাঁচিয়ে রাখবেন।’

    নিজেকে সম্মানের কাঙ্গাল দাবি করে চাঁদনী বলেন, ‘আমি সবসময়ই মানুষকে সম্মান করার চেষ্টা করি। সতর্ক থাকি কেউ যেন আমার দ্বারা অসম্মানিত না হয়। আমি আজও বাপ্পাকে স্বামী হিসেবে মানি ও সম্মান করি। তার বাবাকে আমি দেখিনি। কিন্তু তার মায়ের আদর আমি পেয়েছি। তাকে আমি আজও সম্মান করি। আমি নিজের পরিবারের সম্মানের প্রতিও দায়বদ্ধ। আমার বাবা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সম্মান নিয়ে বেঁচে ছিলেন। আমি তাকে ছোট করতে চাইনি। সেজন্য বিয়ে-বিচ্ছেদ নিয়ে সব খবর এড়িয়ে গেছি। আমার বাবা চলে গেছেন ৪১ দিন হলো আজ। এখন মা আমার একমাত্র ভরসা। তাকে আমি এসব ঘটনায় ছোট করতে চাই না। কথা বলতে গেলে কথা বাড়ে। আমি তাই চুপ করে রয়েছি। মায়ের মানসিক অবস্থা খুব খারাপ। তার মাঝখানে মেয়ের সংসার নিয়ে কোনো খবরে তিনি আরও ভেঙে পড়ুন তা আমি চাই না। মারাও তো যেতে পারেন। সবার কাছে দোয়া চাই, যেন নিজেকে শান্ত রাখতে পারি।’

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী চাঁদনী জানালেন, গেল ৯ এপ্রিল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন তার বাবা সালাহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি ছিলেন আর্ট কলেজের শিক্ষার্থী। আর্ট কলেজের পাঠ্য ‘চারু শিল্প’ বইটি তিনিই লিখেছিলেন। টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যাপক হিসেবেও কাজ করেছেন। সেইসঙ্গে বিটিভির তালিকাভুক্ত শিল্পীও ছিলেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ২১ মার্চ ধানমন্ডির ২৭ সিয়ার্স রেস্টুরেন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে বাপ্পা মজুমদার ও চাঁদনীর বাগদান হয়। বাপ্পা ও চাঁদনী ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের হলেও বাগদানের আগেই বাপ্পা ধর্মান্তরিত হয়ে আহমেদ বাপ্পা মজুমদার হন। দুই পরিবারের সম্মতিতেই এই বাগদান সম্পন্ন হয়। পরে তাদের দুই পরিবার একসঙ্গে হয়ে ঘরোয়াভাবে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন।

  • ঘর ভাঙার গল্প শোনালেন রাজের প্রথম স্ত্রী, শুভশ্রীকে শুভকামনা

    অনলাইন ডেস্ক:
    বিচ্ছেদের পরে কেটে গিয়েছে সাত বছর। অতীত ভুলে টালিউডের নায়িকা-সহকর্মী শুভশ্রী গাঙ্গুলির সঙ্গে শুক্রবারই সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। কিন্তু এতবছর পরও রাজকে মনে করেছেন রাজের প্রথম স্ত্রী শতাব্দী মিত্র।

    টালিউডে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় রাজ-শুভশ্রীর বিয়ে। তার মধ্যেই নতুন আলোচনার জন্ম দিয়ে মুখ খুললেন শতাব্দী। তার এক বন্ধুর কাছে শতাব্দী স্পষ্টই জানিয়েছেন, অতীতের যাবতীয় তিক্ততার পরও শুভশ্রীকে নিয়ে রাজ খুশি থাকুক, এমনটাই চান তিনি।

    ২০০০ সালে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে পরিচয় হয়েছিল শতাব্দী ও রাজের। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব। বন্ধুত্ব থেকে প্রেম। খুব অল্প সময়ের মধ্যে খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলেন তারা। শতাব্দীর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলছেন, ‘সেই সময়ে রাজ টালিউডে প্রতিষ্ঠা পায়নি। কাজের খোঁজ করছে কেবল। কিন্তু খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারছে না। রুদ্রনীল ঘোষের সঙ্গে টালিগঞ্জে একটা বাড়িতে ভাড়া থাকতো রাজ। সেই সময় শতাব্দী ওকে অনেক সাহায্য করেছে। টাকা পয়সা দেওয়া, খাবার দাবার দেওয়া, অসুস্থ হলে সেবা করা- সবই করেছে।’

    শতাব্দীর আর এক বান্ধবীর দাবি, ‘নিজের বাড়ির ফ্রিজ থেকে রাজের জন্য খাবার চুরি করতো শতাব্দী। তারপরে বাসে করে সেই খাবার বেহালা থেকে পৌঁছে দিয়ে আসতো রাজের কাছে। আবার কখনও মর্নিং ওয়াকে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে লুকিয়ে বেরিয়ে ব্রেকফাস্টের টাকা দিয়ে আসতো ওকে। কখনও জলের বোতল, কখনও ওষুধ, কখনও জামাকাপড় কিনে দেওয়া, কী করেনি ওর জন্য শতাব্দী! নিজের হাতখরচের টাকা নিঃস্বার্থভাবে খরচ করেছে রাজের জন্য। সেই সম্পর্কও টিকে থাকেনি!’

    শুধু কী তাই, ২০০৬ সালে বিয়ে হয় রাজ ও শতাব্দীর। যেহেতু রাজের ফিল্মি ক্যারিয়ার তখনও সেভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়, তাই বিয়ে নিয়ে প্রাথমিকভাবে মত ছিল না শতাব্দীর অভিভাবকদের। কিন্তু রাজকেই বিয়ে করার জন্য জেদ ধরে বসেছিলেন শতাব্দী। মেয়ের জেদের কাছে হার মানেন অভিভাবকরা। আপন করে নেন রাজকে। শতাব্দীর বান্ধবী বলছেন, ‘শতাব্দী রাজের জন্য খুব পয়া ছিল। ওকে বিয়ে করার পরে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’, ‘চ্যালেঞ্জ’, ‘প্রেম আমার’র মতো হিট ছবি দিয়েছিল রাজ। ততদিনে রাজকেও ঘরের ছেলে বলে স্বীকার করে নেন শতাব্দীর পরিবার পরিজনরা। ওর জন্য শতাব্দীর মা-বাবাও কম করেননি। এমনকী, রাজের শরীর খারাপ হলে সারারাত জেগে সেবাও করেছেন শতাব্দীর মা। সেটা অবশ্য রাজ নিজেও একাধিক জায়গায় স্বীকার করেছেন।’

    অথচ এই মধুর সম্পর্কের মাঝখানে অভিশপ্ত নাম হয়ে প্রবেশ করে ফেললেন শুভশ্রী। তার সঙ্গে রাজের সম্পর্কের জের ধরেই নাকি সুখী দাম্পত্যে ধরেছিল চিড়। ঘনিষ্ঠমহলে শতাব্দী দাবি করেছিলেন, তার সঙ্গে বিবাহিত সম্পর্কে থাকলেও শুভশ্রীর সঙ্গে প্রেম করতে শুরু করেছিলেন রাজ। সেটা নিয়ে বাড়িতে অশান্তিও হয়। এমনকী, শুভশ্রীর বাড়িতে ফোন করে এই সম্পর্ক থেকে সরে আসার অনুরোধ করেছিলেন শতাব্দী। শুভশ্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে নাকি বলা হয়, বয়স কম তাই ভুল করে ফেলেছেন শুভশ্রী। তিনি এই সম্পর্ক থেকে সরে আসবেন। এরই মধ্যে গুজব রটে শুভশ্রী নাকি প্রেম করছেন আর এক নায়ক দেবের সঙ্গে।

    কিন্তু তবু আশ্বস্ত হতে পারেননি শতাব্দী। পেশায় সংবাদমাধ্যমের কর্মী শতাব্দীর এক বান্ধবী বলছেন, ‘ততদিনে আর এক নায়িকা পায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল রাজের। দিনের পর দিন একসঙ্গে থাকতে শুরু করেছিলেন তারা। শতাব্দীর সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করতেন রাজ। তারপরেও এক বলিউডের এক বাঙালি গায়িকা এবং আরও কয়েকজন নারীর সঙ্গে নাম জড়িয়েছিল রাজের।’

    তাই বিরক্ত হয়েই নাকি আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন শতাব্দী। ২০১১ সালের শেষ দিকে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাদের। তবে এতকিছুর পরেও নাকি শতাব্দী বীতশ্রদ্ধ নন রাজের ওপরে। ঘনিষ্ঠমহলে তিনি বলেছেন, ‘রাজ খুব বিচিত্র আর রহস্যময় চরিত্রের একটি মানুষ। একমুহূর্তে এমন একটা কাজ করছে, যেটা দেখে ওর প্রতি শ্রদ্ধা জাগছে। পরমুহূর্তেই এমন একটা কাজ করছে, যেটা দেখে মনে হচ্ছে, কোনো মানুষ এমন কাজ করতে পারে? কখনও ওকে ভালবাসতে ইচ্ছা করতো। আবার কখনও ওকে ঘৃণা করা ছাড়া কোনো উপায় থাকতো না।’

    তাই বিচ্ছেদের পরেও মৌখিক ভদ্রতা নষ্ট করেননি রাজ ও শতাব্দী। আজও যখন কোনও পার্টি বা প্রিমিয়ারে দেখা হয়, রাজ যে সৌজন্য দেখান এবং যথেষ্ট ভালোভাবে কথা বলেন, সেটা কবুল করেছেন শতাব্দী। বলেছেন, ‘রাজকে আমি এখনও ভালোবাসি। কখনই চাইব না ওর কোনো ক্ষতি হোক। শুভশ্রীর সঙ্গে ও নতুন জীবন শুরু করেছে। ওদের জীবন সুখে কাটুক। আমরা এখন অনেক পরিণত। দু’জন পরিণত মানুষের মতোই অতীতটাকে সামলে নিতে চাই।’

    শতাব্দীর সঙ্গে থাকাকালীন ক্যারিয়ারের প্রথম তিনটে ছবিই সুপারহিট হয়েছিল রাজের। তাদের পারিবারিক বন্ধুরাও স্বীকার করে বলেন, ‘শতাব্দী ছিল রাজের লাকি চা

  • লাক্স সুন্দরী হলেন মিম মানতাশা

    অনলাইন ডেস্ক:
    লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার নির্বাচিত হয়েছেন মিম মানতাশা। সৌন্দর্য তো বটেই, মেধা-আত্মবিশ্বাস আর উপস্থিত বুদ্ধিতে বারো হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে শ্রেষ্ঠ হয়েছেন তিনি। প্রতিযোগিতার কঠিন সব ধাপ পেরিয়ে এসে বিচারক ও দর্শকের ভোটের পাশাপাশি সামগ্রিক পারফরমেন্সের বিচারে এবারের আসরে সেরার মুকুট পরেছেন তিনি। তাকে সেরার স্ল্যাশ পরিয়ে দেন আরেক লাক্স তারকা বিদ্যা সিনহা মিম।

    পুরস্কারের অর্থমূল্য হিসেবে তিনি জিতে নেন ৫ লাখ টাকার চেক এবং একটি ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি। এছাড়াও চ্যানেল আই থেকে নির্মিত একটি বিশেষ নাটকে তাহসান খানের বিপরীতে অভিনয়ের সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। এবারের আসরে প্রথম রানার আপ হয়েছেন সারওয়াত আজাদ বৃষ্টি, পুরস্কারের অর্থমূল্য হিসেবে তিনি পান ৪ লাখ টাকা। সেকেন্ড রানার আপ হয়েছেন সামিয়া অথৈ, তার পুরস্কারের অর্থমূল্য ৩ লাখ টাকা। তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর।

    তিন মাসের পথপরিক্রমার পর প্রায় ১২ হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে সেরার মঞ্চে এসে দাঁড়ায় পাঁচ তরুণী। রূপ, সৌন্দর্যের লড়াইয়ে চূড়ান্ত আসরে অগ্নিপরীক্ষায় তারা মুখোমুখি হন কঠিন সব প্রশ্নের।

    গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে আয়োজিত তারকাবহুল জমকালো এক সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার এবারের আসর। এবারের প্রতিযোগিতায় প্রধান তিন বিচারক সাদিয়া ইসলাম মৌ, তাহসান খান ও আরিফিন শুভর সঙ্গে বিশেষ বিচারক হিসেবে প্যানেলে আসেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, নাট্যব্যক্তিত্ব আলী যাকের, অভিনেত্রী রুমানা রশিদ ঈশিতা। ‘চ্যানেল আই প্রেজেন্ট লাক্স সুপারস্টার’-এর এবারের মূল প্রতিপাদ্য ‘দেখিয়ে দাও অদেখা তোমায়’।

    অনুষ্ঠানে দেওয়া হয় এবারের আসরের আরো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার। ‘মোস্ট কনফিডেন্ট’ অ্যাওয়ার্ড পান পূজা, ‘মোস্ট এন্টারটেইনিং’ অ্যাওয়ার্ড পান তাইবা, ‘মোস্ট স্টাইলিশ’ অ্যাওয়ার্ড যায় সেরা পাঁচের ইশরাতের ঝুলিতে। পুরস্কারগুলো তুলে দেন নাট্যব্যক্তিত্ব সারা যাকের, অভিনেতা ফেরদৌস, রূপ বিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খান।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে শীর্ষ পাঁচ প্রতিযোগী সামিয়া অথৈ, মিম মানতাশা, সারওয়াত আজাদ বৃষ্টি, ইশরাত জাহিন এবং নাবিলা আফরোজকে নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়। এরপর এবারের লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার টাইটেল ট্র্যাক ‘তুমি অদম্য, অজেয়’- গানের সঙ্গে পারফর্ম করেন তারা। এরপর সাদিয়া ইসলাম মৌ, তাহসান খান ও আরিফিন শুভ তিনটি মিউজিক্যাল কোরিওগ্রাফির সঙ্গে পারফর্ম করেন। তাহসান খান নিজের গানের সঙ্গে পারফর্ম করেন, পরে মৌ ও তার দলের কোরিওগ্রাফিতে নারী শক্তির জাগরণের কথা ফুটিয়ে তোলেন।

    অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে মঞ্চে আসেন পূর্বের লাক্স সুন্দরী মেহজাবীন চৌধুরী, জাকিয়া বারী মম, মিম, সামিয়া সাঈদরা। অপূর্ব দেহভঙ্গিমার সঙ্গে নাচের মুদ্রায় তারায় তারায় আলোকিত হয়ে ওঠে মঞ্চটি।

    ১৯৯৫ সালে লাক্স-আনন্দধারা ফটোজেনিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সুন্দরী প্রতিযোগিতার শুরু হয় বাংলাদেশে। এরপর নানা পথপরিক্রমায় এই প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয় চ্যানেল আই ও ইউনিলিভার বাংলাদেশ। ‘লাক্স সুপারস্টার’ নামে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল ২০০৫ সাল থেকে

  • স্ত্রী অপু বিশ্বাসের ব্যাপারে রাজউকের জিজ্ঞাসা, শাকিব খানের জবাব

    অনলাইন ডেস্ক:
    চলচ্চিত্র নায়ক শাকিব খানের কাছে স্ত্রীর নাম, পিতার নাম ও মাতার নাম যুক্ত যেকোনো ডকুমেন্ট চেয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। তার স্ত্রী’র নামে রাজউক থেকে কোন প্লট বা ফ্ল্যাট বরাদ্দ রয়েছে কি না এটা যাচাইয়ের জন্য স্ত্রীর তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর বিপরীতে এরই মধ্যে তালাক নোটিশ রাজউকের কাছে জমা দিয়েছেন শাকিব খান।

    এর ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে রাজউক। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর নায়ক শাকিব খান রানা শিল্পী, সাহিত্যিক, ক্রীড়াবিদ ক্যাটাগরিতে লটারিতে ১০ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ পান। এরই মধ্যে প্লটের বিপরীতে পুরো কিস্তির ৩০ লাখ টাকা পরিশোধ করেছেন তিনি।

    কয়েক মাস আগে যে অবস্থায় আছে ওই অবস্থায় প্লটের দখল নিতে রাজউকে আবেদন করেন তিনি। গত ২৮শে মার্চ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে শাকিব খান রানাকে স্ত্রীর তথ্য জমা দেয়ার অনুরোধ করেন রাজউকের সহকারী পরিচালক (এস্টেট-৩) মো. আলম।

    ওই চিঠিতে সহকারি পরিচালক শাকিব খানকে জানান, আপনার আবেদনের প্রেক্ষিত্রে অত্র নথির তথ্য হালনাগাদ করতে আপনার ও আপনার স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি এবং আপনার স্ত্রীর জন্ম নিবন্ধন/এসএসসি পাশের সনদপত্রের সত্যায়িত কপি/কাবিননামার কপি উপ- পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩), রাজউক, ঢাকা এর বরাবরে দাখিল করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

    অন্যথায় আপনার আবেদনের বিষয়টি নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে না। রাজউক সূত্রে জানা গেছে, শাকিব খান রানার কাছে চিঠিটি তার গুলশান-২ এর ফ্ল্যাটের ঠিকানায় পাঠানো হয়। চিঠি পেয়ে শাকিব খান রানা ১লা এপ্রিল তার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং স্ত্রী অপু বিশ্বাসের সঙ্গে তার বিচ্ছেদের নোটিশ পাঠিয়েছেন।

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়রের বরাবরে ইংরেজিতে লেখা দুই পাতার ডিভোর্স লেটারে বলা হয়েছে, মুসলিম শরীয়া আইন মোতাবেক আমি শাকিব খান রানা অপু ইসলাম খান ওরফে অপু বিশ্বাস, পিতা- উপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস এবং মাতা শেফালী বিশ্বাসকে বিবাহ করেছি। আমি তার সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চাই। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করছি। রাজউক সূত্রে জানা গেছে, শাকিব খান রানার ডিভোর্স লেটারের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় কাজ করছে তারা। সহসাই প্লটের দখল ও লীজ দলিল রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত সব কাজ শেষ করা হতে পারে।

    এদিকে গত মার্চের মাঝামাঝি সময়ে চলচ্চিত্র তারকা দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিবাহবিচ্ছেদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে। তিন দফা শুনানির পর বিবাহ বিচ্ছেদ কার্যকর করা হয়। এর আগে ২০০৮ সালের ১৮ই এপ্রিল গোপনে বিয়ে করেন বাংলাদেশি ছবির জনপ্রিয় জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস।

    ২০১৬ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর জন্ম হয় তাদের সন্তান আব্রাম খান জয়। শাকিব-অপু দুজনেই সন্তানের জন্মের বিষয়টি গোপন রাখেন। ২০১৭ সালের ১০ই এপ্রিল একটি টিভি চ্যানেলের সরাসরি অনুষ্ঠানে এসে বিয়ে ও সন্তানের খবর ফাঁস করেন অপু বিশ্বাস। এরপর থেকেই শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। বিবাহবিচ্ছেদের মাধ্যমে এর শেষ পরিণতি পায়

  • যে কারণে হঠাৎ করেই গান ছেড়ে দিলেন মিলা; অবশেষে মুখ খুললেন !

    অনলাইন ডেস্ক:
    ‘আমি গান ভুলে গেছি…হাসতে ভুলে গেছি, স্বপ্ন দেখতে ভুলে গেছি…আমি যে মিলা ইসলাম নিজেই ভুলে গেছি।’ নিজের বর্তমান অবস্থার কথা লিখতে গিয়ে আরো বেশি আবেগী হয়ে পড়েন এই গায়িকা মিলা ইসলাম।

    তিনি বলেন, সেলিব্রিটি বলেই তাঁকে যাচ্ছেতাই ভাষায় অপমান করা হয়েছে সমাজে। যাঁরা এসব করেছেন তাঁদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে লিখেছেন, ‘দুর্ভাগ্যক্রমে দেশের একজন মহিলা রকস্টার হওয়ার কারণে যারা আমার এই অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনার সুযোগে আমাকে লাঞ্ছিত করেছে…তাদের কাউকে আমি ছাড়ব না।

    জেলে গেলেন সানজারি, জামিনে ছাড়াও পেলেন। এর পর থেকে আড়ালেই আছেন মিলা। নতুন গান, স্টেজ শো, পার্টি বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—কোথাও তিনি সেভাবে সরব নন। অবশেষে প্রায় সাত মাস পর মুখ খুললেন ‘শুকনো পাতা’র গায়িকা। বুধবার (৯ মে) দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে। শুরুতেই লেখেন, ‘সবাই অবাক হবেন, যখন জানতে পারবেন আমার সঙ্গে কী করা হয়েছে একটা মামলার জন্য।’

    দশ বছর প্রেম করার পর গত বছরের ১২ মে বৈমানিক পারভেজ সানজারিকে বিয়ে করেছিলেন গায়িকা মিলা ইসলাম। বিয়েটা টিকে থাকলে আজ রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম বিয়েবার্ষিকী উদ্‌যাপন করতে পারতেন তাঁরা। তা আর হলো কই! বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় বিচ্ছেদে গিয়ে ঠেকল। শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ এনে অক্টোবরে সানজারির বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন মিলা।

    সাবেক স্বামীকে উদ্দেশ করে লেখেন, ‘হ্যাঁ, ভালোবেসেছিলাম আমি। কিন্তু এই ভালোবাসা যেভাবে আমার মান-সম্মান, আমার আত্মাকে ধর্ষণ করে, জেলে থাকা অবস্থায় নিজের গুনাহ চাপা দিতে যে এতগুলো মানুষ দিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করে, তাকে আমি ঘেন্না করি।’

    কিভাবে সাক্ষী ও মেডিক্যাল রিপোর্ট গায়েব করার চেষ্টা করা হয়েছে, হুমকি দিয়ে এবং সামাজিকভাবে বদনাম করে তাঁর জীবনটাকে অন্ধকারে ঢেকে দেওয়া হয়েছে এভাবেই লিখেছেন মিলা। অভিযোগ প্রমাণ করে চার্জশিট দাখিল করার পরও কিভাবে ২০ দিনের মধ্যে জামিন নিয়ে ছাড়া পেয়ে গেলেন সানজারি, এ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন এই গায়িকা।