Category: দেবিদ্বার

  • মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার; এখনও নিখোঁজ বাবা ছেলে, কুমিল্লার বাড়িতে শোকের মাতম!

     অনলাইন ডেস্ক: 

    কিশোরগঞ্জের ভৈরবের মেঘনা নদীতে গতকাল সন্ধ্যায় বাল্কহেডের ধাক্কায় নৌকাডুবির ঘটনায় আরও দুজনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। এ নিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হলো। 

    আজ শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। তারা দু’জন হল- কনস্টেবলের স্ত্রী মৌসুমি ও তার মেয়ে মাহমুদা। তথ্যটি জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. রাসেল শেখ।

    ঘটনার সময়ই অজ্ঞাত হিসেবে উদ্ধার হওয়া এক নারীর পরিচয় আজ শনিবার পাওয়া গেছে। তিনি ভৈরবের কমলপুরের সুবর্ণা (৪০)। এ তথ্য জানিয়েছেন ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বুলবুল আহমেদ। 

    আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ ছিলেন ৮ জন। তারা হলেন- ভৈরবের আমলা পাড়ার ঝন্টু দের স্ত্রী রুপা দে (৩০), টুটন দের ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে মেঘলা দে আরাধ্যা (১১) ও ঝুটন দের ভগ্নিপতি কটিয়াদী উপজেলার মানিকখালী এলাকার বেলন দে (৩৫), ভৈরব হাইওয়ে থানার কনস্টেবল কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামের সোহেল রানা (৩০), স্ত্রী মৌসুমী (২৫), মেয়ে মাহমুদা (৭), ছেলে রাইসুল (৫) ও নরসিংদীর বেলাব উপজেলার দাড়িয়াকান্দি গ্রামের দারু মিয়ার মেয়ে আনিকা ইসলাম। 

    আনিকা এবার নরসিংদী মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন তার বাবা দারু মিয়া। তবে আজ দুপুর সোয়া ১টার দিকে দুজনের লাশ উদ্ধার হওয়ায় আরও ৬ জন নিখোঁজ আছেন।  

    ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজু মিয়া জানিয়েছেন, সোহেল রানার ভাগনি মারিয়া বেড়াতে চেয়েছিল। যে কারণে সোহেল রাণা সপরিবারে শুক্রবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের সোনারচর দ্বীপ গ্রাম দেখতে গিয়েছিলেন। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তাদের নৌকাকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর কাছে পেছন দিক থেকে বালু বোঝাই একটি বাল্কহেড ধাক্কা দিলে নৌকাটি উল্টে যায়। এ সময় মারিয়া রক্ষা পেলেও তার মামাসহ অপর তিনজন তলিয়ে যান। 

    এদিকে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডিএডি মো. এনামুল হক জানিয়েছেন, ৫ জন ডুবুরি কাজ করছেন। নদী অনেক গভীর। নীচের দিকে প্রচণ্ড স্রোতের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

  • ভৈরবে ট্রলারডুবি: কুমিল্লার পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানাসহ স্ত্রী ও দুই সন্তান নিখোঁজ!

    মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

    ভৈরবে ট্রলার ডুবির ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৬ জন। এর মধ্যে ভৈরব হাইওয়ে থানার কনস্টেবল সোহেল রানা, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছেন। তাদের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামে। উদ্ধার কাজ চলমান থাকলেও এখন পর্যন্ত তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

    ফতেহাবাদ গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে সোহেল রানা ২০১১ সালে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পান। ট্রলারডুবির খবরে সোহেলের পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মধ্যে আহাজারি চলছে।

    দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ১নং ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল সোহেলের বাবা, মা ও পরিবারের সদস্যরা ভৈরবে ছুটে যান। ছেলে ও তার পরিবারের সদস্যদের না পেয়ে তারা বার বার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছেন। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সোহেল রানার পরিবারের কারও মরদেহ পাওয়া যায়নি বলে জানতে পেরেছি।

    ভৈরব নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, নিখোঁজদের মধ্যে ভৈরব হাইওয়ে থানার কনস্টেবল সোহেল রানা (৩৫), তার স্ত্রী মৌসুমি (২৫), মেয়ে মাহমুদা (৭) ও ছেলে রাইসুল (৫) রয়েছেন। নৌপুলিশ তাদের উদ্ধারে কাজ করছে।

    উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে ভৈরব সেতু এলাকা মেঘনা নদীর পাড় থেকে একটি নৌকা নিয়ে ১৬ জন যাত্রী আশুগঞ্জ সোনারামপুর চরে ঘুরতে যায়। সেখান থেকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভৈরবে ফেরার পথে মাঝ নদীতে নৌকাটিকে একটি বাল্কহেড ধাক্কা দেয়। এতে নৌকাটি ডুবে যায়। এসময় স্থানীয় লোকজন ও নৌ পুলিশ ৯-১০ জনকে উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে এক নারীকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তোফাজ্জল হক (২২) নামের এক যুবককে আহত অবস্থায় ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। এসময় রুবা নামের এক ছাত্রী ও পুলিশ কনস্টেবলের ভাগনেসহ কয়েকজন সাঁতরে পারে উঠলেও বাকিরা নিখোঁজ রয়েছেন।

    ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজু মিয়া জানান, ঘটনার পর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশ নদীতে ট্রলারটি উদ্ধারে চেষ্টা করছে। কিন্তু অন্ধকার থাকায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হয়।

  • দেবিদ্বারের এমপি  ফখরুলের বাবা সাবেক অর্থ উপমন্ত্রী ফখরুল মুন্সী আর নেই

    শাহীন আলম

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য ও অর্থ উপমন্ত্রী, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনের নেতা, দেবিদ্বারের সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের বাবা এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সী (৭৬) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    শনিবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৪টার ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়। এর আগে গত ৯ অক্টোবর তিনি ব্রেইন স্ট্রোক করায় রাজধানীর ইউনাইটেড হসপিটালের লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সীর ছেলে রাজী মোহাম্মদ ফখরুল।

    এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সী ১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের বনকোট গ্রামের সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী রাকিবা বানু, দুই ছেলে রাকিব মোহাম্মদ ফখরুল ও রাজী মোহাম্মদ ফখরুলসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে দেবিদ্বারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    মরহুমের প্রথম জানাজা দেবিদ্বার গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের বনকুট নিজ গ্রামে দুপুর ১২টায়, বাদ জোহর দ্বিতীয় জানাজা দেবিদ্বার এবিএম গোলাম মোস্তফা স্টেডিয়াম মাঠ, বাদ আসর সংসদ ভবন প্লাজা এবং বাদ মাগরিব গুলশান সোসাইটি মসজিদে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

  • বড় শালঘর ইউপি সেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠন

    স্টাফ রিপোর্টার।

    দেবিদ্বার উপজেলার ১নং বড় শালঘর ইউপি আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার তিন মাসের জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়৷ এতে আহবায়ক মনোনিত হয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা মো মিয়া রুবেল, সদস্য সচিব মো শাহ আলী। উপজেলা সভাপতি মো আব্দুল মান্নান মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন সাক্ষরিত ২৫ সদস্যের এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন জানান, ‘ আশা করি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে ও বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন৷ নবগঠিত কমিটির সকল সদস্যের প্রতি শুভেচ্ছা’।

    নবনির্বাচিত কমিটির আহবায়ক মো মিয়া রুবেল বলেন, ‘আমরা সব সময় দেশের প্রয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করেছি৷ নবগঠিত কমিটির মাধ্যমে আমরা আরো সংঘবদ্ধ। জীবন দিয়ে হলেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে যাবো’।

    নব-গঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, মো. আমির হোসেন সরকার, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. শাহ জালাল সরকার রনি, মো. আক্তার হোসেন, মো. শরিফুল ইসলাম, জামির হোসেন, মো. মাসুম, মো. খাইরুল, মো. জামির হোসেন, শ্রী শ্যামল চন্দ্র রায়, মো. রাকিবুল ইসলাম, ময়না বেগম, মো. আলম হাজারী, মো. রাসেল, মো. আবুল, মো. সাইদ মোবারক, মো. ইকবাল, গাজী রফিকুল ইসলাম, মো. মাসুম মিয়া, মো. জহিরুল ইসলাম, মো. সোহেল, মো. আব্দুল্লাহ হাজারী।

  • দেবিদ্বারে সংখ্যালঘু পরিবারে হামলা; চেয়ারম্যানের ভাইসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

    স্টাফ রিপোর্টার

    কুমিল্লার দেবিদ্বারে সংখ্যালঘু পরিবারে হামলা, প্রতিমা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনায় ফতেহাবাদ ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই আক্তারুজ্জানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছে আদালত৷ রবিবার (২০ আগষ্ট) মোকাম কুমিল্লার দ্রুত বিচার আদালতের বিজ্ঞ বিচারক নিশাত জাহান চৌধুরী এই আদেশ দেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী এড. কাজী নাজমুল হক নিজাম।

    গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হওয়া আসামীরা হলেন, ফতেহাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদের ছোট ভাই আক্তারুজ্জামান (৪০), কাজী বিল্লাল (৩২), কাজী হেলাল(৩০), জয়দল হোসেন (৩৮), শাহিন ইসলাম (২৫), জহিরুল ইসলাম (৪৫), দিদারুল আলম ফয়েজ (২৬), গাফফার (৩৫), মামুন (২৬)।

    ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও মামলার বাদী পরিমল সরকার বলেন, ‘আমাদের বাড়িতে হামলার ইন্ধনদাতা ও মূলহোতা ফতেহাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদ। তার নির্দেশে ঘরবাড়ি ভাঙচুরসহ লুটপাট করা হয়৷ আদালতের কাছে দাবী জানাই চেয়ারম্যান মাসুদসহ সকল অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি যেন প্রদান করা হয়’।

    বাদী পক্ষের আইনজীবী এড. কাজী নাজমুল হক নিজাম জানান, ‘মোকাম কুমিল্লার বিজ্ঞ দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে দেবিদ্বারের সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারে হামলা, প্রতিমা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনায় ১০জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আদালত ৯জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছে’।

    প্রসঙ্গত, গত (২০ মে) ছাত্রলীগ ও যুবলীগের উত্তেজনার জের ধরে দেবিদ্বারের চাঁনপুরে একটি হিন্দু পরিবারে হামলা করে বাড়িঘর ভাঙচুরসহ মালামাল লুটের ঘটনা ঘটে। এসময় একটি টিনের আধপাকা ঘর ও ঘরের মধ্যে থাকা প্রতিমা, টিভি, স্যোকেস, ফার্ণিচার ভাঙচুরসহ স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠে। পরে (২৪মে) ভুক্তভুগী পরিবারটির সদস্য পরিমল বাদী হয়ে দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১০ জনকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

    ছবি: চেয়ারম্যান মাসুদ (বামপাশে), আক্তারুজ্জামান

  • সরকার বিরোধী ভিডিও শেয়ার করে সমালোচনার মুখে দেবিদ্বার উপজেলা আ’লীগ সভাপতি

    কুমিল্লা প্রতিনিধি :

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সজিব ওয়াজেদ জয়, সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুলসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে বিতর্কিত ইউটিউবার জাওয়াদ নির্জরের প্রতিবেদন ফেসবুকে শেয়ার করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম সফিউদ্দিন।

    বুধবার ‘কুমিল্লার দেবিদ্বারের দানব এমপি রাজী ফখরুল’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি ব্যক্তিগত আইডিতে শেয়ার করেন সফিউদ্দিন।

    লন্ডন প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্জর আওয়ামীলীগ বিরোধী বলে পরিচিত সর্বমহলে।

    প্রতিবেদনটিতে নানা উন্নয়ন কাজে সরকার ও সাংসদ রাজীর সমালোচনা করেন এই ইউটিউবার ।

    এমন একটি বিতর্কিত প্রতিবেদন ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় উপজেলা সভাপতি সফিউদ্দিনের ওপর ক্ষোভ বিরাজ করছে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, ‘নির্দিষ্ট ব্যক্তি ও বিএনপি জামায়াতকে খুশি করতেই এমন বিতর্কিত প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন সফিউদ্দিন। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করলেও, তারা চান না শেখ হাসিনা আগামীতে সরকার গঠন করুক। উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রতিবেদনটি তৈরীতে সাংবাদিক নির্জরের সাথে সফিউদ্দিনের লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন অনেকে ‘।

    এদিকে নির্জরের বিতর্কিত প্রতিবেদনটি নিজের ফেসবুক শেয়ার করার বিষয়টি স্বীকার করে দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম সফিউদ্দিন বলেন, ‘প্রতিবেদনটি শেয়ার করেছিলাম, পরে আবার ডিলিট করে দিয়েছি। প্রতিবেদনটি সত্য মনে হয়েছে তাই শেয়ার করেছি। তবে আমি মাননীয় সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল এর ভাল কাজের ছবিও ফেসবুকে শেয়ার করি’।

  • মিথ্যা মামলা থেকে খালাস:রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় ফাঁসানো হয়েছিল অনিককে’ -আইনজীবী


    স্টাফ রিপোর্টার :

    রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় দায়ের করা মিথ্যা মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু কাউছার অনিক। বৃহস্পতিবার মোকাম কুমিল্লার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন অপরাধ ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন এই আদেশ দেন। একই মামলায় খালাস পেয়েছেন আরো দু’জন। তারা হলেন গাজীপুর পুলিশের এএসআই গাজী মো শাহজাহান কবির ও মো জিলানী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামী পক্ষের আইনজীবী এড. কাজী নাজমুল হক নিজাম। আদালতের রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন তিনি।

    এড. কাজী নাজমুল হক নিজাম বলেন, ‘ ছাত্রলীগের দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে আবু কাউছার অনিক কুমিল্লার জনপ্রিয় একজন ব্যক্তিত্ব। তিনি করোনাকালীন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে থেকে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল৷ তার এই জনপ্রিয়তায় ইর্শান্বিত হয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল। আদালত মামলা থেকে অনিককে বেকুসুর খালাস দিয়েছেন’।

    তিনি বলেন, ‘ আমরা মনে করি এই রায়ে উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আদালত। প্রতিহিংসায় আর কেউ মিথ্যা মামলা দিয়ে সম্মানিত ব্যক্তিদের হয়রানী করবে না’।

    কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু কাউছার অনিক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শে মানুষের কল্যাণে আমরা রাজনীতি করি। মিথ্যা অভিযোগ বা হয়রানী করে আমাদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে কেউ সরাতে পারবে না। আমরা ভাল কাজ করে যাবো’।

    প্রসঙ্গত, গত ২৪শে সেপ্টেম্বর এক নারীর অভিযোগে নির্যাতনে সহায়তার মামলায় আসামী করা অনিকসহ চারজনকে।

  • দেবিদ্বার পৌর নির্বাচন:উপজেলা চেয়ারম্যান ও দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার:
    কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌরসভা নির্বাচনে ক্যারামবোর্ড ও নারকেল গাছ প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনা, নির্বাচনী বিধি নিষেধ লঙ্ঘন, নৌকা প্রতিকের প্রার্থীকে প্রচারণায় বাধা, ভোটারদের হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ এনে আইনত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম।

    এছাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এনেছেন নৌকার প্রার্থী সাইফুল ইসলাম।

    লিখিত অভিযোগে মো: সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের ভিংলাবাড়ী গ্রামে বৃহস্পতিবার রাত ১ টার সময় ক্যারামবোর্ড প্রতিকের প্রার্থী এম কাইয়ুম ভূইয়া নিজে তার লোকবল নিয়ে নৌকা প্রতিকের অফিস বন্ধ করে দেয়।এম কাইয়ুম ভূইয়া গ্রামের সাধারণ ভোটারদেরকে টাকার বিনিময়ে ভোট দেওয়ার জন্য টাকা বিলি করার সময় সরাসরি নৌকা মার্কার সমর্থকদের নজরে আসলে নৌকার সমর্থক এবং ক্যারামবোর্ড প্রার্থীর সাথে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে ক্যারামবোর্ড প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন নৌকা প্রতীকের সমর্থকদেরকে মারধর করে আহত করে। এছাড়াও যে সমস্ত সাধারণ ভোটাররা ক্যারামবোর্ড প্রার্থীর টাকা নেয়নি এবং ভোট দিবে বলে আশ্বস্ত করেনি তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকায় ভীত সন্তস্ত্র পরিবেশ তৈরী করেছে। ক্যারামবোর্ড প্রতিকের প্রার্থী নিজেই নৌকা প্রতিকের বিভিন্ন কর্মীকে প্রচারণার কাজ বন্ধ করে দেয়।

    এদিকে ৯ নং ওয়ার্ডের বারেরা গ্রামে শুক্রবার ভোররাত ৩ টার সময় নারকেল গাছ প্রতিকের প্রার্থী আবুল কাশেম চেয়ারম্যান নিজে তার লোকবল নিয়ে গ্রামের সাধারণ ভোটারদেরকে টাকার বিনিময়ে ভোট দেওয়ার জন্য টাকা বিলি করার সময় নৌকা মার্কার সমর্থকরা প্রতিবাদ করলে নারকেল গাছ প্রার্থীর লোকজন নৌকা মার্কার সমর্থকদেরকে মারধর আহত করে। এছাড়াও যে সমস্ত সাধারণ ভোটাররা নারকেল গাছ প্রার্থীর টাকা নেয়নি এবং ভোট দিবে বলে আশ্বস্থ করেনি তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়া এলাকায় ভীত সন্তস্ত্র পরিবেশ তৈরী করেছে। নারকেল গাছ মার্কার প্রার্থী নিজে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নৌকা মার্কার বিভিন্ন কর্মীকে তার বাসভবনে ডেকে নিয়ে নারকেল গাছ প্রতিকের পক্ষে কাজ করার জন্য বিভিন্ন অসৎ উপায় অবলম্বন করার চেষ্টা করছে।

    এছাড়া গতকাল সংবাদ সম্মেলন করে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করেন যে, দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ও তার অনুসারীগন নৌকাকে ভরাডুবি করার জন্য অনেক চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। নৌকার বিপক্ষে কাজ করার সময় আমরা তাকে হাতেনাতে ধরেছি । দিনের আলোতে মুখে নৌকার কথা বলে রাতের আধারে নৌকাকে হারিয়ে স্বতন্ত্র প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা থেকে শুরু করে ইলেকশন ম্যাকানিজম করছে বলে তৃনমূল হতে আমাদের সচেতন কর্মী সমর্থক অবগত করছেন,যা আমাদের বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিটা কর্মীর হৃদয়ে রক্তক্ষরন হচ্ছে।

    এই বিষয়ে জানতে আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে কল দিলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

    জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুঞ্জুরুল আলম জানান, আমাদের কাছে অভিযোগ আসার পর আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। আচরণ বিধি যেই লঙ্ঘণ করবে আমরা তার বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নিবো।

  • দেবিদ্বারে দেড়শতাধিক নারী উদ্যোক্তার মাঝে চেক বিতরণ

    কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
    কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম নুরপুর। সেখানে নারীরা কেউ শিখেছেন ফ্যাশন ডিজাইন, কেউ ক্যাটারিন, কেউ মাশরুম, কেউ বা ইভেন্ট ম্যানেজম্যান্টে নিজেকে দক্ষ করে নিয়েছেন। আয় করতে সক্ষম এমন দক্ষতায় স্বচ্ছলতার স্বপ্ন বুঁনছেন তারা। কলেজ শিক্ষার্থী সানজিদা জানান, ‘ফ্যাশন ডিজাইনের খুঁটিনাটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেছি। ইতিমধ্যেই একটি ফেসবুক পেইজ খুলে কাজের প্রচার করছি। গ্রাহকদের সাড়াও পাচ্ছি বেশ। আশা করি স্বপ্ন জয়ের পথে বহুদুর এগিয়ে যেতে পারবো’।
    একই রকম সফল উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প শুণালেন তানিয়া আক্তার। বলেন, ‘ মাশরুম কি জিনিস আগে জানতামই না। এখন চাষ করা শিখেছি। বাজারে মাশরুমের বেশ চাহিদা রয়েছে। মাশরুম নিয়ে উদ্যোক্তা হতে চাই’।


    এমন দেড়শতাধিক নারীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে জাতীয় মহিলা সংস্থা। ‘তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ সাধন’ প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার নুরপুর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দেড়শতাধিক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের (আইসিটি) সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলম, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম. রুহুল আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাবলিক রিলেশন অফিসার আবুল খায়ের, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু কাউছার অনিক। চেক বিতরণী অনুষ্ঠানের সভাপতি¦ করেন জাতীয় মহিলা সংস্থা দেবিদ্বার উপজেলা শাখার চেয়ারম্যান শিরিন সুলতানা।

  • দেবিদ্বারে ৫ হাজার পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন এমপি রাজী ফখরুল

    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী কুমিল্লার দেবিদ্বারে আশ্রয়ণ প্রকল্প ও গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দাদের পাশাপাশি সব শ্রেণিপেশার ৫ হাজার পরিবারের হাতে ঈদ উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়েছেন স্থানীয় সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ।

    বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের বনকোট গ্রামে সাংসদের নিজ বাড়ি হতে এ ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেন সাংসদ রাজী ফখরুল। পরে উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলোতে গিয়ে ওইসব জায়গায় বসবাসরত মানুষের হাতে ঈদ উপহার তুলে দেন এমপি রাজী ফখরুল।

    এছাড়া উপজেলার সকল ইউনিয়নে নেতাকর্মীদের মাধ্যমে অসহায়-নি:স্ব মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করে সাংসদ রাজী ফখরুল।

    সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল জানান, স্বাধানতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর কণ্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদেরকে জাতির পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নিদের্শ দিয়েছেন। একটি মানবিক ও কল্যাণকামী রাষ্ট্র গড়তে হলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়ন করতে হবে।  সেই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। পবিত্র ঈদুল ফিতর আসন্ন। ঈদে সব শ্রেণি পেশার মানুষ যাতে পেট ভরে খেতে পারে এবং ঈদ যাতে সবার জীবনে রঙ্গিণময় হয়ে উঠে সেই লক্ষ্যে আমার এই
    ক্ষুদ্র প্রয়াস। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

    ঈদ উপহার বিতরণকালে উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি মনির মাষ্টার, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল চৌধুরী, উপজেলা আ’লীগ নেতা আবুল খায়ের মুন্সী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন রাজুসহ বিভিন্নস্তরের
    নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।