Category: জাতীয়

  • ‘সেহেরি একটি রুটি আর ইফতার করেছি এক গ্লাস পানি দিয়ে’

    অনলাইন ডেস্ক:
    অপেক্ষার প্রহর গুনছেন বাবুল সাজি। কখন আসবে মেয়ে শিউলি আক্তার পিংকি। অবশেষে দেখা মিলল তার। এসেই বাবাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন শিউলি।

    মেয়েকে বুকে আগলে নিজের কান্না সংবরণ করে তার কান্না থামানোর প্রাণপণ চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু কিছুতেই মেয়ের কান্না থামছিল না। তখন বাবার চোখ দিয়েও গড়িয়ে পড়তে শুরু করে জল।

    শুক্রবার (১৮ মে) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এমন ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। দেশে ফেরা এবং পরিবারকে কাছে পাওয়ার আনন্দে এভাবেই কেটে যায় শিউলি আক্তার পিংকির কিছুটা সময়।

    এরপর কথা হয় সাংবাদিকদের সঙ্গে। সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের যে বাসায় তিনি কাজ করতেন সেখানকার বর্ণনা দিতে গিয়ে পিংকি বলেন, সকালে উঠে থালা-বাসন পরিষ্কার করতাম। এরপর সারাদিন পানি দিয়ে ঘর-বাড়ি পরিষ্কার করতে করতে পুরো শরীর ভিজে যেতো। শুকনা কাপড় পরারও সময় পেতাম না। রাতে ভেজা কাপড়েই ঘুমিয়ে পড়তাম, টের পেতাম না। সকালে ওঠার পর বুঝতাম গায়ের কাপড় ভেজা ছিল। পরের দিন আবার একই কাজ। এত কাজের বিনিময়ে সকালে একটা আর রাতে একটা রুটি দেয় খেতে দিতো। হাতে-পায়ে ধরে ভাত চাইলেও দিত না। ওরা অনেক ভালো-মন্দ খাবার খেতো, আমাকে দিতো একটা রুটি। আমার মতো কেউ যেনও আর সৌদি আরব না যায়।

    ‘সৌদি আরব যাওয়ার পর জানতো না কোথায় সে কাজ করছে। ভাষাও বোঝেন না তাই, ইশারায় নির্দেশ বুঝে নিয়ে সব কাজ করতেন। প্রতিদিন তিনতলা বাসা ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করতে হতো তাকে। প্রতিটি তলার ১০টি বড় বড় রুম ছিল। এমনকি ছাদও পরিষ্কার করতে হতো প্রতিদিন’- বলেও জানায় পিংকি।

    চোখের পানি মুছতে মুছতে পিংকি বলেন, প্রথম রোজার দিন (বৃহস্পতিবার) রাতে একটা রুটি দিয়েছিল খেতে। আমরা ৯ জন মেয়ে মিলে তাদের ভাত দেওয়ার অনুরোধ করার পর সেহরিতে ভাত দেয়। আলু আর পেঁয়াজের পাতার ভাজি দিয়ে ভাত খেয়েছি। ইফতার করেছি এক গ্লাস পানি দিয়ে।

    তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন কাজ করার পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে আমাকে নিয়ে যাওয়া হয় একটি ক্যাম্প। নোংরা আর প্রচণ্ড গরমে থাকতে হয়েছে সেখানে।’

    সৌদিতে পাঠাতে কত টাকা খরচ হয়েছে জানতে চাইলে পিংকির বাবা বাবুল সাজি জানান, প্রতিবেশী বাতেনের মাধ্যমে আল মনসুর ওভারসিস অ্যান্ড ট্রাভেলসকে ৪৫ হাজার টাকা দিয়েছি। মেয়ের আয় থেকে বাকি ৫৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে।

    শুক্রবার (১৮ মে) রাতে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে সৌদি আরবে গিয়ে নির্যাতনের শিকার পাঁচ নারী শ্রমিক দেশে পৌঁছেছেন।

    ফিরে আসা পাঁচ নারী শ্রমিক হলেন- মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীর পিংকি, ঢাকার লালবাগের সুমাইয়া কাজল, নওগাঁর সুখী, ময়মনসিংহের ফুলপুরের মাজেদা ও ভোলার রিনা।

    মানবাধিকারকর্মী জানান, নির্যাতনের শিকার নারীদের ৫ জন এমিরেটস এয়ারলাইন্সের EK584 নম্বর ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। এদের সবাইকে নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

    গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরব যাওয়া ওই নারীরা নির্যাতনের শিকার হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের দাম্মামের খোবার এলাকার একটি ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হয়। গত আড়াই মাসে এভাবে ৯ নারী ওই ক্যাম্পে আশ্রয় পান। তাদের মধ্যে ৫ জন আজ ফিরেছেন।

  • যে কারণে পুলিশের ইফতার বর্জন করলেন শতাধিক সাংবাদিক

    অনলাইন ডেস্ক:

    কর্তব্যরত অবস্থায় ডিবিসি টেলিভিশনের সাংবাদিক আদিত্য আরাফাতকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কর্তৃক আয়োজিত ইফতার পার্টি বর্জন করেছেন সাংবাদিকরা।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার মহাখালী রেলগেট এলাকায় বিআরটিসি ও ৬ নম্বরের একটি যাত্রীবাহী বাসের রেষারেষিতে মো. নুরুল আমিন (৬০) নামে এক পথচারীর পায়ের ওপর দিয়ে বাস চলে যায়। ওই সময় সেখানে দুর্ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ট্রাফিক পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) আশরাফ ডিবিসির সাংবাদিক আদিত্য আরাফাতের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। তিনি আদিত্যকে ধাক্কা দেন এবং ক্যামেরায় পানি ঢেলে দেন।

    এসি আশরাফ কর্তৃক সহকর্মী লাঞ্ছিত হওয়ার প্রতিবাদে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ইফতার পার্টি বর্জনের ঘোষণা দেন দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদকরা।

    শুক্রবার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আমন্ত্রণ পাওয়া প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মাধ্যমের প্রায় শতাধিক সাংবাদিককে ওই ইফতার পার্টি বর্জন করতে দেখা যায়।

    তারা জানান, ধারাবাহিকভাবে পুলিশের হাতে অপরাধ বিষয়ক সাংবাদিকদের নির্যাতন ও হয়রানির প্রতিবাদে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। এছাড়া শনিবার দুপুরে ডিএমপি কার্যালয়ের সামনে এক বোতল পানি নিয়ে মানববন্ধনও পালন করা হবে।

    সাংবাদিকরা বলেন, আমাদের সঙ্গে পুলিশের দুর্ব্যবহারের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। ডিএমপি কমিশনার দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এর মাত্রা বেড়েই চলেছে। আমরা এসব ঘটনার উদ্বেগ জানাই।

    সাংবাদিক এবং সাংবাদিকতার স্বার্থে সাংবাদিকদের এ অবস্থান বলেও জানান তারা।

    এর আগে ২৪ এপ্রিল মঙ্গলবার কর্তব্যরত সাংবাদিকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন সাংবাদিকরা। মানববন্ধন শেষে ডিএমপি কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হলেও কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

    ওইদিন দুপুরে নয়াপল্টন এলাকায় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি। বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে বেসরকারি টেলিভিশন বাংলা টিভির সাংবাদিক আরমান কায়সার ও ক্যামেরাপারসন মানিকের ওপর চড়াও হন মতিঝিল জোনের ডিসি আনোয়ার হোসেন।

  • বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে ১২২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান !

    অনলাইন ডেস্ক:
    মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা ১২২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত আসছে। এসব প্রতিষ্ঠানের যৌক্তিকতা যাচাই-বাছাই করে সরকারি অনুদান (এমপিও) ও অনুমোদন-স্বীকৃতি বাতিল করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।

    গত ৬ মে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। সারাদেশে তিন হাজার ৪১৫টি কেন্দ্রে ২৮ হাজার ৫৫৮টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, এবারের পরীক্ষায় মোট ১২২টি প্রতিষ্ঠানের একজনও পাস করেনি। এর মধ্যে সাধারণ আট বোর্ডের অধীন ১৬টি এবং মাদরাসা বোর্ডের অধীন ৯৬টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

    ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষামন্ত্রী সব বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নিয়ে বৈঠকে বসেন। সেখানে শূন্য পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

    শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করেছে স্ব স্ব বোর্ড। গত ১৩ মে মাদরাসা বোর্ডের আওতাভুক্ত শতভাগ ফেল করা স্কুল কর্তৃপক্ষকে শোকজ করা হয়েছে। আগামী ২৩ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। সাধারণ বোর্ডের অধিভুক্ত স্কুলগুলোর বিরুদ্ধেও দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

    শতভাগ ফেল করা মাদরাসার মধ্যে ১৯টি এমপিওভুক্ত। সেগুলো হচ্ছে- গাজীপুর কাপাসিয়ায় বিলাসী মদিনাতুল উলুম বালিকা আলিম মাদরাসা, কিশোরগঞ্জ পাকুন্দিয়ায় খামা বালিকা দাখিল মাদরাসা, টাঙ্গাইলের ঘটাইল বখশিয়া দাখিল মাদরাসা, নববাগঞ্জ উপজেলা সদরের সাজাহানপুর ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদরাসা, নওগাঁ পত্মীতালয় বড় বিদিরপুর দাখিল মাদরাসা, ছোট মাহারানদি টেকনিক্যাল দাখিল মাদরাসা, বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বেড়েবাবাড়ির সিনিয়র আলীম মাদরাস, শিবগঞ্জের মেদিনিপাড়া মোজাদ্দিদিয়া দাখিল মাদরাসা, দিনাজপুর পার্বতীপুরের ঝিনাইকুরি ওসমানিয়া দাখিল মাদরাসা, যশোর কেশবপুরের প্রতাপপুর দাখিল মাদরাসা, সাতবাড়িয়া দাখিল মাদরাসা, ইমান নগর এম বি জি দাখিল মাদরাসা, বরিশাল উড়িরপুরে মুন্সির তালুক বালিকা আলিম মাদরাসা, পিরোজপুরের নেসারবাদ মুজাদ্দেদিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা, পুটয়াখালী সদরে লোহালিয়া কে এম হক বালিকা দাখিল মাদরাসা, পুটয়াখালী সদরে লোহালিয়া কে এম হক বালিকা দাখিল মাদরাসা, পটুয়াখালী সদরে লোহালিয়া কে এম হক বালিকা দাখিল মাদরাসা, টাঙ্গাইলের চাতিলা সেফালিয়া বালিকা দাখিল মাদরাসা এবং মাগুরা মোহাম্মদপুরের রিজিয়া বুবিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসা।

    বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কিংবা বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে অধিকাংশ মাদরাসার অনুমোদন, স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি করা হয়েছে। সৃষ্ট পদ অনুযায়ী প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম ১৬ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক রয়েছেন। এর বাইরেও অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে পরিচালনা পর্যদের সদস্যরা।

    একাধিক শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তাদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন বাবদ সরকারি ফান্ড থেকে মাসে প্রায় আড়াই লাখ টাকা প্রদান করা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীরা ভর্তি হচ্ছে না। অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দু-একজন শিক্ষার্থী পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তাদের মধ্যে কেউ পাস না করায় শতভাগ ফেলের সমীকরণে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর চাইতে শিক্ষকদের সংখ্যাই বেশি।

    এ বিষয়ে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাইফউল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, শতভাগ ফেল করা ৯৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতোমধ্যে তাদের শোকজ করা হয়েছে। শোকজের জবাব পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শতভাগ শূন্য পাস প্রতিষ্ঠান থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই। ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হচ্ছে না। এ কারণে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে মাত্র একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। আমরা বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করছি। তাদের আর পুষে রাখা হবে না।’

    ‘ওইসব প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন ও স্বীকৃতি বাতিল এবং এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সব সুবিধা বাতিলের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হবে’ বলেও জানান মাদরাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান।

    অন্যদিকে, সাধারণ আট বোর্ডের ১৬টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শতভাগ ফেল করেছে। সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে একাধিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে শোকজ করা হয়েছে। শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ঢাকা বোর্ডের অধীনে তিনটি স্কুল রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- গাজীপুর কাপাশিয়ার কিরাটি পূর্ব পাড়া ড. এ রহমান গার্লস হাই স্কুল, ফরিদপুর মধুখালির গয়েশপুর বকশিপুর হাই স্কুল এবং জামালপুর সরিষাবাড়ির গুইঞ্চা আওনা এস ই এস ডি পি হাই স্কুল। ওই তিন স্কুলের ৩০ শিক্ষার্থী এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক এ প্রসঙ্গে জাগো নিউজকে বলেন, ‘শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাখার যৌক্তিকতা কতটুকু, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা দ্রুত শূন্য পাসের কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নোটিশ করব। উপযুক্ত জবাব না পেলে অনুমোদন বাতিলেরও সিদ্ধান্ত আসতে পারে।’

  • টুপি-পাঞ্জাবি পরে ঘরে প্রবেশ করলো হিন্দু যুবক, অতঃপর…

    অনলাইন ডেস্ক:
    গোপালগঞ্জে ছদ্মবেশ ধারণ করে ডিভোর্সী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে তারই সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ সুব্রত দেবনাথ (৩৬) নামে ঐ যুবককে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার সুব্রত ঝালকাঠি শহরের পূর্ব কাঠপট্টি এলাকার ননী গোপাল দেবনাথের ছেলে ও ওই নার্সের সাবেক স্বামী। নির্যাতিতা নার্স গোপালগঞ্জের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা চক্ষু হাসপতাল ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে কর্মরত।

    এ ঘটনায় নির্যাতিত ওই নার্স নিজে বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জ সদর থানায় সুব্রত দেবনাথ ও তার ’সহযোগী তুহিন (৩৫) ও লিমাকে (৩০) আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, পাঞ্জাবি ও টুপি পরে ছদ্মবেশে বুধবার বিকেলে ওই নার্সের ঘরে প্রবেশ করেন সুব্রত। পরে ছুরি ধরে ও ইনজেকশনের সিরিঞ্জ ফুটিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে ওই নার্সকে ধর্ষণ করেন। এর আগে সুব্রতর দুই সহযোগী নার্সের ঘরের দরজায় তালা লাগিয়ে চলে যায়।

    ধর্ষণের শিকার নার্স জানান, সুব্রত ২০১১ সালের ১১ মে তাকে জোর করে বিয়ে করে। এরপর পারিবারিক কলহের কারণে ২ বছর আগে ঝালকাঠি এসএসপি সার্কেল অফিসে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগীতায় সুব্রতর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ ঘটে। বুধবার বিকেলে ঝালকাঠি শহরের কাঠপট্টি এলাকার সুব্রতর প্রতিবেশি এসএম শাহজাহানের ছেলে তুহিন ও তার স্ত্রী লিমা তার গোপালগঞ্জের ভাড়া বাড়িতে আসে। তারা বিভিন্নভাবে তাকে বুঝিয়ে সুব্রতর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব দেয়। এতে তিনি অসম্মতি জানান।

    নার্স আরও জানান, এ সময় হঠাৎ ছদ্মবেশে সুব্রত টুপি ও পাঞ্জাবি পড়ে তার ঘরে প্রবেশ করে। কিছুক্ষণ পর কৌশলে তুহিন ও লিমা ঘর থেকে বের হয়ে দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যায়। পরে সুব্রত তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করে।

    নার্স জানান, রাতের কোনও একসময় তুহিন এসে ঘরের দরজার তালা খুলে দিয়ে চলে যায়। রাত ৩ টার দিকে সুব্রত বাথরুমে গেলে তিনি ঘরের দরজায় এসে সেটি খোলা দেখতে পান। পরে তিনি বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে সবাইকে ঘটনাটি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে সুব্রতকে আটক করে।

    গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়ে সুব্রতকে নার্সের ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • টুপি-পাঞ্জাবি পরে ঘরে প্রবেশ করলো হিন্দু যুবক, অতঃপর…

    অনলাইন ডেস্ক:
    গোপালগঞ্জে ছদ্মবেশ ধারণ করে ডিভোর্সী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে তারই সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ সুব্রত দেবনাথ (৩৬) নামে ঐ যুবককে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার সুব্রত ঝালকাঠি শহরের পূর্ব কাঠপট্টি এলাকার ননী গোপাল দেবনাথের ছেলে ও ওই নার্সের সাবেক স্বামী। নির্যাতিতা নার্স গোপালগঞ্জের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা চক্ষু হাসপতাল ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে কর্মরত।

    এ ঘটনায় নির্যাতিত ওই নার্স নিজে বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জ সদর থানায় সুব্রত দেবনাথ ও তার ’সহযোগী তুহিন (৩৫) ও লিমাকে (৩০) আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, পাঞ্জাবি ও টুপি পরে ছদ্মবেশে বুধবার বিকেলে ওই নার্সের ঘরে প্রবেশ করেন সুব্রত। পরে ছুরি ধরে ও ইনজেকশনের সিরিঞ্জ ফুটিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে ওই নার্সকে ধর্ষণ করেন। এর আগে সুব্রতর দুই সহযোগী নার্সের ঘরের দরজায় তালা লাগিয়ে চলে যায়।

    ধর্ষণের শিকার নার্স জানান, সুব্রত ২০১১ সালের ১১ মে তাকে জোর করে বিয়ে করে। এরপর পারিবারিক কলহের কারণে ২ বছর আগে ঝালকাঠি এসএসপি সার্কেল অফিসে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগীতায় সুব্রতর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ ঘটে। বুধবার বিকেলে ঝালকাঠি শহরের কাঠপট্টি এলাকার সুব্রতর প্রতিবেশি এসএম শাহজাহানের ছেলে তুহিন ও তার স্ত্রী লিমা তার গোপালগঞ্জের ভাড়া বাড়িতে আসে। তারা বিভিন্নভাবে তাকে বুঝিয়ে সুব্রতর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব দেয়। এতে তিনি অসম্মতি জানান।

    নার্স আরও জানান, এ সময় হঠাৎ ছদ্মবেশে সুব্রত টুপি ও পাঞ্জাবি পড়ে তার ঘরে প্রবেশ করে। কিছুক্ষণ পর কৌশলে তুহিন ও লিমা ঘর থেকে বের হয়ে দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যায়। পরে সুব্রত তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করে।

    নার্স জানান, রাতের কোনও একসময় তুহিন এসে ঘরের দরজার তালা খুলে দিয়ে চলে যায়। রাত ৩ টার দিকে সুব্রত বাথরুমে গেলে তিনি ঘরের দরজায় এসে সেটি খোলা দেখতে পান। পরে তিনি বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে সবাইকে ঘটনাটি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে সুব্রতকে আটক করে।

    গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়ে সুব্রতকে নার্সের ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • শিউলির ফাঁদে পরে সর্বশান্ত শতাধিক মানুষ!

    অনলাইন ডেস্ক:
    কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে চাকরি দেয়ার নামে অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে শিউলী আক্তার (৩০) নামে এক ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট বুধবার দুপুরে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট শিউলী আক্তারের সদ্য বিবাহিত স্বামী মো. রফিকুল ইসলামের বাড়িতে শতাধিক মানুষ টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য ভিড় করছেন। ঘটনাটি ঘটেছে কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া ইউনিয়নের চর আলগী গ্রামে।

    জানা যায়, চর আলগী গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী আসাব উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম রফিকের মনোহরদী উপজেলার ব্র্যাক অফিসের জনৈক ম্যানেজারের মাধ্যমে শিউলী আক্তারের সঙ্গে রফিকের পরিচয় হয়। শিউলী নিজেকে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বলে পরিচয় দেয়। যশোরের এমপি শেখ আফিল উদ্দিন তার চাচা, অ্যাডভোকেট রফিক উদ্দিন তার পিতা পরিচয় দেয়।

    ঢাকার গুলশানে নিজস্ব বাসা ও গাজীপুরে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি আছে বলে জানান। পরিচয়ের কয়েক দিন পর রফিকের চাকরি প্রদানসহ তাকে বিয়ে করতে চান বলে মত প্রকাশ করেন শিউলী। এতে রফিক রাজি হলে ২০১৭ সালের ৮ই নভেম্বর তারিখে মনোহরদী উপজেলার চরমান্দালিয়া কাজী অফিসের মাধমে দুই লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন। শিউলী তার বরের বাড়িতে গিয়ে দু’চালা টিনের ঘর ভেঙে নতুন ঘর, বাউন্ডারি ওয়াল ও গেট নির্মাণ করেন।

    স্থানীয় মানুষের মন জয় করার জন্য তিনি গ্রামের মসজিদ নির্মাণে নগদ ১ লাখ টাকা ও চর আলগী ইছাম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২টি সিলিং ফ্যান প্রদান করেন। এর কিছু দিন পর তিনি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার এসিল্যান্ড হিসেবে বদলি হয়েছেন বলে জানান। তিনি কটিয়াদী উপজেলা সদরে ভোগপাড়া খাদ্যগুদামের সঙ্গে চারতলা ভবনে বাসা ভাড়া নেন। মাঝে মধ্যে শিউলী প্রাইভেটকারে অফিসে যাওয়ার নামে বাসা থেকে বের হয়ে যেতেন।

    একপর্যায়ে তিনি প্রচার করেন সমগ্র বাংলাদেশে জজ কোর্টসমূহে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির পদে লোক নিয়োগ করা হবে। তিনি সেই নিয়োগ কমিটির একজন সদস্য। চাকরি প্রদানের জন্য বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে তিনি কটিয়াদী, পাকুন্দিয়া ও মনোহরদী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের শতাধিক লোকের কাছে থেকে অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। কয়েক জনকে তিনি নিয়োগপত্র প্রদান করলে পাকুন্দিয়া উপজেলার মাসুদ মিয়া নামের একজন তার নিয়োগপত্রটি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে দেখালে তিনি তা ভুয়া বলে জানান।

    সংবাদটি জানাজানি হলে বৃহস্পতিবার সকালে শিউলী তার স্বামী রফিককে বলেন, যশোরের বেনাপোল পৌরসভার মেয়র লিটন এবং ঢাকা বারের সেক্রেটারি নজিবুল্লাহ হিরো কটিয়াদীতে তার বাসায় বেড়াতে আসছেন, তাদেরকে রিসিভ করে আনার জন্য রফিককে নরসিংদী পাঠিয়ে দিয়ে কটিয়াদীস্থ ভাড়া বাসা থেকে টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়।

    এরপর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ রয়েছে। এই ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে চাকরি প্রত্যাশী লোকজন শিউলী আক্তারের কথিত স্বামী রফিককে টাকা ফেরত দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। শিউলী আক্তারের স্বামী রফিকুল ইসলাম জানান, আমি তার প্রতারণার শিকার হয়েছি। আমাকে বিভিন্ন ওষুধ খাইয়ে এবং তাবিজ কবজ দিয়ে অস্বাভাবিক করে রেখেছিল। লোকজনের টাকা পয়সা প্রদানের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। শিউলী আক্তারের বিরুদ্ধে আমি কটিয়াদী মডেল থানায় এক অভিযোগ দায়ের করেছি। এ বিষয়ে কটিয়াদী মডেল থানার ওসি জাকির রব্বানি জানান, রফিকুল ইসলামের দায়ের করা অভিযোগটি আমরা খতিয়ে দেখছি। তদন্তের পর মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে। সূত্র: মানবজমিন।

  • বিমানে উড়ে আসেন ‘বড় আম্মা’!

    অনলাইন ডেস্ক:
    বারবার চালান ধরলেই যার নাম আসতে থাকে। দীর্ঘ দিনের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে গত রোববার বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় এসেছেন ‘বড় আম্মা’। এরপর কাশিমপুর ও কেরানীগঞ্জ কারাগারে গিয়ে স্বজন হিসেবে তার সাঙ্গোপাঙ্গর সঙ্গে দেখা করেন।

    তার দলের যারা এরই মধ্যে ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন তাদের আর্থিক সহায়তা ও কেনাকাটা করে দিয়ে আসেন তিনি। কারাবন্দি ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দ্রুত জামিন করিয়ে কারাগার থেকে বের করে আনার আশ্বাসও দেন তিনি। কক্সবাজার থেকে ঢাকায় এসে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সাহায্য করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বুধবার (১৬ মে) রাজধানীর কদমতলী থেকে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন ‘বড় আম্মা’। একই সঙ্গে ১০ হাজার ইয়াবাসহ তার গাড়িও জব্দ করা হয়েছে।

    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে গত তিন মাসে অন্তত ১২টি ইয়াবার চালান জব্দ করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট। আটক করা হয় সাত লাখ ইয়াবা বড়ি। এ চালান আটকের সময় তিন নারীকে হাতেনাতে বিপুল সংখ্যক ইয়াবাসহ আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, ইয়াবার সব চালানের মালিক ‘বড় আম্মা’। তারা কেবল বাহক হিসেবে তা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছেন। এরপরই নড়েচড়ে বসেন গোয়েন্দারা। কে এই ‘বড় আম্মা’?

    পুলিশ বলছে, ২০১১ সাল থেকে টেকনাফ ও কক্সবাজারে বসে রাজধানী ও আশপাশ এলাকায় প্রতি মাসে লাখ লাখ ইয়াবা পাঠিয়ে আসছিলেন তিনি। ‘বড় আম্মার’ প্রকৃত নাম আয়েশা বেগম (৪২)। ভাশুরের স্ত্রী দেলোয়ারা বেগমের মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে দেশে ইয়াবার চালান আনেন তিনি। দেলোয়ারা মিয়ানমারের নাগরিক। ইয়াবা ব্যবসার সূত্র ধরে আয়েশার ভাশুর জহির আহমেদকে বিয়ে করে এখন অধিকাংশ সময় বাংলাদেশে অবস্থান করছেন দেলোয়ারা।

    আয়েশা ও দেলোয়ারার মাধ্যমে টেকনাফ ও ঢাকাকেন্দ্রিক একটি বড় ইয়াবার জাল বিস্তার ঘটেছে। যার অধিকাংশ সদস্যই নারী। ইয়াবা সিন্ডিকেটের এসব নারী গ্রেফতার হলে জামিন না হওয়া পর্যন্ত তাদের পরিবারের দেখভাল করে থাকেন আয়েশা। বিপদে-আপদে আগলে রাখায় মাঠ পর্যায়ের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কাছে তাই আয়েশা পরিচিতি পেয়েছেন ‘বড় আম্মা’ নামে। অনেক ইয়াবা ব্যবসায়ীর মোবাইল নম্বরেও বড় আম্মা হিসেবে আয়েশার নম্বর সংরক্ষিত আছে।

    পুলিশের উচ্চপদস্থ একাধিক কর্মকর্তা জানান, গত তিন মাসে টেকনাফ ও কক্সবাজারকেন্দ্রিক ৩ নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা হলেন- সানজিদা, রোজিনা ও রাজিয়া। তারা তিনজনই টেকনাফ থেকে আয়েশার ইয়াবার চালান ঢাকায় আনার সময় গ্রেফতার হন। আয়েশার সিন্ডিকেটের সদস্য হয়ে আরও যারা এ ব্যবসায় জড়িত আছেন তারা হলেন- চট্টগ্রামের নূর আয়শা, মিয়ানমারের সুলতানা রাজিয়া, টেকনাফের মুন্নী তাহের ও মোহাম্মদ, নারায়ণগঞ্জের দেলোয়ার, টঙ্গীর আমিরুল, যাত্রাবাড়ীর বাবু, কুমিল্লার রবিন ও খোকন এবং নারায়ণগঞ্জের সানাইপাড়ার রিপন।

    তারা প্রত্যেকে বর্তমানে ছোট প্রতিটি ইয়াবা বড়ি ৩৫-৪০ টাকা করে আয়েশার কাছ থেকে কিনে এনে ঢাকায় খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেন। আর বড় প্রতিটি ইয়াবা বড়ি ৭০-৭৫ টাকা দরে আনেন তারা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিয়ানমার থেকে আয়েশা ছোট প্রতি ইয়াবা বড়ি ক্রয় করেন ২০-২২ টাকা দরে। আর বড় বড়ি কেনেন ৩০-৩৫ টাকায়। পুলিশের হাতে জব্দ হওয়ার আশঙ্কায় এখন প্রতি চালানে ৫ থেকে ৫০ হাজার বড়ি ঢাকায় পাঠান আয়েশা। আগে কখনও কখনও প্রতি চালানে লক্ষাধিক বড়িও পাঠাতেন।

    তদন্তসংশ্নিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানান, আয়েশার স্থায়ী ঠিকানা টেকনাফের উলুচামারীতে। হোয়াইকংয়ের কাঞ্জারপাড়ার আবদুর শুক্কুরের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বর্তমানে কক্সবাজার সদরে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন আয়েশা। তার স্বামী শুক্কুরও এক সময় বড় ইয়াবা কারবারি ছিলেন। পরবর্তী সময়ে শুক্কুর বিদেশে চলে গেলে স্বামীর ফেলে যাওয়া ইয়াবা সাম্রাজ্যের দখল নেন তিনি। বিশ্বস্ত লোকজনকে ব্যবহার করে গত ৭ বছর ধরে ইয়াবা ব্যবসা করে লাখ লাখ টাকা উপার্জন করেন তিনি।

    গত রোববার ঢাকায় পৌঁছার আগেই আয়েশার জন্য শাহজালাল বিমানবন্দরে তার জন্য গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন আরও দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী আজিম উদ্দিন ও রোজী। বিমান থেকে নামার পর ওই দিন আয়েশাকে নারায়ণগঞ্জে এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে যান আজিম। পরদিন আয়েশা প্রথমে কাশিমপুর কারাগারে বন্দি সানজিদাকে দেখতে যান। এরপর কারাগারে সানজিদার পিসিতে তার নামে ৫ হাজার টাকা ও তার জন্য কেনাকাটা করে দিয়ে আসেন আয়েশা।

    আয়েশার পাঁচ ছেলেমেয়ে। তাদের মধ্যে এক মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। অন্যরাও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত। ইয়াবার টাকায় এরই মধ্যে টেকনাফ ও কক্সবাজারে বাড়ি করেছেন। নামে-বেনামে আছে লাখ লাখ টাকার সম্পদ।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত আয়েশার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ৯টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। ২০১৩-১৪ ও ‘১৫ সালে কক্সবাজার সদর ও বাকলিয়া থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ২০১৬ সালে উখিয়ায় মামলা হয়। ২০১৭ সালে টেকনাফে মামলা হয়। এ বছর যাত্রাবাড়ী ও রমনা মডেল থানায় আয়েশার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    এখন পর্যন্ত ৩ বার গ্রেফতার হয়ে কারাবন্দি ছিলেন তিনি। এরপর জামিনে বেরিয়ে আবারও পুরনো পেশায় নামেন। তবে এর আগে কখনও ঢাকায় গ্রেফতার হননি তিনি। গ্রেফতার এড়াতে আয়েশা গ্রুপের অনেক সদস্যই কক্সবাজার থেকে ঢাকায় বিমানে উড়ে এসে ইয়াবার কারবার সারেন। ২০১৩ সালে কক্সবাজার সদর থানার মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিন মাস, ২০১৫ সালে একই থানার মামলায় আরও তিন মাস ও ২০১৬ সালে বাকলিয়া থানার মামলায় ৪ মাস কারাগারে ছিলেন আয়েশা।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের এডিসি রহমত উল্লাহ চৌধুরী বলেন, আয়েশার ইয়াবা সিন্ডিকেটের অধিকাংশ সদস্যই নারী। অনেক সময় কৌশল হিসেবে ছোট্ট সন্তানসহ আয়েশার সিন্ডিকেটের নারীরা ইয়াবা বহন করে ঢাকায় আনেন। এ সিন্ডিকেটের প্রায় সব সদস্যের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেফতারে ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালানো হবে। সূত্র: সমকাল

  • গো-খাদ্য দিয়ে তৈরি হচ্ছে গুড়ের জিলাপি

    অনলাইন ডেস্ক:

    হাট-বাজারের ফুটপাতের দোকানগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও মানুষের ক্ষতিকারক উপাদান দিয়ে তৈরি হচ্ছে মিষ্টি জাতীয় খাদ্য সামগ্রী। এতে সাধারণ মানুষ পড়ছে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে।

    ৩০ টাকার মূল্যের ১ কেজি গুড়ের নালির সাথে চিনি মিশিয়ে কমপক্ষে ১০/১২ কেজি গুড়ের জিলাপি তৈরি করে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে। গুড়ের নালি ছাড়াও গুড়ের সাথে চিনি মিশিয়ে ও রসগোল্লার শিরার রস দিয়েও জিলাপি তৈরি করা হচ্ছে।

    স্থানীয়রা পজানান, ফুলবাড়ীতে মানুষের জন্য ক্ষতিকারক উপাদানগুলো দিয়ে জিলাপি তৈরি করা হচ্ছে। এখানে আখের গুড়ের কেজি ১০০ টাকা হওয়ায় জিলাপি কারিগররা অধিক লাভের আশায় গো-খাদ্য নালির সাথে চিনি মিশ্রিত করে গুড়ের জিলাপি তৈরি করছে।

    নাম প্রকাশ না করা শর্তে একজন জিলাপি ব্যবসায়ী জানান, বাজারে গুড়ের জিলাপির চাহিদা ও দাম দুটোই বেশি। পাশাপাশি এখানে খাঁটি গুড়ের দাম বেশি হওয়ায় অল্প পরিমান গুড়ের সাথে চিনি ও গো-খাদ্য গুড়ের নালি ব্যবহার করে গুড়ের জিলাপি তৈরি করে অল্পতে খরচে বেশি লাভ হয়।

    ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানেটারি ইন্সপেক্টর নজুরুল ইসলাম জানান, তিনি পঁচাগুড়ের তৈরি গো-খাদ্যের উপাদান গুড়ের নালি দিয়ে গুড়ের জিলাপি তৈরির বিষয়টি শুনে জিলাপি কারিগরদের সতর্ক করেছেন। কিন্তু তার পরেও তারা এ কাজ অব্যাহত রাখলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার সাদ্দাম হোসেন জানান, গো-খাদ্যের উপাদান গুড়ের নালি বা চিনির সাথে গুড় মিশিয়ে গুড়ের জিলাপি তৈরি হলে এই জিলাপি মানুষের জন্য ক্ষতিকারক হবে। তা ছাড়া এ জিলাপিতে ইউরিয়াসহ অন্যান্য ক্ষতিকারক উপাদান থাকার কিডনি ও রক্তে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তিনি এসব জিলাপি না খাওয়ার পরামর্শ দেন।

  • চাঁদ দেখা যায়নি, শুক্রবার রোজা

    অনলাইন ডেস্ক:
    আজ বুধবার (১৬ মে) বাংলাদেশের আকাশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে শুক্রবার থেকে রমজান মাসের শুরু হবে। হিজরি সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে সভা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ধর্ম বিষয়কমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

    বুধবার সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। হিজরি সনের রমজানকে পবিত্র মাস হিসেবে গণ্য করে থাকে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়। মাসজুড়ে রোজা রাখার পর উদযাপন করে ঈদুল ফিতর।ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান জানান,বাংলাদেশের আকাশে কোথাও রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। শুক্রবার থেকে রমজান মাসের শুরু হবে।

    এদিকে রমজান মাসে খতম তারাবি পড়ার সময় সারাদেশে সকল মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে বলা হয়েছে, রমজান মাসে দেশের প্রায় সকল মসজিদে খতম তারাবিতে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত না করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোনও কোনও মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে কর্মজীবী- যারা বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন, তাদের পক্ষে কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। কোরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন। এ পরিস্থিতি নিরসনে রমজানের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে, অর্থাৎ পবিত্র লাইলাতুল কদরে কোরআন খতম করা সম্ভব।

    এর আগে বিষয়টি নিয়ে দেশবরেণ্য আলেম, পীর-মাশায়েখ, খতিব-ইমামদের সঙ্গে আলোচনা হলে তারাও এ পদ্ধতিতে খতম তারাবি পড়ার পক্ষে অভিমত দিয়েছিলেন এবং সে মোতাবেক অধিকাংশ মসজিদে এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এই অবস্থায় দেশের সকল মসজিদে খতম তারাবিতে প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ও পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র লাইলাতুল কদরে কুরআন খতমের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মসজিদের ইমাম, মসজিদ কমিটি, মুসল্লি এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, তারাবি নামাজ ২০ রাকাত, যা রাসুলুল্লাহ্ (সা.) ও সাহাবিরা আমল করেছেন। ইসলামের প্রথম যুগ থেকে ওলামা ও ফকিহরা তা অনুসরণ এবং মসজিদুল হারাম ও মসজিদুন নববীসহ সারাবিশ্বের মুসলমানরা এভাবেই তা পালন করে আসছেন। সেই সঙ্গে তারাবিতে কোরআন তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে উচ্চারণ স্পষ্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়।

  • খুলনার নগর পিতা নির্বাচিত হলেন আ.লীগের খালেক

    অনলাইন ডেস্ক:
    খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে (ধানের শীষ) বিপুল ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা) তালুকদার আবদুল খালেক।

    মঙ্গলবার রাতে নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে স্থাপিত নির্বাচনী ফলাফল সংগ্রহ ও ঘোষণা কেন্দ্র থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেককে বেসরকারিভাবে জয়ী ঘোষণা করা হয়।

    সর্বশেষ বিভিন্ন উৎস থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী খালেককে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী।

    ফলাফলে দেখা যায়, ২৮৬ কেন্দ্রের সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক। অপরদিকে তার থেকে অর্ধেক পিছিয়ে আছেন বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২৮৯টি। এর মধ্যে তিনটি কেন্দ্র স্থগিত করা হয়। বাকি ২৮৬ কেন্দ্রের ফলাফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক পেয়েছেন ১৭৬৯০২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ১০৮৯৫৬ ভোট।

    ২৮৬ কেন্দ্রের মধ্যে দুটি কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে একটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অপরটিতে বিএনপি প্রার্থী জয়ী হন।

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২৮৯টি। এর মধ্যে তিনটি কেন্দ্র স্থগিত করা হয়।

    এদিকে, কয়েকটি কেন্দ্রে অনিয়ম, অভিযোগ, ব্যালট পেপারে জোরপূর্বক সিল মারার ঘটনা ঘটেছে। আবার ভালো ভোটও হয়েছে অনেক কেন্দ্রে। খুলনা ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী বলেছেন, ভোট ভালো হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী বলেছেন, অন্তত ৪০টি কেন্দ্রে অনিয়ম হয়েছে।অপরদিকে, রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী বলেছেন, দুই একটি ঘটনা ছাড়া ভোট সুষ্ঠু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বিএনপির অভিযোগ সুস্পষ্ট নয় বলে উল্লেখ করেছেন।

    যদিও অনিয়ম ও জাল ভোটের অভিযোগে একটি কেন্দ্রে ভোট বাতিল, দুটি কেন্দ্র এবং একটি বুথে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। এর বাইরে একটি কেন্দ্রের অদূরে বিএনপির নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়েছে।

    ২৪ নং ওয়ার্ডের সরকারী ইকবাল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করে দেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আনিসুর রহমান।এছাড়া নৌকা প্রতীকে সিল মারার ঘটনায় রূপসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও ভোট স্থগিত হয়।

    পাশাপাশি ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের লবণচোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৌকা মার্কায় সিল মারার অভিযোগে কেন্দ্রটিতে ভোট স্থগিত রাখা হয়।২২ নম্বর ওয়ার্ডের ফাতিমা উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি বুথে স্থগিত করা হয় ভোট। সেখানেও নৌকা মার্কায় সিল মারা হচ্ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

    খুলনার নির্বাচনে মেয়র পদে এবার পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক নৌকা এবং বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন।পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুজ্জাম্মিল হক হাতপাখা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মিজানুর রহমান বাবু (কাস্তে) এবং জাতীয় পার্টির এস এম শফিকুর রহমান (লাঙ্গল) নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।