Category: খেলার সংবাদ

  • কারাতে কোচ লাইসেন্সিং পরীক্ষায় নাজমুল খন্দকারের সফলতা

    কারাতে কোচ লাইসেন্সিং পরীক্ষায় নাজমুল খন্দকারের সফলতা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
    কারাতে কোচেস লাইসেন্সিং পরীক্ষায় সসম্মানে সফলতা অর্জন করেছেন সেনসি মোঃ নাজমুল হাসান খন্দকার। তিনি এলিট কারাতে পয়েন্টে প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন।

    বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন এর আয়োজিত বিভিন্ন স্টাইলের ১ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষার ফলাফলে সারাদেশ থেকে সিতোরিউ স্টাইলে ৪০ জন কোচ কৃতকার্য হয়েছে।

    এলিট কারাতে পয়েন্টের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি জানান, মোঃ নাজমুল হাসান খন্দকার এলিট কারাতে পয়েন্টের অর্জনের পাতায় আরেকটি গর্বের অধ্যায় যুক্ত করেছেন। তার সফলতায় এলিট কারাতে পয়েন্ট পরিবার খুবই আনন্দিত ও গৌরবান্বিত। আমরা তাঁর উজ্বল ভবিষ্যত কামনা করছি।

    কুমিল্লা জেলা কারাতে এসোসিয়েশন সিনিয়র সহ সভাপতি শিহান মোখলেছুর রহমান আবু জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ অর্জন শুধু এলিট কারাতে পয়েন্টের জন্যই নয়, বরং কুমিল্লা জেলা কারাতে এসোসিয়েশন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে জাতীয় পর্যায়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে

    সেন্সি মোঃ নাজমুল হাসান খন্দকার জানান, এটি আমার ব্যক্তিগত সফলতা নয়, এই সফলতায় বিশেষ অবদান রাখেন বাংলাদেশ সিতোরিউ কারাতে-দো ইউনিয়ন, কুমিল্লা জেলা কারাতে এসোসিয়েশন এর সকল সম্মানিত সদস্যবৃন্দ।

  • এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ পদকপ্রাপ্ত কুমিল্লার মাহিনের পাশে ভিভাসিটি ফুড কোর্ট

    গত  ফেব্রুয়ারি ইন্ডিয়ার নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় ৬ষ্ঠ এশিয়ান সাবাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৫ প্রতিযোগিতায় এশিয়ার ১৬ টি দেশ অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশ থেকে ১২জনের একটি টিম প্রতিযোগিতায়ে অংশগ্রহণ করে।

     উক্ত প্রতিযোগিতায় রৌপ্য পদক অর্জন করে বাংলাদেশের সুনাম বয়ে আনে কুমিল্লার কৃতি সন্তান মোফাজ্জাল মাহিন চৌধুরী। পদক জয়ী মাহিনের সার্বিক সহযোগিতায় ছিল  Vivacity Food Court। তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    আগামী ২৮ শে ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “একুশে চ্যালেঞ্জার উন্মুক্ত কারাতে প্রতিযোগিতা-২০২৫”। উক্ত প্রতিযোগিতায় কুমিল্লার একমাত্র খেলোয়ার হিসেবে অংশগ্রহণ করবে মোফাজ্জাল মাহিন চৌধুরী। উক্ত প্রতিযোগিতায় সম্পূর্ণ রূপের সহযোগিতায় থাকবে Vivacity Food Court। 

  • জাকের আলির দুর্দান্ত ব্যাটিং ; ১৯০ রানে টার্গেট!

    গত দুই ম্যাচেই বাংলাদেশের শুরুটা ভালো ছিল না। বাজে শুরুর পর সংগ্রহটাও বড় হয়নি টাইগারদের। তবে আজ উদ্বোধনী জুটিতে পরিবর্তন আসে। চোটের কারণে ছিটকে যাওয়া সৌম্য সরকারের জায়গায় একাদশে আসেন পারভেজ হোসেন ইমন। এই ওপেনারই বাংলাদেশকে শক্ত ভিত গড়ে দেন। যেখানে দাঁড়িয়ে ছড়ি ঘুরিয়েছেন জাকের আলি। তার ফিফটিতে বড় সংগ্রহ গড়েছে টাইগাররা।

    সেন্ট ভিনসেন্টে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে ৪১ বলে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭২ রান করেছেন জাকের আলি।

    লিটনের সঙ্গে ইনিংস ওপেন করতে নেমে রীতিমতো ঝড় তোলেছিলেন ইমন। তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে উড়ন্ত শুরু পায় বাংলাদেশ। অফফর্মে থাকা লিটনকেও আজ বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখেচ্ছিল। দারুণ কিছু শটও খেলেছেন। তবে ১৪ রানের বেশি করতে পারলেন না। অধিনায়ক ফেরায় ভাঙে ৪৪ রানের উদ্বোধনী জুটি।

    লিটন ফেরার পর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ইমন। দুর্দান্ত ব্যাটিং করা এই ওপেনার আলজারি জোসেফকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ধরা পড়েন জাস্টিন গ্রেভসের হাতে। সাজঘরে ফেরার আগে ২১ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। যেখানে ৪টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন ইমন। ইমনের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ ২ উইকেটে ৫৪ রান তোলে।

    তিনে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি তানজিদ তামিম। এক ছক্কায় ৯ বলে ৯ রান করেছেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার।

    ৬৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা ব্যকফুটে গেলে আরো একবার দলের হাল ধরেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও জাকের আলি। চতুর্থ উইকেট জুটিতে শুরুতে দুজনে কিছুটা রক্ষণাত্মক ব্যাটিং করেছেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হাত খুলেছেন। আর রানের গতি বাড়াতে গিয়েই ফিরেছেন মিরাজ। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ২৩ বলে ২৯ রান।

    এদিন ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন দেওয়া হয় শামিম হোসেনকে। কিন্তু গত দুই ম্যাচে দারুণ ব্যাট করলেও আজ তার ভাগ্য সহায় হয়নি। ২ রান করে জাকেরের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়েছেন। একই পথে হেটেছেন শেখ মেহেদিও।

    দুই ব্যাটারের রান আউটের সঙ্গেই ছিল জাকেরের নাম। তাই বাড়তি দায়িত্ব ছিল তার ওপর। সেটা ভালোভাবেই পুষিয়ে দিয়েছেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। শুরুতে কিছুটা ধীরগতির ব্যাটিং করলেও ফিনিশিংটা করেছেন দুর্দান্ত। এক প্রান্তে রীতিমতো টর্নেডো বইয়ে দিয়ে ৩ চার ও ৬ ছক্কায় ৪১ বলে করেছেন অপরাজিত ৭২ রান।

    জাকেরকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন তানজিম সাকিব। এক চার ও এক ছক্কায় ১২ বলে ১৭ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।

  • ফর্ম নিয়ে তীব্র সমালোচনা ; অবশেষে নেতৃত্ব ছাড়তে চান শান্ত

    অনলাইন ডেস্ক:

    চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পান নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু যে প্রত্যাশা নিয়ে তার কাঁধে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া, সেটি পূরণ করতে পারেননি তিনি। অধিনায়কত্ব তো বটেই নিজের ফর্মটাকে হারিয়ে ফেলেছেন। লম্বা সময় ধরেই তিন ফরম্যাটে শান্ত রান খরায় ভুগছেন। যান নিয়ে তীব্র সমালোচনাও হচ্ছে। হয়তো সমালোচনা শান্তর কান পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই অবস্থায় নেতৃত্ব থেকে সরে যেতে চাইছেন তিনি। বাংলাদেশের বর্তমান অধিনায়ক শেষ পর্যন্ত নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালে তার জায়গায় আসার জোর সম্ভাবনা আছে মেহেদী হাসান মিরাজের।

    আগামী ২৯ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চট্টগ্রামে শেষ টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। এই টেস্টের মধ্য দিয়ে শান্ত নেতৃত্বের ইতি টানতে চান। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ এমনই দাবি করেছে। 

    সবশেষ কয়েক সিরিজে ধারাবাহিকতার ছিটেফোঁটাও দেখাতে পারেননি বাঁহাতি ব্যাটার। রানখরায় ভুগতে থাকায় অধিনায়ক শান্তকে নিয়ে সমালোচনাটা হচ্ছে প্রবলভাবে। সেটা হয়তো তার চোখ এড়িয়ে যায়নি। নেতৃত্বের চাপ যে ব্যাটিংয়ে প্রভাব ফেলছে সেটা অনুমান করতে পারছেন।

    যদিও বিসিবি শান্তকে আগামী চ্যাম্পিয়নস ট্রফি পর্যন্ত নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ঠিক করলেও সেই দায়িত্ব আর সামলাতে চান না তিনি। ক্রিকবাজের তথ্য মতে, নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টি ইতোমধ্যেই বোর্ডকে জানিয়েছেন। তবে বোর্ডপ্রধান ফারুক আহমেদ বর্তমানে বিদেশে থাকায় সেই সিদ্ধান্ত এখন অনুমোদনের অপেক্ষায়।

    এ ব্যাপারে বিসিবির এক পরিচালক বলেছেন, ‘হ্যাঁ, তিনি (শান্ত) আমাদের জানিয়েছেন যে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পরে দলের নেতৃত্ব চালিয়ে যেতে চান না।’

    এ প্রসঙ্গে শান্ত বলেছেন, ‘দেখা যাক কী হয়। কারণ আমি এখনও সভাপতির (বিসিবি) কাছ থেকে এ বিষয়ে শোনার জন্য অপেক্ষা করছি।’

    নেতৃত্বে খুব একটা সফল নন শান্ত। ৯ টেস্টে তিনটিতে জিতেছেন তিনি। এর বাইরে ৯টি ওয়ানডের ৬টিতে হেরেছেন। টি-টোয়েন্টিতে ২৪টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে শান্তর জয়ের সংখ্যা ১০টি। এই অবস্থায় শান্তকে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছিল। যদিও বিসিবি চাচ্ছে না এখনই নেতৃত্বে বদল আনতে। ক্রিকেবাজের রিপোর্ট অনুযায়ী, শান্তকে তার সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করছে বিসিবি। তবে বিষয়টি সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না। কেননা, সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর শান্ত টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।  তখন তাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে নেতৃত্বে রাখা হয়।

    এদিকে শান্তকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া দলের জন্য মোটেও ঠিক হবে না। শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছিলেন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘শান্তকে পরিবর্তন তো করাই যায়। কিন্তু পরিবর্তনের আগে ভাবতে হবে, পরে যে আসবে তার সঙ্গেও আমরা এমন করবো কিনা। তার সঙ্গেও যদি আমরা এমন করি, তাহলে তো দুই দিন পর ক্যাপ্টেন খুঁজে পাবেন না। কোনও দলের ক্ষতি করতে চাইলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সেই দলের অধিনায়কের পেছনে লাগা। ক্যাপ্টেন অস্থির হলে দলের স্থির থেকে পারফর্ম করা কঠিন। একজন অধিনায়ককে আমরা বিবেচনা করব দুই বছর পর।’

    শেষ অব্দি শান্তকে সরিয়ে দেওয়া হলে বা শান্ত নিজেই সরে দাঁড়ালে নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে খুব ভালো বিকল্প নেই। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে তারা মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়েই ভাবছেন। সেটি হলে টেস্ট ও ওয়ানডের জন্য মিরাজকে নেতৃত্ব নিতে হবে। সেই পথেই বোধ হয় হাটতে চলছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

  • ধ্বংসস্তুপে দাঁড়িয়ে লিটনের মনোমুগ্ধকর সেঞ্চুরি

      অনলাইন ডেস্ক:

    পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে মাত্র ২৬ রানে ৬ উইকেট পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের। সেই অবস্থা থেকে অসামান্য ব্যাটিংয়ে দলকে ট্র্যাকে ফেরান লিটন কুমার দাস আর মেহেদি হাসান মিরাজ। দেড়শতাধিক রানের জুটি ভাঙে মিরাজের বিদায়ে। এই তরুণ অল-রাউন্ডার তিন অংকে যেতে না পারলেও লিটন দাস ভুল করেননি। পাহাড়সম চাপ সামলে টেইল অ্যান্ডারদের সঙ্গী করে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ টেস্ট সেঞ্চুরি।

    লাল বলে লিটন সবশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন ২০২২ সালের ২৩ মে মিরপুরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ওই টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিনি ২৪৬ বলে ১৬ চার ১ ছক্কায় খেলেছিলেন ১৪১ রানের ইনিংস। পরের ১৮ ইনিংসে ৫টি ফিফটি করলেও তিন অংকে যেতে পারেননি। এই সময়ে তার সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ৭৩। আজ লিটন ১৭১ বলে ক্যারিয়ারের চতুর্থ টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন। তিন অংক ছোঁয়ার লড়াইয়ে তার সঙ্গী দশ নম্বর ব্যাটার হাসান মাহমুদ।

    আবরার আহমেদকে দারুণ এক শটে বাউন্ডারি মেরে তিনি সেঞ্চুরিতে পৌঁছান। দিনের হিসেবে ৮৩২ দিন পর টেস্ট সেঞ্চুরি পেলেন এই স্টাইলিশ ব্যাটার।

  • টাইব্রেকারে ব্রাজিলকে বিদায় করে সেমিতে উরুগুয়ে

    কোপা আমেরিকার গ্রুপ পর্বে উড়ন্ত পারফরম্যান্স ছিল উরুগুয়ের। জিতেছে তিনটি ম্যাচেই। ব্রাজিল অবশ্য দুটি ড্রয়ে আসল ব্রাজিল হয়ে উঠতে পারেনি। কিন্তু পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা নির্ধারিত সময়ে উরুগুয়েকে আটকে রাখতে পারলেও টাইব্রেকার ভাগ্যে আর পেরে উঠেনি। ট্রাইব্রেকার শুটআউটে তাদের ৪-২ গোলে হারিয়ে সেমিতে নাম লিখিয়েছে উরুগুয়ে। আর ব্রাজিলকে শেষ আটেই বিদায় নিতে হচ্ছে। 

    নেভাদার অ্যালিজেন্ট স্টেডিয়ামে দুই দলের লড়াইয়ে উত্তেজনার পারদ ছিল শীর্ষে। মাঠের খেলার চেয়ে শরীর নির্ভর খেলাতেই দাপট দেখিয়েছে বেশি। তাতে ছিল তুমুল ঝাঁজ! ফলে গোলমুখে বুদ্ধিদীপ্ত সেই লড়াইয়ের ঝলকটা দেখা যায়নি। কিছু সুযোগ তৈরি করতে পারলেও জাল কাঁপাতে পারেনি কোনও দল। তবে ৩২ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় উরুগুয়ে। ইনজুরি আক্রান্ত হন দলটির সেন্টার ব্যাক রোনাল্ড আরাউহো। ভীষণ ব্যথা নিয়ে ৩৪ মিনিটে বদলি হয়ে মাঠ ছেড়ে যান তিনি।  

    ৭৪ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় উরুগুয়ে। রদ্রিগোর ওপর কড়া চ্যালেঞ্জের মাশুল দিতে হয় নান্দেসকে। রেফারি শুরুতে তাকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন। কিন্তু ভার রিভিউর পর বদলে যায় সিদ্ধান্ত। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি। 

  • বাজপাখি মার্টিনেজ নৈপুণ্যে সেমিতে আর্জেন্টিনা

    অনলাইন ডেস্ক:

    লিওনেল মেসি এসেছিলেন দলের হয়ে প্রথম পেনাল্টি নিতে। গোলরক্ষক আলেকজান্ডার ডমিঙ্গেজকে ভুল পথে পাঠিয়েছিলেন বটে। কিন্তু তার প্যানেককা শট বারপোস্টে লেগে চলে যায় ওপরে। কিন্তু পেনাল্টিতে আর্জেন্টিনার ত্রাতা হয়েছিলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। দুই পেনাল্টি ঠেকিয়ে আরও একবার নায়ক বনে গেলেন এমি মার্টিনেজ। ইকুয়েডরকে ৪-২ ব্যবধানে পেনাল্টিতে হারিয়ে সেমিফাইনালে গেল আর্জেন্টিনা। 

    শেষবার আর্জেন্টিনাকে পেনাল্টিতে এমন স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন ১৯৯০ সালের সার্জিও গায়কোচিয়া। তবে এমি মার্টিনেজকে সম্ভবত তারচেয়েও বড় কিছু বলা চলে। ২০২১ সালের কোপা আমেরিকা থেকেই পেনাল্টিতে আর্জেন্টিনার ভরসা হয়ে ছিলেন। কলম্বিয়ার বিপক্ষে ঠেকিয়েছিলেন ৩ পেনাল্টি। এরপর বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস আর ফ্রান্সের বিপক্ষে জয় তো ধরা দিল এমি মার্টিনেজের বিশ্বস্ত হাতের সূত্রে। 

    ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকাতেও বদলাল না সেই চিত্র। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচে শেষ সময়ে গোল হজম করে বিপাকেই পড়েছিল টিম আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির শট মিস হলে তাতে সংশয় বেড়ে যায় আরও খানিকটা। কিন্তু এমি মার্টিনেজ ঠেকালেন আনহেল মেনা আর অ্যালান মিন্দার শট। আর্জেন্টিনা গোল করল পরের চার শটেই। ইকুয়েডরকে সেখানেই হারাল আলবিসেলেস্তেরা। তাতেই আর্জেন্টিনা চলে যায় সেমিফাইনালে। 

  • শেষটা রাঙিয়ে অবসরের ঘোষণা কোহলির

    অনলাইন ডেস্ক:

    ফর্ম হারিয়ে নিজেকে খুঁজতে থাকা বিরাট কোহলি জ্বলে উঠলেন ফাইনালের মঞ্চে। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ফিফটির দেখা পেলেন তিনি। তার অসাধারণ ইনিংসে ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতল ভারত।

    এই ম্যাচশেষে সেই পুরস্কার নিতে এসেই বিরাট কোহলি জানালেন, ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আর দেখা যাবে না তাকে। বিশ্বকাপ ফাইনালই ছিল এই ফরম্যাটে তার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। কোহলি বলেন,  ‘ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরতে চেয়েছি। পরিস্থিতিকে সম্মান জানাতে চেয়েছি জোর করার চেয়ে। এটা (অবসর) “ওপেন সিক্রেট” ছিল, এখন পরবর্তী প্রজন্মের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। দুর্দান্ত কিছু খেলোয়াড় দলকে এগিয়ে নেবে এবং পতাকা উঁচু করে ধরবে।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটা আমার শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং এটি আমরা অর্জন করতে চেয়েছি। একদিন আপনার মনে হবে রানই করতে পারছেন না, তারপরে কিছু ঘটবে। ঈশ্বর মহান। এবং যে দিন গুরুত্বপূর্ণ, আমি দলের কাজটি করেছি। এখন অথবা কখনোই নয়-ভারতের হয়ে আমার শেষ টি-টোয়েন্টি—সবটুকু কাজে লাগাতে চেয়েছি।’

    ২০১০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এ সংস্করণে অবসর নেওয়া কোহলি ক্যারিয়ারে ১২৫ ম্যাচ খেলে করেছেন ৪১৮৮ রান। রোহিত শর্মার পর এ সংস্করণে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। ৪৮.৬৯ গড় ও ১৩৭.০৪ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করা কোহলি ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ৫০টি ম্যাচে।

  • ১৭ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন ভারত

    অনলাইন ডেস্ক:

    ৩০ বলে প্রয়োজন ছিল ৩০ রান। হাইনরিখ ক্লাসেন এক ওভারেই ম্যাচটাকে নিয়ে আসেন প্রায় দক্ষিণ আফ্রিকার হাতের মুঠোয়। ভারতের করা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের দলীয় সর্বোচ্চ ৭ উইকেটে ১৭৬ রানও তখন সহজ লক্ষ্য মনে হচ্ছিল। কিন্তু যশপ্রীত বুমরা তাদের সেই সহজ কাজটাকেই কঠিন করে তোলেন অবিশ্বাস্য বোলিংয়ে। ডেথ ওভারে ২ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়ে শেষ ওভারে সমীকরণটা কমিয়ে আনেন ১৬ রানে।

    হার্দিক পান্ডিয়ার করা ওই ওভারের প্রথম বলটা ছিল ফুলটস। স্ট্রাইকে থাকা ডেভিড মিলার ঠিকঠাক মেরেছিলেনও। কিন্তু লং অফ বাউন্ডারিতে থাকা সূর্যকুমার যাদবের অবিশ্বাস্য রিলে ক্যাচে নিশ্চিত ছক্কাটাই হয়ে যায় আউট। জয় তখন উল্টো ভারতের হাতের মুঠোয়, টি–টোয়েন্টি শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটটা আবার মাথায় উঠল বলে। শেষ ওভারে হার্দিক পান্ডিয়া সেই সুযোগ হাতছাড়া হতে দেননি। ওভারের পঞ্চম বলে কাগিসো রাবাদাকে আউট করলেন। শেষ ওভারে মাত্র ৮ রান দিলে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস শেষ হয় ৮ উইকেটে ১৬৯ রানে। ৭ রানের জয়ে ১৭ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতল ভারত। প্রথম শিরোপা ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরে।

    ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি। পাওয়ারপ্লেতেই ওপেনার রিজা হেনড্রিকস ও তিনে নামা এইডেন মার্করাম আউট হন। কুইন্টন ডি কক টিকে থাকায় তবু প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে ওঠে। ফর্মে থাকা এই বাঁহাতি ওপেনারের সৌজন্যে পাওয়ারপ্লেতে ৪২ রান তুলে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা। ডি ককের কাজটা সহজ করেছেন তরুণ ট্রিস্টান স্টাবস। ক্রিজে এসেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন তিনি। দুজনের ৩৮ বলে ৫৮ রানের জুটিতে ম্যাচে ফিরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। নবম ওভারে এসে জুটিটা ভাঙেন প্যাটেল। ২১ বলে ৩১ রান করা স্টাবসকে বোল্ড করেন তিনি। ডি ককের ইনিংসও বড় হয়নি। অর্শদীপের করা ১৩তম ওভারে ৩১ বলে ৩৯ রান করে আউট হন এই বাঁহাতি।

    রান তাড়ায় শেষ দিকে খেই হারায় দক্ষিণ আফ্রিকারয়টার্স

    হাইনরিখ ক্লাসেন ও ডেভিড মিলার অবশ্য তাঁদের অনুপস্থিতি টের পেতে দেননি। ক্রিজে এসেই দুই শ স্ট্রাইক রেটে খেলা শুরু করেন ক্লাসেন। বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে বল আর রানের পার্থক্যটা কমিয়ে আনেন এক ওভারেই। প্যাটেলের করা ইনিংসের ১৫ম ওভারের আগে আগে ৩৬ বলে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য দরকার ছিল ৫৪ রান। প্যাটেলের ওভারে ২টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৪ রান নিলে সমীকরণ নেমে আসে ৩০ বলে ৩০ রানে। পরের ওভারে ২৩ বলে অর্ধশত পূর্ণ করেন ক্লাসেন। পান্ডিয়ার করা ১৭তম ওভারে ক্লাসেন কট বিহাইন্ড হলেও ম্যাচ তখনো প্রোটিয়াদের হাতের মুঠোয়। ২৭ বলে ২টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৫২ রানে থামে ক্লাসেনের ইনিংস।  

    ম্যাচের মোড় ঘুরতে থাকে সেখান থেকেই। ক্লাসেনের বিদায়ের পর প্রোটিয়াদের চেপে ধরেন বুমরা। শেষ স্পেলে ২ ওভার বল করে তিনি রান দিয়েছেন মাত্র ৬, উইকেট নিয়েছেন একটি। তবু মিলার টিকে থাকায় স্বপ্ন দেখছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু শেষ ওভারে জয়ের জন্য যখন ১৬ রান দরকার, তখন হার্দিক পান্ডিয়ার বলে আউট হলে থামে মিলারের ১৭ বলে ২১ রানের ইনিংস।

    এর আগে ভারত ইনিংসের শুরুতেই রোহিত ও ঋষভ পন্তের উইকেট হারায়। বাঁহাতি স্পিনার মহারাজের সাহসী ও কৌশলী বোলিংয়ে ৫ বলে ২টি চারে ৯ রান করার পরই দারুণ ফর্মে থাকা আউট হন রোহিত। দ্বিতীয় উইকেটের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি মহারাজকে। ওই ওভারেরই শেষ বলে তাঁর ফ্লাইটের জালে আটকান পন্ত (০)। ভারতের রান তখন ২ ওভারে ২৩/২।

    ভারতের ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো হয়নি, ৩৪ রানে যায় ৩ উইকেট

    জোড়া উইকেটের পতনে ভারতের রানের গতি কমে আসে। কোহলি ধরে খেলা শুরু করেন। সঙ্গে মাত্রই ক্রিজে আসা সূর্যকুমার যাদব। পরের দুই ওভারে রান আসে মাত্র ৯। পঞ্চম ওভারে এসে রান বাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে আউট হন সূর্যকুমার। কাগিসো রাবাদার বলে পুল করতে গিয়ে ক্যাচ আউট দেন তিনি (৩)। ৩ উইকেট হারানোর পর পাওয়ারপ্লেতে বেশি দূর এগোতে পারেনি ভারত। ৬ ওভারে ৩ উইকেটে ৪৫ রান করে ভারত।

  • সেমিতে যেতে ৭৩ বলে ১১৬ করে জিততে হবে বাংলাদেশকে ; হারলে অস্ট্রেলিয়ার বিদায়!

    অনলাইন ডেস্ক:

    কাগজে কলমে আফগানিস্তানের দেয়া ১১৬ রানের লক্ষ্য টপকাতে বাংলাদেশের হাতে সময়য় থাকছে ২০ ওভার। কিন্তু আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যাওয়ার স্বপ্নটা এখনো দেখছে বাংলাদেশ। সেজন্য অবশ্য কিছুটা ওভার কম পাচ্ছে বাংলাদেশ। আটলান্টিক পাড়ের এই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যেতে বাংলাদেশকে ১১৬ রান করতে হবে ১২.১ ওভারের মধ্যে। 

    গতকাল সোমবার ভারতের কাছে অস্ট্রেলিয়ার ২৪ রানের হারের পরই অনেকটা আবছাভাবে জেগে ছিল বাংলাদেশের সেমিফাইনাল স্বপ্ন। প্রাথমিক গণনা শেষে জানা গিয়েছিল অন্তত ৬২ রানের ব্যবধানে জয় দরকার বাংলাদেশের। ওভারের হিসেবে বাংলাদেশের জন্য৬ সময়য় ১১.৫ থেকে ১৩.৪ ওভার পর্যন্ত। কঠিন এই লক্ষ্যের সামনে সেন্ট ভিনসেন্টের খেলতে নেমেছিল টাইগাররা। 

    টস জিতে আফগানিস্তান নিয়েছিল ব্যাটিং। বাংলাদেশের বোলিং ইউনিটের সামনে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ। পুরোটা সময় জুড়েই নিজেদের সেরাটা দিয়েছেন তাসকিন আহমেদ-মুস্তাফিজুর রহমান আর রিশাদ হোসেনরা। 

    অসাধারণ বোলিংয়ের সুবাদে ১১৫ রানেই আফগানিস্তানকে আটকে রেখেছে বাংলাদেশ। আর সেই লক্ষ্যটা ১২.১ বলের মাঝে পার করতে পারলেই বাংলাদেশ চলে যাবে সেমিফাইনালে। তবে এখানেও আছে টুইস্ট অব দ্য টেইল।