Category: কুমিল্লার খবর

  • কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে ছিন্ন বিছিন্ন  ৩ জনের দেহ!

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে তিন যুবক নিহত হয়েছেন। তাদের দেহ ছিন্ন বিছিন্ন হয়ে বিভিন্ন স্থানে ছিটিয়ে রয়েছে।

    বুধবার (২৩ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার মাধবপুর বাংলো ঘর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল হক ।

  • কুমিল্লায় গুড়া মাছ কিনে আনায় ছুড়ে মারেন স্বামীর উপর; স্ত্রীকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ স্বামীর!

     (নাজিম উদ্দিন, মুরাদনগর)

    বাজার থেকে কিনে আনা পুটি মাছ কাটাকুটি নিয়ে দ্বন্দের জেরে স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা করেছে স্বামী। স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বামী নিজেই আবার থানায় গিয়ে উপস্থিত হয়ে দেন ঘটনার বর্ণনা। শনিবার দুপুরে এমনটাই ঘটেছে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজার এলাকার উত্তর ত্রিশ গ্রামে। 

    ঘাতক স্বামী বাছির উদ্দিন (৩৫) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার সাহাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে। নিহত স্ত্রী মৌসুমী আক্তার (২৯) দেবিদ্বার উপজেলার নবীপুর গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে। 

    স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বাছির উদ্দিন একটি মেডিসিন কোম্পানির মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ এরিয়ার রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে চাকুরি করেন। সেই সুবাদ আড়াই বছর যাবত উত্তর ত্রিশ গ্রামের আলাল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া আছেন।

    শনিবার দুপুরে কোম্পানিগঞ্জ বাজার থেকে পুটি মাছ কিনে নিয়ে যায় বাছির উদ্দিন। সেই ছোট দেশী পুটি মাছ নিয়ে বাসায় যেতেই স্ত্রী মৌসুমী আক্তার মাছ কাটাকুটি করতে পারবে না বলে মাছ ছুড়ে মারেন স্বামীর উপর। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী বাছির উদ্দিন তার স্ত্রী মৌসুমী আক্তারকে গলাচেপে ধরে শ্বাসরুধ করে হত্যা করে। পরে সে নিজেই মুরাদনগর থানায় গিয়ে উপস্থিত হয়ে পুলিশকে তার স্ত্রীকে হত্যার বিষয়টি জানায়।

    থানায় উপস্থিত হয়ে পুলিশকে বাছির উদ্দিন জানান, নয় বছর আগে সে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন মৌসুমী আক্তার কে। তাদের এই সংসার জীবনে রয়েছে ৪ বছর বয়সী জমজ ১টি ছেলে ও ১টি মেয়ে। সে আরো জানায় দীর্ঘদিনের এই সংসার জীবনে তার স্ত্রী মৌসুমী আক্তার তাকে প্রতিনিয়ত মানসিক ভাবে যন্ত্রণা দিতো। তবে সে তার স্ত্রীকে হত্যার কোন পূর্বপরিকল্পনা ছিলনা। বাজার থেকে আনা পুটি মাছ যখন তার উপর ছুড়ে মারে সে তখন নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে গলাটিপে হত্যা করে।

    ঘাতক বাছির উদ্দিন এর বাড়ীর মালিক আলাল জানান, দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে তারা আমার বাসায় ভাড়া থাকে। আমার চোখে দেখা বাছির একজন অত্যন্ত ভালো মানুষ। এখন পর্যন্ত তাদের কোন পারিবারিক কলহ আমাদের চোখে পড়েনি। কেন এই হত্যাকান্ড আসলে কিছুই বুঝতে পারছি না। শয়তানের ধোকায় পরে হয়তো সেই কাজটা করেছে। 

    মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান জানান, শনিবার দুপুরের দিকে যখন বাছির উদ্দিন থানায় উপস্থিত হয়ে আমাকে জানায় সে তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে, তখন প্রথমে আমার বিশ্বাস হয়নি। পরে খোঁজ নিয়ে জানি ঘটনা সঠিক। ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বাছির উদ্দিন থানা হেফাজতে আছে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

  • শুভ্রর সাত বছরের দুঃস্বপ্ন: ‘স্যার গ্রুপ’-এর হুমকি, হামলা ও হয়রানির শিকার এক ঠিকাদার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা:
    ২০১৭ সালে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য কুমিল্লা কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নগরীর ৪নং ওয়ার্ড ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। সেই জিডিতে তিনি সাবেক ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কিছু চিহ্নিত ব্যক্তিসহ কয়েকজন স্থানীয় দুর্বৃত্তের নাম উল্লেখ করেছিলেন (জিডি নং: ১৫৭)। কিন্তু নিরাপত্তার আশায় করা সেই জিডি তার জন্য আশীর্বাদ নয়, পরিণত হয় দীর্ঘমেয়াদি এক দুঃস্বপ্নে।

    পরের বছর ২০১৮ সালের ২৮ জুন ফের একটি জিডি করেন শুভ্র (জিডি নং: ১৫৩৮)। এরপর থেকেই তার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসার এলাকায় তার ওপর হামলা হয়, কিন্তু কোতোয়ালী থানায় তখন মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায় পুলিশ। বাধ্য হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। সেই মামলা প্রত্যাহারের জন্য ‘স্যার গ্রুপ’ নামক একটি চক্র তার বাসার সামনে ককটেল হামলা চালায়। একপর্যায়ে তিনি পরিবার নিয়ে শহর ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।

    ভুয়া ওয়ারেন্ট, পুলিশের ছদ্মবেশ ও চাঁদাবাজি
    এক সময় দুই ব্যক্তি নিজেকে আদালতের পুলিশ পরিচয় দিয়ে শুভ্রর বাসায় গিয়ে ভুয়া ওয়ারেন্ট দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং টাকা দাবি করে। পরে তদন্তে ওয়ারেন্টটি ভুয়া প্রমাণিত

    উক্ত বিষয় ও ঘটনার উপর ভিত্তি করে কুমিল্লা সিনিয়র জ্যুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাদাঁবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩জন পুরুষ ও একজন মহিলাসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করে। যার নাম্বার দ্রুত সিআর ৩৬/২৪, তাং-১৯-০৮-২০২৪। যাহা পিবিআই এর তদন্তাধীন রয়েছে। অত:পর কুমিল্লা কতোয়ালী থানায় জখমি সহ বিবিধ অপরাধ এর উপর ভিত্তি করে ৮জনের নাম উল্লেখ কওে অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামী করে অপর আরেকটি জিডি করা হয় যার নাম্বার- ৪১/৮৫০, তাং-১৪-১১-২৪। এই অভিযোগের মূলে আসামীদেও গ্রেফতার করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন।
    তারপর থেকে স্যারগ্রুপের সদস্যরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে প্রকাশ্যে চাদাঁ দাবী শুরু করে। বিভিন্ন দেশীয় ও অগ্নেয় অস্ত্র নিয়ে শুভ্রের পেশাগত কাজের সাইটে তারা পিছু পিছু যায়। ৪ জানুষারী ২০২৫ সন্ত্রাসীরা পিস্তলের বাট দিয়ে শুভ্রকে আঘাত করে আহত করে। এবিষয়ে কতোয়ালী থানায় আরেকটি অভিযোগ করা হয়। যার নাম্বার এসডিআর, রেকর্ড নাম্বার-২৬/২৫।
    সর্বশেষ স্যার গ্রুপ অনলাইনে বিভিন্ন হ্যাকিং এর মাধ্যমে ক্ষতি করার চেষ্টা চালায়। দুটি নাম্বার থেকে চাদৃঁ দাবী কওে নাম্বারগুলো হলো ০১৯৭১০৭৩৫৮৪, ০১৭১৪২৭২৯৬১। এবিষয়ে একটি জিডি হয় যার নাম্বার ২২২ তাং-০৩-০২-২৫
    পরবর্তীতে জিডির তদন্তের আই ও এসআই ফিরোজ হোসেন তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা খুজে পায় ওআসামীদেও শনাক্ত করতে পারেন। তিনি বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-০১ কুমিল্লা স্মারক নাম্বার ২৩৮৯ তাং-১৭-০৩-২৫জিডিতে বর্ণিত সকল আসামীদের সকল অপরাধ তদন্তের অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত ডিআর ৫২৬/২৫, তাং-১৯-০৩-২৫ ইং মূলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেন। অতপর তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায়স্মারক নাম্বার ২৮২৬ তাং-০৬-০৪-২৫ইং অনুমতি নিয়ে আদালতে একটি নন এফআইআর মামলা করার জন্য প্রসিকিউশন দাখিল করে।যার নাম্বার ২৪/২৫ নন জিআর মামলা নাম¦ার ২০/২৫তারিখ ০৭-০৪-২৫ রজু হয়। যাহা আসামীদেও প্রতি সমন সহ প্রয়োজনিয় ব্যাবস্থা গ্রহন করে। অত:পর এই সংগীয় স্যার গ্রুপ চক্র কাকতালীয় ভাবে খবর পেয়ে যায় এবং মটরসাইকেল ও বিভিন্ন গাড়ি নিয়ে ভিক্টিমের পিছু নেয়। তাকে মিথ্যা মামলা, গুম-খুন করে হয়রানীর প্রচেষ্টা চালায়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরামর্শে ভিক্টিম আরেকটি জিডি করে যার নাম্বার ৮৭, তাং-১৩-০৪-২৫ যা অনলাইনে রেকর্ডভুক্ত করা হয়। এর আগে শুভ্র পুলিশ সুপারকে সকল ধরনের অভিযোগ উল্লেখ করে একটি অভিযোগ করেন। যার স্মারক নং-২৪৮৩/এম, তাং-১২-০৪-২৫। বিষয়গুলো পুলিশ সুপারের নজরে আসলে তিনি বিষয়টি আমলে নিয়ে থানার অফিসার ইনচার্জকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার ও এজাহার ভ’ক্ত আসামীদের গ্রেফতারের নির্দেশ প্রদান করেন।

  • ঈদ যাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩২২, আহত ৮২৬

    অনলাইন ডেস্ক:

    পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের সড়ক মহাসড়কে ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত ৮২৬ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথে ২১টি দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত, আটজন আহত হয়েছেন। নৌ-পথে চারটি দুর্ঘটনায় ১০ জন নিহত, একজন আহত ও একজন নিখোঁজ আছেন। সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট ৩৪০টি দুর্ঘটনায় ৩৫২ জন নিহত ও ৮৩৫ জন আহত হয়েছেন।

    আজ বুধবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

    তিনি বলেন, এবার দীর্ঘ ছুটির কারণে ধাপে ধাপে বাড়ি ফেরার সুযোগ হওয়ায় দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। দেশের সড়ক-মহাসড়কের অবস্থা আগের তুলনায় ভালো থাকায়, সরকারের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, হাইওয়ে পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কার্যক্রম ছিল যাত্রীবান্ধব ও দৃশ্যমান।

    ঈদযাত্রা শুরুর দিন ২৪ মার্চ থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ১৫ দিনে ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত ৮২৬ জন আহত হয়েছে। ২০২৪ সালের ঈদুল ফিতরে ৩৯৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০৭ জন নিহত ও ১ হাজার ৩৯৮ জন আহত হয়েছিলেন। গত বছরের সঙ্গে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ২১ দশমিক ০৫ শতাংশ, প্রাণহানি ২০ দশমিক ৮৮ শতাংশ, আহত ৪০ দশমিক ৪১ শতাংশ কমেছে।

    প্রতিবেদনে দেখা যায়, বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। এবারের ঈদে ১৩৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫১ জন নিহত, ১৫৫ জন আহত হয়েছেন, যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৪২ দশমিক ৮৫ শতাংশ, নিহতের ৪৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং আহতের ১৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ প্রায়।

    মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সময়ে সড়কে মাফিয়া সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ায় ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকায় সড়কে খানিকটা শৃঙ্খলা ফিরেছে। দীর্ঘ ছুটির কারণে ধাপে ধাপে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগানোর কারণে স্বস্তিদায়ক যাতায়াতের পাশাপাশি দুর্ঘটনা কিছুটা কমেছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘দক্ষ চালক গড়ে তোলা, উন্নত বাস নেটওর্য়াক গড়ে তোলা, আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা, সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনিয়ম দুর্নীতি ও মালিক সমিতির প্রভাব মুক্ত রাখা, মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ করা, নিষিদ্ধ ত্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধ করা, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের আমদানি বন্ধ করে দেশব্যাপী উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওর্য়াক গড়ে তুলতে হবে।

    দুর্ঘটনার কিছু কারণ শনাক্ত করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এগুলো হলো, দেশের সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোরিকশা অবাধে চলাচল। জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা। সড়কে মিডিয়ামে রোড ডিভাইডার না থাকা, অন্ধ বাঁকে গাছপালায় দৃষ্টি-প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি। উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাঁদাবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন। অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন। বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং একজন চালক অতিরিক্ত সময় ধরে যানবাহন চালানো।

    দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কিছু সুপারিশ দিয়েছে সংস্থাটি। এগুলো হলো- মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশা আমদানি ও নিবন্ধন বন্ধ করা। জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতের বেলায় অবাধে চলাচলের জন্য আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা। দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ, যানবাহনের ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিটনেস প্রদান। গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে সার্ভিস লেনের ব্যবস্থা করা। ঈদের ছুটি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া।

  • ঈদ যাত্রায় কুমিল্লায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা;  নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিশা বাসের ৩ যাত্রী নিহত

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লার চান্দিনায় যাত্রবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তিনজন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চান্দিpনা উপজেlলার পালকি সিনেমা হলসংলগ্ন ইন্দ্রারচর এলাকা এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় আরো অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়।

    তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

    তবে নিহত সবাই পুরুষ। আহতদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে হাইওয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী, চান্দিনা থানা পুলিশ ও চান্দিনা ফায়ার সার্ভিস উৎদ্ধার তৎপরতা চালায়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রাত ৮টা পর্যন্ত) উদ্ধারকাজ চলছিল।

    চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার লিডার বাহারুল ইসলাম জানান, তিশা প্লাস পরিবহনের বাসটি ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে কুমিল্লা যাচ্ছিল। চান্দিনার ইন্দ্রারচর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছের সাথে ধাক্কা লেগে দুমড়েমুচড়ে যায় বাসটি। এতে ঘটনাস্থলে একজন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পরে আরো দুজন মারা যায়। আহতদের উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশপাশের হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

    তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

    চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত ডা. সুবল দেবনাথ বলেন, ‘হাসপাতালে আনার পর দুজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সূত্র: কালের কন্ঠ

  • কুমিল্লায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক আটক

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লায় ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ভারতীয় এক নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) সকালে কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ (উত্তর) ইউনিয়নের রায়পুর সিংগুলা গ্রামে মুস্তাফার ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে।

    আটককৃত ওই ভারতীয় নাগরিকের নাম তাজিনদার সিং (৫০)। ভারতের লদিহানা পাঞ্জাব চণ্ডীগড় জেলার বাসিপাঠানা গ্রামের পাল সিং এর ছেলে। তাজিনদার দীর্ঘদিন যাবত দাউদকান্দি উপজেলার মোহাম্মদপুর এলাকায় এগ্রো এমবুস লিমিটেডের একটি কারখানায় প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি করছেন।    

    আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: জুনায়েদ চৌধুরী।   

    পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ভারতীয় তাজিনদার সিং দীর্ঘদিন যাবত দাউদকান্দি উপজেলার মোহাম্মদপুর এলাকায় এগ্রো এমবুস লিমিটেড নামে একটি ফ্যাক্টরিতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি করছেন। সেই সুবাদে সিংগুলা গ্রামের মুস্তাফার ‘মা মঞ্জিলে’ বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। বৃহস্পতিবার সকালে শিশুকে চকলেট দেওয়ার কথা বলে টেনে তার রুমে নিয়ে যান তাজিনদার । ঘরে নিয়ে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। বিষয়টি অপর একটি শিশু দেখে তার মাকে খবর দেয়। শিশুটির মায়ের আর্তচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে অভিযুক্ত তাজিনদার সিং কে আটক করেন।  

    দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো জুনায়েদ চৌধুরী  বলেন, ধর্ষণের চেষ্টা করলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাজিনদার সিংকে পিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। প্রথমে তাকে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়। ভুক্তভোগী ওই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। সে অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • তারেক রহমানের নাম উচ্চারণ করতে অজু করে নেবেন: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু

    অনলাইন ডেস্ক:

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু বলেছেন, ‘গত দুই-তিন দিন ধরে কয়েকজন অর্বাচীন কিছু কথাবার্তা বলেছেন। 

    তারা বলেছেন, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি নেতা হন, তাহলে তার ছেলেও নেতা হবেন নাকি? আমি সুস্পষ্ট ভাষায় তাদের বলতে চাই, তারেক রহমানের নাম উচ্চারণ করতে হলে অজু করে নেবেন। কারণ দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানই হলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান। কাজেই আপনাদের মতো নাবালক উপদেষ্টা, নাবালক নেতারা এভাবে কথাবার্তা বলবেন না। দেশ ও জনগণকে বিভক্ত করবেন না। তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরবেন।

    মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সম্মেলনে উদ্বোধক বক্তা হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি। নগরের কান্দিরপাড় এলাকায় টাউন হল মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    বরকতউল্লা বুলু বলেন, ‘তারেক রহমানই জুলাই আন্দোলনের একমাত্র দাবিদার। আন্দোলনের সময় তিনি আমাদের মাধ্যমে কীভাবে অর্থ সরবরাহ করেছেন, তা আমরা জানি। আমি শেখ হাসিনাকে একটি কারণে ধন্যবাদ দিতে চাই। কারণ গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগের অত্যাচারে বিএনপি এখন উপমহাদেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক দলে রূপ নিয়েছে। আমাদের দলটি এখন সোনার কাঠিতে রূপান্তরিত হয়েছে।’

    সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু মতপার্থক্যের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা যাবে না। 

    এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশ ও গণতান্ত্রিক দলগুলো। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা যত বেশি ঐক্যবদ্ধ থাকবো, তত বেশি গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে পরিকল্পনাকারীদের ষড়যন্ত্র ভেস্তে যাবে। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে নির্বাচন বিলম্বিত হলে কারা সুবিধাপ্রাপ্ত হবে, এটাও দেখার বিষয়। 

    বিএনপি বিশ্বাস করে, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের চর্চা যত অব্যাহত রাখা যায়, তত বেশি বাংলাদেশের মানুষ ষড়যন্ত্রের হাত থেকে নিরাপদে থাকবে। দেশে যদি ভোটের অধিকার নিশ্চিত থাকে, তাহলে বিএনপি সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে। যদি আগামী নির্বাচনে ২৮০ আসনও বিএনপি পায়, তবু এককভাবে সরকার গঠন করবে না। যারা আমাদের সঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রামে আছে এবং ছিল, সবাইকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করবো। ওই সরকারই দেশ চালাবে।’

    মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লার সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির কুমিল্লা অঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিম ভূঁইয়া, বিএনপির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের, বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক আমিন উর রশিদ এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া।

  • কুমিল্লায় জনসম্মুখে স্বর্ণ দোকানে ডাকাতি, ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ , আটক ১

    অনলাইন ডেস্ক:

     কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ও পিস্তলের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্র প্রায় ৩৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে। ডাকাতি ঠেকাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন মোশারফ হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী।

    শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজার মসজিদ মার্কেটের নিচতলায় অবস্থিত প্রীতি জুয়েলার্সে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এশার নামাজ চলাকালীন সময়ে ৫-৭ জনের এক সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্র ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এরপর পিস্তলের ভয় দেখিয়ে দোকানের ভেতরে প্রবেশ করে সবাইকে জিম্মি করে স্বর্ণালঙ্কার লুট করে তারা।ডাকাতি চলাকালীন বিসমিল্লাহ টেলিকমের ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেন ‘ডাকাত ডাকাত’ বলে চিৎকার করলে ডাকাতরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ব্যবসায়ীরা এক সন্দেহভাজন ডাকাতকে ধরে ফেলেন এবং তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

     পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি নোহা মাইক্রোবাস উদ্ধার করেছে। চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ জানান, “ডাকাতির ঘটনায় একজন সন্দেহভাজন ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। বাকি ডাকাতদের ধরতে অভিযান চলছে।”প্রীতি জুয়েলার্সের মালিক রবীন্দ্র দত্ত জানান, তার ভাতিজা পলাশ দত্ত দোকানে ছিলেন। হঠাৎ ডাকাতদল প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা এই ঘটনায় আতঙ্কিত এবং দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

  • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা; আহবায়ক সুমন, সদস্য সচিব ওয়াসিম

    অনলাইন ডেস্ক:

    রবিবার বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিএনপি’র কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক জাকারিয়া তাহের সুমনকে আহ্বায়ক এবং আশিকুর রহমান মো: ওয়াসিমকে সদস্য সচিব করে ঘোষণা করা হলো নতুন কমিটি।

    নবঘোষিত এই কমিটিতে দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিনকে সদস্য করা হয়েছে।

    এছাড়াও কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক রাখা হয়েছে দুইজনকে তারা হলেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং মহানগর বিএনপি’র সাবেক প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির।

    উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি হঠাৎ করে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই নতুন কমিটিতে কারা আসছেন তা নিয়ে চলছিল নানা আলোচনা, জল্পনা ও কল্পনা। এরই মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ে কুমিল্লা বিএনপি’র নেতৃত্বে পালা বদল হতে পারে। জোর আলোচনা চলে জাকারিয়া তাহের সুমন ও আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমকে ঘিরে। অবশেষে সেই জল্পনাই সত্য হলো। 

  • কুমিল্লায় বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতিকে পিটিয়ে হত্যা

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বিএনপি দুই গ্রুপের সংঘর্ষে হেসাখাল ইউনিয়নের সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সেলিম আহমেদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    শনিবার (২১ ফ্রেরুয়ারি) সাড়ে ৩টায় জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা পূর্ব পুরো মাথায় বটগাছ স্থল নামক স্থানে এ ঘটনায় ঘটে।

    জানা যায়, নাঙ্গলকোট উপজেলার রায়কোট দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বাসন্ডা গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইউসুফ নবীর বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার পর পেরিয়া ইউনিয়নে সাবেক সংসদ আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ভুঁইয়ার কাকৈইতলায় মতবিনিময় সভায় যাওয়ার পথে বাঙ্গড্ড বাজারে অতর্কিত পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে আহত অবস্থায় নাঙ্গলকোট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্মরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এই ঘটনা কেন্দ্রকে ঘিরে নাঙ্গলকোট দু-গ্রুপের উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

    এদিকে বিএনপির সাবেক সংসদ আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ভুঁইয়ার অনুসারীরা অভিযোগ করেন, মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার কর্মীরা সেলিমের ওপর হামলা চালায়। আমরা তার বিচার চাই।

    সাবেক সংসদ আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ভুঁইয়ার বলেন, সে (নিহত সেলিম) হেশাখাল ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ছিলো। ঘটনাস্থলে আমি ছিলাম না, তবে শুনেছি মোবাশ্বেরের লোকেরা, যুবদলের সভাপতি মনির, সাধারণ সম্পাদক টিপু, লিটনসহ আরো কয়েকজন ছিলো সেখানে। 

    তাদের সঙ্গে জনগণের কোনো সম্পর্ক নাই। তারা কাগজ-কলমে নেতা হইছে। তারা যেখানে যায় আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগের গুন্ডাবাহিনীদের সঙ্গে রাখে। তারা সব সময় স্বশস্ত্র অবস্থায় থাকে। আমরা ন্যায় বিচারের জন্য ব্যবস্থা নেব।

    এ বিষয় জানতে বিএনপি নেতা মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার একাধিকবার কল দিয়ে পাওয়া যায়নি।

    নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), এ কে ফজলুল হক জানান, বিএনপির দুই গ্রুপের মারামারিতে একজন নিহত হয়েছে। তার মরদেহ ময়নাতদন্ত জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কেউ মামলা করতে আসেনি।