Category: আর্দশ সদর

  • কুমিল্লায় আওয়ামী লীগনেতা কবিরুল ইসলাম শিকদার গ্রেপ্তার

    মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

    কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক কবিরুল ইসলাম শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী।

    আজ শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ভোরে কবিরুল ইসলাম শিকদারকে থানায় হস্তান্তর করেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে রাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোগলটুলী এলাকায় কবির শিকদারের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। ওই সময় তিনি বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, কবির শিকদার সাবেক সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের ঘনিষ্ঠ অনুসারী। গত জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে৷ সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, তিনি আওয়ামী লীগ অনুসারীদের পুনরায় সংগঠিত করার চেষ্টা করছিলেন। এ ছাড়া আগামীকাল শনিবার (১৮ জানুয়ারি) হরতালের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছিলেন বলে জানা যায়।

    কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল ইসলাম বলেন, আজ বিকেলে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগনেতা কবির শিকদারকে আদালতে পাঠানো হবে। সেখান থেকে আদালতের আদেশ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • মওদুদ শুভ্রকে  ছুরিকাঘাত করা  আসামিরা জনসম্মুখে  ঘুরে বেড়াচ্ছে!

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

    জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন কুমিল্লার  মানবাধিকার কর্মী,জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। ২০১৭ সালের মে মাসের ১ তারিখ থেকে থেকে শুরু করে  আজ পর্যন্ত পুলিশ প্রশাসন, র‍্যাব সহ বিভিন্ন এখতিয়ার সম্পন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সহ  বিভিন্ন প্রশাসনিক মহলে প্রমান পত্রাদি দিয়ে সন্ত্রাসী সহ তাদের সংগীয় বাহিনী প্রকাশে ” স্যার গ্রুপ” দের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমান পত্রাদি,ছবি সহ এই সন্ত্রাসী চক্রের নাসকতার বিভিন্ন ডকুমেন্ট সংজুক্ত করে আইন ও প্রশাসনের এখতিয়ার সম্পন্ন কর্মকর্তাগণদের বরাবরে লিখিত  অভিযোগ করেও এই সন্ত্রাসীবাহিনী সহ তাদের সংগীয় “স্যার গ্রুপ”  হাত থেকে রক্ষা পায় নাই।সন্ত্রাসীরা এতটাই বেপোরোয়া যে তারা দেশের কোন আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর  কাউকে ভ্রুক্ষেপ পর্যন্ত করে না।মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র  আইনি প্রশাসনিক নিরাপত্তা সহ আইনগত সুরক্ষার কোন ধরনের ফল না পেয়ে হতাশ এই তরুণ  ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা, মানবাধিকার   সাংবাদিক ও পেশাজীবি। 

    সর্বশেষ মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগে (যাহার এস ডি আর নাম্বার:-২৮৫০,তারিখ=২৭.১২.২০২৪ইং) বর্ণিত -সামগ্রিক অপরাধ এর  বিষয়ক উল্লেখ করে সেই সব অস্ত্রধারী সন্রাসী এবং সন্ত্রাসীদের  মদদদাতা নারী পুরুষ শক্তিশালী কথিত ” স্যার গ্রুপ” বিরুদ্ধে ভিক্টিম মওদুদ শুভ্র’র সাথে ঘটে যাওয়া অপরাধ ও অন্যায় বশত  অস্ত্র দিয়ে হত্যার চেস্টায় ছুরিকাঘাত করা,প্রতিনিয়ত চাদাবাজি করা ,ঘটনার দিন তার কাছ থেকে নগদ টাকা সহ সাংবাদিকতার ক্যামেরা ও মোবাইল চুরি ও জোরপূর্বক  ছিনতাই,সন্ত্রাসী মহল ও তাদের সংগীয় অপরাধের মদদদাতা কথিত “স্যার গ্রুপ” নাসকতা ও বর্বরতা সাথে অবৈধভাবে  প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে অপরাধ করা বিষয়ক  দুটি পৃথক পৃথক ঘটনার উপর ভিত্তি করে দুটি মামলা আসামী সহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়। একটি কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর  মডেল থানায় মামলা  হত্যার উদ্দেশ্য ছুরিকাঘাত, চুরি,ছিনতাই অস্ত্র প্রদর্শন করে আহত করা সহ লুটপাটের ” এফ আই আর / জি- আর মামলা ” দায়ের করা হয় অপরটি কুমিল্লা জজ কোর্ট দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের আইনে আরেকটি বিষয়ে   সংগবদ্ধ অপরাধ,চাদাবাজি,মিথ্যা বানোয়াট মামলায় জড়িয়ে গুম খুন হত্যা,ভিক্টিম সহ ভিক্টিমের পরিবারকে গন খুনের প্রচেষ্টা চালানো  ইত্যাদি অপরাধ প্রমানাদি সহ আলামত দিয়ে আদালতে  “দ্রুত সি আর” মামলা দায়ের করা হয়। অস্ত্রধারী আসামি সহ আসামিদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা আরো আসামী পলাতক অবস্থায় আছে।তাদের পক্ষ হয়ে প্রতিনিয়ত উক্ত অস্ত্রধারী এই সন্ত্রাসীদের মদদদাতা সহ অনেক অপরাধের গডফাদার ” স্যার গ্রুপ” নাসকতা যেন আরো বেড়েই চলছে। এই বিষয় সহ ভিক্টিম মওদুদ শুভ্র তার নিজের ও নিজ পরিবার পরিজন সদস্যদের আইনগত সুরক্ষা ও প্রশাসনিক আত্মরক্ষা ও নিরাপত্তা চেয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি ( জি ডি) দায়ের করেন।যাহার নাম্বার :- ২৪১৬,তারিখ :-৩০.১১.২০২৪ইং। আরেকটি উক্ত নাসকতাকারীদের আইন বিরোধী কার্যক্রম এর বিষয়ক  কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় অফিসার ইনচার্জ বরাবরে অভিযোগ অবহিত করে দায়ের করা হয় ।যাহার এস ডি আর নাম্বার-২২২৪। তারিখ:- ০৫.১২.২০২৪ ইং অভিযোগে উল্লেখ করে সক্ষিপ্ত ভাবে সকল কিছু লিখিত ভাবে জানান। তিনি মানব অধিকার কর্মীসহ সাংবাদিকতা,মেসার্স মওদুদ ভ্যারাইটিজ কনস্ট্রাকশন ও মওদুদ বিল্ডার্সের একক স্বত্বাধিকারী ও  ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা।  ইতিপূর্বে তাকে  তার দায়ের  করা মামলার আসামীদের পক্ষের সক্রিয়  চেনা জানা লোকজন এই বিবাদী/বিবাদীনিরা মোবাইল নাম্বার হুমকি ধমকি সহ প্রকাশ্যে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে।উক্ত অপরাধীরা বিভিন্নভাবে তার গতিবিধি লক্ষ্য করিয়া ভিক্টিম মওদুদ শুভ্রকে  নাজেহাল, মারধরসহ চাঁদাদাবী করে প্রকাশ্যে এসেও হুমকি ধমকি প্রদান করে। উল্লেখ্য যে, গত ০৩ আগস্ট,২০২৪ ইং মওদুদ শুভ্র’কে হত্যার উদ্দেশ্য উক্ত সন্রাসীরা ছুরিকাঘাত করে। তখন এই সন্ত্রাসী বাহিনীদেরকে পুরাপুরি সনাক্তকরণ না পেরে থানায় মামলা করতে পারা যায় নাই এবং আসামীরা বেশীর ভাগ সাবেক ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের অনুসারী হওয়ায় সকল স্থানে আধিপত্য বিস্তার করে আসত।পরবর্তীতে বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাস্থল এবং তারপরেও তাদের সক্রিয় ভাবে আহত করার পর পুণরায় এসে চাদা দাবি করায় আসামিদের চিহ্নিত করে সহ অজ্ঞাতনামা আরো কিছু আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

     ভিক্টিম মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র আরো জানায়,  অত্র মামলা দায়েরের পর প্রশাসন সহ যৌথ বাহিনী আসামি দের  গ্রেপ্তার চেস্টায় আসামিরা পলাতক থাকায়,  আসামি পক্ষের পরোক্ষ লোকজন  ১০/১২  জন অচেনা  মানুষজন  প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ছদ্মবেশে  মোটর সাইকেল, প্রাইভেটকার ইত্যাদি দ্বারা ভিক্টিম মওদুদ শুভ্র’র  চলাফেরা, গতিবিধি অনুসরণ করে আমাকে কটূক্তি মূলকভাবে প্রকাশ্যে হুমকি দেয় যে, চাদার টাকা না পেলে আমাকে যেকোন উপায়ে হত্যা, সহ গুম,খুন করবে নয়তো  অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা আরো হুমকি দেয় এতে ব্যর্থ হইলে ভিক্টিম মওদুদ শুভ্রের তারা মিথ্যা মামলা দিয়ে এবং সে অথবা তার পরিবার পরিজন দেরকে   যে কোন অপুরনীয় ক্ষয় ক্ষতি করবে বলে প্রকাশ্যে,মোবাইল ফোনে ও এস এম এস দিয়ে  করবে।যেটা ভিক্টিমের নিকট সকল কিছু সংরক্ষিত রাখে।ভিক্টিম মওদুদ শুভ্র আরো জানায়, বিবাদীদের পক্ষের লোকজন মহল বলে-মওদুদ শুভ্র  যদি চাদার টাকা না দেয়,তাহলে যে কোন মুহুর্তে তার ও তার পরিবারের সদস্যদের সহ আপত্তিকর তথ্য বিভ্রান্তি সহ জান,মাল ও প্রানের যে কোন ধরনের ক্ষয় ক্ষতি করবেই তারই ধারাবাহিকতায় উক্ত চক্রটি সহ সক্রিয় অপরাধী চক্রের মদদদাতা ” স্যার গ্রুপ” সার্বক্ষণিক ভিক্টিম মওদুদ শুভ্রকে তাকে ফলো করছে এবং তার সসস্ত্র দল দিয়ে তার ও তার পরিবারের পরিজন সদস্যদের যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র করে খুন ও গুম করবেই ।ইতিমধ্যে তারা ভিক্টিম মওদুদ শুভ্রের ফেসবুক আই ডি হ্যাকিং করেন ও নানাবিধ অপরাধের আশ্রয় নিচ্ছে বলে জানা জায়।অত:পর সকল ঘটনা কুমিল্লা পুলিশ সুপার উল্লেখ করে অভিযোগ দাখিল করা হয়।যাহার স্মারক নাম্বার:-৬৫০৯/m,তারিখ :-২৭.১১.২০২৪ ইং।উক্ত বিষয়ক ভিক্টিম মওদুদ শুভ্র তার এবং তার পরিবার পরিজন সদস্যদের সার্বিক আইনগত সুরক্ষা ও প্রশাসনিক নিরাপত্তা চেয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের জেলা প্রশাসকের কাছে সকল প্রমান পত্রাদি দিয়ে লিখিত আবেদন করেন।যাহার ডকেট নাম্বার:-১৬৯০০,তারিখ :২৭.১১.২০২৪ ইং।

    মাসিক মানবাধিকার খবর সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব রিয়াজ উদ্দিন বলেন- মওদুদ  শুভ্র  মানবিক ও সামাজিক উচ্চ শিক্ষিত মানুষ। তার উপর বিগত দিনের এইরকম বর্বরতার মূলক আক্রমণ তীব্র নিন্দা জানিয়ে অতি দ্রুত আসামিদেরকে গ্রেপ্তার করা সহ বর্তমানে যে বা যারা তাকে চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকি ধমকি দিচ্ছে  সহ বিভিন্ন চক্রান্ত করে আসছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করে তার ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

     হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি চেয়ারম্যান এড: সাইদ শাওন বলেন- মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র একজন মানবাধিকার কর্মী। তিনি বরাবরই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠ। বিগত দিনও তাকে নানাবিধ ষড়যন্ত্র করে গুম খুন হত্যা করার চেস্টা সন্ত্রাসী সহ কিছু অন্যায়কারীরা করে আসছিলো। তার উপর এই রকম সন্ত্রাসী আক্রমন ও  বর্তমানেও উক্ত সন্রাসী মহল সহ যে বা যারা তার সাথে অপরাধের আশ্রয় অন্যায় করছে, কুমিল্লার  পুলিশ প্রশাসন সহ যৌথ বাহিনীর উক্ত মামলার  আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার সহ সকল প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলেন।তিনি আরো বলেন মওদুদ শুভ্র- একজন মানবাধিকার কর্মী, এতে তার মানবাধিকার সহ আইনি সুখাধিকার চরম মাত্রায় বিঘ্নিত হচ্ছে।

     এই বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা জনাব মো: মহিনুল ইসলাম, পুলিশ এই মামলাটির আসামিদের কে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেস্টা করছে, অতি দ্রুত আসামিদেরকে গ্রেপ্তার সহ তথ্য সুত্রে মুল আসামি কেও আইনের আওতায় আনা হবে।এই বিষয়ে অপরাধীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

  • না ফেরার দেশে পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লার সভাপতি শিব প্রসাদ রায়!

    অমিত মজুমদার:

    শ্রী শ্রী কাত্যয়নী কালিবাড়ির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা মহানগর এর সভাপতি শিব প্রসাদ রায় আজ দুপুর ৪ টায় বাংলাদেশ সময় আগরতলার জিবি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ গমন করেন। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা মহানগর শাখার দপ্তর সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তাঁর মৃত্যুতে উক্ত সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেন ।তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

  • ভারতকে উড়িয়ে এশিয়া কাপের চ্যম্পিয়ন বাংলাদেশ

    অনলাইন ডেস্ক:

    আজিজুল হাকিমের বলে আউট হলেন চেতন শর্মা। বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ নিতেই আনন্দে ভাসল বাংলাদেশ। মাঠে কৃতজ্ঞতার সিজদাহ। উড়ল বাংলাদেশের পতাকা। ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে এশিয়ান ক্রিকেটের শ্রেষ্ঠত্ব বাংলাদেশের ঘরে। টানা দ্বিতীয়বারের মতো যুব ক্রিকেটে এশিয়ার সেরা হলো বাংলাদেশের তরুণরা। ফাইনালের বিগ স্টেজে বাংলাদেশের ১৯৮ রানের জবাবে ভারত শেষ হলো ১৩৯ রানে। 

    আরও একবার দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম। আরও একবার বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এশিয়ান ক্রিকেটের সেরা হওয়া। এর আগে যা করেছিলেন মাহফুজুর রহমান রাব্বিরা, সেটাই এবারে করে দেখালেন আজিজুল হক তামিমের দল। তবে এবারে আনন্দের উপলক্ষ্যটাও কিছুটা বেশি। কারণ ফাইনালে যে বাংলাদেশ উড়িয়ে দিয়েছে রেকর্ড ৮ বারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকেই। 

    ১৯৯ রানের ছোটো এক লক্ষ্য। কিন্তু সেটাকেই ভারতের জন্য পর্বতসমান করে রেখেছিলেন বাংলাদেশের বোলিং ইউনিট। একের পর এক উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। থিতু হতে দেননি কাউকেই। কেপি কার্তিকেয়া ছাড়া আর কেউই সেভাবে পরীক্ষা নিতে পারেননি বাংলাদেশের বোলিং ইউনিটের। তবে অনেকটা সময় ধরেই বাংলাদেশকে ভুগিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান। তাকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের পথটা সহজ করে দেন টাইগারদের অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম। 

    অবশ্য জয়ের পথে বাংলাদেশের পথটা সহজ করে ফেলেছিলেন মূলত ইকবাল হোসাইন ইমন। এক স্পেলে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন তিনিই। একই ওভারে প্রায় একইরকমের ডেলিভারিতে ফেরান কার্তিকেয়া এবং নিখিলকে। দুজনেই ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটের পেছনে। এক ওভার পরেই ফের তার আঘাত। এই দফায় আউট হলেন হারভানশ পানগালিয়া। এই দফায়ও উইকেটের পেছনেই গিয়েছে ক্যাচ। বাংলাদেশও তাতে ম্যাচে ফিরেছে দারুণভাবে। 

    ১৯৮ রানের লক্ষ্যে ভারতকে শুরুতেই চাপে ফেলে দেন আল ফাহাদ। দলীয় ৪ রানেই আয়ুশ মহাত্রেকে দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন এই পেসার। বিপদের আভাস দিচ্ছিলেন আলোচিত কিশোর বৈভব সুর্যবংশী। কিন্তু তাকে বাড়তে দেননি মারুফ মৃধা। খানিক পরেই রিজান ফেরান আন্দ্রে সিদ্ধার্থকে। 

    এরপরেই মূলত ম্যাচে ফেরার চেষ্টায় ভারত। কেপি কার্তিকেয়া আর মোহাম্মদ আমানের ২৯ রানের জুটি বেশ অনেকটাই এগিয়ে দেয় ভারতকে। আম্পায়ারের পক্ষ থেকে একাধিক সফট সিগন্যাল গিয়েছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। যা নিয়ে মাঠে উত্তাপও ছড়িয়েছে বেশ। কিন্তু এরপরেই ইমনের দুর্দান্ত এক স্পেল। ৭৩ রানে ৩ উইকেট থেকে ৮১ রানে ৬ উইকেট। 

    এরপর কিরণ চারমোলেকে নিয়ে আমানের চেষ্টা ছিল জুটি গড়ার। তবে আল ফাহাদ ফেরান কিরণকে। উইকেটের পেছনে ব্যস্ত দিন ছিল ফরিদের। ৪টি ক্যাচ নিয়েছেন একাই। এরপরে আর বাড়েনি ভারতের ইনিংস। শেষ উইকেটে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে আউট হলেন চেতন শর্মা। এবারেও উইকেট নিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। শিরোপা জয়ে যেন সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।  

    এর আগে ব্যাট করতে নেমে কিছুটা বিপাকেই পড়েছিল বাংলাদেশ দল। পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ ক্রিকেট উপহার দিলেও ফাইনালের বিগ স্টেজে এসে ক্রিজে থিতু হতেই ভুলে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। ভারতের বিপক্ষে যখন বলার মতো স্কোর নেই কারো ব্যাটে, তখন লোয়ার মিডল অর্ডারের ফরিদ হাসান দায়িত্ব নিলেন দলকে বলার মতো সংগ্রহ এনে দিতে। সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন মারুফ মৃধাকে।

    ইনিংসের শুরু থেকেই রানের জন্য সংগ্রাম করতে হয়েছে বাংলাদেশের যুবাদের। ৭ম ওভারে কালাম সিদ্দিকী আউটের আগে ১৬ বলে করেছিলেন মোটে ১ রান। সেটাই হয়ত ইঙ্গিত দেয়, ব্যাটিং পিচে ঠিক কতটা সংগ্রাম করেছে বাংলাদেশ। তবে তিনে নামা আজিজুল হাকিম তামিম কিছুটা হতাশই করেছেন। পুরো আসরে অধিনায়ক তামিম মুগ্ধতা ছড়ালেও ফাইনালে করতে পেরেছেন মোটে ১৬ রান। আরেক ওপেনার জাওয়াদ আবরারও ২০ রানের বেশি করতে পারেননি। 

    ৬৬ রানে অধিনায়ক আজিজুল তামিম বিদায়ের পরেই বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডকে এগিয়ে নিয়েছেন দিনের সেরা দুই ব্যাটার রিজান এবং শিহাব জেমস। ৬৭ বলে ৩ চার আর ১ ছক্কায় শিহাব করেছেন ৪০ রান। দলীয় ১২৮ রানে বিদায় নেন আয়ুশ মহাত্রের বলে। দেবাশীষ এসেই ফিরেছেন ৩ বলে ১ রান করে। ১৫৫ রানে ফিরে যান রিজান নিজেও। মিস করেছেন ফিফটি। 

    সব ব্যাটিং বিপর্যয়েই নাকি একটা করে রানআউট থাকে। ক্রিকেটের সেই অলিখিত নিয়ম মেনে ১৬৫ রানের মাথায় রান আউটের শিকার হন সামিউন বশির। দায়িত্ব নিয়ে পারেননি ফাহাদও। ফরিদ হাসান যখন একাকী দাঁড়িয়ে, তখন ১৯ বলে ১১ রান করে তাকে সঙ্গ দিয়েছেন মারুফ মৃধা। নবম উইকেটে তারা যোগ করলেন ৩০ রান। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেমেছে ১৯৭ রানে।

    কিন্তু জয়ের জন্য শেষের ওই রানটুকুই হয়ে উঠেছে যথেষ্ট। শুরু থেকেই ভারতকে চাপের মাঝে রাখা বাংলাদেশ দুবাইয়ে প্রবাসী সমর্থকদের মুখে হাসি এনে দিয়েছেন। বাংলাদেশ পেল এশিয়ানদের যুব ক্রিকেটে নিজেদের টানা দ্বিতীয় শিরোপা। 

  • কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ শিক্ষক পরিষদের অভিষেক

    কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
    কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ শিক্ষক পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছে সদ্য সাবেক কমিটি। বুধবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শাখার শিক্ষক মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান হয়।

    এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল বাশার ভূঞা, বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজ উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুল মজিদ। অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে দুই কমিটির সদস্যরা অধ্যক্ষ আবুল বাশার ভূঞাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় কলেজের ২২টি বিভাগের প্রধানসহ কলেজের শিক্ষক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক পরিষদের সদ্য সাবেক কমিটির সম্পাদক অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, সহকারী অধ্যাপক মো. ইউনুস মিঞা। নতুন কমিটির পরিকল্পনা ও কার্যক্রমের সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন নির্বাচিত কমিটির সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক গাজী মুহাম্মদ গোলাম সোহরাব হাসান, যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক মো. মুনছুর হেল্লাল, যুগ্ম সম্পাদক (মহিলা) সহযোগী অধ্যাপক মাহমুদা আক্তার ও কোষাধ্যক্ষ প্রভাষক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

    নতুন কমিটির সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি বাছাইয়ের সুযোগ দেয়ায় কলেজ অধ্যক্ষকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান। এছাড়াও সামনের দিনে কলেজ পরিচালনায় সম্পাদক পরিষদকে সবার সহযোগিতার আহবান জানান।

  • আজ সাংবাদিক নেকবর হোসেন এর পিতার ১১ তম  মৃত্যুবার্ষিকী 

    নিজস্ব প্রতিবেদক।। কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ও দৈনিক আজকের জীবন কুমিল্লা প্রতিনিধি সাংবাদিক নেকবর হোসেন এর বাবা বিশিষ্ট সমাজসেবক মো.আবুল হোসেন এর ১১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৩০ নভেম্বর।

    মো.আবুল হোসেন হঠাৎ করে ২০১৩ সালের ৩০ নভেম্বর ৬৪ বছর বয়সে দুনিয়ার সকল মায়া ত্যাগ করে আল্লাহর ডাকে চলে গেছেন। যাওয়ার বেলায় নিজেও কস্ট পাননি, কাউকে কস্ট দেননি।তিনি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এর ১৩ নং ওয়ার্ডের একজন স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন তিনি। দক্ষিন চর্থার স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কবরস্থান,সহ এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে তিনি অসামান্য অবদান রয়েছে। তিনি সততা আর সাদামাটা জীবন কাটিয়েছেন বলে তার পরিবার জানিয়েছেন।

    কর্মজীবনে মো.আবুল হোসেন একজন ব্যবসায়ী ছিলেন ।অবসর সময় তিনি নানা ধরনের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন নিজেকে ।

    মো.আবুল হোসেন মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার পরিববারে পক্ষ থেকে তার নিজ এলকায় বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসায় কোরআন খতম,দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।এছাড়া তিনটি এতিমখানাতে ছাত্রদের মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হবে।এছাড়াও সমাজসেবামূলক সংস্থা মুভ ফর চেঞ্জ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাদ আসর দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। প্রয়াত মো.আবুল হোসেনের রূহের মাগফেরাতের জন্য দোয়া চেয়েছেন তাঁর স্বজনরা।

  • ফের ভর্তি পরীক্ষা চালু হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে

    আবারো চালু হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। আগামী বছর থেকে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে বগুড়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। 

    শনিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে ছাত্র-শিক্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    ভিসি বলেন, ‘আগামীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা এক ধরনের সংস্কার আনতে যাচ্ছি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মানুষের মনে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। আমরা এ ধারণাগুলো থেকে বের হওয়া চেষ্টা করছি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সিলেবাস রয়েছে, সে সিলেবাস কারিকুলাম পরিবর্তন করতে যাচ্ছি।

    অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক যে টিম রয়েছে তাদের সবাইকে এক সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার করার চেষ্টা করছি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দকে পরীক্ষা বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছি। পেছনের যে সমস্ত পরীক্ষা রয়েছে সেগুলো যদি আমরা আগামী বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়ে নিতে পারি, তাহলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট ৬০-৭০ শতাংশ দূর করতে পারব।’

    বিসিকের পরিচালক ও শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মীর শাহে আলমের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হাছানাত আলী, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা আক্তার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নাজরান রউফ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক আব্দুল হাই ছিদ্দিক ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক রফিকুল ইসলামসহ প্রমুখ।

  • বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসে কুমিল্লা মেডিকেলে পদযাত্রা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    সুস্বাস্থ্যই হোক আমাদের অঙ্গীকার’ এ প্রতিপাদ্যে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডায়াবেটিস ও হরমোন বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে পৃথক পৃথক পদযাত্রা, সচেতনতা সভা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার আয়োজন করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর)কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অডিটোরিয়ামে পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সহযোগীতায় পদযাত্রা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

    ডায়াবেটিস ও হরমোন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ শাহরিয়ার আহমদ মিলনের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ মির্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ মাসুদ পারভেজ, উপাধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ জাহাংগীর আলম মজুমদার, মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. চিন্ময় কুমার সাহা।

    বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মো: মুহিবুল্লাহ ও ডায়াবেটিস ও হরমোন বিভাগের সহকারী রেজিষ্ট্রার ডাঃ মোঃ আবদুল বারী রোবেল।

    আলোচনায় অতিথিরা বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৬৪.৩ কোটিতে এবং ২০৪৫ সালে ৭৮.৩ কোটিতে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। এ জন্য সচেতনতার বিকল্প নেই। এখন শিশুদেরও ডায়াবেটিস। কারণ খেলার মাঠ নেই। আমরা খাবার গ্রহণে নিয়ম মেনে চলি না। জাঙ্ক ফুড বাদ দিতে হবে। প্রচুর হাঁটতে হবে।

    প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সালে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিক ফেডারেশন (আইডিএফ) ১৪ নভেম্বর তারিখটিকে ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০৭ সাল থেকে পৃথিবীজুড়ে দিবসটি পালন হয়ে আসছে। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির অনুরোধে বাংলাদেশ সরকার ১৪ নভেম্বর ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’ পালনের জন্য জাতিসংঘে প্রস্তাব করে। ২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘে এ প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

  • কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন দিবস পালন

    কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
    কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন দিবস পালন করা হয়েছে। বুধবার (১৪ নভেম্বর) সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে দিবসটি পালিত হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল,
    “স্বাস্থ্যব্যবস্থায় প্রয়োজন, শক্তিশালী পূনর্বাসন।”

    দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয়। র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন, কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ও জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নাছিমা আকতার, জেনারেল হাসপাতালের আর.এম.ও ডা. আব্দুল করিম খন্দকার, জেনারেল হাসপাতালের সকল বিভাগের চিকিৎসকবৃন্দ, নার্স ও অন্যান্য স্টাফগণ।

    বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণের মতে, বাংলাদেশ প্রতি চারজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের মধ্যে দুইজন মাস্কুলোস্কেলিটাল ও স্নায়ুরোগে ভুগে থাকে। সঠিক ঔষধের প্রয়োগ, ব্যায়াম ও ফিজিওথেরাপি এই তিনটি সম্মিলিত চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে এসব রোগ থেকে সম্পূর্ণরূপে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব। এরই লক্ষ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে ফিজিক্যাল মেডিসিন এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন ডিপার্টমেন্ট প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বর্ণাঢ্য আয়োজনে “আন্তর্জাতিক ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন দিবস” উদযাপন করছে।

  • কুমিল্লায় জমজম ট্রাভেলস্ বিডি’র প্রি-হজ্ব সেমিনার অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক।।
    কুমিল্লায় জমজম ট্রাভেলস্ বিডি’র প্রি-হজ্ব সেমিনার-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৬ নভেম্বর) সন্ধায় নগরীর গ্র্যান্ড দেশপ্রিয় অডিটোরিয়ামে বর্ণিল আয়োজনে তিন ঘণ্টা ব্যাপী এ সেমিনার হয়।

    জমজম ট্রাভেলস্ এর পরিচালক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান সবুজ এর সঞ্চালনায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন আলহাজ্ব মাওলানা কেফায়েত উল্লাহ। ইসলামি সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী শাহাদাত হোসেন অপু। আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগরীর সভাপতি অধ্যাপক আলী আহমাদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ইবাদত কবুল হওয়ার শর্ত ও হজ্ব উমরাহ পরবর্তী করণীয় বিষয়ক আলোচনা রাখেন চাঁদপুর হাজীগঞ্জ দারুল উলুম আহমাদিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ লেখক গবেষক বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ড.মুফতি হিফজুর রহমান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে মাসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর মর্যাদা এবং তাৎপর্য বিষয়ক বক্তব্য রাখেন শংকুচাইল ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক বাংলাদেশ তা’লিমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি মাওলানা সহিদুল ইসলাম, হজ্ব ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের কারণ ও প্রতিকার নিয়ে আলোচনা রাখেন আবিদপুর কলেজের অধ্যাপক বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগরী সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাওলানা রফিকুল ইসলাম।হজ্ব ব্যবস্থাপনায় ২০২৫ স্বচিত্র ভিজুয়াল আলোচনা রাখেন জমজম ট্রাভেলস্ বিডি’র জিএম আলহাজ্ব শেখ মোহাম্মদ শাকিল। সূরা হজ্ব থেকে দারসুল কুরআন উপস্থাপন করেন পুলিশ লাইন জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা শরফুদ্দিন আল হুসাইনী।

    আরো আলোচনা রাখেন হাফজ মাওলানা আনোয়ার হোসাইন সোদাইদী, ইসলামি ব্যাংক কর্মকর্তা রাশেদুল হক, কুমিল্লা ট্রমা হসপিটালের পরিচালক আলহাজ্ব ছফি উল্লাহ। সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ূন কবির মাসউদ, কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ আবু জাফর সালমান, রূপসী বাংলা কলেজের পরিচালক ইফতেখার আলম ভূঁইয়া, খতিব ও টিভি প্রোগ্রাম উপস্থাপক এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিবসহ জমজম ট্রাভেলস্ বিডি’র মাধ্যমে হজ্ব উমরাহ আদায়কারী হাজী মহোদয়গণ এবং ২০২৫ সালে হজ্ব উমরাহ আদায় করবেন এমন নিবন্ধনিত বিভিন্ন পেশাজীবি প্রমুখ।