Category: অন্যান্য

  • টানা আট দফা বৃদ্ধির পর অবশেষে কমল স্বর্ণের দাম

    অনলাইন ডেস্ক:

    টানা আট দফা দাম বৃদ্ধির পর অবশেষে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৭০ টাকা কমানো হয়েছে।

    বুধবার ( ১৭ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

    নতুন দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৮ হাজার ১৫২ টাকা।

    এর আগে, গত মাসে দু’দফা ও চলতি মাসে সোনার দাম ছয় দফা বেড়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬২২ টাকায় দাঁড়ায়। এটি ছিল এখন পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি এক লাখ ৭৯ হাজার ৬০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৫৩ হাজার ৯৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ২৭ হাজার ৬৭৪ টাকা।

    স্বর্ণের দাম কমালেও অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩১৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৮৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ২ হাজার ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছর মোট ৫৩ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৩৭ বার, আর কমেছে মাত্র ১৬ বার।

  • প্রাইম ইউনিভার্সিটিকে হারিয়ে বিজয়ী  কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

    ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র আয়োজনে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয় নিয়ে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রাইম ইউনিভার্সিটিকে হারিয়ে বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ। 

     ৩০ আগস্ট শনিবার সকাল ৮:৩০ ঘটিকায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) ভবন, তেজগাঁও, ঢাকায় ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র আয়োজনে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়।

     উক্ত আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

    প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান

    সম্মানীয় ফেলো, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।   

    সভাপতিত্ব করেন:

    জনাব হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ

    চেয়ারম্যান, ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।

    উক্ত প্রতিযোগিতার প্রস্তাব ছিলো: 

    প্রস্তাবঃ “এই সংসদ মনে করে, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা রয়েছে।”

    প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিতার্কিকরা হলেন:

    ১। সানজিদা ফারিহা সুরভী 

    ২। মেহেদী হাসান 

    ৩। সাজ্জাদ হোসেন অভি

    ৫। আসমা নূর

    ৬। মরজিনা আক্তার

    উক্ত অনুষ্ঠানে বিতার্কিকদের সাথে উপস্থিত ছিলেনঃ-

    জনাব রতন আলী 

    সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ ও

    এডিশনাল মডারেটর, ভিসিডিএস।

    জনাব মোঃ নাজির হোসাইন

    প্রভাষক, ইংরেজি বিভাগ ও

    এডিশনাল মডারেটর, ভিসিডিএস।

    উক্ত অনুষ্ঠানে দর্শক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন ভিসিডিএস এর কার্যনির্বাহী ও নিয়মিত সদস্যবৃন্দ।

    বিতার্কিকদের এই জয়ে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ,শিক্ষক পরিষদ, ভিসিডিএস এর মডারেটর প্যানেল ও সাবেক বিতার্কিকগণ ভিসিডিএস কে অভিনন্দন জানান।

  • আন্তর্জাতিক ফেলোশিপে বাংলাদেশের প্রতিনিধি কুমিল্লার সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী

    স্টাফ রিপোর্টার,
    দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ নারী নেতৃবৃন্দের জন্য আয়োজিত আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ প্রোগ্রাম ‘সাউথ এশিয়া ইয়ং উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট একাডেমি’তে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লার উদীয়মান নারী নেত্রী সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী।
    সুইডেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেক্টোরাল অ্যাসিস্ট্যান্স (IDEA) এই ফেলোশিপের আয়োজন করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) অর্থায়নে এবং জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন (UN Women)-এর সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিতব্য এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের তরুণ নারী নেতৃবৃন্দ অংশ নেবেন।
    ফেলোশিপটি অনুষ্ঠিত হবে ১৬ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর, শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয়। তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা নেতৃত্ব বিকাশ, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।
    এ প্রসঙ্গে সুমাইয়া বলেন, “আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ আমার জন্য গৌরব ও সম্মানের। দেশের তরুণ নারীদের অবস্থান ও সক্ষমতা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার এই দায়িত্ব আমি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব ইনশাআল্লাহ। এই অভিজ্ঞতা আমাকে ব্যক্তি ও পেশাগত জীবনে সমৃদ্ধ করবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যৎ নারী নেতৃত্ব গঠনে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবেও কাজ করবে।”
    সুমাইয়া বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল গবেষক এবং একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য-প্রযুক্তি সংসদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মহানগর মহিলা দলের সহ-সভাপতি এবং ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের তরুণ রাজনৈতিক ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় সুমাইয়া ইতোমধ্যে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে তরুণ নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
    এই ধরনের আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ বাংলাদেশের তরুণ নারীদের সক্ষমতা ও নেতৃত্বের দক্ষতাকে বৈশ্বিক পরিসরে তুলে ধরছে। সুমাইয়া বিনতে হোসাইনীর মতো নেতৃত্বগুণে সমৃদ্ধ নারীরা আগামী দিনের পরিবর্তনের রূপকার হয়ে উঠবেন—এমনটাই প্রত্যাশা দেশের মানুষের।

  • সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে রিসোর্স পার্সন পিএসসির সচিব ড. সানোয়ার জাহান ভূইয়া

    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    কুমিল্লার সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনসটিটিউশনাল কোয়ালিটি এসুরেন্স সেল (আই.কিউ.এ.সি) এর উদ্যোগে থিওরিজ অব এডভান্সড পেডাগোজি এন্ড প্র্যাক্টিকাল এসপেক্টস অব ডেভেলপিং এ টিচিং কেইস (Theories of Advanced Pedagogy and Practical Aspects of Developing a teaching case) শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার দুপুরে কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টির নান্দনিক ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ওই সেমিনারে রিসোর্স পারসন ছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন পিএসসির সচিব ড. সানোয়ার জাহান ভুইয়া।

    সেমিনারে সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের চেয়ারম্যান, কো-অর্ডিনেটর এবং শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

    সেমিনার শেষে ড. সানোয়ার জাহানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো: তারিকুল ইসলাম চৌধুরী সহ ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়ার ড. মো: শাহ্ জাহান, রেজিস্ট্রার ও অ্যাকাডেমিক এডভাইজার অধ্যাপক মো: জামাল নাছের, IQAC এর অতিরিক্ত পরিচালক আইন বিভাগের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান।

  • ইতালিস্থ বাংলাদেশীদের আশ্রয়স্থল দিদারকে কুমিল্লায় উষ্ণ অভ্যর্থনা

    নিজস্ব প্রতিবেদক।

    ইতালিস্থ বাংলাদেশীদের আশ্রয়স্থল দিদারকে কুমিল্লায় উঞ্চ অভ্যর্থনা

    নিজস্ব প্রতিবেদক। ইতালিস্থ বাংলাদেশীদের আশ্রয়স্থল হিসেবে সুখ্যাতি পাওয়া কুমিল্লার কৃতি সন্তান আনোয়ার হোসাইন দিদার কুমিল্লায় এসেছেন৷ নিজের জন্মভূমিতে ফিরে উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হয়েছেন তিনি।

    ইতালির সামাজিক সংগঠন সেন্ত সিল্লে ঐক্য পরিষদের সহ সভাপতি ও কাফ কুমিল্লা ইতালির পরিচালক দিদার।

    ইতালিতে যখনই কোন বাংলাদেশী সমস্যায় পরেন তখনই সহযোগিতার মানসিকতা নিয়ে হাজির হন আনোয়ার হোসেন দিদার।

    গেলো মঙ্গলবার কুমিল্লা নগরীতে দিদারকে কাছে পেয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান, ফাহিম আহমেদ, অ্যাডভোকেট বাবু, ইমন, শামীম, রিয়াদ, রানা, সোয়ানুর রহমান ইয়াসিন, অন্তর আহমেদ সুমন, সহ আরো অনেকে।

    বিভিন্ন সংগঠনের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো শেষে অন্তর আহমেদ সুমন তার বক্তব্যে বলেন, দিদার ভাই আপাদমস্তক একজন পরোপকারী মানুষ। দেশ থেকে যারাই ইতালিতে গিয়ে কোন সমস্যায় পরেন দিদার ভাই তাদেরকে সহযোগীতা করেন। তার এই মানসিকতার জন্য তিনি সবার হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছেন।
    বিভিন্ন সংগঠনের ভালোবাসায় সিক্ত দিদার বলেন, আপনাদের ভালোবাসা আমি ধন্য। মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চাই আমৃত্যু।

  • হরিশপুরা কামাল হোসেনে কলেজে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন


    “প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ রাসেলে এর জন্মদিন উদযাপন করেছে বরুড়া উপজেলার হরিশপুরা কামাল হোসেনে কলেজ। গত ১৮ অক্টোবর সকালে বৃক্ষরোপন, আলোচনা সভা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হয়।


    কলেজ অধ্যক্ষ কাজী মুজিবুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হরিশপুরা কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম পাটোয়ারী।


    গণিত বিভাগের প্রভাষক মোঃ ঈমাম হাসান ইমন এর উপস্থাপনায় শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক খায়রুল ইসলাম, ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমা বিষয়ের প্রভাষক উম্মে হাবিবা জ্যোতি ও জীব বিজ্ঞানের বিষয়ের আতিকুর রহমান।
    বক্তারা বলেন, “শিশু শেখ রাসেলের ছিলো মানবিক গুণাবলি, প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বগুণ। যদি তিনি বেঁচে থাকতেন তাহলে নিঃসন্দেহে তিনি একজন যোগ্য নেতা হয়ে উঠতেন। শেখ রাসেলের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর অনেক গুণাবলিই লক্ষণীয়। শিশু শেখ রাসেলকে হত্যা করে খুনিরা বাঙালিকে একজন প্রকৃত নেতার নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত করেছে।”
    তারা আরো বলেন, “শেখ রাসেল ছিলেন বঙ্গবন্ধু পরিবারে সকল সুখের মধ্যমণি। কিন্তু হায়নারা শিশু শেখ রাসেলকে নির্মমভাবে হত্যা করে বাংলাদেশের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে”।
    অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুলতানা ও পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেছেন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তিশা রাণী শীল। শেখ রাসেলকে নিয়ে শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আম্মান ও খাদিজা, ব্যবসা বিভাগের শিক্ষার্থী সুফল ও মিতু এবং মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী রাসেল ও উম্মে হাবিবা। পরবর্তীতে হরিশপুরা কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল কালাম পাটোয়ারী মুনাজাত করেন, তিনি সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
    আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে জন্মদিন উপলক্ষে কলেজ অধ্যক্ষ কাজী মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বৃক্ষরোপণ করা হয়। পরে কলেজ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে” শেখ রাসেল প্রীতি” ফুটবল ম্যাচেরও আয়োজন করা হয়।
    অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, অর্থনীতি বিষয়ের প্রভাষক মো: ইব্রাহিম হেসেন, রসায়ন বিষয়ের প্রভাষক রানাশীল, হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক আব্দুল গাফ্ফার, ব্যবসায় সংগঠন বিষয়ের প্রভাষক মো: রায়হান হোসেন, পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের প্রভাষক কেয়া চক্রবর্তী, ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক নুর মোহাম্মদ টনি, আই.সি.টি বিষয়ের প্রভাষক আরিফ হোসেন, কৃষিশিক্ষা বিষয়ের প্রভাষক মোছা: ফারহানা আক্তার, বাংলা বিষয়ের প্রভাষক মাইমুনা আক্তার,সমাজকর্ম বিষয়ের প্রভাষক মুন্নি সুলতানা, হিসাব রক্ষক মো: আনিস হক ও কর্মচারীগন সহ প্রমুখ।

  • কুমিল্লায় বিজিবি ফায়ারিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সকল স্তরের সৈনিকদের ফায়ারিং এর মানোন্নয়ন তথা পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিজিবি’র সেক্টর সদর দপ্তর, কুমিল্লার ক্ষুদ্রাস্ত্র ফায়ারিং রেঞ্জে ‘বিজিবি ফায়ারিং প্রতিযোগিতা-২০২২’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ, এসপিপি, এনএসডব্লিউসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব উপভোগ করেন এবং চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

    বিজিবি’র উত্তর-পূর্ব রিজিয়ন, সরাইল এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং কুমিল্লা সেক্টরের ব্যবস্থাপনায় গত ৩০ অক্টোবর ২০২২ তারিখে বিজিবি ফায়ারিং প্রতিযোগিতা শুরু হয়। প্রতিযোগিতায় বিজিবি’র ৫টি রিজিয়ন ও ০২টি স্বতন্ত্র সেক্টর থেকে আগত মোট ০৭টি দলের সর্বমোট ৮৪ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। ০৩  দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ ফায়ারিং প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম রিজিয়ন চ্যাম্পিয়ন এবং সরাইল রিজিয়ন রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এছাড়া ফায়ারিং এ ব্যক্তিগত নৈপূণ্য প্রদর্শন করে সরাইল রিজিয়ন এর কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের নম্বর-১০৮২৮৯ সিপাহী মোঃ ঈশা ইবনে লেমন ১ম শ্রেষ্ঠ ফায়ারার এবং একই ব্যাটালিয়নের নম্বর-৮৫০৫১ ল্যাঃ নাঃ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন ২য় শ্রেষ্ঠ ফায়ারার নির্বাচিত হয়। 

    সমাপনী বক্তব্যে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন,
    একজন প্রশিক্ষিত সৈনিকের বন্ধু হচ্ছে তার ব্যক্তিগত অস্ত্র। কাজেই এই অস্ত্রের উপর তার পারদর্শিতা থাকতে হবে। দেশপ্রেম এবং মনোবল নিয়ে প্রতিটি বিজিবি সদস্য দেশের প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকে। আর এই প্রস্তুতির একটি বড় অংশ হচ্ছে পেশাগতভাবে নিজেকে গড়ে তোলা। পেশাগত উৎকর্ষতার একটি অন্যতম উপাদান হচ্ছে অস্ত্র প্রশিক্ষণ এবং ফায়ারিং এ দক্ষতা অর্জন। বিজিবি মহাপরিচালক ফায়ারিং এ অংশগ্রহণকারী সকল সদস্যকে অভিনন্দন জানান। বিশেষ করে অংশগ্রহণকারী অপেক্ষাকৃত বয়োজ্যেষ্ঠ সৈনিক এবং মহিলা সৈনিকদের তিনি বিশেষ সাধুবাদ জানান।

    তিনি প্রতিযোগিতাটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে উপস্থিত সকলকে অনুপ্রাণিত করার জন্য বিজিবি মহাপরিচালক নিজেই ফায়ারিং এর মাধ্যমে নিপুণ লক্ষ্যভেদ করে অস্ত্র চালনার ব্যাপারে তার পারদর্শিতা প্রদর্শন করেন।

    অনুষ্ঠানে বিজিবি সদর দপ্তর, সরাইল রিজিয়ন, কুমিল্লা সেক্টর ও ব্যাটালিয়নের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সকল স্তরের বিজিবি সদস্য এবং বিভিন্ন রিজিয়ন ও সেক্টর থেকে আগত ফায়ারিং প্রতিযোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এরপর ফায়ারিং প্রতিযোগিতা শেষে বিজিবি মহাপরিচালক কুমিল্লা সেক্টর সংলগ্ন স্থানে এ্যাডহক ‘বর্ডার গার্ড স্কুল অফ ইন্টেলিজেন্স’ উদ্বোধন করেন। এসময় বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, বাহিনীতে এ ধরণের একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সংযোজন বাহিনীর গোয়েন্দা কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব আনয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সার্বিক সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। ভবিষ্যতে এই এ্যাডহক স্কুলকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়া হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • ১০ হাজার বন্যার্তের ঘরে ত্রাণ পৌঁছাবে একেএইচ গ্রুপ

    আবদুল্লাহ আল মারুফ
    সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা কবলিত এলাকার ১০ হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণের ঘোষণা দিয়েছে একেএইচ গ্রুপ। বুধবার (২২ জুন)।এ ঘোষণা দেন গ্রুপের পরিচালক আনিসুর রহমান।

    তিনি জানিয়েছেন, দুই জেলায় ১০ হাজার মানুষের জন্য ত্রাণ পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই ত্রাণ সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়া হবে। সেনাবাহিনী বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের ঘরে পৌঁছে দেবে। তবে প্রয়োজন হলে আরও দেয়া হবে। দেশের মানুষের পাশে সব সময় থাকবে একেএইচ গ্রুপ পরিবার। আমরা দেশের মানুষের পাশে সবসময় আছি এবং থাকবো।

    একেএইচ গ্রুপের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে ১০ হাজার মানুষের জন্য ত্রাণের পেকেট তৈরি করা হয়েছে। এর জন্য প্রথমে প্রাথমিকভাবে ত্রাণের পেকেট ভর্তি একটি ট্রাক পরিক্ষামূলকভাবে পাঠানো হয়েছে। এখানে ২ থেকে আড়াই হাজার পেকেট ছিল। পরে সম্পূর্ণ ত্রাণ ধাপে ধাপে পাঠানো হবে।

    প্রতি বক্সে থাকবে, দুই কেজি চাউল, দুই কেজি চিড়া, এক কেজি চিনি, আধা কেজি মসুর ডাল, খাবার পানি আড়াই কেজি, মোমবাতি ১০টি, লাইটার পাঁচটি, টোস্ট বিস্কিট এক পেকেট, হরলিক্স বিস্কিট এক পেকেট ও পাঁচ পেকেট ওরস্যালাইন। দুই একদিনের মধ্যেই এই ত্রাণ সামগ্রী সিলেট সুনামগঞ্জের উদ্দ্যেশ্যে পাঠানো হবে।


  • প্রয়োজন বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা বৃদ্ধি


    লেখকঃ আব্দুর রহিম

    শিক্ষা অর্জন হলো এমন একটি বিষয়, যা মানুষকে জ্ঞান ও বুদ্ধির পাশাপাশি সামগ্রিক বিকাশের সহায়তা করে। আর কারিগরি জ্ঞান হলো মানুষকে জ্ঞান বুদ্ধির পাশাপাশি সামগ্রিক ভাবে সমৃদ্ধি করে।শিক্ষা এবং কারিগরি জ্ঞান জগতে জনগণের অর্থনৈতিক অবস্থার ক্রমাগত বিকাশ এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের মাধ্যমে সমাজ, রাষ্ট্র এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি, সুখ এবং সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করে।

    টেকনিক্যাল বা কারিগরি শব্দটির অর্থ হল, ব্যবহারিক শিল্প প্রণালীর দক্ষতা সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা অর্জন। যে বিশেষ প্রশিক্ষণ বা শিক্ষার দ্বারা এই প্রণালীগত দক্ষতা বিকাশ ঘটানো হয়, তাকে বলে কারিগরি শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ। অর্থাৎ যে শিক্ষা বা প্রশিক্ষণের দ্বারা শিক্ষার্থীকে ভাষা,শিল্প, বাণিজ্য, কৃষি ও কলকারখানার যন্ত্রপাতি ব্যবহারের জন্য সুশৃঙ্খল নিয়মমাফিক ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, সেই শিক্ষাকে বলে কারিগরি শিক্ষা।
    এই শিক্ষাটা মুলত মেডিকেল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এর মতো আলাদা একটা পেশাদার প্রশিক্ষণ বা কোর্স।

    কারিগরি শিক্ষার উদ্দেশ্যেঃ
    কারিগরি শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হল বর্তমানের মানব সম্পদকে উৎপাদন মুখী দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তর করে ভবিষ্যতের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে অবদানের জন্য পরিপূর্ণ ভাবে প্রস্তুত করা। জাতীয় শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টে বলা হয়েছে “Education should be developed as to increase productivity”। অর্থাৎ উৎপাদনশীলতা বাড়ানাের জন্য পরিকল্পনা করতে হবে।
    যার জন্য একান্তই প্রয়োজন বৃত্তি ও কারিগরি শিক্ষা অর্জন।

    বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা কেন প্রয়োজনঃ
    বর্তমানের একবিংশ শতকের বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি বৃত্তিমুখী আর কারিগরি শিক্ষার আলোকে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলার মূল প্রয়াস হওয়া উচিত। যাতে করে বর্তমান ও আগামী প্রজন্মকে ব্যবহারিক কর্মযজ্ঞের মধ্যে দিয়ে উৎপাদনমুখী মানব সম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
    কারিগরি শিক্ষা অর্জনের মধ্যে দিয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন উপায়ে লাভবান হতে সক্ষম হবে যেমন –

    উৎপাদনমুখীঃ বৃত্তি ও কারিগরি শিক্ষা শিক্ষার্থীদের একটি উৎপাদনমুখী কাজের সাথে যুক্ত থেকে বর্তমান বিশ্বে নতুন নতুন কাজের ক্ষেত্র সৃষ্টি করে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে পারবে।

    আত্মনির্ভরশীলতাঃ কারিগরি শিক্ষা একজন মানুষকে আত্মনির্ভরশীলতা হতে সাহায্য করে। এই শিক্ষার ফলে শিক্ষার্থী হয় কোন চাকরির সুযোগ পায় নয়তো স্বনিযুক্ত কাজে যুক্ত হতে পারে।

    জাতীয় আয় অবদানঃ বৃত্তিমুলক ও কারিগরি শিক্ষা যেহেতু উৎপাদনভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা, তাই এটি জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে অবদান ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা করে।

    বিশেষজ্ঞতা সৃষ্টিঃ এই শিক্ষার অপর একটি উদ্দেশ্য হল বিশেষজ্ঞ সৃষ্টি করা। এই শিক্ষার অর্জিত জ্ঞান বা দক্ষতা, শিক্ষার্থীকে তার ভবিষ্যৎ জীবনের নির্দিষ্ট বিশেষ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে সহায়তা করে।

    অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রদানঃ বৃত্তিমুখী ও কারিগরি জ্ঞান ভবিষ্যৎ জীবনে জীবিকা অর্জনে সহায়তা করে, যা তাকে তার ব্যক্তিগত জীবনের সার্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রদানে নিশ্চয়তা প্রদান করে থাকে।

    শিক্ষার্থীদের আগ্রহ, প্রবণতা ও বিশেষ ক্ষমতা অগ্রাধিকার দেওয়াঃ এই শিক্ষার অপর উদ্দেশ্য হল শিক্ষার্থীর বিশেষ ক্ষমতা, আগ্রহ, চাহিদা বা প্রবণতাকে কাজে লাগানো। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের বৃত্তির মধ্যে থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিশেষ শিক্ষার বিষয়টি নির্বাচন করতে পারে।

    শ্রমের প্রতি মর্যাদাঃ এই শিক্ষা ব্যবস্থা যেহেতু কায়িক শ্রম ভিত্তিক, শিক্ষার্থীরা তা শ্রমের মাধ্যমে অর্জন করে থাকে, সেহেতু এর মাধ্যমে তাদের শ্রমের প্রতি এক মর্যাদাবোধ সৃষ্টি হয়।

    জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভঃ কারিগরি শিক্ষার অর্জনের মাধ্যেমে ক্যারিয়ার জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভের উপায় তৈরি হয়। ব্যতিক্রমী শিশুদের জন্য এই ধরনের বৃত্তিমূলক শিক্ষা খুবই প্রয়োজন যার ফলে তারা কিছু উৎপাদন মূলক কাজে নিজেদের নিয়োগ করতে পারে এবং অর্থ উপার্জনে সক্ষম ও স্বাবলম্বী হতে সাহায্যে করে।

    শিক্ষার প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিঃ পুথিগত নীরস শিক্ষার একঘেয়েমি থেকে দূর করে ব্যবহারিক ও হাতে কলমে শিক্ষা,এই শতকে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে ভুমিকা রাখে। এই শিক্ষায় তাদের উৎসাহ বৃদ্ধি একপ্রকার ইতিবাচক মনােভাব গড়ে তােলে।

    নিজস্ব শ্রমের প্রতি উৎসাহঃ বৃত্তিমুখী ও কারিগরি শিক্ষা শিক্ষার্থীদের শ্রমের মর্যাদা দিতে শেখায়।শ্রমে নৈতিকতা গঠনে সাহায্য করে।

    নতুন নতুন কর্মের সুযোগ সৃষ্টিঃ বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা শিক্ষার্থীদের কর্মের দক্ষতা বৃদ্ধির সাথে সাথে চাকরি বা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে।

    সর্বোপরি বলা যায় যে,আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা যেন ব্যবহারিক জীবনে কাজে লাগতে পারে, সেজন্য কারিগরি শিক্ষার প্রতি জোর দিতে হবে। কারণ এর মাধ্যমে অর্জিত সকল জ্ঞানই ব্যবহারিক ভাবে কাজে লাগবে। শুধু প্রশিক্ষিত জনশক্তি রপ্তানির মধ্যমেই বেকারত্বের হার শুন্যের কোঠায় নামানো সম্ভব। আর দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগও বেড়ে যাবে।

  • কুমিল্লার সব বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা

    কুমিল্লার সব বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা
    কুমিল্লা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাঃ
    ১। ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (Britannia University)
    ২। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (Bangladesh Army International University of Science and Technology)
    ৩। সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (CCN University of Science & Technology)
    কুমিল্লা সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাঃ
    ১। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (Comilla University)