Author: bikedokan@gmail.com

  • উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত; চারদিন পর না ফেরার দেশে কুমিল্লার মাহাতাব

    অনলাইন ডেস্ক:

    উত্তরায় বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের পর চারদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে না ফেরার দেশে চলে গেল শিশু মাহাতাব (১২)।

    আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যায় সে।

    মাহতাবের পৈত্রিক নিবাস কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নে। তার বাবার নাম মিনহাজুর রহমান

    ভূঁইয়া।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। 

    মাহতাব রহমান ভূঁইয়া উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় তার শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিল মাহতাব।

  • বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায়  নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭

    অনলাইন ডেস্ক:

    রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আরও চার শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- এরিকসন (১৩), আরিয়ান (১৩), নাজিয়া (১৩) ও সায়ান ইউসুফ (১৪)। 

    সোমবার দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।

    মর্মান্তিক এ বিমান দুর্ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭ জনে।

    যদিও আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ২০। এছাড়া পরিচয় শনাক্ত হওয়ায় আটজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সোমবার রাত দেড়টার দিকে এ তথ্য জানায় আইএসপিআর।

    এর আগে রাত ৮টার দিকে আইএসপিআরের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ২০। আহত ১৭১ জন। তারা রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আহত ও নিহতের সংখ্যাও জানায় আইএসপিআর।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়— 

    ১. কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল: আহত ৮ জন, নিহত নেই
    ২. জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট: আহত ৭০ জন, নিহত ২
    ৩. ঢাকা মেডিকেল: আহত: ৩, নিহত ১
    ৪. সিএমএইচ-ঢাকা: আহত ১৭, নিহত ১২
    ৫. কুর্মিটোলা জেনারেল হসপিটাল: আহত ১, নিহত ২
    ৬. লুবনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টার, উত্তরা: আহত ১১, নিহত ২
    ৭. উত্তরা আধুনিক হসপিটাল: আহত ৬০, নিহত ১
    ৮. উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতাল: আহত: ১, নিহত নেই।

    রাত ৮টার দিকে দেওয়া আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিহতের সংখ্যা ‘দুই’ উল্লেখ করা হয়। যদিও পরবর্তীতে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও সাতজনের মৃত্যুর কথা জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সেখানে চিকিৎসাধীন মাহেরীন চৌধুরী (৪০) ও আফনান (১৪) মারা গেছেন। রাত দেড়টার দিকে ডা. শাওন বিন রহমান জানান, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ আব্দুল্লাহ সামিনও (১৪) মারা গেছেন। তিনি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। অর্থাৎ রাত দেড়টার দিকে আইএসপিআরের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের মৃত্যুর সর্বশেষ তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

    রাত সোয়া ৩টার দিকে ডা. শাওন বিন রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘আরও চার শিক্ষার্থী মারা গেছেন। এর মধ্যে এরিকসনের শরীরের ১০০ শতাংশ, আরিয়ানের ৮৫ শতাংশ, নাজিয়ার ৯০ শতাংশ এবং সায়ান ইউসুফের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বর্তমানে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ও আইসিইউতে ৪২ জন চিকিৎসাধীন আছেন।’

    প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুর ১টার পর রাজধানীর উত্তরায় দুর্ঘটনায় পড়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান। বিমানটি উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে গিয়ে পড়ে এবং বিধ্বস্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিমান ও স্কুল ভবনটিতে আগুন ধরে যায়। যে ভবনে এটি বিধ্বস্ত হয় সেখানে বহু স্কুলপর্যায়ের শিক্ষার্থী ছিল বলে জানা যায়। যাদের বেশিরভাগই হতাহত হন।

    দুর্ঘটনার পরপর উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। উত্তরাসহ আশপাশের আটটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হতাহতদের উদ্ধারকাজ শুরু হয়। পরে উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয় বিজিবি ও সেনাবাহিনী। বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে হতাহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    এ ঘটনায় শোক জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

  • বছরের পর বছর নিরাপত্তাহীনতায় শুভ্র, প্রশাসন হার্ড লাইনে

    স্টাফ রিপোর্ট

    ২০১৭ সালে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য কুমিল্লা কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নগরীর ৪নং ওয়ার্ড ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। সেই জিডিতে তিনি সাবেক ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কিছু চিহ্নিত ব্যক্তিসহ কয়েকজন স্থানীয় দুর্বৃত্তের নাম উল্লেখ করেছিলেন (জিডি নং: ১৫৭,তারিখ:-০৩.০৫.২০১৭ইং)। কিন্তু নিরাপত্তার আশায় করা সেই জিডি তার জন্য আশীর্বাদ নয়, পরিণত হয় দীর্ঘমেয়াদি এক দুঃস্বপ্নে।

    পরের বছর ২০১৮ সালের ২৮ জুন ফের একটি জিডি করেন মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র (জিডি নং: ১৫৩৮)।
    এরপর থেকেই শুরু হয় অপরাধীদের নাসকতামুলক অত্যাচার ওপর নির্যাতনের মাত্রা ক্রমশ বাড়তেই থাকে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসার এলাকায় তার গ্রামের বাড়ীতে বড়ুরা কেমতলীতে জাওয়ার পথে ওক পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে ফলো করে সন্ত্রাসী আক্রমন চালিয়ে আহত করে এবং তাদের বাহিনী বল নিয়ে সি এন জেতে সহ হামলা করে।কিন্তু সে যেহেতু কুমিল্লাতে স্থানীয় বাসিন্দা কোতোয়ালী থানায় তখন মামলা করতে জায় তখন পুলিশ গ্রহনের ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানায় এবং বড়ুরা থানায় মামলা দায়ের করতে পরে আদালতের মাধ্যমে বড়ুরা থানার সি আর মামলা করলে তার আধিপত্য বিস্তার করে আমাকে জিম্মি করে মামলা প্রত্যাহার করায়,বড়ুরাতে সি আর মামলা টি রুজু হয় সরাসরি ২০১৮ ইং সালে তখন তদন্তের আয়ু ছিলেন বরুড়া থানার এস আই খাদেমুল । সেই মামলা সহ সকল অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য তারা নারী পুরুষ সম্মিলিত ‘স্যার গ্রুপ’ গঠন করে একটি চক্র তার বাসার সামনে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি ১৫ ইং তারিখে ককটেল বিস্ফোরণ চালায়। একপর্যায়ে তিনি প্রশাসন সহ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ মহলে লিখিত দরখাস্ত করেন। অনেক সেসকল কর্মকর্তাগণ অভিযোগ আমলে নিয়ে কুমিল্লায় তদন্ত পাঠায়, তখন দেখা যায অপরাধীদের সেল্টার দাতারা তাদের আধিপত্য বিস্তার করে তাদের ব্যক্তিগত অফিসে ডাকিয়ে বিভিন্ন মানুষকে যে তারা টর্চার করে সেই ভিডিও চিত্র আমাকে মোবাইলে দেখায় এবং বলে আপনার সাথে আপনার কেমনটা লাগবে।এই খানে আমার আশে পাশের দুই একজন চেনা জানা পরিচিত নারী পুরুষ সিন্ডিকেট গনও জড়িত ছিলো পরোক্ষ।তারা আদালতে আমি কার্য তারিখে হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় তারা মোটর বাইক মহড়া আমার সামনে দিয়ে দিয়ে আমাকে মামলা হাজিরার তারিখ গুলো আদালত প্রাংগনে জয়ন্ত উপস্থিত হতে দেয় নাই। এভাবে আদালতে আমার দায়ের করা মামলার চার-পাঁচটি তারিখ চলে যাওয়ার পর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত মামলাটি খারিজ করে দেয়।

    এছাড়াও আদালতের লিখিত বিবাদীর বিরুদ্ধে ভুয়া ওয়ারেন্ট নিয়ে এসে আদালতের জারিকারক ও পুলিশের সদস্য পরিচয়ে আমাকে কাগজ দেন।যেখানে নাম,ঠিকানা, জি আর নাম্বার,স্মারক নাম্বার সহ ছদ্মবেশ ধারন করে চাঁদা চেয়ে
    এক সময় দুই ব্যক্তি নিজেকে আদালতের লোক পরিচয়ে আল আমিন ও মতিন নামীয় লোকজন বাসায় এসে ভুয়া ওয়ারেন্ট কাগজ দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে এবং পুলিশ অফিসের সুত্র শাখাতে বলে এই কাগজ টি নিয়ে যেতে নয়তো দ্রুত গ্রেপ্তার হয়ে যাবো।

    পরবর্তীতে সাংবাদিক মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র তাদের কে জিজ্ঞাসা করেন কিসের ওয়ারেন্ট? মামলা ছাড়া নোটিশ, মামলার সমন তদন্ত ছাড়া ওয়ারেন্ট হয় কি ভাবে?তাদের সাথে একটি পর্যায়ে চ্যালেঞ্জে আসলে তারা আবার বলে ওধ্যতভাবে কুমিল্লা পুলিশ অফিসের সুত্র শাখায় একটা কাগজ ধরিয়ে খোজ খবর নিতে বলেন।তারপর পরবর্তীতে একটা সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র উক্ত ওয়ারেন্ট গ্রেপ্তারি আইন জীবির পরামর্শে কুমিল্লা পুলিশ সুপার মহোদয়ের বরাবরে মিথ্যা ওয়ারেন্ট বিরুদ্ধে লিখিত ভাবে অভিযোগ দাখিল করেন।পুলিশ সুপার অফিস আবেদনের রিসিভড কপির স্মারক নাম্বার- ৯৪৬১/২য়। তারিখ:-২৯.০৭.২০২৩ইং।পরবর্তীতে কুমিল্লা পুলিশ সুপার উক্ত লিখিত ওয়ারেন্ট এবং তথ্য অপ প্রচার মুলক বিভ্রান্তি সহ ষরজন্ত্র প্রতিকার চেয়ে যে আবেদন টি করেন।তাহা পুলিশ সুপার কুমিল্লা আমলে নিয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানাকে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার আদেশ প্রদান করেন।অত:পর কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ উক্ত পুলিশ সুপার অফিস হতে আগত অভিযোগ টি কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের মাধ্যমে তদন্ত করে দেখেন সংলিস্ট ওয়ারেন্ট টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াটো জালিয়াতি করে তৈরি করেছে। এই মর্মে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানার স্মারক নাম্বার:- ৮৬৯৬, তারিখ:- ১৪. ০৯.২০২৩ ইং স্মারকের অনুকুলে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট পুলিশ সুপার কুমিল্লার বরাবরে পাঠায়।

    এর পর ধারাবাহিক ভাবে তারা সংগঠিত অপরাধ করে আসে তারা আগস্ট ৪ তারিখে, ২০২৪ ইং তারা কুমিল্লার টিক্কাচর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় রাতের বেলায় আমাকে উপর্যপুরী আবে ছুরিকাঘাত সহ ভয়ংকর এলোপাথাড়ি মারধর করে এই বিষয় ও ঘটনার উপর ভিত্তি করে কুমিল্লা সিনিয়র জ্যুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাদাঁবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩জন পুরুষ ও একজন মহিলাসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করে। যার নাম্বার দ্রুত সিআর ৩৬/২৪, তাং-১৯-০৮-২০২৪। যাহা পিবিআই এর তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট গত দাখিল করেন গত তারিখ:-০৭.০৫.২০২৫ ইং,স্মারক নাম্বার:-২৭১৬।

    অত:পর তারা ১৩ই অক্টোবর, ২০২৪ ইং ও ১৬ ইং অক্টোবর ২০২৪ ইং ২০২৪ ইং পুনরায় আবার তারা সহ অন্যন্যা অপরাধীরা দিনের বেলায় আবার সুনিশ্চিত ভাবে সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি সহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা আমার উপর আক্রমন চালায়।পরবর্তীতে আমি বাধ্য হয়ে কুমিল্লা সদর কতোয়ালী থানায় জখমি সহ বিবিধ অপরাধ এর উপর ভিত্তি করে ৮জনের নাম উল্লেখ কওে অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামী করে অপর আরেকটি এফ আই আর মামলা দায়ের করেন। যার নাম্বার- ৪১, জি আর নাম্বার:-৮৫০, তাং-১৪-১১-২৪। এই অভিযোগের মূলে আসামীদেও গ্রেফতার করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন প্রশাসন সহ যৌথবাহিনী।
    তারপর থেকে স্যারগ্রুপের সদস্যরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে প্রকাশ্যে চাদাঁ দাবী শুরু করে। বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে শুভ্রের পেশাগত ব্যক্তিগত কাজের সাইটে তারা পিছু পিছু লেগে যায়। ৪ জানুষারী ২০২৫ সন্ত্রাসীরা পিস্তলের বাট দিয়ে শুভ্রকে আঘাত করে আহত করে। এবিষয়ে কতোয়ালী থানায় আরেকটি অভিযোগ করা হয়। যার নাম্বার এসডিআর, রেকর্ড নাম্বার-২৬/২৫।
    সর্বশেষ স্যার গ্রুপ অনলাইনে ফেসবুক বিভিন্ন হ্যাকিং,ভুয়া ফেসবুক আই ডি খুলে অশ্লীল ছবি তৈরি করে পুনরায় আমার কাছে পাঠায় । এর মাধ্যমে আমাকে সর্বদিক থেকে ক্ষতি করার চেষ্টা চালায়। দুটি নাম্বার থেকে চাদা দাবী করে আসছে বিভিন্ন নাম্বার থেকে দুটি নাম্বার :+ ০১৯৭১০৭৩৫৮৪ ও ০১৭০৪২৭২৯৬১ থেকে আমার ব্যবহৃত এই নাম্বারে ০১৭১১৪৩২২৬৯ তে ক্রমাগত কল ও এস এম এস দিয়ে আসছে। এবিষয়ে একটি জিডি হয় যার নাম্বার ২২২ তাং-০৩-০২-২৫ পরবর্তীতে জিডির তদন্তের আই ও এসআই ফিরোজ হোসেন তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা খুজে পায় ওআসামীদেও শনাক্ত করতে পারেন। তিনি বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-০১ কুমিল্লা স্মারক নাম্বার ২৩৮৯ তাং-১৭-০৩-২৫জিডিতে বর্ণিত সকল আসামীদের সকল অপরাধ তদন্তের অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত ডিআর ৫২৬/২৫, তাং-১৯-০৩-২৫ ইং মূলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেন। অতপর তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায়স্মারক নাম্বার ২৮২৬ তাং-০৬-০৪-২৫ইং অনুমতি নিয়ে আদালতে একটি নন এফআইআর মামলা করার জন্য প্রসিকিউশন দাখিল করলে মামলা রুজু হয়।যার নাম্বার ২৪/২৫ নন জিআর মামলা নাম্বার ২০/২৫তারিখ ০৭-০৪-২৫ রজু হয়। যাহা আসামীদেও প্রতি সমন সহ প্রয়োজনিয় ব্যাবস্থা গ্রহন করে।কিন্তু আসামী পক্ষের উক্ত চক্রান্তকারীরা, সামাজিক পরিসরে রাজনৈতিক সহ বিভিন্ন তথ্য অপব্যাখ্যা মূলক বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আসছে।তাদের আদালতের দায়ের করা সমন পর্যন্ত অবমাননা করে সমন কোন ভাবেই গ্রহন করে নাই।জার ফলে তার ও তাদের বিরুদ্ধে উক্ত নন জি আর মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার প্রস্তুতি হচ্ছে।ইতিমধ্যে পুরাতন আমার দায়ের করা মামলা আসামীগন ও আসামীপক্ষের পরোক্ষ লোকদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে থানার এফ আই আর মামলার গ্রেপ্তার অভিজান অব্যাহত আছে এবং অব্যাহত থাকবে।

    অত:পর এই সংগীয় স্যার গ্রুপ চক্র কাকতালীয় ভাবে খবর পেয়ে যায় এবং মটরসাইকেল ও বিভিন্ন গাড়ি নিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন অপরাধে আশ্রয়ে বিভিন্ন ছদ্মবেশী রুপ নিয়ে সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র দায়ের করা কুমিল্লা জজ কোর্ট দ্রুত বিচার আইনের মামলা,দ্রুত সি আর-৩৬/২৪, তারিখ :-১৯. ০৮.২০২৪ ইং “চাঁদাবাজি ও বিবিধ অপরাধ ” যাহা ইতিমধ্যে কুমিল্লা পিবিআই পুলিশ তদন্ত করে বিজ্ঞ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট চূড়ান্ত ভাবে দাখিল করেন এবং এছাড়াও আরো একটি পৃথক ঘটনা উপরে কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানার এফ আই আর ( মামলার) নাম্বার-৪১, জি আর -৮৫০, তারিখ-১৪.১১.২০২৪ইং ” জখমী সহ বিবিধ অপরাধ “এর মামলাগুলো প্রত্যাহার করা সহ এবং মামলার গতিবিধি স্থগিত করার জন্য বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন উপায়ে সামাজিক পরিসরে ভিত্তিহীন রাজনৈতিক তথ্য অপব্যাখ্যা মুলক বিভ্রান্তি এবং ধর্মীয় তথ্য বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি মওদুদ আব্দুল্লাহ দিশেহারা ভাবে পিছু নিয়ে উন্মুক্ত ভাবে আইনকে সরাসরি অমান্য করে নির্ভীক নিয়ে অপরাধ করে আসছে । তাকে মিথ্যা মামলা, গুম-খুন করে হয়রানীর প্রচেষ্টাও একাধিকবার চালায়।উক্ত নারী পুরুষ সিন্ডিকেট গ্রুপটি হ্যালমেট পরিহিত নাম্বার প্লেট বিহীন মোটর বাইক সহ সি এন জি এবং অটোজোগে আসামী পক্ষের পরোক্ষ লোকজন নারী পুরুষ কু-চক্রিয় মহল নানা প্রকার ষরজন্ত্র করে ফেইক ফেসবুক আই ডি খুলে নানা তথ্য অপ প্রচার ও অশ্লীল ছবি এডিট করে করছে আবার অপরদিক থেকে এই সব ঘটনা সীকার করে মামলা প্রত্যাহার এবং চাদা দিলে আর এমন কাজ এই অপরাধী চক্র আর করবে না বলে লোক মারফত জানান দেয়।তাছাড়াও আসামী পক্ষের ইন্ধনদাতা ও মদদদাতারা সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ ফেসবুক আই ডি একাধিক বার হ্যাকিং সহ তাহার ব্যবহার করা মোবাইল নাম্বার whatsapp ও ইমু নাম্বার তথ্য হ্যাকিং করে নিয়ন্ত্রণ ইতিমধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। অপরাধীর দল চলমান অপরাধ দমন এবং পরোক্ষ স্যার নামীয় সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ কল্পে নিজ ও নিজ পারিবার- পরিজনদের সার্বিক আনতগত সুরক্ষা ও প্রশাসনিক নিরাপত্তা চেয়ে কুমিল্লা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরামর্শে ভিক্টিম আরেকটি পুলিশ সুপার কে বিস্তারিত ঘটনা অবগত করে ও অফিসার ইনচার্জ কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা কে জানিয়ে ও উনার পরামর্শে সকল তথ্য, উপাও ও অপরাধের প্রমানাদি অফিসার ইনচার্জ নিজে যাচাই বাছাই করে দেখে উনি অনলাইনে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র ও তার পরিবারের সারভি গাইন গত সুরক্ষা প্রশাসনিক নিরাপত্তা চেয়ে ভবিষ্যতের জন্য বিশেষ সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করার অনুমতি প্রদান করেন।অত:পর উক্ত জি ডি ( সাধারণ ডায়েরি) টি ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা জন্য লাইনের রেকর্ড ভুক্ত করণ করা হয়। যার ( জি ডি) নাম্বার ২২৪২,তাং-২৯-০৫-২৫।

    তবে এর পূর্বেও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র পুলিশ সুপারকে সকল মহোদয়কে অপরাধী দের সকল অপরাধের বিষয়ক ঘটনা উল্লেখ করে একটি অভিযোগ দাখিল করেন। যার পুলিশ সুপার কার্যালয় অফিশিয়াল রিসিভড স্মারক নং-২৪৮৩/এম, তাং-১২-০৪-২৫।

    বিষয়গুলো কুমিল্লা পুলিশ সুপারের জনাব নাজির আহম্মেদ খানের নজরে আসলে তিনি বিষয়টি আমলে নিয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার অফিসার জনাব মো: মহিনুল ইসলাম সাহেব আসামী সহ আসামী পক্ষের ইন্ধনদাতা,মদদদাতা চক্রটির আশ্রয়দাতা ও পৃষ্ঠপোষ সন্ত্রাসীগনদেরকে সহ এই ঘটনার অপরাধে সম্পৃক্ততা যাদের যাদের আছে বা পাওয়া যাবে সবাইকে অতি দ্রুত তদন্ত করে আইনের আওতায় এনে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ প্রদান করেন এবং কুমিল্লার ডি বি অফিসের অফিসার ইনচার্জ জনাব আবদুল্লাহ কেও তার ও তার পরিবার পরিজন সদস্যদের সার্বিক গত সুরক্ষা ও প্রশাসনিক নিরাপত্তা প্রদান করার জন্য অতি দ্রুত আইনগত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেন।

    এছাড়াও এই বিষয়ক কুমিল্লা র‍্যাব ১১ সি পি সি ২ সহ কুমিল্লা সদর ক্যাম্পের সেনাবাহিনীও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র দায়ের করা মামলার এজহার নামীয় আসামী সহ তাদের সংগীয় অজ্ঞাতনামা আসামীগন, পরোক্ষ আসামী- ইন্ধনদাতা ও আশয় প্রদান করে তাদের মদদদাতাদেরকেও তদন্তপূর্বক গ্রেফতারের জন্য কুমিল্লা র‍্যাব ১১ সি পি সি ২ কোম্পানি কমান্ডার সহ কুমিল্লা সদর সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডারও উক্ত আসামীসহ এদের ইন্ধনদাতা মাস্টার মাইন্ড ক্রিমিনালদেরকে তদন্ত পূর্বক আইনের আওয়ায় এনে গ্রেপ্তার জন্য চেস্টা চালিয়ে জাচ্ছেন।খুব দ্রুত মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র দায়ের করা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার জি আর মামলার এজহারনামীয় আসামী সহ এদের ইন্ধনদাতা ও মদদদাতাগনদেরকে গ্রেপ্তারের বিষয়ক সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র দায়ের করা মামলার রেফারেন্সে ” সংলিস্ট কর্মকর্তা গনদের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করার পরে,উনারা তদন্ত যাচাই বাছাই করে উক্ত ” অভিযোগটি ” আমলে নেন।এই বিষয়ে পুলিশ প্রসাসন,ডি বি পুলিশ, র‍্যাব সহ অন্যন্য বাহিনী সহ সকল আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী এই অপরাধ চক্রের অপরাধীচক্রকে এবং তাদের প্রতিদিনের নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের প্রানঘাতি চক্রান্ত,অস্ত্র সস্ত্রের ভয় ভীতি দেখিয়ে চাদাবাজি, পিছনে পিছনে ঘুরে এবং তার আশে পাশে সক্রিয় ভাবে নারী পুরুষ সিন্ডিকেট কু- চক্রীয় মহল আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রশাসনের ছদ্মবেশ পরিচয় ধারন করে মওদুদ শুভ্র’র দায়ের করা অপরাধে অভিজুক্ত ব্যক্তি সহ সংগীয় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি গ্রুপের বিরুদ্ধে সকল মামলা প্রত্যাহার এবং কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার জি ডি প্রত্যাহার করার জন্য সামাজিক পরিসরে সম্পুর্ন মিথ্যা রাজনৈতিক ভুয়া ভিত্তিহীন তথ্য অপব্যাখ্যা করে তথ্য বিভ্রান্তি করে জনমনে আতংক সৃষ্টি করা থেকে শুরু করে বিবিধ চক্রান্তে এই কু – চক্রটি লিপ্ত আছে।

    তাই এই অপরাধী চক্রটাকে দমন করার জন্য এবং এদেরকে গ্রেফতার করে আইনের হাতে আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হার্ডলাইন গিয়েছে,খুব দ্রুতই এজহার নামীয় আসামী সহ আসামী চক্রের সন্ত্রাসী ইন্ধনদাতা,চাদাবাজ সকলকে আইনের আওতায় এনে অতি দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ জানান।

  • পাকিস্তানকে উড়িয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

    অনলাইন ডেস্ক:

    শ্রীলঙ্কার মাটিতে ইতিহাসগড়া টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের পর আজ পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে নিজেদের মাঠে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। দারুণ বোলিংয়ে এদিন সফরকারীদের স্রেফ ১১০ রানে গুটিয়ে দেন বোলাররা। এরপর ব্যাট হাতে লড়েন পারভেজ হোসেন ইমন। পঞ্চাশ পূর্ণ করে জেতান দলকে।

    মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ পাকিস্তানকে ৭ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন কুমার দাস।আগে ব্যাট করতে নেমে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে পাক ব্যাটাররা। কেবল তিনজন ছাড়া কেউই ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্কের ঘর।

    জবাব দিতে নেমে ২৭ বল হাতে রেখেই লক্ষ্য তাড়া করে ফেলে বাংলাদেশ।  ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে ওপেনার সাইম আইয়ুবকে (৬) ফিরিয়ে শুরুটা করেন তাসকিন আহমেদ। পরের ওভারে তিনে নামা মোহাম্মদ হারিসকে (৪) ফেরান মাহেদি হাসান। অধিনায়ক সালমান আলি আগাও পারেননি টিকতে। তানজিম হাসান সাকিবের বল লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন স্রেফ ৩ রানে। ষষ্ঠ ওভারে শূন্য রানে ফেরেন হাসান নওয়াজও।  

    ছয়ে নামা মোহাম্মদ নওয়াজ ৩ রান করে রান আউট হন। লড়তে থাকা ফখর জামান যদিও ফিফটির দিকে এগোচ্ছিলেন। তবে পারেননি পূর্ণ করতে। রান আউট হয়ে ৩৪ বলে ৪৪ রান করে ফেরেন তিনি। সপ্তম উইকেটে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ ও আব্বাস আফ্রিদি। কিন্তু সপ্তদশ ওভারে খুশদিলকে ফিরিয়ে ৩৩ রানের জুটি ভেঙে দেন মোস্তাফিজুর রহমান।  

    ১১০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে শেষ ওভার খেলার প্রস্তুতি নেয় পাকিস্তান। তবে প্রথম বলেই ফাহিম আশরাফকে ফেরান তাসকিন। দ্বিতীয় বলে রান আউট হয়ে ফেরেন সালমান মির্জা। আর তৃতীয় বলে আব্বাসকে ২২ রানে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে গুটিয়ে দেন তাসকিন। ৩.৩ ওভার বোলিং করে ২২ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন বাংলাদেশি এই পেসার।  

    আর ৪ ওভারে স্রেফ ৬ রান দিয়ে দুই উইকেট শিকার করে রেকর্ড গড়েন মোস্তাফিজ। আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে ৪ ওভারের বোলিং কোটা পূরণ করে সবচেয়ে কম রান দেও বাংলাদেশি এখন তিনি। এর আগে রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান ও মোস্তাফিজ নিজে ৪ ওভারে ৭ রান দিয়েছিলেন।

    রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়ে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। লিটন দাসও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। ১ রানে বিদায় নেন স্বাগতিক অধিনায়ক। তবে তৃতীয় উইকেটে দারুণ জুটি গড়ে এই ধাক্কা সামলে নেন পারভেজ হোসেন ইমন ও তাওহীদ হৃদয়। ৬২ বলে ৭৩ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান তারা।  

    ত্রয়োদশ ওভারে হৃদয়কে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন আব্বাস আফ্রিদি। ৩৭ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৩৬ রান করে বিদায় নেন বাংলাদেশি ব্যাটার। এরপর জাকেরকে সঙ্গে নিয়ে বাকি কাজটা সেরে ফেলেন ইমন। ৩৪ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করে তিনি অপরাজিত থাকেন ৫৬ রানে। তার ৩৯ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৩ চার ও ৫ ছক্কায়। ১০ বলে ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন জাকের আলি অনিক।

  • কুমিল্লায় আজও দিনব্যাপী চলবে মাল্টি ডেস্টিনেশন এডুকেশন এক্সপো

     আপনি কি হায়ার এডুকেশন স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে অস্ট্রেলিয়া, ইউকে, ইউএসএ, ইউরোপ যেতে চাচ্ছেন? 

    ওভারসিজ স্টাডি এন্ড মাইগ্রেশন সার্ভিসের কুমিল্লা অফিসে  দুইদিন ব্যাপী চলছে   মাল্টি ডেস্টিনেশন এডুকেশন এক্সপো 2025। 

     কুমিল্লা আদালত রোড ফৌজদারি চৌমুহনী এথনিকা স্কুলের উত্তরপাশে ওভারসিজ স্টাডি এন্ড মাইগ্রেশন সার্ভিসের কুমিল্লা অফিসে  আজ 18 এবং আগামীকাল 19শে জুলাই  সকাল 10টা থেকে বিকাল 5টা পর্যন্ত 

    চলবে এডুকেশন এক্সপো।

     যেখানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি ইউকে, ইউএসএ এবং ইউরোপে স্টাডি নিয়ে সরাসরি ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধির সাথে কথা বলার সুযোগ।  এবং রয়েছে স্পট অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবস্থা সহ অফার লেটার এবং 45% পর্যন্ত স্কলারশিপের ব্যবস্থা।

     আরও থাকবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নামকরা সব বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য সহ ভিসার সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্যাদি। তাই আর দেরি না করে আজই চলে আসুন  ওভারসিজ স্টাডি এন্ড মাইগ্রেশন সার্ভিসের কুমিল্লা অফিসে। 

  • সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি মওদুদ আব্দুল্লাহ দায়ের করা মামলায়,আসামীগনদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সহ যৌথ বাহিনী হার্ডলাইনে   

    স্টাফ রিপোর্টার:      

    ৯ বছর ধরে নানা অন্যায়ের শিকার হচ্ছেন নগরীর ৪নং ওয়ার্ড ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা, জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। একের পর হুমকি কারনে ২০১৭ সালে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য কুমিল্লা কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি। পরের বছর ২০১৮ সালের ২৮ জুন ফের একটি জিডি করেন তিনি।

    সাংবাদিক মওদুদ জানান, গ্রামের বাড়ী বরুড়া কেমতলীতে জাওয়ার পথে নিমশার এলাকায় হামলার শিকার হন।এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে মামলাটি জোরপূর্বক প্রত্যাহারের চাপ দেওয়া হয়। এরপর একটি চক্র তার বাসার সামনে ২০২০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ককটেল বিস্ফোরণ চালায়। এক পর্যায়ে তিনি প্রশাসন সহ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ মহলে লিখিত ভাবে তার সাথে এবং তাকে টার্গেট করে তার পরিবারের সাথে  বিভিন্ন অন্যায়-অত্যাচার সহ বিবিধ অপরাধ করে আসে এর উপর ভিত্তি করে মওদুদ আব্দুল্লাহ ভুক্তভোগী হয়ে লিখিত অভিযোগ আকারে উক্ত সমস্যাগুলোর প্রতিকার ও সমাধান প্রাপ্তির জন্যে  আবেদন করেন। এ সকল আবেদন গুলো গুরত্ব সহকারে প্রশাসন সহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত করেন।বিজ্ঞ আদালতে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র বাদী হয়ে প্রথম দিকে বাদী হয়ে যে মামলা অপরাধে অভিজুক্ত অপরাধী গনদের নামে দায়ের করেন।সেই মামলার হাজিরার ধার্য তারিখে মওদুদ আব্দুল্লাহ আদালতে  উপস্থিত হতে গেলে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে তাকে আদালতে যেতে না দেওয়ায় অনেক গুলো তারিখ আদালতে অনুপস্থিত হতে হয়। তখন বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত মামলাটি খারিজ করে দেয়।

    পরবর্তীতে তারা দুইটি নাম্বার ব্যবহার করে ০১৯৭১ ০৭৩৫৮৪ ও ০১৭০৪ ২৭২৯৬১ নাম্বার দিয়ে আমার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ০১৭১১৪৩২২৬৯ তে কল ও বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি সহ ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।

    এছাড়া গত বছরের ৪ আগস্ট টিক্কাচর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় রাতের বেলায় শুভ্রকে উপর্যপুরী ছুরিকাঘাত করে মারধর করে।

    এ ঘটনায় কুমিল্লা সিনিয়র জ্যুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাদাঁবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩জন পুরুষ ও একজন মহিলাসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে ” চাঁদাবাজি সহ বিবিধ অপরাধ” মামলা দায়ের করে। যার নাম্বার দ্রুত সিআর ৩৬/২৪ যাহা কুমিল্লা  পিবিআই পুলিশ তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট গত ০৭.০৫.২০২৫ ইং স্মারক নাম্বার -২৭১৬ মুলে আদালতে দাখিল করেন। এরপর গত বছরের ১৩ ও ১৬ অক্টোবর তার উপর হামলা করে পুনরায় এই আসামী চক্র সহ অজ্ঞাতনামা আসামীগন হত্যার উদ্দেশ্য আক্রমন সহ চাদাবাজির নাসকতা চালায় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে আক্রমন চালায় ,এ ঘটনায় সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র বাদী হয়ে ৮ জন এজহার নামীয় আসামী সহ অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জন অপরাধে অভিজুক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে ” জখমী সহ বিবিধ অপরাধ ” অভিযোগ এনে  কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা এফ আই আর মামলা দায়ের করেন।যার নাম্বার-৪১, জি আর নাম্বার-৮৫০, তারিখ-১৪.১১.২০২৪ইং।উক্ত মামলায় একজন আসামিকে পুলিশ সহ যৌথবাহিনী গ্রেপ্তার করে। বাকি আসামীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে।তারাই মুলত পরোক্ষ লোক মারফত নানা বিধ অপরাধ করিয়ে আসছে তার সাথে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র দায়ের করা  মামলা প্রত্যাহার ও চাঁদার টাকা দাবি করে আসছে।

    উক্ত মামলার আসামীদের সহ আসামীদের সংগীয় অপরাধে সুনির্দিষ্ট ভাবে অভিজুক্ত আসামীগনদের  গ্রেফতারের ব্যাপারে  চেষ্টা করে যাচ্ছে কুমিল্লা থানা পুলিশ, কুনিল্লা ডি বি পুলিশ সহ অন্যান্য  আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সর্বশেষ বিভিন্ন হ্যাকিং গ্রুপ দিয়ে  ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে তথ্য প্রজুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন অশ্লীল ছবি তৈরি করে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্রকে পুনরায় পাঠিয়ে চাদা দাবী করে আসছে।এই বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার কে বিস্তারিত  অপরাধের ঘটনা অবগত করে উনার আইনি পরামর্শ কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকেও অবগত ও অনুমতি ক্রমে অনলাইনে সাইবার অপরাধ সহ বিবিধ অপরাধ প্রতিকার চেয়ে আইনগত সুরক্ষা ও প্রশাসনিক নিরাপত্তা চেয়ে অনলাইনে  একটি সাধারণ ডায়েরি ( জি ডি)  দায়েত করা হয়। যার নাম্বার ২২২। জিডির তদন্তে ঘটনার সত্যতা খুজে পেয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-০১ কুমিল্লা স্মারক নাম্বার ২৩৮৯ তাং-১৭-০৩-২৫জিডিতে বর্ণিত সকল আসামীদের সকল অপরাধ তদন্তের অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত ডিআর ৫২৬/২৫, তাং-১৯-০৩-২৫ ইং মূলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেন। অতপর তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায়স্মারক নাম্বার ২৮২৬ তাং-০৬-০৪-২৫ইং অনুমতি নিয়ে আদালতে একটি নন এফআইআর মামলা করার জন্য প্রসিকিউশন দাখিল করলে মামলা রুজু হয়।যার  নন জিআর মামলা নাম্বার ২০/২৫তারিখ ০৭-০৪-২৫ রজু হয়। যাহা আসামীদের প্রতি সমন জারি করা হয়।কিন্তু আসামিরা সমন গ্রহন না করে আদালত অবমাননা এবং বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশ অবমাননা করার তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইতিমধ্যে প্রস্তুতি কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।সদ্যই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হবে বলে আদালত সুত্রে খবর পাওয়া যায়। 

    এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মুহিনল ইসলাম বলেন, মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র একাধিক অভিযোগ আমরা পেয়েছি, আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ আন্তরিকতার সহিত কাজ করছে।এই মামলা রে ঝর্নামিও আসামিসহ উক্ত আসামিদের সাথে অপরাধে  সম্পৃক্ততা রয়েছে সকল আসামীদেরকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে। ইতিমধ্যে এই অপরাধে অভিজুক্ত একজন আসামী কে পুলিশ সহ যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে। 

    তিনি আরো বলেন, এই অপরাধী চক্রটাকে দমন করার জন্য এবং এদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হার্ডলাইন গিয়েছে,খুব দ্রুতই মামলার এজহার নামীয় আসামী সহ আসামী চক্রের সন্ত্রাসী ইন্ধনদাতা,চাঁদাবাজ সকলকে নামে সাংবাদিক  মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র দায়ের করা মামলা ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।তাই তাদের  আইনের আওতায় এনে অতি দ্রুত গ্রেপ্তার করার ব্যাপারে থানা পুলিশ এবং এই মামলার তদন্তের আয়ু  যেটা যেটা আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করার দরকার, ইতিমধ্যে তার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের  এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • এ কলেজে আর আসবো না বলে বিদায় নিলেন ভিক্টোরিয়ার অধ্যক্ষ 

    আবু সুফিয়ান 

    এ কলেজে আর আসবো না মৌখিক এ ঘোষণা দিয়ে কলেজ ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ। সোমবার (১৪ জুলাই) কলেজের ডিগ্রি শাখায় বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অবরুদ্ধ ছিলেন প্রফেসর আবুল বাশার ভূঁঞা। রাত ১১টার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশের সহযোগীতায় অধ্যক্ষ ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। 

    কলেজ সূত্রমতে, গত বৃহস্পতিবার ৯ দফা দবি পেশ করেন শিক্ষার্থীরা। দুই কর্মদিবসেশিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অধ্যক্ষের সঙ্গে এক সংলাপে আশ্বাসমূলক বক্তব্য ও সুস্পষ্ট রোডম্যাপের না পেয়ে  ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সংলাপ ভেঙে বের হয়ে আসেন।

    এছাড়াও গত ১০ মাস পূর্বে এসব দাবি অধ্যক্ষকে লিখিত ভাবে পেশ করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রআন্দোলন। এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট রোডম্যাপের না পেয়ে ‘এক দফা এক দাবি, অধ্যক্ষের পদত্যাগ চাই’ স্লোগান তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। 

    জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের দেয়া ৯ দফা দাবি হলো, কলেজে গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখতে অবিলম্বে ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন, ডিগ্রি শাখার জন্য পৃথক ও আধুনিক ক্যাম্পাস স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা ও পর্যাপ্ত লাইটিংয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা জোরদার, বহিরাগত, মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে ক্যাম্পাসে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে বাস ও মাইক্রোবাস সার্ভিস চালু, আবাসিক হল ও আশপাশের হোটেল এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন, সুপেয় পানি, আধুনিক ওয়াশরুম এবং যুগোপযোগী শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় আলাদা ফান্ড গঠন, কলেজের সব ধরনের আয়-ব্যয় ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। 

    বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মফিদুল হাসান পল্লব বলেন, এই কলেজে আমরা গেলে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে পারি না। অধ্যক্ষ স্যার দরজায় তালা দেন। প্রশাসনের কাছে যাওয়ার আগে কাউকে নিয়ে যেতে হয়। এটা কেমন গণতান্ত্রিক পরিবেশ?

    উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম বলেন, ফয়জুন্নেসা হলে শিক্ষার্থীদের উপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হয়। হলের ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিন হিসেবে কোনো শিক্ষক থাকেন! মেয়েরা কথা বললে তাদেরকে শোকজ, অভিভাবক ডাক, বৈঠকের ভয় দেখানো হয়। নয় দফার কোনো দাবিই মানা হয়নি। বরং আমাদের নিরাপত্তাহীনতায় রাখা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, তামিমের ওপর ছাত্রলীগের হামলার এক বছর পার হলেও প্রশাসন তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি। এটা সবার সামনে ঘটেছে, মিডিয়াতেও এসেছে। তাহলে এত গোপনীয়তা কেন?

    নবাব ফয়জুন্নেসা হলের শিক্ষার্থী সাবরিনা সুলতানা বলেন, হলে পানি নেই। কথা বলেও সমাধান নেই। নয় দফা দাবি জানিয়েও সমাধান নেই। তাই আমরা উনাকে চাইনা। উনি এক বছরেও তামিম নির্যাতনের বিচার করতে পারেনি। যারা নির্যাতন করেছে তাদের শাস্তি দিতে পারেনি। অথচ আমাদের বহিষ্কার করবে বলে হুমকি দিচ্ছে।

    আয়-ব্যয়ের হিসাবের অস্বচ্ছতা বিষয়ে শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম-সম্পাদক ও বাংলা বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক মো: মুনছুর হেল্লাল জানান,  প্রশাসনিক ভবনের ডিজিটাল বোর্ডে এখন সবগুলো খাতওয়ারী নোটিশ দেখাচ্ছে।  ওয়েবসাইটে ও দিয়েছে। তবে পদত্যাগের বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। 

    এ বিষয়ে কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আবদুল মজিদ জানান, অধ্যক্ষ স্যার রাত ১১টা ১০ মিনিটে 

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশের সহযোগীতায় অধ্যক্ষ ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। এ কলেজে আর আসবো না মৌখিক এ ঘোষণা দিয়েছেন। বিষয়টি মন্ত্রণালয় জানে। প্রশাসনের সকল সেক্টর জানে। দ্রুত নতুন অর্ডার হবে। আমি রুটিন দায়িত্ব পালন করবো। আর্থিক কোন ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। পরীক্ষা-ক্লাস যথানিয়মে চলবে। 

  • প্রকাশিত  সংবাদের প্রতিবাদ

    গত শনিবার (৫-৭-২০২৫) আমাকে(মো: মেহেদী হাসান) নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়া যে সংবাদ ছাপা হয় তার পুরাটাই ছিল মিথ্যা তথ্য দিয়ে সাজানো। গুপ্ত সংগঠন একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে ( যেটা আমাদের মধ্যে সমাধান হয়ে যায়) সামনে এনে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য দিয়ে সাজিয়ে আমার রাজনৈতিক ট্যাগ জড়িয়ে আমার ও আমার দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এই নিউজ করান। এর পিছনে ছিল তাদের বৃহৎ স্বার্থ। প্রশাসনকে চাপে রেখে তারা চলমান নিয়োগে গুপ্ত সংগঠনের সাথী ও তাদের পরিবার পরিজনদের নিয়োগ দিচ্ছে। আমি জানতে পারি এবং এর বিরোধিতা করায় তারা আমাকে এই মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাদের কিছু সাংবাদিক দিয়ে নিউজ করায়।

    এখানে বলা হয় আমি নাকি নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে জড়িত। এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। যেখানে আমাদের নিজেদের চাকরি হয়না সেখানে এমন তথ্য ভিত্তিহীন ছাড়া কিছুই না। তারা আরো উল্লেখ করেন কুবির অনেক শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণের সাথে আমার নাকি যোগসূত্র আছে। এটাও ভিত্তিহীন ৷ কারণ আমার শিক্ষাজীবন শেষে এখন পর্যন্ত কারো সাথে আমার যোগাযোগ নেই।

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করেন একজন, তিনি বলেন চৌদ্দগ্রামের দিক নির্দেশনায় কুবিতে সকল নিয়োগ হচ্ছে। এই কথার দুইজন সাক্ষী আছে। সাবেক শিবির নেতা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র  নিয়োগ পান। যার মেধা তালিকা ছিল ১৮। পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একটা নির্দিষ্ট দলকে সুযোগ করে দিয়ে বৈষম্য তৈরি করে আওয়ামী লীগকে অনুসরণ করছে তারা। যে বৈষম্য দূর করতে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান, আর তারা হাটছে আওয়ামী স্বৈরাচারের পথে।

    কেউ কেউ রেজিস্ট্রার অফিস থেকে চাকরি পাওয়ার খবর শোনার ৪-৫ ঘন্টা আগেই আগের চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে দেয়, আর আমরা অন্য প্রার্থীরা নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেলেও জানতে পারিনা আদো কি আমরা উত্তীর্ণ হয়েছিলাম কিনা। কারণ কুবি প্রশাসন কেবল তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ফোন কল করতেন পরবর্তী ধাপের জন্য যা আওয়ামী সময়ের তদ্রুপ। এই প্রশাসনের অনুকূলে কোন নিয়োগই স্বচ্ছ হবে না।

    মূলত আমি এই অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করায় এবং তাদের এই অপকর্ম জানতে পারায় আমাকে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার করা হয়েছে।

  • কুমিল্লা বোর্ডে যে কারণে ফল বিপর্যয়;  কমেছে পাসের হার ও  জিপিএ ফাইভ!

    আবু সুফিয়ান,  কুমিল্লা

    কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলে ছন্দপতন হয়েছে। এবার গত পাঁচ বছর তুলনায় পাসের সব চেয়ে কম। গতবছর থেকে ১৫ দশমিক ৬৩ কম আর জিপিএ ৫ কমেছে ২১৯৮ টি।

    তবে পাসের হার ও জিপিএ ৫ এগিয়ে মেয়েরা। শতভাগ পাস করেছে ২২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। একজনও পাস করেনি অর্থাৎ পাসের হার শূন্য এমন প্রতিষ্ঠান একটি। ওই স্কুল কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের ইসলামপুর উচ্চবিদ্যালয়। ওই বিদ্যালয়ের ৩২ জনের সবাই ফেল করেছে।

    আজ বৃহস্পতিবার বেলা দুইটায় বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. শামছুল ইসলাম ফল ঘোষণা করেন। চেযারম্যান বলেন, গণিতে খারাপ করার কারণে ফল বিপর্যয়।

     এ সময় উপস্থিত ছিলেন সচিব অধ্যাপক খোন্দকার ছাদেকুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ( মাধ্যমিক) মো কবির উদ্দিন আহমেদ, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কাজী আপন তিবরানী, হিসাব ও নিরীক্ষা শাখার উপপরিচালক মো শাহজাহান ও উপ সচিব মাসুম মিল্লাত।

    এ বছর পরীক্ষা দেয় ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৭২ জন। পাস করেছে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৮১ জন। পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬০। মেয়েদের পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৬, ছেলেদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৬৯। মেয়েরা জিপিএ ৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৪৯৫ জন। ছেলেরা ৪ হাজার ৪০৭ জন।

    বিজ্ঞানে পাসের হার ৮৮ দশমিক শূন্য ১। মানবিকে ৪৬ দশমিক ৭৭ ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ৫৩ দশমিক ৯২ জন।

    গতবার পাসের হার ছিল ৭৯ দশমিক ২৩। জিপিএ ৫ ছিল ১২ হাজার ১০০ জন।

  • মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র উপর চক্রান্তের ৯  বছর,অপরাধীদেরকে গ্রেপ্তারে খুজছে  আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

    ২০১৭ সালে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য কুমিল্লা কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নগরীর ৪নং ওয়ার্ড ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। সেই জিডিতে তিনি সাবেক ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কিছু চিহ্নিত ব্যক্তিসহ কয়েকজন স্থানীয় দুর্বৃত্তের নাম উল্লেখ করেছিলেন (জিডি নং: ১৫৭,তারিখ:-০৩.০৫.২০১৭ইং)। কিন্তু নিরাপত্তার আশায় করা সেই জিডি তার জন্য আশীর্বাদ নয়, পরিণত হয় দীর্ঘমেয়াদি এক দুঃস্বপ্নে।

    পরের বছর ২০১৮ সালের ২৮ জুন ফের একটি জিডি করেন মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র (জিডি নং: ১৫৩৮)। 

    এরপর থেকেই শুরু হয় অপরাধীদের নাসকতামুলক অত্যাচার  ওপর নির্যাতনের মাত্রা ক্রমশ বাড়তেই  থাকে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসার এলাকায় তার গ্রামের বাড়ীতে বড়ুরা কেমতলীতে জাওয়ার পথে ওক পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে ফলো করে সন্ত্রাসী আক্রমন চালিয়ে আহত করে এবং তাদের বাহিনী বল নিয়ে সি এন জেতে সহ হামলা করে।কিন্তু সে যেহেতু কুমিল্লাতে স্থানীয় বাসিন্দা কোতোয়ালী থানায় তখন মামলা করতে জায় তখন পুলিশ গ্রহনের ব্যাপারে  অস্বীকৃতি জানায় এবং বড়ুরা থানায় মামলা দায়ের করতে পরে আদালতের মাধ্যমে বড়ুরা থানার সি আর মামলা করলে তার আধিপত্য বিস্তার করে আমাকে জিম্মি করে মামলা প্রত্যাহার করায়,বড়ুরাতে সি আর মামলা টি রুজু হয় সরাসরি ২০১৮ ইং সালে তখন তদন্তের আয়ু ছিলেন বরুড়া থানার এস আই খাদেমুল ।  সেই মামলা সহ সকল অভিযোগ  প্রত্যাহারের জন্য তারা নারী পুরুষ সম্মিলিত  ‘স্যার গ্রুপ’ গঠন করে একটি চক্র তার বাসার সামনে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি ১৫ ইং তারিখে  ককটেল বিস্ফোরণ  চালায়। একপর্যায়ে তিনি প্রশাসন সহ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ মহলে লিখিত দরখাস্ত করেন। অনেক সেসকল কর্মকর্তাগণ অভিযোগ আমলে নিয়ে কুমিল্লায় তদন্ত পাঠায়, তখন দেখা যায অপরাধীদের সেল্টার দাতারা তাদের আধিপত্য বিস্তার করে তাদের ব্যক্তিগত অফিসে ডাকিয়ে বিভিন্ন মানুষকে যে তারা টর্চার করে সেই ভিডিও চিত্র আমাকে মোবাইলে দেখায় এবং বলে আপনার সাথে আপনার কেমনটা লাগবে।এই খানে আমার আশে পাশের দুই একজন চেনা জানা পরিচিত নারী পুরুষ সিন্ডিকেট গনও জড়িত ছিলো পরোক্ষ।তারা আদালতে আমি কার্য তারিখে হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় তারা মোটর বাইক মহড়া আমার সামনে দিয়ে দিয়ে আমাকে মামলা হাজিরার তারিখ গুলো আদালত প্রাংগনে জয়ন্ত উপস্থিত হতে দেয় নাই। এভাবে আদালতে আমার দায়ের করা মামলার  চার-পাঁচটি তারিখ চলে যাওয়ার পর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত মামলাটি খারিজ করে দেয়। 

    এছাড়াও আদালতের লিখিত বিবাদীর বিরুদ্ধে ভুয়া ওয়ারেন্ট নিয়ে এসে আদালতের জারিকারক  ও পুলিশের সদস্য পরিচয়ে আমাকে কাগজ দেন।যেখানে নাম,ঠিকানা, জি আর নাম্বার,স্মারক নাম্বার সহ  ছদ্মবেশ ধারন করে  চাঁদা চেয়ে 

    এক সময় দুই ব্যক্তি নিজেকে আদালতের লোক পরিচয়ে আল আমিন ও মতিন নামীয় লোকজন বাসায় এসে ভুয়া ওয়ারেন্ট কাগজ দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে এবং পুলিশ অফিসের সুত্র শাখাতে বলে এই কাগজ টি নিয়ে যেতে নয়তো দ্রুত গ্রেপ্তার হয়ে যাবো। 

     পরবর্তীতে সাংবাদিক মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র তাদের কে জিজ্ঞাসা করেন কিসের ওয়ারেন্ট? মামলা ছাড়া নোটিশ, মামলার সমন তদন্ত ছাড়া ওয়ারেন্ট হয় কি ভাবে?তাদের সাথে একটি পর্যায়ে  চ্যালেঞ্জে আসলে তারা আবার বলে ওধ্যতভাবে কুমিল্লা পুলিশ অফিসের সুত্র শাখায় একটা কাগজ ধরিয়ে খোজ খবর নিতে বলেন।তারপর পরবর্তীতে একটা সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র উক্ত ওয়ারেন্ট গ্রেপ্তারি আইন জীবির পরামর্শে কুমিল্লা পুলিশ সুপার মহোদয়ের বরাবরে মিথ্যা ওয়ারেন্ট বিরুদ্ধে লিখিত ভাবে অভিযোগ দাখিল করেন।পুলিশ সুপার অফিস আবেদনের রিসিভড কপির স্মারক নাম্বার- ৯৪৬১/২য়। তারিখ:-২৯.০৭.২০২৩ইং।পরবর্তীতে কুমিল্লা পুলিশ সুপার উক্ত লিখিত ওয়ারেন্ট এবং তথ্য অপ প্রচার মুলক বিভ্রান্তি সহ ষরজন্ত্র প্রতিকার চেয়ে যে আবেদন টি করেন।তাহা পুলিশ সুপার কুমিল্লা আমলে নিয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানাকে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার আদেশ প্রদান করেন।অত:পর কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ উক্ত পুলিশ সুপার অফিস হতে আগত অভিযোগ টি কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের মাধ্যমে তদন্ত করে দেখেন সংলিস্ট ওয়ারেন্ট টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াটো জালিয়াতি করে তৈরি করেছে। এই মর্মে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানার স্মারক নাম্বার:- ৮৬৯৬, তারিখ:- ১৪. ০৯.২০২৩ ইং স্মারকের অনুকুলে  তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট পুলিশ সুপার কুমিল্লার বরাবরে পাঠায়। 

    এর পর ধারাবাহিক ভাবে তারা সংগঠিত অপরাধ করে আসে তারা আগস্ট ৪ তারিখে, ২০২৪ ইং তারা কুমিল্লার টিক্কাচর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় রাতের বেলায় আমাকে উপর্যপুরী আবে ছুরিকাঘাত সহ ভয়ংকর এলোপাথাড়ি মারধর করে এই বিষয় ও ঘটনার উপর ভিত্তি করে কুমিল্লা সিনিয়র জ্যুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাদাঁবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩জন পুরুষ ও একজন মহিলাসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করে। যার নাম্বার দ্রুত সিআর ৩৬/২৪, তাং-১৯-০৮-২০২৪। যাহা পিবিআই এর তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট গত দাখিল করেন গত তারিখ:-০৭.০৫.২০২৫ ইং,স্মারক নাম্বার:-২৭১৬।

     অত:পর তারা ১৩ই অক্টোবর, ২০২৪ ইং ও ১৬ ইং অক্টোবর ২০২৪ ইং ২০২৪ ইং পুনরায় আবার তারা সহ অন্যন্যা অপরাধীরা দিনের বেলায়  আবার সুনিশ্চিত ভাবে সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি সহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা আমার উপর আক্রমন চালায়।পরবর্তীতে আমি বাধ্য হয়ে কুমিল্লা সদর কতোয়ালী থানায় জখমি সহ বিবিধ অপরাধ এর উপর ভিত্তি করে ৮জনের নাম উল্লেখ কওে অজ্ঞাত ৫-৬  জনকে আসামী করে অপর আরেকটি এফ আই আর মামলা দায়ের করেন। যার নাম্বার- ৪১, জি আর নাম্বার:-৮৫০, তাং-১৪-১১-২৪। এই অভিযোগের মূলে আসামীদেও গ্রেফতার করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন প্রশাসন সহ যৌথবাহিনী। 

    তারপর থেকে স্যারগ্রুপের সদস্যরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে প্রকাশ্যে চাদাঁ দাবী শুরু করে। বিভিন্ন  অস্ত্র নিয়ে শুভ্রের পেশাগত ব্যক্তিগত কাজের সাইটে তারা পিছু পিছু লেগে  যায়। ৪ জানুষারী ২০২৫ সন্ত্রাসীরা পিস্তলের বাট দিয়ে শুভ্রকে আঘাত করে আহত করে। এবিষয়ে কতোয়ালী থানায় আরেকটি অভিযোগ করা হয়। যার নাম্বার এসডিআর, রেকর্ড নাম্বার-২৬/২৫।

    সর্বশেষ স্যার গ্রুপ অনলাইনে ফেসবুক  বিভিন্ন হ্যাকিং,ভুয়া ফেসবুক আই ডি খুলে অশ্লীল ছবি তৈরি করে পুনরায় আমার কাছে পাঠায় ।  এর মাধ্যমে আমাকে সর্বদিক থেকে  ক্ষতি করার চেষ্টা চালায়। দুটি নাম্বার থেকে চাদা  দাবী করে আসছে বিভিন্ন নাম্বার থেকে দুটি নাম্বার :+ ০১৯৭১০৭৩৫৮৪ ও ০১৭০৪২৭২৯৬১ থেকে আমার ব্যবহৃত এই নাম্বারে ০১৭১১৪৩২২৬৯ তে ক্রমাগত কল ও এস এম এস দিয়ে আসছে। এবিষয়ে একটি জিডি হয় যার নাম্বার ২২২ তাং-০৩-০২-২৫ পরবর্তীতে জিডির তদন্তের আই ও এসআই ফিরোজ হোসেন তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা খুজে পায় ওআসামীদেও শনাক্ত করতে পারেন। তিনি বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-০১ কুমিল্লা স্মারক নাম্বার ২৩৮৯ তাং-১৭-০৩-২৫জিডিতে বর্ণিত সকল আসামীদের সকল অপরাধ তদন্তের অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত ডিআর ৫২৬/২৫, তাং-১৯-০৩-২৫ ইং মূলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেন। অতপর তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায়স্মারক নাম্বার ২৮২৬ তাং-০৬-০৪-২৫ইং অনুমতি নিয়ে আদালতে একটি নন এফআইআর মামলা করার জন্য প্রসিকিউশন দাখিল করলে মামলা রুজু হয়।যার নাম্বার ২৪/২৫ নন জিআর মামলা নাম্বার ২০/২৫তারিখ ০৭-০৪-২৫ রজু হয়। যাহা আসামীদেও প্রতি সমন সহ প্রয়োজনিয় ব্যাবস্থা গ্রহন করে।কিন্তু আসামী পক্ষের উক্ত চক্রান্তকারীরা, সামাজিক পরিসরে রাজনৈতিক সহ বিভিন্ন তথ্য অপব্যাখ্যা মূলক বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আসছে।তাদের আদালতের দায়ের করা সমন পর্যন্ত অবমাননা করে সমন কোন ভাবেই গ্রহন করে নাই।জার ফলে তার ও তাদের বিরুদ্ধে উক্ত নন জি আর মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার প্রস্তুতি হচ্ছে।ইতিমধ্যে পুরাতন আমার দায়ের করা মামলা আসামীগন ও আসামীপক্ষের পরোক্ষ লোকদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে থানার এফ আই আর মামলার গ্রেপ্তার অভিজান অব্যাহত আছে এবং অব্যাহত থাকবে।

    অত:পর এই সংগীয় স্যার গ্রুপ চক্র কাকতালীয় ভাবে খবর পেয়ে যায় এবং মটরসাইকেল ও বিভিন্ন গাড়ি নিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন অপরাধে আশ্রয়ে বিভিন্ন ছদ্মবেশী রুপ নিয়ে  সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র দায়ের করা কুমিল্লা জজ কোর্ট দ্রুত বিচার আইনের মামলা,দ্রুত সি আর-৩৬/২৪, তারিখ :-১৯. ০৮.২০২৪ ইং “চাঁদাবাজি ও বিবিধ অপরাধ ” যাহা ইতিমধ্যে কুমিল্লা পিবিআই পুলিশ তদন্ত করে বিজ্ঞ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট চূড়ান্ত ভাবে দাখিল করেন এবং এছাড়াও আরো একটি পৃথক ঘটনা উপরে  কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানার এফ আই আর ( মামলার)  নাম্বার-৪১, জি আর -৮৫০, তারিখ-১৪.১১.২০২৪ইং ” জখমী সহ বিবিধ অপরাধ “এর মামলাগুলো  প্রত্যাহার করা সহ  এবং মামলার গতিবিধি স্থগিত করার জন্য বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন উপায়ে সামাজিক পরিসরে ভিত্তিহীন রাজনৈতিক তথ্য  অপব্যাখ্যা মুলক বিভ্রান্তি এবং ধর্মীয় তথ্য বিভ্রান্তি ছড়িয়ে  সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি মওদুদ আব্দুল্লাহ দিশেহারা ভাবে পিছু  নিয়ে উন্মুক্ত ভাবে আইনকে সরাসরি অমান্য করে নির্ভীক নিয়ে অপরাধ করে আসছে । তাকে মিথ্যা মামলা, গুম-খুন করে হয়রানীর প্রচেষ্টাও একাধিকবার  চালায়।উক্ত নারী পুরুষ সিন্ডিকেট গ্রুপটি হ্যালমেট পরিহিত নাম্বার প্লেট বিহীন মোটর বাইক সহ সি এন জি এবং অটোজোগে আসামী পক্ষের পরোক্ষ লোকজন নারী পুরুষ কু-চক্রিয় মহল নানা প্রকার ষরজন্ত্র করে ফেইক ফেসবুক আই ডি খুলে নানা তথ্য অপ প্রচার ও অশ্লীল ছবি এডিট করে করছে আবার অপরদিক থেকে এই সব ঘটনা সীকার করে মামলা প্রত্যাহার এবং চাদা দিলে আর এমন কাজ এই অপরাধী চক্র আর করবে না বলে লোক মারফত জানান  দেয়।তাছাড়াও আসামী পক্ষের ইন্ধনদাতা ও মদদদাতারা সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ ফেসবুক আই ডি একাধিক বার হ্যাকিং সহ তাহার ব্যবহার করা মোবাইল নাম্বার whatsapp ও ইমু নাম্বার তথ্য হ্যাকিং করে নিয়ন্ত্রণ ইতিমধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। অপরাধীর দল চলমান অপরাধ দমন এবং পরোক্ষ *স্যার* নামীয় সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ কল্পে নিজ ও নিজ পারিবার- পরিজনদের সার্বিক আনতগত সুরক্ষা ও প্রশাসনিক নিরাপত্তা চেয়ে কুমিল্লা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরামর্শে ভিক্টিম আরেকটি পুলিশ সুপার কে বিস্তারিত ঘটনা অবগত করে ও অফিসার ইনচার্জ কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা কে জানিয়ে ও উনার পরামর্শে সকল তথ্য, উপাও ও অপরাধের প্রমানাদি অফিসার ইনচার্জ নিজে যাচাই বাছাই করে দেখে উনি অনলাইনে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র ও তার পরিবারের সারভি গাইন গত সুরক্ষা প্রশাসনিক নিরাপত্তা চেয়ে ভবিষ্যতের জন্য বিশেষ সাধারণ ডায়েরি বা  জিডি করার  অনুমতি প্রদান করেন।অত:পর উক্ত জি ডি ( সাধারণ ডায়েরি)  টি ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা জন্য লাইনের রেকর্ড ভুক্ত করণ করা হয়। যার ( জি ডি) নাম্বার ২২৪২,তাং-২৯-০৫-২৫। 

    তবে এর পূর্বেও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র পুলিশ সুপারকে সকল মহোদয়কে অপরাধী দের সকল অপরাধের বিষয়ক ঘটনা উল্লেখ করে একটি অভিযোগ দাখিল করেন। যার পুলিশ সুপার কার্যালয় অফিশিয়াল রিসিভড স্মারক নং-২৪৮৩/এম, তাং-১২-০৪-২৫। বিষয়গুলো পুলিশ সুপারের জনাব নাজির আহম্মেদ খান নজরে আসলে তিনি বিষয়টি আমলে নিয়ে থানার অফিসার ইনচার্জকে কুমিল্লা কোতোয়ালি জনাব মইনুল ইসলাম সাহেব আসামী সহ আসামী পক্ষের ইন্ধনদাতা ও মদদদাতা সন্ত্রাসী সহ এই ঘটনার অপরাধে সম্পৃক্ততা যাদের যাদের  আছে তাদেরকে  দ্রুত আইনের আওতায় এনে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করার   নির্দেশ ইতিমধ্যে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার পুলিশ এবং কুমিল্লার ডি বি অফিসের অফিসার ইনচার্জকেও প্রদান করেন।