Author: bikedokan@gmail.com

  • সুবিচার পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ভুক্তভোগী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র

     

    স্টাফ রিপোর্টার:

     বিগত ৯ বছর ধরে নানা অন্যায়ের শিকার হচ্ছেন নগরীর ৪নং ওয়ার্ড পুরাতন চৌধুরী পাড়ার, ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা, জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। একের পর হুমকি কারনে ২০১৭ সালে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য কুমিল্লা কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন।যার নাম্বার  -১৫৭ তারিখ-০৩.০৫.২০১৭।পরের বছর ২০১৮ সালের ২৮ জুন ফের একটি জিডি করেন তিনি।

    সাংবাদিক মওদুদ জানান, গ্রামের বাড়ী বরুড়া কেমতলীতে জাওয়ার পথে নিমশার এলাকায় সন্রাসী  হামলার শিকার হন।এ ঘটনায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৭ নং আমলী আদালতে  বরুড়া থানা সি আর -১২০৯/১৮, তারিখ:- ২৪.১০.২০১৮ ইং  দায়ের করলে বরুড়া থানায়  পুলিশের এস আই খাদেমুলের তদন্তাধীন থাকা সময়  জোরপূর্বক প্রত্যাহারের চাপ দেওয়া হয়। এরপর  জনমনে নাসকতা ছড়িয়ে আতঙ্ক  তৈরি করতে এবং ভয় ভীতি দেখাতে তার সাথে প্রান নাসের চেস্টা চালায়। এক পর্যায়ে তিনি প্রশাসন সহ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ মহলে লিখিত ভাবে তার সাথে এবং তাকে টার্গেট করে তার পরিবারের সাথে  বিভিন্ন অন্যায়-অত্যাচার সহ বিবিধ অপরাধ করে আসে এর উপর ভিত্তি করে মওদুদ আব্দুল্লাহ ভুক্তভোগী হয়ে লিখিত অভিযোগ আকারে উক্ত সমস্যাগুলোর প্রতিকার ও সমাধান প্রাপ্তির জন্যে  আবেদন করেন। এ সকল আবেদন গুলো গুরত্ব সহকারে এখতিয়ার সম্পন্ন পুলিশ প্রশাসন সহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আমলে নিয়ে  তদন্ত করেন।কিন্তু এই চক্রটির অশুভ শক্তি ও ক্ষমতার দাপটের কাছে সব কিছু  বাধাগ্রস্ত হয়।বিজ্ঞ আদালতে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র বাদী হয়ে প্রথম দিকে যে মামলা অপরাধে অভিজুক্ত অপরাধী গনদের নামে দায়ের করেন।সেই মামলার হাজিরার ধার্য তারিখে মওদুদ আব্দুল্লাহ আদালতে  উপস্থিত হতে গেলে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে তাকে আদালতে যেতে না দেওয়ায় অনেক গুলো তারিখ আদালতে অনুপস্থিত হতে হয়। তখন বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত মামলাটি খারিজ করে দেয়।

    পরবর্তীতে তারা দুইটি নাম্বার ব্যবহার করে ০১৯৭১ ০৭৩৫৮৪ ও ০১৭০৪ ২৭২৯৬১ নাম্বার দিয়ে আমার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ০১৭১১৪৩২২৬৯ তে কল ও বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি সহ ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।সদ্য গত ০৯.০৭.২০২৫ ইং আবার অপরাধে অভিজুক্ত অপরাধীরা তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ০১৩৪২ ৭১৩৮১২ থেকে কল দিয়ে ও এস এম এস দিয়ে  মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রকে প্রান নাশের হুমকি,আজে বাজে অশ্লীল অগ্রীম মওদুদ আব্দুল্লাহ আশে পাশে অবস্থান করে হুমকি  কথা বলে তার সাথে তারা বিভিন্ন ভাবে অপরাধ করবে বলে তার মধ্যে জানায় এবং প্রতিনিয়ত করে আসছে।তারা এও বলে বাসার ছাদের উপরে  পানির ট্যাংকির ভীতরে বিষ মিশিয়ে সবাইকে মেরে গন খুন করে ফেলবে এবং সামাজিক পরিসরে রাজনৈতিক অরাজকতাময় সহ তথ্য বিভ্রান্তি করে ক্ষতি সাধন সহ সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে অশ্লীল ছবি অপরাধীচক্রটি তৈরি করে তার সাথে ভিডিও ফুটেজ তৈরি করে এখানে সেখানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সহ বিভিন্ন ভাবে ছড়িয়ে দিবে এবং ইতিমধ্যে দিয়েছে বলে হুমকি প্রদান করে, যদি কিনা আগামী ১০ দিনের ভেতরে দায়ের করা থানা ও আদালতের  মামলা সমুহ আদালতের মাধ্যমে নিস্পত্তি না করা হয় তার সাথে এই সন্রাসীদের দাবি কৃত ১০ লাখ টাকা চাঁদা  না দেওয়া হয়।এই সন্ত্রাসী চক্র এই বিবিধ অপরাধ গুলো সুনিশ্চিত করবে বলে আগাম আল্টিমেটাম দেয়।তারা মতিন ও আলয়ামিন নামের আদালতের জারিকারক ও পুলিশ সদস্য একটি আদালতের থেকে ওয়ারেন্ট কপি দিয়ে যায় সাথে কুমিল্লা পুলিশ সুপার অফিস সুত্র শাখায় জোগাজগ করতে বলে আবার জেল জুলুম গ্রেপ্তার আতংকেত হুমকি দেখায় পরে পুলিশ তদন্তে প্রমাণিত হয় মিথ্যা জালিয়াতি মুলক ওয়ারেন্ট। অত:পর উক্ত আদালতের জারিকারক এবং পুলিশ সদস্য পোশাক পরে এসে থানার মামলা ও 

    জি ডি প্রত্যাহার না করলে তারা আমার ও আমার পরিবার যে কোন ধরনের তারা বললেই  মামলা ছাড়া তদন্ত ও সমনবিহীন এক তরফা মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে / থানার এফ আই  হয়ে জায় এই ধরনের আল্টিমেটাম তারা মোবাইল ফোনে এবং এস এম এস দিয়ে যাচ্ছে এবং সরাসরি আদালতের সামনে পাঞ্জাবি পায়জামা পরিহিত একজন ভদ্র লোক এবং পিছনে একজন বোরকা পরিহিত মহিলা উভয় নাকি  মামলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের কুমিল্লা তদন্ত হয়ে ওয়ারেন্ট বের হয় হয়। এই বিষয়ক এই ধরনের অপরাধ মামলা নাকি হয়েছে।এই বিষয়ে থানায় আমার আইনি অধিকার প্রসাসনিক সহজোগিতা পেতে থানায় ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কল্পে জি ডি করা হয়।এই বিষয়ে চক্রান্তকারীরা নেটওয়ার্ক করে বিভিন্ন ছদ্মবেশে এসে তারা অপরাধে এই পুরো নাসকতা ও অরাজকতা পৃষ্ঠপোষক ও আশ্রয়দাতা দের মাধ্যমে পরোক্ষ ভাবে এই চক্র টা কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানায় নিরাপত্তার জন্য সাধারণ ডায়েরি  প্রত্যাহার নানা প্রকার ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে।তারা আইন অমান্য করে এবং প্রশাসনকে অমান্য করে তারা নিজেদের কে বিড়াট কিছু ভাবছে।এই ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসন সহ অন্যান্য এখতিয়ার সম্পন্ন প্রশাসনকে  লিখিত ও মোখিক ভাবে অবগত করি। উক্ত জি ডি পুলিশ তদন্ত করে এই সকল মিথ্যা বিভিন্ন প্রশাসনের পরিচয় প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ    প্রমানিত হওয়ায়  সদ্য কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার সাধারণ ডায়েরি মুলে জি ডি তদন্তের আয়ু অফিসার ইনচার্জ কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার মাধ্যমে প্রসিকিউসন কুমিল্লা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মাধ্যমে তদন্তের অনুমতি প্রাপ্ত হয়।অত:পর সাংবাদিক  ও  পেশাজীবি মওদুদ আব্দুল্লাহ উপর একাধিক বার হামলা মামলা হওয়ার পর কি ভাবে অপরাধ গুলো করে এই বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন কে সাংবাদিক ও পেশাজীবি মওদুদ আব্দুল্লাহ পক্ষ থেকে আমার উক্ত অপরাধী নারী পুরুষ চক্র সাথে তাদের সাইবার অপরাধী হ্যাকার গ্রুপ তাদের কে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে বলা হয়- ” অনুগ্রহ করে আপনারা প্রশাসন আমাকে একজন জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে অনুগ্রহ করে আমার পিছনে আমাকে অবগত করে পিছু নেন তখন দেখতে পারবেন যে কারা ছদ্মবেশ ধারী অপরাধী আবার এও বলা হয় আপনারা আমাকে অবগত উক্ত আসামীগনদের পরোক্ষ লোকজন জারা আমার আশে পাশে সাম্ভাব্য অবস্থান করে বিবিধ অগ্রীম চক্রান্ত কতে ক্ষতি করার চেস্টা করছে আমি যেহেতু মামলার বাদী এবং জি ডি’ র বাদী আমাকে অবগত করে তাদের উপর গোয়েন্দা নজরদারিরে রাখুন। তখন এই বিবিধ অপরাধের অপরাধী মাস্টার মাইন্ড গডফাদারদের তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা যাবে।তবে এই খানে পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ পক্ষে পুলিশ প্রশাসন সহ সুশীল সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবিশেষরা বলেন- পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ একজন উচ্চ শিক্ষিত ও সভ্রান্ত উচ্চ শিক্ষিত পরিবারের কুমিল্লার প্রবীন সরকারি স্কুলের শিক্ষক দম্পত্তির সন্তান।সে মধ্যবিত্ত। তার পিছনে এই রকম ভাবে এতো বিবিধ চক্রান্ত বিভিন্ন সময়ে করে তাকে প্রতিটি মুহুর্তে বিপদে ফেলার এই অপরাধী চক্রের উদ্দেশ্য টা কি? কেন? কি কারনে? এই বিষয় টি সবার  ধারনা করে এই অপরাধ গুলো সম্ভবত সাংবাদিক ও পেশাজীবি মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র একজন মানবিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক। তার পিছনে বা তার পরিবারের পিছনে যদি কেহ তাদের জান, মাল ও প্রানের ক্ষতির উদ্দেশ্যে লেগেই থাকে তাহলে এ ক্ষেত্রে ধারনা সুনিশ্চিত ও সুনির্দিষ্ট ভাবে করা হচ্ছে- সাংবাদিক ও পেশাজীবি মওদুদ আব্দুল্লাহ চেনা জানা পরিচিত লোকজন মাধ্যমে ভাড়া করা অচেনা অপরাধী চক্রের দারা এই ধরনের অপরাধ গুলো করছে।

    অপরদিকে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় মানবাধিকার নেতা কর্মীরা বলছেন এবং এই বিষয়ক কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র নিরাপত্তা সহ এই ধরনের চক্রান্তবাজ অপরাধী ও তথ্য অপব্যাখ্যা কারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার প্রস্তাব ও অবগতি পত্র দিয়ে সকল আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের ব্যবস্থা পত্র সংলিস্ট অফিসে প্রদান করেন এবং বক্তব্যে বলা হয়  এদের গ্রেপ্তার আওতায় না আনলে এই ঘটনার পরিসমাপ্তি ঘটবে।আর তা না হলে পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র এবং তার পরিবারের কোন ধরনের উক্ত চক্র কিংবা উক্ত নারী পুরুষ গ্রুপ দারা ঘটে তার দায়ের করা জি আর মামলা রেকর্ড হওয়ার পর কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় তার ও তার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে ঘটলে এর দায়ভার সংলিস্ট পুলিশ প্রশাসনের উপর আসে।সংলিস্ট অপরাধ অভিজুক্ত অপরাধী ও চাদাবাজি চক্র সে বা তারা জেই হোক তারা বিভিন্ন মৌখিক এবং চক্রান্তমূলক কৌশলে যদি কোন অপরাধ করে আসছে তাদের এই এখতিয়ার আইনেও নেই যে কারোর মোলিক সুখাধিকার, ব্যক্তিগত জীবন জীবিকা, পেশাগত আর্থিক উপার্জনের বিষয়ক,  পারিবারিক  ও ব্যক্তিগত বিষয়ক এবং ভুমি বসত ভিটা সংক্রান্ত বিষয়ক বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ছাড়া  সমাজের বুকে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কোন ক্ষতিসাধন ক্ষমতা কেহ  রাখে না ও রাখতেও পারে না,ইহা আইনি বিরোধী ।এই খানে পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র দায়ের করা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী  চাদাবাজি চক্রের বিরুদ্ধে দায়ের করস মামলা ও কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল জি ডি তে এই বিষয় গুলো উল্লিখিত হয় এবং নথি পত্রতে এই ধরনের লিখিত ভাষাগত  আভাস পাওয়া জায়। অর্থাৎ এই খানে স্পষ্ট বুঝায় জাই কোন পেশীশক্তি বা কোন দস্যু এই অপরাধ গুলো করাচ্ছে। এই খানে কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সহ সকলের বক্তব্য একটা পুলিশ প্রশাসন অবশ্যই বাদী মওদুদ আব্দুল্লাহ সাথে অবগত করে অপরাধী কারা আরো গভীর ভাবে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আদালতের মামলা দায়ের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

    এছাড়া গত বছরের ৪ আগস্ট টিক্কাচর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় রাতের বেলায় শুভ্রকে উপর্যপুরী ছুরিকাঘাত করে মারধর করে।

    এ ঘটনায় কুমিল্লা সিনিয়র জ্যুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাদাঁবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩জন পুরুষ ও একজন মহিলাসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে ” চাঁদাবাজি সহ বিবিধ অপরাধ” মামলা দায়ের করে। যার নাম্বার দ্রুত সিআর ৩৬/২৪ যাহা কুমিল্লা  পিবিআই পুলিশ তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট গত ০৭.০৫.২০২৫ ইং স্মারক নাম্বার -২৭১৬ মুলে আদালতে দাখিল করেন। এরপর গত বছরের ১৩ ও ১৬ অক্টোবর তার উপর হামলা করে পুনরায় এই আসামী চক্র সহ অজ্ঞাতনামা আসামীগন হত্যার উদ্দেশ্য আক্রমন সহ চাদাবাজির নাসকতা চালায় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে আক্রমন চালায় ,এ ঘটনায় সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র বাদী হয়ে ৮ জন এজহার নামীয় আসামী সহ অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জন অপরাধে অভিজুক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে ” জখমী সহ বিবিধ অপরাধ ” অভিযোগ এনে  কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা এফ আই আর মামলা দায়ের করেন।যার নাম্বার-৪১, জি আর নাম্বার-৮৫০, তারিখ-১৪.১১.২০২৪ইং।উক্ত মামলায় একজন আসামিকে পুলিশ সহ যৌথবাহিনী গ্রেপ্তার করে। বাকি আসামীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে।তারাই মুলত পরোক্ষ লোক মারফত নানা বিধ অপরাধ করিয়ে আসছে তার সাথে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র দায়ের করা  মামলা প্রত্যাহার ও চাঁদার টাকা দাবি করে আসছে।তাছাড়াও উক্ত চক্রটি নারী পুরুষ স্যার গ্রুপ গঠন করে সিন্ডিকেট টি মওদুদ আব্দুল্লাহ বাসার আশে পাশে প্রায় এবং প্রতিনিয়ত ঘুরাফেরা করছে এবং কারোর বাসায় অবস্থান করছে বলে তাদের উপরোক্ত মোবাইল নাম্বার থেকে কল ও এস এম এস দিয়ে জানান দেয় যে, তারা অনেক শক্তিশালী তারা এও বলেন তাদের সাথে পুলিশ প্রশাসন সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের যোগাযোগ এবং তাদের ওই বাসায় যে বাসা অবস্থান করছে সেই বাসায় নিয়মিত যাতায়াত আছে। তাই তাদেরকে  অথবা কোন পুলিশ প্রশাসন, ডিবি পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‍্যাব সহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্যরা  কেহ কিছু করতে পারবে না। উলটো তারা চাইলে তারা পুলিশ প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহ সাধারণ মানুষ যারা যে কোন  মুহুর্তে যে কোন মানুষের সাথে তারা যে কাউকে যে কোন ভাবে যে কোন মামলায় গ্রেপ্তার,গুম খুন,কিডন্যাপ ও হত্যা সব করাতে পারবে।

    উক্ত মামলার আসামীদের সহ আসামীদের সংগীয় অপরাধে সুনির্দিষ্ট ভাবে অভিজুক্ত আসামীগনদের  গ্রেফতারের ব্যাপারে  চেষ্টা করে যাচ্ছে কুমিল্লা থানা পুলিশ, কুনিল্লা ডি বি পুলিশ সহ অন্যান্য  আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সর্বশেষ বিভিন্ন হ্যাকিং গ্রুপ দিয়ে  ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে তথ্য প্রজুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন অশ্লীল ছবি তৈরি করে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্রকে পুনরায় পাঠিয়ে চাদা দাবী করে আসছে।এই বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার কে বিস্তারিত  অপরাধের ঘটনা অবগত করে উনার আইনি পরামর্শ কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকেও অবগত ও অনুমতি ক্রমে অনলাইনে সাইবার অপরাধ সহ বিবিধ অপরাধ প্রতিকার চেয়ে আইনগত সুরক্ষা ও প্রশাসনিক নিরাপত্তা চেয়ে অনলাইনে  একটি সাধারণ ডায়েরি ( জি ডি)  দায়েত করা হয়। যার নাম্বার ২২২। জিডির তদন্তে ঘটনার সত্যতা খুজে পেয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-০১ কুমিল্লা স্মারক নাম্বার ২৩৮৯ তাং-১৭-০৩-২৫জিডিতে বর্ণিত সকল আসামীদের সকল অপরাধ তদন্তের অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত ডিআর ৫২৬/২৫, তাং-১৯-০৩-২৫ ইং মূলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেন। অতপর তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায়স্মারক নাম্বার ২৮২৬ তাং-০৬-০৪-২৫ইং অনুমতি নিয়ে আদালতে একটি নন এফআইআর মামলা করার জন্য প্রসিকিউশন দাখিল করলে মামলা রুজু হয়।যার  নন জিআর মামলা নাম্বার ২০/২৫তারিখ ০৭-০৪-২৫ রজু হয়। যাহা আসামীদের প্রতি সমন জারি করা হয়।কিন্তু আসামিরা সমন গ্রহন না করে আদালত অবমাননা এবং বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশ অবমাননা করার তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইতিমধ্যে প্রস্তুতি কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।সদ্যই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হবে বলে আদালত সুত্রে খবর পাওয়া যায়। 

    এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মুহিনল ইসলাম বলেন, মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র একাধিক অভিযোগ আমরা পেয়েছি, আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ আন্তরিকতার সহিত কাজ করছে।এই মামলা এজহার নামীয় সকল অপরাধে অভিজুক্ত  আসামিসহ উক্ত আসামিদের সাথে অপরাধে  সম্পৃক্ততা রয়েছে এই ঘটনার  সকল আসামীদেরকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে। ইতিমধ্যে এই অপরাধে অভিজুক্ত একজন আসামী কে পুলিশ তার আগের একাধিক মামলা সহ উক্ত মামলায়  অভিযান চালিয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ গ্রেপ্তার গ্রেফতার করে। এর পর কয়েক মাস পর থেকে শুরু হয় বিভিন্ন প্রেস মিডিয়াতে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় শুরু হয় অপরাধী চক্রের একটির পর একটি নাসকতা সাথে তথ্য বিভ্রান্তি। এই ব্যাপারে প্রশাসনের সকল এখতিয়ায় সম্পন্ন দপ্তর সহ পুলিশ সুপার সহ ডি বি পুলিশ, কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ক্যাম্পের অধিনায়ক সহ র‍্যাবের কোম্পানি কমান্ডার কে লিখিত ভাবে দায়ের করা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার এফ আই আর কপি, কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার  নিরাপত্তা সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি পত্রাদি সংজুক্তি করে অবগত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের অন্যান্য জেলার গোয়েন্দা সংস্থার বরাবরে লিখিত ভাবে অভিযোগ করা হয়। এই ক্ষেত্রে আসামীগনরা অত্যন্ত বেপরোয়া, তারা মামলা প্রত্যাহার সহ চাদাবাজি করার ফাদ পেতে প্রতিনিয়ত সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র একের পর এক দু:ঘটনা ঘোষণা দিয়ে ভবিষ্যতে যে কোন মুহুর্তে করবে তারই ধারাবাহিকতায় তারা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারন করে অরাজকতা করে আসছে।এই ভাবে তারা নিজেদেরকে প্রায় সময় মিথ্যা প্রশাসনের পরিচয় প্রদান করে যে কোন সময় যে কোন নাসকতা করার লক্ষ্যে একটি নারী পুরুষ সহ একটি চক্র অপরাধ করে আসছে।ধারনা করা যাচ্ছে তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ভীতরে সাংবাদিক ও পেশাজীবি মওদুদ আব্দুল্লাহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি নাজে হাল করে প্রান নাস করা সহ বিভিন্ন চক্রান্ত করে ক্ষতি সাধন করা।এদের প্রায় রহস্যময় আচরনের সাম্ভাব্য নারী পুরুষ কু- চক্রীয় বাহিনী মহল কে তাদের আশে পাশে চলাফেরা এবং অসাভাবিক আচরনে অনেক সময় তাদের কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেই তারা বলে- তারা এমনেতেই চলাফেরা হাটাহাটি করছে।পরে দেখা জায় তারা সুনির্দিষ্ট কিছু জায়গায় আশ্রয় পাচ্ছে।সেই খান থেকে তারা গোপন মিটিং করে তাদের অপরাধ গুলো চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিক থেকে মানবাধিকার কর্মী হিসেবে  বিভিন্ন সালিশ দরবার মিটিং করে, মিটিং দেখা যায়  সমাজের বিভিন্ন গন্য মান্য ব্যক্তি বিশেষ আইনজীবি সহ সকলের উপস্তিতিতে অভিযোগকারী ও বিবাদীদের জিজ্ঞাসা বাদ করলে  সেই খানে যদি সামাজিক সালিশের জেই পক্ষের কাগজের আইনে সঠিক আছে সেই পক্ষে কথা বললে বিপরীত পক্ষ অন্য দিকে প্রভাহিত করে এই নাসকতা করতে পারে নয়তো তার উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে অবৈধ চাহিদা পুরন না করতে পারায় তারা ক্ষতির উদ্দেশ্যে এই অপরাধ গুলো করতে পারে। এছাড়া তার মতো সাধারণ  পেশাজীবি, কর্মজীবী ও মানবাধিকার সদস্যদের সাথে লাগার মতো কোন কারন নেই।

    তিনি আরো জানায়, এই অপরাধী চক্রটাকে দমন করার জন্য এবং এদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতিমধ্যে হার্ডলাইন  অবস্থান নিয়েছে,খুব দ্রুতই মামলার এজহার নামীয় আসামী সহ আসামী চক্রের সন্ত্রাসী সকল অপরাধী ইন্ধনদাতাদের ,চাঁদাবাজ সহ  সকলকে নামে সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী  মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র দায়ের করা মামলা ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আগে থেকেই আছে।তাই তাদের  আইনের আওতায় এনে অতি দ্রুত গ্রেপ্তার করার ব্যাপারে থানা পুলিশ এবং এই মামলার তদন্তের আয়ু  যেটা যেটা আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করার দরকার, ইতিমধ্যে তার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।এই  মামলার অপরাধে অভিজুক্ত অপরাধী  আসামিদের গ্রেপ্তারের  অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • কুমিল্লা বিশ্বরোডে ভয়ংকর ইউটার্ন;  প্রাণ গেল মা বাবা ও দুই ছেলের!

    অনলাইন ডেস্ক:

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে সিমেন্টবাহী লরির চাপায় প্রাইভেট কারে থাকা একই পরিবারের ৪ জন নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী আহত হয়েছেন।

    আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সামনে ইউটার্নে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন- কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মোহাম্মদ ওমর আলী (৮০), তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৬৫), বড় ছেলে আবুল হাশেম (৫০) ও ছোট ছেলে আবুল কাশেম (৪৫)। প্রাইভেটকারটি চালাচ্ছিলেন নিহত আবুল হাশেম।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান।

    পুলিশ কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ইউটার্নের ঢাকামুখি লেনে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টো পথে এসে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করে। এই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা সিমেন্টবোঝাই লরিটি বাসটিকে পাশ কাটাতে গিয়ে উল্টে যায়। বাসের পেছনে  থাকা প্রাইভেট কার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি লরির নিচে চাপা পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেট কারের চালকসহ চার যাত্রী নিহত হন। আহত হন অটোরিকশায় থাকা আরও দুজন। 

    ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, এই দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছে। পুলিশ মরদেহ ও দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারটি উদ্ধার করে ময়নামতি হাইওয়ে থানায় নিয়ে গিয়েছে।  আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • সিলেটের নতুন ডিসি হলেন সেই আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. সারোয়ার আলম।

    সোমবার (১৮ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তাকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা সারোয়ার আলমকে সিলেট জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে বদলি ও পদায়ন করা হলো।

    সারোয়ার আলম এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুর্নীতি, ভেজালবিরোধী অভিযান এবং দায়িত্বশীল কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচনায় এসেছিলেন।

    প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    সারোয়ার আলম বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    ১৯৮৩ সালে তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় বাড়ির পাশের ইসমাইল মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। ১৯৯৩ সালে পাকুন্দিয়া পাইলট উচ্চবিদ্যালয় (বর্তমান পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়) থেকে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ পেয়ে ভর্তি হয় কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজে।

    ১৯৯৫ সালে কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন প্রাণিবিদ্যা বিভাগে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে ২০০৫ সালে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর পাস করেন তিনি। সারওয়ার আলম ২০০৮ সালে ২৭তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে যোগ দেন প্রশাসনে।

    মো. সারওয়ার আলম ২০০৯ সালে চট্টগ্রামের মেয়ে সানজিদা শারমিন লিন্ডার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের চারটি মেয়ে রয়েছে। যাদের নাম মাহরিন সামারা, নাজিফা সাফরিন, তানহা ও মানহা।

  • খালেদা জিয়ার আজ ৮১তম জন্মদিন

    অনলাইন ডেস্ক:

    বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৫ সালের এ দিনে তিনি দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদার দম্পতির তৃতীয় সন্তান তিনি। জন্মদিনের এই দিনে বিএনপির প্রধান গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় অবস্থান করবেন।

    কয়েক বছর ধরে খালেদা জিয়ার নির্দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে জন্মদিন পালন করা থেকে বিরত আছে বিএনপি। আজও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার জন্য তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। জন্মদিন উপলক্ষ্যে দলীয় প্রধানের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় আজ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

    কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে বেলা ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হবে। 

    অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন। পৈতৃক নিবাস ফেনীর ফুলগাজী হলেও তার শৈশব-কৈশোর কেটেছে দিনাজপুরে বাবার কর্মস্থলে। ১৯৬০ সালের আগস্টে তৎকালীন সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন খালেদা জিয়া।

    এ দম্পতির দুই সন্তান, তারেক রহমানের জন্ম ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর এবং ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট আরাফাত রহমান কোকোর। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের নামে বর্বরোচিত গণহত্যা শুরু করলে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি সেনারা বিদ্রোহ করেন। ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পর যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন মানুষ।

    ১৯৮১ সালের ৩০ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে বিপথগামী সৈন্যদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন। এর পরপরই জিয়াউর রহমানের গড়া বিএনপির রাজনীতিতে আগমন ঘটে খালেদা জিয়ার। দলের নেতাকর্মীদের দাবির মুখে ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি তিনি বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ লাভ করেন।

    পরে তৎকালীন সরকারবিরোধী দীর্ঘ আপসহীন আন্দোলনের পর ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এ পর্যন্ত তিন দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন খালেদা জিয়া। ওয়ান-ইলেভেনের পর মউনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকারের আমলে তিনি কারাবন্দি হন। পরে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির অভিযোগে কারাদণ্ড হলে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে আবারও বন্দি করা হয়।

    করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ৬ মাসের জন্য সাজা স্থগিত করে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ খালেদা জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয় সরকার। সেই থেকে বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি। ৬ মাস পরপর তার মুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছিল তৎকালীন সরকার।

    গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়ার সাজা বাতিল করে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান বিএনপির চেয়ারপারসন। লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। টানা ১৭ দিন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৫ জানুয়ারি বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসায় যান। টানা ৪ মাস চিকিৎসা শেষে মে মাসে ঢাকায় আসেন। এরপর থেকে গুলশানের বাসা ফিরোজায় অবস্থান করছেন।

    এদিকে খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে কেক কাটা বা আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান না করার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানান দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষ্যে তার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় এবং একই সঙ্গে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী শহীদ, ৯০-এর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ও ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের আশু সুস্থতা কামনায় বিএনপির উদ্যোগে ঢাকাসহ দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয় অথবা মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

  • ইতিহাসের এই দিনেই সপরিবারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুকে!

    অনলাইন ডেস্ক:

    আজ ১৫ আগস্ট। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী। ইতিহাসের এই দিনেই সপরিবারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুকে। গতবারের মতো এবারও দিবসটি এসেছে ভিন্ন আবহে।

    আওয়ামী লীগ সরকারের টানা তিন মেয়াদে ১৫ আগস্ট ‘জাতীয় শোক দিবস’ হিসেবে পালিত হতো। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশত্যাগ করেন দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। গত বছর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ১৫ আগস্টের জাতীয় শোক দিবসের সরকারি ছুটি বাতিল করা হয়।

    ১৫ আগস্ট স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। সেদিন ভোররাতে কিছু বিপথগামী সেনাসদস্য রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে সপরিবারে হত্যা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেই তারা থামেনি, বুলেটের আঘাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন তার সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।

    নির্মম ওই হত্যাযজ্ঞে প্রাণে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ ও মেয়ে বেবি, সুকান্তবাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, আবদুল নাঈম খান রিন্টু, কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন।

    ওই ঘটনার সময় মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান।

    ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওই বছর রাষ্ট্রীয়ভাবে ১৫ আগস্টকে প্রথম শোক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এলে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। তবে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আবারও ১৫ আগস্টকে রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয় শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটির যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। যদিও ফেসবুকের মতো সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা ও কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে দলটি। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে শোক জানানো হয়েছে।

    ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সেখানে পুলিশের সাঁজোয়া যান (এপিসি) ও রায়টকার মোতায়েন করা হয়েছে। বিকেল থেকেই এলাকার প্রবেশপথগুলোতে ব্যারিকেড বসিয়ে যানবাহন ও পথচারীর চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। একইসঙ্গে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য।

    ৩২ নম্বর এলাকায় ‘সন্দেহজনক’ ঘোরাঘুরির অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যদিও রাত ১২টার দিকে শুক্রাবাদ মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

  • বিএনপি নেতা ইসতিয়াক সরকার বিপুর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লায় অপপ্রচার এবং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপি নেতা ইসতিয়াক সরকার বিপুকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। রবিবার সকালে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এই অভিযোগটি তুলে ধরেন ইসতিয়াক সরকার বিপুর বড় ভাই এবং ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইমতিয়াজ সরকার নিপু। 

    তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন আমার ভাই বিপু বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি কাউন্সিলর নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় তাঁকে আইনজীবী আবুল কালাম হত্যা মামলায় উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে জড়ানো হচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন এই মামলায় যারা প্রকৃত আসামী তাদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক তবে কোণ নিরপরাধ মানুষ যেন কারো রোষানলের স্বীকার না হয় সেইদিকটা যেন নজর রাখা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কবির হোসেন, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এস আলম,১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. জহিরুল হক, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আলম তিতাস,সহ-সভাপতি কামরুল আহসান মামুন, ৫নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ফখরুল আলম উল্লাসসহ অন্যান্যরা।

  • ঢাকাস্থ বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়াবাসীদের উন্নয়ন সংস্থার মতবিনিময় সভা

    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঢাকাস্থ বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়াবাসীদের উন্নয়ন সংস্থার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে ঢাকাস্থ বুড়িচং- ব্রাহ্মণপাড়াবাসীদের সংগঠন বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়া উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়া উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান জামায়াতে ইসলামের এমপি প্রার্থী ড. মোবারক হোসাইন এর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জামাতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সরকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাসুম, সরকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কুমিল্লা উত্তর জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এটিএম মাসুম বলেন, গত ১৭ বছর আওয়ামী জাহেলিয়াতের মধ্যে ছিলাম। আওয়ামী দুঃশাসন আয়েমি জাহেলিয়াতকেও হার মানিয়েছে। আল্লাহ তাআ’লা মজলুমদের ডাক শুনেছেন, যার কারনে ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমাদের জালিমদের হাত থেকে মুক্তি দেয়।

    তিনি আরো বলেন,  নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি ছিলো আমাদের। এর জন্য প্রয়োজনীয় সংস্থারের দাবিও ছিলো। কিছু বিষয়ে সরকার ভূমিকা পালন করেছে। আমরা আশা করেছিলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের দাবিকে সম্মান করে সংস্থারের পর একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করবে।
    কিন্তু গতকাল প্রধান উপদেষ্টা গতকাল জুলাই ঘোষণাপত্রে সংস্কার বিষয়ক কিছুই উল্লেখ করেননি। গত ১৬ বছরে গুম খুন, আয়নাঘরের বিষয়ে কিছুই উল্লেখ করেননি।

    রমজানের আগে নির্বাচন আমীরে জামায়াতের দাবী ছিলো। নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করায় স্বাগত জানাই। কিন্তু নির্বাচনের জন্য যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দরকার তা পরিলক্ষিত হচ্ছে না।  সরকারকে আশ্বস্ত করতে হবে জনগণের প্রত্যাশা করেই ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচন আয়োজন করবে।

    অপর বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার পর একটা দল নিজেদেরকে দেশের মালিক ভাবছে। ফ্যাসিবাদী স্টাইলে নির্বাচন করে তারা ক্ষমতা দখল করতে চাচ্ছে। কথাগুলো বলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। 
    মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান আরো বলেন, এদেশে আর কাউকে ফ্যাসিবাদী স্টাইলে দেশ পরিচালনা করতে দেয়া হবে না।  কোন ফ্যাসিবাদী স্টাইলে নির্বাচনও করতে দেয়া হবে না।
    তিনি আরো বলেন, চারদিকে এবার আওয়াজ ওঠেছে, সব দল দেখা শেষ, জামায়াতে ইসলামীর বাংলাদেশ। তিনি জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য সকলকে আহ্বান জানান।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, দেশের মানুষের আস্থা জামাতে ইসলামির উপর। তরুণ প্রজন্ম এখন পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে আছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সকল ইসলামি দল ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে।  আগামীতে ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে ইসলামি শক্তি সরকার গঠন করবে। 

    সভাপতির বক্তব্যে জামায়ত মনোনীত এমপি প্রার্থী ড. মোবারক হোসাইন বলেন, বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়াকে উন্নয়নের রুল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তরুণদের কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়নে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করবো।

    প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মুনতাকিম। মত বিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান, তামিরুল মিল্লাত মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হিফজুর রহমান, অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান,  শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কুমিল্লা উত্তর জেলা সভাপতি গিয়াসউদ্দিন,  বুড়িচং উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, শায়েখ জামাল উদ্দিন, মেজর (অব) মোস্তফা কামাল, অধ্যাপক হুমায়ুন কবির,  বুড়িচং উপজেলা আমীর আব্দুল হাকিম, বুড়িচংয়ের সাবেক আমীর মফিজুল ইসলাম, মাওলানা আবুল হোসেন, অধ্যক্ষ আবু তাহের,  ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মিজানুর রহমান আতিকী, মুমিনুল ইসলাম,  ডাঃ নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

  • নাঙ্গলকোটে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

    অনলাইন ডেস্ক:
    কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে মো. আলাউদ্দিন নামে সাবেক এক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৩ আগস্ট) দুপুরে নাঙ্গলকোট উপজেলার চান্দাশ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত আলাউদ্দিন বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের আলিয়ারা গ্রামের মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে। তিনি বক্সগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য।

    নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে ফজলুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    স্থানীয়রা জানান, রোববার দুপুরে চাচাতো ভাইয়ের জানাজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলাউদ্দিন। এ সময় বাড়ির প্রবেশ পথে ওৎ পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তাকে হাত-পা বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে চান্দাশ এলাকায় নিয়ে কুপিয়ে এবং গুলি করে রাস্তার পাশে ফেলে চলে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    এর আগে, গত ১৩ জুলাই আলিয়ারা গ্রামের সাবেক মেম্বার ছালেহ আহম্মদ গোষ্ঠীর একটি গরু আবুল খায়ের গোষ্ঠীর জমির ধান খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে উভয় গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে হাতাহাতি হয়। এরপর ছালেহ আহম্মদ গোষ্ঠীর লোকজন আবুল খায়ের গোষ্ঠীর বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় দুই পক্ষ থানায় ৪টি এবং আদালতে একটিসহ মোট ৫টি মামলা করে। গত ২৪ জুলাই রাতে পুলিশ শেখ ফরিদ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। শেখ ফরিদের গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকালে উত্তরপাড়ায় জাফর আহম্মদের দোকানের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম দফায় সংঘর্ষ হয়, পরে তা ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন গুলিবিদ্ধ হন। আহত হন আরও ১০ জন।

    নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে ফজলুল হক বলেন, ঘটনার পর ওই এলাকায় থমথমে পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

  • কুমিল্লার গোমতী নদীর তীরে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ  হাইকোর্টের

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লার গোমতী নদীর দুই তীরে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা ছয় (০৬) মাসের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রবিবার (০৩ আগষ্ট) দুপুরে বিচারপতি মজিবুর রহমান ও বিচারপতি বশির উল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।

    আদালত আদেশে বলেছেন, গোমতী নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় যেকোনো ধরনের দখলদারিত্ব কঠোরভাবে দমন করতে হবে। আদালত আরও বলেন, এই নদীর তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং জনস্বার্থের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে।

    এই রিটের আবেদনকারী ছিলেন নদী রক্ষা ও পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া। রিটকারীর পক্ষে শুনানী করেন, সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোর্শেদ।

    তিনি বলেন, “গোমতী নদী এখন দখলদারদের দখলে চলে গেছে। নদী চিহ্নিত করে সীমানা নির্ধারণ সত্ত্বেও সেখানে গড়ে ওঠেছে অবৈধ দোকানপাট, স্থাপনা ও বাড়িঘর।”

    তিনি আরও বলেন, “আদালতের এই রায় শুধু গোমতী নয়, দেশের সব নদী রক্ষায় একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমরা আশা করছি প্রশাসন এখন আর দখলদারদের সঙ্গে আপস না করে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করবে।”

    আদালতের নির্দেশে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, অন্যান্য সরকারি দপ্তরগুলোকে এই ছয় মাসের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

  • বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার প্রথম কার্যকরী কমিটির সভা 

    অনলাইন ডেস্ক:

    বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম কার্যকরী কমিটির সভা গতকাল রাতে কান্দিরপাড়ের গোল্ডেন স্পুনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় সমিতির ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান এবং রেস্তোরাঁ ব্যবসার উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। কমিটির সদস্যরা তাদের পরিকল্পনা ও সদস্যদের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেন।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি এম এ তাহের। তিনি তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে সমিতির সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং সমিতির উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার জন্য উৎসাহিত করেন।

    সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হক শামিম তার বক্তব্যে কুমিল্লা জেলা শাখার রেস্তোরাঁ ব্যবসার উন্নয়নে সংগঠনের ভূমিকার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং রেস্তোরাঁ মালিক সমিতিকে আরও কার্যকর করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

    এছাড়াও, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ভূঁইয়া এবল নাছিরুল ইসলাম মজুমদারসহ সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে রেস্তোরাঁ ব্যবসার বিভিন্ন দিক ও সমিতির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং তাদের মতামত তুলে ধরেন।

    সাধারণ সম্পাদক এম.কে. রহমান জনি বলেন, “এই সভাটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা ও তাদের ব্যবসার উন্নয়নে কাজ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    সভাপতি এম এ তাহের তার সমাপনী বক্তব্যে সকলের সার্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করেন এবং ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। সভাটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ায় উপস্থিত সকলে সন্তোষ প্রকাশ করেন।,