Author: bikedokan@gmail.com

  • ফের বজ্রপাতে মৃত্যু; এবার প্রাণ গেল নাঙ্গকোটের এক গৃহবধূর

    (বারী উদ্দিন আহমেদ বাবর, কুমিল্লা )
    কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বজ্রপাতে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার রায়কোট দক্ষিণ ইউয়িনের পূর্ব বামপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম রাহেনা বেগম (৪০)। সে ওই গ্রামের ছেরাজুল হক চৌধুরীর স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তানের জননী ছিলেন।
    পরিবার ও এলাকাবাসীরা জানায়, সোমবার সকালে নিজেদের পুকুর পাড়ে আম কুড়াতে গেলে তার উপর বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, যেহেতু বজ্রপাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে তাই আইনী কোন জটিলতা নেই। তবে নিহতের পরিবার যদি অভিযোগ করে তাহলে আমরা তদন্ত করে দেখবো।

  • কুমিল্লায় ফের পুলিশের সাথে গোলাগুলি ; শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক

    (মোঃ শাহীন আলম, চৌদ্দগ্রাম )
    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধে তিন পুলিশসহ চারজন আহত হয়েছে। চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী নবী হোসেনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একটি দেশী তৈরি একনলা বন্দুক, দুই রাউন্ড কার্তুজ ও দুই হাজার পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করেছে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- এসআই আতিকুর বিশ্বাস মুকুল, কনষ্টেবল সারোয়ার হোসেন ও কনষ্টেবল নাছির হোসেন। সোমবার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল ফয়সল তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি আরও জানান, রোববার রাত পৌনে দুইটায় উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের মিরশ্বান্নী বাজারের পূর্ব পাশে কিং ছুপুয়া গ্রামের জনৈক আবুল হাশেমের উচু জমির উপর কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকসহ অবস্থান করছে-এমন খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের একটি দল দুইদিক থেকে তাদেরকে ঘেরাও করে।

    পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপর হামলা ও এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। পুলিশ জানমাল ও আত্মরক্ষার্থে আট রাউন্ড গুলি করে। মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি করতে করতে অন্ধকারে উত্তর দিকে পালিয়ে যায়। তাদের ছোড়া গুলিতে নবী হোসেন নামের এক মাদক ব্যবসায়ী বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে আহত অবস্থায় একটি দেশী তৈরি একনলা বন্দুক, দুই রাউন্ড কার্তুজ ও দুই হাজার পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়েছে।

    সে পাশ্ববর্তী জগমোহনপুর গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র। তার বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ, চাঁদাবাজি, চোরাচালান ও মাদকসহ ১০টি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বর্তমানে সে পুলিশি পাহারায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। গোলাগুলির ঘটনায় নবী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান ওসি আবুল ফয়সল।

     

  • সাফল্যে ধারা অব্যাহত রেখেছে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড মডেল স্কুল এণ্ড কলেজ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    এবারও এসএসসিতে প্রশসংনীয় সাফল্যে দেখিয়েছে কুমিল্লা মহানগরীর খ্যাতনামা সু-শৃংখল প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ। এবছর এ কলেজ থেকে এসএসসিতে ৮২ জন অংশ নিয়ে সকলে পাস করেছে। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫০ জন।

    দুপুরে ফল শোনার পর উচ্ছ্বাসে মেতে উঠে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ কলেজের শিক্ষার্থীরা। স্কুল প্রাঙ্গণেই নাচ-গানে মাতোয়ারা হয়ে পড়ে তারা। পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষক ও অভিভাবকরাও আনন্দ-উৎসবে অংশ নিয়েছেন। ঢাকঢোল বাজিয়ে, নেচে-গেয়ে ও হৈ-হুল্লোড় করে ভাল ফল অর্জনের আনন্দে মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা।

    বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী আল আমিন সেজান বলেন, ‘অভিভাবক, শিক্ষকদের সহযোগিতায় ভাল ফল করেছি। আমাদের কলেজের শৃংখলা আর অধ্যক্ষ স্যারের তত্বাবধান আমাদের ভালো ফলের আরো একটি কারণ। সবাই পাস করায় খুবই আনন্দ লাগছে যা ভাষায় বলে প্রকাশ করতে পারব না। আমি ভবিৎষতে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই।’
    জিপিএ-৫ পাওয়া ছাত্রী সুহি বলেন, এ প্লাস পেয়েছি। কি বলবো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। ভাল ফলাফলের পিছনে সব চেয়ে বড় অবদান রেখেছেন আমাদের শিক্ষকরা।

    ফলাফল সম্পর্কে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ড. এ কে এম এমদাদুল হক বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা ভাল ফলাফল করেছে। পাসের হার শতভাগ। শিক্ষকদের প্রচেষ্টা অভিভাবকদের সহযোগিতা আর শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমের ফসল হিসেবে এ ফল হয়েছে। এতে আমরা সন্তুষ্ট। তাদের সাফল্যেই আমাদের আনন্দ। সাফল্যের এ ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’

    উল্লেখ্য, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের তত্বাবধানে ও কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সকল পাবলিক পরীক্ষায় কলেজটি শতভাগ পাসের ধারা অব্যাহত রেখে চলেছে। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের বর্তমান সচিব প্রফেসর মো.আবদুস ছালাম।

    এছাড়া দীর্ঘ অর্ধ-যুগ কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছিলেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের নবাগত চেয়ারম্যান প্রফেসর মো.রুহুল আমিন ভূঁইয়া। বর্তমান অধ্যক্ষ ড. এ কে এম এমদাদুল হক কলেজটিকে ডিজিটাল ক্যাম্পাসে রূপান্তর করে বেশ সুনাম অর্জন করে। সাফল্যের ধারায় ২০১৮ সালে কলেজটি জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ ও কলেজের অধ্যক্ষ ড. এ কে এম এমদাদুল হক দ্বিতীয় বারের মতো শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন।

  • চৌদ্দগ্রামে বদিউল আলম হত্যার প্রতিবাদ ও খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

    (মোঃ শাহীন আলম,চৌদ্দগ্রাম )

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বদিউল আলমের হত্যার প্রতিবাদ ও খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানবববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। সোমবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চিওড়া রাস্তার মাথায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র গিয়াস উদ্দিন আশিক, ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তারেক আজিজ হিমেল, কোটবাড়ী সিসিএন পলিটেকনিক কলেজের ছাত্র গাজী রিয়াজ, প্রবাসী মোঃ আহসান উল্লাহ ও বদিউল আলমের ভগ্নিপতি হাজী বাহার মিয়া। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাহেবনগর গ্রামের জহিরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী বেলাল, চিওড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম, কেছকিমুড়া গ্রামের আবদুল মান্নান চৌধুরী, ব্যবসায়ী রতন, চিওড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য মোঃ রনি মজুমদার, বাপ্পি, ফরিদ, শহিদ, আসলাম মিয়া, ফয়েজ আহমেদ, ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলী রতন, আবদুস সোবহানসহ ডিমাতলী, কেছকিমুড়া, সাহেব নগর, ঘোষতল, হান্ডা, চরপাড়া, চিওড়া ও জগন্নাথদিঘী এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা হত্যা চাই না-চাই শান্তি। শান্তি প্রিয় চিওড়া ও জগন্নাথদিঘী এলাকায় আমরা আর কোন কোন হত্যা চাই না। বদিউল আলমের হত্যাকারিদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি। এই হত্যাযজ্ঞর বিচারের শাস্তি যেন একটি উদারণ হয়ে দাঁড়ায় সেই আশা প্রকাশ করেন তারা।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল শনিবার রাতে জগন্নাথে মাদক ব্যবসা ও পাচারের বিরোধীতা করায় কেছকিমুড়া উত্তর পাড়ার মরহুম ইসমাইল মিয়ার পুত্র বদিউল আলমকে হত্যা করে পালিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা।

  • অর্ধ লক্ষাধিক পাঠকের হৃদয় স্পর্শ করলো জাগো কুমিল্লা ডট কম

    (জাগো কুমিল্লা.কম)

    বাংলা ভাষায় প্রচারিত কুমিল্লার সর্বপ্রথম আধুনিক রেসপনসিভ ডিজাইনের সংবাদ মাধ্যম জাগো কুমিল্লা ডটকম এর ফেসবুক লাইকে অর্ধ লক্ষাধিক পাঠকের হৃদয় স্পর্শ করেছে।

    আমাদের দেশ বিদেশের অগণিত পাঠক, শুভানুধ্যায়ী ও একঝাঁক উদ্যোমী সংবাদকর্মীর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই এ সাফল্য।

    “কুমিল্লার সব খবর সবার আগে” এই স্লোগান নিয়ে এই অনলাইন নিউজ পোর্টালটির যাত্রা শুরু হয় মাত্র দেড় বছর আগে। সোমবার সকালে জাগো কুমিল্লা ডট কম ফেসবুক পেইজে লাইক সংখ্যা অর্ধ লক্ষাধিক অতিক্রম করে।অতি অল্প সময়ে আমাদের এই সাফল্যে দেশ বিদেশের অগণিত পাঠক, শুভানুধ্যায়ীদের জানাই শুভেচ্ছা।

    আমাদের পথচলার শুরু থেকে ছিল তরুণ উদ্যোমী একঝাঁক সংবাদকর্মী। চালু হওয়ার অল্প দিনের মধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে জাগো কুমিল্লা ডট কম।

    পাঠক চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে রয়েছে নিউজের পাঠকের কলাম। রয়েছে প্রতিদিনের তরতাজা খবর। রয়েছে ভিতরে-বাইরে একঝাঁক প্রতিশ্রুতিশীল কর্মিবাহিনী।

    সংবাদমাধ্যম হিসেবে পাঠকের আস্থা ও বিশ্বস্ততা অর্জনে জাগো কুমিল্লা ডটকম আপন কর্মদক্ষতায় এখন অনেক অগ্রসর। আগামী দিনে আরো পরিশীলিত ও বিশ্বস্ততার মাপকাঠিতে এগিয়ে যেতে চায়। ইতিমধ্যে আস্থার সে স্থানটিতে পৌঁছাতে অনেকটাই সক্ষম হয়েছে জাগো কুমিল্লা ডটকম।

    জাগো কুমিল্লা ডট কমের সম্পাদক অমিত মজুমদার দেশ বিদেশের সকল পাঠকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আমরা যেহেতু নির্দিষ্ট জেলা কুমিল্লা নিয়ে কাজ করছি। তাই আমাদের পরিশ্রম একটু বেশি করতে হচ্ছে। অর্থনৈতিক সহ নানা জটিলতার কারণে আমারা এখনো কুমিল্লার প্রতিটি উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। যারা প্রতিনিধি রয়েছে তাদের পরিশ্রম অনুযায়ী বেতন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই কুমিল্লার সব উপজেলার সংবাদ সঠিক সময়ে আপডেট করতে পারছি না। আশা করি ভাল সংবাদ গুলো লাইক শেয়ার করে আমাদের পাশেই থাকবেন।

    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমরা শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে কোন প্রকার সংবাদ প্রকাশ করি না। এ ছাড়া সংবাদের বিশ্বস্ততা অর্জনের জন্য আমরা ভিডিও সংবাদ প্রচার করছি। যার ফলে ইউটিউবে জাগো কুমিল্লা চ্যানেলটি বেশি জনপ্রিয় । আমাদের পরিকল্পনার শতভাগের মধ্যে ১০ ভাগও পূরণ করা হয়নি। যেহেতু দেশের সব জেলা থেকে কুমিল্লা জেলার মানুষ বেশি প্রবাসী রয়েছে। তাদের নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া চেষ্টা আমাদের অব্যাহত রয়েছে।

  • প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় রাজমিস্ত্রি, অতঃপর…

    (জাগো কুমিল্লা.কম)
    মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছেন এক রাজমিস্ত্রি। পরে গাছের সঙ্গে বেঁধে প্রবাসীর স্ত্রী ও তার প্রেমিক রাজমিস্ত্রিকে নির্যাতন করে তিন যুবক।

    রোববার ভোরে উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের খবর পেয়ে দুপুরে গৃহবধূ ও রাজমিস্ত্রিকে উদ্ধার করে গাংনী থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুরের রাজমিস্ত্রি সম্রাট মোল্লা বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের একটি মসজিদের নির্মাণকাজ করছেন দুই মাস ধরে। সেখানে অবস্থান করায় মসজিদের পাশের বাড়ির এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

    রোববার ভোরে প্রবাসীর স্ত্রী ও প্রেমিক সম্রাটকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে গ্রামের তিন যুবক। এ সময় তাদেরকে বেধড়ক মারধর করা হয়।

    গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্রনাথ সরকার বলেন, গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখার খবর পেয়ে দুইজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত তিন যুবককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • ১০ টি বোর্ডের ফলাফলে কুমিল্লার অবস্থান তৃতীয়

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    ২০১৮ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৭৭.৭৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন। গত বছর এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন।

    রোববার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এরপর দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন তিনি।

    এ সংবাদ সম্মেলন থেকেই ২০১৮ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পৃথকভাবে ১০ বোর্ডের গড় পাসের হার জানা গেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার ১০ বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৯ দশমিক ৪০ শতাংশ।

    আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে রাজশাহীতে গড় পাসের হার সবচেয়ে বেশি ৮৬.০৭ শতাংশ। পাসের হার সবচেয়ে কম সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৭০.৪২ শতাংশ।

    রাজশাহীতে পাসের হার ৮৬.০৭ শতাংশ।

    ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৮১.৪৮ শতাংশ।

    কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৮০.৪০ শতাংশ।

    দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৭৭.৬২ শতাংশ।

    বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৭৭ .১১ শতাংশ।

    যশোর বোর্ডে পাসের হার ৭৬.৬৪ শতাংশ।

    চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৭৫ .৫০ শতাংশ।

    সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৭০.৪২ শতাংশ।

    এ ছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে (দাখিল) পাসের হার ৭০ দশমিক ৮৯ শতাংশ । কারিগরি বোর্ডে (ভকেশনাল) পাসের হার ৭১ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

  • এক নজরে দেখুন কুমিল্লা বোর্ডের শীর্ষ ১২ প্রতিষ্ঠানের ফলাফল

    ( জাগো কুমিল্লা. কম)
    এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন কুমিল্লা, নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মধ্যে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষ ১২ প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৫ টি প্রতিষ্ঠান শীর্ষে রয়েছে। ৬ষ্ঠ ও ৭ম অবস্থানে রয়েছে নোয়াখলি জেলা দুইটি প্রতিষ্ঠান। ৮ম অবস্থানে রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি স্কুল, ৯ম ও ১০ অবস্থানে রয়েছে ফেনীর দুইটির স্কুল, ১১ ও ১২ তম অবস্থানে রয়েছে চাঁদপুরের দুইটি স্কুল।

    জাগো কুমিল্লা পাঠকদের জন্য জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষ ১২ প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত দেওয়া হলো:

    ১। কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল। পরীক্ষার্থী ছিল ১২ শ ৩৯ জন। জিপিএ৫ পেয়েছে ৩৮৮ জন। পাশের হার ৯৯.৬০ %

    ২। কুমিল্লা জিলা স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ৩৯৫ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৩০ জন। শতভাগ পাশের হার।

    ৩।নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা । মোট পরীক্ষার্থী ৩৭১ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯৯ জন । পাশের হার ৯৯.৭৩ %।

    ৪। ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা । মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯২১ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২০২ জন। পাশের হার ৯৯.৩৫ %

    ৫। ইস্পাহানী স্কুল এণ্ড কলেজ, কুমিল্লা । মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৪২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৮৮ জন। শতভাগ পাশের হার।

    ৬। নোয়াখালি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় । মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৫৫ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১শ ৪৫ জন। পাশের হার ৯৯.৭২ %

    ৭। নোয়াখালি জিলা স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৩৯ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১শ ৪৫ জন। পাশের হার ৯৮.৫৩ %

    ৮। অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সরকারি হাই স্কুল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৭৫ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৩৮ জন। শতভাগ পাশের হার।

    ৯। ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩১৬ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৩৫ জন। পাশের হার ৯৯.৬৮%।

    ১০। ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৩৬ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২৪ জন। পাশের হার ৯৮.৭৩%

    ১১। আল আমিন একাডেমী, চাঁদপুর। মোট পরীক্ষার্থী ৫৯২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১১৮ জন। পাশের হার ৯৬.২৮%

    ১২। মাতৃপিঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর। মোট পরীক্ষার্থী ২৮০ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১০২ জন। পাশের হার ৯৮.৫৭%

    শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানান ,গত বছর তুলনায় এ বছর ২শ ৬৮ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার পাশের ছিল ৫৯.০৩ । যা এ বছর বেড়ে ৮০.৪০ ভাগ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় শতকরা ২১.৩৭ ভাগ ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।  তথ্য সূত্র: কুমিল্ল শিক্ষা বোর্ড।

    কুমিল্লায় এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় আত্মহত্যা

    আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়:

    কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা মধ্য পাড়া গ্রামে এস এস সি পরীক্ষায় ফেল করায় হালিমা আক্তার মনি (১৭) পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা করেছে।রবিবার সন্ধ্যায় তার বশত ঘরের দরজা বন্ধ করে ৎওড়না পেচিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্নহত্যা করে।

    নিহতের মা আয়শা আকতার জানান, আমার মেয়ে আজ রোজা রেখেছে। এই বছর চট্রগ্রাম ষোল শহর পাবলিক স্কুল থেকে ব্যবসা শাখায় এস এস সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে। তার রেজিঃ নং ১৫১৪৮১৯০৭৪ রোল নং ৫২৫৮৫২ সে জানতে পারে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়। ইফতারির সময় তাকে খুজে না পেয়ে পাশের ঘরের দরজা খোলে বাড়ীর লোকজন দেখতে পায় সে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। বাড়ীর লোকজন তাকে জীবিত মনে করে সিলিং ফ্যানের থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় নামিয়ে দেখতে পায় সে মারা গেছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: শাহ আলম জাগো কুমিল্লা ডট কমকে জানান, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া আত্মহত্যা করেছে। বিষয়টি তদন্ত শেষ জানা যাবে।

    তবুও কুমিল্লা বোর্ডে ফেল ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন !

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    বার বার ফলাফল বিপর্যয়ের পর নড়ে চড়ে বসে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড। বোর্ডের আওতাধীন ১ হাজার ৭ শ ৭ টি প্রতিষ্ঠানে এস এস সি নির্বাচনী পরীক্ষায় কোন অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহন করানো হয়নি। তবুও কেন এত ফেল !

    এ বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো: শহিদুল ইসলাম জানান, আমরা প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাল ফলাফলে জন্য মতবিনিময় সভা করেছি। নির্বাচনী পরীক্ষায় কোন অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহন না করানোর নির্দেশনা ছিল। তবুও কেন এত ফেল করলো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

    শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানান ,গত বছর তুলনায় এ বছর ২শ ৬৮ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার পাশের ছিল ৫৯.০৩ । যা এ বছর বেড়ে ৮০.৪০ ভাগ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় শতকরা ২১.৩৭ ভাগ ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    কুমিল্লা বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডের শতকরা পাশের হার ৮০.৪০ । এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।

    রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম।

    সব জেলাকে পেছনে ফেলে শীর্ষে কুমিল্লার ৫ প্রতিষ্ঠান

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে পেছনে ফেলে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লার ৫ টি প্রতিষ্ঠান।

    এর মধ্যে ৩৮৮টি জিপিএ ৫ পেয়ে প্রথম স্থান রয়েছে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল , এ স্কুলে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ শ ৩৯ জন. ফেল করেছে ৪ জন। কুমিল্লা জিলা স্কুলে দ্বিতীয় অবস্থানে। জিপিএ ৫ পেয়ে ৩৩০টি. মোট পরীক্ষার্থী ৩৯৫ জন, শত ভাগ পাশ।

    তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লা ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ৩৭১ জন পরীক্ষার মধ্যে পাশ করেছে ৩৭০ জন। মোট জিপিএ ২৯৯ জন।

    চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ। এই স্কুলে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯২১ জন, পাশ করেছে ৯১৫ জন। জিপি ৫ পেয়েছে ২০২ জন।

    পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লার ইস্পাহানী স্কুল এণ্ড কলেজ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৪২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৮৮ জন।

    শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানান ,গত বছর তুলনায় এ বছর ২শ ৬৮ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার পাশের ছিল ৫৯.০৩ । যা এ বছর বেড়ে ৮০.৪০ ভাগ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় শতকরা ২১.৩৭ ভাগ ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।

    রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম।

     

    ৫ জেলাকে পেছনে ফেলে   বোর্ডের শীর্ষে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে পেছনে ফেলে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে অবস্থান করছে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল।

    এদিকে ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ভিড়ে সকাল থেকেই মুখরিত হয়ে উঠতে থাকে স্কুল প্রাঙ্গন। ফলাফলের প্রত্যাশায় উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

    অবশেষে দুপুর দেড়টায় সকল উদ্বিগ্নতার অবসান ঘটিয়ে স্কুলে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করে। এসময় আনন্দে মেতে উঠে শিক্ষার্থীরা। তাদের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেয় স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকরাও।

    এবার কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল থেকে ১২৩৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১২৩৫ জন শিক্ষার্থী পাশ করেছে। কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮৮ জন। পাশের হার ৯৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

    কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা কাঙ্খিত ফল পাওনি তারা মনোবল না হারিয়ে আবারও পূর্ণ উদ্যোমে পড়াশোনা শুরু করে দাও।

    হতাশ না হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। পড়াশোনায় মনোযোগী হলে এবং পরিশ্রম করলে জীবনে সাফল্য আসবেই।

     

    নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে কুমিল্লা জিলা স্কুল

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    কুমিল্লার ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক কুমিল্লা জিলা স্কুল প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এস এস সি পরীক্ষায়ও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে। রবিবার প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে দ্বিতীয় স্থান করেছে।

    এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৯৫ জন। মোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৩০ জন। বাকিরা সবাই এ গ্রেড পেয়ে কৃতকার্য হয়েছে। বর্তমান প্রধান শিক্ষককের গতিশীল নেতৃত্বে জিলা স্কুল প্রতিবছরই সাফল্যের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রেখেছে। গত বছর স্কুলে ৩৬৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৮১ জন।

    কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার জানান, সব ধরণের পাবলিক পরীক্ষায় ফলাফলের অভাবনীয় সাফল্যের দাবিদার এই স্কুল। সুদীর্ঘ ঐহিহ্যের ধারক ও বাহক এই স্কুল প্রতিবছর পুরনো রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়ার কাজে লিপ্ত।

    আসলে ছাত্র-শিক্ষক- অভিভাবক এই তিন দলের সমন্বিত কর্ম প্রচেষ্ঠার পুরস্কার হিসেবে বোর্ডে সেরা স্থানটি দখল করেছে।প্রতি শিক্ষককে অনধিক ১০ জন করে পরীক্ষার্থীকে পারিবারিক পর্যায়ে তদারকির দায়িত্বদান জিলা স্কুলের ভাল ফলাফলর অন্যতম কারণ।

    রাজমিস্ত্রী হয়েও ৩২ বছর বয়সে দাখিল পাশ করলেন কুমিল্লার জাকির

    (মোঃ শাহীন আলম,চৌদ্দগ্রাম )
    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেশায় রাজমিস্ত্রী হয়েও ৩২ বছর বয়সে দাখিল পাশ করেছেন জাকির হোসেন নামের এক যুবক। রোববার প্রকাশিত ফলে উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের কাছারিপাড়া ফাযিল মাদরাসার থেকে তিনি জিপিএ-৪.৩০ পেয়েছেন। জাকির একই গ্রামের হতদরিদ্র কৃষক নুরুল ইসলামের পুত্র। তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জনক। তার সাফল্যে আনন্দিত হয়েছেন মাদরাসার শিক্ষক, এলাকাবাসী ও পরিবারের লোকজন।

    গতকাল রোববার দুপুরে সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, জাকির হোসেন আর্থিক সমস্যার কারণে পড়ালেখা বন্ধ করে রাজমিস্ত্রী কাজে যোগ দেন। রাজমিস্ত্রী হিসেবে এলাকায় তাঁর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। কিন্তু তিনি নিয়মিত পবিত্র কোরআন ও হাদিস অধ্যয়ন করতে থাকেন। সুরা আলাক পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৬ বছর আগে আবারও নিয়মিতভাবে পড়ালেখা শুরু করেন। এরই মধ্যে তিনি ২০১৫ সালে কাছারিপাড়া মাদরাসা থেকে জেডিসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

    সম্প্রতি তিনি মাদরাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা মশিউর রহমান সালেহীর বেশি পরামর্শ নিতেন। প্রভাষকও যতœ সহকারে জাকিরকে পড়াতেন। অন্যান্য শিক্ষকরাও তাকে উৎসাহ দিতেন। বর্তমানে তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জনক। বড় মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণি ও ছোট মেয়ে নার্সারিতে পড়ালেখা করে। ছেলেকে আগামী বছর মাদরাসায় ভর্তি করানো হবে।

    কি কারণে ছেলে-মেয়ে এবং সংসার থাকা স্বত্ত্বেও ৩২ বছর বয়সে দাখিল পরীক্ষা দিলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে জাকির হোসেন বলেন-শিক্ষার কোন নির্দিষ্ট বয়স নেই। জ্ঞান অর্জনের জন্যই পড়ালেখা করেছি। কারন-মুর্খ বন্ধুর চেয়ে শিক্ষিত শত্রু অনেক ভালো। আমি চাই-সমাজের সকলেই শিক্ষিত হয়ে যাক। তাহলে সমাজে আর হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানি থাকবে না। সকলেই আল্লাহর নির্দেশিত পথেই চলবে।

    এদিকে কৃষক নুরুল ইসলামের তিন ছেলের মধ্যে জাকির হোসেন সবার ছোট। সাংবাদিক ও স্থানীয়দের মাধ্যমে ছেলের সাফল্যের খবর পেয়ে তিনিও আনন্দিত হয়ে আল্লাহর নিকট শুকরিয়া প্রকাশ করেছেন।
    এ ব্যাপারে মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাখছুদুর রহমান বলেন, জাকির হোসেন নামের ছেলেটি খুবই পরিশ্রমী। তার সাফল্যে আনন্দিত হয়েছি। আমি তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করছি।

  • কুমিল্লায় এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় আত্মহত্যা

    আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়:

    কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা মধ্য পাড়া গ্রামে এস এস সি পরীক্ষায় ফেল করায় হালিমা আক্তার মনি (১৭) পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা করেছে।রবিবার সন্ধ্যায় তার বশত ঘরের দরজা বন্ধ করে ৎওড়না পেচিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্নহত্যা করে।

    নিহতের মা আয়শা আকতার জানান, আমার মেয়ে আজ রোজা রেখেছে। এই বছর চট্রগ্রাম ষোল শহর পাবলিক স্কুল থেকে ব্যবসা শাখায় এস এস সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে। তার রেজিঃ নং ১৫১৪৮১৯০৭৪ রোল নং ৫২৫৮৫২ সে জানতে পারে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়। ইফতারির সময় তাকে খুজে না পেয়ে পাশের ঘরের দরজা খোলে বাড়ীর লোকজন দেখতে পায় সে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। বাড়ীর লোকজন তাকে জীবিত মনে করে সিলিং ফ্যানের থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় নামিয়ে দেখতে পায় সে মারা গেছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: শাহ আলম জাগো কুমিল্লা ডট কমকে জানান, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া আত্মহত্যা করেছে। বিষয়টি তদন্ত শেষ জানা যাবে।

  • ৫ জেলাকে পেছনে ফেলে শীর্ষে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল ( ভিডিও)

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে পেছনে ফেলে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে অবস্থান করছে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল।

    এদিকে ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ভিড়ে সকাল থেকেই মুখরিত হয়ে উঠতে থাকে স্কুল প্রাঙ্গন। ফলাফলের প্রত্যাশায় উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়। অবশেষে দুপুর দেড়টায় সকল উদ্বিগ্নতার অবসান ঘটিয়ে স্কুলে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করে। এসময় আনন্দে মেতে উঠে শিক্ষার্থীরা। তাদের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেয় স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকরাও।

    এবার কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল থেকে ১২৩৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১২৩৫ জন শিক্ষার্থী পাশ করেছে। কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮৮ জন। পাশের হার ৯৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

    কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা কাঙ্খিত ফল পাওনি তারা মনোবল না হারিয়ে আবারও পূর্ণ উদ্যোমে পড়াশোনা শুরু করে দাও। পরিশ্রম করলে সাফল্য আসবেই। হতাশ না হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। পড়াশোনায় মনোযোগী হলে এবং পরিশ্রম করলে জীবনে সাফল্য আসবেই।

    সেরা দশ রয়েছে কুমিল্লার ৫ টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ৩৮৮টি জিপিএ ৫ পেয়ে প্রথম স্থান রয়েছে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল , এ স্কুলে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ শ ৩৯ জন. ফেল করেছে ৪ জন। কুমিল্লা জিলা স্কুলে দ্বিতীয় অবস্থানে। জিপিএ ৫ পেয়ে ৩৩০টি. মোট পরীক্ষার্থী ৩৯৫ জন, শত ভাগ পাশ।তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লা ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ৩৭১ জন পরীক্ষার মধ্যে পাশ করেছে ৩৭০ জন। মোট জিপিএ ২৯৯ জন।চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ। এই স্কুলে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯২১ জন, পাশ করেছে ৯১৫ জন। জিপি ৫ পেয়েছে ২০২ জন।

    পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লার ইস্পাহানী স্কুল এণ্ড কলেজ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৪২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৮৮ জন।