Author: bikedokan@gmail.com

  • কোটা বিষয়ে দ্রুত সুরাহা হয়ে যাবে : পরিকল্পনা মন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:
    পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল বলেছেন, চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নেবে, যেন উভয়পক্ষ খুশি হয়। আন্দোলনকারীরাও খুশি হবে, কোটাধারীরাও বিরক্ত হবে না। বিষয়টি দ্রুত সুরাহা হয়ে যাবে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক নির্বাহী পরিষদের (একনেক) বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনা মন্ত্রী একথা বলেন।

    কামাল বলেন, ‘চাকরিতে কোটার বিষয়টা প্রধানমন্ত্রী দেখছেন। বিষয়টি তিনি জানেন, শুনেছেন। প্রথমে ছাত্ররা বলেছে, কোটা থাকবে না। পরে আবার বলছে, কোটা বাদ যাবে না, সংস্কার করতে হবে।’

    ‘সংস্কারের বিষয়টা প্রধানমন্ত্রী জানতো না’ জানিয়ে কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন কোটা সংস্কারের বিষয়টি জেনেছেন। বিষয়টি দ্রুত সুরাহা হয়ে যাবে। আমার মনে হয়, সবাই উভয় পক্ষ খুশি থাকবেন। কারো প্রতি একতরফাভাবে হবে না।তবে মঙ্গলবারের একনেক সভায় কোটা আন্দোলন নিয়ে কোনো কথা হয়নি বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

  • বোন ডেকে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অন্তরঙ্গ ছবি; অতপর আত্মহত্যা!

    অনলাইন ডেস্ক:
    গোপালগঞ্জে বখাটে যুবকের মানসিক নির্যাতনে প্রবাসীর স্ত্রী সোনিয়া বেগম (৩২) আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের বটবাড়ি গ্রামে।

    এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত রুবেল গা ঢাকা দিয়েছে।

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই গ্রামের মো. এনায়েত উকিল ১৩ বছর ধরে সৌদি প্রবাসী। স্ত্রী সোনিয়া বেগম দু’ মেয়ে ইমা সুলতানা দোলা (১৩) ও তমা সুলতানাকে (১০) নিয়ে গ্রামের বাড়িতে বসবাস করতেন। একই গ্রামের দবির খানের ছেলে বখাটে রুবেল খান প্রবাসীর স্ত্রী সোনিয়া বেগমকে বোন ডেকে তার কাছ থেকে ৮ মাস আগে তাদের পুকুর ইজারা নিয়ে মাছের চাষ শুরু করে।

    এ সূত্র ধরে সেনিয়ার বাড়িতে রুবেলের যাতায়াত শুরু হয়। রুবেল সোনিয়ার বাড়ির বাজার করে দিতো। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্টতা সৃষ্টি হয়। রুবেল সোনিয়াকে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে নিয়ে গিয়ে অন্তরঙ্গ ছবি তোলে। এসব ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে সোনিয়ার কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে ৪০ হাজার টাকা আদায়ের জন্য সেনিয়া রুবেলকে চাপ দেয়। এ নিয়ে দু’ জনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। রুবেল সোনিয়াকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। এ ছাড়া তাদের ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেবে বলে জানান।

    এক পর্যায়ে রুবেলের ফোন নম্বর ব্লক করে দেয় সেনিয়া। এতে আরো ক্ষিপ্ত হয় রুবেল। রুবেল গ্রামে সোনিয়ার বিরুদ্ধে প্রপাকান্ডা ছড়ায়। বিষয়টি সেনিয়ার বাড়ির লোকজন জেনে যায়। সেনিয়া মুষড়ে পরে। লোকলজ্জার ভয়ে রবিবার বিকেলে নিজের ঘরে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সোনিয়া।

    পুলিশ সোমবার ময়না তদন্ত শেষে সোনিয়ার লাশ পরিবারের সদস্যদের হাতে হস্তান্তর করে। সোমবার সন্ধ্যায় বটবাড়ি গ্রামের করবস্থানে সোনিয়ার লাশ দাফন করা হয়।

    গৃহবধূর বড় মেয়ে ইমা সুলতানা দোলা জানান, রুবেল তার মাকে মানসিক নির্যাতন করেছে। পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। আম্মুর কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। টাকা চাইতে গেলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। তার কারণেই বাধ্য হয়ে আম্মু আত্মহত্যা করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

    অভিযুক্ত রুবেল খানের স্ত্রী শিমু বেগম বলেন, আমার স্বামীর সোনিয়ার বাড়িতে যাতায়াত ছিলো। সোনিয়াও আমাদের বাড়িতে আসতো। আমার স্বামী তাকে আত্ম হত্যায় প্ররোচনা করেছে বলে আমার বিশ্বাস হয় না। এ ঘটনায় আমার স্বামীকে ফাঁসাতে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

    গোপালগঞ্জের বৌলতলী পুলিশ ফাঁর এস. আই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে ইউডি মামলা হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। আশাকরি দ্রুত এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পারবো।

  • বোন ডেকে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অন্তরঙ্গ ছবি; অতপর আত্মহত্যা!

    অনলাইন ডেস্ক:
    গোপালগঞ্জে বখাটে যুবকের মানসিক নির্যাতনে প্রবাসীর স্ত্রী সোনিয়া বেগম (৩২) আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের বটবাড়ি গ্রামে।

    এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত রুবেল গা ঢাকা দিয়েছে।

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই গ্রামের মো. এনায়েত উকিল ১৩ বছর ধরে সৌদি প্রবাসী। স্ত্রী সোনিয়া বেগম দু’ মেয়ে ইমা সুলতানা দোলা (১৩) ও তমা সুলতানাকে (১০) নিয়ে গ্রামের বাড়িতে বসবাস করতেন। একই গ্রামের দবির খানের ছেলে বখাটে রুবেল খান প্রবাসীর স্ত্রী সোনিয়া বেগমকে বোন ডেকে তার কাছ থেকে ৮ মাস আগে তাদের পুকুর ইজারা নিয়ে মাছের চাষ শুরু করে।

    এ সূত্র ধরে সেনিয়ার বাড়িতে রুবেলের যাতায়াত শুরু হয়। রুবেল সোনিয়ার বাড়ির বাজার করে দিতো। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্টতা সৃষ্টি হয়। রুবেল সোনিয়াকে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে নিয়ে গিয়ে অন্তরঙ্গ ছবি তোলে। এসব ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে সোনিয়ার কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে ৪০ হাজার টাকা আদায়ের জন্য সেনিয়া রুবেলকে চাপ দেয়। এ নিয়ে দু’ জনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। রুবেল সোনিয়াকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। এ ছাড়া তাদের ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেবে বলে জানান।

    এক পর্যায়ে রুবেলের ফোন নম্বর ব্লক করে দেয় সেনিয়া। এতে আরো ক্ষিপ্ত হয় রুবেল। রুবেল গ্রামে সোনিয়ার বিরুদ্ধে প্রপাকান্ডা ছড়ায়। বিষয়টি সেনিয়ার বাড়ির লোকজন জেনে যায়। সেনিয়া মুষড়ে পরে। লোকলজ্জার ভয়ে রবিবার বিকেলে নিজের ঘরে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সোনিয়া।

    পুলিশ সোমবার ময়না তদন্ত শেষে সোনিয়ার লাশ পরিবারের সদস্যদের হাতে হস্তান্তর করে। সোমবার সন্ধ্যায় বটবাড়ি গ্রামের করবস্থানে সোনিয়ার লাশ দাফন করা হয়।

    গৃহবধূর বড় মেয়ে ইমা সুলতানা দোলা জানান, রুবেল তার মাকে মানসিক নির্যাতন করেছে। পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। আম্মুর কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। টাকা চাইতে গেলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। তার কারণেই বাধ্য হয়ে আম্মু আত্মহত্যা করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

    অভিযুক্ত রুবেল খানের স্ত্রী শিমু বেগম বলেন, আমার স্বামীর সোনিয়ার বাড়িতে যাতায়াত ছিলো। সোনিয়াও আমাদের বাড়িতে আসতো। আমার স্বামী তাকে আত্ম হত্যায় প্ররোচনা করেছে বলে আমার বিশ্বাস হয় না। এ ঘটনায় আমার স্বামীকে ফাঁসাতে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

    গোপালগঞ্জের বৌলতলী পুলিশ ফাঁর এস. আই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে ইউডি মামলা হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। আশাকরি দ্রুত এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পারবো।

  • মেয়েকে হত্যা করে জামাইকে নিয়ে উধাও মা!

    অনলাইন ডেস্ক:
    স্বামীর সঙ্গে মায়ের অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় জীবন হারাতে হলো মেয়েকে। ঘটনার পর ক্ষিপ্ত হয়ে মা মেয়েকে বিষ খাইয়ে হত্যা করে। মেয়ের মৃত্যু হলে মেয়ের জামাইকে নিয়ে উধাও হয় মা।

    এ জঘন্য ঘটনা ঘটেছে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নে। নিহত তরুণী মালা (২০) গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামের মামুন ঢালীর স্ত্রী।

    এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বিডি২৪লাইভকে জানান, স্থানীয়ভাবে জেনেছি শাশুড়ির সঙ্গে জামাইয়ের পরকীয়া ছিল। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলছে। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট হাতে পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। শাশুড়ি ও জামাই পলাতক রয়েছে।

    অভিযুক্তরা হলেন, ওই এলাকার কাদের ঢালীর ছেলে স্বামী মামুন ঢালী (৩০) ও উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত. জাহাঙ্গীর হাওলাদারের স্ত্রী নিহতের মা নার্গিস বেগম (৩৫)। তিনি চার সন্তানের জননী।

    বৃহস্পতিবার (৩ মে) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে নিহত মালার পৈতৃক বাড়িতে নিহত মালার দাফন সম্পন্ন করা হয়। এর আগে বুধবার রাতে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে ঘটে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত মালার চাচা হেলাল হাওলাদার জানান, মালার মা চার সন্তানের জননী নার্গিস বেগমের সঙ্গে মালার স্বামী মামুনের অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টি মালা দেখে ফেলার কারণেই মালাকে বিষ খাইয়ে হত্যা করেছে তার মা ও স্বামী।

    গত বুধবার রাতে নিহত মালা তার মা ও স্বামীর মধ্যে অবৈধ কার্যকলাপ হাতেনাতে ধরে ফেলে। এরপর ওই দিনই রাতেই মালাকে বিষ খাইয়ে চিকিৎসার নাম করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় তার মা ও স্বামী মামুন।

    পরে খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন মালা মারা গেছে। এ সময় হাসপাতালে তার (মালার চাচা হেলাল হাওলাদারের) উপস্থিতি টের পেয়ে মালার একমাত্র ছেলে মোস্তাফিজকে (২) নিয়ে হাসপাতাল থেকে সটকে পড়ে মালার মা নার্গিস বেগম ও তার মেয়ের স্বামী মামুন।

    পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পুলিশকে জানালে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট ও ময়নাতদন্তের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে মালার চাচা হেলাল হাওলাদারের কাছে মালার লাশ হস্তান্তর করে পুলিশ।

    প্রসঙ্গত, বাউফল উপজেলার পার্শ্ববর্তী গলাচিপা উপজেলা কলাগাছিয়া গ্রামের কাদের ঢালির ছেলে মামুনের সঙ্গে ৫ বছর আগে বিয়ে হয় মালার। বিয়ের পর থেকে স্বামীর সঙ্গেই থাকত মালা।

    সম্প্রতি মালার বাবা জাহাঙ্গীর হাওলাদার মারা যাওয়ার পর মালা ও তার স্বামী মামুন বাউফলের মদনপুরা গ্রামে তার মা নার্গিস বেগমের সঙ্গেই থাকত।

  • চৌদ্দগ্রামে ডিইউজের জনকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদককে সংবর্ধনা

    চৌদ্দগ্রাম  প্রতিনিধি:
    দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের নির্বাহী সম্পাদক খন্দকার আলমগীর হোসেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন(ডিইউজে) এর জনকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হওয়ায় তাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

    এ উপলক্ষ্যে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামস্থ ডলি রিসোর্ট অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন খন্দকার আলমগীর হোসেন।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমাদের নতুন সময়ের চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি এম এ আলম, জাগো কুমিল্লা ডট কমের চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি মোঃ শাহীন আলম, ভোরের ডাক প্রতিনিধি সাংবাদিক আনিছুর রহমান, ঢাকার ব্যবসায়ী একেএম কামাল উদ্দিন, মোঃ ইয়াছিন, ইকবাল হোসেন টিপু, মোবারক হোসেন সাগর, কামরুল হাসান প্রমুখ।

  • দারিদ্রতার কাছেও হার মানেনি কুমিল্লার আরিফ ও শরীফ

    মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি:
    কখনো খেয়ে আবার কখনো না খেয়ে লেখাপড়া চালিয়ে যায় আরিফ ও শরীফ দুই ভাই। বাবা বিল্লাল হোসেন একজন সিএনজি অটো চালক। অনেক কষ্ট করে দুই ছেলেকে লেখাপড়া করিয়েছেন তিনি। কষ্টের উপার্জিত টাকার বেশির ভাগ ব্যয় করেছেন ছেলেদের লেখাপড়ার পেছনে। তার স্বপ্ন ছেলেরা মানুষের মতো মানুষ হবে, ভালো ফলাফল অর্জন করবে। দারিদ্রতার কাছেও হার মানেনি আরিফ ও শরীফ। চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় তারা দুই ভাই মনোহরগঞ্জ উপজেলার মান্দারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

    কঠোর পরিশ্রম ও কষ্টের কারণে তাদের এই সফলতা। দুজনেই বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। তাদের বাড়ি উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের মানরা গ্রামে। বাড়ি থেকে স্কুলের দূরত্ব অনেক বেশি । কিন্তু এই দুই ভাই পায়ে হেঁটে স্কুলে আসা যাওয়া করতো। তাদের পিতা-মাতা ছেলেদের লেখাপড়ার বিষয়ে সবসময় সচেতন থাকতেন।

    শত প্রতিকূলতাও তাদেরকে দমিয়ে রাখেনি। মা- বাবার কষ্ট আজ স্বার্থক হয়েছে। শিক্ষকদের আন্তরিকতায় ও সহযোগিতায় আজ আরিফ ও শরীফের এই সফলতা। আরিফ ও শরীফ দুই ভাই আশিয়াদারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শেষ করে। আরিফ প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও ট্যালেন্টপুল বৃত্তি অর্জন করে।

    এছাড়াও সে জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করে। আরিফ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বেশ কয়েকটি সার্টিফিকেট অর্জন করেছে। শরীফ একই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এ গ্রেড অর্জন করে।

    অন্যদিকে সে জেএসসি পরীক্ষায়ও এ গ্রেড অর্জন করে। আরিফ ও শরীফের বাবা বিল্লাল হোসেন আবেগ আপ্লুত কণ্ঠে বলেন, আজকে আমার কাছে খুবই ভাল লাগছে,আজকে আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি, আমার দুটি সন্তান এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। আমার কষ্ট স্বার্থক হয়েছে।

    আরিফের মা নাসরিন আক্তার জানান, আমার দুই ছেলেকে লেখাপড়া করানোর জন্য আমরা অনেক কষ্ট করেছি। আজকে আমার দুই ছেলে জিপিএ-৫ অর্জন করায় তাদের নিয়ে আমরা গর্বিত। আরিফরা চার ভাইবোন। তার মধ্যে আরিফ ও শরীফ দুই ভাই এবং তাদের আরেক ভাই হাফেজিয়া মাদ্রাসায় পড়ে, ছোট বোনটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। আরিফের স্বপ্ন সে একজন ডাক্তার হবে। অন্যদিকে শরীফের স্বপ্ন সে একজন ইঞ্জিনিয়ার হবে। তারা সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।

  • আদালতে ব্যাপক ‘হট্টগোল’ জামিন হল না খালেদার!

    অনলাইন ডেস্ক:
    জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত খালেদা জিয়াকে হাই কোর্টের দেওয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আপিল শুনানি ছিল আজ। যার ফলে সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ছিল দেখার মত। আদালত প্রাঙ্গণে ঢোকার সময় এক এক করে সবাইকে তল্লাশি করা হয়। তবে বাইরের পরিবেশ ঠাণ্ডা থাকলেও ভেতরের পরিবেশ ছিল অশান্ত।

    মঙ্গলবার (৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে আপিল শুনানি শুরু হয়। কিন্তু আইনজীবীদের ব্যাপক হট্টগোলের মাঝে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি আগামীকাল পর্যন্ত মুলতবী ঘোষণা করা হয়েছে।

    প্রথমে আদালতে বক্তব্য রাখেন দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। তিনি খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল চেয়েছেন। তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

    অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যে দুইবার আদালতে উপস্থিত বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা প্রতিবাদ করে উঠেন। অ্যাটর্নি জেনারেল তার বক্তব্যে বলেন, ‘খালেদা জিয়া রেস্টে আছেন’ এবং ‘এটি সবচেয়ে ফেয়ার ট্রায়াল’।

    তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পর খালেদা জিয়ার পক্ষে বক্তব্য রাখতে শুরু করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী। তিনি আদালতকে বলেন, দুদকের আইনজীবী ও অ্যাটর্নি জেনারেল যেসব বক্তব্য রেখেছেন তা রাজনৈতিক। রাষ্ট্রের আইন প্রধান আইন কর্মকর্তা হয়ে তিনি এসব বক্তব্য রাখতে পারেন না। তখন অ্যাটর্নি জেনারেল নিজেকে এ মামলার বাদি উল্লেখ করে বলেন তিনি এসব বলতে পারেন। এ নিয়ে অন্য আইনজীবীরা হট্টগোল শুরু করলে আদালত আজকের মতো শুনানি স্থগিত করে দেন।

    খালেদা জিয়ার পক্ষে আদালতে আরও উপস্থিত ছিলেন- ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ সিনিয়র আইনজীবীরা।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের লিভ টু আপিল এবং খালেদা জিয়ার জামিন বহাল চেয়ে তার পক্ষে দায়ের করা অপর একটি আপিল আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আজ দিন নির্ধারণ করেছিলেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

    গত ১৯ মার্চ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসাথে খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষকে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া দুই সপ্তাহের মধ্যে মামলার সারসংক্ষেপ জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়ে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল (আপিলের জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন) গ্রহণ করা হয়।

    আদেশের পর ওই দিন খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের অনুরোধে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, আমরা নিশ্চয়তা দিচ্ছি, ৮ মে এই মামলা শুনানির জন্য তালিকার শীর্ষে থাকবে। কোনো ধরনের মুলতবি ছাড়া বিরতিহীনভাবে শুনানি হবে। ৮ মে না হলেও ৯ মের মধ্যে এই মামলার নিষ্পত্তি করব।

    গত ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়াকে অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পরপরই তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন। একই রায়ে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অপর চার আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    এরপর গত ২০ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় নিম্ন আদালতের দেয়া সাজার রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার খালাস চেয়ে আপিল দায়ের করা হলে ১২ মার্চ চারটি যুক্তি আমলে নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন। জামিন আদেশে আদালত বলেন, আদেশ দেয়ার সময় আমরা যেসব বিষয় বিবেচনা করেছি সেগুলো হলো- এক. সাজার পরিমাণ (বিচারিক আদালতে তাকে যে স্বল্প মেয়াদের সাজা দেয়া হয়েছে); দুই, মামলাটির বিচারিক আদালতের নথি এসেছে এবং এটি আপিল শুনানির জন্য পেপার বুক তৈরি হয়নি; তিন. বিচারিক আদালতে মামলা চলাকালে তিনি নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিয়েছেন, তিনি জামিনে ছিলেন ও জামিনের অপব্যবহার করেননি এবং চার. তার বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার বিষয় বিবেচনা করা হলো।

    আদালত আরও বলেন, তিনি ৭৩ বছর বয়সী একজন নারী এবং দীর্ঘ দিন ধরে নানা রোগে আক্রান্ত। এসব বিবেচনা করে তাকে চার মাসের জামিন দেয়া হলো।

  • কুমিল্লায় বৃদ্ধ বাবাকে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন !

    (আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়, বুড়িচং )

    বুড়িচংয়ে অর্থ ও সম্পদের লোভে ৯দিন বাবাকে আটক রেখে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া যায়।  মঙ্গলবার সকালে তাকে উদ্ধার করে প্রতিবেশীরা বুড়িচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে এবং সংবাদ পেয়ে বুড়িচং থানার দেবপুর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান।

    চিকিৎসাধীন উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের কিং বাজেহুরা গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে নির্যাতিত নাজির আহম্মেদ (৭৬) বলেন, ২০ লাখ টাকা এবং সম্পত্তি ভাগবানোয়াট করে দেওয়ার জন্য ছেলে আবু জাফর কানু, জসিম উদ্দিন, জামসেদ আলম ও তার পুত্রবধু সহ দীর্ঘদিন ধরে আমাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছে।

    জামসেদ ও জসিম জোর করে ৭২ শতক জমি দলিল করে নিয়ে যায়। এব্যাপারে গ্রামবাসী কয়েকবার শালিশে বসে মিমাংসা করলেও ছেলেরা পরিবর্তন হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে ছেলেদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোর্টে একটি মামলা করেন । মামলার ভয়ে দুই পুত্র জসিম এবং জামসেদ দেশের বাইরে চলে গিয়েও সম্পত্তির লোভে বড় ভাই আবু জাফর কানু ও তাদের স্ত্রীদের দিয়ে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে।

    গত ৯দিন যাবৎ ঘরের আটকিয়ে রেখে সম্পত্তি ও ব্যাংকে ডিপিএস এর ২০ লাখ টাকা তাদেরকে দেওয়ার জন্য কয়েকবার প্রাণনাশের চেষ্টা চালায়। ৮ মে মঙ্গলবার সকালে তার চিৎকারে প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি মেম্বার শিপন ও ডাক্তার দেলোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

    সংবাদ পেয়ে বুড়িচং থানার দেবপুর ফাঁড়ির এসআই আল আমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ব্যাপারে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনোজ কুমার দে জানান, এ বিষয়টি যেনে পুলিশ পাঠিয়েছি এবং অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করিব।

  • কুমিল্লায় বৃদ্ধ বাবাকে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন !

    (আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়, বুড়িচং )

    বুড়িচংয়ে অর্থ ও সম্পদের লোভে ৯দিন বাবাকে আটক রেখে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া যায়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে তাকে উদ্ধার করে প্রতিবেশীরা বুড়িচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে এবং সংবাদ পেয়ে বুড়িচং থানার দেবপুর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান।

    চিকিৎসাধীন উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের কিং বাজেহুরা গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে নির্যাতিত নাজির আহম্মেদ (৭৬) বলেন, ২০ লাখ টাকা এবং সম্পত্তি ভাগবানোয়াট করে দেওয়ার জন্য ছেলে আবু জাফর কানু, জসিম উদ্দিন, জামসেদ আলম ও তার পুত্রবধু সহ দীর্ঘদিন ধরে আমাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছে।

    জামসেদ ও জসিম জোর করে ৭২ শতক জমি দলিল করে নিয়ে যায়। এব্যাপারে গ্রামবাসী কয়েকবার শালিশে বসে মিমাংসা করলেও ছেলেরা পরিবর্তন হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে ছেলেদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোর্টে একটি মামলা করেন । মামলার ভয়ে দুই পুত্র জসিম এবং জামসেদ দেশের বাইরে চলে গিয়েও সম্পত্তির লোভে বড় ভাই আবু জাফর কানু ও তাদের স্ত্রীদের দিয়ে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে।

    গত ৯দিন যাবৎ ঘরের আটকিয়ে রেখে সম্পত্তি ও ব্যাংকে ডিপিএস এর ২০ লাখ টাকা তাদেরকে দেওয়ার জন্য কয়েকবার প্রাণনাশের চেষ্টা চালায়। ৮ মে মঙ্গলবার সকালে তার চিৎকারে প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি মেম্বার শিপন ও ডাক্তার দেলোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

    সংবাদ পেয়ে বুড়িচং থানার দেবপুর ফাঁড়ির এসআই আল আমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ব্যাপারে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনোজ কুমার দে জানান, এ বিষয়টি যেনে পুলিশ পাঠিয়েছি এবং অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করিব।

  • ‘থ্যালাসিমিয়া প্রতিরোধে নিকটআত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে করা যাবে না ’

    (বারী উদ্দিন আহমেদ বাবর, নাঙ্গলকোট)

    “বিয়ের আগে পরীক্ষা করলে রক্ত, সন্তান থাকবে থ্যালাসিমিয়া মুক্ত ” এ স্লোগানকে সামনে রেখে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বিশ্ব থ্যালাসিমিয়া দিবস পালিত হয়েছে।

    এ উপলক্ষে  মঙ্গলবার দুপুরে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভা কক্ষে এক সভার আয়োজন করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ দেব দাস দেব, প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক সময়ের দর্পণ পত্রিকার সম্পাদক এএফএম শোয়ায়েব, ডা: নিলুফার পারভীন, আনন্দ টিভির নাঙ্গলকোট উপজেলা প্রতিনিধি কামাল হোসেন জনি প্রমুখ।

    এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডাক্তার, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলন। এসময় থ্যালাসিমিয়া রোগ কি, এ রোগ কেন হয় এবং এ রোগ প্রতিরোধে করনীয় কি। এনিয়ে একটি শর্ট ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী দেখানো হয়।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ দেব দাস দেব তার বক্তব্যে বলেন, থ্যালাসিমিয়া প্রতিরোধে করনীয় হলো নিকটতম আত্মীয় স্বজনের সাথে বিয়ে না করা, বিয়ের আগে হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোকোরেসিস পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া। তা হলেই কেবল এ রোগ প্রতিরোধ সম্ভব হবে।

    তিনি বলেন এ রোগের প্রকোপ শিশুদের মাঝে বেশী। তবে কোন শিশুর এ রোগ হলে ভয়ের কোন কারণ নেই। কেননা এ রোগ ছোঁয়াছে নয়। এটি একটি জেনেটিক রোগ। আমাদের দেশে মাত্র ৭ শতাংশ লোকের মাঝে রোগটি বিদ্যমান রয়েছে। সুতরাং একমাত্র সচেতনতাই পারে এ রোগ প্রতিরোধের প্রধান সহায়ক।