Author: bikedokan@gmail.com

  • ফেসবুকে ভারতীয় তরুণীর অদ্ভুত কাণ্ড ‘ডেটিং অ্যাপ’ আনলেন জাকারবার্গ!

    অনলাইন ডেস্ক:
    ভারতের কেরালার মেয়ে জ্যোতি কে জি। এই তরুণী সপ্তাহ দুয়েক আগে এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটিয়ে ছিলেন। তা হলো- ২৮ বছরের এই তরুণী ‘ফেসবুক অ্যাকাউন্টে’ নিজেই নিজের বিয়ের বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন।

    মালয়লি/মালায়ালাম ভাষায় লেখা নিজের বিয়ের বিজ্ঞাপনে জ্যোতি লিখেছিলেন, ‘আমি অবিবাহিত, আমার বন্ধুবান্ধব যদি কাউকে চেনেন, তাহলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন। আমার কোনো দাবি নেই। জাত ও কুণ্ডলী বিচারে কোনো আগ্রহ নেই। আমার বাবা-মা গত হয়েছেন (মারা গেছেন)। ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে স্নাতক পাস করেছি। আমার বয়স ২৮ বছর। আমার ভাই মুম্বাইয়ে কর্মরত ও ছোট বোন পড়াশোনা করছে। আমার ঠিকানা…।’

    ফেসবুকে এই অভিনব কায়দায় বিজ্ঞাপন দেয়ার পরে অসংখ্য বিয়ের প্রস্তাব পান জ্যোতি। অনেকে তাকে শুভেচ্ছাও জানান। গত ২৬ এপ্রিল জ্যোতির ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা সেই বিয়ের বিজ্ঞাপনটিতে ইতোমধ্যে ১১ হাজারের বেশি লাইক পড়েছে। এবং ৬ হাজারেরও বেশি বার শেয়ার হয়েছে।

    #FacebookMatrimony #FBMatrimony দিয়ে নিজের বিয়ের বিজ্ঞাপনটি পোস্ট করার পাশাপাশি, ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গকেও একটি বার্তা পাঠান কেরালার মেয়ে জ্যোতি কে জি।জ্যোতির ইংরেজিতে লেখা সেই বার্তায় তিনি মার্ক জাকারবার্গ ও তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যানকে অনুরোধ করেন ফেসবুকে ‘ম্যাট্রিমোনিয়াল সার্ভিস’ শুরু করার।

    জ্যোতির ভাষ্য, এমন টা হলে তার মতো অনেকেই খুব উপকৃত হবেন বলে মনে করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত ১ মে এক সম্মেলনে ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ ঘোষণা করেন একটি ডেটিং অ্যাপের কথা, যা খুব শিগগিরই লঞ্চ হবে ফেসবুকে।

    ফেসবুক কর্তার কথায়, এই অ্যাপের লক্ষ্য হবে ‘রিয়্যাল লং-টার্ম’ সম্পর্ক গড়ে তোলা। প্রচলিত ডেটিং অ্যাপ ‘টিন্ডার’-এর মতো বেশ কিছু ফিচার থাকবে ফেসবুকের এই নতুন ডেটিং অ্যাপে।এর আগে, ২০১৭ সালে এমনই একটি বিয়ের বিজ্ঞাপন ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন কেরালারই রঞ্জিশ মঞ্জরী নামে একজন ব্যক্তি। আর আনন্দের খবর হলো- চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই তার বিয়ে হয়েছে বলে জানা যায়।

  • চৌদ্দগ্রামে ব্যাগভর্তি গাঁজাসহ আটক ২

    (মোঃ শাহীন আলম ,চৌদ্দগ্রাম )

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ১৫ কেজি গাঁজাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন-পৌর এলাকার গোমারবাড়ি গ্রামের কবির আহমদের পুত্র রিপন(২৮) ও শ্রীপুর ইউনিয়নের পারুয়ারা গ্রামের আবদুল মতিনের পুত্র ইদ্রিস মিয়া(৩৬)।

    বুধবার দুপুরে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই শাহজাহান ও এএসআই হিরণ কুমার দে।
    তারা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে রিপনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ব্যাগভর্তি ১৫ কেজি গাঁজাসহ তাদেরকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে।

  • ‘তুই মুজিবুর রহমান অনিকরে চিনস না! আমি মিরপুরের বাঘ’( ভিডিও)

    অনলাইন ডেস্ক:
    ছাত্র রাজনীতি যেখানে মহত্ত্বের প্রতীক বহন করে, সেখানে কিছু রাজনীতিবিদ সময়ে সময়ে এ মহত্ত্বকে কলুষিত করে তোলে। মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান অনিকের ছাত্রী পেটানোর ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।আলোচিত এ ভিডিও ভাইরালের পর সবারই প্রশ্ন- কেন এই মেয়েকে এভাবে পেটালেন অনিক? কেন বার বার আলোচনায় আসে বাঙলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগ?

    এসব প্রশ্নের উত্তর চাইলে দীর্ঘ রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কথা জানালেন ছাত্রলীগ নেতা অনিকের নির্যাতনের শিকার শুভ্র মাহমুদ ওরফে আসমতআরা সুলতানা।তার কথায় অনিকের অপকর্মের বেড়াল থলে থেকে বেরিয়ে এসেছে। প্রকাশ পেয়েছে মুজিবুর রহমান অনিকের উত্থানের পেছনের তথ্য, হত্যা, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের ঘটনায় তিনটি মামলা নিয়েও কীভাবে সভাপতি হলেন?

    শুভ্রর ভাষ্যে, মামলা প্রত্যাহারে তাকে ১০ লাখ টাকার সমঝোতার প্রস্তাব করা হয়েছিল।

    অনিকের সঙ্গে দ্বন্দ্বের বিষয়ে শুভ্র মুঠোফোনে বলেন, অনিকের সঙ্গে আমার একটা লম্বা রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। ২০১১-১২ সেশনে আমি বাঙলা কলেজে ভর্তি হলাম। ছোটবেলা থেকেই ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত, ওই সূত্র ধরেই এখানেও সম্পৃক্ত হলাম। অবশ্য তখন বাঙলা কলেজে ছাত্রলীগের কোনো কমিটি ছিল না, গণজাগরণ মঞ্চসহ নানা আন্দোলন-সংগ্রামে আমরা সম্পৃক্ত হতাম। ২০১৪ সালে কমিটি হলো; জাহিদ-অনিক পরিষদ। জাহিদ মাহমুদ সভাপতি, মুজিবুর রহমান অনিক সাধারণ সম্পাদক ছিল। আমি কোনো গ্রুপ করতাম না। এদের কারও সঙ্গে ছিলামও না। আমি মূলত শেখ হাসিনার গ্রুপ চিনি, ভাই-ব্রাদার গ্রুপ করি না। কিন্তু, অভিভাবক হিসেবে সব ছাত্রলীগ নেতাকে সম্মান করতাম। কেউ নির্যাতন করলে প্রতিবাদও করতাম।

    তিনি বলেন, ‘তৎকালীন নারী নেত্রী ছিলেন জহুরা বৃষ্টি। সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান অনিক ছিলেন প্রচণ্ড লোভী ও হিংস্র। তিনি জহুরা বৃষ্টিকে নানাভাবে কলঙ্কিত করে এক পর্যায়ে শেষই করে দেন। কিন্তু, কাজটি এমনভাবে করেন, খুনের দোষ গিয়ে পড়ে জাহিদ মাহমুদের ওপর। তিনি গ্রেফতার হয়ে জেলও খেটেছেন। পরে ছাত্রলীগ থেকে তাকে অব্যাহতিও দেয়া হয়।’

    এই ছাত্রলীগ নেত্রীর ভাষ্যে, পরে জাহিদ মাহমুদকে ফাঁসিয়ে সেই একই মামলার আসামি অনিক কোনো এক অদৃশ্য হাতের ইশারায় বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হয়ে যান, এটা ২০১৫ সালের ঘটনা। এর মাঝে ছাত্রলীগের মেয়ে কর্মী বলে আর কেই নেই। আমিই তখন সিনিয়র। অনিকসভাপতি হয়ে কলেজে আসার পর নতুন রূপ ধারণ করলেন।

    তিনি বলেন, ‘অনিক ছাত্রছাত্রীদের অত্যাচার করতেন, জিম্মি করে অর্থ আদায় করতেন। ওয়াসা, এশিয়া হল, কলেজের সামনের দোকানগুলো, বিপরীতে ড্যাব, ডেল্টা, ঢাকা হাসপাতাল থেকেও মাসিক চাঁদা তুলতেন। ভর্তি বাণিজ্য তো ছিলই। আমি এসবের প্রতিবাদ করতাম। ২০১৫ সালের শেষের দিকে আমার পরিচিত এক ছোট ভাইকে ভর্তি করতে গেলে, অনিক আমার কাছেও টাকা দাবি করে বসেন। আমি প্রতিবাদ করলে তখন তিনি হাসতে হাসতে বলেন- তুই বেশি সাহসী, প্রতিবাদী? বাঙলা কলেজে এত সাহসী ও প্রতিবাদী হওয়া ভালো না।’

    শুভ্র জানান, অনিক আমাকে বলল, তুই ঘরে ঘুমিয়ে থাকলেও দলের পদ পাবি। এখানে কোনো মেয়েকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেব না। তখন তাকে আমি চ্যালেঞ্জ করি। এরপর থেকেই তার সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধ দানা বাঁধল। আমার পিছনে কর্মীদের লেলিয়ে দিল। মামলা করলাম, ওরা জেলও খাটল। জেল থেকে বেরিয়ে অনিক আমাকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য চাপ দিলেন। এক পর্যায়ে নিজে আমার ডান হাতে কোপ দিলেন। সাতটা সেলাই লাগল। হুমকি দিল- ছেলেদের দিয়ে করালে তুই তাদের জীবন শেষ করে দিবি। তাই নিজে কোপালাম, যাতে কাউকে বিশ্বাস করাতে না পারিস। সত্যিই অর্থ দিয়ে পত্রিকায় রিপোর্ট করাল, আমার বিপক্ষে। মামলা করলাম। এরপরও ভয়ে ঘুমাতে পারতাম না। বিচার আর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ছাত্রলীগের নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরলাম। কিন্তু, কাউকে বিশ্বাসই করাতে পারলাম না অনিক আমাকে আঘাত করেছেন। এরপর দেড় বছর ধরে পুলিশ কমিশনার, ডিসি, ওসির কাছে ঘুরেছি। কিছুই করতে পারিনি তার। উল্টো আমার ভর্তি বাতিল হয়ে গেল। পরে ২০১৭ সালে লুকিয়ে বন্ধুবান্ধব দিয়ে ডিগ্রিতে ভর্তি হলাম। অনিকের হাত থেকে বাঁচতে এফিডেভিট করে নামও পরিবর্তন করেছি। কিন্তু, কোনো লাভ হল না। স্থানীয় এমপি আমাকে বাধ্য করল মামলা তুলতে। এরপর কলেজ শাখা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলো, সেখানে সহ-সভাপতি হলাম।

    তিনি জানান, পদ পাওয়ার পর অনিক ক্যাম্পাসে ডেকে নিয়ে সবার সামনে বললেন, এতদিন যা হইছে ভুলে যাই। তুই আমার ছোট বোন। আমরা এক সঙ্গে থাকতে চাই। কিন্তু পরে বুঝেছি সবই ওর নাটক ছিল।

    ২০১৭ সালের অক্টোবরের ২০ তারিখে একটি মেয়ে আমার সাহায্য চাইল। অনিক বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তার সঙ্গে নাকি মেলামেশা করেছেন। পরে মেয়েটির বিষয়ে আমি অনিক ও জীবনের (সাধারণ সম্পাদক) সঙ্গে কথা বললাম। তখন অনিক বলল, কতজনই কত কিছু বলবে, এখন বিপদের সময় তোরা আমার পাশে থাকবি। কিন্তু, এটাও তার নাটক ছিল। সেদিনই একটি মেয়ে দারুস সালামে আমার বাসায় উঠল। টু-লেট দেখে সে এসেছে বলে জানাল। দু’দিন বাদে জানলাম অনিকের ধর্ষণের শিকার মেয়েটিই আমার বাসায় উঠেছে। মেয়েটি অনিকের সঙ্গে তার কথোপকথনের দেড় হাজার অডিও ক্লিপস দিল। ২২শ’র মত মেসেজ দেখাল। অনিকের সঙ্গে তার অনেকগুলো অন্তরঙ্গ ছবি দিল। পরে বুঝলাম এসবই ছিল অনিকের সাজানো চাল।

    শুভ্র দাবি করেন, গতবছরে হঠাৎ একদিন আমার বাসায় অতর্কিত হামলা হলো। অনিক পুলিশ সঙ্গে নিয়ে মারধর করল। তাকে বললাম, আপনি আমার বাসায় এসে গায়ে হাত তোলার সাহস কই পাইলেন? তখন অনিক আমাকে বললেন, ‘তুই মুজিবুর রহমান অনিকরে চিনস না! আমি মিরপুরের বাঘ।’ আমার পেছনে লাগার মত কলিজা তুই কেন করছিলি? তুই চিনস না আমারে? অতীতে আমার প্রমাণ পাস নাই? আজকে তোরে মেরেই ফেলব।

    তবে তার সহযোগীরা পরামর্শ দিলো, ভাই মেয়ে মানুষ মেরে ফেললে ফেঁসে যাবেন। তখন আমার একটি পা ভেঙে দেয়া হলো। কানে আঘাত করা হলো। কানের অপারেশন করাইছি। কিন্তু, এখনো টেনে টেনে হাঁটি।

    তিনি বলেন, সে সময়ে বহিষ্কার করা হলেও এখন দেখছি বহিষ্কারাদেশ তুলে স্বপদে বহাল করা হয়েছে। এরপর যেখানে গেছি, সবাই বলছে, অনিক তোদের মারছে প্রমাণ কই?

    শুভ্র বলেন, ‘এই মামলা তুলে নিতে অনিক আমাকে ১০ লাখ টাকা প্রস্তাব করেছে। ও নিজেও বলেছে। আবার মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্নার মাধ্যমেও বলিয়েছে। আমি বলেছি, আমার টাকার দরকার নাই। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও জাকির হোসাইনের সামনে গিয়ে মাফ চাইলে মাফ করে দেব।’

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি ছাত্রলীগ নেতা মুজিবুর রহমান অনিকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে দেখা গেছে, ছাত্রলীগ নেতা অনিক ও সাদেক প্রধানিয়া মিলে দুই তরুণীকে বেদম পেটাচ্ছেন।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভিকটিম তরুণীদের একজন শুভ্র মাহমুদ ওরফে আসমতআরা সুলতানা ওরফে জ্যোতি। তিনি মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। আরেকজন তারই পরিচিত এবং রুমমেট।পেটানোর ভূমিকায় অনিক মিরপুর বাঙলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাদেক প্রধানিয়া একই শাখার পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক।

    ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ গত ৪ মে সরকারি বাঙলা কলেজ শাখার সব সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করেছে।

    ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

    https://www.facebook.com/264334024053786/videos/360529644434223/

  • দুই মেয়েকে খুন করে মায়ের আত্মহত্যা : রেখে যাওয়া চিরকুটে রহস্য!

    অনলাইন ডেস্ক:

    রাজধানীর দারুসসালামে দুই শিশুকন্যাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর মা জেসমিন আক্তার নিজেও আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা। তবে ময়নাতদন্ত শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, ব্যতিক্রমধর্মী আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে নিহতদের শরীরে। এদিকে ঘটনার নতুন রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে জেসমিন আক্তারের কর্মস্থল থেকে উদ্ধার করা সুইসাইড নোট নিয়েও।

    তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। আর জেসমিন আক্তারের অফিস থেকে প্রাওয়া সুইসাইড নোট পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। সেখানে হস্তাক্ষর বিশ্লেষকদের সহযোগিতা নেয়া হবে।

    দারুসসালাম থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর ৮ দিনেও মামলা করেনি নিহতের পরিবার। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

    পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলছেন, দুই মেয়েসহ মা জেসমিন আক্তারের মৃত্যুর রহস্যে পরিবারের কোনো সদস্যও সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়। নিহত তিনজনের শরীরে যেরকম আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে তা অস্বাভাবিক। আত্মহত্যাকারী নিজের গলা কেটে, দুই হাতের রগ কাটার পর দুই শিশুকন্যাকে ছুরিকাঘাত করতে পারেন কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে মৃত্যুর আগে মা কিংবা ওই দুই শিশুকে কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা তা জানা যাবে ভিসেরা রিপোর্টের পর।

    গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যার পর রাজধানীর দারুসসালাম থানাধীন পাইকপাড়া সি টাইপ সরকারি কোয়ার্টারের ১৩৪ নং ভবনের চতুর্থ তলা থেকে মা ও দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    নিহত মা জেসমিন আক্তার (৩৫) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কোষাধ্যক্ষ পদে চাকরিরত ছিলেন। স্বামী হাসিবুল ইসলাম জাতীয় সংসদের সহকারী লেজিসলেটিভ ড্রাফ্সম্যান হিসেবে কর্মরত। হাসিবুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড়ের ভজনপুর গ্রামে। জেসমিনের বাবার বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে।

    নিহত দুই মেয়ের নাম হাসিবা তাহসিন হিমি (৮) ও আদিবা তাহসিন হানি (৪)। হাসিবা মডেল একাডেমিতে ক্লাশ টুতে পড়ছিল। ঘটনার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    মরদেহের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান এএম সেলিম রেজা বলেন, নিহতদের শরীরে আঘাতের ধরনগুলো ‘ব্যতিক্রমধর্মী’।

    তিনি বলেন, নিহত তিনজনের গলা কাটা ছিল। জেসমিনের গলার পাশাপাশি দুই হাতের কবজির কাছে কাটা ছিল। বুকে ছিল কমপক্ষে ১২টি আঘাতের চিহ্ন। বড় মেয়ে হিমির পেটে তিনটি আঘাতের চিহ্ন। তার বাম হাতের কবজি কাটা ছিল। ছোট মেয়ে হানির পেটে একটি এবং ডান হাতের কবজির কাছে কাটা ছিল। মৃত্যুর আসল কারণ জানতে ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ‘জেসমিনের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এত কাটার দাগ থাকায় প্রশ্ন উঠছে, আত্মহননের পথ বেছে নিতে কীভাবে নিজের গলা ও হাত কাটার পর শিশুকন্যাদের ছুরিকাঘাতে হত্যা করা সম্ভব! আবার ঘটনার সময় বাসায় অন্য বাসিন্দারা থাকলেও কেন তারা বিষয়টি সামান্য আঁচ করতে পারেননি তাও সন্দেহের উদ্রেক করে।

    তিনি বলেন, অবশ্য মানসিকভাবে চরম ভারসাম্যহীন হলে হয়তো তা সম্ভব। চিরকুট পাওয়ার পর এ ধারণা আরও জোরালো হয়েছে। তবে জেসমিন আক্তার দুই মেয়েকে আগেই কিছু খাইয়েছিলেন কিনা কিংবা মানসিকভাবে ভারমাস্যহীন ছিলেন কিনা তা প্রমাণ সাপেক্ষ। ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্টের অপেক্ষা থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

    ঘটনার দিন রাতে নিহত জেসমিনের খালাতো বোন রেহানা পারভীন জানান, জেসমিন অনেক দিন ধরে মানসিক সমস্যা ও মাইগ্রেনের ব্যথায় ভুগছিলেন। সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সারাক্ষণ তিনি দুশ্চিন্তা করতেন। দেশ-বিদেশে তিনি চিকিৎসাও নিয়েছেন।

    ঘটনার সময় নিজ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। ভেতরে উচ্চস্বরে টেলিভিশন ও ফ্যানও চলছিল। সে কারণে হয়তো ভেতর থেকে সাড়া-শব্দ পাওয়া যায়নি।

    অন্যদিকে জেসমিনের স্বামী হাসিবুল ইসলাম বলেন, মাসখানেক আগে জেসমিন আক্তার আত্মহত্যার চেষ্টা করার পর তিনি দুই সন্তানের নিরাপত্তায় পাহারা বসিয়েছিলেন, যাতে দুই সন্তানসহ স্ত্রীর কোনো ক্ষতি না হয়। তবে শেষ রক্ষে হলো না।

    যোগাযোগ করা হলে ডিএমপি’র মিরপুর বিভাগের দারুসসালাম জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর আলম জাগো নিউজকে বলেন, নিহত জেসমিন আক্তারের কর্মস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। চিরকুটটিতে লেখা ‘আমি বেঁচে থাকার কোনো রাস্তা খুঁজে পাচ্ছি না। আমার সব দিকে অন্ধকার নেমে আসছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে হলো। আমার মৃত্যুর জন্য আমার নির্মম দুর্ভাগ্যই দায়ী।’ চিরকুট লিখে নিচে নিজের নাম ও তারিখ লিখে রেখেছিলেন তিনি। এটি লেখার তারিখ ৩০ এপ্রিল।

    জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে তার সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত করেছেন চিরকুটের লেখা জেসমিন আক্তারের নিজের হাতে। তবুও আমরা তদন্তের স্বার্থে চিরকুট নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করবো। লেখা জেসমিন আক্তারের কিনা তা নিশ্চিত হতে সিআইডি ও হস্তাক্ষর বিশ্লেষকদের সহযোগিতা নেয়া হবে। পূর্ণাঙ্গ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও ভিসেরা রিপোর্ট পাবার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে

  • দুই মেয়েকে খুন করে মায়ের আত্মহত্যা : চিরকুটে রহস্য!

    অনলাইন ডেস্ক:
    রাজধানীর দারুসসালামে দুই শিশুকন্যাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর মা জেসমিন আক্তার নিজেও আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা। তবে ময়নাতদন্ত শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, ব্যতিক্রমধর্মী আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে নিহতদের শরীরে। এদিকে ঘটনার নতুন রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে জেসমিন আক্তারের কর্মস্থল থেকে উদ্ধার করা সুইসাইড নোট নিয়েও।

    তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। আর জেসমিন আক্তারের অফিস থেকে প্রাওয়া সুইসাইড নোট পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। সেখানে হস্তাক্ষর বিশ্লেষকদের সহযোগিতা নেয়া হবে।

    দারুসসালাম থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর ৮ দিনেও মামলা করেনি নিহতের পরিবার। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

    পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলছেন, দুই মেয়েসহ মা জেসমিন আক্তারের মৃত্যুর রহস্যে পরিবারের কোনো সদস্যও সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়। নিহত তিনজনের শরীরে যেরকম আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে তা অস্বাভাবিক। আত্মহত্যাকারী নিজের গলা কেটে, দুই হাতের রগ কাটার পর দুই শিশুকন্যাকে ছুরিকাঘাত করতে পারেন কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে মৃত্যুর আগে মা কিংবা ওই দুই শিশুকে কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা তা জানা যাবে ভিসেরা রিপোর্টের পর।

    গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যার পর রাজধানীর দারুসসালাম থানাধীন পাইকপাড়া সি টাইপ সরকারি কোয়ার্টারের ১৩৪ নং ভবনের চতুর্থ তলা থেকে মা ও দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    নিহত মা জেসমিন আক্তার (৩৫) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কোষাধ্যক্ষ পদে চাকরিরত ছিলেন। স্বামী হাসিবুল ইসলাম জাতীয় সংসদের সহকারী লেজিসলেটিভ ড্রাফ্সম্যান হিসেবে কর্মরত। হাসিবুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড়ের ভজনপুর গ্রামে। জেসমিনের বাবার বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে।

    নিহত দুই মেয়ের নাম হাসিবা তাহসিন হিমি (৮) ও আদিবা তাহসিন হানি (৪)। হাসিবা মডেল একাডেমিতে ক্লাশ টুতে পড়ছিল। ঘটনার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    মরদেহের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান এএম সেলিম রেজা বলেন, নিহতদের শরীরে আঘাতের ধরনগুলো ‘ব্যতিক্রমধর্মী’।

    তিনি বলেন, নিহত তিনজনের গলা কাটা ছিল। জেসমিনের গলার পাশাপাশি দুই হাতের কবজির কাছে কাটা ছিল। বুকে ছিল কমপক্ষে ১২টি আঘাতের চিহ্ন। বড় মেয়ে হিমির পেটে তিনটি আঘাতের চিহ্ন। তার বাম হাতের কবজি কাটা ছিল। ছোট মেয়ে হানির পেটে একটি এবং ডান হাতের কবজির কাছে কাটা ছিল। মৃত্যুর আসল কারণ জানতে ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ‘জেসমিনের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এত কাটার দাগ থাকায় প্রশ্ন উঠছে, আত্মহননের পথ বেছে নিতে কীভাবে নিজের গলা ও হাত কাটার পর শিশুকন্যাদের ছুরিকাঘাতে হত্যা করা সম্ভব! আবার ঘটনার সময় বাসায় অন্য বাসিন্দারা থাকলেও কেন তারা বিষয়টি সামান্য আঁচ করতে পারেননি তাও সন্দেহের উদ্রেক করে।

    তিনি বলেন, অবশ্য মানসিকভাবে চরম ভারসাম্যহীন হলে হয়তো তা সম্ভব। চিরকুট পাওয়ার পর এ ধারণা আরও জোরালো হয়েছে। তবে জেসমিন আক্তার দুই মেয়েকে আগেই কিছু খাইয়েছিলেন কিনা কিংবা মানসিকভাবে ভারমাস্যহীন ছিলেন কিনা তা প্রমাণ সাপেক্ষ। ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্টের অপেক্ষা থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

    ঘটনার দিন রাতে নিহত জেসমিনের খালাতো বোন রেহানা পারভীন জানান, জেসমিন অনেক দিন ধরে মানসিক সমস্যা ও মাইগ্রেনের ব্যথায় ভুগছিলেন। সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সারাক্ষণ তিনি দুশ্চিন্তা করতেন। দেশ-বিদেশে তিনি চিকিৎসাও নিয়েছেন।

    ঘটনার সময় নিজ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। ভেতরে উচ্চস্বরে টেলিভিশন ও ফ্যানও চলছিল। সে কারণে হয়তো ভেতর থেকে সাড়া-শব্দ পাওয়া যায়নি।

    অন্যদিকে জেসমিনের স্বামী হাসিবুল ইসলাম বলেন, মাসখানেক আগে জেসমিন আক্তার আত্মহত্যার চেষ্টা করার পর তিনি দুই সন্তানের নিরাপত্তায় পাহারা বসিয়েছিলেন, যাতে দুই সন্তানসহ স্ত্রীর কোনো ক্ষতি না হয়। তবে শেষ রক্ষে হলো না।

    যোগাযোগ করা হলে ডিএমপি’র মিরপুর বিভাগের দারুসসালাম জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর আলম জাগো নিউজকে বলেন, নিহত জেসমিন আক্তারের কর্মস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। চিরকুটটিতে লেখা ‘আমি বেঁচে থাকার কোনো রাস্তা খুঁজে পাচ্ছি না। আমার সব দিকে অন্ধকার নেমে আসছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে হলো। আমার মৃত্যুর জন্য আমার নির্মম দুর্ভাগ্যই দায়ী।’ চিরকুট লিখে নিচে নিজের নাম ও তারিখ লিখে রেখেছিলেন তিনি। এটি লেখার তারিখ ৩০ এপ্রিল।

    জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে তার সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত করেছেন চিরকুটের লেখা জেসমিন আক্তারের নিজের হাতে। তবুও আমরা তদন্তের স্বার্থে চিরকুট নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করবো। লেখা জেসমিন আক্তারের কিনা তা নিশ্চিত হতে সিআইডি ও হস্তাক্ষর বিশ্লেষকদের সহযোগিতা নেয়া হবে। পূর্ণাঙ্গ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও ভিসেরা রিপোর্ট পাবার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে

  • চৌদ্দগ্রামে অজ্ঞাত যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

    মো: শাহীন আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির(৩৬) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম পৌর এলাকার অফ বিট রিসোর্ট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

    এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই আতিকুর বিশ্বাস মুকুল বলেন, মহাসড়কে ডিউটিরত অবস্থায় লাশটি দেখে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। লাশটির শরীরের বিভিন্ন অংশ থেতলানো। তার পরিচয় জানা যায়নি

  • সেই শিক্ষার্থীকে পুলিশের কাছ থেকে মুক্ত করলেন জাফর ইকবাল

    অনলাইন ডেস্ক:
    সন্দেহজনক আচরণের কারণে আটক সিলেট মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম রাকিবে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। জনপ্রিয় লেখক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের অনুরোধে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, খোঁজখবর নিয়ে আটক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সন্দেহজনক কোনো কিছু না পাওয়ায় ও জাফর স্যারের সুপারিশে তাকে মঙ্গলবার (৯ মে) সকালে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

    ছাড়া পেয়ে রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, তিনি আরও বলেন, ভুলটা আমারই ছিল। জাফর স্যারের কক্ষে একটা ভুল বুঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছিল। আমি স্যারের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। স্যার যেন আমার জন্য দোয়া করেন। উনি ভালো থাকুন, এটাই আমার চাওয়া।

    রাকিব বলেন, স্যার নিজে থানায় এসে আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। পরে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আমার মুক্তির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুরে শাবি ক্যাম্পাসের এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবনে অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের কক্ষে দোয়া নিতে যান রাকিব। এ সময় জোহরের আজান দিলে জাফর ইকবালকে নামাজের কথা বলেন ওই শিক্ষার্থী। এ ধরনের আচরণে সন্দেহ তৈরি হলে রাকিবকে আটক করে পুলিশ। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে জালালাবাদ থানায় নিয়ে আসা হয়।

  • যে কারণে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে গেলেন ট্রাম্প

    অনলাইন ডেস্ক:
    ইরানের সাথে পারমাণবিক চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন। একই সাথে ইরানের উপর পারমাণবিক এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের সাথে যে পরমাণু চুক্তি করা হয়েছে সেটি বজায় থাকলে দেশটি পারমাণবিক শক্তি অর্জন করবে। তিনি বলেন, এ ধরনের চুক্তি কখনোই করা উচিত হয়নি। ইরান সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন দিচ্ছে। লেবাননের হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের হামাস এবং আল-কায়েদাকে ইরান সমর্থন দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

    ট্রাম্প বলেন, আমরা যদি এখন কিছু না করি, তাহলে আমরা জানি ভবিষ্যতে কী হবে। ইরানের সাথে পারমাণবিক চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রে একজন নাগরিক হিসেবে তার জন্য বিব্রতকর বলে মনে করেন ট্রাম্প।

    ২০১৫ সালে ইরানের সাথে পারমাণবিক চুক্তি করেছিল পৃথিবীর বৃহৎ শক্তির দেশ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, রাশিয়া এবং জার্মানি । বারাক ওবামা যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন সে সময় ইরানের সাথে পৃথিবীর বৃহৎ শক্তিগুলো পরমাণু চুক্তি করেছিল।

    সে চুক্তির মূল বিষয় ছিল, ইরান পরমাণু কার্যক্রম বন্ধ রাখবে এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি কমিশন ইরানের যে কোন পরমাণু স্থাপনায় যে কোন সময় পরিদর্শন করতে পারবে। অর্থাৎ ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে সেজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইরানকে নজরদারীর মধ্যে রাখতে পারবে। এর বিনিময়ে ইরানের উপর থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ তুলে নেয়া হয়েছিল।

    কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার পক্ষ থেকে আবার নতুন করে অর্থনৈতিক ইরানের উপর অবরোধ আরোপ করেছেন।
    ইরানের সাথে পরমাণু চুক্তি থেকে আমেরিকা যাতে সরে না যায় সেজন্য ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানি বেশ কিছুদিন ধরে ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন।

    কিন্তু আমেরিকার মিত্র দেশগুলোর আহ্বানে কোন গুরুত্ব দেননি ট্রাম্প। তিনি এতদিন ধরে যুক্তি তুলে ধরেছেন যে ইরানের সাথে যে চুক্তি করা হয়েছে সেটি শুধু দেশটির পারমাণবিক কার্যক্রমের উপর এবং এ চুক্তি মাত্র সাত বছরের জন্য।

    সে চুক্তিতে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কার্যক্রম বন্ধের বিষয়ে কিছু নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। ট্রাম্প এ চুক্তিকে ত্রুটিপূর্ণ এবং একপেশে হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি মনে করেন, এর মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন থামানো যাবে না।

    ইরানের উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো ইরানের সাথে ব্যবসা করছে তাদের ছয়মাস সময় দেয়া হয়েছে যাতে তারা সেসব ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে। সেটি না করলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। কোন দেশ যদি ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টাকে সহায়তা করে তাহলে আমেরিকা তাদের উপরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

  • বাংলাদেশের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণা

    অনলাইন ডেস্ক:
    আগামী ১০ মে-তেই মহাকাশে ডানা মেলবে বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। স্পেসএক্সের উৎক্ষেপণের শীর্ষ তালিকায় নাম রয়েছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর।

    আগামী ১০ মে উৎক্ষেপণের জন্য চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে স্পেসএক্স। সংস্থাটির এক টুইট বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরাল থেকে প্যাড ৩৯-এ থেকে ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটে করে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হবে।

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিটিআরসি স্পেসএক্স-এর বরাত দিয়ে দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে।

    মঙ্গলবার বিকেলে স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণের চূড়ান্ত সময় হালনাগাদ করা হয়েছে। ফলে স্পেসফ্লাইট নাউ-এর অনলাইনে এবং স্পেসএক্স এর ওয়েবসাইটে নতুন সময়সূচি দেখা যাচ্ছে। সেখানে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য চূড়ান্ত দিনক্ষণ লেখা হয়েছে ১০ মে।

    এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হচ্ছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে দেয়া হচ্ছে ১ হাজার ৫৪৪ কোটি টাকা। আর ঋণ হিসেবে এইচএসবিসি ব্যাংক বাকি ১ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা দিচ্ছে।

    বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে। এর মধ্যে ২০টি ট্রান্সপন্ডার বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে। বাকি ২০টি ট্রান্সপন্ডার বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির জন্য রাখা হবে।

    গাজীপুরের গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফ্লোরিডায় উৎক্ষেপণ কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত হবেন। আর ক্যাপ ক্যানাভেরালে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় ৭ মে সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় ৮ মে) মহাকাশে যাত্রা করার কথা ছিল স্যাটেলাইটটির। তবে কারিগরি ত্রুটি ও আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকায় নির্ধারিত দিনে মহাকাশে যাত্রা করতে পারেনি স্যাটেলাইটটি।

    ৪ মে স্যাটেলাইটটির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সফল হওয়ার কথা জানায় যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। অরল্যান্ডোর কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্যাটেলাইটটির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়

  • কুমিল্লায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ৪

    (মাহফুজ বাবু, কুমিল্লা)
    মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪০হাজার পিছ ইয়াবা ও ১শত বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার। আটককৃত মাদকের আনুমানিক মুল্য প্রায় কোটি টাকা বলে জানায় পুলিশ।

    কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার এস আই (তদন্ত) আব্দুস সালাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লার বুড়িচং উপজলার কালাকচুয়া এলাকায় ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে তল্লাশি চালায় হাইওয়ে থানা পুলিশ। ওসি মাহাবুব আলমের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন তিনি সহ সঙ্গীয় ফোর্স। এসময় ঢাকাগামী সিএমডি ট্রাভলস নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশির সময় মাদকদ্রব্য সহ বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার কে আটক করা হয়।

    তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ মাদকের (ইয়াবা ও ফেন্সিডিল) জন্য অপেক্ষমাণ মালের আসল মালিককে ধরতে সাদা পোশাকে আটককৃতদের নিয়ে ঢাকায় রওনা হন তারা। মোবাইল ফোনে আটককৃত চালককে দিয়ে কথা বলানো হয় এবং স্থান নিশ্চিত হন তারা। ফোনের অপরপ্রান্তের ব্যক্তির দেয়া ঠিকানা মতো ঢাকা ফকিরাপুল থেকে মালের আসল মালিক হোসাইন কে আটক করতে সক্ষম হন তারা ।

    আটককৃত আসামীরা হলো ঢাকা ফকিরাপুল এলাকা থেকে ১/হোসাইন (২২) পিতাঃ আঃ হাকিম গ্রামঃ জলদী থানাঃ বাঁশখালী জেলাঃ চট্টগ্রাম। সিডিএম ট্রাবলস্ বাস এর চালক ২/নাসির (৪৩) পিততা মুন্সি মিয়া গ্রাম;দঃ ওয়াহেদ পুর মিরসরাই, চট্টগ্রাম। গাড়ীর হেলপার ৩/বাবু (১৯) পিতা: মোঃ হানিফ, মাতা:লাভলী বেগম, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর। গাড়ীর সুপারভাইজার ৪/মোঃ আলাউদ্দিন (৩৮) পিতা মোঃআলী হোসেন গ্রামঃ কুলকাছিয়া, থানাঃ ববোরহান উদ্দিন জেলাঃ ভোলা।

    তিনি আরো জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং মহাসড়কে মাদক পাচার রোধে হাইওয়ে থানা পুলিশ বদ্ধপরিকর।আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলেছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।