Author: bikedokan@gmail.com

  • কুমিল্লায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রীসহ ৬ নারী পুরুষ আটক

    লাকসাম প্রতিনিধি:
    লাকসামে পতিতাবৃত্তির অভিযোগে এক প্রবাসীর স্ত্রীসহ ৬ নারী পুরুষকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে শহরের বাইপাস নশরতপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। বুধবার আটককৃতদের কুমিল্লা আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

    আটককৃতরা হলো বাগেরহাট জেলার মোল্লার হাটের খান আতাউর রহমানের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদাউস (২৪), জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার মাতপুর গ্রামের লিটন মিয়ার স্ত্রী হাসনা বেগম (২০), সদর দক্ষিণ উপজেলার কালরা গ্রামের প্রবাসী হারুন মিয়ার স্ত্রী সাহিদা বেগম (৪০), নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে মিজানুর রহমান (৪২), একই উপজেলার পরিকোট গ্রামের মৃত আলী হোসেনের ছেলে শাহাবুদ্দীন (৪৮) এবং লাকসাম উপজেলার কাদরা গ্রামের মৃত আবদুল কাদেরের ছেলে মোঃ সাফায়েত হোসেন (২৪)।

    জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে শহরের বাইপাস নশরতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে থেকে পুলিশ ওই ৩নারী ও ৩পুরুষকে আটক করে।

    লাকসাম থানার এস আই জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে অসামাজিক কার্যকালঅপের অভিযোগে মামলা দায়ের করা জয়েছে। বুধবার আটককৃতদের কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

    মিসকল থেকে পরকীয়া শুরু, হত্যায় সমাপ্তি

    অনলাইন ডেস্ক:
    মুঠোফোনে পরিচয় হওয়ার পরে পরকীয়ার টানে প্রথম স্বামীর সংসার ছেড়ে বরিশালের গৌরনদী পৌর এলাকার গেরাকুল মহল্লায় জাহিদুর রহমান মৃধার সঙ্গে সংসার বেঁধেছিলেন এক সন্তানের জননী নাদিয়া বেগম (২০)।

    পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে এক বছর সংসার করে অবশেষে দ্বিতীয় স্বামী জাহিদুরের নির্যাতনের শিকার হয়ে সোমবার রাতে মারা গেছে নাদিয়া বেগম। মঙ্গলবার সকালে হাসপাতাল থেকে নাদিয়া বেগমের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    মিসকল থেকে পরকীয়া শুরু, হত্যায় সমাপ্তি
    মিসকল থেকে পরকীয়া শুরু, হত্যায় সমাপ্তি

    নাদিয়ার স্বজনরা জানান, প্রায় ৩ বছর আগে মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার চরপালরদী গ্রামের কবির আকনের মেয়ে নাদিয়ার সঙ্গে আগৈলঝাড়া উপজেলার মো. মনির হোসেনের (৩০) সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। স্বামী মনির হোসেন ঢাকায় থাকা সুবাদে নাদিয়া বেগম সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করতেন। দেড় বছর আগে মুঠোফোনের মিস কলের সূত্র ধরে নাদিয়া বেগমের পরিচয় হয় গৌরনদী পৌর এলাকার গেরাকুল মহল্লার মৃত মো. সেলিম মৃধার ছেলে জাহিদুর রহমান মৃধার (২১) সঙ্গে। ফোনে কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরকীয়ার এক পর্যায়ে গত বছর (২০১৭) এপ্রিল মাসে নাদিয়া স্বামীর ঘর ছেড়ে পরকীয়া প্রেমিক জাহিদুরকে বিয়ে করে তার সঙ্গে সংসার শুরু করেন।

    নিহত নাদিয়ার মা আলেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ে নাদিয়ার দ্বিতীয় স্বামী জাহিদুর রহমান একজন মাদক সেবি। সে মাদক সেবন করে প্রায়ই নাদিয়াকে মারধর করতো। নাদিয়া বিষয়টি পূর্বেই তাকে জানান। গত সোমবার রাতে নাদিয়ার সঙ্গে স্বামী জাহিদুরের ঝগড়াঝাটি হয়। এক পর্যায়ে জাহিদুর নাদিয়াকে পিটিয়ে হত্যা করে মৃতদেহ ঘরে ঝুলিয়ে রাখে। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সকালে নাদিয়ার লাশ হাসপাতালে রেখে আমাকে আত্মহত্যার কথা জানিয়ে খবর দেয়। আমি এসে নাদিয়ার গায়ে নির্যাতনের চিহ্ন দেখতে পাই। আমার কন্যা নাদিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগের ব্যাপারে জাহিদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। এলাকার লোকজন জানান, হাসপাতাল থেকে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করার পর থেকে জাহিদুর রহমান গা ঢাকা দিয়েছে।

    গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইকবাল কবির জানান, অভিযোগ পেয়ে সকালে হাসপাতাল থেকে গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে থানায় ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রির্পোট হাতে পাওয়ার পরে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে হত্যা মামলা রুজু করা হবে।

    ছাত্রীদের ফ্লাটে নেয়া সেই শিক্ষকের অপকর্মের বর্ণনা দিলো ছাত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:
    মাদারীপুরের শিবচর উমেদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে তিন বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠা সেই শিক্ষক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর মা।

    সোমবার রাতে শিবচর থানায় মামলাটি করা হয়। মামলার এক মাত্র আসামি শিক্ষক রবিউল গত দেড় মাস ধরে পলাতক। মায়ের সঙ্গে থানায় মামলা করতে এসে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ে ওই ছাত্রী। কান্না করতে করতে পুলিশের কাছে শিক্ষক রবিউলের অপকর্মের বর্ণনা দেয় ছাত্রী।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবচর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন। তিনি বলেন, ওই ছাত্রীকে নিয়ে তার মা থানায় আসেন। তখন মেয়েটি কান্না করছিল। কান্নারত অবস্থায় ওই ছাত্রী রবিউলের নানা অপকর্মের বর্ণনা দেয়। পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) শাজাহান মিয়া এবং আমি ওই ছাত্রীকে বারবার স্বাভাবিক করার চেষ্টা করি। রবিউলকে গ্রেফতার ও শাস্তির আশ্বাস দিই। তবুও কিছুতেই থামছিল না মেয়েটির কান্না। অনেক বুঝিয়ে-শুনিয়ে তাদের বাড়ি পাঠাই।

    ওসি বলেন, শিক্ষক রবিউলের বিরুদ্ধে মেয়েটি যে তথ্য দিয়েছে তা লোমহর্ষক। প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে তিন বছর ধরে ওই ছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছে রবিউল। এছাড়া আরও দুই ছাত্রী অভিযোগ দিয়েছে। মামলা হয়েছে। মামলা ও স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে রবিউলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছি আমরা। তাকে ধরতে ইতোমধ্যে আমাদের অভিযান শুরু হয়েছে।

    ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর দাবি, পুলিশ নিজে থেকেই আমাদের বাড়ি ও স্কুলে গিয়ে ঘটনার খোঁজ-খবর নিয়েছে। আমি রবিউলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।মামলার বাদী ছাত্রীর মা বলেন, শিক্ষক রবিউল আমার মেয়েসহ অনেক মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিয়েছে। তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক। আমরা তার শাস্তি চাই।প্রসঙ্গত, উপজেলার উমেদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রবিউল ইসলাম ৫ম ও ৮ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রীদের দেখভাল করতো। সেইসঙ্গে ছাত্রীদের ফ্ল্যাটে নিয়ে দাওয়াত খাওয়াতো ও পড়াতো।

    এর মধ্যে বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীর ওপর নজর পড়ে তার। ওই ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে রবিউল। এরপর তাকেও ফ্ল্যাটে নিয়ে দাওয়াত খাওয়ায় ১ সন্তানের জনক রবিউল।স্ত্রী অন্য উপজেলায় চাকরি করার সুবাদে রবিউলের ফ্ল্যাটে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতো সবাই। এর মধ্যে একদিন ৭ম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে রবিউল।

    এরপর শুরু হয় ব্ল্যাকমেইল। ধর্ষণের ওই ভিডিও ফাঁস করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিক বার ধর্ষণ করা হয় ওই ছাত্রীকে। এভাবে চলে তিন বছর। এর মধ্যে একাধিকবার ছাত্রীর গর্ভপাত ঘটায় রবিউল।কিছুদিন আগে অন্য ছাত্রীদের ফ্ল্যাটে ডেকে নেয়া দেখে আপত্তি জানায় ওই ছাত্রী। একপর্যায়ে ছাত্রী জানতে পারে, বিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন ছাত্রীকে একই ধরনের কাজে বাধ্য করেছে রবিউল। তাদের সঙ্গেও রবিউলের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি সবাইকে জানানোর কথা বললে ওই ছাত্রীকে আবারও ধর্ষণ করে রবিউল। এভাবে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রবিউল ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে।

    অবশেষে উপায় না পেয়ে রবিউলের বিচার চেয়ে গত ১৩ মার্চ ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটি বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়। এরপরই একের পর এক বের হয়ে আসে রবিউলের অপকর্মের তথ্য।

    ৮ম, ৯ম ও দশম শ্রেণির আরও তিন ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে নাম প্রকাশে না করার শর্তে শিক্ষক রবিউলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির কাছে। সেইসঙ্গে একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে রবিউলের আপত্তিকর ছবি অডিও ও ভিডিও দেয় তারা।

    এসব অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও সহকারী শিক্ষকরা। তবে অভিযোগ ওঠার পরই বিদ্যালয় থেকে ছুটি না নিয়ে পালিয়ে যায় শিক্ষক রবিউল। অবশেষে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। সূত্র: জাগোনিউজ

    কয়েক মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড কুমিল্লা !

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    হঠাৎ করে মেঘ, বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় লণ্ডভণ্ড কুমিল্লা। দুপুর ১২ টার দিক থেকে মেঘে ঢাকতে শুরু করে কুমিল্লার আকাশ। মুহূর্তে সেই মেঘ পরিণত হয় কালো বজ্রমেঘে। দিনেই রাতের মতো কালো আঁধার নেমে আসে। সাথে ঝড়ো হাওয়া। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও কোন ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

    বৃহস্পতিবার (১০ মে) সোয়া ১২ টার ২০মিনিটের দিকে কালো আকাশ ভেঙে নামে বৃষ্টি। সঙ্গে শুরু হয়ে ঝড়ো হাওয়া। ঝড়ো হাওয়ায় কুমিল্লা বিভিন্ন এলাকার গাছ ভেঙ্গে পড়েছে রাস্তায়। কোথাও কোথাও রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সাড়ে ১২ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত  ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে।এদিকে হঠাৎ বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। বৃষ্টির কবলে পড়া মানুষদের ছাতা উল্টিয়ে ফেলতে দেখা গেছে কুমিল্লার কান্দিরপাড়।

  • স্যাটেলাইটে যেসব সুবিধা পাবে বাংলাদেশ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
    মহাকাশ পানে ছুটতে যাচ্ছে দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু- ১’। বৃহস্পতিবার (১০ মে) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল লঞ্চপ্যাড থেকে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় (বাংলাদেশ সময় ১১ মে রাত ৩টা) মহাকাশে ডানা মেলছে এ স্যাটেলাইট। এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট ক্ষমতাধর দেশ হিসেবে জায়গা করে নেবে বাংলাদেশ।

    স্যাটেলাইট স্থাপনের মাধ্যমে একদিকে বাংলাদেশকে যেমন আর অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে না তেমনি দেশের অভ্যন্তরীণ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায়ও ঘটবে যুগান্তকারী এক বিপ্লব।

    চলুন জেনে নেয়া যাক বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সুবিধাসমূহ

    বর্তমানে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে স্যাটেলাইট ভাড়া নিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এজন্য বছরে ব্যয় হয় প্রায় ১২৫ কোটি টাকা। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট চালু হলে অনেকাংশেই কমে আসবে এ ব্যয়। শুধু তাই নয়, একই সঙ্গে দেশের টাকা থেকে যাবে দেশেই।

    স্যাটেলাইটের তরঙ্গ ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয়েরও সম্ভাবনা রয়েছে। টেলিভিশন চ্যানেল ছাড়াও ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, ভি-স্যাট ও বেতারসহ ৪০ ধরনের সেবা পাওয়া যাবে এ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে।

    যেকোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগে টেরিস্ট্রিয়াল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট দেশে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরিবেশ যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ই-সেবা নিশ্চিত করবে।

    স্যাটেলাইটের কার্যক্রম পুরোপুরিভাবে শুরু হলে আশপাশের কয়েকটি দেশে টেলিযোগাযোগ ও সম্প্রচার সেবা দেয়ার জন্য জিয়োসিক্রোনাস স্যাটেলাইট সিস্টেমের গ্রাউন্ড সিস্টেমসহ সব ধরনের সেবা পাওয়া যাবে।

    এছাড়া আবহাওয়ার পূর্বাভাস, টেলিমেডিসিন, ই-লার্নিং, ই-রিসার্চ, ভিডিও কনফারেন্স প্রতিরক্ষা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ভালো তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাবে এ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে। নতুন দিগন্ত খুলে যাবে অন্যান্য বিভিন্ন খাতেও।

    প্রতিবেশী দেশ ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার নিজস্ব স্যাটেলাইট রয়েছে। এ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ফলে নেপাল, মিয়ানমার, ভুটান ও অন্যান্য দেশের কাছে সেবা ভাড়া দিতে পারবে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করা যাবে।

    বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে। এর মধ্যে ২০টি ট্রান্সপন্ডার বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে। বাকি ২০টি ট্রান্সপন্ডার বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির জন্য রাখা হবে।

    প্রাথমিক এসব সুবিধা শুধুমাত্র বাংলাদেশ এবং প্রতিবেশী দেশগুলোকে দেয়া সম্ভব হলেও পরে এর পরিসর বিস্তৃতি ঘটবে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর ও পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোর কাছে স্যাটেলাইট সুবিধা ভাড়া অথবা বিক্রি করতে পারবে বাংলাদেশ।

    এ স্যাটেলাইট বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদে সেবা প্রদান করবে; যার পরিসর হবে বৃহৎ, বিশ্বমানের, নির্ভরযোগ্য, বহুমুখী এবং সুপার পারফরম্যান্স নির্ভর।

  • বৃষ্টিতে সীমাহীন দুর্ভোগে কুমিল্লার কৃষকরা !

    (আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়, বুড়িচং)
    বৈশাখ মাস শেষ হতে চলল, এখনও অনেক ধান কাটা বাকি। ক্ষেতে পাকা ধান থাকলেও তা কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। তবুও কৃষক নিজ চেষ্টায় চালিয়ে যাচ্ছে ধান কাটা। তাদের সোনালী ফসল বোরো ধান বাড়িতে আনতে না আনতেই বৈরি প্রকৃতি ঝড় বৃষ্টি থেমে থেমে হওয়ার কারণে তাদের দুর্ভোগ ও দুশ্চিন্তা দিন দিন বেড়েই চলছে।

    বৃষ্টির পানিতে জমির মাটি নরম হওয়ার কারণে বোরো ধান কেটে বাড়িতে আনা পর্যন্ত তাদেরকে প্রতিনিয়ত কষ্ট করতে হচ্ছে। কিন্তু কিছু সংখ্যক শ্রমিক পাওয়া গেলেও তারা আবার বজ্রপাতের আতঙ্কে বৈরি আবহাওয়া দেখলে মাঠে নামছে না। কারণ গত কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতে বেশ কয়েকজন কৃষক ও শ্রমিক মারা যায়। এর কারণে আকাশ কালো বাতাস ও বৃষ্টি দেখলে তারা মাঠ থেকে বাড়িতে চলে আসে। এখনও ধান কাটার হার্ভেষ্টার মেশিন এ এলাকাতে আসেনি।

    ফসল ভালো হলেও মুখে হাসি থাকলেও কমছে না তাদের কষ্ট। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কুমিল্লা জেলা সহ বুড়িচং সদর, রাজাপুর, বাকশীমূল, ষোলনল, পীরযাত্রাপুর, ময়নামতি, মোকাম, উত্তর ভারেল্লা, দক্ষিণ ভারেল্লা ইউনিয়ন এলাকা জুড়ে মাঠের ধান পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে। কৃষকরা ভয়ে তাদের সোনালী ফসল বাড়িতে আনার জন্য ৯০০, ১০০০ টাকা মজুরি দিয়ে শ্রমিক রেখে মাঠ থেকে ভেলা, নৌকা ও অন্যান্য মাধ্যমে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    এ এলাকায় ৯ হাজার ২শত ৬০ হেক্টর জমিতে এ বছর বোরো ধান আবাদ করা হয় । সরজমিনে ঘুরে কৃষকদের সাথে কথাবলে জানা যায় এই ভাবে বৃষ্টি, শ্রমিকের সংকট থাকলে কৃষকের ফসলের ন্যায্য মূল পাওয়া যাবে না বলে তাদের ধারণা। এ উপজেলায় বেশির ভাগ মানুষেই অন্যান্য ফসলের চেয়ে তাদের জমিতে ধান আবাদ করে থাকে। এখানকার কৃষকেরা যদিও বা কৃষি কাজে নির্ভরশীল ।

    সরজমিনে ঘুরে একাধিক কৃষক থেকে আরো জানা যায়, এ বছর ফসল ভালো হয়েছে কিন্তু ৭-৮, ৯শত টাকা দিয়ে কাজের লোক আনতে হয়। আগের মত ময়মনয়সিংহ ,রংপুর সহ অন্যান্য অঞ্চল থেকে ধান কাটার সিজনে কাজের লোক আসিতেন কিন্তু তাদের আর্বিভাব আগের চেয়ে দিন দিন কমে যাচ্ছে।

    যার কারণে আমরা শ্রমিক সংকটে পরেছি এবং ধান কেটে বাড়িতে নিতে অনেক টাকা লেগে যাচ্ছে যা আমাদের লাভের বদলে খরচের পাল্লা ভারি হচ্ছে।
    উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় এ বছর ৯ হাজার ২শত ৬০ হেক্টর জমিতে হাইব্রীড, বিড়ি ৫৮, বিড়ি ২৮, ২৯, বিআর ১৬ বোরো ধান আবাদ করা হয়।

    ২৯ ধান পাকতে সময় লাগার কারণে এখন কৃষকরা অন্য ধানের আবাদের প্রতি ধাবিত হচ্ছে। এবছর আনুমানিক ধানের গড় উৎপাদন হবে প্রতি হেক্টর ৫ দশমিক ৫ মেট্রিক টন। তবে গত বছরের চেয়ে এ বছর বোরো ধানের ফসল ভালো হয়েছে। এ উপজেলার কৃষকদের প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৯হাজার এবং কোনো কোনো জায়গায় পানি সেচের জন্য এর চেয়ে বেশিও খরচ হয়েছে।

    প্রতি বিঘাতে ধানের উৎপাদন হতে পারে ১৭ মণ। প্রতি কেজি ধানের মূল্য ২৮ টাকা আর চালের মূল্য ৩৮ টাকা করে এ বছর সরকার কৃষকের কাছ থেকে ক্রয় করিবেন। তবে এ এলাকায় শ্রমিক সংকট রয়েছে এবং বৃষ্টির কারণে তাদের দূর্ভোগ বেড়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেক কৃষকরা তাদের ফসল বাড়িতে নিয়ে এসেছে তবে পুরোপুরিভাবে এখনও ঘরে তুলতে পারেনি।

  • বৃষ্টিতে সীমাহীন দুর্ভোগে কুমিল্লার কৃষকরা !

    (আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়, বুড়িচং)
    বৈশাখ মাস শেষ হতে চলল, এখনও অনেক ধান কাটা বাকি। ক্ষেতে পাকা ধান থাকলেও তা কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। তবুও কৃষক নিজ চেষ্টায় চালিয়ে যাচ্ছে ধান কাটা। তাদের সোনালী ফসল বোরো ধান বাড়িতে আনতে না আনতেই বৈরি প্রকৃতি ঝড় বৃষ্টি থেমে থেমে হওয়ার কারণে তাদের দুর্ভোগ ও দুশ্চিন্তা দিন দিন বেড়েই চলছে।

    বৃষ্টির পানিতে জমির মাটি নরম হওয়ার কারণে বোরো ধান কেটে বাড়িতে আনা পর্যন্ত তাদেরকে প্রতিনিয়ত কষ্ট করতে হচ্ছে। কিন্তু কিছু সংখ্যক শ্রমিক পাওয়া গেলেও তারা আবার বজ্রপাতের আতঙ্কে বৈরি আবহাওয়া দেখলে মাঠে নামছে না। কারণ গত কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতে বেশ কয়েকজন কৃষক ও শ্রমিক মারা যায়। এর কারণে আকাশ কালো বাতাস ও বৃষ্টি দেখলে তারা মাঠ থেকে বাড়িতে চলে আসে। এখনও ধান কাটার হার্ভেষ্টার মেশিন এ এলাকাতে আসেনি।

    ফসল ভালো হলেও মুখে হাসি থাকলেও কমছে না তাদের কষ্ট। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কুমিল্লা জেলা সহ বুড়িচং সদর, রাজাপুর, বাকশীমূল, ষোলনল, পীরযাত্রাপুর, ময়নামতি, মোকাম, উত্তর ভারেল্লা, দক্ষিণ ভারেল্লা ইউনিয়ন এলাকা জুড়ে মাঠের ধান পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে। কৃষকরা ভয়ে তাদের সোনালী ফসল বাড়িতে আনার জন্য ৯০০, ১০০০ টাকা মজুরি দিয়ে শ্রমিক রেখে মাঠ থেকে ভেলা, নৌকা ও অন্যান্য মাধ্যমে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    এ এলাকায় ৯ হাজার ২শত ৬০ হেক্টর জমিতে এ বছর বোরো ধান আবাদ করা হয় । সরজমিনে ঘুরে কৃষকদের সাথে কথাবলে জানা যায় এই ভাবে বৃষ্টি, শ্রমিকের সংকট থাকলে কৃষকের ফসলের ন্যায্য মূল পাওয়া যাবে না বলে তাদের ধারণা। এ উপজেলায় বেশির ভাগ মানুষেই অন্যান্য ফসলের চেয়ে তাদের জমিতে ধান আবাদ করে থাকে। এখানকার কৃষকেরা যদিও বা কৃষি কাজে নির্ভরশীল ।

    সরজমিনে ঘুরে একাধিক কৃষক থেকে আরো জানা যায়, এ বছর ফসল ভালো হয়েছে কিন্তু ৭-৮, ৯শত টাকা দিয়ে কাজের লোক আনতে হয়। আগের মত ময়মনয়সিংহ ,রংপুর সহ অন্যান্য অঞ্চল থেকে ধান কাটার সিজনে কাজের লোক আসিতেন কিন্তু তাদের আর্বিভাব আগের চেয়ে দিন দিন কমে যাচ্ছে।

    যার কারণে আমরা শ্রমিক সংকটে পরেছি এবং ধান কেটে বাড়িতে নিতে অনেক টাকা লেগে যাচ্ছে যা আমাদের লাভের বদলে খরচের পাল্লা ভারি হচ্ছে।
    উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় এ বছর ৯ হাজার ২শত ৬০ হেক্টর জমিতে হাইব্রীড, বিড়ি ৫৮, বিড়ি ২৮, ২৯, বিআর ১৬ বোরো ধান আবাদ করা হয়।

    ২৯ ধান পাকতে সময় লাগার কারণে এখন কৃষকরা অন্য ধানের আবাদের প্রতি ধাবিত হচ্ছে। এবছর আনুমানিক ধানের গড় উৎপাদন হবে প্রতি হেক্টর ৫ দশমিক ৫ মেট্রিক টন। তবে গত বছরের চেয়ে এ বছর বোরো ধানের ফসল ভালো হয়েছে। এ উপজেলার কৃষকদের প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৯হাজার এবং কোনো কোনো জায়গায় পানি সেচের জন্য এর চেয়ে বেশিও খরচ হয়েছে।

    প্রতি বিঘাতে ধানের উৎপাদন হতে পারে ১৭ মণ। প্রতি কেজি ধানের মূল্য ২৮ টাকা আর চালের মূল্য ৩৮ টাকা করে এ বছর সরকার কৃষকের কাছ থেকে ক্রয় করিবেন। তবে এ এলাকায় শ্রমিক সংকট রয়েছে এবং বৃষ্টির কারণে তাদের দূর্ভোগ বেড়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেক কৃষকরা তাদের ফসল বাড়িতে নিয়ে এসেছে তবে পুরোপুরিভাবে এখনও ঘরে তুলতে পারেনি।

  • মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি; বিক্ষোভ; সাংবাদিককে হুমকি ( ভিডিও)

     

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট মহাসড়কে অতিরিক্ত জিবি ও চাঁদা আদায়কারীদের হাতে প্রতিনিয়ত লাঞ্ছিত হচ্ছে যাত্রী সহ সাধারণ পরিবহন শ্রমিকরা এরই প্রতিবাদে বুধবার বুড়িচং উপজেলার কংশনগর সড়কে পরিবহণ শ্রমিক ও মালিকরা গাড়ী বন্ধ রেখে মিছিল ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। এসময় প্রতিবাদকারী আন্দোলনরতরা জানায় ক্যান্টনমেন্ট বাসষ্টান্ড থেকে ছোট এই লোকাল পরিবহন থেকে প্রতিট্রিপে ৬০ টাকা এবং প্রথম ট্রিপে ৯০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। যা কয়েকদিন আগেও ৩০টাকা করে নেয়া হতো।

    শুধু তাই নয় অনেক সময় টাকা না থাকলে পরে দেয়ার কথা বললেই অকথ্য ভাষায় গালাগাল সহ মারধর করা হয়। প্রভাবশালী এ মহল ইজারার টোল আদায়ের নামে কোন রশিদ না দিয়ে নিজেদের ইচ্ছে মত জোর জুলুম করে চাদা আদায় করছে বলে অভিযোগ করেন লেগুনা চালক ও মালিকরা। কংশনগর এলাকার চালক কামাল মিয়া (৪০) অভিযোগ করে বলেন টোল আদায়কারী আজাদ নামের জনৈক ব্যক্তি তাকে বেদম মারধর করে।

    আরেক চালক সুমন মিয়া (৩০) জানায় নামাজের জন্য যাওয়ায় গাড়ী সরাতে একটু দেরী হওয়ায় তাকে মারতে উদ্যত হয় নামাজ পড়া নিয়ে বাজে গালাগাল সহ মা বাবাকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে চাদা আদায়কারী এই আজাদ। এছাড়া উপস্থিত আরো অনেকেই অভিযোগ করে বলেন কোন কথা বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই প্রতিনিয়ত নির্যাতিত হতে হয় চালক ও শ্রমিকদের। যাত্রীর সাথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় নিয়ে বাক বিতন্ডা হলেও চাঁদা আদায়কারী সেন্ডিকেটের কাছে অপমানের শিকার হওয়ার কথা জানান অনেক যাত্রী। এই সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী ময়নামতি চানসার এলাকার মিঠু মিয়া প্রতিবেদক কে জানান অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে প্রতিদিনই
    যাত্রীদের সাথে ঝগরা হয় এ সড়কে। গত ৬/৭ আগেও ১০টাকা ছিলো ক্যান্টনমেন্ট টু দেবপুরের ভাড়া এখন নেয়া হয় ডাবল মানে ২০টাকা। ২/৩কি.মি এর রাস্তায় এটা কি রাম রাজত্ব নাকি ? প্রশ্ন রাখেন তিনি।

    সারদিন ৫/৬ট্রিপ গাড়ী চালিয়ে অসহায় দরিদ্র চালক শ্রমিকরা পরিবার পরিজনের অন্ন জোগাতে কষ্ট হচ্ছে জানিয়ে তারা অভিযোগ করেন। “সারাদিন যদি মোট ইনকামের অর্ধেকের বেশী চাদা আর জিবি দিতে হয়। এরপর মালিক জমা, তৈল মবিল, গাড়ীর খরচ দিয়ে নিজেরা কি পাই? কাজ করে খেতে না পারলে তবে কি চুরি ডাকাতি করবো আমরা। আমরা কি পরিশ্রম করে পরিবার পরিজন নিয়ে বেচে থাকতে পারবো না। ”

    সড়ক মহাসড়কে চাঁদা, জিবি, টোকেন মানি’র যাঁতাকলে নির্যাতিত অসহায় হয়ে পরেছেন শ্রমিকারা।এ নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ শেষে কংশনগর থেকে ফেরার পথে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকের পথরোধ করেন চাঁদাআদায়কারী আজাদের ভাতিজা আমতলী এলাকার মহিউদ্দিন। অকথ্য ভাষায় গালাগাল সহ হুমকি ধমকি দিতে থাকেন ঐ ব্যাক্তি সহ তার সঙ্গীরা।

    সড়কের অনিয়ম ও লুটপাট নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে ভয়ংকর পরিণতি হবে বলে সাংবাদিককে মহাসড়কেই হুমকি দেয় জনসম্মুখে । রেকিডিং করা হচ্ছে ভেবে প্রকাশ্যে ক্যান্টনমেন্ট সড়কে সাংবাদিকের মোবাইল ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টাও করেন এসময় মহিউদ্দিন ও তার সাথের কয়েকজন। এবিষয়ে সাংবাদিক মাহফুজ বাবু পেশাগত কাজে বাধা সহ প্রাণ নাশের আশংকায় ভীত সন্তস্ত্র এবং ছিনতাই চেষ্টার অভিযোগে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় জিডি করার প্রক্রিয়া করছেন বলে জানান।

    ইজারার অজুহাতে নেতা, পুলিশ, লাইনম্যান ও জনপ্রতিনিধিদের নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে লুটের মহোৎসব।দিনের আলোতে খোদ সড়ক ও রাজপথে প্রকাশ্যে এমন চিত্র দিনের পর দিন যেন বেড়েই চলেছে। সেই সাথে বেড়ে চলেছে দৈনিক নিত্যনতুন হয়রানী আর যাত্রীদের সীমাহীন বিরম্বনা। ৫টাকা গাড়ী ভাড়ার জায়গায় যাত্রী থেকে নেয়া হচ্ছে ২০টাকা! প্রতিবাদ করলেই অপমান এবং লাঞ্ছিত হতে হয় ছাত্রছাত্রী, নারীসহ ও অসহায় যাত্রীদের। নিরুপায় যাত্রীসহ সাধারণ মানুষ যেন জিম্মি হয়ে পরেছে পরিবহণ ও সড়ক মহাসড়কের এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের হাতে। ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে, দেখছি, ঠিক হয়ে যাবে, তদন্ত করা হবে এমন সব গা ভাসানো জবাব দিয়েই এড়িয়ে যাওয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলায় দিনদিন বেড়েই চলেছে ডিজিটালাইজড এ দেশে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি।

    ডিজিটাল বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী একটি জেলা কুমিল্লা। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গোট জেলার বিভিন্ন উপজেলার সড়কগুলোতো রয়েছেই মহাসড়কেও চলছে লুটপাট আর চাঁদাবাজির মহোৎসব। মহাসড়ক ইজারা দেয়ার কোন বিধান রয়েছে কি না তা জানেন না সংশ্লিষ্টদের অনেকেই।

    নাম মাত্র রাজস্ব আদায়ে মহাসড়কে ইজারা নিয়ে ১০/২০ গুন থেকে ৫০গুন বেশী অর্থ আদায় করা হচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকে। এতে করে দেশের রাজস্ব খাত যতটা না লাভবাণ হচ্ছে তার চেয়ে বেশী সমালোচিত এবং নীন্দিত হচ্ছে জনগনের কাছে গণতান্ত্রীক এ সরকার। সাধারণ মানুষের কাছে এটি শোষন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। তবে আবার বেশকিছু ক্ষেত্রে এসবের জন্য দায়ী ইজারাদার এবং দাতা প্রতিষ্ঠান মহলগুলোও। ইজারাদাতা প্রতিষ্ঠানের টোল আদায়ের হার ধার্য না করায় এবং অদৃশ্য কারনে তদারকি এবং দেখভাল না করায় ইচ্ছামত আদায় করা হয় টোল বা জিবি নামক জাঁতাকল।

    আর এই জুলুমের শিকার কেবল পরিবহণ মালিক, শ্রমিক বা চালকরা নয় এর অন্যতম ভুক্তভোগী সাধারণ যাত্রীরা। আবার অনেক স্থানে ইজারা গ্রহণকারী সিন্ডিকেটের রেষারেষি এবং প্রতিযোগীতার কারনে সরকার নির্ধারিত মূল্যের ২/৩গুন বেশী টাকা দিয়ে নেয়া হয় ইজারা। এক্ষেত্রেও এই টাকা আবার ৪/৫গুন বাড়িয়ে আদায় করা হয় সাধারণ শ্রমিক ও জনগনের কাছ থেকেই।

    আর এসব জিবি, টোল, টোকেন, লাইনম্যান, হপ্তা, মান্তি, সংগঠনের চাঁদা, পুলিশ, নেতা ইত্যাদি ইত্যাদি নামে চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছেন পরিবহন শ্রমিক সহ যাত্রী ও জনগন। এসব অনিয়ম আর এই অরাজকতা বন্ধ হবে কি? দেশ উন্নত হয়েছে আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যেতে চলেছি তবুও যেন অনিয়ম আর অরাজকতা লুটপাটের এই চিত্র পিছু ছাড়ছে না আমাদের।

    ভিডিওটি দেখুন:

    https://www.facebook.com/jagocomilladotcom/videos/2094135027538496/

  • মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি; ভিক্ষোভ; সাংবাদিককে হুমকি

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট মহাসড়কে অতিরিক্ত জিবি ও চাঁদা আদায়কারীদের হাতে প্রতিনিয়ত লাঞ্ছিত হচ্ছে যাত্রী সহ সাধারণ পরিবহন শ্রমিকরা এরই প্রতিবাদে বুধবার বুড়িচং উপজেলার কংশনগর সড়কে পরিবহণ শ্রমিক ও মালিকরা গাড়ী বন্ধ রেখে মিছিল ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। এসময় প্রতিবাদকারী আন্দোলনরতরা জানায় ক্যান্টনমেন্ট বাসষ্টান্ড থেকে ছোট এই লোকাল পরিবহন থেকে প্রতিট্রিপে ৬০ টাকা এবং প্রথম ট্রিপে ৯০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। যা কয়েকদিন আগেও ৩০টাকা করে নেয়া হতো।

    শুধু তাই নয় অনেক সময় টাকা না থাকলে পরে দেয়ার কথা বললেই অকথ্য ভাষায় গালাগাল সহ মারধর করা হয়। প্রভাবশালী এ মহল ইজারার টোল আদায়ের নামে কোন রশিদ না দিয়ে নিজেদের ইচ্ছে মত জোর জুলুম করে চাদা আদায় করছে বলে অভিযোগ করেন লেগুনা চালক ও মালিকরা। কংশনগর এলাকার চালক কামাল মিয়া (৪০) অভিযোগ করে বলেন টোল আদায়কারী আজাদ নামের জনৈক ব্যক্তি তাকে বেদম মারধর করে।

    আরেক চালক সুমন মিয়া (৩০) জানায় নামাজের জন্য যাওয়ায় গাড়ী সরাতে একটু দেরী হওয়ায় তাকে মারতে উদ্যত হয় নামাজ পড়া নিয়ে বাজে গালাগাল সহ মা বাবাকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে চাদা আদায়কারী এই আজাদ। এছাড়া উপস্থিত আরো অনেকেই অভিযোগ করে বলেন কোন কথা বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই প্রতিনিয়ত নির্যাতিত হতে হয় চালক ও শ্রমিকদের। যাত্রীর সাথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় নিয়ে বাক বিতন্ডা হলেও চাঁদা আদায়কারী সেন্ডিকেটের কাছে অপমানের শিকার হওয়ার কথা জানান অনেক যাত্রী। এই সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী ময়নামতি চানসার এলাকার মিঠু মিয়া প্রতিবেদক কে জানান অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে প্রতিদিনই
    যাত্রীদের সাথে ঝগরা হয় এ সড়কে। গত ৬/৭ আগেও ১০টাকা ছিলো ক্যান্টনমেন্ট টু দেবপুরের ভাড়া এখন নেয়া হয় ডাবল মানে ২০টাকা। ২/৩কি.মি এর রাস্তায় এটা কি রাম রাজত্ব নাকি ? প্রশ্ন রাখেন তিনি।

    সারদিন ৫/৬ট্রিপ গাড়ী চালিয়ে অসহায় দরিদ্র চালক শ্রমিকরা পরিবার পরিজনের অন্ন জোগাতে কষ্ট হচ্ছে জানিয়ে তারা অভিযোগ করেন। “সারাদিন যদি মোট ইনকামের অর্ধেকের বেশী চাদা আর জিবি দিতে হয়। এরপর মালিক জমা, তৈল মবিল, গাড়ীর খরচ দিয়ে নিজেরা কি পাই? কাজ করে খেতে না পারলে তবে কি চুরি ডাকাতি করবো আমরা। আমরা কি পরিশ্রম করে পরিবার পরিজন নিয়ে বেচে থাকতে পারবো না। ”

    সড়ক মহাসড়কে চাঁদা, জিবি, টোকেন মানি’র যাঁতাকলে নির্যাতিত অসহায় হয়ে পরেছেন শ্রমিকারা।এ নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ শেষে কংশনগর থেকে ফেরার পথে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকের পথরোধ করেন চাঁদাআদায়কারী আজাদের ভাতিজা আমতলী এলাকার মহিউদ্দিন। অকথ্য ভাষায় গালাগাল সহ হুমকি ধমকি দিতে থাকেন ঐ ব্যাক্তি সহ তার সঙ্গীরা।

    সড়কের অনিয়ম ও লুটপাট নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে ভয়ংকর পরিণতি হবে বলে সাংবাদিককে মহাসড়কেই হুমকি দেয় জনসম্মুখে । রেকিডিং করা হচ্ছে ভেবে প্রকাশ্যে ক্যান্টনমেন্ট সড়কে সাংবাদিকের মোবাইল ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টাও করেন এসময় মহিউদ্দিন ও তার সাথের কয়েকজন। এবিষয়ে সাংবাদিক মাহফুজ বাবু পেশাগত কাজে বাধা সহ প্রাণ নাশের আশংকায় ভীত সন্তস্ত্র এবং ছিনতাই চেষ্টার অভিযোগে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় জিডি করার প্রক্রিয়া করছেন বলে জানান।

    ইজারার অজুহাতে নেতা, পুলিশ, লাইনম্যান ও জনপ্রতিনিধিদের নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে লুটের মহোৎসব।দিনের আলোতে খোদ সড়ক ও রাজপথে প্রকাশ্যে এমন চিত্র দিনের পর দিন যেন বেড়েই চলেছে। সেই সাথে বেড়ে চলেছে দৈনিক নিত্যনতুন হয়রানী আর যাত্রীদের সীমাহীন বিরম্বনা। ৫টাকা গাড়ী ভাড়ার জায়গায় যাত্রী থেকে নেয়া হচ্ছে ২০টাকা! প্রতিবাদ করলেই অপমান এবং লাঞ্ছিত হতে হয় ছাত্রছাত্রী, নারীসহ ও অসহায় যাত্রীদের। নিরুপায় যাত্রীসহ সাধারণ মানুষ যেন জিম্মি হয়ে পরেছে পরিবহণ ও সড়ক মহাসড়কের এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের হাতে। ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে, দেখছি, ঠিক হয়ে যাবে, তদন্ত করা হবে এমন সব গা ভাসানো জবাব দিয়েই এড়িয়ে যাওয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলায় দিনদিন বেড়েই চলেছে ডিজিটালাইজড এ দেশে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি।

    ডিজিটাল বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী একটি জেলা কুমিল্লা। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গোট জেলার বিভিন্ন উপজেলার সড়কগুলোতো রয়েছেই মহাসড়কেও চলছে লুটপাট আর চাঁদাবাজির মহোৎসব। মহাসড়ক ইজারা দেয়ার কোন বিধান রয়েছে কি না তা জানেন না সংশ্লিষ্টদের অনেকেই।

    নাম মাত্র রাজস্ব আদায়ে মহাসড়কে ইজারা নিয়ে ১০/২০ গুন থেকে ৫০গুন বেশী অর্থ আদায় করা হচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকে। এতে করে দেশের রাজস্ব খাত যতটা না লাভবাণ হচ্ছে তার চেয়ে বেশী সমালোচিত এবং নীন্দিত হচ্ছে জনগনের কাছে গণতান্ত্রীক এ সরকার। সাধারণ মানুষের কাছে এটি শোষন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। তবে আবার বেশকিছু ক্ষেত্রে এসবের জন্য দায়ী ইজারাদার এবং দাতা প্রতিষ্ঠান মহলগুলোও। ইজারাদাতা প্রতিষ্ঠানের টোল আদায়ের হার ধার্য না করায় এবং অদৃশ্য কারনে তদারকি এবং দেখভাল না করায় ইচ্ছামত আদায় করা হয় টোল বা জিবি নামক জাঁতাকল।

    আর এই জুলুমের শিকার কেবল পরিবহণ মালিক, শ্রমিক বা চালকরা নয় এর অন্যতম ভুক্তভোগী সাধারণ যাত্রীরা। আবার অনেক স্থানে ইজারা গ্রহণকারী সিন্ডিকেটের রেষারেষি এবং প্রতিযোগীতার কারনে সরকার নির্ধারিত মূল্যের ২/৩গুন বেশী টাকা দিয়ে নেয়া হয় ইজারা। এক্ষেত্রেও এই টাকা আবার ৪/৫গুন বাড়িয়ে আদায় করা হয় সাধারণ শ্রমিক ও জনগনের কাছ থেকেই।

    আর এসব জিবি, টোল, টোকেন, লাইনম্যান, হপ্তা, মান্তি, সংগঠনের চাঁদা, পুলিশ, নেতা ইত্যাদি ইত্যাদি নামে চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছেন পরিবহন শ্রমিক সহ যাত্রী ও জনগন। এসব অনিয়ম আর এই অরাজকতা বন্ধ হবে কি? দেশ উন্নত হয়েছে আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যেতে চলেছি তবুও যেন অনিয়ম আর অরাজকতা লুটপাটের এই চিত্র পিছু ছাড়ছে না আমাদের।

  • কুমিল্লার দুইজনসহ সারাদেশে একদিনে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ২৫ জনের

    অনলাইন ডেস্ক:

    সারাদেশে বজ্রপাতে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।

    এর মধ্যে হবিগঞ্জে ছয়জন, সুনামগঞ্জে দুইজন, মানিকগঞ্জে দুইজন, কিশোরগঞ্জে দুইজন, রাজশাহীতে তিনজন, নীলফামারীতে দুইজন, কুমিল্লায় দুইজন, সিরাজগঞ্জে একজন, গাইবান্ধায় একজন, ময়মনসিংহে একজন, নারায়ণগঞ্জে একজন, জামালপুরে একজন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া একজন মারা গেছেন।

    হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জে হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।

    মৃতরা হলেন- দাইপুর গ্রামের বসন্ত দাশের ছেলে স্বপন দাশ (৩৫), সিরাজগঞ্জ জেলার দত্তকান্দি এলাকার বাসিন্দা জয়নাল উদ্দিন (৬০), নবীগঞ্জ উপজেলার বৈলাকীপুর গ্রামের নারায়ণ পাল (৪০), আমড়াখাই গ্রামের হাবিব উল্লাহর ছেলে আবু তালিব (২৫), লাখাই উপজেলার তেঘরিয়ায় সফি মিয়া (৫৫) ও মাধবপুর উপজেলার রাম কুমার সরকারের ছেলে জোহর লাল সরকার (১৮)।

    জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অফিসের বজ্রপাতের তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বরত কর্মী আব্দুল নূর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে ছয়জন মারা গেছেন। এ সময় আহত হন আরও ছয়জন। তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

    সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও শাল্লায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- ধরমপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের দুর্বাকান্দা গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে জুয়েল আহমদ (১৬) ও শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের ইসহাক আলীর ছেলে আলমগীর মিয়া (২২)। ধরমাপাশা সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নূর ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    মানিকগঞ্জ : মানিকগঞ্জের পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ছাত্রসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ৮ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। বুধবার দুপুরে দৌলতপুরের বাঁচামারা ও তালুকনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    মৃতরা হলেন- তালুকনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র সাইফুল ইসলাম অন্তর (১২) এবং বাঁচামারা ইউনিয়নের হাসাদিয়া গ্রামের হাফেজ শেখের ছেলে কৃষক ইয়াকুব আলী শেখ (৪৮)।

    তালুকনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুর রহমান ও বাঁচামারা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জের নিকলী ও পাকুন্দিয়া উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- নিকলী উপজেলার ছাতিরচর ইউনিয়নের পরিষদপাড়া গ্রামের শাহ জালাল (২৪) ও পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আশুতিয়া গ্রামে দিপালী রানী বর্মণ (৩৫)। নিকলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন ভূঁইয়া ও পাকুন্দিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম মজুমদার দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    রাজশাহী : রাজশাহীর তানোরে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। বুধবার সকালে উপজেলার দুবাইল ও বাতাসপুর গ্রামে এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

    মৃতরা হলেন- বাতাসপুর গ্রামের কৃষক আনসার আলী (৩০) এবং দুবইল পূর্বপাড়ার কিশোর সোহাগ আলী (১৬) ও কলমা ইউনিয়নের চকরতিরাম আদিবাসী গ্রামের বেলাম হেমরমের স্ত্রী এলেনা মুরমু (৩৫)। উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির উপ-সহকারী প্রকৌশলী এনামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নীলফামারী : বজ্রপাতে নীলফামারীর জলঢাকায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে জেলাজুড়ে ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টির সময় বজ্রপাত তাদের মৃত্যু হয়।

    তারা হলেন- উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের শালনগ্রামের আসমা বেগম (৫০) ও কাঁঠালি ইউনিয়নের উত্তর দেশীবাই গ্রামের নূর আমিন (৪৫)। বালাগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিপন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জের কাজিপুর বজ্রপাতে সমতুল্লাহ (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শাকিল মিয়া (১৫) নামে এক স্কুলছাত্র আহত হয়েছে।

    গাইবান্ধা : গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার উদাখালি ইউনিয়নের পশ্চিম ছালুয়া গ্রামের চরে বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃত মহর আলী (৩৫) উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের চর কাবিলপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। উদাখালি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় বজ্রপাতে আলাল উদ্দিন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহের পৃথক স্থানে বজ্রপাতে আরও ১২ জন আহত হয়েছেন।

    নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের তিলাব গ্রামে বজ্রপাতে কুলফি আক্তার (০৮) নামে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। কুলফি ওই গ্রামের শাহ কামালের মেয়ে।

    জামালপুর : জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের মৌলভীর চরে এ ঘটনা ঘটে। মৃত মো. হাবিবুর রহমান (৪৭) মৌলভীর চরের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে বলে নিশ্চিত করেছেন একই ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জয়নাল আবেদীন।

    কুমিল্লা : কুমিল্লায় মুরাদনগর উপজেলায় বজ্রপাতে সেলিম ও ইমন নামে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার বিকেলে উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলো- সেলিম (১৭) ও ইমন (১৫)। মুরাদনগর থানা পুলিশের ওসি একেএম মনজুর আলম দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় বজ্রপাতে সাইফুল ইসলাম (৩৫) নামে এক বিদ্যুৎকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের বড়পুকুরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত সাইফুলের বাড়ি কুমিল্লার জেলার চৌদ্দগ্রাম উপেলায়। তিনি বিজয়নগর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লাইনম্যান পদে কর্মরত ছিলেন।

    এ ঘটনায় আজাদ মিয়া (৩৪) নামে আরেক লাইনম্যান গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বরাত দিয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী আরশাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • কুমিল্লায় ২ মণ গাঁজা সহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মো. জাকির হোসেন:
    কুমিল্লার বুড়িচং থানাধীন দেবপুর ফাঁড়ী পুলিশ গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার কংশনগর এলাকায় রাস্তায় তল্লাসী চালিয়ে পিকআপবর্তী ২ মণ গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

    দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ী ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আবু ইউসুফ ফসিউজ্জামান জানান, মাদক ও চোরচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে গতকাল বুধবার সকাল ৭ টায় ফাঁড়ীর এস আই মাইন উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা উত্তর ইউনিয়নের কংশনগর বাজার এলাকায় সন্দেহভাজন একটি পিকআপ (ঢাকা মেট্টো- ন ১৭-২৪২৩) আটক করে। পিকআপকে থাকা লোকজনের কথাবার্তা সন্দেহজনক হলে পুলিশ পিকআপটিতে তল্লাসী চালায়। পুলিশ এসময় পিকআপটিতে থাকা মাছের ড্রামের নিচে বিশেষ কায়দায় লুকানো ২ মণ গাঁজা উদ্ধার করে। গাঁজা পাচারের অভিযোগে পুলিশ পিকআপসহ তিনজনকে আটক করে ফাঁড়ীতে নিয়ে আসে।

    আটককৃতরা হলো ময়মন সিংহ জেলার কোতয়ালী থানাধীন আলালপুর মধ্যপাড়া এলাকায় ইদ্রিছ মিয়ার ছেলে মোঃ জহিরুল ইসলাম (২১), নেত্রকোনা জেলার সদর থানাধীন মগাতি এলাকায়র মৃত বিকারী রবি দাসের পুত্র সন্তোষ রবি দাস (৩০), কুমিল্লার বুড়িচং থানাধীন রাজাপুর ইউনিয়নের পাইকোটা পূর্বপাড়া এলাকার মৃত ছগির আহাম্মদের পুত্র মোঃ রেজাইল করিম প্রকাশ্যে করিম (২৪), পুলিশ আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের পূর্বক কুমিল্লা আদালতে প্রেরণ করেছেন।

  • বাড়ি ফেরার সময়টুকু পেল না সেলিম-ইমন

    (মো: নাজিম উদ্দিন, মুরাদনগর )
    কুমিল্লার মুরাদনগরে বজ্রপাতে দুই কিশোর নিহতের ঘটনা ঘটেছেবুধবার বিকেলে উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের দক্ষিন পাড়া খেলার মাঠ সংলগ্ন বোরো ফসলি জমির মাঠে এই ঘটনাটি ঘটে।
    নিহতরা হলেন যাত্রাপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ফিরোজ মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়া(১৮) একই পাড়ার হামিদ মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া (১৪)।
    জানা যায়, উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের দক্ষিন পাড়া খেলার মাঠ সংলগ্ন বোরোর ফসলি জমিতে সেলিম, ইমনসহ বেশ কয়েকজন কিশোর দিনমজুর হিসেবে ধান কাটতে যায়। বিকেলে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হওয়ায় ইমন ও সেলিম দৌড়ে বাড়ী ফেরার পথে মাঠের মধ্যেই বজ্রপাতে পতিত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরন করে। বজ্রপাতে দুই কিশোর নিহতের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
    মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিতু মরিয়ম বলেন নিহত দুজনের পরিবারকে উপজেলা প্রশাসন থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

  • বাড়ি ফেরার সময়টুকু পেল না সেলিম-ইমন

    (মো: নাজিম উদ্দিন, মুরাদনগর )
    কুমিল্লার মুরাদনগরে বজ্রপাতে দুই কিশোর নিহতের ঘটনা ঘটেছেবুধবার বিকেলে উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের দক্ষিন পাড়া খেলার মাঠ সংলগ্ন বোরো ফসলি জমির মাঠে এই ঘটনাটি ঘটে।
    নিহতরা হলেন যাত্রাপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ফিরোজ মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়া(১৮) একই পাড়ার হামিদ মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া (১৪)।
    জানা যায়, উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের দক্ষিন পাড়া খেলার মাঠ সংলগ্ন বোরোর ফসলি জমিতে সেলিম, ইমনসহ বেশ কয়েকজন কিশোর দিনমজুর হিসেবে ধান কাটতে যায়। বিকেলে হঠাৎ বৃষ্ঠি শুরু হওয়ায় ইমন ও সেলিম দৌড়ে বাড়ী ফেরার পথে মাঠের মধ্যেই বজ্রপাতে পতিত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরন করে। বজ্রপাতে দুই কিশোর নিহতের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
    মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিতু মরিয়ম বলেন নিহত দুজনের পরিবারকে উপজেলা প্রশাসন থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।