Author: bikedokan@gmail.com

  • রাসুল (সাঃ) কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল

    অনলাইন ডেস্ক:

    মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে ভারতীয় পুরোহিতের কটূক্তি ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের প্রতিবাদে কুমিল্লা নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা মহানগর।  শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজ শেষে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ মসজিদের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি নগরীর সালাউদ্দিন  মোড় প্রদক্ষিণ করে কান্দিরপাড়স্ত পূবালী চত্বর এসে শেষ করে মিছিল পরবর্তী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্যে নেতারা বলেন ভারতে মহানবী (সা.) কে নিয়ে কটূক্তিকারী ফাঁসি চাই।

    আমাদের নবীকে অপমান মেনে নেবো না। অতিদ্রুত কটূক্তিকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। আজ আমরা প্রতিবাদ করছি, কাল দেশের প্রতিটি ধর্মপ্রাণ মুসলমান কটূক্তির প্রতিবাদ করবে। সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে তারা আরও বলেন, আপনারা ক্ষমতায় আছেন, আপনারা এখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে নিন্দা প্রকাশ করেননি। ভারতের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় প্রতিবাদ জানাতে হবে। আমরা ছাড় দেবো না।

    আওয়ামীলীগ বিগত ১৭ বছর বাংলাদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানানো ষড়যন্ত্র করেছে। দেশের মানুষ আওয়ামীলীগকে প্রতিহত করেছে নতুন করে সেবাদাসে পরিণত করার জন্য নয়। নগর সহ-সভাপতি মামুন বিন নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়াজির সঞ্চালনায় আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা মহানগর শাখার সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক মজুমদার, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি খালেদ সাইফুল্লাহ, সহ-সভাপতি মাছুম বিল্লাহ, বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ ইসলাম, তথ্য গবেষণা ও প্রচার সম্পাদক মাহদী হাসান সাদী, অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক হুসাইন আহমাদ শিহাব, আলিয়া মাদরাসা সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, কওমী মাদরাসা সম্পাদক উমায়ের আহমদ শামীমী, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জোবায়ের আশ্রাফী সহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

  • কুমিল্লায় ঠিকাদার মওদুদ শুভ্র’র উপর হামলা,  দ্রুত বিচার আইনে মামলা

    স্টাফ রিপোর্ট :

    কুমিল্লায় বিগত ৭ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে হামলার শিকার হয়েছেন মেসার্স মওদুদ ভ্যারাইটিজ কনস্ট্রাকশন এর স্বত্বাধিকারী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র।সম্প্রতি চাঁদাবাজি চাঁদা না পেয়ে এই ঠিকাদারকে হত্যার উদ্দেশ্য ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।এই ঘটনার প্রাথমিক ভাবে কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানায় মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র এবং তার পরিবারের সদস্যদের জান- মাল- প্রানের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি ( জি ডি) করা হয়।যার নাম্বার :৪৫৩,তারিখ:১৩.০৮.২০২৪ ইং।অত:পর এই চাঁদাবাদ চক্রটি নিজেদেরকে আত্মগোপন করে ফেলে।তারা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের  ক্ষমতাসীন দলের কর্মী  বলে ধারনা করা যায়। সাধারন ডায়েরি ( জি ডি) খবর পেয়ে তারা অন্য সন্ত্রাসীগণ যাদের ভীতরে দেখা যায়  হয় ৩ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা গত ০৩ আগস্ট, ২০২৪ ইং কাজের সাইট (  পাস্তুবির এলাকাস্থ) থেকে ফেরার পথে আনুমানিক রাত ১২ টায় মেসার্স মওদুদ ভ্যারাইটিজ কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র পথরোধ করে চাঁদাবাজি চাঁদা দাবি করে, তিনি চাঁদা দেওয়া অপারগতা দেখালে তাকে সন্রাসী চক্রটি সম্মিলিত ভাবে সি এন জি থেকে নামিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিঠে আঘাত সহ কিল ঘুষি সহ তাদের ভীতরে একজন ছুরি বের করে ছুরিকাঘাত করে এবং ভিক্টিম মওদুদ শুভ্র প্রতিহত করতে গিয়ে ডান হাতে ঠেকায় তখনই ছুরিকাঘাতে তার বাম হাতে জখমি হয়,পরবর্তীতে লোকজনের অবস্থান টের পেয়ে সন্রাসীরা সটকে পড়ে এবং দ্রুত গতিতে দুটি মোটর বাইক নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে  পালিয়ে জায়।তখন আহত অবস্থায় মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্রকে দ্রুত চিকিৎসা সেবা দিতে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার ডান হাতের জখমী স্থানে সেলাই সহ অনান্য চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।

     এই বিষয়ে ভিক্টিম মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র উক্ত সংবাদপত্র কে জানায়, এই সন্ত্রাসী চক্রটি বিগত ৭  বছর ধরে বিগত ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় আমাকে বিভিন্ন সময়ে ভিভিন্ন ভাবে ক্ষয় ক্ষতি সহ হত্যার উদ্দেশ্য মিশন চালায়।এর আগের বারও আমাকে বিড়াট বিড়াট ক্ষতি সাধন  করে।পরে আমাকে টার্গেট করে আমার সাথে না পারায় তারা বেপরোয়া হয়ে আমার  বৃদ্ধ পিতা মাতাকে পর্যন্ত ক্ষতি করার চেস্টা চালায়।শুধু তাই নয় আমার স্ত্রী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মাস্টার্সে  অধ্যায়নরত ছিলো।তাকে পর্যন্ত হুমকি-ধমকি দেয় এবং কিডন্যাপ করে চাঁদাবাজির চেস্টা চালায়।তখন তার পড়াশোনা পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়। এই সন্ত্রাসী বাহিনী প্রতি মুহুর্তে চাঁদাবাজি টাকা আমার কাছে দাবি করতে থাকে।বিগত ৭  বছর ধরে এই সমস্যার প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে আমি  লিখিত ভাবে অভিযোগ জানাই।তারা ক্ষমতাসীন দলের লোক হওয়ায়  ক্ষমতার দাপটে তাদের বিরুদ্ধে কোথাও কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয় নাই। উল্টো আরো সন্রাসী বাহিনী আমাকে বিভিন্ন  প্রশাসন দিয়ে আমার ক্ষয় ক্ষতি করে আমার বিরুদ্ধে মামলা হামলা করে হত্যা ও গুম করবে বলে প্রতিনিয়ত হুমকি প্রদর্শন করে।তাছাড়াও আদালতে মামলা করতে জাওয়ার পথেও তারা আমাকে পথরোধ করে আহত করে। আমি বাড়ি ঘর নির্মাণ কাজে সাপ্লাই এর ক্ষুদ্র  ঠিকাদারি পেশার পাশাপাশিও একজন সংবাদপত্র কর্মী, মানবাধিকার কর্মী সহ চাকুরীরত। আমার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান  মেসার্স  মওদুদ ভ্যারাইটিজ কনস্ট্রাকশন মুলত  আমার ব্যক্তি মালিকানা রে প্রতিষ্ঠানটি  ইমারত নির্মাণ কাজে মালামাল সাপ্লাই/ সরবরাহ কারী কাজ সহ ইমারতের (সাইট) দেখাশোনা কাজ করে।এরই সুত্র ধরে বিগত দিন ধরে আমার ওপর অত্যাচারের  এই তান্ডব লিলা চালায়।অতঃপর এই সন্ত্রাসী বাহিনী  সরকার পতনের পর পরে নিজেদেরকে আত্মগোপন করে ফেলে। এখানেই তারা ক্ষ্যান্ত হয় নাই, বরং তারা তাদের সিন্ডিকেট  মহলের লোকজন  দ্বারা প্রতি মুহূর্তে আমাকে সর্বদা ফলো  সহ আমার পিছনে পিছনে ঘুরাফেরা করে আমার জীবনের জান- মাল – প্রানের  অপুরনীয় ক্ষতি করার চেস্টা করে আসছে। প্রতি মুহুর্তে আমাকে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নাম্বার থেকে কল ও ভয়ংকর  এস এম এস পাথায়।এই ব্যাপারে আমি পুলিশের কর্মকর্তাগণ ও সেনাবাহিনীকেও অবগত করি।উনারা আমার উক্ত ঘটনার দু:খ প্রকাশ করে জরুরী ভাবে  আইনানুগ ব্যবস্থা / মামলা  যাওয়ার আইনি পরামর্শ প্রদান করেন। তারপর আমি বাধ্য হয়ে কুমিল্লা জজ কোর্টে  উক্ত ঘটনার বিস্তারিত সাথে বিগত দিনের আমার সাথে নাসকতার  সকল প্রমান পত্রাদি দিয়ে কুমিল্লা জজ কোর্টে  দ্রুত বিচার আইনে আসামীদের বিস্তারিত সনাক্তকরণ সহ অজ্ঞাতনামা  ৪-৫ জনকে আসামী করে  চাঁদাবাজি প্রতিকার চেয়ে সাথে আমার ও আমার পরিবার পরিজন দের সার্বিক আইনগত সুরক্ষা, আত্মরক্ষা ও প্রশাসনিক  নিরাপত্তা চেয়ে  মামলা দায়ের করি। যাহার নাম্বার : দ্রুত সি আর -৩৬/২০২৪ ইং। উক্ত সন্রাসী রা  যদিও বর্তমানে আত্মগোপন রয়েছে কিন্তু তাদের অনেক গুন্ডা বাহিনীর লোক জন বর্তমানে কুমিল্লাতে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছে।তাই এই বিষয়ক আমি আমার নিরাপত্তা সহ আমার পরিবারের জান মাল ও প্রানের নিরাপত্তা নিয়ে খুবই বিপদ জনক  অবস্থায় ভীতরে আছি। তারা অচেনা  লোক মারফত প্রতিনিয়ত কল দিয়েই যাচ্ছে এবং পথে ঘাটে উক্ত এই অজ্ঞাতনামা লোকজনরা গুন্ডা বাহিনীর পক্ষ হয়ে আদালতের মামলা সহ থানার অভিযোগ /জি ডি প্রত্যাহারের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। আমি প্রান নাশের চরম নিরাপত্তা হীনতার ভীতরে আছি। আমি কুমিল্লার স্থানীয় সকল প্রশাসনকে মৌখিক এবং লিখিতভাবে এই বিষয়টি পূর্বেও অবগত করেছি এবং বর্তমানেও  জানিয়ে রেখেছি। 

      মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র এই নাসকতাময় ঘটনার বিষয়ে ব্যাখা দিয়ে  মাসিক মানবাধিকার খবর ( জাতীয়) সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব রিয়াজ উদ্দিন বলেন- মওদুদ আব্দুল্লাহ  শুভ্র সমাজে একজন মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব। তার ওপর  এই ধরনের নাসকতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অতি দ্রুত আসামিদেরকে আইনের আওতায় এনে সু-বিচার কামনা করছি।সমাজের সবাইকে আহবান জানাচ্ছি অপরাধী চক্রটিকে যে বা যাহারা চিনে থাকেন দেখা মাত্র প্রশাসনকে অবগত করে প্রশাসনের সহযোগিতায় গ্রেফতারের ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে অনুরোধ জানাচ্ছি। 

      মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র এই ঘটনার বিষয়ে হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি পক্ষে এই (মানবাধিকার) প্রতিস্থানের  চেয়ারম্যান জনাব এড:  সাইদুল শাওন বলেন- মওদুদ শুভ্র সর্বদা মানবিক কাজে মানুষের কল্যাণের জন্য মানবিক মানুষ হিসেবে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মানবিকতার সংস্থায় কাজ করে  বহুবার বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক  সংস্থা থেকে পুরস্কৃত হন। এই রকম একজন সফল মানবিক সংগঠকের সাথে এই ধরনের ঘৃণিত ও নেক্কারজনক  কার্যকলাপের প্রতিবাদ জানিয়ে অতি দ্রুত আসামীগনদের গ্রেপ্তারের জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন সহ যৌথবাহিনীকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

      এই বিষয়ক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র পক্ষে আইনজীবী এড: ইমরান  জানান- বিগত দিন ধরে  আমার মোয়াক্কেল এই সমস্যাটির ভীতরে আছেন। আমার মোয়াক্কেল মধ্য বিত্ত ঘরের উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি।তিনি ক্ষুদ্র এই ব্যবসা ও চাকুরী ছাড়াও বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক সংগঠন এর সাথে সরাসরি জড়িত আছে। আমার মোয়াক্কেল কে বিগত ৭ বছর ক্ষমতাসীন দলের সময় থেকে শুরু করে অদ্যাবধি পর্যন্ত বিভিন্ন ভাবে চাঁদা দাবি করা সহ হয়রানি করা হচ্ছে।যেটা অত্যন্ত দুঃখজনক। মওদুদ শুভ্র’র  ক্ষতি করার জন্য এই চক্রটির সক্রিয় অবস্থানে আছে। তাই এই বিষয়ে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার চেয়ে আদালতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের ইতিমধ্যে দায়ের করা হয়।বিষয়টি আদালতের আদেশ বলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করত প্রকৃত ঘটনা  উদঘাটন করে আসামীগনদের বিরুদ্ধে  আইনগত ব্যবস্থা অতি দ্রুত গ্রহন করা হবে।

  • টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন  সাকিব

    অনলাইন ডেস্ক:

    সাকিব আল হাসান ক্যারিয়ার শেষের ইঙ্গিতটা দিয়ে রেখেছিলেন অনেক দিন আগেই। গেল বছরের নভেম্বরে ভারতের মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগেই বলেছিলেন, খুব শিগগিরই ক্যারিয়ার শেষ করতে চান। এবার কানপুর টেস্টের আগে সেই ঘোষণা চলেই এলো। কানপুর থেকে জানালেন, টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ এরইমাঝে খেলে ফেলেছেন। আর টেস্ট থেকে বিদায় নেবেন অক্টোবরেই। 

    কানপুরে ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে বাংলাদেশের এই তারকা এই অলরাউন্ডার জানালেন, টি-টোয়েন্টিতে নিজের শেষ ম্যাচটা এরইমাঝে খেলে ফেলেছেন তিনি। টেস্ট ক্রিকেটের বিদায়টা তিনি নেবেন ঘরের মাটি থেকেই। অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে শেষবার বাংলাদেশের হয়ে সাদা পোশাকে দেখা যাবে সাকিব আল হাসানকে। 

    অবসরের কথা জানিয়ে সাকিব প্রেস কনফারেন্সে বলেন ‘আমার মনে হয় টি-টোয়েন্টি তে আমি আমার শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছি, মিরপুর টেস্টে (দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে) খেলতে পারলে সেটি হবে আমার শেষ টেস্ট’।

    যার অর্থ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটাই ছিল ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণে সাকিব আল হাসানের শেষ ম্যাচ। ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের আর্নস ভ্যালি স্টেডিয়ামেই বিদায় নিলেন দেশের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা এই তারকা। যদিও শেষ ম্যাচটার পারফরম্যান্স সাকিব ভুলে যেতে চাইবেন প্রবলভাবে। ব্যাট হাতে প্রথম বলে আউট আর বল হাতে ১৯ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। 

    সাকিবের টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়েছিল ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খুলনা শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে। ব্যাট হাতে ২৬ রান আর বল হাতে ১ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয়ের সাক্ষী হয়েছিলেন সাকিব। দেশের ইতিহাসের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই ছিলেন তিনি। এরপর প্রতিনিধিত্ব করেছেন টানা নয় বিশ্বকাপে। 

  • কুমিল্লার সাবেক এমপি বাহার  ও মেয়র  সূচনাসহ ৪ জনের অ্যাকাউন্ট জব্দ

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লার সাবেক এমপি আ ক ম বাহাউদ্দীন এবং তার মেয়ে ও কুমিল্লার সাবেক মেয়র তাহসিনা বাহারের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করেছে বিএফআইইউ। বৃহস্পতিবার সব ব্যাংকে এ সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়।

    অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের তালিকায় আরও আছেন- বাহারের স্ত্রী মেহেরুন্নেছা, তার মেয়ে আয়মান বাহার ও আজিজা বাহার এবং তাহসিন বাহারের স্বামী সাইফুল আলম রনি। এদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সব হিসাবের তথ্য আগামী দুই দিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।

    গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে সাবেক মন্ত্রী, এমপি, রাজনৈতিক নেতার ব্যাংক হিসাব জব্দ বা তলব করছে বিএফআইইউসহ বিভিন্ন সংস্থা।

  • বোগদাদ যদি  চাঁদপুরে ঢুকতে পারে, আইদি কেন কুমিল্লা ঢুকতে পারবে না?

     

    চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে আইদি পরিবহনের রোড পারমিট পেতে এক মাসের আলটিমেটাম দিয়েছে মালিকপক্ষ। সোমবার দুপুরে শাহরাস্তি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। 

    সকল বৈধ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিগত ১ বছরেও কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রোড পারমিট না পাওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করে চাঁদপুরের আইদি বাস মালিক কর্তৃপক্ষ।

    লিখিত বক্তব্যে আইদি পরিবহনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী দাবি করেন, শাহরাস্তির পেয়ারা বেগম বৃদ্ধাশ্রম, হাসপাতাল ও এতিমখানা পরিচালনার লক্ষ্যে আইদি পরিবহন চালু করা হয়। তবে চালুর প্রথম থেকে রাজনৈতিক ও বিভিন্ন প্রভাবে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে তারা। চঁদপুর জেলা প্রশাসনের অনুমোদন পেলেও তৎকালীন কুমিল্লার এমপি বাহাউদ্দিন বাহারের হস্তক্ষেপে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন অনুমোদন দেয়নি। এতে পরিবহনটি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এক মাসের মধ্যে অনুমোদন না পেলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয় তারা।

    আরেক উপদেষ্টা তাজুল ইসলাম সুমন বলেন, ‘কুমিল্লায় একটি কাউন্টার ভাড়া নিয়েছি। আওয়ামী লীগের এমপির নাম ভাঙিয়ে সেখান থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইদি পরিবহন নিয়ে সরিয়ে আসার জন্য হুমকি দিয়েছিল। তাহলে সব পুড়িয়ে দিবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়। পরে আমরা সেখান থেকে চলে আসি। এখন পরিবহনটি চাঁদপুর থেকে জগৎপুর পযন্ত নয়টি স্টপেজে যাত্রী উঠানামা করছে।’

    আইদি পরিবহনের ২০টি গাড়ি এখন চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে চলছে। আরও প্রায় ৩০টি পরিবহন রয়েছে। কুমিল্লা পর্যন্ত রোড ফারমিট পেলে সবগুলো গাড়ি যাত্রী সেবায় নিয়োজিত করা হবে বলে জানান আইদি পরিবহনের ম্যানেজার মনির হোসেন। তিনি বলেন, ‘আইদি পরিবহনের রোড ফারমিট দিয়েছে চাঁদপুর জেলা বিআরটিএ। আর বোগদাদ পরিবহনকে দিয়েছে কুমিল্লা বিআরটিএ। তাহলে তারা যদি চাঁদপুরে ঢুকতে পারে, আমরা (আইদি পরিবহন) কেন কুমিল্লা ঢুকতে পারবে না। আগামী এক মাসের মধ্যে রোড পারমিট দিতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে দাবি জানাই।’

  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক হায়দার আলী

    অনলাইন ডেস্ক: 

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-সিএসই বিভাগের অধ্যাপক মো. হায়দার আলী।

    রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যোগদানের তারিখ থেকে আগামী চার বছর হবে তার দায়িত্বের মেয়াদ।

    অধ্যাপক হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্স অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। জাপানের তায়োহাশি ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি থেকে ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা হলে তার কাছ থেকে জানা যায়, শিক্ষাকতা জীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক হায়দার আলী।

    আলাদা প্রজ্ঞাপনে আগামী চার বছরের জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য পদে বসানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মাসুদা কামালকে।

    এর আগে তিনি বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঢাবির লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইডি ডিগ্রি অর্জন করেন অধ্যাপক মাসুদা।

    একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ সোলায়মানকে করা হয়েছে ট্রেজারার, যিনি এই পদে চার বছর দায়িত্ব পালন করবেন বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

    রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের হাওয়ায় উপাচার্য, প্রক্টর, হল প্রাধ্যক্ষ ও ডিনরা পদত্যাগ করতে শুরু করলে এক রকম অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়। সে সব পদে নতুন মুখ বসাচ্ছে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার।

    এরই মধ্যে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর, জগন্নাথসহ বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য বসানো হয়েছে।

  • বালিনা মাদরাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
    কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বালিনা আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা অলিউল্লাহ মাদানীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে৷ মাদরাসার বিভিন্ন ফান্ড ও অনুদান থেকে ২০ লাখ ৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ, প্রতিষ্ঠানের টাকায় ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য মোবাইল-ফ্যান ক্রয়, সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের অনুদানের টাকা ও ফরম ফিলাপের টাকা আত্মসাৎ করেন এই অধ্যক্ষ। দুর্নীতির খবরে স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানালে দোষ স্মীকার করে রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিজ পদ থেকে অব্যাহতি দেন মাওলানা অলিউল্লাহ মাদানী৷ এছাড়া মাদরাসা অনুদানের টাকা আত্মসাতের দায় স্মীকার করে একটি লিখিত অঙ্গীকার নামায় স্বাক্ষর করেন অধ্যক্ষ।

    লিখিত অঙ্গীকার নামায় অধ্যক্ষ অলিউল্লাহ বলেন, ‘২০২৩ সালের মাদ্রাসার অনুকূলে শিক্ষা অধিদপ্তর হতে বরাদ্দকৃত পাঁচ লাখ টাকা উত্তোলন করেছি। শিক্ষক এবং গভর্নিং বডি সদস্যদের সাথে পরামর্শ না করে উক্ত টাকা আত্মসাৎ করেছি। তবে শিক্ষকদের মাঝে আমি নব্বই হাজার টাকা বিতরণ করেছি। সুবিধা বঞ্চিত অত্র মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ৭৫ হাজার টাকা আমি নিজে বিভিন্ন নামে স্বাক্ষর করে আত্মসাৎ করেছি’।

    অনুসন্ধানে দেখা যায়, মাওলানা অলিউল্লাহ মাদানী বালিনা ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার জনতা ব্যাংক একাউন্ট থেকে সাত বারে ৪ লাখ ৭৫ হাজার, সোনালী ব্যাংক থেকে দুই বারে ৫ লাখ ২০ হাজার, অগ্রণী ব্যাংক থেকে পাঁচ বারে ২ লাখ ৫৯ হাজার টাকাসহ মোট ১২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা চেক জালিয়াতি করে উত্তোলন করেন।

    এই বিষয়ে মাদরাসা সাবেক সভাপতি তফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘ব্যাংকে টাকা উত্তোলনের বিষয়ে আমাকে কিছুই জানায়নি অধ্যক্ষ। আমার সিঙ্গনেচার নকল করে তিনি ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। বিষয়টি এখন প্রকাশ হওয়ায় আমি জানতে পেরেছি’।

    ২০২৩ সালে সুবিধা বঞ্চিত ১৫ শিক্ষার্থীর অনুদানের ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাত করেন অধ্যক্ষ। শিক্ষার্থীদের সহায়তা বিবরণীতে দেখা যায়, শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকের স্বাক্ষরের মাধ্যমে অনুদানের টাকা বিতরণ করা হয়েছে৷ অনুদানের বিবরণীতে নাম থাকা মাদরাসার শিক্ষার্থী মানসুরা আক্তার জুমা ও মাহিনুর আক্তার জানান, ‘অনুদানের টাকা এসেছে সে বিষয়ে তারা জানেন না৷ টাকাও পায়নি। অনুদানের বিবরণীতে তারা স্বাক্ষর করেনি। স্বাক্ষর নকল করে অধ্যক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

    স্থানীয় অন্তত ৩০জন ব্যক্তি জানান, ‘দুর্নীতির কথা অধ্যক্ষ সবার সামনে স্বীকার করেছেন ও সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। একটা দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এতিম ও শিক্ষার্থীদের টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। আমরা তার বিচার চাই।

    নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক বালিনা আলিম মাদরাসার একাধিক শিক্ষক জানান, ‘অধ্যক্ষ হুজুর স্থানীয় আওয়ামী লীগের প্রভাব দেখিয়ে যা ইচ্ছা তাই করতেন। এসব অনিয়মের কেউ প্রতিবাদ করলে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দিতেন’।

    মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মায়মুনা আক্তার ও সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা গরমে ক্লাস করি। আমাদের অনেক রুমে ফ্যান নাই৷ আমাদের অনেক কষ্ট হয়। অধ্যক্ষ হুজুর মাদরাসার অনুদানের ফ্যান বাসায় নিয়ে গেছেন। এমন অধ্যক্ষ চাই না’।

    অভিযোগের বিষয়ে বালিনা আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা অলিউল্লাহ মাদানী বলেন, ‘ শিক্ষার্থীদের অনুদানের টাকা, ফ্যান ও মোবাইল ফিরিয়ে দিবো। ইতিমধ্যে কিছু দিয়েছি। সভাপতি সিঙ্গনেচার করা খালি চেক রেখে যেতেন। তিনি নানা জায়গায় থাকতেন ব্যবসায়ী কারনে। তাই জরুরী প্রয়োজনে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে হয়েছে। অন্যান্য টাকার যে অভিযোগ আছে, সেসব টাকা মাদরাসার কল্যাণে খরচ করা হয়েছে’।
    অব্যাহতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ চাপে পড়ে অব্যাহতি ও অঙ্গিকার নামা দিয়েছি। আমি নির্দোষ’।

    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহীদুল করিম বলেন, ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উল্লেখিত অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে। সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স ম আজহারুল ইসলাম বলেন, ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত একটি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় উভয় পক্ষকে ডাকা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে

  • সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও শ্যামল দত্ত আটক

    অনলাইন ডেস্ক:

    সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও শ্যামল দত্ত ময়মনসিংহ উপজেলার ধোবাউড়া থানায় আটক হয়েছেন। ময়মনসিংহ উপজেলার ধোবাউড়া থানায় আছেন তারা। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় জনতা তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেন।

    ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চান মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন মোজাম্মেল বাবু। শ্যামল দত্ত দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক।

    এর আগে সপরিবারে ভারতে যাওয়ার সময় দৈনিক ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্তকে আটকে দিয়েছিল ইমিগ্রেশন পুলিশ।

    গত ৬ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তিনি সপরিবারে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেন। 

  • কুমিল্লায় ধানের চারা, টিন ও নগদ অর্থ দিয়ে বানভাসি মানুষের পাশে সেনাবাহিনী

     

    কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় প্রায় শতাধিক পরিবারের মাঝে ধানের চারা, টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি থেকে এসব বিতরণ করেন ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

    রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় বুড়িচং উপজেলার ভরাসার বাজার সংলগ্ন দরগা বাড়ির সামনে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৮০ জন কৃষকের মাঝে বি আর ২২ ও কাটারিভোগ জাতের ধানের চারা বিতরণ করা হয়। একজনকে ৩০ শতাংশ পরিমাণ জমিতে ধান চাষ করার মতো ধানের চারা বিতরণ করা হয়। এছাড়া তাদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

    পরে ইছাপুর ও বুড়িচং উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ঘর নির্মাণের জন্য বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৮টি পরিবারের মাঝে টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

    উপজেলা এলাকায় খুঁজে খুঁজে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের মাঝে ধানের চারা ও ঘর নির্মাণের জন্য টিন বিতরণ করা হয়।

  • সোনার দামে রেকর্ড; ভরি এখন ১ লাখ ২৯ হাজার ৯০২ টাকা

    অনলাইন ডেস্ক:

    দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫৮১ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দাম বাড়ানোর ফলে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম হবে এক লাখ ২৯ হাজার ৯০২ টাকা। মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের বাজারে দামের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে এ ধাতুটির।

    শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে সোনার নতুন দাম কার্যকর হবে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনা এক লাখ ২৯ হাজার ৯০২ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬ হাজার ২৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ৮৭ হাজার ১৩ টাকায় বিক্রি করা হবে।

    সোনার দাম বাড়ানো হ‌লেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটে প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ২ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা।

    আজ শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এক লাখ ২৬ হাজার ৩২১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ২০ হাজার ৫৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৩ হাজার ৩৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ৮৫ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।