কুমিল্লায় বিপুল পরিমান পাসপোর্টসহ দালাল চক্রের ৭ সদস্য আটক


(অমিত মজুমদার, কুমিল্লা)
কুমিল্লায় বিপুল পরিমাণ পাসপোর্ট, নকল সিলমোহর ও নগদ টাকা উদ্ধার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এসময় পাসপোর্ট দালাল চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
 র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লা ক্যাম্পের একটি দল মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত নগরীর শাসনগাছা ও নোয়াপাড়া এলাকায় পৃথক এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতারকৃত দালালরা হচ্ছে, কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া  তেতাভূমি গ্রামের মোঃ কানু মিয়ার ছেলে মোঃ জসিম উদ্দিন (২৫),  নগরীর নোয়াপাড়া এলাকার  জিন্নাহ এর ছেলে নিয়াজ মোর্শেদ পল্লব (২৩),  মনোহরপুর এলাকার সতীশ চন্দ্র এর ছেলে রতন চন্দ্র (৩৮),  শাসনগাছা এলাকার আবুল কাশেম এর ছেলে মোঃ গোলাম সারোয়ার (৩৬),  তিতাস উপজেলার বাতাকান্দি গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদ এর ছেলে শাহাবুদ্দিন (৫০),  দেবিদ্বার উপজেলার বইশেরকোট গ্রামের মোঃ নুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩০) ও  কোতয়ালি থানার অলিপুর উত্তর পাড়ার মৃত কাজী আব্দুল খালেক এর ছেলে কাজী আবু আল ফেরদৌস (৫৫)।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লা ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব জানান, ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর শাসনগাছা ও নোয়াপাড়া  এলাকায় অভিযান চালিয়ে দালালচক্রের সক্রিয় ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের নিকট থেকে মোট ১শ ৩ টি পাসপোর্ট, নগদ ৩ লক্ষ ৭৭ হাজার ৮শ টাকাসহ পাসপোর্ট তৈরির বিপুল পরিমাণ কাগজপত্র, নকল সীলমোহর, কম্পিউটার,ল্যাপটপ, প্রিন্টার উদ্ধার করা হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে গ্রেফতারকৃত আসামীরা সকলেই পাসপোর্ট দালাল চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছে এবং তারা দীর্ঘদিন যাবৎ পাসপোর্ট তৈরী করে দেওয়ার নাম করে ভূক্তভোগী লোকজনের নিকট থেকে সরকার নির্ধারিত রেট এর অধিক বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিত বলে স্বীকার করছে।
তাদের কাছে টাকা জমা দিলে তারা নকল সীলমোহর ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করে সরবরাহ করেছে।  পাসপোর্ট দালাল নির্মূলে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে  কোতয়ালি থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়া চলছে।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *