Category: সিটি নিউজ

  • ছায়াবিতান সোসাইটির দ্বিতীয় মেয়াদে সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    কুমিল্লা শহরতলীর ছায়াবিতান কো-অপাবেটিভ হাউজিং সোসাইটির ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন ও ফলাফল ঘোষণা হয়। দ্বিতীয়বারের মত সভাপতি নির্বাচিত হলেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।

    শনিবার সকাল ১০ টায় সোসাইটির ছায়াবিতানস্থ কার্যালয়ে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

    নির্বাচন পরিচালনা ও ফলাফল ঘোষণা করেন- নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও আদর্শ সদর উপজেলা সমবায় অফিসার মো; শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া। এ কমিটি আগামী ৩ বছর দায়িত্ব পালন করবেন।

    নব-নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটিতে ২য় মেয়াদে সহ-সভাপতি পদে মোহাম্মদ ফারুক সরকার, সহকারী অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ, সম্পাদক এ এম মামুনুর রশিদ (অপু), দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,

    সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জনাব খাজা মোহাম্মদ আলী, প্রাক্তন জেলা শিক্ষা অফিসার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জনাব মোঃ শাহনুর আলম, সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট, এবি ব্যাংক, জহিরুল হাসান ভূইয়া, প্রিন্সিপাল অফিসার, অগ্রনী ব্যাংক লি. মোঃ গিয়াস উদ্দিন, ইনচার্জ, জীবন বীমা কর্পোরেশন, কুমিল্লা ও মো: মনিরুজ্জামান মজুমদার, ব্যবসায়ী।

    নব-নির্বাচিত কমিটির পক্ষে সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন- ঐতিহ্যবাহী এই সোসাইটি সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে পরিচালনার জন্যে স্থানীয় সাংসদ মহোদয়, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিগণ ও সোসাইটির সম্মানীয় সদস্যগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

    ২য় মেয়াদে নির্বাচিত সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম লালমাই উপজেলার ভুলইন দক্ষিণ ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মরহুম ডাঃ আবুল হোসেনের বড় সন্তান। তিনি বাগমারা বাজারস্থ সেবা ডেন্টাল কেয়ার এর মালিক ডেন্টিষ্ট মফিজুল ইসলাম মুন্নার বড় ভাই।

    উল্লেখ্য সরকারি কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ১৯৬৪ সালে সরকারি উদ্যোগে ছায়াবিতান কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লি. প্রতিষ্ঠিত হয়। ভূমি অধিগ্রহণ সম্পর্কীয় যাবতীয় নিয়ম শেষে ১৯৭৮ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও সোসাইটির মধ্যে ভূমি হস্তান্তর দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে ৯.৮৭ একর জমির উপর এ সোসাইটির আবাসিক কার্যক্রম শুরু হয়।বর্তমানে এ সোসাইটির সদস্য সংখ্যা ১১৭ জন। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই সরকারের প্রশাসন, বিচারবিভাগ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক, সেনাবাহিনী, পুলিশবিভাগ, হিসাববিভাগসহ সরকারের বিভিন্ন বিভাগের বর্তমান ও প্রাক্তন চাকুরীজীবিগণ অথবা তাঁদের ওয়ারিশরা এ সোসাইটিতে বসবাস করে আসছেন।

  • কুমিল্লার প্রবীণ চিকিৎসক এম. এস আলমের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন

    খাইরুল আহসান মানিক:
    কুমিল্লার প্রবীণ চিকিৎসক এম. এস আলম ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। শুক্রবার ভোর পৌনে সাতটায় নগরীর সিডি হসপিটালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিলো ৮৭ বছর। দীর্ঘ দিন যাবৎ কিডনি রোগ জনিত জটিলতায় ভূগছিলেন।

    মৃত্যুকালে তিনি পত্নী লায়লা আঞ্জুমান আলম, এক ছেলে আইনজীবী সাইফুল আলম, তিন মেয়ে শামীমা আলম, ডা. শাহিদা আলম ও ডা. সায়লা আলমসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। তার পৈত্রিক নিবাস চট্টগ্রাম জেলার সন্দীপ উপজেলায়। তিনি ১৯৬৭ সালে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ও স্বাধীনতার পার দ্বিতীয় ব্যাচে এফসিপিএস ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি কুমিল্লার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন শেষে কুমিল্লা সদর হাসপাতাল থেকে সিনিয়র কনসালটেন্ট হিসাবে অবসর গ্রহণ করেন।

    চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন। রোগী কল্যাণ পরিষদ কুমিল্লার আজীবন সদস্য, কুমিল্লাস্থ চট্টগ্রাম সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি ছিলেন।শুক্রবার বাদ জুম্মা কুমিল্লা মর্ডান স্কুল জামে মসজিদ প্রসঙ্গে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

    জানাজার পূর্বেবক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খোরশেদ আলম। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) কুমিল্লার সভাপতি ডা. আবদুল্লা বাকী আনিস, সাধারণ সম্পাদক ডা. আতাউর রহমান জসিম, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মহসিনুজ্জামান চৌধুরীসহ আরও অনেকে। মরহুমার নিকটতম আত্মীয়, কুমিল্লার প্রবীণ রাজনীতিবিদ এডভোকেট আফজল খানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে মরহুমকে নগরীর টমচমব্রীজ কবরস্থানে দাফন করা হয়।