Category: সিটি নিউজ

  • কুমিল্লা সিটি ক্লাবের ২০২২ বর্ষের বোর্ড নির্বাচিত


    স্টাফ রিপোর্টার:
    একটি অরাজনৈতিক ও অসাম্প্রদায়িক আর্ন্তজাতিক সেবা সংগঠন এপেক্স ক্লাব। সমাজকে নিঃস্বার্থ সেবাদান, আদর্শ

    নাগরিক হওয়া, দেশ বিদেশে সমবয়সী যুব সমাজের মধ্যে বন্ধুত্ব স্থাপন করে উন্নত সমাজ ও বিশ্ব গড়ে তোলাই এপেক্সের মূল উদ্দেশ্য। চিন্তা, চেতনায়, সুনাগরিকত্ব, বন্ধুত্বে সকলের শীর্ষে থাকার বাসনা আছে এপেক্স ক্লাবের প্রত্যেক সদস্যের। গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় কুমিল্লা মহানগরীর ক্যাপসিকাম হোটেল হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় এপেক্স ক্লাব কুমিল্লা সিটির ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা।

    এপে. তৌহিদ হোসেন সরকার এর কোরআন তেলোওয়াত পাঠ ও এপে. জি এম সামদানী আইডিয়েল অব এপেক্স পাঠের মাধ্যমে সভার সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের লাইফ গভর্ণর এপে. ডা. মুজিবুর রহমান, পিএনপি এপে. সৈয়দ নুরুর রহমান। আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা গভর্ণর এপে. এড. খোরশেদ আলম, সিটি ক্লাবের পিপি এপে. জাবেদুল হক সাগর, পিপি এপে. আব্দুস সালাম, এনএস, এপেক্স বাংলাদেশ এর এপে. হাবিবুর রহমান চৌধুরী, ডিএস এপে. শাহজাদা এমরান, কুমিল্লা ক্লাবের প্রেসিডেন্ট এপে. শাহরিয়ার জামান, পিপি এপে. মাহমুদুল হাসান পাশা, এপে. ওয়ালীউল্লাহ রিপন, কুমিল্লা মেট্রোপলিটন ক্লাবের সভাপতি এপে. জাফরুল হাসান সহ আরো অনেকে।

    বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত সকল সদস্যের সম্মতিতে ২০২২ সালের সিটি ক্লাবের বোর্ড নির্বাচিত হয়। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন পিপি এপে. এপে. জাবেদুল হক সাগর, সহকারী নির্বাচন কমিশনার ছিলেন এপে. আব্দুস সালাম আহমেদ, এপে. ফেরদৌস আলম দুলাল। অবজারভার ছিলেন এপেক্স ক্লাব অব অপরাজিতার পিপি ও ন্যাশনাল অফিশিয়াল এপে. এড. নাহিদ সুলতানা মুক্তি।
    ২০২২ বর্ষের কমিটিতে প্রেসিডেন্ট এপে. আব্দুল হাই শরীফ, সিনিয়র সহ-সভাপতি এপে. কেফায়েত উল্লাহ, জুনিয়র সহ-সভাপতি এপে. তৌহিদ হোসেন সরকার, আইপিপি এপে. আরিফুল ইসলাম, সেক্রেটারী এবং ডিএনই এপে. চৌধুরী মুহা. আহাদ, ট্রেজেরার এপে. আবুল কালাম রাসেল, সার্ভিস ডিরেক্টর এপে. সাইফুল ইসলাম, মেম্বারশীপ এন্ড এটেন্ডেন্স ডিরেক্টর এপে. মোফতার আহমেদ সোহাগ, ­ফেলোশীপ এন্ড পাবলিক রিলেশন ডিরেক্টর এপে. সাইফুর রহমান সুমন, পাবলিক স্পেকিং এন্ড ডিবেটিং ডিরেক্টর এপে. আবু ইউসুফ এবং সার্জেন্ট এ্যাট আর্মস এপে. মাঈনুদ্দিন সরকার।

  • কুমিল্লা নগরীতে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে খুন



    নিজস্ব প্রতিবেদক

    কুমিল্লা নগরীতে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে মো. হৃদয় (১৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ নভেম্বর) সকালে নগরীর টিক্কারচর কবরস্থানের সামনের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত হৃদয় সংরাইশ এলাকার গোজুদ্দার বাড়ির নুর মিয়ার ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে রাজিব নামে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয় হৃদয়ের। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার সকালে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে হৃদয়কে ছুরিকাঘাত করেন রাজিব। এতে তিনি জ্ঞান হারান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল আজিম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।  ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। 

  • কুমিল্লায় মেঘনায় ভোটের শুরুতে টেঁটা-বল্লম নিয়ে সংঘর্ষ; চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ আহত ৫


    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ৪ নং চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে টেঁটা-বল্লম নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন কবিরসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সকাল সোয়া ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোস্টগার্ডসহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

    রামপ্রসাদের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান বলেন, ভোটগ্রহণ শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যে কেন্দ্রের বাইরে উত্তেজনা শুরু হয়। তারপর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। 

    ৪ নং চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন কবির বলেন, নৌকার প্রার্থী লতিফ সরকার বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে আমার ওপর হামলা করেছে। আমি রক্তাক্ত হয়েছি। তারপরও আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, নির্বাচন যেন সুষ্ঠু হয়।

    কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম তানভীর আহমেদ বলেন, সংঘর্ষের পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করে ১০টি টেঁটা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

    জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দুই ঘণ্টা পর সকাল ১০টায় পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

  • ৪৫০ তম লাশ দাফন করলো বিবেক

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গে মারা যাওয়া ৪৫০ তম লাশ দাফন করেছে সামাজিক সংগঠন বিবেক।

    আর্তমানবতার সেবায়” এমন স্লােগানকে ধারণ করে গত পৌনে দুই বছর ধরে কুমিল্লা জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের লাশ দাফনের কাজটি করে চলছে বিবেক।

    বুধবার বেলা ১০ টায় কুমিল্লা সিএমএইচে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান এক ব্যক্তি। মারা যাওয়া ওই ব্যক্তির নাম আবদুল গফুর (৭৬)। কুমিল্লা নাঙ্গলকোট উপজেলার উল্লাখালী গ্রামের বাসিন্দা তিনি।

    করোনা আক্রান্ত হয়ে বাবার মারা যাওয়ার বিষয়টি টিম বিবেককে জানায় আবদুল গফুরের ছেলে জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার ফয়েজ আহমেদ।খবর পেয়েই জানাযার সরঞ্জামাদীসহ পুরো টিম হাজির হন। পরে গোছল ও জানাযার নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

    বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, যখন করোনা শুরু হয়, তখন অনেকই করোনা আক্রান্ত জীবিত মানুষটির কাছে যেতো না। আর যারা করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যেতো তাদের স্বজনরাও দূরে চলে যেতো। বাবা তার ছেলের কাছে যেতো না। মা আর সন্তানের দূরত্ব দেখেছি। কি নিষ্ঠুর সময় দেখেছি আমরা।

    তখন বিবেকের তাড়নায় বিবেক নামে একটি সংগঠন করি। আমি ও আমাদের দলটি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্তদের দাফনের কাজটি করতাম। লাশ বহনের সময় স্বাভাবিক রাস্তা দিয়ে যেতে পারতাম না। সংক্রমণের ভয়ে স্থানীয়রা বাঁধা দিতো। তাই বাধ্য হয়ে ধানী জমি – খানাখন্দ ও ডোবা দিয়ে লাশ বহন করতাম। এভাবে ৯ জন হিন্দু একজন খৃষ্টান ও ৪৪০ জন মুসলমানের লাশ সমাহিত করেছি। আর্তমানবতার সেবায় আমাদের এই কাজটি অব্যহত থাকবে।

    কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন মীর মোবারক হোসাইন বলেন, এখন করোনার প্রকোপ খুব কম। তবে যখন কুমিল্লা জেলায় পুরোপুরিভাবে করোনার প্রকোপ দেখা দেয় তখন ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। কেউ করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে স্বজনরাও দূরে চলে যেতো। ওই রকম ভয়াবহ মুহুর্তে বিবেক নামে এগিয়ে আসে একটি সংগঠন । তারা করোনা আক্রান্তদের লাশ দাফনের কাজ শুরু করে। আমি মনে করি বিবেকের এ কাজটি ছিলো যুগান্তকারী। বিবেকের জন্য শুভ কামনা থাকবে।

  • সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন পেয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জাগ্রত মানবিকতা

    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন পেয়েছে জাগ্রত মানবিকতা স্বনামধন্য আলোচিত সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জাগ্রত মানবিকতা সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন পেয়েছে। ২০১৬ সালে পথচলা শুরু করে এ সংগঠনটি। তরুণ নারী নেত্রী ও সমাজসেবিকা ডাঃ তাহসীন বাহার সূচনার একান্ত প্রয়াসে এ সংগঠনটির কার্যক্রম শুরু হয়।


    রক্তদান কর্মসূচী দিয়ে শুরু করে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসা, হার্টের রোগীর চিকিৎসা, কিডনী ডায়ালাইসিস, থ্যালাসেমিয়া ও বিভিন্নভাবে সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের সহযোগীতা করাসহ ব্যাপক কাজের মাধ্যমে সুনাম কুড়িয়েছে সংগঠনটি।

    সোমবার (৮ নভেম্বর) সকাল ১১টায় কুমিল্লা মুন্সেফবাড়িতে কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের উপস্থিতিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কুমিল্লা জেলার উপ-পরিচালক জেড এম মিজানুর রহমান জাগ্রত মানবিকতার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ তাহ্সীন বাহার সূচনার হাতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধণ সনদপত্র তুলে দেন।
    এসময় কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেন, জাগ্রত মানবিকতা সমাজকর্মের মাধ্যমেই আরো এগিয়ে যাবে আরো সমৃদ্ধ হবে। বেশীরভাগ সামাজিক সংগঠন নিবন্ধণ নিয়ে কাজ শুরু করে আর জাগ্রত মানবিকতা নিবন্ধণ নেয়ার ৪ বছর আগে কাজ শুরু করেছে।

  • পূজামণ্ডপের ঘটনায় কুসিক মেয়র সাক্কুর পিএস মহিউদ্দিন বাবু আটক

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    কুমিল্লা পূজা মন্ডপে পবিত্র কোরআন অবমাননা ও এর জেরে সহিংসতার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সিটি মেয়র মোঃ মনিরুল হক সাক্কুর ব্যক্তিগত সহকারী মহিউদ্দিন আহমেদ বাবুকে শনিবার গভীর রাতে সাজেক থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আন্ওয়ারুল আজিম।

    ওসি আনওয়ারুল আজিম জানান, তথ্য প্রযুক্তির সহয়তায় কোতয়ালী মডেল থানার একটি টিম ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম মিলে সাজেকের একটি রিসোর্ট থেকে বাবুকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে আদালতে নেয়া হয়েছে।

    কুমিল্লা সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, কুমিল্লা ঘটনায় বাবু সম্পৃক্ত কিনা তা প্রশাসন তদন্ত করে দেখুক । সে যদি অপরাধী হয় তাকে শাস্তি দেয়া হোক । তবে কোন নিরাপরাধ মানুষকে যেন পরিকল্পিত ভাবে ফাঁসানো না হয়।

  • আধুনিক কুমিল্লা সিটি গড়তে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে চায় এমজিএসপি

    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    বিশ্ব ব্যাংকে’র অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এমজিএসপি প্রকল্পের মাধ্যমে কুমিল্লা সিটির উন্নয়নের জন্য ২৫০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ঢাকা থেকে আগত প্রকল্পের কর্মকর্তারা।

    আধুনিক সয়ং সম্পূর্ণ, উন্নত বাংলাদেশ গড়তে মেগা প্রকল্পকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের অতীন্দ্র মোহন রায় কনফারেন্স রুমে কয়েক ঘন্টা ব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

    কর্মশালায় জলাবদ্ধতাকে প্রধান সমস্যা হিসাবে উপস্থাপন করেছেন সবাই। এছাড়াও বিনোদন সুবিধা বৃদ্ধি, ধর্মসাগরের চার পাড়ে হাঁটার রাস্তা তৈরি, পরিবেশ রক্ষা, শৌচাগার নির্মাণ, সড়ক প্রশস্ত করণ, যানজট সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

    কুসিক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কুর সভাপতিত্বে
    এমজিএসপি (মিউনিসিপ্যাল গভর্ন্যান্স এন্ড সার্ভিসেস প্রজেক্ট) সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান প্রকৌশলী মোঃ সফিকুল ইসলাম ভূইঁয়া, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখ মোঃ নুরুল্লাহ, নির্বাহী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ আবু সায়েম ভূইঁয়াসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এমজিএসপির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র স্থপতি হেলাল উদ্দিন, গভারন্যান্স স্পেশালিষ্ট আওলাদ হােসেন, নগর পরিকল্পনাবিদ সাইফুর রহমান, প্রকৌশলী আহম্মেদ আবু যায়েদ অমি, সামাজিক ও পূনর্বাসন পরামর্শক মােঃ মাহাবুবুর রহমান প্রমুখ।

  • কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : কুমিল্লায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

    নিজস্ব প্রতিবেদক:


    যারা দেশের বিরুদ্ধে কাজ করে, তারা যে দলের হোক ছাড় দেওয়া হবে না। আমার দলের কেউ যদি এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকে তবে তাদেরও ছাড় দেওয়া হবে না। যে অপরাধ করেছে, তাকে শাস্তি পেতেই হবে। বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) কুমিল্লা নগরীর নানুয়াদিঘীর পাড়ে অস্থায়ী পূজামণ্ডপের সামনে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান এসব কথা বলেন।

    ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সেদিন আওয়ামী লীগ যদি মাঠে থাকত এ ঘটনা ঘটাতে পারত না। ইউনিয়ন নির্বাচনের কারণে অনেক নেতা ঢাকা ছিলেন। প্রশাসনও চিন্তা করেছে আমাদের দেশ অনেক শান্তিতে আছে। এই চিন্তা ও অলসতার কারণে তারা হামলার সুযোগ পেয়েছে। এই সুযোগ আর কোনো দিন দেওয়া হবে না।  

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পা দিয়েছে। এই অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার জন্য একটি পক্ষ স্বাধীনতার স্বপক্ষের মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে থাকে। তারাই পরিকল্পিতভাবে এই কাজটি করেছে।  

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান  মনোরঞ্জন শীল গোপাল, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত পাল, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্রের ট্রাস্টি অংকুর জিৎ সাহা নবসহ  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • ইকবালকে সাথে নিয়ে পূজা মণ্ডপের সেই গদাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ!

    নিজস্ব প্রতিবেদক।
    কুমিল্লায় পূজামণ্ডপের হনুমানের মূর্তির হাত থেকে নিয়ে যাওয়া গদাটি উদ্ধার করা হয়েছে।

    রোববার রাত ১১টার দিকে জেলা পুলিশের একটি দল কুমিল্লা দারোগাবাড়ী মাজারের পাশের চৌধুরী ভিলার প্রাচীরের ভেতর থেকে গদাটি উদ্ধার করে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এম তানভীর আহমেদ।
    এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, মণ্ডপের হনুমানের হাত থেকে গদাটি আনার পর কুমিল্লার ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল সেটি দারোগাবাড়ী মাজারের পুকুরে ফেলে দেন।
    গদা উদ্ধারের পর ইকবালের বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা তানভীর জানান, সেদিন রাতে গদাটি হনুমানের হাত থেকে নিয়ে ইকবাল দারোগাবাড়ী মাজারের কাছে আসে। তারপর সেটি মাজারের পুকুরে ফেলে দেয়। এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত গদাটি পানিতে না ডুবলে সেটি তুলে এনে পাশের চৌধুরী ভিলার প্রাচীরের ভেতরে ছুড়ে ফেলেন ইকবাল।

    ইকবালকে নিয়ে অভিযানে রোববার রাতে ওই বাড়ির প্রাচীরের ভেতর থেকেই গদাটি উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, ২৭ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের গদাটি রঙিন কাগজ ও রশি দিয়ে মোড়ানো ছিল। পুকুরে নিক্ষেপ করায় রঙিন কাগজ ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে।

    উদ্ধার অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহান সরকার, গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সত্যজিৎ বড়ুয়া, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনওয়ারুল আজিমসহ কর্মকর্তারা।

  • কুমিল্লা পূজামণ্ডপে কোরআ’ন রাখা ব্যক্তি শনাক্ত, খুঁজছে পুলিশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    কুমিল্লা নানুয়াদীঘির পাড়ের পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এক ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তার পরিচয় এখনও প্রকাশ করেনি পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ। তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। তাকে আমরা খুঁজছি।

    জানা যায়, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত ব্যক্তির নাম ইকবাল হোসেন বলে প্রচারিত হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, ‘অফিসিয়ালভাবে এখনও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। এই বিষয়ে যথাসময়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতিতে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

    তবে সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, ‘শনাক্ত ব্যক্তি নানুয়াদীঘির পাশের একটি মাজারের দিক থেকে পবিত্র কোরআন সাদৃশ্য একটি গ্রন্থ নিয়ে আসছেন।’ আরেক ফুটেজে দেখা যায়, ‘সেই কোরআন সাদৃশ্য গ্রন্থটি নিয়ে তিনি পূজামণ্ডপে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে হনুমানের হাতে থাকা গদাটি নিয়ে অন্য দিকে চলে যায়। পুলিশের দাবি এই ব্যক্তিই মণ্ডবে পবিত্র কোরআন শরিফ রেখে এসেছেন।’