Category: তিতাস

  • তিতাসে একই পরিবারের দুই শিশুকন্যাসহ বাবার বিষপান, দুই শিশুকন্যার মৃত্যু

    (মো: জুয়েল রানা, তিতাস)

    কুমিল্লার তিতাসে বাকপ্রতিবন্ধী দুই শিশু কন্যাকে বিষ খাইয়ে হত্যার পর বাবাও বিষপান করেছেন। সোমবার (৯জুন) সকালে উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের তুলাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা ওই গ্রামের  মুকবুল হোসেনের ছেলে বাবা মনু মিয়া (৩২)  দুই মেয়ে মনিরা আক্তার (১০) ও আল ফাতেহা (৬)। আহত অবস্থায় মনু মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। 

    নিহত শিশুদের দাদা মুকবুল হোসেন বলেন, আমার ছেলে বোবা, দুই নাতিনও বোবা। বোবা মেয়েদের কিভাবে বিয়ে দিবে এনিয়ে ছেলে প্রায় সময়ই ইশারায় বলতো, আমি মরে যাবো। আবার এলাকায় অনেকেই তাকে মশকরা করতো যে, ” তুই বোবা, তোর মেয়েরাও বোবা, তুই তাদের বিয়ে দিবি কিভাবে? ” 

    এ অভিমানেই আজ (সোমবার) সকাল ৭টার দিকে ঘরের দরজা বন্ধ করে মনু মিয়া দুই শিশুকন্যা মনিরা ও ফাতেহাকে বিষপান করিয়ে নিজেও বিষপান করেন। পরে তাদের উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  নিয়ে যান স্থানীয়রা। 

    তিতাস উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সরফরাজ আহমেদ খান বলেন, শিশুদের মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। শিশুদের বাবা মনু মিয়াকে আশংকাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।  আর কীটনাশক বা বিষের বড়ি (কেরির টেবলেট) যেখানে সেখানে বা যার তার বেচা বিক্রী নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়া জরুরি বলে আমি মনে করি । 

    তিতাস থানার ওসি মো. শহিদ উল্যাহ জানান, বাকপ্রতিবন্ধি দুই শিশুকন্যাসহ বাবা মনু মিয়া কীটনাশক পান করেছে। এতে দুই শিশুকন্যা মারা গেছেন। নিহত দুই শিশুকে থানায় আনা হয়েছে এবং বাবা মনু মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।

  • কুমিল্লায় ছেলের হাতে মা খুন নাকি হৃদরোগে মৃত্যু?

    (মোঃ জুয়েল রানা, তিতাস)
    কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় মঞ্জুরা বেগম (৬৫)এর মৃত্যু ঘটনায় ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। পরিবার দাবি করেন, বাবা-মায়ের ভরণপোষণ নিয়ে দুই ছেলের মোবাইল ফোনে ঝগড়া দেখে মা মঞ্জুরা বেগম মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে যান, এসময় পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিক তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং নিহতের পরিবারের স্বজনদের নিকট লাশ বুঝিয়ে দেন। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাত আনুমানিক দশটায় উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের শান্তি মিয়ার বাড়িতে।

    তবে এদিকে ছেলের হাতে মা খুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এমন পোস্ট ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ছেলের হাতে মা খুন এমন খবর পেয়ে তিতাস থানা পুলিশ বুধবার সকালে নিহতের বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন এবং একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মর্গে পাঠিয়েছেন।চিকিৎসক ও এলাকাবাসী ধারণা করছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে মঞ্জুরা বেগম।

    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা শান্তি মিয়া ও মঞ্জুরা বেগম দম্পতির দুই ছেলে তিন মেয়ে। বড় ছেলে নবীর হোসেন ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন এবং ছোট ছেলে বাবুল হোসেন বাহরাইন প্রবাসী। বাবা-মার বরন পোষন নিয়ে বেশ কয়েকদিন যাবৎ দুই ভাইয়ের মধ্যে দেশ বিদেশে মোবাইল ফোনে ঝগড়া চলে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে পুনরায় আবারও দুই ভাই বাবা-মাকে নিয়ে মোবাইল ফোনে ঝগড়া করে, এসময় বৃদ্ধা মা মঞ্জুরা বেগম ছেলেদের এমন ঝগড়া দেখে স্বামী শান্তি মিয়ার সামনেই মাটিতে ঢলে পড়েন। পরে মঞ্জুরা বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নিহতের ছোট মেয়ে ফাতেমা আক্তার বলেন, আমার বাবা মার মাসিক খাবার নিয়ে বড় ভাই ও ছোট ভাই প্রায় সময়ই ঝগড়া করতো।গতকাল মঙ্গলবার রাতেও দুই ভাই মোবাইল ফোনে ঝগরা করার সময় বাবা-মা দুইজনই দাড়ানো ছিল, হঠাৎ মা ডলে পরেন, তাৎক্ষণিক আমরা মাথায় পানি ঢেলে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়াও ফাতেমা আরও বলেন, তার মা আগে থেকেই ডায়েবিটিস ও হার্টের রোগী। আমার ভাই মাকে খুন করেছে এমন মিথ্যা অপবাদ দিয়ে যারা ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আমার বৃদ্ধা মাকে কাটা ছিরি করিয়েছে তাদের বিচার যেনো আল্লাহ করেন। আমরা আল্লাহর নিকট এই বিচার চাই।

    এবিষয়ে তিতাস থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কান্তি দাস বলেন, নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং পরিবারের পক্ষ থেকেও হত্যার অভিযোগ করেনি।তবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত বলা যাবে।

  • কুমিল্লায় সিগারেট বাকিতে না দেওয়ায় খুন, মূলহোতা গ্রেপ্তার

    মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা
    কুমিল্লার তিতাসে বাকিতে সিগারেট না দেওয়ায় মানিক (৩২) নামে এক দোকানিকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২২ মার্চ) দুপুরে নিহত মানিকের বাবা মো. মোখলেছুর রহমান বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে তিতাস থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় পুলিশ মানিক হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা বাহাউদ্দিনকে উপজেলার জগতপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

    গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় দোকানি মানিককে খুন করেন বাহাউদ্দিন ও জালাল উদ্দীন নামে ধূমপায়ী দুই সহোদর। উপজেলা কানাইনগর গ্রামের ভুঁইয়াবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক ওই গ্রামের মো. মোখলেস ভুঁইয়ার ছেলে।

    গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কান্তি দাস জানান, মানিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাঁর বাবা বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূলহোতা বাহাউদ্দিনকে আমরা জগতপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে তিনি স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেন। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    নিহত মানিকের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার বলেন, প্রতিবেশী ভুঁইয়াবাড়ির নায়েব আলীর ছেলে বাহাউদ্দীন আমার স্বামীর কাছে সিগারেট বাকি চান। কিন্তু দোকানে সিগারেট না থাকায়, আমার স্বামী বলেন সিগারেট নাই। এতে বাহাউদ্দীন ক্ষিপ্ত হয়ে আমার স্বামীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতি করে ঘরে চলে যান। তারপর বাহাউদ্দীন ঘর থেকে তাঁর বাবার সামনেই দা হাতে, তাঁর আপন ভাই জালাল উদ্দীনকে সঙ্গে করে নিয়ে এসে আমার স্বামীকে কোপাতে এলে প্রতিবেশীদের বাধার মুখে তাঁরা দুই ভাই আবারও ঘরে গিয়ে ছুরি নিয়ে আসেন। এরপর আমাদের বাড়ির অন্যদিক দিয়ে ঘুরে এসে দোকানে ঢুকে আমার স্বামীকে জাবড়ে ধরে আর তার ভাই বাহাউদ্দীন গলায় ছুরি মেরে হত্যা করে। এর আগেও তারা বাকি নিয়ে অনেক টাকা জমিয়েছে, আর সেই টাকা চাইতে গেলে কয়েকবার আমার স্বামীকে মারধর করেছে।

    পরে মুমূর্ষু অবস্থায় মানিককে উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। এরপর তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মানিক মারা যান।

  • কুমিল্লায় বাকিতে সিগারেট না দেওয়ায় দোকানিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

    কুমিল্লার তিতাসে বাকিতে সিগারেট না দেওয়ায় তিন সন্তানের জনক মানিক (৩২) নামে এক দোকানিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে বাহাউদ্দিন ও জালাল উদ্দীন নামের দুই ধূমপায়ী সহোদর।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় উপজেলা কানাইনগর গ্রামের ভুইয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক ওই গ্রামের মো. মোখলেস ভুঁইয়ার ছেলে।

    নিহত মানিকের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার বলেন, ‘প্রতিবেশী ভুঁইয়া বাড়ির নায়েব আলীর ছেলে বাহাউদ্দীন আমার স্বামী মানিকের কাছে সিগারেট বাকি চায়। কিন্তু দোকানে সিগারেট না থাকায়, আমার স্বামী বলেন সিগারেট নাই। এতে বাহাউদ্দীন ক্ষিপ্ত হয়ে আমার স্বামীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতি করে ঘরে চলে যায়। তারপর বাহাউদ্দীন ঘর থেকে তার বাবা মোখলেসের সামনেই দা হাতে, তার আপন ভাই জালাল উদ্দীনকে সঙ্গে নিয়ে এসে আমার স্বামীকে কোপাতে আসে। এ সময় প্রতিবেশীদের বাধার মুখে তারা দুই ভাই আবারও ঘরে গিয়ে ছুরি নিয়ে এসে, আমাদের বাড়ির অন্যদিক দিয়ে ঘুরে এসে দোকানে ঢুকে জালালউদ্দীন আমার স্বামী মানিককে জাবড়ে ধরে আর তার ভাই বাহাউদ্দীন গলায় ছুরি ছুরি মেরে হত্যা করে। এর আগেও তারা বাকি নিয়ে অনেক টাকা জমিয়েছে, আর সেই টাকা চাইতে গেলে কয়েকবার আমার স্বামীকে মারধর করেছে।’

    মুমূর্ষু অবস্থায় মানিককে উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। পথিমধ্যে মানিকের মৃত্যু হয়।

    এ ব্যাপারে তিতাস থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাঞ্চন কান্তি দাস বলেন, ‘আমরা শুনেছি সিগারেট বাকি না দেওয়ায় মানিক নামের এক দোকানিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি, খুনিদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

  • কুমিল্লায় বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত-১, আহত-১৫

    তিতাস(কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ


    কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও সাবেক চেয়ারম্যান সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে জহির মারা গেছেন। এসময় পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া সাবেক মেম্বারের বিল্ডিং এ অগ্নিসংযোগেরও ঘটনাও ঘটেছে।

    ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় উক্ত ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রামে।

    আহতদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেছে। এবং অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ঢাকা নেওয়ার পথে জহির উদ্দিন (৩৮) মারা যান।

    আহতরা হলেন উপপরিদর্শক (এস আই) মাহমুদুর রহমান, বর্তমান চেয়ারম্যান বাবুল আহম্মেদ এর সমর্থক হোসেন মিয়া ও মনির হোসেন। প্রাথমিকভাবে এই তিন জনের নাম জানা গেছে।

    এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায় বর্তমান চেয়ারম্যান বাবুল আহম্মেদ ও সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার সমর্থকরা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ। এলাকাবাসী আরও বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে আসলে সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার গ্রুপের লোকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়ে এবং একজন পুলিশকে নিয়ে টানা হেচরা করতে এলাকাবাসী দেখেছেন,এসময় একজন পুলিশ রক্তাক্ত আহত হয়।

    পড়ে আহত পুলিশকে নিয়ে অন্য পুলিশ সদস্যরা চলে গেলে বর্তমান চেয়ারম্যান বাবুল আহম্মেদ এর সমর্থক সাবেক মেম্বার সাইফুল মিয়ার বিল্ডিংএ অগ্নিসংযোগ করে সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার লোকজন।

    বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে এবং ঘটনা স্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

    ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের টিম লিডার রাসেল বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌছতে সন্ধ্যা ছয় টায় এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।

    এবিষয়ে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সূধীন চন্দ্র দাস বলেন, আবু মোল্লা গ্রুপ ও সাইফুল মেম্বার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হামলা মামলা চলে আসছিল,তারই জের ধরে আজকের সংর্ঘষ।

  • তিতাসে কথিত এপিএস ময়নুলের ইয়াবা সেবনের ছবি ভাইরাল!

    (মোঃ জুয়েল রানা, তিতাস)
    কুমিল্লার তিতাসে মোঃ ময়নুল প্রকাশে এপিএস (২৮) নামে এক যুবকের ইয়াবা সেবনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
    মোঃ ময়নুল প্রকাশে এপিএস উপজেলার ৫নং কলাকান্দি ইউনিয়নের দড়িমাছিমপুর গ্রামের আহাম্মদ হাজীর ছেলে।

    শুক্রবার থেকে ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে দেখা যায়, খালি গায়ে বিল্ডিং এর এক রুমে বসে ইয়াবা সেবন করছেন ওই যুবক। মুখে ইয়াবা সেবনের পাইপ। এক হাতে গ্যাস লাইটের আগুন অন্য হাতে ফয়েল ধরে আছেন এবং টেনে নিচ্ছেন আগুনের তাপে গলে যাওয়া ইয়াবার ধোঁয়া

    ধারণা করা হচ্ছে, তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ইয়াবাসেবী ছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ একজন ছবিটি তুলেছেন। পরে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

    দড়িমাছিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল ড্রাইভারসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, ময়নুল একজন পেশাদার মাদকসেবী। এবং সে মাদক বিক্রিও করে থাকে। তার যন্ত্রণায় এলাকাোবাসী অতিষ্ঠ। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করি।

    এ ব্যাপারে মো.ময়নুল প্রকাশে এপিএস এর নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা সৌদি আরবের ছবি, ষড়যন্ত্র করে তুলছে।আমি ইয়াবা সেবন করি না৷ এবং এর সঙ্গে জড়িত নই। আপনি আমার সাথে সরাসরি কথা বলেন বলে ফোনটি কেটে দেন।

  • কুমিল্লায় মুরগি নিয়ে ঝগড়া; ইটের আঘাতে মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু

    মোঃ জুয়েল রানা, তিতাসঃ
    কুমিল্লা তিতাস উপজেলায় মুরগি নিয়ে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীর ইটের আঘাতে আয়েশা (১৪) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামে। নিহত আয়েশা মোহনপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেম এর মেয়ে এবং মোহনপুর দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুরগিকে কেন্দ্র করে গত ১৯ জুন রবিবার নিহত কিশোরী আয়েশা ও তার মা পারভীন এর সাথে প্রতিবেশী আজিজ এর বাকবিতণ্ডা হয়। বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে আজিজ আয়েশাকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়ে মারলে আয়েশা গুরুত্বর আহত হয়ে মাটিতে লুটে পড়ে যায়। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাৎক্ষণিক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করলে পথে তার মৃত্যু হয়।

    তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুধীন চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সোমবার সকালে কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আসামি গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে এবং অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • কুমিল্লায় গভীর রাতে চোর সন্দেহ গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

    জেলা প্রতিনিধি, কুমিল্লা

    কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় চোর সন্দেহ গণপিটুনিতে মাহবুব ওরফে টারজেন (২৫)নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।সে জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের নোয়াগাও গ্রামের বাসিন্দা

    মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে জিয়ারকান্দি ইউপির নোয়াগাও গ্রামে গনপিটুনীর  ঘটনা ঘটে। পরববর্তী বুধবার বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিতাস থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) সুধীন চন্দ্র দাস।

    তিনি জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে জিয়ারকান্দি ইউপির নোয়াগাও গ্রামের মৃত সোনা মিয়া সরকারের ছেলে আজহারুলের মুদির দোকানের চালের টিন কেটে ভিতরে প্রবেশ করে তখন দোকানের পাশের বাড়ির আজহারুলের চাচাতো ভাই তৌফিকুল ইসলাম টের পেয়ে ফোনে দোকানী আজহারুলকে বিষয়টি জানান। ঘটনা শুনেই আজহারুলসহ আরো কয়েকজন ছুটে এসে দোকানের দরজা খুলে দেখে খাটের নিচে তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি গ্রামের শাহ আলম ভূঁইয়ার ছেলে মাহবুবুর রহমান ওরফে টারজেন (২৫) শুয়ে আছে। পরে তাকে বাহির করে এলাকার লোকজন এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দেখে স্থানীয় কয়েকজন তাকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকালে সেখানেই মারা যান তিনি।

    তিনি আরও জানান, এটি পরিকল্পিত কিনা বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ মর্গে প্রেরণ করা হচ্ছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

  • সন্তান প্রসবের পর হসপিটাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে কুমিল্লার ইমা !

    নিজম্ব প্রতিবেদক:

    কুমিল্লায় সন্তান প্রসবের ২০ ঘণ্টা পর কেন্দ্রে গিয়ে এসএসসি পরীক্ষা দিল ইমা আক্তার। ইমা তিতাস উপজেলার লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। রোববার (২১ নভেম্বর) দুপুর দুটায় দাউদকান্দি গৌরীপুর বিলকিস মোশাররফ বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

    ইমা শাহাপুর গ্রামের দুবাইপ্রবাসী বাদল মিয়ার স্ত্রী ও তিতাসের লালপুর গ্রামের হোসেন সরকারের মেয়ে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে ডা. জান্নাতুল নাঈমা শিলা জানান, শনিবার বিকেলে ইমাকে দাউদকান্দির গ্রিনল্যাব হসপিটালে ভর্তি করা হয়। সব কিছু স্বাভাবিক থাকায় সন্ধ্যা ৬টায় নরমাল ডেলেভারির মাধ্যমে একটি কন্যাসন্তান প্রসব করানো হয়। ইমা নিজেই জানায় সে পরীক্ষা দিতে আগ্রহী। বাচ্চা ও মায়ের শারীরিক অবস্থা ভালো হওয়ায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মূলত নরমাল ডেলেভারির কয়েকঘণ্টা পর মায়েরা সুস্থ হয়ে যায়।

    ইমা আক্তারের দেবর গিয়াস উদ্দিন জানান, গত বছর আমার ভাই বাদল মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তারপর থেকে সে পড়াশুনা চালিয়ে যায়। বর্তমানে মা ও বাচ্চা দুইজনেই ভালো আছে। আজ বিকেলে পরীক্ষা শেষে সন্তানকে লালপুর গ্রামে নিয়ে যায় ইমা। পরিবারে নতুন সদস্য আসায় সবাই খুশি। পরীক্ষা নিয়ে ইমা খুব চিন্তিত ছিল। আল্লাহর রহমতে কোনো সমস্যা হয়নি। পরীক্ষাও খুব ভাল হয়েছে।

    লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বশির আহমেদ বলেন, ইমা আক্তার আমাদের স্কুলের মেধাবী ছাত্রী । করোনায় স্কুল বন্ধ থাকার সময় তার বিয়ে হয়। তারপরও সে পড়াশুনা বন্ধ করেনি। আমি তার উজ্জ্বল ভবিষৎ কামনা করি।

  • কুমিল্লায় নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যকে টাকার মালা দিয়ে বরণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    কুমিল্লার তিতাস উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মো. ওসমান খানকে টাকার মালা দিয়ে বরণ করেছে এলাকাবাসী। শনিবার (১৩ নভেম্বর) বিজয় মিছিল নিয়ে নয়াকান্দি ও দুখিয়ারকান্দি এলাকায় বের হলে গ্রামবাসী তাকে টাকার মালা ও ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে। মালায় ৬৬ হাজার ৮০৫ টাকা ছিল।

    জানা গেছে, গত ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১ নম্বর ওয়ার্ডে ফুটবল প্রতীকে ৭১৫ ভোট পেয়ে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ওসমান খান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন ৩৫৪ ভোট। 

    নিজের ফেসবুকে টাকার মালা গলায় দেওয়া ছবি পোস্ট করে নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য ওসমান খান লিখেছেন, আল্লাহর দরবারে লাখ কোটি শুকরিয়া। ১ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াকান্দি দুঃখীয়ারকান্দির জনগণের কাছে আমি চিরকাল  ঋণী হয়ে গেলাম। আপনারা আমাকে এতো ভালোবাসেন আমি জানতাম না। আপনাদের এই ভালোবাসা এবং এই সমর্থন চিরদিন মনে রাখব  এবং আপনাদের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে থাকব ইনশাআল্লাহ।

    ওসমান খান বলেন, আমি মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার আগেও মানুষের বিপদে আপদে ছুটে গিয়েছি। যার কারণে এলাকাবাসী বিপুল ভোটে আমাকে নির্বাচিত করেছে। আজ বিজয় মিছিল বের করলে এলাকাবাসী টাকার মালা উপহার দিয়েছে। পরে গুনে দেখি ৬৬ হাজার ৮০৫ টাকা হয়েছে। এলাকাবাসীর ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ।