Category: জাতীয়

  • খোঁজ মিলেছে ইসলামি বক্তা আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনানের

    অনলাইন ডেস্ক:
    ইসলামি বক্তা আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনানকে খোঁজ পাওয়া গেছে। তিনি রংপুরের নিজ বাড়িতে ফিরে এসেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন কোতায়ালী থানার ওসি। এর আগে বর্তমান সময়ের আলোচিত ইসলামি বক্তা আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান তাঁর গাড়ীচালক ও দুই সঙ্গীসহ গত ১০ জুন মধ্যরাতে নিখোঁজ হন। প্রায় ৬ দিন পেড়িয়ে গেলেও এখনও তার সন্ধান মেলেনি। জানা যায়, রংপুর থেকে ঢাকা ফেরার পথে রাত আড়াইটায় স্ত্রীর সাথে সর্বশেষ কথা হয় আদনানের। এরপর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি তার বা সঙ্গীদের। এর আগে আদনানের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় রাজধানীর দারুস সালাম এবং মিরপুর থানায় গেলে কোনো থানাই জিডি বা মামলা নেয়নি বলেও অভিযোগ করছে তাঁর পরিবার।

    আদনানের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন ভাইরাল। তার ফ্যান-ফলোয়াররা হ্যাশট্যাগ দিয়ে তার খোঁজ পাওয়ার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছেন। জিডির তথ্য ধরে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রংপুর মহানগরীর সেন্ট্রাল রোডের আহলে হাদিস মসজিদ-সংলগ্ন গলিতে তার পৈতৃক বাসা। বিয়ের পর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে শালবন এলাকার চেয়ারম্যানের গলিতে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। আদনানের স্ত্রীর নাম হাবিবা নূর। তিন বছরের একটি মেয়ে ও দেড় বছর বসয়ী একটি ছেলেসন্তান আছে তাঁর।

    আদনানের স্ত্রী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৩৭ মিনিটে তার (আদনান) সঙ্গে শেষ কথা হয়। উনি তখন গাবতলী ছিলেন। এরপর রাত ৩টা থেকে তার ফোন বন্ধ পাই, এখন পর্যন্ত নম্বর বন্ধই পাচ্ছি।’ তিনি আরো জানান, নিখোঁজ হওয়ার সময় তার সঙ্গে গাড়িচালকসহ আরো তিনজন সহকর্মী ছিলেন। সাবেকুন নাহার অভিযোগ করে বলেন, কোথায় মামলা করব, কার কাছে অভিযোগ করব? মামলা করব কী, কেউ তো জিডিই নিতে রাজি হচ্ছে না। দারুস সালাম থানা কিংবা মিরপুর থানা কেউই মামলা নেয়নি। থানায় ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি। কোনো থানাই দায়িত্ব নিচ্ছে না, এক থানা আরেক থানাকে দেখিয়ে দিচ্ছে। তবে রবিবার সকালে রংপুর সদর থানায় একটি জিডি হয়েছে আদনানের মায়ের পক্ষ থেকে।

    অভিযোগের বিষয়ে দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘তিনি কোথা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন, সেই লোকেশনটা তো আমরা নিশ্চিত না। তিনি গাবতলী থেকে নিখোঁজ হয়েছেন, সেটা তো আমরা জানি না। সে ক্ষেত্রে যেখান থেকে তিনি রওনা হয়েছেন, সেই রংপুর অথবা তার ঢাকায় যেখানে বাসা, সেখানে জিডি হতে পারে বা মামলা হতে পারে।

    উল্লেখ্য, আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনানের দাদা বাড়ি রাজশাহী শহরে। অনেক আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর একমাত্র ছেলে ত্বহা ও একমাত্র মেয়েকে নিয়ে রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডে বাবার বাড়িতে ঠাঁই নেন আজেদা বেগম। ত্বহার ছোটবোন কারমাইকেল কলেজে অনার্সে পড়ালেখা করছেন। অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ক্রিকেট দলে সুযোগ পেয়েছিলেন ত্বহা। এক সময় রংপুরের ক্রিকেট অঙ্গনে সবার পরিচিত ছিলেন তিনি। রংপুর লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে দর্শন বিষয়ে রংপুর কারমাইকেল কলেজে অনার্সে ভর্তি হন। মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। কারমাইকেলে পাড়াকালীন ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝুঁকে পড়েন এই ক্রিকেটার। কোনো আরবি শিক্ষপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা না করলেও ইসলাম ধর্মের প্রচুর বই পড়তেন এবং গবেষণা করতেন। ফলে অল্প দিনেই হয়ে ওঠেন একজন ভালো ইসলামী বক্তা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন মসজিদে ইসলামিক বিষয়াদি নিয়ে আলেচনা করতেন। বিয়ের পর ত্বহা তার স্ত্রী এবং দেড় বছর বয়সী ছেলে ও তিন বছরের মেয়েকে নিয়ে শালবন মিস্ত্রীপাড়া চেয়ারম্যান গলিতে ভাড়াবাসায় থাকেন।

  • স্ত্রী -সন্তানসহ পরকিয়া প্রেমিককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করল পুলিশের এএসআই সৌমেন

    অনলাইন ডেস্ক:
    কুষ্টিয়া শহরের কাস্টমস মোড়ে প্রকাশ্যে অস্ত্রধারীর হামলায় শিশু সন্তানসহ এক নারী ও তার ছেলে বন্ধু নিহত হয়েছেন। এসময় এলাকবাসীরা আততায়ী এক পুলিশ সদস্যকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। আজ রবিবার (১৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত নারী আসমা (২৫), তার শিশু ছেলে রবিন (৭) ও ছেলে বন্ধু শাকিল (৩০)। শাকিল বিকাশের বিক্রয় প্রতিনিধি। নিহতদের সকলেই বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সাওতা গ্রামে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনার সময় একটি দোকানের সামনে আততায়ী ও নিহতরা কথা বলছিলেন। হঠাৎই সৌমেন পিস্তল বের করে আসমার মাথায় গুলি করেন। গুলি তার মাথা ভেদ করে বেরিয়ে যায় এবং সাথে সাথে তিনি মারা যান। এরপর তিনি শাকিলকেও মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এসময় রবিন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে আততায়ী তাকেও তেড়ে ধরে মাথায় গুলি করে। ততক্ষণে এলাকার লোকজন আততায়ীকে ধরে ফেলেন।

    বিভিন্ন সুত্র জানায়, নিহত আসমার সাথে হত্যাকারী সৌমেনের বছর খানেক আগে বিয়ে হয়েছিল। রবিন আসমার আগের পক্ষের সন্তান। নিহত শাকিল ও হত্যাকারী সৌমেন বন্ধু ছিলেন। আসমার মাধ্যমেই সৌমেনের সাথে শাকিলের বন্ধুত্ব হয়। আসমার আগে সৌমেনও আরেকটি বিয়ে করে। সৌমেনের বাড়ি মাগুরা জেলায়। তিনি পুলিশের এএসআই কুষ্টিয়ার হালসা ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।

    কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে

  • এবারের বাজেটে দাম কমবে যেসব পণ্যের

    অনলাইন ডেস্ক:
    ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে জনস্বার্থে কিংবা দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় থাকবে শুল্ক ও ভ্যাট ছাড়। যার প্রভাব পড়তে পারে বিভিন্ন পণ্যে।বৃহস্পতিবার (৩ জুন) বিকেল ৩টায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন।

    বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমবে

    পোল্ট্রিফিড- রেয়াত সুবিধার প্রস্তাবের কারণে পোল্ট্রিফিডের দাম কমবে।
    ক্যানসার ওষুধ- রেয়াত সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্যানসার প্রতিরোধক ওষুধের দাম কমবে।
    দেশীয় টাইলস- কাঁচামালের সম্পূরক শুল্ক তুলে দেওয়ার কারণে দেশীয় টাইলসের দাম কমবে।
    মূলধনী যন্ত্রপাতি- মূলধনী যন্ত্রপাতিতে শুল্ক কমানোর প্রস্তাবে যন্ত্রপাতির দাম কমবে।
    দেশীয় মোটরসাইকেল ও ওয়াশিং মেশিন- মোটরসাইকেলের যন্ত্রপাতি আমদানিতে রেয়াত সুবিধায় কমবে দেশীয় মোটরসাইকেলের দাম।
    কম্পিউটার- কম্পিউটার যন্ত্রাংশের আমদানিতে শুল্ক কমানোর কারণে দাম কমবে।
    টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি- রেয়াত সুবিধায় টেক্সটাইল পণ্যের দাম কমবে। এছাড়া এলপিজি সিলিন্ডার, কম্প্রেসর ও খেলনায় রেয়াত সুবিধা দেওয়ায় দাম কমবে।

    দাম কমার সম্ভাবনা
    দেশীয় ইলেকট্রনিক্স শিল্পের (এসি-ফ্রিজ) ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা অব্যাহত থাকছে। ফলে দেশে উৎপাদিত এসব পণ্য কম দামে মিলতে পারে।
    করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলা ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ।

  • এবারের বাজেটেও সিগারেটের দাম বাড়লো

    অনলাইন ডেস্ক:
    তামাকজাত পণ্যের ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করতে প্রস্তাবিত ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। ফলে ধূমপায়ীদের এখন থেকেই সিগারেট কিনতে বেশি খরচ করতে হবে।

    প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘সিগারেটের নিম্নস্তরের ১০ শলাকার দাম ৩৯ টাকা ও তদূর্ধ্ব এবং সম্পূরক শুল্ক ৫৭ শতাংশ ধার্যের প্রস্তাব করছি। এছাড়া মধ্যম স্তরের ১০ শলাকার দাম ৬৩ টাকা ও তদূর্ধ্ব, উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার দাম ১০২ টাকা ও তদূর্ধ্ব, অতি উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার দাম ১৩৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব এবং এই তিনটি স্তরের সম্পূরক শুল্ক ৬৫ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি।’

    তবে স্থানীয় বিড়িশিল্পের ওপর বাড়তি চাপ দেননি অর্থমন্ত্রী। বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘পূর্ববর্তী বছরের ন্যায় যন্ত্রের সাহায্য ব্যতীত হাতে তৈরি ফিল্টার বিযুক্ত বিড়ির ২৫ শলাকার দাম ১৮ টাকা, ১২ শলাকার দাম ৯ টাকা ও ৮ শলাকার দাম ৬ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৩০ শতাংশ অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করছি। ফিল্টার সংযুক্ত বিড়ির ২০ শলাকার দাম ১৯ টাকা ও ১০ শলাকার দাম ১০ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৪০ শতাংশ অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করছি।’

    এতে আরো বলা হয়েছে, ‘পূর্ববর্তী বছরের ন্যায় প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার দাম ৪০ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৫৫ শতাংশ এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের দাম ২০ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৫৫ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি।’

  • স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে না – শিক্ষামন্ত্রী


    অনলাইন ডেস্ক:
    করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে মানুষের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

    শনিবার (২৯ মে) এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, কোনো আন্দোলনের মুখেই জনগণের জীবন নিয়ে অবহেলা করবে না সরকার। 


    ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের সব প্রস্তুতি নেওয়া আছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে যথাসময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।

    এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আগামী ১৩ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়, করোনা সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে আগের ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ জুন পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এ সময়ে নিজেদের এবং অন্যদের করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবে। বাসায় থেকে তারা টেলিভিশন ও অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।
    নির্দেশনায় আরও বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাকালীন শিক্ষার্থীদের বাসায় অবস্থানের বিষয়টি অভিভাবকরা নিশ্চিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।

    এর আগে বুধবার (২৬ মে) ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, আগামী ১৩ জুন থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া‌ হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে করোনার টিকার আওতায় আনার ওপর।

    তিনি বলেন, ১২ জুন পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকছে, ১৩ জুন থেকে সেগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে।

    এর আগে তিনি বলেন, যদি ১৩ জুন স্কুল-কলেজগুলো খুলে দিতে পারি সেক্ষেত্রে ২০২১ সালের এসএসসি-এইচএসসি ব্যাচকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তারা হয়তো সপ্তাহের ছয় দিন ক্লাসে আসবে। যারা ২০২২ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থী তাদের ছুটির দিন ছাড়া বাকি দিনগুলোতে ক্লাসে নিয়ে আসা হবে। অন্যদের বিষয়ে সপ্তাহে হয়তো একদিন ক্লাসে আনা হবে।

  • ফেরিতে যাত্রীদের চাপে ৬ জনের মৃত্যু; আহত অর্ধশতাধিক

    অনলাইন ডেস্ক:
    মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে ফেরিতে যাত্রীদের চাপে ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অসুস্থ হয়েছেন অর্ধশতাধিক যাত্রী।বুধবার (১২ মে) শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার যাওয়ার পথে শাহ পরান ও এনায়েতপুরী নামের দুইটি ফেরিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এরমধ্যে শাহ পরানে একজন ও এনায়েতপুরীতে ৫ জন মারা যান।

    তিনি জানান, বুধবার বেলা ১১টার দিকে তিন নম্বর ফেরিঘাটে শাহ পরান নামের রোরো ফেরিটি ভিড়লে নামার সময় যাত্রীদের চাপে আনছার মাদবর নামের এক কিশোর যাত্রীদের চাপে অসুস্থ হয়ে ফেরির পন্টুনেই মারা যায়। তার বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার কালিকা প্রসাদ গ্রামে।

    অন্যদিকে এনায়েতপুরী ফেরিতে দুপুর দেড়টার দিকে বাংলাবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফেরি ছাড়ার সময় পন্টুনে কিছু যাত্রী দাঁড়ানো ছিলেন। পন্টুন উঠানোর সময় এটি খাড়া হয়ে গেলে তারা অন্য যাত্রীদের মধ্যে পড়ে যান। এসময় হুড়োহুড়ি ও গরমে তারা মারা যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফেরিটি বাংলাবাজারে পৌঁছালে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    প্রাথমিকভাবে এই পাঁচজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • চলমান লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ালো ; সচিবদের সভায় সিদ্ধান্ত

    অনলাইন ডেস্ক:
    করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি বিবেচনায় চলমান সর্বাত্মক লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।সোমবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিবদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

    এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সরকার সারাদেশে আরও এক সপ্তাহ সর্বাত্মক লকডাউন বাড়ানোর সক্রিয় চিন্তা ভাবনা করছে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর সোয়া ১২টায় নিজ বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্স যুক্ত হয়ে এ কথা জানান তিনি।

    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে সরকার ঈদের আগে লকডাউন শিথিলেরও চিন্তা ভাবনা করছে।

    সারাদেশে গত ১৪ এপ্রিল শুরু হওয়া এ সর্বাত্মক লকডাউন শেষ হওয়ার কথা ছিল ২১ এপ্রিল। তার আগেই এ লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

    কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লার সভাপতিত্বে রোববার (১৮ এপ্রিল) রাতে এক ভার্চুয়াল সভায় করোনা সংক্রমণ এর অবস্থা ও প্রতিরোধে গৃহীত পদক্ষেপ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সারাদেশে কোভিড-১৯ এর উচ্চ সংক্রমণ ও ক্রমবর্ধমান মৃত্যুতে সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি কমপক্ষে দুই সপ্তাহের জন্য পূর্ণ লকডাউন সুপারিশ করেছিল। সরকার ইতোমধ্যে ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করেছে। কমিটি এতে সন্তোষ প্রকাশ করে। যদিও বৈজ্ঞানিকভাবে দুই সপ্তাহের কম লকডাউনে কার্যকর ফলাফল আশা করা যায় না।

    দেশের অর্থনীতি সচল রাখার স্বার্থে শিল্প-কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়টি কমিটি উপলব্ধি করে। তবে বেসরকারি দপ্তর, ব্যাংক খোলা রাখা, ক্রমবর্ধমানভাবে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল, ইফতার বাজারে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ভিড় লকডাউনের সাফল্যকে অনিশ্চিত করে। পাশাপাশি সভা সামাজিক সমতার বিষয়েও নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

  • চিকিৎসক-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের আইডি কার্ড ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর

    অনলাইন ডেস্ক:
    লকডাউন পরিস্থিতিতে জরুরি স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের আবশ্যিকভাবে আইডি কার্ড ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

    সোমবার (১৯ এপ্রিল) সকালে এ নির্দেশনা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট অধিদফতর।

    গত ১৪ এপ্রিল সারাদেশে শুরু হওয়া সর্বাত্মক লকডাউন চলাকালে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ পাওয়া হচ্ছে।

    সম্প্রতি এক চিকিৎসকের সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তাদের বাগবিতণ্ডার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের আইডি কার্ড ব্যবহারের নির্দেশনা দিল স্বাস্থ্য অধিদফতর।

  • আলোচিত হেফাজত নেতা মামুনুল হক গ্রেফতার

    হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হককে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।রোববার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।ডিবির যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিমের যৌথ অভিযানে মামুনুলকে গ্রেফতার করা হয়।

    প্রসঙ্গত, গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ করে হেফাজতে ইসলাম। মোদির বিরোধিতায় প্রথমে ঢাকায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে বিক্ষোভে সহিংসতা হয়, তার জেরে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণঘাতী সংঘাত হয়। যার জেরে ২৮ মার্চ হরতাল ডাকে হেফাজত, ওই হরতালকে ঘিরে চরম নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হয় সারাদেশে।

    এরপর গত ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার রয়েল রিসোর্টে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে ‘ঘেরাও’ করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, মামুনুল এক নারীসহ আটক হয়েছেন। যদিও ওই নারীকে নিজের স্ত্রী বলে দাবি করেছেন মামুনুল হক। ওইদিন সন্ধ্যায় রিসোর্ট থেকে তাকে ছাড়িয়ে স্থানীয় একটি মসজিদে নিয়ে যান হেফাজত নেতাকর্মীরা।

    হেফাজতের নেতাকর্মীরা রিসোর্ট, স্থানীয় আওয়ামী লীগের কার্যালয়, বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়। এছাড়া তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করে।

    ওইদিন পুলিশের ওপর হামলা ও রিসোর্টে ভাঙচুরের অভিযোগে মামুনুল হকসহ ৮৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়। এছাড়া মামলায় ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামিও করা হয়।

    এ মামলায় সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা ও রিসোর্টে ভাঙচুরের অভিযোগ এনে ৪১ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাত ২৫০-৩০০ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে।

    এছাড়া যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগআরেকটি মামলাটি করা হয়। এ মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখ ও ২৫০/৩০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। এ মামলায় হেফাজতে ইসলাম, জাতীয় পার্টি ও বিএনপি নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ রয়েছে।

  • ইলিয়াস আলীর গুম নিয়ে মির্জা আব্বাসের চাঞ্চল্যকর তথ্য!

    নিখোঁজের ৯ বছর পর বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীকে নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

    ইলিয়াস আলীর ‘গুমের’ পেছনে দলের ভেতরে থাকা কয়েকজন নেতাকে দুষলেন তিনি। ওই সব নেতার নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ‘দলের ভেতরে লুকিয়ে থাকা এই ব্যক্তিদের অনেকেই চেনেন। আওয়ামী লীগ সরকার ইলিয়াস আলীকে গুম করেনি।’

    শনিবার (১৭ এপ্রিল) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা এবং সাবেক সাংসদ ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    সিলেট বিভাগ জাতীয়তাবাদী সংহতি সম্মেলনী ঢাকার উদ্যোগে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘নিখোঁজ হওয়ার আগে ইলিয়াস আলী টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে আন্দোলন করছিলেন। আর এ কারণেই তাকে গুম করা হয়। স্বাধীনতার পক্ষে যারা কথা বলেন তাদের অত্যন্ত সচেতনভাবে শূন্য করে দেওয়া হচ্ছে।’

    ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে গাড়িচালক আনসার আলীসহ নিখোঁজ হন ইলিয়াস আলী। এত দিন বিএনপি অভিযোগ করে আসছিল, তাঁকে সরকারই ‘গুম’ করে রেখেছে। তার সন্ধানের দাবিতে সে সময় সিলেটের বিশ্বনাথে সপ্তাহব্যাপী হরতাল পালিত হয়।

    ইলিয়াস আলীর গুম হওয়া প্রসঙ্গে দলের মহাসচিবের উদ্দেশে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ইলিয়াস গুম হওয়ার আগের রাতে দলীয় অফিসে কোনো এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডা হয় মারাত্মক রকমের। ইলিয়াস খুব গালিগালাজ করেছিলেন তাকে। সেই যে পেছন থেকে দংশন করা সাপগুলো, আমার দলে এখনো রয়ে গেছে। যদি এদের দল থেকে বিতাড়িত না করেন, তাহলে কোনো পরিস্থিতিতেই দল সামনে এগোতে পারবে না।’

    ইলিয়াস আলীর গুমের খবর ওই দিন রাত দেড়টা থেকে পৌনে দুইটায় পেয়েছিলেন জানিয়ে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস বলেন, ‘গুমের সংবাদ পাওয়ার পর পরিচিত যারা ছিলেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, ইলিয়াস আলীকে চট্টগ্রাম নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং যে পুলিশ কর্মকর্তাদের সামনে তাকে নেওয়া হলো, সেই পুলিশ কর্মকর্তাদের আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এই খবর আপনারা কেউ জানেন না। পুলিশের গাড়িতে যে ক’জন কর্মকর্তা ছিলেন, তাদের আজও পাওয়া যায়নি। যেমন ইলিয়াস আলীর চালককেও পাওয়া যায়নি। তাহলে এই কাজটা করল কে?’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি আওয়ামী লীগ সরকার গুম করেনি। তাহলে গুমটা করল কে? এই সরকারের কাছে এটা আমি জানতে চাই। একজন জলজ্যান্ত তাজা রাজনৈতিক নেতা গুম হয়ে গেল দেশের অভ্যন্তর থেকে। আমাদের একজন নেতাকে (সালাউদ্দিনকে) দেশ থেকে পাচার করে নিয়ে গেল। আমাদের চৌধুরী আলমকে গুম করে দেওয়া হলো। আমাদের কত ছেলেদের গুম করে দেওয়া হলো, বুঝলাম এই সরকার করে নাই। করল কারা? যারা করল, তাদের কি বিচার হতে পারে না?’

    রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন থানায় ব্যাংকার স্থাপনের কথা উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এগুলো কিসের আলামত? কেনো করা হচ্ছে? সশস্ত্র বাহিনীর আদলে পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলা হচ্ছে।’

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদেরকে দুইটি দানবের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে। একটা হলো বর্তমান সরকার যারা অন্য দেশের স্বার্থ দেখছে। অন্য দানব হলো করোনা।’

    তিনি বলেন, ‘নিখোঁজ ইলিয়াসকে দিয়েই সম্ভবত প্রথম গুম করা হয়েছিল। এরপর আরও অনেক নেতাকে গুম করা হয়েছে। এত নিপীড়নের পরও দলের কোনো নেতা বিএনপি ছেড়ে যাননি। ইলিয়াস আলী ছিলেন আমাদের প্রেরণা।’

    ভার্চুয়াল সভায় আরো বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, নিখোঁজ ইলিয়াসের স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা প্রমুখ। সূত্র: পূর্বপশ্চিমবিডি