Category: চৌদ্দগ্রাম

  • চৌদ্দগ্রামে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত

    অনলাইন ডেস্ক:
    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বেপরোয়া মোটর সাইকেলের ধাক্কায় জাহাঙ্গীর হোসেন(৪৮) নামের এক অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের বাঙ্গালমুড়ী গ্রামের মৃত আলী আহমেদের ছেলে। শুক্রবার রাতে উপজেলার কাশিনগর-মিয়াবাজার সড়কের আবদুল্লাহপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। শনিবার দুপুরে তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিহতের ছেলে জাহিদ হোসেন।

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর হোসেন প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি আসছিল। এসময় একই গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে এরশাদ ও তার বন্ধু আরফান বেপরোয়া গতিতে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে অটোরিকশাকে পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশা চালক গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাহাঙ্গীর হোসেনকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়। ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর রাতে জাহাঙ্গীর হোসেন মারা যান।

    চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই সুজন চক্রবর্তী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অটোরিকশা চালক জাহাঙ্গীর হোসেনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • কুমিল্লায় দুই কাভার্ডভ্যানের মাঝে চাপা পড়ে আপন দুই নিহত

    মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

    কুমিল্লায় বিকল কাভার্ডভ্যানের পেছনে অন্য আরেকটি কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ছুপুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম লোকমান হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    নিহতরা হলেন-  কাভার্ডভ্যান চালক মো. সাগর এবং তার ভাই ও সহকারী বেলাল হোসেন। তারা কুড়িগ্রামের রাজারহাট থানার ঝিনাইহাট এলাকার আশরাফুল ইসলামের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, ছুপুয়া এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যান ইঞ্জিন বিকল হয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে। গাড়িটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে চালু করতে সহযোগিতা করছিল আরেকটি গাড়ি। এ সময় সেই গাড়িটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় অন্য আরেকটি কাভার্ডভ্যান। এতে বিকল কাভার্ডভ্যানের চালক ও সহকারী দুই গাড়ির মাঝে চাপা পড়ে। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসের খবর দিলে চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিস এসে তাদেরকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

    মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত দুই ভাইয়ের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • কুমিল্লায় মাটি কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল শ্রমিকের !

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বজ্রপাতে আনোয়ারুল হক (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ মে) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের খিরনশাল-লনিশ্বর মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত আনোয়ারুল লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার বারগরিয়া গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে।মুন্সিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সাহাব উদ্দিন মজুমদার রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    নিহতের সহকর্মী মজিবুর জানান, লনিশ্বর গ্রামের মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের কৃষি জমিতে সকাল থেকে আমরা ১০-১২ জন মাটি কাটছিলাম। দুপুরের দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। এক পর্যায়ে বজ্রপাতে আনোয়ারুল গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবুল হাসেম বলেন, বজ্রপাতে আহত আনোয়ারুল নামে ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়।

  • সকালেই কুমিল্লায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা; রিলাক্স বাস উল্টো নিহত ৫

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। 

    শুক্রবার (১৭ মে) ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার বসন্তপুর এলাকায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম কক্সবাজারগামী রিলাক্স পরিবহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ ঘটনা ঘটে। 

    তাৎক্ষণিক নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এঘটনায় ১৫ জন আহত হয়েছে।

    হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস  উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে।

    মিয়া বাজার হাইওয়ে থানার এসআই গিয়াস উদ্দিন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • কুমিল্লায় মৃত্যুদণ্ড রায় শুনে পালানোর সময় দুই আসামি গ্রেফতার

    মারুফ আবদুল্লাহ:
    মৃত্যুদণ্ড সাজা শুনে পালানোর সময় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। রবিবার (১২ মে) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের যুবলীগ নেতা জামাল উদ্দিন হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। এ সময় ৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ডসহ ৫০ হাজার করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
    রায় ঘোষণার পরদিন সোমবার (১৩ মে) ভোররাতে কুমিল্লা থেকে পালানোর সময় পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-১১-এর উপপরিচালক মাহমুদুল হাসান এসব তথ্য জানিয়েছেন।তারা হলেন চৌদ্দগ্রামের শিলরী গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে খন্দকার মফিজুর রহমান (৫২) ও আলকরা গ্রামের নজির আহম্মদের ছেলে রেজাউল করিম বাবলু (৪২)।

    র‌্যাব-১১-এর উপপরিচালক মাহমুদুল হাসান জানান, গত ২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারি রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে যুবলীগ নেতা জামাল উদ্দিনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত জামালের বড় বোন বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
    মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন বাচ্চু নির্বাচিত হয়ে সাধারণ জনগণের ওপর অত্যাচার, অপকর্ম, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শুরু করেন। এসব ব্যাপারে জামাল উদ্দিন তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে জামালের সঙ্গে প্রধান আসামি ইসমাইল হোসেন বাচ্চুর শত্রুতা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে আসামিরা ২-৩ বার তাকে হত্যার চেষ্টা করেন। পরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আলকরা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জামাল উদ্দিনকে ডেকে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম পদুয়ার রাস্তার মাথায় প্রথমে গুলি করে এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে হত্যা করা হয়।

    এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০১৬ সালে ১৮ এপ্রিল প্রধান আসামি ইসমাইল হোসেন বাচ্চুসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত প্রধান আসামিসহ ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এ ছাড়া ৯ জনকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। রায়ে খালাস পান ৫ জন।

    রায়ের সময় আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আলী হোসেন। তাকে গত ২৯ মার্চ গ্রেফতার করে র‍্যাব। সাজা ঘোষণার পর সোমবার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • চৌদ্দগ্রামে যুবলীগনেতা জামাল হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ৯

    অনলাইন ডেস্ক:
    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগনেতা জামাল হত্যা মামলায় নয়জনের ফাঁসি ও নয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদাণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

    আজ রোববার (১২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) জহিরুল হক সেলিম। রায় ঘোষণাকালে দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ১৮ জনের মধ্যে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত নয়জনের মধ্যে একজন আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত থাকলেও মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত নয়জনই অনুপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া পাঁচজনকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন চৌদ্দগ্রাম আলকরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন বাচ্চু, আলকরা ইউনিয়নের কুলাসার গ্রামের সালাউদ্দিন, আব্দুর রহমান, মফিজুর রহমান খন্দকার, জিয়াউদ্দিন শিমুল, জাহিদ বিন শুভ, রেজাউল করিম বাবলু, মো. রিয়াজ উদ্দিন মিয়াজী ও মমতা আমির হোসেন।

    যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আলকরা ইউনিয়নের কুলাসার গ্রামের নুরুল আলম, কফিল উদ্দিন, নুরুন্নবী সুজন, ইকবাল আহমেদ, সাইফুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান খন্দকার, মোশারেফ হোসেন, মো. আলাউদ্দিন ও মোহাম্মদ আলী হোসেন।

    মামলা থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্তরা হলেন আলকরার কুলাসার গ্রামের নজরুল ইসলাম শিমুল আজিম উদ্দিন আনোয়ার হোসেন সোহেল আতিকুর রহমান নান্টু ও ইউসুফ হারুন মামুন।

    মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারি চৌদ্দগ্রাম আলকরা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জামাল উদ্দিনকে হত্যা করা হয়। সেই সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন বাচ্চুর চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের প্রতিবাদ করায় যুবলীগনেতা জামাল উদ্দিনের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে জামাল উদ্দিনের ওপর হামলা করে তাঁকে আহত করেন আসামিরা। এ বিষয়ে জামাল উদ্দিন নিজে বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন। মামলার করার পর চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন বাচ্চুর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরে ২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারি রাত ৮টায় বাড়ি থেকে জামালকে ঢাকায় যাওয়ার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামের পদুয়ায় সড়কের উপর চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন বাচ্চুর নেতৃত্বে অন্য আসামিরা গুলি করে এবং কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত জামালের বড় বোন জোহরা আক্তার বাদী হয়ে ২৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

    রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসলি (পিপি) জহিরুল হক সেলিম বলেন, মামলায় ২০ জনের সাক্ষগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নয়জনের মৃত্যুদণ্ড, নয়জনকে যাবজ্জীবন এবং পাঁচজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ ছাড়া যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত একজন ও খালাস পাওয়া দুজন আদলতে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক।

  • কুমিল্লায় স্কুল থেকে ফেরার পথে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

    মোহাম্মদ শরীফ, কুমিল্লা।

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পানিতে ডুবে আব্দুল কাইয়ুম (৭) ও আব্দুর রহমান ফাওয়াজ (৭) নামের দুই চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে স্কুল থেকে ফেরার পথে বাড়ীর পাশের একটি পুকুরে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়। নিহত দুজন উপজেলার সোনাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্র।

    নিহতরা হলো, বাতিসা ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে আব্দুল কাইয়ুম। অপরজন তারই ভাই জালাল উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহমান ফাওয়াজ।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, স্কুল থেকে ফেরার পথে বাড়ীর পাশে এসে স্থানীয় একটি পুকুরে গোসল করতে নামে সাঁতার না জানা এই দুই ভাই। অসাবধানতাবসত পানিতে তলিয়ে গেলে স্থানীয়রা মৃত উদ্ধার করে তাদের।

    চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি শুভরঞ্জন চাকমা জানান, প্রাথমিক ভাবে পানিতে ডুবে মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুরতাহাল শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • কুমিল্লায় সম্পত্তি বিরোধের জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সম্পত্তি বিরোধের জেরে ইস্রাফিল হোসেন (২৮) কে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    রোববার (৮মে) দুপুর দেড়টায় কনকাপৈত ইউনিয়নের তারাশাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইস্রাফিল হানিফ মিয়ার ছেলে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা।

    তিনি জানান, দুপুরে সম্পত্তি বিরোধের জের ধরে ইস্রাফিল ও মুক্তল হোসেনের পরিবারের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় মুক্তল হোসেনের ছেলে সজিবের দায়ের কোপে গুরুতর আহত হয় ইস্রাফিল। স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দাযিত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। মাথায় ধারালো অস্রের আঘাতে মারা যান ইস্রফিল।

    ওসি আরও বলেন, ঘটনার পর মূল অভিযুক্ত সজিব পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।পরিবারের সবাই হামালার সাথে জড়িত। সজিবের বাবা, মা, তার বোনদের আটক করে থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ বিষয়ে নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

  • কুমিল্লায় সম্পত্তির জন্য আপন ছোট ভাইকে ছুরিকাঘাতে খুন

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জমি সক্রান্ত বিষয় নিয়ে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই হাফেজ আহম্মেদ(৫০) খুন হয়েছে। এঘটনায় বড় ভাই আব্দুল মালেক(৬০) পলাতক রয়েছে।

    চো

    শুক্রবার(১১ ফেব্রুয়ারি) শ্রীপুর ইউনিয়নের পাইকোটা গ্রামের উত্তরপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা।

    তিনি জানান, জায়গাজমির বিরোধের জের ধরে সকাল ১০ টায় স্থানীয় একটি চা দোকানে বড় ভাই আব্দুল মালেক(৬০) এবং ছোট ভাই হাফেজ আহম্মেদ(৫০) এর মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দোকানের কাজে ব্যবহৃত ছুড়ি দিয়ে মুখে,পেটে ও পিঠে আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ছোট ভাই হাফেজ আহম্মেদের মৃত্যু হয়।

    তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকে বড় ভাই আব্দুল মালেক পলাতক রযেছে। পুলিশের টিম তাকে গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেফতার করা হবে। লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • চৌদ্দগ্রামে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা; এমপির প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের দাবি প্রার্থীদের

    কুমিল্লা প্রতিনিধি:
    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আগামী ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ১০ ইউনিয়ন পরিষদের সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) প্রার্থী, ভোটার ও কর্মী-সমর্থকরা। তারা স্থানীয় এমপি ও দলের প্রভাবমুক্ত, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন ও পরে মানববন্ধন শেষে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলাপ্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, প্রচার কাজে বাধা, মামলা-হামলার ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নৌকায় ভোট না দিলে মেরে ফেলা ও এলাকাছাড়া করার হুমকি দেয়া হচ্ছে। তারা প্রকাশ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের কেন্দ্রে না আসার জন্য হুমকি দিচ্ছে। এমন অডিও-ভিডিও রেকর্ডও তাদের হাতে রয়েছে বলে তারা জানান। এছাড়া বহিরাগত অস্ত্রধারীদের এনে মোটর সাইকেল মহড়া দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাদের কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি ধমকী প্রদর্শন করা হচ্ছে। লিখিতভাবে অনেক অভিযোগ করার পরও কোন প্রতিকার পাননি বলে তারা অভিযোগ করেন।

    স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, স্ব স্ব এলাকায় আমরা সবাই আওয়ামী লীগের নেতৃস্থানীয়। তৃণমূলে পছন্দের প্রার্থী ও সারাজীবন আওয়ামী লীগ করা পরীক্ষিত নেতৃত্বের হাতে নৌকা না দিয়ে জামাত-বিএনপি থেকে আসা হাইব্রিড ব্যক্তিদের হাতে নৌকা তুলে দেয়া হয়েছে।

    তাই ভালোবাসার নৌকাকে বাঁচাতে আমরা বাণিজ্যিক নৌকার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। আমরা সবাই নৌকার লোক, তবে মাঝির পক্ষে কেউ নেই। এখানে ভয়মুক্ত সুষ্ঠু ভোট হলে তারা বিপুল ভোটে জয়ী হবেন বলে দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওই উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মাওলা শিল্পী।

    এসময় প্রতিবাদী কর্মসূচিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শুভপুর ইউনিয়নের এএসএম শাহীন মজুমদার, জগন্নাথদীঘির মাহবুবুল হক খান, কনকাপৈতের মো. বেল্লাল হোসেন, চিওড়ার মো. আবু তাহের, বাতিশার ফারুক হোসেন মজুমদার, কনকাপৈতের মো. ইকবাল হোসেন, গুণবতীর মোস্তফা কামাল প্রমুখ। তারা সহিংসতা ও স্থানীয় এমপি মুজিবুল হকের প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন, জেলা ও পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপের দাবি জানান। পরে একই দাবিতে তারা বিক্ষোভ মিছিলসহ জেলাপ্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নিকট স্মারকলিপি দাখিল করেন।