Category: খেলার সংবাদ

  • কুমিল্লার কাছে পাত্তাই পেল না গেইল-সাকিবদের বরিশাল, টানা দ্বিতীয় জয়!



    অনলাইন ডেস্ক:


    আগের দিনই ফরচুন বরিশালের হেড কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন বলছিলেন, এবারের বাংলাদেশ প্রিময়ার লিগে তার দলের ব্যাটিং বিভাগটা এখনো জ্বলে উঠতে পারেনি। নিজেদের সামর্থ্য দেখাতে পারেননি সাকিব আল হাসান-ক্রিস গেইলরা। আজ (মঙ্গলবার) বরিশাল মুখোমুখি হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। এ ম্যাচেও ব্যাটিং দৈন্যতা ফুটে উঠল আরেকবার। কুমিল্লার অফ স্পিনার নাহিদুল ইসলামের বোলিং বিষে পেরে ওঠেনি বরিশাল। হেরেছে ৬৩ রানে।

    এদিন আগে ব্যাট করে ১৫৮ রানের সংগ্রহ পায় কুমিল্লা। সে লক্ষ্য টপকাতে নেমে অলআউট হওয়ার আগে স্কোর বোর্ডে মাত্র ৯৫ রান তুলতে পারে বরিশাল। এতে ৬৩ রানের জয় পায় কুমিল্লা। এবারের টুর্নামেন্টে এটি কুমিল্লার দ্বিতীয় জয়। এই জয়ের নায়ক অফ স্পিনার নাহিদুল। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১ মেইডের সাহায্যে মাত্র ৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তিনি। একে একে ফেরান সৈকত আলি, সাকিব এবং গেইলকে।

    কুমিল্লাকে জবাব দিতে নেমে শুরুতেই পথ হারিয়ে বসে বরিশাল। ইনিংসের প্রথম ওভারে কোন রান না দিয়ে সৈকতের উইকেট তুলে নেন নাহিদুল। নিজের দ্বিতীয় ও ইনিংসের তৃতীয় ওভারে শিকার বানান সাকিবকে। তুলে মারতে গিয়ে মিড উইকেটে ইমরুলের হাতে ধরা পড়েন সাকিব, ফেরেন ৪ বলে ১ রান করে। নাজমুল হোসেন শান্ত এবার তৌহিদ হৃদয়কে নিয়ে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন। লাভ হয়নি, হৃদয় ১৯ রান করে আউট হলে ভাঙে ২৭ রানের জুটি।

    ওপেনার শান্ত একপ্রান্ত আগলে রেখে খেললেও অপর প্রান্তে যাওয়া-আসার মিছিলে যোগ দেন বাকিরা। গেইল ৭ রান করে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়লে দলীয় স্কোর পঞ্চশ রান ছুঁতেই ৪ উইকেট হারিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বরিশাল। টেস্ট মেজাজের ব্যাটিংয়ে দলের চাপ বাড়াতে থাকেন শান্ত। সেই চাপ কমাতে দ্রুত গতিতে রান তুলতে গিয়ে খেই হারান নুরুল হাসান সোহান। ১৪ বলে ১৭ রানে আউট হন তানভীরের বলে।

    ইনিংসের ১৫তম ওভারে জোড়া ঘাতে ব্রাভো আর জিয়াউরের উইকেট তুলে নেন শহিদুল। এই দুই ব্যাটসম্যান রানের খাতা খুলতে পারেননি। জ্যাকব লিনটট থামেন ৮ রানে। তাকে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়ে ফেরান ফাফ ডু প্লেসি। তবে অন্যপ্রান্ত আকড়ে ধরে রাখে শান্ত। তবুও বাঁচাতে পারেননি দলের হার। নাইম কোন রান না করে আউট হওয়ার পর ইনিংসের ১৮তম ওভারে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে!

    মুস্তাফিজের বলে ৩৬ রান করে শান্ত আউট হলে ৯৫ রানে গুঁটিয়ে যায় বরিশাল। ৪৭ বলের ইনিংসটি এই বাঁহাতি সাজান ২টি চারের মারে। শান্তর আউট হলে দলের হার নিশ্চিত হয় বরিশালের। ৬৩ রানের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইমরুল কায়েসের কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। বিপিএলে এটি ২ ম্যাচে টানা দ্বিতীয় জয় কুমিল্লার।

    এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে কুমিল্লা। ক্যামেরন ডেলপোর্টের সাথে ইনিংস শুরু করেন মাহমুদুল হাসান জয়। দুই ব্যাটসম্যান ঝড় তোলেন নিজ ব্যাটে। প্রথম ৩ ওভারে স্কোরবোর্ডে জমা করেন ২৯ রান। চতুর্থ ওভারে খানিক ছন্দপতন। ডেলপোর্টের লাগাম টেনে ধরেন নাঈম হাসান। ডাউন দ্য উইকেটে গিয়ে বলের লাইন হারিয়ে স্টাম্পিং হন ডেলপোর্ট। ১৩ বলে ১৯ রান করেন তিনি।

    কুমিল্লার বড় তারকা ফাফ ডু প্লেসি আজও সাফল্যের দেখা পাননি। ১১ বলে ৬ রান করে সাকিব আল হাসানের বলে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। অধিনায়ক ইমরুল কায়েস এসে জয়ের সাথে ২৪ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন। ডোয়াইন ব্রাভোর বলে আউট হওয়ার আগে করেন ১১ বলে ১৫ রান করেন। ৭১ রানে ৩ উইকেট হারানো কুমিল্লার হাল ধরেন জয় আর মুমিনুল হক। চতুর্থ উইকেটে দুজন যোগ করেন ৪৪ রান।

    এই জুটি ভাঙেন জ্যাকব লিনটট। শর্ট থার্ডম্যান অঞ্চলে ক্রিস গেইলের তালুবন্দী হন জয়। সমাপ্তি ঘটে জয়ের ৩৫ বলে ৪৮ রানের ইনিংসের। মুমিনুল ২৩ বলে ১৭ রান করে সাকিবকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে স্টাম্পিং হন। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৫ বলে ৮ রান করে বিদায় নেন। শেষ দিকে করিম জানাত ১টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১৬ বলে ২৯ রান করেন। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৮ রান সংগ্রহ করেছে কুমিল্লা। বরিশালের পক্ষে ব্রাভো ৩ এবং সাকিব ২ উইকেট নেন।

  • প্রথম ম্যাচে কুুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের দুর্দান্ত জয়

     

    জেলা প্রতিনিধি, কুমিল্লা

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের আগের ৭ আসরের মধ্যে দুই বারের চ্যাম্পিয়ন দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। এবারও জয় দিয়ে বিপিএল শুরু করল তারা। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আজ (শনিবার) সিলেট সানরাইজার্সকে হারিয়েছে কুমিল্লা। তবে এই জয় সহজে ধরা দেয়নি। ৯৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমেও বিপদে পড়ে দলটি। যদিও শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটের জয় পায় কুমিল্লা। 

    মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় কুমিল্লা-সিলেট। যেখানে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে একশ রানের গণ্ডিও পাড় করতে পারেনি সিলেট। মাত্র ৯৬ রানে অলআউট হয় অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেনের দল। ৯৭ রানে সহজ লক্ষ্য টপকাতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শঙ্কায় পড়ে কুমিল্লা। পরে ৮ উইকেট হারানো দলটি ২ উইকেট এবং ৮ বল হাতে রেখে জয়ের দেখা পায়।

    অধিনায়ক ইমরুল অবশ্য ইনিংসের গোড়াপত্তন করেননি আজ। দুই বিদেশি রিক্রুট ফাফ ডু প্লেসি এবং ক্যামেরুন ডেলপোর্ট ওপেন করতে নামেন। তবে উইলোবাজি করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে উড়ে আসা দুজন। দলীয় ১৩ রানে মাথায় ব্যক্তিগত ২ রান করে সোহাগ গাজীর হাতে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ফাফ। ডেলপোর্ট গাজীর দ্বিতীয় শিকার হন ১৬ রান করে। ১৯ বলের ইনিংসটি সাজান ১টি করে চার-ছয়ের মারে।

    তিনে নামা মুমিনুল হকের ইনিংসও ছিল ধীরগতির। মোসাদ্দেক হোসেনকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ধরা পড়েন মুক্তার আলির হাতে। ২০ বল খেলে ১৫ রান করেন তিনি। ইমরুল কায়েস ১০ ও আরিফুল হক ৪ রান করে ফিরে গেলে দলীয় ৫৫ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে শঙ্কা তৈরি হয় কুমিল্লা শিবিরে। পরে করিম জানাত এবং নাহিদুলের ২৭ রানের পার্টনারশিপ দলকে চাপ মুক্ত করে। করিম ১৮ রান করে আউট হলে ভাঙে এই জুটি।

    করিম আউট হওয়ার পর নাহিদুলও ধৈর্য ধরতে পারেননি। নাজমুল ইসলাম অপুর হাফ-ট্রাকার ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন কলিন ইনগ্রামের হাতে। ১৬ বলে সমান ১৬ রান করে ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। বেশিক্ষণ স্থায়ী হননি শহিদুল ইসলামও। নাজমুল ইসলাম অইপুর বলে দুর্দান্ত একটি ক্যাচ নিয়ে শহিদুলকে আউট করেন রবি বোপারা। এতে ৮৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে কুমিল্লা। 

    শেষদিকে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে টেনে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। শেষ ৩৬ বলে ১৬ রান তুলতে গিয়ে মাত্র ৮ বল হাতে রেখে ২ উইকেটের জয় পায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। সিলেটের হয়ে অপু ৩, মোসাদ্দেক এবং সোহাগ গাজী ২টি

    এর আগে ম্যাচের শুরুতে ওপেন করতে নেমে এনামুল হক বিজয় ফেরেন দলীয় ৭ রানে। ব্যক্তিগত ৩ রান করে নাহিদুলের বলে আউট হন তিনি। তিনে নেমে ব্যর্থ কিছুদিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের আলো ছাড়ানো মোহাম্মদ মিঠুন। এদিন তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৫ রান। অফ স্পিনার নাহিদুলের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। তার আগে সাজ ঘরের পথ ধরেন ইংগ্রাম। শহিদুলের করা শর্ট বল পুল করতে গিয়ে বিপত্তি বাঁধান। ফেরেন ২০ রানে।

    অধিনায়ক মোসাদ্দেক ৩, অলক কাপালি ৬, মুক্তার আলি রানের খাতা খুলতে না পারলে বড় রানের স্বপ্ন ফিরে হয়ে যায় সিলেটের। মাঝে রবি বোপারার ১৭ এবং শেষদিকে সোহাগ গাজীর ১৯ বলে ১২ এবং কেসরিক উইলিয়াম করেন ৯ রান। তবুও একশ রানের কোটা ছুঁতে পারেনি সিলেট। গুঁটিয়ে যায় মাত্র ৯৬ রানে। কুমিল্লার হয়ে নাহিদুল, করিম জানাত এবং মুস্তাফিজ সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নেন।

  • টস জিতে ফিল্ডিংয়ে কুমিল্লা, দেখে নিন আজকের একাদশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় দিনে আজ (শনিবার) দুটি ম্যাচ। যেখানে দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি বিপিলের দুই বারের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স এবং সিলেট সানরাজার্স। দুপুর সাড়ে ১২টায় শুরু হতে যাওয়া ম্যাচের আগে টস ভাগ্য হেসেছে কুমিল্লার হয়ে। যেখানে অধিনায়ক ইমরুল কায়েস আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    ঢাকার আকাশে আজ সকাল থেকে সূর্যের দেখা নেই। এই সুযোগটাই হয়তো বোলারদের দিতে চান ইমরুল। এজন্য প্রতিপক্ষকে আগে ব্যাটিংয়ের নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

    এদিকে বিপিএলের উদ্বোধনী দিনে হওয়া দুটি ম্যাচেই পরে ব্যাট করা দল জয় পায়। দুটি ম্যাচেই জয়ী দল টস জিতে পরে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ইমরুল কায়েস আজ সে পথেই হাঁটলেন।

    এক নজরে দুই দলের একাদশ-

    সিলেট সানরাইজার্স : মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত (অধিনায়ক), মোহাম্মদ মিঠুন, এনামুল হক বিজয় (উইকেটরক্ষক), নাজমুল ইসলাম অপু, সোহাগ গাজী, অলক কাপালি, মুক্তার আলি, তাসকিন আহমেদ, কেসরিক উইলিয়ামস, রবি বোপারা ও কলিন ইনগ্রাম।

    কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস : ইমরুল কায়েস (অধিনায়ক), মুমিনুল হক, আরিফুল হক, মাহিদুল ইসলাম অংকন (উইকেটরক্ষক), শহিদুল ইসলাম, নাহিদুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, ফাফ ডু প্লেসি, করিম জানাত ও ক্যামেরন ডেলপোর্ট।

  • অস্ট্রেলিয়ার দম্ভ চূর্ণ করে বাংলাদেশের স্মরণীয় জয়

    অনলাইন ডেস্ক:

    বাংলাদেশে খেলার ব্যাপারে বরাবরই অনাগ্রহ দেখিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। টি-২০ শুরুর প্রায় দেড় দশক পর প্রথমবার এই দেশে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে এসেছে অজিরা। ঘরের মাঠে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সব দম্ভ চূর্ণ করে স্মরণীয় এক জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা।
    সিরিজের প্রথম ম্যাচে ২৩ রানে জয় পেলো টাইগাররা। টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম জয় পেল। টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে এই প্রথম অসিদের বিপক্ষে জয়ের স্বাদ পেল টাইগাররা। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় অস্ট্রেলিয়াকে রানে হারায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। এই জয়ে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল টাইগাররা। মঙ্গলবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান করে বাংলাদেশ।

    সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে নাসুম আহমেদের স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে রানে গুটিয়ে যায় অসিরা।

    বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৩২ রানের সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলে উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। মেহেদী হাসানের স্পিন বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার অ্যালেক্স কেরি।

    দলীয় ১০ রানে স্টাম্পিং হয়ে ফেরেন অন্য ওপেনার জশ পিলিপি। মেহেদির মতো সাকিব আল হাসানও প্রথম বলে সাফল্য পান। এ বাঁ-হাতি স্পিনারের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ময়েস হেনরিক্স।

    ২.১ ওভার তথা ১৩ বলে দলীয় ১১ রানে ৩ উইকেট পতনের পর অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েডকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন মিসেল মার্শ।

    চতুর্থ উইকেটে ৩৮ রানের জুটি গড়ে নাসুম আহমেদের দ্বিতীয় শিকার হন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ওয়েড। তিনি ২৩ বলে মাত্র ১৩ রান করে ফেরেন।

    মঙ্গলবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে যায় বাংলাদেশ।

    ৩.৩ ওভারে দলীয় ১৫ রানে জশ হ্যাজলউডের গতির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন সৌম্য। ৯ বলে মাত্র ২ রান করে ফেরেন এ ওপেনার।

    দলকে খেলায় ফেরানোর আগেই বিপদে পড়েন অন্য ওপেনার নাঈমও। দলীয় ৩৭ রানে ২৯ বলে দুই চার ও দুই ছক্কায় ৩০ রান করে অ্যাডাম জাম্পার স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ফেরেন টাইগার এ ওপেনার।

    জশ হ্যাজলউডের করা আগের বলেটি ডিপ ব্যাকওয়ার্ স্কয়ারের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকান বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

    ঠিক পরের বলে লং অপের ওপর দিয়ে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে হেনরিকসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন রিয়াদ। ১২.২ ওভারে দলীয় ৭৩ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক (২০)।
    ব্যাটিংয়ে নেমে ৩ বলে ৩ রান করা নুরুল হাসান সোহান ফেরেন ৪ বলে ৩ রান করে।

    ১৬.৬ ওভারে দলীয় ১০৪ রানে হ্যাজলউডের তৃতীয় শিকারে পরিনত হয়ে সাজঘরে ফেরেন সাকিব আল হাসান। তার আগে ৩৩ বলে তিন চারে ৩৬ রান করেন সাবেক এ অধিনায়ক।

    সাকিব আউট হওয়ার পর ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে সুবিধা করতে পারেননি শামিম হোসেন। ৩ বলে ৪ রান করে মিসেল স্টার্কের বলে বোল্ড হন তিনি।

    ব্যাটসম্যানদের এই আসা-যাওয়ার মিছিলে ইনিংসের শেষ বলে আউট হন আফিফ হোসেন। তার আগে ১৭ বলে তিন বাউন্ডারিতে করেন ২৩ রান।

  • ১১ জুলাই ফাইনালে মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্ধী ব্রাজিল – আর্জেন্টিনা!

    অনলাইন ডেস্ক:
    ২০১৬ সালের পর আবারও কোপা আমেরিকার ফাইনালে আর্জেন্টিনা। আসরের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে কলম্বিয়াকে ট্রাই-বেকারে হারিয়ে নিশ্চিত করেছে ফাইনাল। ট্রাই-বেকারে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ রুখে দেন তিনটি শট।

    মানি গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আর্জেন্টাইনদের আক্রমণাত্মক খেলা। ম্যাচের চার মিনিটের মাথায় গোলের সম্ভাবনা জাগান লিওনেল মেসি। কলম্বিয়ার পেনাল্টি এরিয়ায় তিনজনকে কাটিয়ে বল দেন লুতারো মার্টিনেজকে। তবে হেডে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় বল।

    এরপর গোল পেতে আর্জেন্টিনার সময় লেগেছে তিন মিনিট। ৭ মিনিটের মাথায় সেই মেসি-মার্টিনেজ। ডি বক্সে মেসির থেকে পাওয়া পাস জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন মার্টিনেজ।

    প্রথমার্ধের বিরতির বাঁশি বাজার আগে আবারও সুযোগ আসে আর্জেন্টাইনদের। ৪৪ মিনিটের মাথায় মেসির করা কর্নার থেকে আসা বলে হেড করেন গঞ্জালেস। কিন্তু কলম্বিয়ার গোল-রক্ষক দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন বল।

    বিরতি থেকে ফিরে দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে দু’দল। একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত থাকতে হয় দু’দলের রক্ষণভাগকে। তবে সমতায় ফেরাতে কলম্বিয়া সময় নেন ১১ মিনিট।

    ৬১ মিনিটের মাথায় গোল পোস্টের খুব কাছে থেকে কোনাকুনি শটে অবিশ্বাস্য এক গোল করে সমতায় ফেরান ম্যাচ।

    এর থেকেও অবিশ্বাস্য ব্যপার ঘটান ডি মারিয়া। ৭৪ মিনিটের মাথায় ফাঁকা গোল পোস্ট পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। গোল-রক্ষককে কাটিয়ে যখন ফিনিশিং দিবেন ঠিক তখনই খেই হারান মারিয়া।

    ৮২ মিনিটে আবারও সুযোগ আসে ডি মারিয়ার। কিন্তু ডি-বক্সে জটলা পেকে যাওয়ায় এগিয়ে যাওয়া হয়নি আলভিসেলেস্তেদের।

    নির্দিষ্ট সময়ের পর অতিরিক্ত চার মিনিটেও গোল করতে পারেনি কোনও দল। কোপার নিয়ম অনুযায়ী ট্রাই-বেকারে খেলা গড়ালে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় স্বপ্ন ভাঙে কলম্বিয়ার। ৪-২ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে নিশ্চিত করে আলভিসেলেস্তেরা। আগামী ১১ জুলাই ফাইনালে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্ধী ব্রাজিলের।

  • সিরিজে জয়: শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল টাইগাররা

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    এই প্রথম শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ। এর আগে উপমহাদেশের বড় বড় দলকে হারালেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ কখনও ওয়ানডে সিরিজে জয় লাভ করেনি। দুইবার সিরিজ জয়ের দ্বারপ্রান্তে এসেও শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেনি টাইগাররা। তবে এবার আর সেই সুযোগ হাতছাড়া করেনি তামিমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ। এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা।

    মঙ্গলবার (২৫ মে) সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে বৃষ্টি আইনে ১০৩ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা।

    মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারের আগেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। পুরো ওভার খেলতে ব্যর্থ হয় টাইগার ক্রিকেটাররা। ৪৮.১ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৪৬ রান।

    শ্রীলঙ্কার পক্ষে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন দুশমন্ত চামিরা এবং লক্ষ্মণ সান্দাকান। মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরির ওপর ভর করে এই পুঁজি পায় বাংলাদেশ। মুশফিক একাই করেন ১২৫ রান। ১২৭ বলের এই ইনিংস খেলার পথে ১০টি চার মেরেছেন তিনি। প্রথম ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে ফিরেছিলেন। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে আর ভুল করেননি। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে একাই লড়াই করেন মুশফিকুর রহিম। একপ্রান্ত আগলে রেখে তুলে নেন ক্যারিয়ারে অষ্টম সেঞ্চুরি।

    মঙ্গলবার (২৫ মে) দ্বিতীয় ওয়ানডের শুরুতেই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান তামিম ও সাকিবকে হারিয়ে হোঁচট খায় স্বাগতিক বাংলাদেশ। তামিম করেন ১৩ রান, আর সাকিব ফিরেছেন শূন্য হাতেই। তবে দলের দুঃসময়ে হাল ধরেন মিস্টার ডিপেন্ডেবলখ্যাত মুশফিকুর রহিম।

    মুশফিকের সেঞ্চুরির পথে বেরসিক বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়ালেও দমে যাননি তিনি। ৭৪ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর দলের বিপদের মুহূর্তে হাল ধরেছেন মুশফিক। তার সঙ্গী মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রিয়াদ বিদায় নেন ৫৮ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলে। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে ত্রাতার ভূমিকায় হাজির হন মুশফিক।

    ১১ রান করে আউট হয়েছেন সাইফউদ্দিন, শরিফুল ফিরে যান প্রথম বলেই। ৪৯তম ওভারের প্রথম বলে চামিরার স্লোয়ার ডেলিভারিতে ক্যাচ আউট হন মুশফিক। থেমে যায় ১২৫ রানের ইনিংস। ১১ বল বাকি থাকতেই ২৪৬ রানে অল আউট হয় স্বাগতিকরা।

    ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে শ্রীলঙ্কা। সফরকারী ব্যাটসম্যানদের চেপে ধরেন সাকিব-মিরাজরা। ৮৯ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা।

    পরের ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মিছিলে থাকেন। ৩৮ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে যখন শ্রীলঙ্কার রান ১২৬, তখন ফের বৃষ্টি হানা দেয়। ৯টা ৫০ মিনিটে যখন বল মাঠে গড়ায় তখন স্বাগতিকদের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ৪০ ওভারে ২৪৫ রানের।

    তবে ৪০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান করতে সক্ষম হয় সফরকারীরা। লঙ্কানদের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন দানুশকা গুনাথিলাকা। টাইগারদের হয়ে মিরাজ ও মুস্তাফিজ ৩টি করে, সাকিব ২টি এবং শরিফুল ১টি উইকেট লাভ করেন।

  • কুমিল্লায় স্বাধীনতা T-10 টুর্নামেন্টের ফাইনালে শিরোপা জিতলো জুভেন্টাস ক্লাব

    মাহফুজ নান্টু।।

    স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্বাধীনতা T-10 টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতলো জুভেন্টাস ক্লাব। নির্দিষ্ট ১০ ওভারে জুভেন্টাস ক্লাব ৪ উইকেটের বিনিময়ে ১২৫ রান করে। ১২৬রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে গৌরীপুর থার্ন্ডাস গ্ল্যাডিওটার্স ৮ ইউকেটে ৭৭ রানে তাদের ইনিংস শেষ হয়ে যায়। খেলায় ম্যাচ সেরার পুরস্কার লাভ করে জুভেন্টাসের সোহেল। টুর্নামেন্ট সেরা হয় ভাই ব্রাদার্স ক্লাবের তন্ময়। এছাড়াও ১৬ ইউকেট নিয়ে সেরা বোলার হয় মাহফুজ ও ২৮৫ রান করে সেরা ব্যাটসম্যান হন তন্ময়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও রানার আপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সদর আসনের সাংসদ বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার। খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য সাংসদ আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেন, আজ যখন আমাদের ছেলেদের দেখি, ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় তখনই মনে হয় আমরা এ জন্যই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। আজ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত, অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মাসুদ রানা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন, জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জাগ্রত মানবিকতার সাধারণ সম্পাদক তাহ্সিন বাহার সূচনা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলা ক্রিকেট কমিটির সভাপতি সাইফুল আলম রনি। উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ক্রিকেট কমিটির সদস্য নাসিম ইউসুফ রেইনসহ জেলা ক্রিকেট কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।

  • আম্পায়ারের জঘন্য এক ভুলের শিকার সাব্বির

    অনলাইন ডেস্ক:
    দুর্দান্ত জুটি গড়ে বাংলাদেশকে দারুণ একটি জায়গা নিয়ে গেলেন সাকিব আল হাসান এবং তামিম ইকবাল। যদিও ২০৭ রানের জুটি গড়ার পর ৯৭ রানের মাথায় গিয়ে আউট হয়ে যান সাকিব আল হাসান। সেঞ্চুরির দেখা পান তামিম ইকবাল। সাকিব আউট হয়ে যাওয়ার পরই মার-মার কাট-কাট ব্যাটিংয়ের জন্য উইকেটে পাঠানো হলো সাব্বির রহমানকে।

    উইকেটে নামার পর মাত্র ৪টি বল খেলার সুযোগ পেলেন। এরপরই আম্পায়ারের জঘন্য এক ভুলে আউট হয়ে যেতে হলো সাব্বির রহমানকে। মূলতঃ স্ট্যাম্পিং হন তিনি। যেটা মোটেও বৈধ কোনো আউট ছিল না। টিভি রিপ্লেতে দেখা গিয়েছিল, তিনি আউট নন। অথচ, তাকে আউট ঘোষণা করেন নন স্ট্রাইকে দাঁড়ানো আম্পায়ার জোয়েল উইলসন।

    ৪৭তম ওভারের খেলা চলছিল তখন। বোলার ছিলেন দেবেন্দ্র বিশু। তার ওভারের তৃতীয় বলটি একটু এগিয়ে এসে খেলতে চেয়েছিলেন সাব্বির। কিন্তু বলের ফ্লাইট মিস করেন। ব্যাটে-বলে হলো না। বল চলে গেলো উইকেটের পেছনে উইকেটরক্ষক সাই হোপের হাতে।

    তড়িগড়ি স্ট্যাম্প ভেঙে দিলেন উইকেটরক্ষক। আবেদন উঠতেই নন স্ট্রাইকে থাকা আম্পায়ার উইলসন আঙ্গুল তুলে দিলেন। সাব্বির কিছু না বুঝেই সোজা হাঁটা ধরলেন। রিভিউ নিলেও হয়তো বেঁচে যেতেন তিনি। কিন্তু রিভিউ না নিয়ে চলে গেলেন ড্রেসিংরুমে।

    পরে টিভি রিপ্লেতে দেখা গেলো, সাব্বির আউট ছিলেন না। যখন স্ট্যাম্প ভাঙা হচ্ছিল, তখন তার পা ছিল উইকেটের ওপরই। অথচ, আম্পায়ারের ভুলে উইকেট দিয়ে আসতে হলো সাব্বির রহমানকে।

  • রাশিয়া বিশ্বকাপে ফিফার সেরা একাদশ নিয়ে বিতর্ক

    অনলাইন ডেস্ক:
    বিশ্বকাপের ২১তম আসর শেষ হওয়ার পর রাশিয়া বিশ্বেকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা করল ফিফা। বিশ্বকাপে যারা আলো ছড়িয়েছেন তাদের মধ্যে থেকে ১১ জনকে নিয়ে একটি সেরা একাদশ তৈরি করেছে ফিফা।তবে ফিফার ঘোষিত দল নিয়ে এর মধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে।

    ফিফার ঘোষিত দলে জায়গা হয়নি বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট ও গোল্ডেন গ্লাভজ জিতে নেওয়া ফুটবলারের। ইংল্যান্ডের হয়ে ৬ গোল করে গোল্ডেন বুট জেতা অধিনায়ক হ্যারি কেন ও বেলজিমামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া যিনি গোল্ডেন গ্লাভজ জিতেছেন তাদের বাইরে রেখে ফিফা। তবে ফিফার সেরা একাদশে রয়েছে দুই ফাইনালিষ্ট ফ্রান্সের ৪ ও ক্রেয়েশিয়ার ২ ফুটবলার।

    ফিফার সেরা একাদশে চমকপ্রদ ভাবে নেই দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর নাম। ফাইনালে খেলা ফ্রান্সের ৪ ফুটবলার এবং ক্রেয়েশিয়ার ২ ফুটবলার। ফিফা নিজেদের সেরা একাদশ সাজিয়েছে ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে।

    রাশিয়া বিশ্বকাপে ফিফার সেরা একাদশ:

    হুগো লরিস (গোলরক্ষক, ফ্রান্স), কাইরান ট্রিপিয়ার (ইংল্যান্ড), রাফায়েল ভারানে (ফ্রান্স), ডেজান লভরেন (ক্রোয়েশিয়া), অ্যাশলে ইয়ং (ইংল্যান্ড), পাউলিনহো (ব্রাজিল), লুকা মদরিচ (ক্রোয়েশিয়া), এডেন হ্যাজার্ড (বেলজিয়াম), অ্যান্তোনি গ্রিজম্যান (ফ্রান্স), নেইমার (ব্রাজিল), কাইলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)।

  • বিশ্বকাপের সব টাকা দান করে দিলেন এমবাপ্পে

    অনলাইন ডেস্ক:
    ফ্র্যান্সের জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে তার বিশ্বকাপ ফুটবল থেকে আয়ের পুরোটাই একটি চ্যারিটিতে দান করতে চলেছেন ।

    ক্রীড়া দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে কাজ করা প্রেইয়ার্স ডি করডেস অ্যাসোসিয়েশনকে এমবাপ্পের বিশ্বকাপ খেলে তিন লক্ষ ৮৪ হাজার পাউন্ড। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় চার কোটি ২৯ লক্ষ টাকা। এর পুরোটাই দান করে দিচ্ছেন বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান এই খেলোয়ার।

    সদ্য সমাপ্ত রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্স যে সাতটি ম্যাচ খেলেছে তার প্রতিটিতেই খেলেছেন এমবাপ্পে। প্রতি ম্যাচে অংশ নেয়ার জন্য তিনি ১৭ হাজার পাউন্ড করে পেয়েছেন। আর চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হিসাবে তিনি পেয়েছেন দুই লক্ষ ৬৫ হাজার পাউন্ড।

    গোটা টুর্নামেন্টে সাত ম্যাচে চারটে গোল করে নজর কেড়েছেন ফ্রান্সের এই উনিশ বর্ষীয় ফুটবলার। বিশ্বকাপের সেরা তরুণ ফুটবলারের স্বীকৃতিও তিনি পেয়েছেন। আরও একটি রেকর্ড ছুঁয়েছেন। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার, কিংবদন্তি পেলের পর (১৯৫৮) কমবয়সী ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল করেছেন।