Category: খেলার সংবাদ

  • ভারতের বিপক্ষে বড় হার, বাংলাদেশের বিদায় ‘প্রায় নিশ্চিত’

    অনলাইন ডেস্ক:

    যেদিন হয় না, সেদিন যেন কোনো কিছুই হয় না। তানজিদ তামিমের এলবিডব্লিউ নিয়ে প্রশ্ন আর সন্দেহ মনে জাগতেই পারে। রিশাদ হোসেন ব্যাট হাতে আগে আসতে পারলে কিছুটা হলেও আশা বাংলাদেশ দেখতে পারত। মনের ভেতর আরও অনেক পরিস্থিতিই তৈরি করে আক্ষেপে পুড়তে পারেন দেশের ক্রিকেট ভক্তরা।

    তবে সবচেয়ে বড় সত্য, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আরেকবার ভারতের কাছে হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ। তাতে সুপার এইট থেকে বাংলাদেশের বিদায়ের মঞ্চটাও অনেকটা প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। অ্যান্টিগায় সুপার এইটে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ হেরেছে ৫০ রানের বড় ব্যবধানে। ভারতের করা ১৯৬ রানের বিপরীতে বাংলাদেশের ব্যাটাররা মিলে তুলতে পেরেছেন ১৪৬ রান।

    এমন হারের পর সুপার এইট থেকে সেমিফাইনালে যেতে বাংলাদেশের স্বপ্নটা টিকে আছে অনেক যদি/কিন্তু আর গাণিতিক মারপ্যাঁচের ওপর ভিত্তি করে। সেটাও অনেক দূরের পথ। ভারত ম্যাচে হারের চেয়েও বেশি নজরে পড়বে বাংলাদেশের দৃষ্টিকটু ব্যাটিং, অধিনায়ক শান্তর পরিকল্পনার অভাব এবং নিজেদের অগোছালো বোলিংয়ের দিকে। দেশে টিভিসেটের সামনে বসে থাকা কোটি সমর্থকদের প্রাপ্তি তাই নেহাতই হতাশা।  

    টস জিতে অধিনায়ক শান্ত বলেছিলেন, এই পিচে ১৬০ থেকে ১৭০ রান আদর্শ। পিচ রিড করতেই বাংলাদেশের অধিনায়ক যে ভুল করেছেন তা টের পাওয়া গিয়েছে পাওয়ারপ্লেতেই। ৬ ওভারে তারা তুলল ৫৩ রান। ওই ৬ ওভারে বাংলাদেশের প্রাপ্তি সাকিব আল হাসানের উইকেট। যে উইকেট ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তার ৫০তম উইকেট। এমন কীর্তি নেই আর কারোরই। 

    নবম ওভারে তানজিম সাকিব জোড়া আঘাত হেনেছেন। ১৩তম ওভারে রিশাদ ফিরিয়েছেন রিশাভ পান্তকে। নিয়মিত উইকেটের পতনগুলো খুব একটা স্বস্তি দেয়নি টাইগার শিবিরকে। সুযোগ পেলেই তারা চড়াও হয়েছেন বাংলাদেশের ওপর। শেষ ৪ ওভারে ৬২ রান আর মাঝের ওভারে ৮১ রান নিশ্চিত করেছে ভারতের বিশাল সংগ্রহ। 

    বিপরীতে বাংলাদেশ রানতাড়ার কোনো পর্যায়েই নিজেদের রানের চাকা ঘোরাতে পারেনি সেই অর্থে। শুরুর ৬ ওভারে ভারতের ৫৩ রানের বিপরীতে বাংলাদেশ করেছে ৪২ রান। তানজিদ তামিম এবং নাজমুল হোসেন শান্ত এরপর আগ্রাসী ব্যাটিং না করে খেললেও পারফেক্ট ওয়ানডে মেজাজে। ব্যাটে -বলে পাল্লা দিয়ে রান করেছেন দুজনে। সেইসঙ্গে বেড়েছে রানরেটের চাপ। ১০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬৭ রান। 

    এরইমাঝে কুলদীপ যাদব শুরু করেন তার ঘূর্ণি। প্রথমে তানজিদ তামিমকে ফেরান দারুণ এক গুগলি বলে। এরপর ইনফর্ম তাওহীদ হৃদয় ফেরেন এলবিডব্লিউ এর ফাঁদে পড়ে। সাকিব আল হাসান এসেছিলেন। একটা চার এবং একটা ছক্কা ছিল বটে। কিন্তু ৬ বলে ১১ রান করে কুলদ্বীপের দিনের ৩য় শিকার হয়ে ফেরেন এই অলরাউন্ডার। 

    বাংলাদেশের বাকি ইনিংসের উপসংহার টানা যায় খুব সহজেই। জাকের আলী অনিক আবার ব্যর্থ নিজেকে প্রমাণে। দলে এসেছিলেন বাড়তি রান করতে। ৪ বলে ১ রান করে আউট হয়ে কেবল হতাশাটাই বাড়িয়েছেন তিনি। রিশাদ হোসেন ক্রিজে ছিলেন ৯ মিনিট। হারের ব্যবধান কমাতে নিজের সাধ্যের সবটাই করেছেন। ১ চার এবং ৩ ছক্কায় করা তার ওই ২৪ রান যেন বাকি ব্যাটারদের শিক্ষাই দিয়ে গিয়েছে। 

    শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেমেছে ১৪৬ রানে। সেমিফাইনালে যেতে হলে এখন বাংলাদেশের চাই শেষ ম্যাচে বড় ব্যবধানের জয়। সেইসঙ্গে আফগানিস্তানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার হার এবং ভারতের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার জয় কামনা করতে হবে। এরপর আসবে ৩ দলের নেট রানরেটের হিসাব। সেসব অঙ্ক মেলানোটাই বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। 

  • আইসিসির শাস্তি পেলেন তানজিম সাকিব

    অনলাইন ডেস্ক:

    গ্রুপ পর্বে দারুন তিন জয়ে ১৭ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে বাংলাদেশ। আগামী ২১ জুন শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এমন আনন্দমুখর সময়ে দুঃসংবাদ শুনতে হলো পেসার তানজিম হাসান সাকিবকে। কেননা আইসিসির শাস্তি পেয়েছেন এই তরুণ পেসার।

    নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে বাংলাদেশকে জেতান সাকিব। সেই ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে নিয়েছিলেন ৪টি উইকেট। ২১টি ডট দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন এই পেসার। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনায় শাস্তি পেলেন তিনি।

    নেপাল ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ব্যাট করছিলেন নেপালের অধিনায়ক রোহিত পাড়েল। কিন্তু বল করার এক পর্যায়ে হঠাৎ তার দিকে তেড়ে যান তানজিম। এই সময় বেশ আগ্রাসী দেখা যায় দুজনকে। এসময় রোহিতকে বুক দিয়ে ধাক্কা মেরে বসেন বাংলাদেশি পেসার।

    যদিও বিষয়টা ভালোভাবে নেয়নি আইসিসি। গতকাল মঙ্গলবার (১৮ জুন) এক বিবৃতির মাধ্যমে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে তার শাস্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সংস্থাটি। ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ জরিমানা ও ১ ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হয়েছে তার নামের পাশে। ম্যাচ রেফারি তার বিরুদ্ধে আইসিসির কাছে অভিযোগ জানানোর পরই এই শাস্তি এসেছে।

    জানা গেছে, আইসিসির আচরণবিধি অনুযায়ী এটি শাস্তি যোগ্য অপরাধ। আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টের ২.১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শাস্তি পেয়েছেন তানজিম। এই পেসার অপরাধ মেনে নেয়ায় আর কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।

  • নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে সুপার এইটের পথ সহজ করল বাংলাদেশ 

    অনলাইন ডেস্ক:

    টার্গেট ১৬০ রান। এক সময় মনে হচ্ছিল এই টার্গেট অনায়াসেই করে ফেলবে নেদারল্যান্ডস। ঠিক সেই সময় এক ওভারে জোড়া উইকেট তুলে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। এরপর টাইগার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২৫ রানে জয় পায় বাংলাদেশ।

    এই জয়ে সুপার এইটের স্বপ্ন বেশ ভালোভাবে জিইয়ে রাখলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ৩ ম্যাচ থেকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সুপার এইটে এক পা দিয়ে রাখলো বাংলাদেশ। নিজেদের শেষ ম্যাচে নেপালকে হারালেই সেরা আট নিশ্চিত করবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। 

    বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ওয়েস্ট ইন্ডিজের আর্নোস ভ্যালে গ্রাউন্ডে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান ডাচ অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ড। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পরে বাংলাদেশ।  তবে সাকিব আল হাসানের ফিফটি ও তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে ভর করে লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা। সাকিব আল হাসান ৪৬ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া তানজিদ তামিম ২৬ বলে ৩৫ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ করেন ২১ বলে ২৫ রান। 

    ১৬০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে সাবধানী শুরু করে নেদারল্যান্ড। দেখেশুনে খেলতে থাকেন দুই ডাচ ওপেনার মাইকেল লেভিট, ম্যাক্স ও’দাউদ। উদ্বোধনী জুটিতে ২২ রান যোগ করেন তারা।

    এরপর ইনিংসের পঞ্চম ওভারে বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন তাসকিন। ১৬ বলে ১৮ রান করা লেভিটকে আউট করেন এই টাইগার পেসার। 

    এরপর দলীয় ৩২ রানে ডাচ শিবিরে আঘাত হানেন আরেক পেসার তানজিম হাসান সাকিব। ১৬ বলে ১২ রান করা ম্যাক্স ও’দাউদকে আউট করেন সাকিব। এরপর সিব্রান্ড এঙ্গেলব্রেখটকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন বিক্রমজিত সিং।

    তবে দলীয় ৬৯ রানে ১৬ বলে ২৬ রান করে ফিরে যান বিক্রমজিত। তার বিদায়ের পর অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডসকে সঙ্গে নিয়ে রানরেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে থাকেন এঙ্গেলব্রেখট।

    দলীয় ১১১ রানে এঙ্গেলব্রেখটকে আউট করে বাংলাদেশকে স্বস্তি দেন দেন রিশাদ হোসেন। ২২ বলে ৩৩ রান করে আউট হন এঙ্গেলব্রেখট। একই ওভারে বাস ডি লিডকে আউট করে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান এই লেগ স্পিনার। 

    এরপর দ্রুতই আরও দুই উইকেট তুলে নিয়ে হারিয়ে ডাচদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন রিশাদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান করতে সক্ষম হয় ডাচরা। বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ নেন ৩টি উইকেট।

  • সুপার ওভারে পাকিস্তান বধ করে  যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস!

    অনলাইন ডেস্ক:

    পাকিস্তানের পেস আক্রমণকে যেনতেন নয়, বিশ্বসেরা বলেছিলেন সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি। শাহীন শাহ আফিদি, মোহাম্মদ আমির, নাসিম শাহ ও হ্যারিস রউফের এই আক্রমণকে নিষ্ক্রিয় করে দিলো যুক্তরাষ্ট্র। রোমাঞ্চরক লড়াইয়ে ম্যাচ সুপার ওভারে নেওয়ার পর পাকিস্তান বধ করলো তারা। বাবর আজমরা যত তাড়াতাড়ি পারে, এই হার ভুলে যেতে চাইবে।

    ১৬০ রানের লক্ষ্যে নেমে দারুণ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান তুলেছিল তারা। স্টিভেন টেলর ১৬ বলে ১২ রান করে পাকিস্তানের প্রথম শিকার হন। নাসিম শাহ তাকে মোহাম্মদ রিজওয়ানের ক্যাচ বানান।

    তারপর মোনাঙ্ক প্যাটেল ও আন্দ্রিয়েস গাওস যেন পাকিস্তানের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠেছিলেন। ১৩তম ওভারে দলীয় স্কোর সেঞ্চুরি হয়ে যায়। অবশেষে ৬৮ রানের এই জুটি ভেঙে দেন হারিস। গাওসের অফস্টাম্প ভেঙে দেন পাকিস্তানি পেসার।

    তার আগেই মোনাঙ্ক শাহীন আফ্রিদিকে টানা চার-ছয় মেরে ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরির দেখা পান। এরপর অধিনায়ক আর বেশিক্ষণ টেকেননি। আমিরের বলে রিজওয়ানকে ক্যাচ দেন তিনি ৩৮ বলে ৫০ রান করে।

    ৩৬ বলে যুক্তরাষ্ট্রের তখন লাগতো ৪৯ রান। আমির, শাহীনের আঁটসাঁট বোলিংয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। শেষ ওভারে লাগতো ১৫ রান। প্রথম তিন ওভারে মাত্র ২৩ রান দেওয়া হারিসের কাঁধে দায়িত্ব পড়ে দলকে জেতানোর। প্রথম তিন বলে তিনি ৩ রান দিলেও চতুর্থ বলটি ফুলটস পেয়ে জোন্স ছক্কা মারেন। ম্যাচে ফেরে উত্তেজনা। শেষ দুই বলে প্রয়োজন কমে দাঁড়ায় ছয় রানে। পঞ্চম বলটি জোন্স সিঙ্গেল নেন এবং নিতিশ কুমার শেষ বলে চার মেরে ম্যাচ সুপার ওভারে নেন। ৩ উইকেটে ১৫৯ রান করে যুক্তরাষ্ট্র।

    ২৬ বলে দুটি করে চার ও ছয়ে ৩৬ রানে অপরাজিত ছিলেন জোন্স ও ১৪ রানে খেলছিলেন নিতিশ।

    সুপার ওভারে বল করেন আমির। প্রথম বলেই চার মারেন জোন্স। দ্বিতীয় বলে দুই রান নেন আমেরিকার ব্যাটার। তৃতীয় বলে সিঙ্গেল নেন তিনি। পরেরটি ওয়াইড, দুটি রান যোগ হয়।আর দুটি ওয়াইড দেন পাকিস্তানি পেসার। শেষ বলে রান আউট হন জোন্স। তাতে ১৯ রানের কঠিন টার্গেট দেয় স্বাগতিকরা। 

    ফখর জামান ও ইফতিখার আহমেদ সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছিলেন। সৌরভ নেত্রাভালকার বোলিংয়ে আসেন। প্রথম বল ডট দেন তিনি। দ্বিতীয় বলে ইফতিখার চার মারেন। পরেরটি ছিল ওয়াইড। তৃতীয় বৈধ বলে ইফতিখারকে দুর্দান্ত ক্যাচে ফেরান নিতিশ। পরেরটি ওয়াইড, তারপর বাই থেকে চার রান যোগ হয়। পঞ্চম বলে দুটি রান নেন শাদাব খান। শেষ বলে লাগে ৭ রান। ছক্কা মেরে আরেকটি সুপার ওভারে নিতে পারেননি পাকিস্তানি ব্যাটার।

  • তামিম – সৌম্যের ব্যাটে ঝড়; শেষ ম্যাচে ১০ উইকেটের দাপুটে জয়

    অনলাইন ডেস্ক:

    এক ম্যাচ আগেই সিরিজ হাতছাড়া করেছিল বাংলাদেশ। তাই শঙ্কা ছিল হোয়াইটওয়াশের। তবে সেই শঙ্কাকে পাশ কাটিয়ে দাপুটে জয়ে ধবলধোলাই এড়িয়েছে টাইগাররা। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ের পরও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারলো লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

    শনিবার (২৫ মে) হিউস্টনের প্রেইরি ভিউ ক্রিকেট কমপ্লেক্সে টস জিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যাটিংয়ে পাঠান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মোস্তাফিজের বোলিং তোপে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১০৪ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা। দলের পক্ষে অ্যান্ড্রিস গাউস করেন সর্বোচ্চ ১৫ বলে ২৭ রান। বাংলাদেশের পক্ষে মোস্তাফিজ নেন ৬টি উইকেট। 

    ১০৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও সৌম্য সরকার। তাদের মারমুখী ব্যাটিংয়ে ৩৮ বলে ৫০ রান পেরোয় বাংলাদেশ।

    একের পর চার-ছক্কা রানের চাকা সচল রাখেন এই দুই ব্যাটার। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ৩৯ বলে ফিফটি তুলে নেন তানজিদ তামিম। এই ব্যাটারের ব্যাটে ৮ ওভার ৩ বল বাকী থাকতে ১০ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। তানজিদ তামিম ৪২ বলে ৫৮ ও সৌম্য ২৮ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন।  

  • বিশ্বকাপে নিষেধাজ্ঞা এড়াতে টেস্টে হাসারাঙ্গা, যা বলল লঙ্কান বোর্ড

    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    টেস্টে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ফিরেছেন বিশ্বকাপে নিষেধাজ্ঞা এড়াতে। লঙ্কান স্পিন অলরাউন্ডারের টেস্টে ফেরার খবর আসতেই এমন মন্তব্যই করছিলেন সকলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলা হচ্ছিল, আইনের ফাঁক গলেই বিশ্বকাপে নিজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চান হাসারাঙ্গা।

    সেই অনুমানের সত্যতা মিলল একদিন পরেই। আম্পায়ারের সঙ্গে অসদাচরণের দায়ে শাস্তি পান হাসারাঙ্গা। ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানার সঙ্গে ৩টি ডিমেরিট পয়েন্ট যুক্ত হয় তার নামের পাশে। ২ বছর ব্যাপ্তির মধ্যে ৮টি ডিমেরিট পেয়ে নিষেধাজ্ঞায় পড়তে হয়েছে তাকে। নিয়ম অনুযায়ী, দুটি টেস্ট বা চারটি ওয়ানডে বা চারটি টি-টোয়েন্টিতে নিষিদ্ধ হচ্ছেন হাসারাঙ্গা।

    বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সিরিজের পর লঙ্কানরা খেলবে বিশ্বকাপে। তাই টেস্ট দলে না ফিরলে বিশ্বকাপের চার ম্যাচ মিস করতেন লঙ্কানদের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। কিন্তু টেস্ট দলে নাম লিখিয়ে সেই বিপদ থেকেই বাঁচলেন হাসারাঙ্গা। নিষেধাজ্ঞা কাঁটা যাচ্ছে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্ট দিয়ে।
    শেষ পর্যন্ত পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচক প্যানেল। গত ১৬ মার্চই নাকি নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারে ফেরার ইচ্ছের কথা জানিয়েছিলেন হাসারাঙ্গা। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো এই তথ্য জানায়।
    এতে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সূত্রে বলা হয়, ফিটনেসের উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে ই–মেইলের মধ্যে টেস্টে ফেরার কথা জানিয়েছিলেন হাসারাঙ্গা। অবসর ভেঙে টেস্ট ক্রিকেটে ফিরতে চাওয়ার সঙ্গে তার নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)।
    শ্রীলঙ্কার নির্বাচক কমিটির সদস্য অজন্তা মেন্ডিস ক্রিকইনফোকে জানান, ‘প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সে আমাদের বলেছে যে আবার টেস্ট খেলতে রাজি সে। আমরা জানি এখন ব্যাপারটি কেমন মনে হচ্ছে, তবে শেষ ওয়ানডের আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
    উল্লেখ্য, সীমিত ওভারের ক্রিকেটে মনোযোগ দেবেন বলে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। অবসরের ঘোষণার আগে মোটে ৪ টেস্ট খেলেছিলেন তিনি।

  • বিপিএলে কুমিল্লার হয়ে ঝড় তুলবে রিজওয়ান-শাহিন আফ্রিদি

    অনলাইন ডেস্ক:
    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসর এখনো শেষ হয়নি। প্রথম দল হিসেবে আজ নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে পাকিস্তান। আর এ দলের তারকা পেসার শাহিন আফ্রিদিকে আসন্ন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) জন্য দলে ভিড়িয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

    আজ বুধবার সন্ধ্যায় আফ্রিদির সতীর্থ মোহাম্মদ রিজওয়ানকে দলে ভেড়ানোর খবর জানিয়েছিল কুমিল্লা। এরপর এবার নিজেদের ভেরিফাইড ফেসবুক পাতায় পোস্টের মাধ্যমে আফ্রিদিকে দলে ভেড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। 

    সেখানে বলা হয়, ‘এই লম্বা মানুষটির আবির্ভাব ঘটেছিল পাকিস্তান থেকে বিশ্বে ঝড় তোলার জন্য। তার নামই বিশ্বব্যাপী রোমাঞ্চ ছড়ানোর জন্য যথেষ্ট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বর্ষসেরা পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি স্যার গারফিল্ড সোবার্স ট্রফিতে ভূষিত হন। তিনি আর কেউ নন, শাহিন শাহ আফ্রিদি।’

    ‘বিপিএল ২০২৩-এর জন্য শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ভিক্টোরিয়ান্স পরিবারে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা সম্মানিত।’

    ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো বিপিএলে অংশ নেয় কুমিল্লা। অভিষেক আসরেই মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বাধীন দলটি শিরোপা জিতে নেয়। এরপর আরও দুই বার শিরোপা জিতেছে কুমিল্লা। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন তো বটেই, বিপিএলের রেকর্ড শিরোপাধারীও এই দলটিই। সেই দলেই এবার খেলতে যাচ্ছেন শাহিন আফ্রিদি

  • আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়


    অনলাইন ডেস্ক:

    ৪৬তম ওভারের তৃতীয় বলে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ডেভিড মিলার স্ট্যাম্প আউট হয়ে যাওয়ার পরই ধারাভাষ্যকাররা বলে দিয়েছেন, ম্যাচটা এখানেই শেষ। দক্ষিণ আফ্রিকার পরাজয় নিশ্চিত। বাকি ছিল আর কতদুর যেতে পারে স্বাগতিক প্রোটিয়ারা।

    শেষ দিকে কেশভ মাহারাজ এবং লুঙ্গি এনগিদি কয়েকটি চার-ছক্কা মেরেছিলেন ঠিকই, কিন্তু বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় আর ঠেকাতে পারেনি তারা।

    রীতিমত ঘোষণা দিয়ে গিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ঐতিহাসিক প্রথম জয়ের দেখা পেলো বাংলাদেশ। ৩১৫ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়ে প্র্রোটিয়াদের অলআউট করে দিয়েছে ২৭৬ রানে। ৩৮ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে টাইগাররা।

    এর আগে প্রোটিয়াদের মাটিতে তাদের বিপক্ষে কোনো ফরম্যাটেই কোনো ম্যাচ জেতেনি বাংলাদেশ। এবার দেশ ছাড়ার আগেই তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান এবং কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোরা বলছিলেন, অন্তত একটি জয় হলেও পেতে চান তারা।

    রাসেল ডোমিঙ্গো তো বলেই দিয়েছিলেন, এর আগে বাংলাদেশ যা করে দেখাতে পারেনি, এবার সেটা করে দেখাবে। শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরিয়নের সুপার স্পোর্টস পার্কে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিলো বাংলাদেশ।

  • সিলেটের বিদায় ঘন্টা বাজিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল কুমিল্লা

    নিজস্ব প্রতিবেদক:


    বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের অষ্টম আসরে প্রথম দল হিসেবে আগেই বিদায় ঘণ্টা নিশ্চিত হয়েছে সিলেট সানরাইজার্সের। শেষ ৬ ম্যাচ জয়ের মুখ না দেখা দলটি ঘরের মাঠে ফিরেও হারে টানা দুই ম্যাচ। আজ (বুধবার) সেই সিলেটকে হারিয়েই ফরচুন বরিশালের পর প্লে-অফের টিকিট পেল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। এদিন আগে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে ১৬৯ রান তুলে সিলেট। ১৭০ রানের লক্ষ্য টপকাতে নেমে ৪ উইকেট এবং ১ বল হাতে রেখে জয় পায় কুমিল্লা।

    সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামে স্বাগতিকরা ভালো শুরু পায়। দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও কলিন ইনগ্রাম উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ১০৫ রান। আগের ম্যাচে অর্ধশতক হাঁকানো ইনগ্রাম এদিন ফিফটির দেখা পান মাত্র ৩৫ বলে। ব্যাট চালিয়ে খেলে একই পথে ছুটছিলেন বিজয়, তবে ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়নি তার। মুস্তাফিজের বলে আউট হন ব্যক্তিগত ৪৬ রানে। ৩৩ বলের ইনিংসটি ৪টি চার ও ৩টি ছয়ের মারে সাজান বিজয়।

    এবারের টুর্নামেন্টের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান লেন্ডন সিমন্স তিনে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি। তানভীর ইসলামের বলে আউট হন ১৩ বলে ১৬ রানে। হাসেনি অধিনায়ক রবি বোপারার ব্যাট। নারিনের বলে বোল্ড হন ১ রান করে। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে রান তোলার গতি ধরে রাখেন ইনগ্রাম। আগের ম্যাচে ১০ রানের জন্য শতক হাতছাড়া করেছিলেন। এই ম্যাচেও শতকের দেখা পাননি ১১ রানের জন্য। শেষ ওভারে মুস্তাফিজের শিকার হওয়ার আগে ৬৩ বলে ৮৯ রান করেন, হাঁকান ৯টি চার ও ৩টি ছক্কা।

    সঙ্গে আলাউদ্দিন বাবু যোগ করেন ১০ রান। এতে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬৯ রান। দলটি পাঁচ উইকেট হারালেও ব্যাট হাতে নামেননি মোহাম্মদ মিঠুন। কুমিল্লার পক্ষে ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন মুস্তাফিজ।

    ১৭০ রানের লক্ষ্য টপকাতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি কুমিল্লার। দলীয় ২২ রানে বিদায় নেন ওপেনার লিটন দাস এবং ফাফ ডু প্লেসি। একেএস স্বাধীনের বলে ক্যাচ দিয়ে ৭ রানে ফেরেন লিটন। নাজমুল ইসলাম অপুর শিকার হন ২ রান করা ফাফ। তৃতীয় উইকেটে দলের হাল ধরেন মাহমুদুল হাসান জয় এবং মঈন আলী। ব্যাট চালিয়ে খেলে ৬৬ বলে দুজন যোগ করেন ৮২ রান। মঈন ৪টি চার ও ২টি ছয়ের মারে ৩৫ বলে ৪৬ রান করে বোপারের বলে আউট হলে ভাঙে তাদের এই জুটি।

    মঈনের আউটের পর অর্ধশতকের স্বাদ পান জয়। ৪২ বলে ছুঁয়েছেন ব্যক্তিগত ফিফটি। শেষ ৫ ওভারে কুমিল্লার জয়ের জন্য প্রয়োজন পড়ে ৬০ রান। অধিনায়ক ইমরুল কায়েস ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলে চেষ্টা চালান জয়। তবে আলাউদ্দিন বাবুর বলে ৭ চার ও ২ ছয়ে ৫০ বলে ৬৫ রান করে জয় আউট হলে বিপদে পড়ে কুমিল্লার। জয়ের পর রানের খাতা খুলতে না দিয়ে আরিফুল হককে ফেরান বাবু। তবে সেই বিপদ থেকে দলকে উদ্ধার করেন সুনিল নারিন।

    নারিনের ৩টি চার ও ১টি ছয়ের মারে ১১ বলে অপরাজিত ২৪ রানের সঙ্গে আবু হায়দার রনির ৪ বলে ৬ রানের ইনিংসের কল্যাণে ৪ উইকেটের জয় পায় কুমিল্লা। ফলে ৮ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে প্লে-অফে কুমিল্লা। অন্যদিকে ৯ ম্যাচে মোটে ৩ পয়েন্ট সিলেটের। পয়েন্ট টেবিলের একদম তলানিতে অবস্থান দলটির। এই ম্যাচের মধ্য দিয়েই বিপিএলে শেষ হলো সিলেট পর্বের খেলা।

  • হ্যাটট্রিক জয়ে চট্টগ্রামকে নামিয়ে আবার শীর্ষে কুমিল্লা

    নিজস্ব প্রতিবেদক:


    সম্প্রতি মাঠের বাইরে ঘটে যাওয়া ঘটনায় টালমাটাল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। মেহেদী হাসান মিরাজকে অধিনায়ক থেকে সরোনা নিয়ে বেশ জলঘোলা হলে গত দুদিন। রোববার সন্ধ্যায় কাগজকলমে ওই নাটকের ইস্তফা হলেও ড্রেসিংরুমের পরিবেশ যে মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়, সেটি মাঠের ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষাতেই স্পষ্ট। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে কুমিল্লা ভিক্টোয়ান্সের মুখোমুখি হলেও সোমবার দল হিসেবে খেলতে পারল না চট্টগ্রাম।

    বল হাতে নাসুম আহমে আর ব্যাটিংয়ে উইল জ্যাকস, এই দুনজেই যা একটু লড়লেন। তবে ‘বিধ্বস্ত’ দলে তাদের দুজনের পারফরম্যান্স কোন কাজে আসল না। চট্টগ্রামে আজ (সোমবার) দিনের প্রথম ম্যাচে কুমিল্লার মুখোমুখি হয় স্বাগতিকরা। এ ম্যাচে চট্টগ্রামের বোলারদের শাসন করে স্কোরবোর্ডে ১৮৩ রানের বিশাল পুঁজি পায় কুমিল্লা। ১৮৪ রানের লক্ষ্য টপকাতে নেমে মাত্র ৩১ রানে থামে চ্যালেঞ্জার্সের ইনিংস। এতে ৫২ রানের জয় পায় কুমিল্লা। এটি কুমিল্লার তৃতীয় জয়। 

    এবারের বিপিএলে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নামা কুমিল্লা পেয়েছে হ্যাটট্রিক জয়ের স্বাদ। এতে ম্যাচের আগে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে খেলতে নামা চট্টগ্রামকে নিয়ে আবার এক নম্বর জায়গা নিজেদের দখলে নিয়েছে বিপিএলের দুই বারের চ্যাম্পিয়নরা।

    টার্গেট টপকাতে নেমে দলীয় রান দুই অঙ্ক ছুঁতেই ওপেনার কেনার লুইস ও তিনে নামা আফিফ হোসেনকে হারিয়ে বিপদে পড়ে চট্টগ্রাম। ৪ রানে থাকা কেনারকে ফেরান অফ স্পিনার নাহিদুল। সমান ৪ রানে মুস্তাফিজে কাটা পড়েন আফিফ। পরে দলের হাল ধরেন উইল জ্যাকস। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ের কল্যাণে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৫০ রান তোলে চট্টগ্রাম। তবে তার আগেই সাজঘরে সাব্বির রহমান। নাহিদুলের দ্বিতীয় শিকার হন ৫ রানে।

    নাহিদুলের টানা ৪ ওভারের স্পিলেই চট্টগ্রামের ব্যাটিং অর্ডারের মেরুদণ্ড ভেঙে যায়। নিজের কোটার শেষ ওভারে মিরাজকে স্টাম্পিংয়ের ফাদে ফেলে ফেরান তিনি। মিরাজ ১০ রান করে আউট হলে অধিনায়ক নাঈম ইসলাম (৮), হার্ডহিটার বেনি হাওয়েল (২) এবং মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীও (১৩) সুবিধা করতে পারেননি। তবে অপর প্রান্তে রান তোলার গতি ঠিক রাখেন জ্যাকস। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে তুলে নেন ফিফটি।

    ইনিংসের ১৬তম ওভারে জ্যাকস ৪২ বলে ৬৯ রান করে আউট হলে কার্যত শেষ হয়ে যায় চট্টগ্রামের জয়ের আশা। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে নিজের ইনিংসটি ৭টি চার ও ৩ ছক্কায় সাজান এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। এরপর দ্রুতই বাকি দুই উইকেট হারিয়ে ১৩১ রানে গুটিয়ে যায় চট্টগ্রামের ইনিংস। এতে ৫২ রানের জয় পায় কুমিল্লা। এটি কুমিল্লার তৃতীয় জয়। কুমিল্লার হয়ে নাহিদুল সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন।