Category: খেলার সংবাদ

  • যে কারণে রিয়াল ছাড়লেন জিদান

    অনলাইন ডেস্ক:
    স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদকে টানা তৃতীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা এনে দিয়েছেন মাত্র দুদিন আগে। আর এরপরই ফুটবল বিশ্বে যেন বোমা পড়ল। যদিও এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগ না জিতলে জিনেদিন জিদানকে রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে আর নাও দেখা যেতে পারে বলে গুঞ্জন ওঠেছিল। কিন্তু ২৬ তারিখের সেই পরীক্ষায় তো উতরে গেছে রিয়াল।

    এমনকি টানা তিন চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন জিদান। এ মৌসুমটা তাই স্বস্তি নিয়ে শেষ করেছিল ক্লাবটির সমর্থক। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার (৩১ মে) আচমকাই এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন হঠাৎ সবাইকে চমকে দিলেন ফরাসি মহানায়ক। রিয়ালের কোচ হিসেবে আর থাকবেন না এই কিংবদন্তি। জিদানের এই হঠাৎ পদত্যাগের ঘোষণায় রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থকেরাই শুধু নয়, চমকিত-বিস্মিত পুরো ফুটবল দুনিয়াই।

    মাত্র আড়াই বছর দায়িত্বে থাকার পর রিয়ালের দায়িত্ব ছাড়লেন জিদান। এই সময়ে ক্লাবকে ৯টি শিরোপা জিতিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে টানা তিনটি ইউরোপিয়ান শিরোপা তো আছেই। এমন সাফল্যও তাকে সিদ্ধান্ত থেকে সরানো যায়নি। বিস্মিত ক্লাব সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজকে পাশে নিয়ে ক্লাবের দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন জিদান। তবে জিদানকে যারা চিনেন, জানেন, তাদের কাছে স্বাভাবিক ব্যাপারই মনে হওয়ার কথা। জিদান তো আসলে এমনই!

    নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করেছেন কেন প্রিয় ক্লাবের দায়িত্বে আর থাকবেন না জিদান

    ‘আগামী মৌসুমে আমি আর রিয়াল মাদ্রিদের কোচ থাকব না। এ দলের জয় অব্যাহত থাকা উচিত। তবে তিন বছর কাটানোর পর এখানে একটা পরিবর্তন হওয়া দরকার। একটু ভিন্ন কিছু, ভিন্ন এক বার্তা। সব ব্যাপারে ভিন্নভাবে এগোনোর চিন্তা। আমি জানি, এটার সঙ্গে জড়িত সবার জন্য খুব অদ্ভুত এক সময় এটি। কিন্তু আমার মনে হয়, এটাই সঠিক সময়।’

    ‘আমি এই ক্লাবকে ভালোবাসি। আমি মনে করি, এই ক্লাবের জয়যাত্রা অব্যাহত থাকা দরকার। আর এ জন্যই আমার মনে হয়েছে, ক্লাবের পরিবর্তন দরকার। এ কারণেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

    ভেবেছিলাম ক্লাবের সঙ্গে নিজের পদের মেয়াদ বাড়াবো। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, একটু নিজের জন্য সময় দরকার। তাই বলে আমি কোচিং করে ক্লান্ত না। আমি তিন বছর ধরে ম্যানেজারের দায়িত্বে আছি কিন্তু এ ক্লাব ছাড়ার এটাই সময়। আমি সব সময় বলেছি, এ ক্লাবে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে এবং আমার সময় শেষ হয়েছে।’

    ‘অবশ্যই আমি ফিরতে পারি। আমি সব সময় এ ক্লাবের কাছেই থাকব, কারণ এটা আমার হৃদয়ের খুব কাছের ক্লাব। অনেকেই বুঝতে চাইবে না কিন্তু এটাই সঠিক সময়। খেলোয়াড়দের জন্যও। আমি কীভাবে খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আরও বেশি চাই? বড় খেলোয়াড়দেরও পরিবর্তন দরকার।’

    ‘আমরা স্কোয়াডের শক্তি বাড়ানো নিয়ে কথা বলেছি। নতুন খেলোয়াড় আনা নিয়ে কথা বলেছি। কিন্তু এসব কারণে আমি যাচ্ছি না। কিন্তু কোচিং করতে চাইলে, এটাও তো কাজের অংশ। পরিবর্তন দরকার। কিন্তু আমি এর মধ্যে জড়াব না। আমি এ দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে আসিনি।’

    ‘আমি কঠোর পরিশ্রম করার চেষ্টা করেছি। সৎ থাকার চেষ্টা করেছি, ক্লাবকে গর্বিত করার চেষ্টা করেছি। আমি সব সময় আমার খেলোয়াড়ের সম্মান পেয়েছি এবং এটা ছাড়া কিছু অর্জন করা কঠিন। এটা একান্তই আমার সিদ্ধান্ত। খেলোয়াড়দের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু তিন বছর ধরে এত উচ্চমান ধরে রাখা কঠিন। আমি জন্মগতভাবে বিজয়ী এবং আমি জিততে ভালোবাসি। আমি হারতে অপছন্দ করি। যখনই মনে হয়েছে আমি জিতব না, তখনই মনে হয়েছে পরিবর্তন দরকার। এই খেলোয়াড় কিংবা ওই খেলোয়াড়কে বদলানোর সিদ্ধান্ত নিইনি। আমি নিজেই চলে যাব বলেছি।’

    ‘আমার সবচেয়ে প্রিয় মুহূর্ত হলো যখন আমি খেলোয়াড় হিসেবে রিয়ালে যোগ দিলাম। খেলোয়াড় হিসেবে এখানে আমার শেষটা ভালো হয়েছে এবং কোচ হিসেবেও সেটাই হয়েছে।’

    রিয়ালের হয়ে কোচ জিদানের সাফল্য

    রিয়ালের হয়ে ম্যাচ খেলেছেন ১৪৯টি। যার মধ্যে জয় পেয়েছেন ১০৪টি। ড্র হয়েছে ২৯ বার। পরাজয় ১৬ বার। গোল করেছেন ৩৯৩টি। শিরোপা মোট নয়টি।

  • এমপি পদে লড়বে না মাশরাফি-সাকিব

    অনলাইন ডেস্ক:
    জাতীয় দলের অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তোজা ও সাকিব আল হাসান ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিতব্য ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে রাজনীতিতে আসবেন না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

    ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস, ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি নির্ধারণ এবং আগামী ৭ জুলাই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, স্বল্পন্নোত দেশ থেকে উন্নত দেশ, অস্ট্রেলিয়ায় ‘গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ও ভারতের নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় হতে ডি-লিট ডিগ্রি অর্জনে দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণ-সংবর্ধণার কর্মসূচি ঠিক করতে এ সম্পাদকমণ্ডলীর সভার আয়োজন করা হয়।

    সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী বিশ্বকাপের আগে সাকিব-মাশরাফি রাজনীতিতে আসছেন না। সাকিবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, বিশ্বকাপের আগে রাজনীতি নিয়ে তার (সাকিব আল হাসান) কোনো চিন্তাভাবনা নেই। তবে এবারের নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নে নিয়ে কিছু চমক থাকবে, সেটা এখনও চূড়ান্ত রূপ নেয় নাই। সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ক্ষেত্রে, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এ ধরণের কিছু্ থাকবে। যাকেই মনোনয়ন দেয়া হোক না কেন তাকে উইনেবল প্রার্থী হতে হবে।

    ছাত্রলীগের কমিটি প্রসঙ্গ:

    ছাত্রলীগের কমিটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছাত্রলীগের যাতে ভালো কমিটি হয়, এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি নিজেই তদন্ত করছেন। খুব শিগগিরই ছাত্রলীগের কমিটি প্রকাশ করতে পারবো বলে আশা করছি, তবে দিনক্ষণ বলতে পারবো না। ছাত্রলীগের ভালো কমিটি আসবে, সবার প্রশংসা করার মতোই কমিটি আসবে।

    গাজীপুর সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গ

    গাজীপুর সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের আচরণ বিধি মেনেই আমরা প্রচার-প্রচারণা করবো।এসময় তিনি বলেন, রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি নির্বাচনের জন্য ১৮ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা নেয়া হবে। দলীয় প্রার্থী যারা হতে চান, তারা মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করবেন এবং জমা দিবেন। ২২ তারিখ সন্ধ্যা সাতটায় স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ। সূত্র: পরিবর্তন

  • ২ কোটির সাকিব ফেরত দিল ৯ কোটি!

    অনলাইন ডেস্ক:
    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) পঞ্চম আসরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে সাকিব আল হাসান ঝুলিতে পুরেছিলেন ১২ উইকেট। কেকেআর সেবার প্রথমবারের মতো পায় শিরোপার স্বাদ। দুই বছর পর আইপিএলের সপ্তম আসরে ব্যাট হাতে সাকিব করেন ২২৭ রান। সেবারও শিরোপা জেতে কলকাতা। ১১তম আসরের আগে ব্যাটে-বলে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ওই দুই আসরই সেরা।

    সদ্য শেষ হওয়া আইপিএলের ১১তম আসরে অবশ্য নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এ অলরাউন্ডার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সিতে ১৭ ম্যাচে ব্যাট হাতে করেছেন ২৩৯ রান। আর বল হাতে ঝুলিতে পুরেছেন ১৪টি উইকেট। দল শিরোপা জিতলে অবশ্য ষোলকলাই পূর্ণ হতো সাকিবের। ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে আট উইকেটে হারায় তা আর হয়নি।

    অবশ্য শিরোপা না জিতলেই বা কী, নিজ দলের হয়ে ফাইনাল পর্যন্ত সবকটি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশি এই তারকা অলরাউন্ডার প্রমাণ করেছেন দলের জন্য তিনি কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন। যদি টাকার হিসাবে বলা হয় তবে দুই কোটি রুপির সাকিব, একাদশতম আসরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ফিরিয়ে দিয়েছেন নয় কোটি রুপি!

    পারফরম্যান্সের বিচারে ক্রিকেটবিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিক ইনফো সম্প্রতি একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সাকিবকে মাত্র দুই কোটি রুপিতে দলে ভেড়ালেও তার পারফরম্যান্সের বিচারে তা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি রুপি। বিক্রিত মূল্যের হিসাবে এটা প্রায় পাঁচ গুন! অর্থ্যাৎ সাকিব তার মূল্যের প্রায় পাঁচ গুন অর্থই পারফরম্যান্স দিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছেন।

    এই তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন সাকিবেরই সতীর্থ ও হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। এই কিউই ক্রিকেটারকে তিন কোটিতে কিনেছিল হায়দরাবাদ। আসর শেষে পারফরম্যান্সের বিচারে উইলিয়ামসনের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০.৬৮ কোটি রুপিতে। এই তালিকার দুই নম্বরে আছেন চেন্নাই সুপার কিংসের ওপেনার শেন ওয়াটসন।

    ফাইনালসহ ১১তম আসরে দুটি সেঞ্চুরি করেছেন ওয়াটসন। নিলামে এই অজি ক্রিকেটারের ক্রয়মূল্য ছিল চার কোটি রুপি, পারফরম্যান্সের বিচারে আসর শেষে তার মূল্য দাঁড়িয়েছে ১১.৬ কোটি রুপিতে। এই তালিকারই তিন নম্বর অবস্থানে আছেন সাকিব। বাংলাদেশি অলরাউন্ডারের পরের দুটি স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে চেন্নাইয়ের আম্বাতি রাইডু এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের সুনীল নারাইন। সূত্র; প্রিয় ডট কম

  • মুস্তাফিজকে পাপনের হুঁশিয়ারি

    অনলাইন ডেস্ক:
    দেশে কিংবা দেশের বাহিরে বাংলাদেশের সেরা একাদশ সাজাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচকদের। কেউ ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরছে কেউবা ইনজুরিতে পরে মাঠের বাইরে যাচ্ছে। ঠিক এরই মাঝে আইপিএল খেলতে গিয়ে ইনজুরির শিকার হয়ে দেশে ফিরেছে কার্টার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান।

    চলতি আইপিএলে সময়টা ভালো যায়নি কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমানের। খুব ভালো করতে পারেননি। অবশ্য খুব খারাপও করেননি। তবে দলের কম্বিনেশনের জন্য বেশ কিছু ম্যাচে তাকে বসে থাকতে হয়েছে তাকে কিন্তু শেষ ম্যাচে পায়ের আঙ্গুলে চোট পেয়েছেন তিনি। তাই আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি থেকে ছিটকে যায় কাঁটার মাস্টার।

    এদিকে তার ইনজুরি নিয়ে হুঁশিয়ারি দেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পপান। তিনি দেশের একটি প্রথম সারির গণমাধ্যমে বলেন,‘মোস্তাফিজের বিষয়ে আমাদের অনেক সাবধান হতে হবে। খুব বেশি ছাড় দেয়া যাবে না। পরপর দুই বারই সে আইপিএল খেলতে গিয়ে ইনজুরিতে পড়েছে। এ কারণে সে গুরুত্বপূর্ণ সিরিজগুলোতে খেলতে পারছে না। আবার ওর চিকিৎসা করাতে হচ্ছে আমাদেরই। এইভাবে আসলে হয় না। বিষয়টি নিয়ে আমরা বোর্ডে আলোচনা করবো।’

  • মাশরাফি-সাকিবের নির্বাচন করা প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:
    জাতীয় দলের দুই তারকা ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা এবং সাকিব আল হাসান আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন; এমন ইঙ্গিতের পরের দিন এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলছেন, ‘পৃথিবীর সব দেশেই সেলিব্রেটিরা নমিনেশন পেয়ে থাকে এটা নতুন কিছু না।’

    ভারত সফর শেষে দেশে ফিরে বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, কারও যদি আকাঙ্ক্ষা হয়, নিশ্চয়ই তারা দেশের জন্য সম্মান নিয়ে এসেছে, দেশকে ভালো একটা জায়গায় নিয়ে এসেছে। এটা পৃথিবীতে নতুন কিছু নয়। তার মানে এটা নয়; তৃণমূলে যারা রাজনীতি করে তারা নমিনেশন পায় না।

    ‘আমরা কিন্তু স্কুল জীবন থেকে রাজনীতি করেই এসছি; সেলিব্রেটি হয়ে আসিনি। আমরা তো আছিই, রাজনীতি যারা করেন, তারা নমিনেশন পান এটা খুবই স্বাভাবিক।’

    এরআগে, মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির-একনেক সভা শেষে সাংবাদিকদের এমন ইঙ্গিত দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এমপি পদে নির্বাচন করবেন মাশরাফী।’

    আরেক ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসানের বিষয়টিও নিয়েও প্রশ্ন ছিল মুস্তফা কামালের কাছে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রশ্নও ছিল সংক্ষেপে, জবাবও আসে এক কথায়।

    ‘সাকিব দাঁড়াবেন না?- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সাকিব তো দাঁড়াবেই।

    উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরেই আওয়ামী লীগের হয়ে মাশরাফির আগামী নির্বাচনে অংশ নেয়ার গুঞ্জন আছে। নিজ এলাকা নড়াইলের একটি আসন থেকে তিনি ভোটে দাঁড়াতে পারেন বলে প্রচার ছিল। এই গুঞ্জনের মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার (২৯ মে) পরিকল্পনামন্ত্রী জানিয়ে দেন মাশরাফি ভোটে দাঁড়াচ্ছে। এই ক্রিকেট তারকাকে ভালো মানুষ উল্লেখ করে তাকে ভোট দেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

  • মাশরাফি ও সাকিবের নির্বাচন প্রসঙ্গ তোলার কারণ জানালেন পরিকল্পনামন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:
    মাশরাফি বিন মুর্তজা তাহলে সংসদ সদস্য হওয়ার পথে! ভবিষ্যতে একই পথে হাঁটবেন সাকিব আল হাসানও। আজ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের এক মন্তব্যের পর থেকে সারা দেশে ওই আলোচনা ছিল, জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

    মাশরাফি ও সাকিবের রাজনীতিতে আসার গুঞ্জন বেশ কিছুদিন থেকেই শোনা যাচ্ছে। পরিকল্পনামন্ত্রীর কথার পর অনেকে ধরেই নিয়েছে, এই দুই তারকা ক্রিকেটার রাজনীতিতে আসছেনই। আর মাশরাফি এবারই দাঁড়িয়ে যাবেন সংসদ নির্বাচনে। তবে বিকেলে যোগাযোগ করা হলে এই প্রতিবেদককে ভিন্ন কথাই বলেছেন মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ‘আমি দলের পক্ষ থেকে বা কোনো বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে কিছুই বলিনি। তাঁরা নির্বাচন করবে কি না, আমি জানি না। মানুষের মুখে অনেক দিন থেকেই শুনে আসছি মাশরাফি নির্বাচন করবে। সে জন্যই মাশরাফির একজন ভক্ত হিসেবে আমি বলেছি, ও যদি নির্বাচন করে, তাহলে সবাই যেন তাকে ভোট দেন।’

    আওয়ামী লীগ থেকে মাশরাফির মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না, জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন, ‘আমি মনোনয়ন দেওয়ার কে? আমি তো কেউ না।’ মাশরাফি নির্বাচন করবেন, এমন কোনো নিশ্চিত তথ্যও তাঁর কাছে নেই, ‘মাশরাফি নির্বাচন করবে কি না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত কোনো খবর আসলেই আমার কাছে নেই। আমিও আপনাদের মতোই লোকমুখে শুনেছি ও নির্বাচন করবে। মাশরাফির সঙ্গে আমার যোগাযোগই নেই। তাঁর মতামত না নিয়ে আমি কীভাবে বলি মাশরাফি নির্বাচন করবে? এটা বলার আমি কেউ না।’

    সেটাই যদি হবে, একনেকের সভার পর সংবাদ সম্মেলনে বলা মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে এই ধূম্রজাল কেন? এ ব্যাপারে মুস্তফা কামাল একটু বিস্তারিত ব্যাখ্যাই দিলেন, ‘আজ আমরা মাগুরার জন্য একটি রেলওয়ে প্রজেক্ট পাস করি। এটা ছিল শেষ প্রজেক্ট, ১৩ নম্বর। সব আলোচনা শেষে আমি উপস্থিত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার লোকজনদের দুষ্টুমি করে বলি, মাগুরার জন্য প্রজেক্ট পাস হলো। মাগুরার লোকজন তো মিষ্টি খাওয়ানোর ভয়ে কেউ কিছু বলছেন না। তখন তাঁরা বলেন, ‘মাশরাফি তো নির্বাচন করবে। সে খাওয়াবে।’ আমি তখন বলি, ‘মাশরাফি নড়াইলের। সে কেন খাওয়াবে! তবে আমিও শুনেছি মাশরাফি এবার নির্বাচন করবে। সে যদি নির্বাচন করে তাহলে আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে আপনারা সবাই তাকে সমর্থন দেবেন, তার জন্য কাজ করবেন। কারণ সে ভালো মানুষ।’ এ সময় অনেকে সাকিবের নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন করলে মন্ত্রী নাকি বলেছেন, ‘সাকিব যদি নির্বাচন করতে চায় সাকিবও নির্বাচন করবে। সে এখন পরিণত। নির্বাচন করতেই পারে। সেও ভালো মানুষ। নির্বাচন করলে তাকেও আপনারা সমর্থন দেবেন।’

    তবে মুস্তফা কামাল ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন, মাশরাফি-সাকিব কারওই এবার নির্বাচন করার সুযোগ নেই। কারণ দুজনই এখনো খেলার মধ্যে আছেন, ‘সাকিব, মাশরাফি দুজনই খেলার মাঠে আছে। মাশরাফি তো নিজেই বলেছে সে ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলতে চায়। যদি তাঁরা ক্রিকেট খেলে তাহলে নির্বাচন কীভাবে করবে? তারপরও তারা করতে চাইলে সেটা তাদের ব্যাপার।’

    সত্যি সত্যি নির্বাচন করলে জাতীয় দলের এই দুই ক্রিকেটারের পক্ষে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী, ‘আমি যখন প্রথম নির্বাচন করি, আমার জন্য ভোট চাইতে গাজী আশরাফ হোসেন লিপু ও আকরাম খান আমার এলাকায় গিয়েছিল। সেভাবে আমিও ওদের জন্য ভোট চাইব।’ সূত্র: প্রথম আলো

  • সংসদ নির্বাচনে আসা নিয়ে যা বললেন মাশরাফি

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    বিশ্বকাপ ফুটবল দরজায় কড়া নাড়ছে। কম-বেশি সব খেলাপ্রেমীর চোখ রাশিয়ার দিকে। বিশ্বকাপের দলগুলো গা গরমের ম্যাচও শুরু হয়ে গেছে। বাংলাদেশে বিশ্বকাপের তোড়জোড় চলছে। বিশ্বকাপ শুরুর আগে অন্যবার যেমন থাকে, এবার মনে হয় হই চই-এর মাত্রাটা তার চেয়ে বেশি। আর সাড়াও পড়েছে বেশ। বিভিন্ন এলাকায় চলছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানির পতাকা ওড়ানোর প্রতিযোগিতা। কোন দলের সমর্থকরা কোন এলাকায় কত বড় পতাকা ওড়াবেন, আর কে কার চেয়ে ওপরে পতাকা লাগাবে- তাই নিয়েই মেতে আছে কিশোর ও তরুণরা।

    এরই মধ্যে জাতীয় ক্রিকেট দলও ব্যস্ত তাদের সফরসূচি নিয়ে। আজ ভারতের দেরাদুন গেছে আফগানিস্তানের সঙ্গে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে অংশ নিতে। তা নিয়েও উৎসাহের কমতি নেই। ক্রিকেটের এই একটি মাত্র ফরম্যাটে টি-টোয়েন্টি, যার র‌্যাংকিংয়ে আফগানরা টাইগারদের ওপরে। কাজেই রশিদ খান, মোহাম্মদ শাহজাদ, মোহাম্মদ নবি আর মুজিব-উর রহমানদের সঙ্গে সাকিব, তামিম, মুশফিক, মাহমুদউল্লাদের লড়াইটা কেমন হয়- তা দেখতেও উৎসাহী ক্রিকেট অনুরাগীর সংখ্যা কম নয়।


    এই যখন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অবস্থা, ঠিক এমন সময় হঠাৎ বোমা ফাটালেন পরিকল্পনামন্ত্রী ও দেশের ক্রিকেটের পরিচিত মুখ অন্তঃপ্রাণ ক্রিকেট সংগঠক এবং সাবেক বিসিবি, এসিসি ও আইসিসি প্রেসিডেন্ট আ হ ম মোস্তফা কামাল।

    তার ঘোষণা, দেশের দুই শীর্ষ ক্রিকেট তারকা ও জাতীয় দলের তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং সাকিব আল হাসান এবার আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এর মধ্যে সাকিবের বিষয়ে তিনি একটু রাখঢাক করে বললেও, মাশরাফির বিষয়টি একদম খোলামেলা করে দিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী। মোস্তফা কামাল বলে দিয়েছেন, মাশরাফি নড়াইল থেকে নির্বাচন করবে। সে ভালো মানুষ। তাকে ভোট দেয়ার আহ্বানও জানিয়েছে পরিকল্পনামন্ত্রী।

    মাশরাফি আর সাকিব জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবেন- আ হ ম মোস্তফা কামালের এই ঘোষণা ক্রীড়াঙ্গন তো বটেই, গোটা দেশেই আলোড়ন তুলেছে। রাজধানী ঢাকা ছাপিয়ে মাশরাফি আর সাকিবের সংসদ নির্বাচন করার বিষয়টা এখন রীতিমতো টক অফ দ্য কান্ট্রি হয়ে গেছে। মঙ্গলবার বিকেলে ইফতারের আগেই রাজধানী ঢাকায় এ খবর ছড়িয়ে পড়ে।

    বিকেলে মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে ছিল প্রিমিয়ার হকি লিগে গতবারের চ্যাম্পিয়ন ঢাকা মেরিনার ইয়াংস ক্লাবের সঙ্গে জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহি আবাহনী ম্যাচ। সেই ম্যাচ চলাকালীন জাগো নিউজে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে, খেলা চলাকালিনই সাড়া পড়ে যায়। মওলনা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামের ওপারে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এমনিতেই পড়ন্ত বিকেল ও সন্ধ্যায় দলেল সর্বস্তরের নেতাকর্মীর জটলা থাকে। আজ সেখানেও ঘুরে ফিরে মাশরাফি-সাকিবের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি তার প্রসঙ্গ।

    একই অবস্থা হোম অব ক্রিকেট শেরেবাংলা স্টেডিয়ামেও। দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামতেই এ খবর চলে আসে দেশের ক্রিকেটের কেন্দ্রবিন্দুতে। সঙ্গে সঙ্গে সাড়া পড়ে যায়। জাতীয় টি-টোয়েন্টি দল আজই সকালে দেরাদুনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছে। তাই টেস্ট আর ওয়ানডে স্পেশালিস্টদের কোন সিডিউল প্র্যাকটিস ছিল না। তারপরও মাশরাফিসহ কয়েকজন বিকেলে জিম করতে আসেন। সাংবাদিকরা উন্মুখ অপেক্ষায় ছিলেন মাশরাফি কখন আসবেন, তার জন্য।

    কিন্তু মাশরাফি আজ আর জিম বা কোনোরকম ট্রেনিং করতে শেরেবাংলামুখো হননি। শেরেবাংলা স্টেডিয়াম তথা বিসিবি কার্যালয়ে ভেতরেও মাশরাফি-সাকিবের নির্বাচন করা নিয়ে রীতিমত চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিসিবির শীর্ষ কর্তাদের সবার মুখেও ঘুরেফিরে এই একই প্রসঙ্গ। এদিকে খেলাপ্রেমী, ক্রিকেট অনুরাগি ছাপিয়ে সর্বস্তরের মানুষের কৌতুহল অভিন্ন। মুখে প্রশ্নও একটাই, ‘আচ্ছা! মাশরাফি আর সাকিব কি সত্যি সত্যি এবারই নির্বাচন করবেন?’

    এমন কৌতুহলি প্রশ্নের জবাব খুঁজতেই পমাশরাফি ও সাকিবের সাথে যোগাযোগের সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হয়। সাকিবের মুঠোফোনে বারংবার চেষ্টা করা হলেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তিনি ফোন রিসিভ করেননি। মাশরাফি এমনিতেই প্রাণখোলা মানুষ। শেরেবাংলায় সাংবাদিকদের সাথে প্রায়ই খোলামেলা আড্ডায় মেতে ওঠেন।

    কিন্তু আজ দুপুরে আ হ ম মোস্তফা কামালে ওই ঘোষণার পর আড্ডার ‘সরব’ মাশরাফি অনেকটাই নীরব হয়ে গেছেন। খুব কাছেরজন ছাড়া কারো ফোনই রিসিভ করছেন না। সবচেয়ে বড় কথা নির্বাচন প্রসঙ্গে কারো সাথে আনুষ্ঠানিক কথোপকোথনেও যেতে রাজ্যের অনিহা।

    মুঠোফোন আলাপে প্রথমে নির্বাচন করা প্রসঙ্গে কোন কথা বলতে চাননি। পরে দুটি কথাই শুধু বলেছেন, ‘আসলে কামাল ভাই (আ হ মোস্তফা কামাল) যা বলেছেন, সেটা তার কথা। আমি সে সম্পর্কে কিছুই জানি না।’

    আওয়ামী লিগ তথা নৌকা প্রতীক নিয়ে আসন্ন সংসদ নির্বাচন করবেন কি? এ প্রশ্নর জবাবে, মাশরাফির জবাব, ‘এ নিয়ে কোন কথা বলতে চাই না আমি। প্লিজ আমাকে কিছু বলতে অনুরোধ করবেন না। এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না।’

    সবার জানা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খেলার প্রতি অনুরাগ প্রবল। সফল ক্রীড়াবীদ, বিশেষ করে ক্রিকেটার মাশরাফি, সাকিব, মুশফিক আর তামিম- চারজনই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্নেহধন্য। বিভিন্ন সময় তিনি তাদের মাতৃস্নেহে কাছে টেনে নেন। জাতীয় দলের নানা অর্জন, প্রাপ্তি ও ঐতিহাসিক সাফল্যে দেশের বাইরে মাশরাফি-সাকিবদের সাথে ফোনেও কথা বলেন। অনুপ্রেরণা জোগান।

    তাই এটা শতভাগ সত্য যে, শেখ হাসিনার প্রতি মাশরাফি-সাকিবের রয়েছে অন্যরকম শ্রদ্ধা ও আন্তরিক ভালবাসা। আগেরদিনও মাশরাফি, সাকিব, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর ইফতারে শেখ হাসিনার হাতে ফুলের তোড়া উপহার দেন।

    বোর্ডের একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী নিজে মাশরাফি ও সাকিবকে এবার নির্বাচনে দাঁড়ানোর কথা না বললেও আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায় থেকে মাশরাফিকে নির্বাচনের মানসিক প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

    মাশরাফির ঘনিষ্ট সূত্রেও মিলেছে তেমন আভাস। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর ইফতারেও নাকি মাশরাফিকে নির্বাচন করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পেশাজীবীদের সম্মানে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর ইফতারে অংশ নেয়া একাধিক ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ইফতারে সত্যিই মাশরাফির নির্বাচনে দাঁড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আওয়ামী লিগের নীতি নির্ধারক মহল থেকেই মাশরাফিকে সামনের নির্বাচনের দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

    একদম ভেতরের খবর, যেহেতু সামনে বিশ্বকাপ (২০১৯) এবং বলার অপেক্ষা রাখে না, ৩৪ বছর বয়সী মাশরাফির ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। মাশরাফি ওই বিশ্ব আসর খেলতে মুখিয়ে আছেন। এখন তার ধ্যান, জ্ঞান, চিন্তা-চেতনার সবটুকু জুড়ে বিশ্বকাপ। তার আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে জড়িয়ে পড়তে নীতিগতভাবে রাজি নন মাশরাফি। তবে ওপরের মহলের পীড়াপীড়ি হলে ভিন্ন কথা। সে ক্ষেত্রে মাশরাফি সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িয়ে গেলেও অবাক হবার কিছু থাকবে না।

  • ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা, টাইগাররা কে কোন দলর সমর্থক?

    অনলাইন ডেস্ক:
    বাংলাদেশ দলের ক্যাপ্টেন মাশরাফি বিন মর্তুজা আর্জেন্টিনা ভক্ত এটা তার ভক্ত সমর্থকরা সবাই জানেন। আর্জেন্টিনাকে নিয়ে মাশরাফির পাগলামির কিছু না জানা কথা জানালেন তার মা।

    সম্প্রতি দেশের একটি অনলাইন গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মাশরাফির মা জানান, ‘মাশরাফি ছোট বেলা থেকেই ম্যারাডোনার ভক্ত। আর ম্যারাডোনার কারনেই সে আর্জেন্টিনা সাপোর্টার। ও যখন বুঝতে শিখেছে, তখন থেকেই বিশ্বকাপের সময় রাত জেগে খেলা দেখত। আর্জেন্টিনার খেলা যত রাতেই হোকনা কেন, সে দেখতই। আর্জেন্টিনা জিতলে বন্ধুদের সাথে মিছিল করত আর হেরে গেল আমার মাশরাফি খুব কষ্ট পেত।’

    মাশরাফি ছাড়াও টাইগার ক্রিকেটাররা কে কোন দলের সাপোর্টার জানার চেষ্টা করেছে । এক নজরে দেখে নিন-

    সাকিব আল হাসান: বর্তমানে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ফুটবলে সমর্থন করেন আর্জেন্টিনাকে।

    মুশফিকুর রহিম: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির ভক্ত। তবে, তিনি দল হিসাবে সমর্থন করেন নেদারল্যান্ডসকে। কিন্তু নেদারল্যান্ডস এবার বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে পারেনি। তাই মুশফিকুর রহিম চান রাশিয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ভালো খেলুক। অনেক দূর এগিয়ে যাক যাতে করে তিনি মেসির খেলা বেশি করে দেখতে পারেন।

    তামিম ইকবাল: টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল সমর্থন করেন ব্রাজিলকে।

    এনামুল হক বিজয়: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের এই তরুণ তারকা স্পেনকে সমর্থন করেন। তবে, আর্জেন্টিনার প্রতি তার সফট কর্নার কাজ করে। বিশ্বকাপ আসলে আর্জেন্টিনাই তাকে বেশি টানে।

    রুবেল হোসেন: টাইগার পেসার রুবেল হোসেন ছোট থেকেই ব্রাজিলের খেলা দেখতে পছন্দ করেন।

    আবু জায়েদ রাহি: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলে সদ্য সুযোগ পাওয়া তরুণ পেসার আবু জায়েদ রাহি ওইভাবে ফুটবল খেলা দেখেন না। তাই বিশ্বকাপ নিয়েও তার আগ্রহ নেই। কোনো দলকেই তিনি সমর্থন করেন না।

    তাসকিন আহমেদ: পেসার তাসকিন আহমেদ ব্রাজিলের সমর্থক।

    সৌম্য সরকার: এই টাইগার ওপেনার সবসময় আর্জেন্টিনাকেই করেন।

    আল-আমিন হোসেন: পেসার আল-আমিন হোসেন যখন থেকে বুঝতে শিখেছি তখন থেকেই আর্জেন্টিনার ডাই হার্ড ফ্যান। ফুটবল মানে তার কাছে একটাই দল। সেটা হলো আর্জেন্টিনা। আর মেসির সাথে তিনি অন্য কাউকে তুলনা করেন না।

  • রিয়াল ছাড়ার আভাস দিলেন রোনালদো

    অনলাইন ডেস্ক:
    শনিবার রাতে বিশ্বের ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ৫টি চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জেতার রেকর্ড গড়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তার দল রিয়াল মাদ্রিদ জিতে নিয়েছে টানা তৃতীয় এবং সবমিলিয়ে ১৩তম চ্যাম্পিয়নস লিগ। কিন্তু ম্যাচশেষে রোনালদো ইঙ্গিত দিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে অন্য কোথাও পাড়ি জমানোর।

    পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলে রিয়ালকে ফাইনালে তোলেন রোনালদো। রিয়াল মাদ্রিদের ৩০ গোলের মধ্যে তিনি একাই করেন ১৫টি গোল। কিন্তু ফাইনাল ম্যাচে রহস্যজনকভাবে নিষ্প্রভ ছিলেন এই তারকা ফুটবলার। তবে বেনজেমা-বেলদের নৈপুণ্যে শিরোপা ঠিকই জিতেছে রিয়াল। শিরোপা জয়ের আনন্দে ভেসে যাওয়ার আগে রিয়ালের সমর্থকদের যেন ক্লাব ছেড়ে যাওয়ার পুর্বাভাসই দিয়ে দেন রোনালদো।

    ম্যাচ শেষে সংবাদ মাধ্যমের সাথে আলাপকালে রোনালদো বলেন, ‘এখন সময়টা উদযাপন করার। তবে আমি পরবর্তী কিছুদিনের মধ্যেই আমার ভক্ত-সমর্থকদের সবকিছুর উত্তর দিয়ে দেবো। রিয়াল মাদ্রিদে আমি দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছি। আগামী দিনগুলোতে এই ব্যাপারে আরো ভাববো আমি। এখন সতীর্থদের সাথে উদযাপন করার সময়। কিছুদিনের মধ্যেই আমি সবকিছুর উত্তর দিয়ে দেবো।’

    প্রায় প্রতি মৌসুমেই গুঞ্জন শোনা যায় যে নিজের প্রাক্তন ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেবেন রোনালদো। কিন্তু কোনবারই সত্য হয়নি এই গুঞ্জন। তবে এবার রোনালদো নিজ মুখে ক্লাব ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়ে দলবদলের গুঞ্জনে বেশ ঝড়ো এক বাতাসই বইয়ে দিলেন।

  • বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের জার্সি নম্বরে চমক!

    অনলাইন ডেস্ক:
    ১৯৫৪ সাল বিশ্বকাপে শুরু হওয়া জার্সি নম্বরের প্রচলন এখনও চলছে। মূলত আগের থেকে জার্সি নম্বরের ভেতর এখন আরো বেশি চমকপ্রদ ব্যাপার থাকে। রাশিয়া বিশ্বকাপেও অন্য সবার মতো আর্জেন্টিনার সদস্যদের জার্সি নম্বর নির্ধারণ করে দিয়েছে আর্জেন্টাইন ফুটবল ফেডারেশন। যেখানে বরাবরের মতোই আর্জেন্টিনার দশ নম্বর জার্সি পরিহিত অবস্থায় দেখা যাবে মেসিকে।

    টানা তিনটি বিশ্বকাপে ১০ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নামবেন মেসি। আর্জেন্টিনার জার্সি নম্বর প্রদানের দিক দিয়ে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে আগুয়েরোর ১৯ নম্বর জার্সি পাওয়া নিয়ে। হিগুয়াইন এবং আগুয়েরো স্ট্রাইকার হওয়ায় আসল বিপত্তিটা বাধে। দুজনই ৯ নম্বর জার্সির জন্য আবদার করেন।

    পরবর্তীতে আর্জেন্টিনার অনুশীলনে আগুয়েরো এবং হিগুয়াইনের মধ্যে এক কুস্তি খেলার আয়োজন করা হয়, যেখানে হিগুয়াইন আগুয়েরোকে হারিয়ে ৯ নম্বর জার্সি ছিনিয়ে নেন।

    তারকা খেলোয়াড়দের ভেতর দিবালা পাচ্ছেন ২১ নম্বর, বানেগা পাচ্ছেন ৭ নম্বর, ডি মারিয়া পাচ্ছেন ১১ নম্বর এবং আকুনিয়া পাচ্ছেন ৮ নম্বর জার্সি।

    জার্সি নাম্বার ও খেলোয়াড়দের নাম
    ১। গুজম্যান
    ২। মার্কাদো
    ৩। তালিয়াফিকো
    ৪। আনসালদি
    ৫। বিলিয়া
    ৬। ফাজিও
    ৭। বানেগা
    ৮। আকুনিয়া
    ৯। হিগুয়াইন
    ১০। মেসি
    ১১। ডি মারিয়া
    ১২। আরমানি
    ১৩। মেজা
    ১৪। মাসেরানো
    ১৫। লানজিনি
    ১৬। মার্কস রোহো
    ১৭। ওটামেন্ডি
    ১৮। সালভিও
    ১৯। আগুয়েরো
    ২০। লো সেলসো
    ২১। দিবালা
    ২২। পাভন
    ২৩। কাবায়েরো