Category: কুমিল্লা উত্তর জেলা

  • দেবিদ্বারে অপহরণের পর যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ; সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আটক

    অনলাইন ডেস্ক:
    কুমিল্লার দেবিদ্বারে যৌথ ব্যবসার টাকা লেনদেনের জেরে আবু সায়েম (৩৯) নামের এক যুবককে প্রথমে অপহরণর পরে নির্যাতন করে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যান ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহত সায়েমের ছোট ভাই মো. আবু কাউছার বাদি হয়ে চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ও তার ছেলে আবদুল্লাহ আল মামুনসহ চারজনের নাম উল্লেখপুর্বক আরও অজ্ঞাত ৭/৮জনের নামে দেবিদ্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বাঙ্গুরী গ্রামে। ওই দিন রাত ২টার দিকে উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো.খোরশেদ আলমকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তবে তাঁর ছেলে মামুন পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে। নিহত সায়েম উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের চাষারপাড় গ্রামের আবদুর রহিম সরকারের ছেলে। আবু সায়েমের দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এ ঘটনার পর অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ গেইটের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী ।

    নিহত আবু সায়েমের শ্বশুর স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা মো. ছিদ্দিকুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সোমবার (৮এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় দিকে ঢাকার যাত্রাবাড়ি এলাকা থেকে আমার মেয়ের জামাই সায়েমকে অপহরণ করে চেয়ারম্যান খোরশেদ আলমের ছেলে আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে ৭/৮জন সন্ত্রাসী। অপহরণের খবর পেয়ে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে আমরা তাকে খোঁজাখুঁজি করি। এক পর্যায়ে বিকাল ৫টায় খোরশেদ চেয়ারম্যান আমাকে ফোনে জানায়, সায়েম তার ছেলে মামুনের সাথে কাছে আছে। মামুন আমার জামাইর নিকট যৌথ ব্যবসার যে টাকা পাবে সে টাকা ফেরত দিলে ছেড়ে দেয়া হবে। পরে রাত সাড়ে ৭টায় চেয়ারম্যান খোরশেদ আমাকে যাত্রাবাড়ির বাবু বাজার এলাকার একটি বাসায় সায়েমের সাথে দেখা করায়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় আজ মঙ্গলবার সকালে চেয়ারম্যানের বাড়িতে লেনদেনের বিষয়টি মিমাংসা করা হবে। আমি সায়েমকে আমার সাথে নিতে চাইলে চেয়ারম্যান বলে ‘সায়েম তার জিম্মায় থাকবে’। সেখান থেকে তাঁরা রাতেই সায়েমকে নিয়ে প্রাইভেটকারে দেবিদ্বার চলে আসে। প্রাইভেটকারে জায়গা না থাকায় আমি বাসে করে দেবিদ্বারে রওয়ানা হই। আমি কুমিল্লা ময়নামতি এলাকায় আসার পর রাত সাড়ে ১০টায় চেয়ারম্যান আমাকে ফোন দিয়ে জানায়, সায়েম চা খাওয়ার কথা বলে তাদের নিকট থেকে পালিয়ে গেছে। পরে রাত সোয়া ১টায় চেয়ারম্যান আবার ফোনে জানায় সায়েম খুবই অসুস্থ তাকে আমি ও আমার স্ত্রী দেবিদ্বার সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি, তুমি দ্রæত হাসপাতালে আসো। পরে আমি হাসপাতালে গিয়ে দেখি সায়েমের মরদেহ নিচে পড়ে আছে। মরদেহের চোখ-মুখ ফোলা, গলায় ও পিঠে অসংখ্য দাগ। পরে আমি থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে খোরশেদ চেয়ারম্যানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

    সায়েমের ছোট ভাই আবু কাউছার সরকার জানান, গত কয়েক বছর আগে আমার বড় ভাই ব্যবসায়ী কাজে টাকার প্রয়োজন হলে সাবেক চেয়ারম্যান খোরশেদ আলমের ছেলে মামুনের নিকট থেকে ১৫ লক্ষ টাকা নিয়ে যৌথ ব্যবসায় পার্টনার করে। বর্তমানে ব্যবসার অবস্থা কিছুটা অবনতি হলে ওই টাকার জন্য মামুন আমার ভাইকে চাপ সৃষ্টি করলে তাকে ৭ লক্ষ টাকা পরিশোধ করা হয় এবং বাকি টাকার জন্য একটি খালি চেক দেয়া হয়। পরে মামুন ওই চেক দিয়ে আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে দুটি মামলা করে। ওই মামলা চলমান থাকাবস্থায় মামুন ও তার বাবা আমার ভাইকে সন্ত্রাসী নিয়ে অপহরণ করে। রাতে সায়েম ভাই আমাকে ফোন দিয়ে বলেন আমার পিকাপভ্যানটি (যার নম্বার ১২-০৯৯৭) মামুনকে দিয়ে দিলে তাকে ছেড়ে দিবে। এই কথা শুনে আমি পিকআপ ভ্যানটি মামুনকে দিয়ে দেই। এরপরও আমার ভাইকে চেয়ারম্যান ও তার ছেলে সন্ত্রাসী নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। আমরা এ ঘটনায় খোরশেদ চেয়ারম্যান ও তার ছেলের ফাঁসি দাবি করছি।

    নিহত সায়েমের আইনজীবি এ্যাডভোকেট আলী আজম খান বলেন, আমাকে ফোনে জানায়, তাকে মামলার বাদি মামুন অপহরণ করেছে। আমি তাকে ৯৯৯ ফোন দিতে বলি। সে তার লোকেশন যাত্রাবাড়ি বউ বাজার এলাকার তরমুজ পট্টিতে আছে জানিয়ে লাইন কেটে দেয়। পরে আমি ৯৯৯ ফোন করে যাত্রাবাড়ী থানায় অপহরণের বিষয়টি জানাই।

    এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নয়ন মিয়া বলেন, সায়েম নিহতের ঘটনায় তার ছোট কাউছার সরকার বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। (মামলা নং ১২ তারিখ- ০৯-০৪-২৪)। অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সায়েমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে, মামলার তদন্ত চলছে।

  • কুমিল্লায় দরজা ভেঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    অনলাইন ডেস্ক:
    কুমিল্লায় ঘরের ভেতর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১০টার দিকে গৌরীপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের প্রবাসী মুজিব মিয়ার বাড়ি থেকে আমিনুল ইসলাম (৪৫) ও মালেকা (৪০) নামের ওই দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোঃ আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মারা যাওয়া আমিনুল ইসলাম তিতাস উপজেলার জগৎপুর ইউনিয়নের অম্বলপুর গ্রামের আব্দুল মান্নান মুন্সির ছেলে। মালেকা বেগম বুড়িচং উপজেলার সাদকপুর গ্রামের নোয়াব মিয়ার মেয়ে। স্থানীয় সূত্র বলছে, তাদের দুজনেরই এটা দ্বিতীয় বিয়ে এবং উভয়েরই পূর্বের সংসারে সন্তান রয়েছে।
    বাড়ির মালিক প্রবাসী মুজিবুর রহমানের স্ত্রী নার্গিস বেগম জানান, ছয় মাস আগে আমিনুল ইসলাম ও মালেকা বেগম স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে আমাদের বিল্ডিংয়ে সাবলেটে একটি রুম ভাড়া নেন। তারা সপ্তাহে প্রতি বৃহস্পতিবার বিকালে আসতেন, আবার শনিবার চলে যেতেন। প্রতিবারের মতো গত বৃহস্পতিবার তারা বাসায় এসে রুমে যাওয়ার পর থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দরজা খোলেনি। পরে লোকজনকে জানালে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙ্গে তাদের মৃত অবস্থায় দেখতে পায়।

    গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর ঘটনা উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত চলমান। দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

  • মুরাদনগর রামচন্দ্রপুর বাজারে ভয়াবহ আগুন, ১৫ দোকান পুড়ে ছাই!

    নাজিম উদ্দিন, মুরাদনগর:

    কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রামচন্দ্রপুর বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

    মঙ্গলবার রাত একটায় এই অগ্নিকাণ্ডের সুত্রপাত হয়। দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে ফায়ার সার্ভিস।

    ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানায়, রাত একটায় একটি স্বর্ণের দোকানে আগুন লাগে। ধীরে ধীরে সেই আগুন অন্যান্য দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকাণ্ডে সেখানে থাকা আরো ৫টি স্বর্ণের দোকান ও ছোট-বড় ৯টি বিভিন্ন দোকান পুড়ে গেছে।

    মুরাদনগর ফায়ারসার্ভিসের সাব অফিসার মো: শাহ আলম খান জানান, আমরা রাত ১টার দিকে আগুন লাগার সংবাদ পাই। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে গিয়ে একটি ইউনিট নিয়ে কাজ শুরু করি। প্রায় দেড়ঘন্টার প্রচেষ্টায় আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।’

    তিনি বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লাগতে পারে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।’

  • চান্দিনায় গোবর ফেলা নিয়ে বাকবিতণ্ডা : ভাইয়ের হাতে ভাই খুন !

    আবদুল্লাহ আল মারুফ, কুমিল্লা

    কুমিল্লার চান্দিনায় গরুর গোবর ফেলাকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাইকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৭ মার্চ) চান্দিনা আনিছ মোহাম্মদের বাড়িতে (আনিছা বাড়ি) এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত হানিফ মিয়া (৩৫) ওই এলাকার আনু মিয়ার ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় হানিফ। অভিযুক্ত আনিছ মিয়া নিহতের আপন ছোট ভাই।

    প্রত্যক্ষদর্শী হিমেল জানান, তাদের দুই ভাইয়ের পৃথক গরুর খামার রয়েছে। বাড়ির পাশে অন্যের খালি জায়গায় দুই ভাই দীর্ঘদিন যাবৎ গরুর গোবর ফেলে আসছে। বুধবার দুপুরে ওই স্থানে গোবর ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। চরম উত্তেজনার মধ্যে মেজ ভাই আনিছ মিয়া বড় ভাই হানিফ মিয়াকে মারধর করে। একপর্যায়ে তাকে কাঠের চোখা টুকরো দিয়ে আঘাত করলে চোখা অংশ হানিফ মিয়ার বাঁ চোখের ভেতর দিয়ে মাথায় ঢুকে যায়। এ সময় তাকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আরিফুর রহমান জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ ও মস্তিষ্কে আঘাতজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

    চান্দিনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনার পরপর হত্যাকারী পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থাসহ হত্যাকারীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’

  • কুমিল্লায় পরকীয়ার জেরে প্রবাসী স্বামীকে হত্যা: স্ত্রীসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    কুমিল্লার হোমনায় পরকীয়ার জেরে সৌদিপ্রবাসী মো. আবদুল জলিলকে হত্যার দায়ে স্ত্রী শাহনেওয়াজ বেগমসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার (২৭ মার্চ) কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন। রায় ঘোষণাকালে খালাসপ্রাপ্ত আসামি মো. শাহজাহান আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি পলাতক রয়েছেন।

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিরা হলেন- কুমিল্লার হোমনা উপজেলার কারারকান্দি গ্রামের মো. কুদ্দুস মিয়া (৩২), একই উপজেলার মঙ্গলকান্দি গ্রামের মাইক্রোবাস চালক আবদুল খালেক (২৮), একই উপজেলার কারারকান্দি গ্রামের মো. রাজিব (২৬) এবং নিহতের স্ত্রী মোসা. শাহনেওয়াজ বেগম। বেকসুর খালাস পাওয়া আসামি হলেন হোমনা উপজেলার গোয়ারী ভাঙ্গা গ্রামের হোমনা কাঁচাবাজার পাইপ ফিল্টার টিউবওয়েল ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান (৪২)।

    মামলার বিবরণে জানা যায়, আসামি মো. শাহজাহানের সাথে নিহতের স্ত্রী শাহনেওয়াজ বেগমের পরকীয়া প্রেম ছিল। এর জের ধরে আসামিরা সৌদিপ্রবাসী মো. আবদুল জলিলকে (৪৫) ঢাকায় চিকিৎসা করানোর কথা বলে নিয়ে যায়। ২০১৩ সালের ৯ জুন হতে ১০ জুন যেকোনো সময়ে হোমনা উপজেলার বাহেরখোলা গ্রামের কেরার মাজার সংলগ্ন স্থানে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। বাদী তার বড়ভাই জলিলের লাশ শনাক্ত করেন।
    এ ব্যাপারে নিহতের ছোটভাই হোমনা উপজেলার চেৎপুর গ্রামের মৃত সুলতান মিয়ার ছেলে মো. তাইজুল ইসলাম (৩৫) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হোমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আব্দুল আল বাকি তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি কুদ্দুছ, আ. খালেক, রাজিব ও মূল পরিকল্পনাকারী নিহতের স্ত্রী শাহনেওয়াজকে গ্রেপ্তার করেন। ২০১৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আসামি রাজিব, শাহনেওয়াজ ও আ. খালেকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা করে আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে রায় দেন আদালত।

    এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট মো. আবু ইউসুফ বলেন, আমরা আশা করছি উচ্চআদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত রায় বাস্তবায়ন করবেন।অপরদিকে আসামি পক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট মো. আ হ ম তাইফুর আলম বলেন, রায়ের কপি হাতে পেলে উচ্চআদালতে আপিল করব।

  • মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার; এখনও নিখোঁজ বাবা ছেলে, কুমিল্লার বাড়িতে শোকের মাতম!

     অনলাইন ডেস্ক: 

    কিশোরগঞ্জের ভৈরবের মেঘনা নদীতে গতকাল সন্ধ্যায় বাল্কহেডের ধাক্কায় নৌকাডুবির ঘটনায় আরও দুজনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। এ নিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হলো। 

    আজ শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। তারা দু’জন হল- কনস্টেবলের স্ত্রী মৌসুমি ও তার মেয়ে মাহমুদা। তথ্যটি জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. রাসেল শেখ।

    ঘটনার সময়ই অজ্ঞাত হিসেবে উদ্ধার হওয়া এক নারীর পরিচয় আজ শনিবার পাওয়া গেছে। তিনি ভৈরবের কমলপুরের সুবর্ণা (৪০)। এ তথ্য জানিয়েছেন ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বুলবুল আহমেদ। 

    আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ ছিলেন ৮ জন। তারা হলেন- ভৈরবের আমলা পাড়ার ঝন্টু দের স্ত্রী রুপা দে (৩০), টুটন দের ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে মেঘলা দে আরাধ্যা (১১) ও ঝুটন দের ভগ্নিপতি কটিয়াদী উপজেলার মানিকখালী এলাকার বেলন দে (৩৫), ভৈরব হাইওয়ে থানার কনস্টেবল কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামের সোহেল রানা (৩০), স্ত্রী মৌসুমী (২৫), মেয়ে মাহমুদা (৭), ছেলে রাইসুল (৫) ও নরসিংদীর বেলাব উপজেলার দাড়িয়াকান্দি গ্রামের দারু মিয়ার মেয়ে আনিকা ইসলাম। 

    আনিকা এবার নরসিংদী মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন তার বাবা দারু মিয়া। তবে আজ দুপুর সোয়া ১টার দিকে দুজনের লাশ উদ্ধার হওয়ায় আরও ৬ জন নিখোঁজ আছেন।  

    ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজু মিয়া জানিয়েছেন, সোহেল রানার ভাগনি মারিয়া বেড়াতে চেয়েছিল। যে কারণে সোহেল রাণা সপরিবারে শুক্রবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের সোনারচর দ্বীপ গ্রাম দেখতে গিয়েছিলেন। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তাদের নৌকাকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর কাছে পেছন দিক থেকে বালু বোঝাই একটি বাল্কহেড ধাক্কা দিলে নৌকাটি উল্টে যায়। এ সময় মারিয়া রক্ষা পেলেও তার মামাসহ অপর তিনজন তলিয়ে যান। 

    এদিকে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডিএডি মো. এনামুল হক জানিয়েছেন, ৫ জন ডুবুরি কাজ করছেন। নদী অনেক গভীর। নীচের দিকে প্রচণ্ড স্রোতের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

  • ভৈরবে ট্রলারডুবি: কুমিল্লার পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানাসহ স্ত্রী ও দুই সন্তান নিখোঁজ!

    মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

    ভৈরবে ট্রলার ডুবির ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৬ জন। এর মধ্যে ভৈরব হাইওয়ে থানার কনস্টেবল সোহেল রানা, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছেন। তাদের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামে। উদ্ধার কাজ চলমান থাকলেও এখন পর্যন্ত তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

    ফতেহাবাদ গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে সোহেল রানা ২০১১ সালে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পান। ট্রলারডুবির খবরে সোহেলের পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মধ্যে আহাজারি চলছে।

    দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ১নং ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল সোহেলের বাবা, মা ও পরিবারের সদস্যরা ভৈরবে ছুটে যান। ছেলে ও তার পরিবারের সদস্যদের না পেয়ে তারা বার বার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছেন। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সোহেল রানার পরিবারের কারও মরদেহ পাওয়া যায়নি বলে জানতে পেরেছি।

    ভৈরব নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, নিখোঁজদের মধ্যে ভৈরব হাইওয়ে থানার কনস্টেবল সোহেল রানা (৩৫), তার স্ত্রী মৌসুমি (২৫), মেয়ে মাহমুদা (৭) ও ছেলে রাইসুল (৫) রয়েছেন। নৌপুলিশ তাদের উদ্ধারে কাজ করছে।

    উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে ভৈরব সেতু এলাকা মেঘনা নদীর পাড় থেকে একটি নৌকা নিয়ে ১৬ জন যাত্রী আশুগঞ্জ সোনারামপুর চরে ঘুরতে যায়। সেখান থেকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভৈরবে ফেরার পথে মাঝ নদীতে নৌকাটিকে একটি বাল্কহেড ধাক্কা দেয়। এতে নৌকাটি ডুবে যায়। এসময় স্থানীয় লোকজন ও নৌ পুলিশ ৯-১০ জনকে উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে এক নারীকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তোফাজ্জল হক (২২) নামের এক যুবককে আহত অবস্থায় ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। এসময় রুবা নামের এক ছাত্রী ও পুলিশ কনস্টেবলের ভাগনেসহ কয়েকজন সাঁতরে পারে উঠলেও বাকিরা নিখোঁজ রয়েছেন।

    ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজু মিয়া জানান, ঘটনার পর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশ নদীতে ট্রলারটি উদ্ধারে চেষ্টা করছে। কিন্তু অন্ধকার থাকায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হয়।

  • কুমিল্লায় সিগারেট বাকিতে না দেওয়ায় খুন, মূলহোতা গ্রেপ্তার

    মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা
    কুমিল্লার তিতাসে বাকিতে সিগারেট না দেওয়ায় মানিক (৩২) নামে এক দোকানিকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২২ মার্চ) দুপুরে নিহত মানিকের বাবা মো. মোখলেছুর রহমান বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে তিতাস থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় পুলিশ মানিক হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা বাহাউদ্দিনকে উপজেলার জগতপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

    গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় দোকানি মানিককে খুন করেন বাহাউদ্দিন ও জালাল উদ্দীন নামে ধূমপায়ী দুই সহোদর। উপজেলা কানাইনগর গ্রামের ভুঁইয়াবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক ওই গ্রামের মো. মোখলেস ভুঁইয়ার ছেলে।

    গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কান্তি দাস জানান, মানিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাঁর বাবা বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূলহোতা বাহাউদ্দিনকে আমরা জগতপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে তিনি স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেন। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    নিহত মানিকের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার বলেন, প্রতিবেশী ভুঁইয়াবাড়ির নায়েব আলীর ছেলে বাহাউদ্দীন আমার স্বামীর কাছে সিগারেট বাকি চান। কিন্তু দোকানে সিগারেট না থাকায়, আমার স্বামী বলেন সিগারেট নাই। এতে বাহাউদ্দীন ক্ষিপ্ত হয়ে আমার স্বামীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতি করে ঘরে চলে যান। তারপর বাহাউদ্দীন ঘর থেকে তাঁর বাবার সামনেই দা হাতে, তাঁর আপন ভাই জালাল উদ্দীনকে সঙ্গে করে নিয়ে এসে আমার স্বামীকে কোপাতে এলে প্রতিবেশীদের বাধার মুখে তাঁরা দুই ভাই আবারও ঘরে গিয়ে ছুরি নিয়ে আসেন। এরপর আমাদের বাড়ির অন্যদিক দিয়ে ঘুরে এসে দোকানে ঢুকে আমার স্বামীকে জাবড়ে ধরে আর তার ভাই বাহাউদ্দীন গলায় ছুরি মেরে হত্যা করে। এর আগেও তারা বাকি নিয়ে অনেক টাকা জমিয়েছে, আর সেই টাকা চাইতে গেলে কয়েকবার আমার স্বামীকে মারধর করেছে।

    পরে মুমূর্ষু অবস্থায় মানিককে উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। এরপর তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মানিক মারা যান।

  • কুমিল্লায় বাকিতে সিগারেট না দেওয়ায় দোকানিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

    কুমিল্লার তিতাসে বাকিতে সিগারেট না দেওয়ায় তিন সন্তানের জনক মানিক (৩২) নামে এক দোকানিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে বাহাউদ্দিন ও জালাল উদ্দীন নামের দুই ধূমপায়ী সহোদর।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় উপজেলা কানাইনগর গ্রামের ভুইয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক ওই গ্রামের মো. মোখলেস ভুঁইয়ার ছেলে।

    নিহত মানিকের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার বলেন, ‘প্রতিবেশী ভুঁইয়া বাড়ির নায়েব আলীর ছেলে বাহাউদ্দীন আমার স্বামী মানিকের কাছে সিগারেট বাকি চায়। কিন্তু দোকানে সিগারেট না থাকায়, আমার স্বামী বলেন সিগারেট নাই। এতে বাহাউদ্দীন ক্ষিপ্ত হয়ে আমার স্বামীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতি করে ঘরে চলে যায়। তারপর বাহাউদ্দীন ঘর থেকে তার বাবা মোখলেসের সামনেই দা হাতে, তার আপন ভাই জালাল উদ্দীনকে সঙ্গে নিয়ে এসে আমার স্বামীকে কোপাতে আসে। এ সময় প্রতিবেশীদের বাধার মুখে তারা দুই ভাই আবারও ঘরে গিয়ে ছুরি নিয়ে এসে, আমাদের বাড়ির অন্যদিক দিয়ে ঘুরে এসে দোকানে ঢুকে জালালউদ্দীন আমার স্বামী মানিককে জাবড়ে ধরে আর তার ভাই বাহাউদ্দীন গলায় ছুরি ছুরি মেরে হত্যা করে। এর আগেও তারা বাকি নিয়ে অনেক টাকা জমিয়েছে, আর সেই টাকা চাইতে গেলে কয়েকবার আমার স্বামীকে মারধর করেছে।’

    মুমূর্ষু অবস্থায় মানিককে উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। পথিমধ্যে মানিকের মৃত্যু হয়।

    এ ব্যাপারে তিতাস থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাঞ্চন কান্তি দাস বলেন, ‘আমরা শুনেছি সিগারেট বাকি না দেওয়ায় মানিক নামের এক দোকানিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি, খুনিদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

  • চান্দিনায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা

    (আকিবুল ইসলাম হারেছ, চান্দিনা)

    ভোট বর্জন এবং সরকারকে অসহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে ঢাকাসহ সারা দেশে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর রোববার সকাল-সন্ধ্যা অবরোধ কর্মসূচির আগের রাতে কুমিল্লার চান্দিনায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

    শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিনগত রাত সাড়ে ৩টার সময় চান্দিনা-বাগুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মেডিনোভা হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় চান্দিনা ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে বাসের ভিতরের অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

    পুলিশ জানায়, গতকাল শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা-বাগুর বাস স্টেশনের পাশে তিশা পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এসময় বাসের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা হেলপার টের পেয়ে বাসের মালিককে খবর দেয়। পরে বাস মালিকের মাধ্যমে খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ, থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

    চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার অনয় কুমার ঘোষ জানান, রাতে ৯৯৯ এ কল পেয়ে ইউনিট নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসের আগুন নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। বাসের সিট, জানালার গ্যাস ও সিলিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

    ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ইন-চার্জ (ইন্সপেক্টর) মঞ্জুরুল আলম মোল্লা জানান, বাসের একটি জানালা খোলা থাকায় ওই দিক দিয়ে দুর্বৃত্তরা আগুন লাগিয়ে দেয়। বাসের হেলপার দুইজন কে পালিয়ে যেতে দেখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।