Category: অন্যান্য

  • বিয়ের আগে যে বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা উচিত !

    অনলাইন ডেস্ক:

    বিয়ের আগে সবাই প্রস্তুতি নেয়। এটা একটা বড় ঝক্কি, এটি মোটেই ছোট বিষয় নয়। শপিং থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেওয়া- নানা দিকেই খেয়াল রাখতে হয়। তবে এ সবের মাঝে নিজের জন্যও কিছুটা সময় বার করে নিন। আর বিয়ের আগে এড়িয়ে চলুন বেশ কয়েকটি বিষয়।

    জেনে নিন বিয়ের আগে কী কী বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা উচিত-

    ১. চোখের নীচে কালির প্রলেপ। ফোলা ফোলা চোখ। বিয়ের অ্যালবামে নিশ্চয়ই এমন ছবি দেখতে চাইবেন না। তাই বিয়ের কয়েকটা দিন অন্তত লেট নাইট পার্টিকে গুডবাই বলুন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করুন।

    ২. শুধুমাত্র শপিংই নয়, বিয়ের আগে ডায়েটের দিকেও কড়া নজর রাখুন। খুব স্পাইসি বা অয়েলি ফুড এড়িয়ে চলুন। এ ধরনের খাবার খেলে অতিরিক্ত ঘাম বা মাথাধরার মতো সমস্যা হতে পারে। তাই বিয়ের আগে যতটা সম্ভব হাল্কা, কম তেলযুক্ত খাবার রাখুন নিজের ডায়েটে। সেই সঙ্গে ফ্রেশ দেখাতে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করুন।

    ৩. বিয়ের আগের কয়েকটা দিন অন্তত নতুন কোনো স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহারের ঝুঁকি নেবেন না। নতুন কোনো ফেস ক্রিম বা মাস্কারা ব্যবহার করতে গিয়ে তার ফল উল্টো হতে পারে। তা আপনার স্কিন টাইপের পক্ষে স্যুটেবল না-ও হতে পারে।

    ৪. বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে জমায়েত হলেই অতিরিক্ত অ্যালকোহল বা ধূমপান করার দিকে ঝুঁকে পড়েন? বিয়ের আগের কয়েক দিন অন্তত এই অভ্যাস পাল্টে ফেলুন। অ্যালকোহল ইনটেক একটু কমান। কমিয়ে দিন ধূমপান করাও। সঙ্গে কমিয়ে দিন ঠান্ডা পানীয় খাওয়ার ঝোঁকও। দেখবেন, বিয়ের দিনে আপনার শরীর-মন কতটা ঝরঝরে থাকে!

    ৫. বিয়ের আগে যতটা পারবেন নিজে ড্রাইভিং করা এড়িয়ে চলুন। এই সময় এক রাশ চিন্তা-ভাবনা আসাটা স্বাভাবিক। ফলে নিশ্চিন্তে ড্রাইভিং করা সম্ভব না-ও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ড্রাইভারের হাতে নিজের গাড়ির স্টিয়ারিং ছেড়ে দিন।

    ৬. বিয়ের ঠিক আগেই নতুন কোনো হেয়ার স্টাইল বা ফেসিয়াল করাবেন না। একান্তই যদি হেয়ার স্টাইল পাল্টাতে চান তবে তা অন্তত দু’সপ্তাহ আগে করিয়ে নিন। এতে আপনার চুলে একটা ন্যাচারাল লুক আসবে। পাশাপাশি, ফেসিয়ালও সেরে ফেলুন মাস দুয়েক আগে। এতে বিয়ের দিনে অন্তত আপনার মুখের লাল লাল ভাবটা আর থাকবে না।

    ৭. বিয়ের আগে মেকআপ বা ডায়েটের খেয়াল রাখার পাশাপাশি নিজের দাঁতেরও যত্ন নিন। কফি, রেড ওয়াইন, ব্লুবেরি, অ্যাসিডিক ফুড, ব্ল্যাক টি বা টোব্যাকো প্রোডাক্ট থেকে দূরে থাকুন। এতে দাঁত ঝকঝকে সাদা থাকবে।

  • বিয়ের আগে যে বিষয়গুলো এগিয়ে চলা উচিত !

    অনলাইন ডেস্ক:

    বিয়ের আগে সবাই প্রস্তুতি নেয়। এটা একটা বড় ঝক্কি, এটি মোটেই ছোট বিষয় নয়। শপিং থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেওয়া- নানা দিকেই খেয়াল রাখতে হয়। তবে এ সবের মাঝে নিজের জন্যও কিছুটা সময় বার করে নিন। আর বিয়ের আগে এড়িয়ে চলুন বেশ কয়েকটি বিষয়।

    জেনে নিন বিয়ের আগে কী কী বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা উচিত-

    ১. চোখের নীচে কালির প্রলেপ। ফোলা ফোলা চোখ। বিয়ের অ্যালবামে নিশ্চয়ই এমন ছবি দেখতে চাইবেন না। তাই বিয়ের কয়েকটা দিন অন্তত লেট নাইট পার্টিকে গুডবাই বলুন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করুন।

    ২. শুধুমাত্র শপিংই নয়, বিয়ের আগে ডায়েটের দিকেও কড়া নজর রাখুন। খুব স্পাইসি বা অয়েলি ফুড এড়িয়ে চলুন। এ ধরনের খাবার খেলে অতিরিক্ত ঘাম বা মাথাধরার মতো সমস্যা হতে পারে। তাই বিয়ের আগে যতটা সম্ভব হাল্কা, কম তেলযুক্ত খাবার রাখুন নিজের ডায়েটে। সেই সঙ্গে ফ্রেশ দেখাতে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করুন।

    ৩. বিয়ের আগের কয়েকটা দিন অন্তত নতুন কোনো স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহারের ঝুঁকি নেবেন না। নতুন কোনো ফেস ক্রিম বা মাস্কারা ব্যবহার করতে গিয়ে তার ফল উল্টো হতে পারে। তা আপনার স্কিন টাইপের পক্ষে স্যুটেবল না-ও হতে পারে।

    ৪. বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে জমায়েত হলেই অতিরিক্ত অ্যালকোহল বা ধূমপান করার দিকে ঝুঁকে পড়েন? বিয়ের আগের কয়েক দিন অন্তত এই অভ্যাস পাল্টে ফেলুন। অ্যালকোহল ইনটেক একটু কমান। কমিয়ে দিন ধূমপান করাও। সঙ্গে কমিয়ে দিন ঠান্ডা পানীয় খাওয়ার ঝোঁকও। দেখবেন, বিয়ের দিনে আপনার শরীর-মন কতটা ঝরঝরে থাকে!

    ৫. বিয়ের আগে যতটা পারবেন নিজে ড্রাইভিং করা এড়িয়ে চলুন। এই সময় এক রাশ চিন্তা-ভাবনা আসাটা স্বাভাবিক। ফলে নিশ্চিন্তে ড্রাইভিং করা সম্ভব না-ও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ড্রাইভারের হাতে নিজের গাড়ির স্টিয়ারিং ছেড়ে দিন।

    ৬. বিয়ের ঠিক আগেই নতুন কোনো হেয়ার স্টাইল বা ফেসিয়াল করাবেন না। একান্তই যদি হেয়ার স্টাইল পাল্টাতে চান তবে তা অন্তত দু’সপ্তাহ আগে করিয়ে নিন। এতে আপনার চুলে একটা ন্যাচারাল লুক আসবে। পাশাপাশি, ফেসিয়ালও সেরে ফেলুন মাস দুয়েক আগে। এতে বিয়ের দিনে অন্তত আপনার মুখের লাল লাল ভাবটা আর থাকবে না।

    ৭. বিয়ের আগে মেকআপ বা ডায়েটের খেয়াল রাখার পাশাপাশি নিজের দাঁতেরও যত্ন নিন। কফি, রেড ওয়াইন, ব্লুবেরি, অ্যাসিডিক ফুড, ব্ল্যাক টি বা টোব্যাকো প্রোডাক্ট থেকে দূরে থাকুন। এতে দাঁত ঝকঝকে সাদা থাকবে।

  • ফেসবুকে ভারতীয় তরুণীর অদ্ভুত কাণ্ড ‘ডেটিং অ্যাপ’ আনলেন জাকারবার্গ!

    অনলাইন ডেস্ক:
    ভারতের কেরালার মেয়ে জ্যোতি কে জি। এই তরুণী সপ্তাহ দুয়েক আগে এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটিয়ে ছিলেন। তা হলো- ২৮ বছরের এই তরুণী ‘ফেসবুক অ্যাকাউন্টে’ নিজেই নিজের বিয়ের বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন।

    মালয়লি/মালায়ালাম ভাষায় লেখা নিজের বিয়ের বিজ্ঞাপনে জ্যোতি লিখেছিলেন, ‘আমি অবিবাহিত, আমার বন্ধুবান্ধব যদি কাউকে চেনেন, তাহলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন। আমার কোনো দাবি নেই। জাত ও কুণ্ডলী বিচারে কোনো আগ্রহ নেই। আমার বাবা-মা গত হয়েছেন (মারা গেছেন)। ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে স্নাতক পাস করেছি। আমার বয়স ২৮ বছর। আমার ভাই মুম্বাইয়ে কর্মরত ও ছোট বোন পড়াশোনা করছে। আমার ঠিকানা…।’

    ফেসবুকে এই অভিনব কায়দায় বিজ্ঞাপন দেয়ার পরে অসংখ্য বিয়ের প্রস্তাব পান জ্যোতি। অনেকে তাকে শুভেচ্ছাও জানান। গত ২৬ এপ্রিল জ্যোতির ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা সেই বিয়ের বিজ্ঞাপনটিতে ইতোমধ্যে ১১ হাজারের বেশি লাইক পড়েছে। এবং ৬ হাজারেরও বেশি বার শেয়ার হয়েছে।

    #FacebookMatrimony #FBMatrimony দিয়ে নিজের বিয়ের বিজ্ঞাপনটি পোস্ট করার পাশাপাশি, ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গকেও একটি বার্তা পাঠান কেরালার মেয়ে জ্যোতি কে জি।জ্যোতির ইংরেজিতে লেখা সেই বার্তায় তিনি মার্ক জাকারবার্গ ও তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যানকে অনুরোধ করেন ফেসবুকে ‘ম্যাট্রিমোনিয়াল সার্ভিস’ শুরু করার।

    জ্যোতির ভাষ্য, এমন টা হলে তার মতো অনেকেই খুব উপকৃত হবেন বলে মনে করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত ১ মে এক সম্মেলনে ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ ঘোষণা করেন একটি ডেটিং অ্যাপের কথা, যা খুব শিগগিরই লঞ্চ হবে ফেসবুকে।

    ফেসবুক কর্তার কথায়, এই অ্যাপের লক্ষ্য হবে ‘রিয়্যাল লং-টার্ম’ সম্পর্ক গড়ে তোলা। প্রচলিত ডেটিং অ্যাপ ‘টিন্ডার’-এর মতো বেশ কিছু ফিচার থাকবে ফেসবুকের এই নতুন ডেটিং অ্যাপে।এর আগে, ২০১৭ সালে এমনই একটি বিয়ের বিজ্ঞাপন ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন কেরালারই রঞ্জিশ মঞ্জরী নামে একজন ব্যক্তি। আর আনন্দের খবর হলো- চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই তার বিয়ে হয়েছে বলে জানা যায়।

  • বিয়ের আগে জীবনসঙ্গীকে যে প্রশ্নগুলো করবেন

    অনলাইন ডেস্ক:
    অবিবাহিত নারী ও পুরুষদের বিয়ে নিয়ে কতই না কৌতূহল। জীবনসঙ্গী কেমন হবে,তার মনের কথা বুঝবে কি না বা সারাজীবন এক ছাদের নিচে পার করতে পারবে কি না। বিয়ের আগে এসব প্রশ্নের শেষ নেই। তবে একে অপরের পছন্দ-অপছন্দ সব কিছু আগে জানা থাকলে কিন্তু বিয়ে-পরবর্তী জটিলতা অনেকটাই মুক্ত থাকা যায়। তার জন্য সঙ্গীর সঙ্গে আগাম কিছু আলোচনা করা জরুরি।

    আসুন জেনে বিয়ের আগে সঙ্গীকে যে প্রশ্নগুলো অবশ্যই করবেন

    আর্থিক সচ্ছলতা

    পার্টনারের আর্থিক সচ্ছলতার দিকে খেয়াল থাকা উচিত প্রত্যেকের। তিনি কত মাইনে পান? বা তার কোনও বড় ব্যাংকঋণ রয়েছে কি না? এসব জানতে ভুলবেন না।

    আলোচনা হবে খোলামেলা

    বিয়ের অন্যতম বিষয় হচ্ছে যৌনজীবন। এটি সংসারজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই সঙ্গীর সঙ্গে এ বিষয়ে খোলাখুলি আলোচনা করে নিন। তবে এক্ষেত্রে লজ্জা ও সংকোচ হতে পারে। তবে সংকোচ না রেখে খোলামেলা আলোচনা করা ভলো।

    সন্তান

    তিনি কি সন্তান ভালোবাসেন? ভীষণ রেগে গেলে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণে আনেন? বা সম্পর্কের অবনতি হলে বা কোনও রকম ভুলবোঝাবুঝি হলে সেই সমস্যার সমাধান করবেন? সবচেয়ে বড় কথা, শুধু নিজে খুশি থাকা নয়, সম্পর্ক ঠিক রাখতে একে অপরকে খুশি রাখাটাও অনেক বেশি জরুরি।

    অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি মোকাবেলা

    জীবনে ওঠাপড়া থাকবেই। তা মোকাবিলা করার ক্ষমতা প্রতিটা মানুষের আলাদা। কেউ খুব সাবলীলভাবে মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়ান, তো কেউ জীবন থেকেই হার মেনে নেন। সঙ্গী প্রশ্ন করুন, তেমন পরিস্থিতির মোকাবিলা ঠিক করবেন তিনি?

    পরিবারিক দায়বদ্ধতা

    আপনার সঙ্গীর মনের বাসনা কি? পরিবারের উপর দায়বদ্ধতা যদি মুক্তি দেয়া হয়, তাহলে তিনি বর্তমান চাকরি ছেড়ে অন্য কী পেশা বেছে নেবেন? এগুলো জেনে নিন এবং নিজের সুপ্ত ইচ্ছার কথাও তাকে জানান। দুজনের এই সুপ্ত ইচ্ছা পাশাপাশি রেখে ভবিষ্যতে ইচ্ছাপূরণের সুযোগ যাতে আপনারা মানিয়ে নিতে পারেন।