Category: অন্যান্য

  • আলোচিত হেফাজত নেতা মামুনুল হক ৭ দিনের রিমান্ডে

    অনলাইন ডেস্ক:
    রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে করা মামলায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হকের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    সোমবার (১৯ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৩৩ মিনিটের দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী শুনানি শেষে রিমান্ডের এ আদেশ দেন। আদালতে সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    সূ্ত্র জানায়, মোহাম্মদপুর থানার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক (এসআই) সাজেদুল হক হেফাজত নেতা মামুনুলকে আদালতে হাজির করেন। একই সঙ্গে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এসময় আসামি মামুনুলের পক্ষে আইনজীবী সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেজবাহ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ডের এ আদেশ।

    এর আগে, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে বেলা ১১টা ৮ মিনিটে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাকে আদালতের হাজত খানায় রাখা হয়।

    মোহাম্মদপুর থানার এ মামলায় মারধর, হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাতে গুরুতর জখম, চুরি, হুমকি ও ধর্মীয় কাজে ইচ্ছাকৃতভাবে গোলযোগের অভিযোগ এনে স্থানীয় এক ব্যক্তি মামুনুলের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করেন।

    এর আগে রোববার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) হারুন-অর-রশিদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে গ্রেপ্তারের পর তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনারের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। আপাতত মোহাম্মদপুর থানার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। অন্য মামলার বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    গত এক মাস ধরে ব্যক্তিগত জীবন আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের বিরোধিতা করে হেফাজতের আন্দোলনসহ নানা কারণে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন মাওলানা মামুনুল হক।

    নরেন্দ্র মোদির সফরের সময় ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত সহিংসতায় দেশে ১৭ জনের মৃত্যু হয়। এসব সহিংসতার ঘটনায় সারাদেশে প্রায় অর্ধশতাধিক মামলা হয়েছে। মামুনুলকে এসব ঘটনার মূল ইন্ধনদাতা হিসেবে মনে করছে পুলিশ।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা যায়, ২৬ মার্চ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সহিংসতার ঘটনায় গত ৫ এপ্রিল হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ১৭ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় ২ হাজার ব্যক্তিকে অজ্ঞাতনামা আসামিও করা হয়। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উপ-দফতর সম্পাদক খন্দকার আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলাটি করেন।

  • করোনা আক্রান্ত খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে

    অনলাইন ডেস্ক:

    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সিটি স্ক্যান করাতে বসুন্ধরার আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাত সোয়া ৯টার দিকে গুলশানের ফিরোজা বাসভবন থেকে গোল্ডেন কালারের একটি প্রাইভেট কারে করে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। খালেদা জিয়াকে গাড়ির পেছনের সিটে বাম পাশে মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় দেখা যায়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি হাসপাতালে পৌঁছান।

    সিটি স্ক্যান রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে তার পরবর্তী চিকিৎসা। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করাও লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

    খালেদা জিয়ার চিকিৎসক টিমের প্রধান অধ্যাপক ডাক্তার এফ এম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার বিকালে তিন চিকিৎসকের একটি প্রতিনিধি দল গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবনে গিয়ে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। পরে তারা জানান সিটি স্ক্যান করা হবে।

    এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো আছেন। কোভিডের দ্বিতীয় সপ্তাহে সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। ম্যাডামের এখন দ্বিতীয় সপ্তাহ চলে। গত তিন দিনে উনার যে রিপোর্ট করা হয়েছে সেগুলো ভালো আছে। এখন উনার দ্রুত একটা সিটি স্ক্যান করতে হবে।’

    বেগম জিয়াকে কি বাসায় রেখেই চিকিৎসা হবে না কি হাসপাতালে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কোভিডের সময় আসলে আগে থেকে বলা যাবে না কখন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। খুব দ্রুত সিটি স্ক্যান রিপোর্টের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে হসপিটাল না বাসায় কোথায় চিকিৎসা করাতে হবে।’

    এভার কেয়ার হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার জানিয়েছেন, সিটি স্ক্যান রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার হাসপাতালে থাকা না থাকা। এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে তারা সবকিছু প্রস্তুত রেখেছেন বলে জানান ম্যানেজার।

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসাবে গত ১০ এপ্রিল নমুনা দেন। রাতেই ফল পজিটিভ আসে। করোনায় আক্রান্ত তার বাসার অন্তত আরো আটজন ।

    করোনায় আক্রান্ত হলেও খালেদা জিয়ার জ্বর, গলাব্যথা, কাশি, শ্বাসকষ্ট কোনো উপসর্গ নেই। তার চিকিৎসার তদারকিতে রয়েছেন লন্ডনে অবস্থান করা পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান। দেশ-বিদেশের চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে তিনি খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

  • ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউনেও চলবে শিল্প কারখানা

    অনলাইন ডেস্ক:
    করোনাভাইরাসের লাগাম টানতে ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে বাংলাদেশ। লকডাউনের এ সময়ে শিল্প কারখানা চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

    রোববার (১১ এপ্রিল) বিকালে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ দাবি করেন তিনি।

    মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ১৪ এপ্রিল থেকে সম্পূর্ণ লকডাউন হলেও শিল্প কারখানা চলবে। মন্ত্রী পরিষদ সচিব আমাদের নিশ্চিত করেছেন। লকডাউনে শিল্প কারখানা ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এ ছাড়া ব্যাংক বন্ধ থাকতে পারে। তাতে আমদানি রপ্তানিতে সমস্যা হবে। এ বিষয়েও পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব।

    বৈঠকে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম ও নবনির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান, নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী অংশ নেন।

    এর আগে দুপুরে লকডাউনে পোশাক ও বস্ত্র কারখানা খোলা রাখার দাবি জানায় পোশাক খাতের চার সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ ও ইএবি।

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় সরকার সারা দেশে এক সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে গত ৪ এপ্রিল। গত সোমবার সকাল ৬টা থেকে ‘লকডাউন’ শুরু হয়। এক সপ্তাহের ঢিলেঢালা ‘লকডাউন’ শেষ হচ্ছে আজ।

    তবে শুরু থেকেই লকডাউন প্রত্যাহারের দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা।‘লকডাউনে’ গণপরিবহন ও শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হলেও গত বুধবার শর্তসাপেক্ষে সরকার গণপরিবহনে চলাচলের অনুমোদন দেয় সরকার। আর শুক্রবার থেকে শপিংমল ও দোকানপাটও খোলা হয়।আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারা দেশে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।রোববার সকালে রাজধানীর সংসদ ভবনের বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

  • চলমান লকডাউন থাকবে ১৩ তারিখ পর্যন্ত: ১৪ তারিখ থেকে সর্বাত্মক লকডাউন

    অনলাইন ডেস্ক:
    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, ‘চলমান লকডাউন আজ শেষ হচ্ছে না। চলবে আগামী মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) পর্যন্ত। আর ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হবে অপেক্ষাকৃত কঠোর ও সর্বাত্মক লকডাউন।’

    রবিবার (১১ এপ্রিল) অনলাইন ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।

    ১২ ও ১৩ এপ্রিল তাহলে কী হবে– জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রথম ধাপের চলমান লকডাউনের ধারাবাহিকতা থাকবে ১২ ও ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত।’

  • শুক্রবার থেকে শপিংমল ও দোকানপাট খোলার ঘোষণা

    অনলাইন ডেস্ক:

    স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামীকাল শুক্রবার থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত শপিংমল ও দোকানপাট খোলার ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
    বৃহস্পতিবার দুপুরে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলে হয়, শপিংমল ও দোকানপাটে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু

    কোভিড ১৯-এর ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন কার্যক্রম। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানীসহ সারা দেশের টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে এ কর্মসূচির শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে এই ডোজ পাবেন ৩১ হাজার ১৬০ জন। একই সঙ্গে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম চলবে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম জানান, যাঁরা ২৭ ও ২৮ জানুয়ারি এবং ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন তাঁদের কারো কাছে কোনো কারণে এসএমএস না গেলেও আগের নির্ধারিত কেন্দ্রে টিকা কার্ড নিয়ে গিয়ে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দিতে পারবেন। তিনি জানান, একই সঙ্গে যথারীতি টিকার প্রথম ডোজও চলতে থাকবে।

    এদিকে অধিদপ্তরের পরিচালক (টিকাদান) ডা. শামসুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, এ পর্যন্ত ৫৫ লাখ মানুষকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে, দেশে মোট টিকা এসেছে এক কোটি দুই লাখ ডোজ। হাতে আছে ৪৭ লাখ ডোজ। আট লাখের ঘাটতি রয়েছে।

    এদিকে টিকা গ্রহণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জনসাধারণের উদ্দেশে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়,
    ১. বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) থেকে এসএমএস পাওয়া সাপেক্ষে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে।

    ২. যারা যোগ্য হবেন তাদের মোবাইল ফোনে এসএমএস চলে যাবে,
    যাদের ভ্যাকসিন দেওয়ার পর দুই মাস অতিবাহিত হয়েছে কিন্তু এসএমএস পাননি তারা অবশ্যই টিকা কার্ড এবং টিকা কার্ডের ফটোকপি নিয়ে টিকা কেন্দ্রে আসবেন।
    ৩. দ্বিতীয় ডোজের জন্য আগত সবাইকে টিকা কার্ড এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে আসতে হবে। কারও টিকা কার্ড হারিয়ে গেলে কিংবা কোনও কারণে নষ্ট হয়ে গেলে অনলাইন থেকে পুনরায় কার্ড ওঠানো যাবে।

    ৪. দুই মাস পূরণের আগে ২য় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না, তবে পরে নেওয়া যাবে (১২ সপ্তাহ পর্যন্ত)।

    ৫. রেজিস্ট্রেশনকৃত হজ যাত্রীদের বয়স ১৮ বছরের বেশি হলেই রেজিস্ট্রেশন করে ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। (এমন হজযাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার। তাদের দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করে ভ্যাকসিন নিতে বলা হয়েছে। সৌদি আরবের হজ কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, ভ্যাকসিন গ্রহণের প্রমাণপত্র ছাড়া এবছর হজে অংশ নিতে দেওয়া হবে না)।

    ৬. প্রথম ডোজের টিকা দেওয়ার কর্মসূচি আগের মতোই এমনকি রমজান মাসেও অব্যাহত থাকবে তাই প্রথম ডোজের টিকা নেওয়ার জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ৭. পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন আছে, শেষ হওয়ার ভয়ে কেউ ভীত হবেন না, গুজবে বিশ্বাস করবেন না, রোজা রেখে ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে।

    ৮. কেন্দ্র পরিবর্তন করে আপাতত দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না।

    ৯. টিকা কেন্দ্রে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরে আসতে হবে এবং প্রত্যেক টিকা গ্রহণকারীকে অন্তত ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, টিকাদাতা এবং স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতা করলে গ্রহীতার কাজ দ্রুত এবং সহজ হবে।

    গত ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে করোনা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঁচজনকে টিকা দেওয়া হয়।

    এদিন দেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে করোনার টিকা নেন সেবিকা রুনু। তিনি ছাড়াও ওইদিন টিকা নেন- চিকিৎসক আহমেদ লুৎফুল মোবেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা, ট্রাফিক পুলিশের মতিঝিল বিভাগের কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম ইমরান হামিদ।স্বাস্থ্য অধিদফতর

    সূত্রে জানা গেছে, টিকাদান কার্যক্রম শুরুর পর থেকে বুধবার (৭ এপ্রিল) পর্যন্ত দেশে মোট টিকাগ্রহণকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫ লাখ ৬৮ হাজার ৭০৩ জন। যারা টিকা নিয়েছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৩৪ লাখ ৫৩ হাজার ২৯১ ও নারী ২১ লাখ ১৫ হাজার ৪১২ জন। তাদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার উপসর্গ নিয়ে রিপোর্ট করেছেন মোট ৯৩৯ জন।
    স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, তাদের হাতে এখনও ৪৬ লাখের কিছু বেশি টিকা মজুদ আছে।

  • লকডাউনে বইমেলা চলবে

    অনলাইন ডেস্ক:

    লকডাউনের মধ্যে প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং জনসমাবেশ এড়িয়ে চলবে একুশে বইমেলার কার্যক্রম।

    রোববার (৪ এপ্রিল) বাংলা একাডেমিকে পাঠানো সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমিন নাহার।

    চিঠিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিদ্যমান পরিস্থিতি এবং সরকার কর্তৃক লকডাউন নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলা ২০২১’র কার্যক্রম চলমান রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

    এ সময় স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ এবং জনসমাবেশের ঝুঁকিপূর্ণ যেকোনো বিরত থাকার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয় চিঠিতে।

  • ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সাবেক স্ত্রীকে বিবাহ করেছি’ লাইভে বিস্তারিত বললেন মামুনুল হক (ভিডিও)

    অনলাইন ডেস্ক:
    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে একটি রিসোর্টে অবরুদ্ধ হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক মুক্ত হয়েছেন। মুক্তির পরপরই হেফাজত কর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এরপর শনিবার (০৩ এপ্রিল) রাত ১০টায় নিজের ভেরিফাইড আইডি থেকে লাইভে আসেন তিনি।

    ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, ‘অনেকের মধ্যে আজকের ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনেক বিভ্রান্তিও হচ্ছে। মূলত আসল ঘটনা জানাতেই আমি ফেসবুক লাইভে এসেছি। আমার সাথে আমার বড় ভাই ও মেজ ভাইও আছেন।’

    মামুনুল হক আরও বলেন, ‘টানা পরিশ্রমের কারণে আমার একটু বিশ্রামের প্রয়োজন ছিল। এ কারণে আজ সেখানে গিয়েছিলাম। সাথে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী ছিল। পুলিশ আমার থেকে যাবতীয় তথ্য নিয়ে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে। আমার দ্বিতীয় স্ত্রী আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সাবেক স্ত্রী ছিলেন। তাদের দুটি সন্তানও আছে। এরপর পারিবারিকভাবে আমি তাকে বিয়ে করি।’

    তিনি বলেন, ‘সেখানে স্থানীয় কিছু সংবাদকর্মীদের সাথে কিছু যুবলীগ ও সরকারদলীয় লোক আমার সাথে খারাপ আচরণ করেছেন। তারা লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে হামলা ও আক্রমণ করেছেন। দেশের মানুষ আমার বক্তব্য সেখানেও শুনেছে ও দেখেছে। এরপর সেসব ভিডিও ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ওই রিসোর্টে এসে আমাকে উদ্ধার করে। তারা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। আমি জনতাকে শান্ত করি ও তাদের নিয়ে উক্ত স্থান ত্যাগ করি। আমি আহবান করবো এই বিষয় নিয়ে কেউ বিভ্রান্তি ছড়াবেন না। সবাই শান্ত থাকুন। জানমালের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করবেন না। এটাই আমার অফিসিয়াল বক্তব্য।

    ভিডিও লিংক:

    https://www.facebook.com/mamunul.haque.5/videos/2304961112967104
    https://www.facebook.com/mamunul.haque.5/videos/2304961112967104
  • কুমিল্লা সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের দায়িত্ব হস্তান্তর

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    কুমিল্লা সরকারি কলেজে ২০২১ সালের জন্য নির্বাচিত শিক্ষক পরিষদের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান ২৪ জানুয়ারি ২০২১ তারিখ কলেজ অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর মোঃ হারুনুর রশিদ পাটোয়ারী-এর সভাপতিত্বে কলেজের শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক হিসেবে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ আনোয়ারুল হক, যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক জনাব মোহাম্মদ রবিউল আলম খান দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    নবনির্বাচিত পরিষদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মহোদয় বলেন, আমার আশাবাদ এ পরিষদ কলেজের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে এবং কলেজের শিক্ষার মান ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রেখে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে। এসময় সদ্য বিদায়ী শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক জনাব এ এইচ এম সফিউল্লাহ এবং যুগ্ম-সম্পাদক জনাব মোঃ ইকবাল হোসেন তালুকদার গত এক বছরের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

    নব নির্বাচিত সম্পাদক জনাব মোঃ আনোয়ারুল হক এবং যুগ্ম সম্পাদক জনাব মোহাম্মদ রবিউল আলম খান শিক্ষক পরিষদের সদস্যগণের সেবায় এবং কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়নে নিজেকে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • যে ৫ রাশির মানুষ প্রেমে প্রতারণা করেন সবচেয়ে বেশি!

    অনলাইন ডেস্ক:
    সম্পর্ক থাকলে কষ্ট থাকবেই। মন ভাঙার বেদনা, প্রতারণার অপমান ইত্যাদি সবই জীবনের অংশ। মানুষের মন তো আর আগে থেকে বুঝে ফেলা যায় না। গেলে হয়তো প্রতারিত হবার হাত থেকে বাঁচতে চাইতেন সকলেই।

    অবশ্য রাশিফল কিন্তু বলে ভিন্ন কথা। রাশিচক্রের বিচারে কোন রাশির জাতক বা জাতিকা প্রেম-ভালোবাসার ক্ষেত্রে কেমন হবেন সেটা আগেভাগেই আভাস দেয়া সম্ভব। ফলে একটু সতর্কতা অবলম্বন করলে এড়ানো যেতে পারে মন ভাঙার দুর্ঘটনাও। আজ চিনে নিন রাশিচক্রের বিচারে প্রতারক জাতক-জাতিকাদের। এই ৫ রাশির জাতক-জাতিকারা সম্পর্কে কেবল প্রতারণাই করেন না, বরং সেই প্রতারণা লুকিয়ে রাখতেও বেশ পটু!

    মেষ (২১ মার্চ হতে ১৯ এপ্রিল)
    ছটফটে স্বভাবের মেষ খুব দ্রুতই আগ্রহ হারিয়ে ফেলে যে কোন কিছুর ওপর থেকে। হ্যাঁ, মানুষের ক্ষেত্রেও এই কথা সত্য। কামনা ও যৌনতা প্রায়ই তাঁদেরকে মোহে অন্ধ করে দেয়, হারিয়ে যেতে দেয় স্বাভাবিক বোধবুদ্ধিকে। ফলে সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রায়ই তারা আগেপিছে কিছু চিন্তা না করেই প্রতারণা করে বসেন তারা। ব্যাপারটি যে অন্যায়, সেটাও অনেক মেষ জাতক-জাতিকা অনুধাবন করতে পারেন না। ফলে লুকিয়ে রাখা নিয়েও অপরাধবোধে ভোগেন না। তবে হ্যাঁ, ছটফটে স্বভাবের জন্য মেষের প্রতারণা ধরে ফেলা সহজ। কেননা কিছু না কিছু ভুল তারা করেই ফেলেন সর্বদা! যদিও ধরা পড়ার পরেও তাঁদের মাঝে পরিবর্তন আনা কঠিন।

    মিথুন (২১ মে থেকে ২০ জুন)
    সমস্ত রাশির মাঝে মিথুন জাতক-জাতিকারাই সম্ভবত সবচাইতে বেশি প্রতারক স্বভাবের। কারণে এই রাশির মানুষের মাঝে দ্বিমুখী সত্ত্বা প্রবলভাবে কাজ করে। তারা জীবনে সবকিছুই একের একাধিক পছন্দ করে। প্রায় দেখা যায় মিথুন জাতক-জাতিকারা মানসিক ও শারীরিক চাহিদা মেটাতে দুজন ভিন্ন ভিন্ন মানুষের সাথে জড়িত। সামাজিকতা প্রিয় মিথুন একাধিক সম্পর্কে জড়াতে না চাইলেও কোন না কোনভাবে সেটা হয়ে যায় এবং ব্যাপারটি তারা পছন্দও করে। মিথুনের প্রতারণা ধরা কঠিন, কেননা ধরা পড়ার পর তারা ঠিক তাই বলবে যা আপনি শুনতে চান এবং মন পুনরায় বিগলিত করে ফেলবে।

    তুলা (২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ অক্টোবর)
    মেষ বা মিথুনের চাইতে তুলার প্রতারণা একেবারেই ভিন্ন। তুলা জীবনে সবকিছুর সমতা ভালোবাসে। সুখী জীবনের জন্য সুখী সম্পর্কই তাঁদের একমাত্র চাওয়া। তুলা রাশির জাতক-জাতিকারা তখনই প্রতারণা করে, যখন বর্তমান সম্পর্কটি থেকে তাঁদের সকল চাওয়া-পাওয়া পুর্ন হয় না। ব্যাপারটি নিয়ে চরম অপরাধবোধে ভোগার কারণে লুকিয়ে রাখার চেষ্টায় সদা তৎপর থাকে তারা। ধরা পড়ার পর স্রেফ অস্বীকার করা তাঁদের একমাত্র হাতিয়ার। কিন্তু বারবার চাপ প্রয়োগ করলে তারা এক পর্যায়ে স্বীকারও করে এবং প্রতারণার কারণ বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করে। যতক্ষণ তুলা জাতক-জাতিকা নিজের সম্পর্ক নিয়ে সন্তুষ্ট, ততক্ষণ কিন্তু তারা কোন ভাবেই প্রতারণা করে না!

    বৃশ্চিক (২৩ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর)
    বৃশ্চিক প্রায়ই নিজেকে সবচাইতে বিশ্বস্ত সঙ্গী বা সঙ্গিনী হিসেবে প্রমাণ করতে পারলেও প্রতারণার ক্ষেত্রেও তারা পিছিয়ে নন। কেননা বৃশ্চিক তখনই প্রতারণা করে, যখন তার মাঝে থাকে গভীর অতৃপ্তি। রাশিগত ভাবেই বৃশ্চিক জাতক-জাতিকারা গোপনীয়তা প্রিয়। গোপন থ্রিল বা এডভেঞ্চার প্রায়ই তাঁদেরকে আকর্ষণ করে এবং অকারণেই নানান ব্যাপার গোপন রাখা তাঁদের অভ্যাস। ফলে বৃশ্চিকের প্রতারণা ধরা খুবই কঠিন। কিন্তু একবার যদি তারা ধরা পড়ে, তবে পরবর্তীতে আর প্রতারণায় জড়ায় না। বরং রাতারাতি নিজেদেরকে খুবই বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে প্রমাণ করতে পারে।

    মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চ)
    পরস্পর দ্বিমুখী সত্ত্বার অধিকারী মীনের জন্য সম্পর্কে প্রতারণা খুবই স্বাভাবিক। তারা একসাথে দুটি নয়, বরং একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে যেতে পটু। কল্পনার দুনিয়ায় বাস করা মীনের প্রায়ই নিজের বর্তমান সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে ভালো লাগে না, বরং অন্য কারো দিকেই মনোযোগ বেশি থাকে। মীনের প্রতারনাও সহজে ধরা যায় না কারণ তারা মিষ্টিভাষী এবং মিথ্যা বলায় পটু। ধরা পড়ার পরেও মীন একাধিক সম্পর্ক চালিয়ে চায়। একাধিক সম্পর্কের ব্যাপারটি যে অন্যায়, সেটাই বুঝতে যায় না অনেক মীন রাশির জাতক ও জাতিকারা। নিত্যনতুন মানুষের সংস্পর্শ তুলা রাশির মত মীন রাশিও ভালবাসে

  • টয়লেটের ফ্ল্যাশে কেন দুটি বোতাম থাকে?

    অনলাইন ডেস্ক:
    কোন এক সময় টয়লেটের ফ্ল্যাশে থাকত টানা দড়ি। সময়ের ব্যবধানে হ্যান্ডেল থেকে চলে এল বাটনে। তবে বর্তমান সময়ের আধুনিক টয়লেটের ফ্ল্যাশ হিসেবে দুইটি বোতাম বা বাটন থাকে। আপনি কখনও ভেবে দেখেছেন কি, কেন বর্তমান সময়ের টয়লেটের ফ্ল্যাশে দুটি দেয়া হল বা কি এর প্রয়োজনীয়তা? জেনে নিই দুটি বাটন দেয়ার রহস্য।

    জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান হারের কারণে দিন দিন বাড়ছে পানির চাহিদা। পানির বাড়তি চাহিদা যোগানে দিন দিন কমে আসছে ব্যবহার্য পানির পরিমাণ। তাই শৌচকার্যে পানির অপচয় রোধ করতে নেয়া হয় বিশেষ উদ্যোগ। দুই বাটনের পরিকল্পনা সেখান থেকেই আসে ফ্ল্যাশ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাথায় আসে।

    একটি বড় ফ্ল্যাশে সাধারণত ছয় থেকে ৭ লিটার পানি খরচ হয়। আগে যেকোনো ফ্ল্যাশে ঠিক এই পরিমাণেই পানি খরচ হত। আর ছোট ফ্ল্যাশে খরচ হয় মাত্র ৩ থেকে সাড়ে ৪ লিটার পানি। ফলে বড় কোন প্রয়োজন ছাড়া বড় ফ্ল্যাশ না চেপে আপনি অনায়াসেই কমাতে পারেন পানির অপচয়।

    মূলত পানির এই অপচয় রোধেই টয়লেটের ফ্ল্যাশে দুটি বোতাম। কম পানির জন্য ছোট বোতাম আর বেশি পানির জন্য বড় বোতাম।