Category: অন্যান্য

  • মুনিয়া আত্মহত্যা প্ররোচণা মামলা: বসুন্ধরার এমডিকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন

    অনলাইন ডেস্ক:
    মুনিয়া আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা থেকে বসুন্ধরার এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে অব্যবহিত দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে গুলশান থানা।
    গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবুল হাসান গত ১৯ জুলাই ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ( সিএমএম) এই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন জানা গেছে।

    সিএমএম আদালতের একটি সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন আদালত গ্রহণ করবে কি না, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোরশেদ আল মামুন আগামী ২৯ জুলাই দিন ধার্য করেছেন।এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি আবুল হাসানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনটি কেটে দেন।

    মামলার বাদী নুসরাত জাহান তানিয়া জানান, মামলার আসামিকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি জানাননি তদন্ত কর্মকর্তা বা ওসি। সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন ধরেননি।তিনি আরও জানিয়েছেন, বিস্তারিত জেনে আদালতে এই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দিবেন। সূত্র: দ্য ডেইলি স্টারকে

  • ২৩ জুলাই থেকেই কঠোর লকডাউন ; জেনে নিন প্রজ্ঞাপনে কি রয়েছে !

    অনলাইন ডেস্ক:
    পূর্বঘোষিত তারিখ অনুযায়ী আগামী ২৩ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে কঠোর বিধিনিষেধ। যা চলবে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত। বুধবার (২১ জুলাই) রাতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, বিধিনিষেধ শিথিলের মেয়াদ আর বাড়ছে না। ২৩ জুলাই কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়ে চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। এই ১৪ দিন যদি আমরা বিধিনিষেধ মেনে চলি, তাহলে সংক্রমণের চেইনটা ভাঙতে পারবো।

    এর আগে গত ১৩ জুলাই দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে এ সময়ে যেসব বিধিনিষেধ মানার কথা বলা হয়েছে

    ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।
    ২. সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
    ৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
    ৪. সব পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।
    ৫. সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে।

    ৬. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক [বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি], রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
    ৭. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
    ৮. ব্যাংকিং/বিমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
    ৯. সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাফতরিক কাজ ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করবেন।

    ১০. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন-কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন/বিক্রয়, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি করপোরেশন/পৌরসভা (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্সাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

    ১১. বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
    ১২. জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ড ভ্যান/নৌযান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।
    ১৩. বন্দরগুলো (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।
    ১৪. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
    ১৫. অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ১৬. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।
    ১৭. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন/টেকওয়ে) করতে পারবে।
    ১৮. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট/প্রমাণক প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহারপূর্বক যাতায়াত করতে পারবেন।
    ১৯. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।
    ২০. ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

    ২১. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সেসঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
    ২২. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখাক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
    ২৩. সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮-এর আওতায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

  • সারাদেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:
    সারাদেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হবে।

    রোববার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহনবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের বৈঠকে সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে রিকশা-ভ্যানে মোটর লাগিয়ে রাস্তায় চলছে। সামনের চাকায় শুধু ব্রেক। পেছনের চাকায় কোনো ব্রেক নেই কিংবা ব্রেকের ব্যবস্থা থাকলেও অপ্রতুল। সেগুলো যখন ব্রেক করে প্যাসেঞ্জারসহ গাড়ি উল্টে যায়। এ দৃশ্য আমরা দেখেছি। আমরা দেখেছি হাইওয়েতেও এ রিকশা চলে এসেছে। সেজন্য সারাদেশে এ ধরনের ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত আজকের সভাতে হয়েছে।

  • জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া মামলা গ্রহন না করার আদেশ দিল হাইকোর্ট

    অনলাইন ডেস্ক:

    ভুয়া বা গায়েবি মামলা ঠেকাতে হাইকোর্ট জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া থানা বা আদালতে কোনো মামলা গ্রহণ না করতে আদেশ দিয়েছে। মামলা করতে হলে এখন থেকে বাধ্যতামূলক করার কথা বলেছে জাতীয় পরিচয়পত্র।এখন থেকে থানায় বা আদালতে কোনো মামলা করার ক্ষেত্রে বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।পরিচয়পত্র ছাড়া কোনো মামলা গ্রহণ না করার জন্যও বলেছে আদালত।

    পাশাপাশি গায়েবি মামলার বাদী খুঁজে বের করতে সিআইডিকে তদন্তেরও নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ৪৯ ভুয়া মামলা নিয়ে হয়রানির শিকার রাজধানীর শান্তিবাগের বাসিন্দা একরামুল আহসান কাঞ্চনের আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

    আইনজীবী এমাদুল হক বসির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত আমাদের আবেদনের শুনানি নিয়ে যুগান্তকারী আদেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে এখন থেকে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    ‘ভুয়া মামলার বাদী খুঁজে বের করতে সিআইডিকে তদন্ত করে ৬০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভুয়া মামলাকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্তের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।’৪৯ মামলা মাথায় নিয়ে দীর্ঘ দিন জেল খাটার পর পরিত্রাণ পেতে গত ৭ জুন হাইকোর্টে রিট করেন একরামুল আহসান কাঞ্চন।রিটে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের আইজিপি, অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (এসবি), অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (সিআিইড), মহাপরিচালক র‍্যাব, ঢাকার পুলিশ কমিশনারসহ ৪০ জনকে বিবাদী করা হয়।

    ঢাকার শান্তিবাগ এলাকার বাসিন্দা একরামুল আহসান কাঞ্চনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, চুরি ডাকাতি, মানবপাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৪৯টি মামলা হয়।এসব মামলায় তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। কিন্তু একটি মামলারও বাদী খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাদী খুঁজে না পাওয়ায় অনেক মামলাতে খালাসও পেয়েছেন তিনি।তারপরও তার বিরুদ্ধে এভাবে গায়েবি মামলা দিয়ে হয়রানি করায় তার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। এসব মামলায় ১ হাজার ৪৬৫ দিন জেলে খেটেছেন বলেও রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।রিটকারী একরামুল আহসান কাঞ্চন বলেন, ‘হত্যা, ধর্ষণ, চুরি- ছিনতাই-চাঁদাবাজি ও মানবপাচারের মতো ভয়ংকর অপরাধের অভিযোগে আমার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এমন কোনো অভিযোগ নেই, আমার ওপর প্রয়োগ করা হয়নি। কিন্তু এখন পর্যন্ত এসব মামলার বাদীদের খুঁজে পাইনি। এসব মামলায় দীর্ঘ দিন জেলও খেটেছি।’

  • বাঁধই কেন হবে একমাত্র দাবি?

    প্রজন্মের পর প্রজন্ম আমরা উপকূলের মানুষ টেকসই বাঁধের দাবি করে আসছি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে শুধু বেড়িবাঁধ নয়, এর পাশাপাশি আমাদের আরও কিছু দাবিতে সোচ্চার হওয়া উচিৎ। একজন জলবায়ু কর্মী হিসেবে বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতেই মতামত পেশ করছি। প্রায়ই আমি বলি, ১০০ বছর পরে, সূর্যাস্তের সৌন্দর্য দেখতে আমাদের কক্সবাজারে না, চাঁদপুরে গেলেই চলবে। বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বাংলাদেশ তার মোট ভূমির এক তৃতীয়াংশ হারাবে। তার মানে বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণের বর্তমান হার যদি অব্যাহত থাকে তবে দেশের প্রায় ২৪ টি উপকূলীয় জেলা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আমাদের উপকূলীয় জনসংখ্যার একটি মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসন দাবি করা উচিত, আমাদের সন্তানদের জন্য অন্যতম প্রয়োজন গুণগতমানসম্পন্ন প্রযুক্তিগত শিক্ষা লাভ। আমি বৈদ্যুতিক কাজের মতো কারিগরি শিক্ষার প্রস্তাব করি এবং অষ্টম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত দক্ষতা ভিত্তিক, কারিগরি শিক্ষা প্রচলন করার দাবি করতে পারি, এতে করে সাধারণ শিক্ষা থেকে ঝরেপড়া শিশু এবং যুবকরা আমাদের ক্রমবর্ধমান শহুরে এলাকাগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, উচ্চ মাধ্যমিক বা কলেজ স্তর শেষে ৫০% ড্রপ আউট রয়েছে।

    প্রাথমিক শিক্ষাসহ পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে, যাতে আমাদের ছেলে-মেয়েরা যাতে ইংরেজিতে কথা বলতে পারে। ইংরেজিতে কথা বলার দক্ষতা অনেককে দুবাই বিমানবন্দরে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পরিবর্তে বিক্রয়কর্মীর চাকরি পেতে সহায়তা করবে। আমাদের মেয়েদের নার্স ও কেয়ারগিভার হিসেবে শিক্ষিত করার জন্য আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে আমাদের কন্যারা এবং বোনরা মধ্যপ্রাচ্যে সম্মান ও মানবিক আচরণ পেতে পারে।

    আমাদের শহরগুলিতে পানীয় জল ও পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তনের দাবি জানাতে হবে, যাতে ঘরহারা উপকূলীয় মানুষজন যখন এখানে আসবে, তারা যাতে খাবার পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের ন্যূনতম সুবিধাটা পায়। বর্তমানে শহুরে বস্তিজীবন তাদের কাম্য হতে পারে না। সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে, উপকূলীয় অঞ্চল থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ থেকে ২০০০ জন মানুষ ঢাকায় আসছেন। তাদের প্রত্যেকের জন্য একটি মানসম্পত জীবনযাপন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দরিদ্র এই মানুষগুলো, তারা আমাদের গৃহকর্মী বা ড্রাইভার যাই হোক না কেন, তারা আমাদের শহুরে জীবনের একটি অংশ। মনে রাখতে হবে যে, আগামী ৫০ বছরের মধ্যে, বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৮০% আমাদের বড় শহরগুলিতে বসবাস করবে।

    কখনও কখনও শুধু জরুরি বাঁধের দাবিতে আমি সংশয় বোধ করি, কারণ এটি কিছু লোকের জন্য কিছু অবৈধ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করেছে। আমাদের অবশ্যই পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংস্কারের দাবি তুলতে হবে। সংস্থাটির কর্মীদের জেলা বা উপজেলা পর্যায়ের প্রশাসনের কাছে ব্যবস্থাপনাগত জবাবদিহিতার সম্পর্ক নেই। এমনকি সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ বাজেটের জন্যও তাদের ঢাকা থেকে অনুমোদন নিতে হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের কার্যক্রমে কেন স্থানীয় সরকার অর্থাৎ ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে না। উপকূলীয় বাঁধ অবশ্যই উপকূলীয় বনায়নের সাথে একীভূত করতে হবে। শ্রীলঙ্কায়, জলোচ্ছ্বাস থেকে প্রথম সারির সুরক্ষা হিসাবে বাঁধের আগে তাদের অর্ধ কিলোমিটার বনায়ন রয়েছে। আমরা একবিংশ শতাব্দীর সমস্যাটি অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দিয়ে সমাধান করতে পারবো না, সংস্কারের প্রয়োজন তাই অপরিহার্য।

    আমাদের নেতারা আমাদের হয়ত বারবার সন্তুষ্ট করতে আসবেন এবং আমাদেরকে হয়ত জানাবেন যে ডেল্টা পরিকল্পনা অনুযায়ী নেদারল্যান্ডসের মতো আমাদের একটি সুপার ডাইক থাকবে। তবে, আসলেই কি আমাদের এ বিষয়ক রাজনৈতিক সদিচ্ছা আছে? আমি এই বিষয়ে আমাদের আর্থিক এবং প্রযুক্তিগত ক্ষমতা আছে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করি। সুতরাং, আমাদের কেবল বেড়িবাঁধের দাবি করলেই হবে না, এতে করে একটি বিশেষ গোষ্ঠীই উপকৃত হবে। আমাদেরকে ভাবতে হবে সামগ্রিক সমাধানের, সকলের মঙ্গলের। আর দাবি তুলতে হবে সে আলোকেই।

    বাঁধই কেন হবে একমাত্র দাবি?

    প্রজন্মের পর প্রজন্ম আমরা উপকূলের মানুষ টেকসই বাঁধের দাবি করে আসছি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে শুধু বেড়িবাঁধ নয়, এর পাশাপাশি আমাদের আরও কিছু দাবিতে সোচ্চার হওয়া উচিৎ। একজন জলবায়ু কর্মী হিসেবে বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতেই মতামত পেশ করছি। প্রায়ই আমি বলি, ১০০ বছর পরে, সূর্যাস্তের সৌন্দর্য দেখতে আমাদের কক্সবাজারে না, চাঁদপুরে গেলেই চলবে। বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বাংলাদেশ তার মোট ভূমির এক তৃতীয়াংশ হারাবে। তার মানে বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণের বর্তমান হার যদি অব্যাহত থাকে তবে দেশের প্রায় ২৪ টি উপকূলীয় জেলা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আমাদের উপকূলীয় জনসংখ্যার একটি মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসন দাবি করা উচিত, আমাদের সন্তানদের জন্য অন্যতম প্রয়োজন গুণগতমানসম্পন্ন প্রযুক্তিগত শিক্ষা লাভ। আমি বৈদ্যুতিক কাজের মতো কারিগরি শিক্ষার প্রস্তাব করি এবং অষ্টম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত দক্ষতা ভিত্তিক, কারিগরি শিক্ষা প্রচলন করার দাবি করতে পারি, এতে করে সাধারণ শিক্ষা থেকে ঝরেপড়া শিশু এবং যুবকরা আমাদের ক্রমবর্ধমান শহুরে এলাকাগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, উচ্চ মাধ্যমিক বা কলেজ স্তর শেষে ৫০% ড্রপ আউট রয়েছে।

    প্রাথমিক শিক্ষাসহ পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে, যাতে আমাদের ছেলে-মেয়েরা যাতে ইংরেজিতে কথা বলতে পারে। ইংরেজিতে কথা বলার দক্ষতা অনেককে দুবাই বিমানবন্দরে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পরিবর্তে বিক্রয়কর্মীর চাকরি পেতে সহায়তা করবে। আমাদের মেয়েদের নার্স ও কেয়ারগিভার হিসেবে শিক্ষিত করার জন্য আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে আমাদের কন্যারা এবং বোনরা মধ্যপ্রাচ্যে সম্মান ও মানবিক আচরণ পেতে পারে।

    আমাদের শহরগুলিতে পানীয় জল ও পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তনের দাবি জানাতে হবে, যাতে ঘরহারা উপকূলীয় মানুষজন যখন এখানে আসবে, তারা যাতে খাবার পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের ন্যূনতম সুবিধাটা পায়। বর্তমানে শহুরে বস্তিজীবন তাদের কাম্য হতে পারে না। সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে, উপকূলীয় অঞ্চল থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ থেকে ২০০০ জন মানুষ ঢাকায় আসছেন। তাদের প্রত্যেকের জন্য একটি মানসম্পত জীবনযাপন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দরিদ্র এই মানুষগুলো, তারা আমাদের গৃহকর্মী বা ড্রাইভার যাই হোক না কেন, তারা আমাদের শহুরে জীবনের একটি অংশ। মনে রাখতে হবে যে, আগামী ৫০ বছরের মধ্যে, বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৮০% আমাদের বড় শহরগুলিতে বসবাস করবে।

    কখনও কখনও শুধু জরুরি বাঁধের দাবিতে আমি সংশয় বোধ করি, কারণ এটি কিছু লোকের জন্য কিছু অবৈধ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করেছে। আমাদের অবশ্যই পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংস্কারের দাবি তুলতে হবে। সংস্থাটির কর্মীদের জেলা বা উপজেলা পর্যায়ের প্রশাসনের কাছে ব্যবস্থাপনাগত জবাবদিহিতার সম্পর্ক নেই। এমনকি সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ বাজেটের জন্যও তাদের ঢাকা থেকে অনুমোদন নিতে হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের কার্যক্রমে কেন স্থানীয় সরকার অর্থাৎ ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে না। উপকূলীয় বাঁধ অবশ্যই উপকূলীয় বনায়নের সাথে একীভূত করতে হবে। শ্রীলঙ্কায়, জলোচ্ছ্বাস থেকে প্রথম সারির সুরক্ষা হিসাবে বাঁধের আগে তাদের অর্ধ কিলোমিটার বনায়ন রয়েছে। আমরা একবিংশ শতাব্দীর সমস্যাটি অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দিয়ে সমাধান করতে পারবো না, সংস্কারের প্রয়োজন তাই অপরিহার্য।

    আমাদের নেতারা আমাদের হয়ত বারবার সন্তুষ্ট করতে আসবেন এবং আমাদেরকে হয়ত জানাবেন যে ডেল্টা পরিকল্পনা অনুযায়ী নেদারল্যান্ডসের মতো আমাদের একটি সুপার ডাইক থাকবে। তবে, আসলেই কি আমাদের এ বিষয়ক রাজনৈতিক সদিচ্ছা আছে? আমি এই বিষয়ে আমাদের আর্থিক এবং প্রযুক্তিগত ক্ষমতা আছে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করি। সুতরাং, আমাদের কেবল বেড়িবাঁধের দাবি করলেই হবে না, এতে করে একটি বিশেষ গোষ্ঠীই উপকৃত হবে। আমাদেরকে ভাবতে হবে সামগ্রিক সমাধানের, সকলের মঙ্গলের। আর দাবি তুলতে হবে সে আলোকেই।

    রেজাউল করিম চৌধুরী, ৩০ মে ২০২১

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিল্লাল হত্যাকাণ্ড : চিহ্নিত ছিনতাইকারী আটক

    কুমিল্লা প্রতিনিধি

    কুমিল্লায় বিল্লাল হোসেন (২৫) খুন হওয়ার ঘটনায়  চিহ্নিত ছিনতাইকারী আলাউদ্দিন (৩০) ও মোঃ মনির (২৪)কে আটক করা হয়েছে । নিহতের ভগ্নিপতি ইব্রাহিম খলিল মামলা দায়ের পর বুধবার তদের গ্রেফতার করে দাউদকান্দি থানা পুলিশ ।আটককৃত মনির দাউদকান্দি এলাকার  মো: ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে । আলাউদ্দিন একই এলাকার মাইজ উদ্দিনের ছেলে ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে ছিনতাই ও হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করেছে । মনির আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

    মনিরের বিরুদ্ধে ৩ টি মামলা এবং আসামি আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্র, দ্রুত বিচার ও মাদকের ১২ টি মামলা বিচারাধীন আছে।উক্ত হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত অন্যান্য সহযোগী আসামিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে ।

    উল্লেখ্য গত সোমবার রাত ৯ টায় ঈদের  ছুটি শেষে  মোটরসাইকেলে ভগ্নিপতি ইব্রাহিম ও খালাতো ভাই ইলিয়াসকে নিয়ে  কর্মস্থলে যাচ্ছিল বিল্লাল হোসেন। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় ৫-৬ জনের একটি ছিনতাইকারী দল তাদের উপর  হামলা করে । এসময় বাঁধা দিলে ছিনতাইকারীরা বিল্লালকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় । তবে বেঁচে যান ইব্রাহিম ও ইলিয়াস। বিল্লালকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে ।নিহত বিল্লাল হোসেনের বাড়ি শরীয়তপুরের সখিপুর উপজেলার আজিজবালারকান্দি গ্রামে। তিনি স্যামসাং কোম্পানিতে চাকরি করতেন।

  • মুরাদনগরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঈদ সামগ্রী ও কম্বাইন হার্ভেষ্টার মেশিন বিতরণ

    কুমিল্লা প্রতিনিধি।

    আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কুমিল্লার মুরাদনগরে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ঈদ সামগ্রী, অক্সিজেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও কৃষকদের মাঝে দুইটি কম্বাইন হার্ভেষ্টার মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৮ মে) পাঁচপুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় দুস্থ-অসহায় পরিবার ও এতিম শিশুদের মাঝে এ উপহার বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক মোছলেহ উদ্দিন মোছলেমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ।

    কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ড. আহসানুল আলম সরকার কিশোরের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি সালেহ মোহাম্মদ টুটুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম আজিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নাফিউল করিম নাফা সহ আরো অনেকে।

  • লকডাউন বেড়েছে ; বন্ধ থাকবে আন্তঃজেলা গণপরিবহন

    অনলাইন ডেস্ক:

    আগামী ১৬ মে পর্যন্ত লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মেয়াদ বাড়ছে। ৬ মে থেকে নিজ নিজ জেলায় গণপরিবহন চলবে। তবে আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। এছাড়া ট্রেন ও লঞ্চ বন্ধ থাকবে।

    সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম মন্ত্রিসভা বৈঠকের প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

  • কুমিল্লায় মাইটিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মুনাজাত ও ইফতার

    কুমিল্লা প্রতিনিধি
    কুমিল্লায় জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল মাইটিভির ১২ তম বর্ষে পদার্পন ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মুনাজাত ও ইফতার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর নজরুল এভিনিউস্থ মাইটিভির কুমিল্লা কার্যালয়ে দোয়া মুনাজাত ও ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা মহানগর কৃষকলীগের আহবায়ক মোঃ খোরশেদ আলম।
    মাইটিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি মোঃ সাইফ উদ্দিন রনীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রিয় আওয়ামী ব্যবসায়ী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক জারিফ আল মামুন, ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন।
    আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার গোলাম কিবরিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের প্রতিনিধি খায়রুল আহসান মানিক, বাংলাভিশন টেলিভিশনের প্রতিনিধি সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজ, দেশটিভির প্রতিনিধি এম ফিরোজ মিয়া, ৭১ টিভির প্রতিনিধি কাজী এনামুল হক ফারুক, সিটিভির সম্পাদক ওমর ফারুক তাপস, ইনকিলাব পত্রিকার প্রতিনিধি সাদিক মামুন, দৈনিক আজকের কুমিল্লার সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, সময় টিভির প্রতিনিধি বাহার রায়হান, জিটিভির প্রতিনিধি সেলিম রেজা মুন্সী, বৈশাখী টিভির প্রতিনিধি আনোয়ার হোসাইন, এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসাইন আকাইদ, চ্যানেল ২৪ টিভির প্রতিনিধি জাহিদুর রহমান, বাংলাটিভির প্রতিনিধি আরিফুর রহমান মজুমদার, ইন্ডেপেনডেন্ট টিভির প্রতিনিধি তানভীর খন্দকার দ্বীপু, জাগরনী টিভির প্রতিনিধি আশিকুর রহমান আশিক, সাংবাদিক মাহফুজ নান্টু, বি এম মহিউদ্দিন মন্টি, জহিরুল হক বাবু, মোঃ এনামুল হক, ফখরুল ইসলাম সাগর, শাহিন আলম, ওমর সারিদ বিধান, আনোয়ার হোসাইন, বিপুল রায়, সৌরভ হোসেন জাকারিয়া, ক্যামেরা পারসন সালাউদ্দিন সুমন, সজিব হোসেন, আবদুস সালাম বাপ্পী, শাফায়েতুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম সজিব, মাহমুদা সুলতানা ববিসহ কুমিল্লায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দ।

  • কুমিল্লায় গাঁজা নিয়ে কাড়াকাড়ি, পুলিশ পেল ৮ কেজি

    মুরাদনগর প্রতিনিধি

    গাঁজার গাড়ি আটকিয়ে ২০ কেজি গাঁজার মধ্যে ১২ কেজি গাঁজা তিন যুবলীগ নেতা ও কতিথ এক সাংবাদিকের মধ্যে ভাগাভাগি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অবশিষ্ট ৮ কেজি গাঁজা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ। কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের নহল চৌমুহনী নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ৬দিন অতিবাহিত হলেও ভাগাভাগি হওয়া ১২ কেজি গাঁজা ও সংশ্লিষ্টরা এখনো অধরা। তবে গাঁজা ভাগাভাগি করে নেওয়ার অভিযোগ ওঠা কতিথ সাংবাদিক ও যুবলীগ নেতাদের থানায় ডেকে এনে গত রাতে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনায় গা ছাড়া ভাব দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
    বিশ^স্ত সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল বুধবার রাত আনুমানিক ৮টায় গাইটুলি গ্রামের মৃত ফজলুর রহমান ভুইয়ার ছেলে মাদক ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন (৪০) সিএনজি চালিত অটো রিকসায় করে কসবা থেকে গাঁজা নিয়ে আসছেন, এমন খবর পেয়ে নহল গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে কবির মিয়া (৩২) ও গাইটুলি গ্রামের মতিন মিয়ার ছেলে বুলেট বাবু (২৪) নহল চৌমুহনী নামক স্থানে তার গাঁজা ধরার জন্য ওত পেতে থাকেন। গাঁজার গাড়ী আসা মাত্রই ব্যারিকেট দেয় তারা। এ সময় গাড়িতে থাকা ফারুক ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করলে আশ-পাশের লোকজন জড়ো হয়। পরে সাধারণ মানুষ এসে দেখেন পেক্ষাপট ভিন্ন, তাই তোপের মুখে গাঁজা ফেলে দিয়ে সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যায় ফারুক। এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন নহল গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে ও ধামঘর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি রাব্বি (২৫), গাইটুলি গ্রামের মুকবল হোসেনের ছেলে ও যুবলীগ কর্মী সোহেল মিয়া (২৯), জাহাপুর গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বাবু (২৮) ও আবুল কাশেমের ছেলে কতিথ সাংবাদিক রাহাত হোসেন (৩৫) সহ অন্যান্যরা। তখন রাহাত ফারুকের পক্ষ হয়ে ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে গাঁজা দিয়ে দেওয়ার সমঝোতার প্রস্তব দেয় কবির ও বাবুকে। এ প্রস্তাব প্রত্যাখান করলে জোর খাটিয়ে ১২ কেজি গাঁজা নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন রাহাত হোসেন, মোর্শেদ কামাল রাব্বি, ইয়াছিন আরাফাত বাবু ও সোহেল মিয়া। খবর পেয়ে অবশিষ্ট ৮ কেজি গাঁজা থানায় নিয়ে যায় এএসআই আবু হানিফ। এ ঘটনায় পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন, বুলেট বাবু ও কবিরের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়রি করলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি।
    অপর দিকে গাঁজা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠা যুবলীগ নেতা মোর্শেদ কামাল রাব্বি, ইয়াছিন আরাফাত বাবু, সোহেল মিয়া ও কতিথ সাংবাদিক রাহাত হোসেনকে থানায় ডেকে এনে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
    গাঁজার গাড়ি আটককারী বুলেট বাবু ও কবির মিয়া বলেন, গাঁজা ব্যবসায়ী ফারুকের কাছ থেকে আমরা টাকা পাই। দীর্ঘদিন সে টাকা দেম দিচ্ছি বলে ঘুরাচ্ছে। সে গাঁজা নিয়ে আসছে এমন খবরে গত ১৪ এপ্রিল বুধবার রাত আনুমানিক ৮টায় চৌমুহনীতে তার গাড়ি ব্যারিকেট দেই। উপায়ন্তর না পেয়ে ফারুক গাঁজা ফেলে দিয়ে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে রাহাত হোসেন আমাদের সাথে ৭০ হাজার টাকায় রফা করার চেষ্টা করে। তার প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় কিছু গাঁজা নিয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। খবর পেয়ে থানার এএসআই আবু হানিফ এসে ৮ কেজি গাঁজা নিয়ে যায়। এখন গাঁজা আটকিয়ে আমরা বিপাকে আছি। বিভিন্ন দিক থেকে নানা রকম হুমকি-ধমকি আসছে।
    গাঁজা ব্যবসায়ী ফারুকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমার সিএনজিতে ২০ কেজি গাঁজা ছিল। কবির, বুলেট বাবু ও অন্যান্যরা আমার এ গাঁজা ভাগাভাগি করে নিয়ে গেছে।
    যুবলীগ নেতা মোর্শেদ কামাল রাব্বি, ইয়াছিন আরাফাত বাবু ও সোহেল মিয়ার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে, তারা গাঁজা ভাগাভাগি করে নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
    কতিথ সাংবাদিক রাহাত হোসেন মুঠোফোনে বলেন, পান্নারপুল থেকে আসার পথে চৌমুহনী এসে শুনি এখানে গাঁজা ছিনতাই হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বলেছি বিষয়টি পুলিশকে জানানোর জন্য। এর বেশী কিছু আমি জানি না। ৭০ হাজার টাকা অফার দেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা।
    মুরাদনগর থানার ওসি সাদেকুর রহমান বলেন, আমরা ঘটনাস্থল থেকে ৮ কেজি গাঁজা পরিত্যাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছি। গাঁজা ব্যবসার সাথে জড়িত সন্দেহে ৩ জনের নামে সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে। গাঁজা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠা ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মুচলেকা রেখেছি। বাকী গাঁজা উদ্ধারসহ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার তৎপরতা অব্যাহত আছে।