Author: bikedokan@gmail.com

  • আইপিএলে কোন দলের পয়েন্ট কত?

    অনলাইন ডেস্ক:
    আইপিএলের ১১তম আসর বেশ জমে উঠেছে। এরই মধ্যে সোমবার (৭ মে) পর্যন্ত এ আসরের ৩৯তম ম্যাচের খেলা শেষ হয়েছে। প্রতিটি দল প্লে-অফ যেতে নিজেদের সর্বোচ্চ টুকু দিয়ে বিপক্ষ দলের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে।চলুন জেনে নেয়া যাক, আইপিএলের এবারের আসরের পয়েন্ট টেবিল তালিকা-

    প্রথম অবস্থানে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ: এখন পর্যন্ত আসরের ১০ ম্যাচ খেলে ৮টি ম্যাচ জিতে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। দলটি ১০ ম্যাচ খেলে মাত্র ২টিতে হেরেছে।দ্বিতীয় অবস্থানে চেন্নাই সুপার কিংস: এখন পর্যন্ত আসরের ১০ ম্যাচ খেলে ৭টি ম্যাচ জিতে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। দলটি ১০ ম্যাচ খেলে ৩টিতে হেরেছে।তৃতীয় অবস্থানে কিংস ইলাভেন পাঞ্জাব: এখন পর্যন্ত আসরের ৯ ম্যাচ খেলে ৬টি ম্যাচ জিতে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে রয়েছে কিংস ইলাভেন পাঞ্জাব। দলটি ৯ ম্যাচ খেলে ৩টিতে হেরেছে।

    চতুর্থ অবস্থানে কলকাতা নাইট রাইডার্স: এখন পর্যন্ত আসরের ১০ ম্যাচ খেলে ৫টি ম্যাচ জিতে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। দলটি ১০ ম্যাচ খেলে ৫টিতে হেরেছে।

    পঞ্চম অবস্থানে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স: এখন পর্যন্ত আসরের ১০ ম্যাচ খেলে ৪টি ম্যাচ জিতে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে রয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। দলটি ১০ ম্যাচ খেলে ৬টিতে হেরেছে।ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালুরু: এখন পর্যন্ত আসরের ১০ ম্যাচ খেলে ৩টি ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালুরু। দলটি ১০ ম্যাচ খেলে ৭টিতে হেরেছে।সপ্তম অবস্থানে দিল্লী ডেয়ারডেভিলস: এখন পর্যন্ত আসরের ১০ ম্যাচ খেলে ৩টি ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সপ্তম স্থানে রয়েছে দিল্লী ডেয়ারডেভিলস। দলটি ১০ ম্যাচ খেলে ৭টিতে হেরেছে।

    অষ্টম অবস্থানে রাজস্থান রয়েলস: এখন পর্যন্ত আসরের ৯ ম্যাচ খেলে ৩টি ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের অষ্টম স্থানে রয়েছে রাজস্থান রয়েলস। দলটি ৯ ম্যাচ খেলে ৬টিতে হেরেছে।উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ানস ও চেন্নাই সুপার কিংসের উদ্বোধনী ম্যাচের মধ্য দিয়ে এবারের আইপিলের পর্দা ওঠে। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শুরু হয় আইপিএলের ১১তম আসর। ৮ দলের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টটির শেষও হবে এই মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচ খেলার মধ্যদিয়ে।

    ৯টি মাঠে ৫১ দিন ধরে ধুম-ধাড়াক্কা এই টি-২০ টুর্নামেন্ট চলবে। এবারও মাল্টি মিলিয়ন ডলারের এই টুর্নামেন্ট মাতাচ্ছেন বিশ্বের একঝাঁক তারকা ক্রিকেটার।এবারের আসরে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধিত্ব করছেন দুই জন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে সাকিব ও মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে খেলছেন মোস্তাফিজ।

  • নিহত শিক্ষিকার সঙ্গে ব্যাংক কর্মকর্তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল

    অনলাইন ডেস্ক:
    ফরিদপুরে সাজিয়া বেগম নামে সরকারি কলেজের এক শিক্ষিকা ও ফারুক হাসান নামে সোনালী ব্যাংকের এক কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।রবিবার (৬ মে) রাত ১১টার দিকে শহরের দক্ষিণ ঝিলটুলি এলাকায় একটি চারতলা ভবনের নিচতলায় ব্যাংকার ফারুক হাসানের ফ্ল্যাট থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিক্ষিকার স্বামী মটরপার্টস ব্যবসায়ী শেখ শহিদুল ইসলামকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

    নিহত ওই কলেজ শিক্ষিকার নাম সাজিয়া বেগম (৩৬)। তিনি সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। তিনি দুই ছেলে নিয়ে ওই বাসার একটি ফ্লাটে থাকতেন। তার স্বামী ঢাকায় ব্যবসা করেন। তাদের বাড়ি রাজধানীর সূত্রাপুর থানার বানিয়া নগর।নিহত ব্যাংক কর্মকর্তার নাম ফারুক হাসান (৩৮)। তার বাড়ি যশোরের শার্শায় হলেও থাকতেন রাজধানীর আগারগাঁও এলাকার ৩৮নং বাসায়। তিনি সোনালী ব্যাংক ঢাকার মতিঝিল কর্পোরেট শাখার লিগ্যাল মেটারস বিভাগের প্রিন্সিপাল কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    এদিকে জোড়া খুন নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠছে। যার উত্তর মিলছে না এখনও। তবে শিক্ষিকা ও ব্যাংক কর্মকর্তার মধ্যে প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ।ফরিদপুর কোতয়ালি থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ এএফএম নাসিম বলেন, শিক্ষিকার লাশ দরজার পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় এবং ব্যাংক কর্মকর্তার লাশ ফ্যানের হুকের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তার বুকেও আঘাতের ক্ষত রয়েছে। ফ্লাট থেকে রক্ত মাখা চুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে নিহত শিক্ষিকা ও ব্যাংক কর্মকর্তার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সেটা নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। প্রথমে আমরাও ভেবেছিলাম শিক্ষিকাকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যা করেছে ব্যাংক কর্মকর্তা। কিন্তু বেশ কিছু আলামত থেকে এটিকে আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে না। দুইটিই হত্যা বলে মনে করছি। বাকিটা তদন্ত করে আর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জনান, নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা তার পরিচয় গোপন করে এখানে বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। কয়েকদিন আগেই সে এই বাসায় উঠেছে। আবার তার দেহেও আঘাতের ক্ষত ছিল। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত শিক্ষিকার স্বামী শেখ শহিদুল ইসলামকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। তবে তার কাছ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া গেছে কি-না সে তথ্য এখনই বলতে রাজি হননি তিনি। তদন্ত শেষে বলা যাবে।

    এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি। পুলিশ সব কয়টি অ্যাঙ্গেল থেকেই তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।নিহত শিক্ষিকা সাজিয়ার স্বামী শেখ মো. শহিদুল ইসলাম ও ফুফু আফসারী আহমেদ জানান, অন্যান্য দিনের মতো রোববারও যথারীতি কলেজে যান সাজিয়া। বিকেল ৪টায় স্বামীর সঙ্গে ফোনে কথা হলে সাজিয়া বাসায় ফিরছেন বলে জানান। এরপর থেকে আর ফোন রিসিভ করেনি সে।

    বাড়ির মালিকের ছেলে ডেবিড হাসান জানান, নিহত কলেজ শিক্ষিকা এক বছর আগে এই বাসা ভাড়া নেন। তিনি তার দুই সন্তান নিয়ে বাসায় থাকতেন। তার স্বামী ঢাকায় ব্যবসা করে বিধায় মাঝে মধ্যে এই বাসায় আসতেন। ঘটনার দিন তার স্বামী ফরিদপুরের বাসাতেই ছিলেন।আর ব্যাংক কর্মকর্তা ফারুক এক মাস আগে ভাড়া নেন। এক মাস আগে বাসা ভাড়া নিলেও তিনি থাকতেন না। দুইদিন আগে তিনি বাসায় এসে উঠেছেন।

    এদিকে ফারুক হোসেন সোনালী ব্যাংকের ফরিদপুরের কোনো শাখায় কর্মরত ছিলেন না দাবি করেন সোনালী ব্যাংকের ফরিদপুর প্রিন্সিপাল শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. শামসুল হক।তিনি জানান, ফারুক হোসেনের ছবি দেখে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে তিনি সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের লিগ্যাল মেটারস ডিভিশনে প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা বলেন, আমরা একাধিক সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আশা করি দ্রুত জানাতে পারবো সত্যটা কী।

  • কুমিল্লায় ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে ৬২৮ বোতল ফেনসিডিল মাদক ব্যবসায়ী আসলাম মিয়াকে আটক করেছে র‌্যাব। সে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাতঘরিয়া এলাকায় মৃত নূর মিয়ার পুত্র ছেলে।
    সোমবার ভোরে চৌদ্দগ্রাম সাতঘরিয়া গ্রামে অভিযান পরিচালন ফেনসিডিল ও মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিক করে র‌্যাব-১১ কুমিল্লা স্কোয়াড্রন লিডার ও সহকারী পরিচালক (এএসপি) কল্লোল কুমার দত্ত জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে আসলাম মিয়ার (৫০) কাছ থেকে ২ টি চটের বস্তার মধ্যে থাকা ৬২৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, গ্রেফতার আসলাম প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে- সে এবং তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন থেকে চৌদ্দগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় মাদক দ্রব্য বিক্রি করে আসছে।

    এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে কল্লোল বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

  • কুমিল্লায় সাড়ে ৪ হাজার কৃষকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    খায়রুল আহসান মানিক:
    কুমিল্লায় সাড়ে ৪ হাজার কৃষকের ঘাড়ে সাটিফিকেট মামলার খড়গ ঝুঁলছে। কৃষি ঋণের টাকা শোধ করতে না পারা এসব কৃষকের অনেকের নামে ইতোমধ্যে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হয়েছে। গ্রেফতার হলেই মামলার জালে জড়াতে হবে তাদের। জেলার ১৭টি উপজেলার ৬টি ব্যাংকের শাখাসমূহ তাদের ১২ কোটি ৪৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা আদায়ে ৪৫ হাজারটি সাটিফিকেট মামলা দায়ের করে। চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকের পক্ষ থেকে জেনারেল সাটিফিকেট অফিসার আদালতে এসকল ঋণ খেলাপীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

    ব্যাংকওয়ারী খেলাপী ঋণের পরিমাণ ও সাটিফিকেট মামলার সংখ্যা হচ্ছে, সোনালী ব্যাংকের ৩০ লাখ ৯৩ হাজার টাকা আদায়ে মামলা ১১১টি। জনতা ব্যাংকের ২৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা আদায়ে মামলা ১২০টি। অগ্রণী ব্যাংকের ২৩ লাখ ৮৬ হাজার টাকা আদায়ে মামলা ২০৩টি। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ১১ কোটি ৫২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা আদায়ে মামলা ৪ হাজার ৩১টি। রূপালী ব্যাংকের ২ লাখ ৩১ হাজার টাকা আদায়ে মামলা ২৩টি। কর্মসংস্থান ব্যাংক ১৫ লাখ ২৪ হাজার টাকা আদায়ে মামলা ১২টি এবং বি আর ডিবি ৬১ হাজার টাকা আদায়ে ১২টি মামলা করেছে।

    সোনালী ব্যাংক কুমিল্লা প্রিন্সিপাল অফিসের এসিসট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার শাহিদা খানম বলেন, আমরা কৃষি/পল্লী ঋণ খাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের বরাদ্ধকৃত অর্থই কৃষকের মধ্যে বিতরণ করে থাকি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুসারে ঋণ আদায়ের ব্যবস্থা করে থাকি। এ ব্যাপারে আমাদেরকে জেলা – উপজেলা প্রশাসন সহায়তা করে থাকেন। ঋণ আদায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারীকৃত সারকুলারে এর আলোকে ঋণগৃহিতাদের মামলা নিষ্পতির ব্যবস্থা করি। এ ক্ষেত্রে আমরা মানবিক দিকটিও বিবেচনায় রাখি। আমরা চাই ঋণ নিয়ে কেউ হেনস্থা না হন। ঋণগৃহিতাদের সাথে ঋণদাতার সুসর্ম্পক রাখতে আমরা সচেষ্ট থাকি।

  • কুমিল্লায় মসজিদে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা: লম্পট ইমাম গ্রেপ্তার

    (মোঃ ফখরুল ইসলাম সাগর, দেবিদ্বার)

    কুমিল্লার দেবিদ্বারে ইমাম কর্তৃক ৩য় শ্রেণীতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রী’কে যৌনপীড়নের অভিযোগে বরকামতা উত্তরপাড়া এলাকার কেন্দ্রিয় জামে মসজিদের ইমাম মোঃ নুরুল ইসলাম হুজুর (৩০) কে গ্রেপ্তার করেছে দেবিদ্বার থানা পুলিশ। সে চান্দিনা থানার নলপুনি গ্রামের ধনু মিয়ার ছেলে । ওই ঘটনায় এলাকায় নানা গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বরকামতা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের মেহেদী হাসানের ভাগ্নি ৩য় শ্রেণীতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রী(ছদ্দ নাম নীলিমা) শনিবার সকালে সাড়ে ৬টায় কেন্দ্রিয় জামে মসজিদে আরবী পড়তে যায়।

    পরে ওই হুজুর ভিকটিম’কে ডেকে তার পাশে বসিয়ে নিজের যৌন কামনা মিঠানোর জন্য ভিকটিমের বুকের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়া ক্রমাগত জোরে জোরে চাপ দেয় এতে ভিকটিমের বুকে রক্ত জমাটের কারণে কালচে দাগ তৈরি হয়। ভিকটিম বাড়ী ফিরে ব্যথার কথা আপন জনদের জানালে তাকে দেবিদ্বার সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।

    এই ঘটনায় ভিকটিমের মামা মেহেদী হাসান বাদি হয়ে ওই লম্পট মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে যৌনপীড়নের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দেবিদ্বার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    ওই মামলার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দেবিদ্বার থানার উপরিদর্শক(এসআই) মোঃ মোরশেদ আলম রবিবার সকালে একদল পুলিশ ফোর্স নিয়ে আসামী ওই লম্পট ইমাম মোঃ নুরুল ইসলাম হুজুরকে গ্রেপ্তার পূর্বক আদালতে সোপর্দ করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসামী অকপটে তার অপকর্মের কাহিনী বিজ্ঞ আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোকেয়া বেগমের আদালতে কাঃবিঃ ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। পরে তাকে আদালতের নির্দেশে তাকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

  • কুমিল্লায় প্রাইভেটকার ভর্তি বিপুল পরিমান গাঁজাসহ আটক ১

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে জেলা গোয়ান্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে প্রাইভেটকার ভর্তি ১শ ৫০ কেজি গাঁজাসহ মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩৯) কে আটক করা হয়েছে । সে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আড়াইওড়া এলাকার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে। এ সময় প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়।

    সোমবার সকাল ৭ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে  মহাসড়কের বুড়িচং এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    কুমিল্লা জেলা পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, জেলা গোয়ান্দা শাখার এসআই মোঃ শাহ কামাল আকন্দ পিপিএম, এসআই নন্দন চন্দ্র সরকার, এএসআই মোঃ শাহিনুর ইসলাম, এএসআই মোঃ শাহাবুল ইসলাম চট্টগ্রাম – ঢাকাগামী মহাসড়কের বুড়িচং মদিনা সিএনজি পাম্পের সামনে প্রাইভেটকার তল্লাশির করে উক্ত গাঁজা জব্দ করা হয়। এসময় গাড়ি চালক আনোয়ার হোসেনকে আটক করা হয়।

    এই ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই মোঃ শাহ কামাল আকন্দ পিপিএম বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

  • কুমিল্লা বোর্ডের ফলাফল নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    পরপর দুইবার এসএসসির ফলাফলে ভরাডুবির পর এবার সবচেয়ে ভাল ফল হয়েছে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে। এবার ১০টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আর আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। যেখানে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৮০ দশমিক ৪০ শতাংশ।

    গত বছর কুমিল্লার পাসের হার ছিল ৫৯ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। গত পাঁচ বছরে, অর্থাৎ ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ২০১৭ সালেই পাসের হার সবচেয়ে কম ছিল। আর ২০১৬ সালে পাসের হার ছিল ৮৪ শতাংশ।

    কুমিল্লায় পাসের হার হঠাৎ বাড়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ রোববার (৬ মে) সচিবালয়ে ফলাফল নিয়ে আয়জিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘কুমিল্লা বোর্ডের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। দেখেন আপনারাই কিন্তু বলেছিলেন গত দুই বছরে তাদের ফলাফলে বিরাট ফারাকের কথা। আপনাদেরও দাবি ছিল এটা কেন হয়। এ বিষয়ে আমরা বোর্ডকে সজাগ করেছি।

    সার্বিকভাবে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তদর এবং বোর্ড এর সঙ্গে পরামর্শ করে আমরা একটা ব্যাপক প্রচেষ্টা হাতে নিয়েছি যাতে ঘাটতিগুলো পূরণ করতে পারি। দুই বছর ধরে কনটিনিউয়াসলি এই ধারাবাহিকতা বজায়ে যেন থাকে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এসব কারণে হয়তো এবার সমতায় আসছে। হয়তো কেউ কম, কেউ একটু বেশি করেছে। তবে আগে যেমন কুমিল্লার বিষয়টি চোখে লাগতো। এবার সেটা হয়নি। তবে এটার কারণ হচ্ছে গত দুই বছর ধরে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা। এই প্রচেষ্টা নেয়ার ফলে ফলাফল ভাল হয়েছে। হয়তো আরও কোনো কারণ থাকতে পারে সেটি বলা যাবে মূল্যায়নের পরে।

    এক নজরে দেখুন কুমিল্লা বোর্ডের শীর্ষ ১২ প্রতিষ্ঠানের ফলাফল

    ( জাগো কুমিল্লা. কম)

    এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন কুমিল্লা, নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মধ্যে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষ ১২ প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৫ টি প্রতিষ্ঠান শীর্ষে রয়েছে। ৬ষ্ঠ ও ৭ম অবস্থানে রয়েছে নোয়াখলি জেলা দুইটি প্রতিষ্ঠান। ৮ম অবস্থানে রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি স্কুল, ৯ম ও ১০ অবস্থানে রয়েছে ফেনীর দুইটির স্কুল, ১১ ও ১২ তম অবস্থানে রয়েছে চাঁদপুরের দুইটি স্কুল।

    জাগো কুমিল্লা পাঠকদের জন্য জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষ ১২ প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত দেওয়া হলো:

    ১। কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল। পরীক্ষার্থী ছিল ১২ শ ৩৯ জন। জিপিএ৫ পেয়েছে ৩৮৮ জন। পাশের হার ৯৯.৬০ %

    ২। কুমিল্লা জিলা স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ৩৯৫ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৩০ জন। শতভাগ পাশের হার।

    ৩।নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা । মোট পরীক্ষার্থী ৩৭১ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯৯ জন । পাশের হার ৯৯.৭৩ %।

    ৪। ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা । মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯২১ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২০২ জন। পাশের হার ৯৯.৩৫ %

    ৫। ইস্পাহানী স্কুল এণ্ড কলেজ, কুমিল্লা । মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৪২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৮৮ জন। শতভাগ পাশের হার।

    ৬। নোয়াখালি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় । মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৫৫ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১শ ৪৫ জন। পাশের হার ৯৯.৭২ %

    ৭। নোয়াখালি জিলা স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৩৯ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১শ ৪৫ জন। পাশের হার ৯৮.৫৩ %

    ৮। অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সরকারি হাই স্কুল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৭৫ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৩৮ জন। শতভাগ পাশের হার।

    ৯। ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩১৬ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৩৫ জন। পাশের হার ৯৯.৬৮%।

    ১০। ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৩৬ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২৪ জন। পাশের হার ৯৮.৭৩%

    ১১। আল আমিন একাডেমী, চাঁদপুর। মোট পরীক্ষার্থী ৫৯২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১১৮ জন। পাশের হার ৯৬.২৮%

    ১২। মাতৃপিঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর। মোট পরীক্ষার্থী ২৮০ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১০২ জন। পাশের হার ৯৮.৫৭%

    শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানান ,গত বছর তুলনায় এ বছর ২শ ৬৮ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার পাশের ছিল ৫৯.০৩ । যা এ বছর বেড়ে ৮০.৪০ ভাগ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় শতকরা ২১.৩৭ ভাগ ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।  তথ্য সূত্র: কুমিল্ল শিক্ষা বোর্ড।

    কুমিল্লায় এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় আত্মহত্যা

    আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়:

    কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা মধ্য পাড়া গ্রামে এস এস সি পরীক্ষায় ফেল করায় হালিমা আক্তার মনি (১৭) পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা করেছে।রবিবার সন্ধ্যায় তার বশত ঘরের দরজা বন্ধ করে ৎওড়না পেচিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্নহত্যা করে।

    নিহতের মা আয়শা আকতার জানান, আমার মেয়ে আজ রোজা রেখেছে। এই বছর চট্রগ্রাম ষোল শহর পাবলিক স্কুল থেকে ব্যবসা শাখায় এস এস সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে।

    তার রেজিঃ নং ১৫১৪৮১৯০৭৪ রোল নং ৫২৫৮৫২ সে জানতে পারে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়। ইফতারির সময় তাকে খুজে না পেয়ে পাশের ঘরের দরজা খোলে বাড়ীর লোকজন দেখতে পায় সে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। বাড়ীর লোকজন তাকে জীবিত মনে করে সিলিং ফ্যানের থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় নামিয়ে দেখতে পায় সে মারা গেছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: শাহ আলম জাগো কুমিল্লা ডট কমকে জানান, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া আত্মহত্যা করেছে। বিষয়টি তদন্ত শেষ জানা যাবে।

    তবুও কুমিল্লা বোর্ডে ফেল ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন !

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    বার বার ফলাফল বিপর্যয়ের পর নড়ে চড়ে বসে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড। বোর্ডের আওতাধীন ১ হাজার ৭ শ ৭ টি প্রতিষ্ঠানে এস এস সি নির্বাচনী পরীক্ষায় কোন অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহন করানো হয়নি। তবুও কেন এত ফেল !

    এ বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো: শহিদুল ইসলাম জানান, আমরা প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাল ফলাফলে জন্য মতবিনিময় সভা করেছি। নির্বাচনী পরীক্ষায় কোন অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহন না করানোর নির্দেশনা ছিল। তবুও কেন এত ফেল করলো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

    শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানান ,গত বছর তুলনায় এ বছর ২শ ৬৮ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার পাশের ছিল ৫৯.০৩ । যা এ বছর বেড়ে ৮০.৪০ ভাগ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় শতকরা ২১.৩৭ ভাগ ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন।

    এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    সব জেলাকে পেছনে ফেলে শীর্ষে কুমিল্লার ৫ প্রতিষ্ঠান

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে পেছনে ফেলে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লার ৫ টি প্রতিষ্ঠান।

    এর মধ্যে ৩৮৮টি জিপিএ ৫ পেয়ে প্রথম স্থান রয়েছে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল , এ স্কুলে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ শ ৩৯ জন. ফেল করেছে ৪ জন। কুমিল্লা জিলা স্কুলে দ্বিতীয় অবস্থানে। জিপিএ ৫ পেয়ে ৩৩০টি. মোট পরীক্ষার্থী ৩৯৫ জন, শত ভাগ পাশ।

    তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লা ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ৩৭১ জন পরীক্ষার মধ্যে পাশ করেছে ৩৭০ জন। মোট জিপিএ ২৯৯ জন।

    চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ। এই স্কুলে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯২১ জন, পাশ করেছে ৯১৫ জন। জিপি ৫ পেয়েছে ২০২ জন।

    পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লার ইস্পাহানী স্কুল এণ্ড কলেজ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৪২ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ শ ৮৮ জন।

    শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানান ,গত বছর তুলনায় এ বছর ২শ ৬৮ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার পাশের ছিল ৫৯.০৩ । যা এ বছর বেড়ে ৮০.৪০ ভাগ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় শতকরা ২১.৩৭ ভাগ ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।

    রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম।

     

    কুমিল্লা বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডের শতকরা পাশের হার ৮০.৪০ । এই বোর্ডে মোট জিপিএ পেয়েছে ৬ হাজার ৮ শ ৬৫ জন। এবার পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে। মেয়েরা জিপিএ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩ শ ৭৯ জন। ছেলেরা পেয়েছে ৩ হাজার ৪ শ ৮৬ জন।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৭শ ১১ জন জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮ শ ৯৭ জন। ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮ শ ১৪ জন।

    রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো: আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস ছালাম।

    ৫ জেলাকে পেছনে ফেলে   বোর্ডের শীর্ষে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর আওতাধীন নোয়াখালি, ফেনী , চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে পেছনে ফেলে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে অবস্থান করছে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুল।

    এদিকে ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ভিড়ে সকাল থেকেই মুখরিত হয়ে উঠতে থাকে স্কুল প্রাঙ্গন। ফলাফলের প্রত্যাশায় উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

    অবশেষে দুপুর দেড়টায় সকল উদ্বিগ্নতার অবসান ঘটিয়ে স্কুলে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করে।

    এসময় আনন্দে মেতে উঠে শিক্ষার্থীরা। তাদের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেয় স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকরাও।

    এবার কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল থেকে ১২৩৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১২৩৫ জন শিক্ষার্থী পাশ করেছে। কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮৮ জন। পাশের হার ৯৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

    কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা কাঙ্খিত ফল পাওনি তারা মনোবল না হারিয়ে আবারও পূর্ণ উদ্যোমে পড়াশোনা শুরু করে দাও।

    হতাশ না হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। পড়াশোনায় মনোযোগী হলে এবং পরিশ্রম করলে জীবনে সাফল্য আসবেই।

    নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে কুমিল্লা জিলা স্কুল

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)

    কুমিল্লার ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক কুমিল্লা জিলা স্কুল প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এস এস সি পরীক্ষায়ও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে। রবিবার প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে দ্বিতীয় স্থান করেছে।এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৯৫ জন। মোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৩০ জন।

    বাকিরা সবাই এ গ্রেড পেয়ে কৃতকার্য হয়েছে। বর্তমান প্রধান শিক্ষককের গতিশীল নেতৃত্বে জিলা স্কুল প্রতিবছরই সাফল্যের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রেখেছে।গত বছর স্কুলে ৩৬৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৮১ জন।

    কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার জানান, সব ধরণের পাবলিক পরীক্ষায় ফলাফলের অভাবনীয় সাফল্যের দাবিদার এই স্কুল। সুদীর্ঘ ঐহিহ্যের ধারক ও বাহক এই স্কুল প্রতিবছর পুরনো রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়ার কাজে লিপ্ত।

    আসলে ছাত্র-শিক্ষক- অভিভাবক এই তিন দলের সমন্বিত কর্ম প্রচেষ্ঠার পুরস্কার হিসেবে বোর্ডে সেরা স্থানটি দখল করেছে।প্রতি শিক্ষককে অনধিক ১০ জন করে পরীক্ষার্থীকে পারিবারিক পর্যায়ে তদারকির দায়িত্বদান জিলা স্কুলের ভাল ফলাফলর অন্যতম কারণ।

    রাজমিস্ত্রী হয়েও ৩২ বছর বয়সে দাখিল পাশ করলেন কুমিল্লার জাকির

    (মোঃ শাহীন আলম,চৌদ্দগ্রাম )

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেশায় রাজমিস্ত্রী হয়েও ৩২ বছর বয়সে দাখিল পাশ করেছেন জাকির হোসেন নামের এক যুবক। রোববার প্রকাশিত ফলে উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের কাছারিপাড়া ফাযিল মাদরাসার থেকে তিনি জিপিএ-৪.৩০ পেয়েছেন। জাকির একই গ্রামের হতদরিদ্র কৃষক নুরুল ইসলামের পুত্র। তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জনক। তার সাফল্যে আনন্দিত হয়েছেন মাদরাসার শিক্ষক, এলাকাবাসী ও পরিবারের লোকজন।

    গতকাল রোববার দুপুরে সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, জাকির হোসেন আর্থিক সমস্যার কারণে পড়ালেখা বন্ধ করে রাজমিস্ত্রী কাজে যোগ দেন। রাজমিস্ত্রী হিসেবে এলাকায় তাঁর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। কিন্তু তিনি নিয়মিত পবিত্র কোরআন ও হাদিস অধ্যয়ন করতে থাকেন। সুরা আলাক পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৬ বছর আগে আবারও নিয়মিতভাবে পড়ালেখা শুরু করেন। এরই মধ্যে তিনি ২০১৫ সালে কাছারিপাড়া মাদরাসা থেকে জেডিসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

    সম্প্রতি তিনি মাদরাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা মশিউর রহমান সালেহীর বেশি পরামর্শ নিতেন। প্রভাষকও যতœ সহকারে জাকিরকে পড়াতেন। অন্যান্য শিক্ষকরাও তাকে উৎসাহ দিতেন। বর্তমানে তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জনক। বড় মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণি ও ছোট মেয়ে নার্সারিতে পড়ালেখা করে। ছেলেকে আগামী বছর মাদরাসায় ভর্তি করানো হবে।

    কি কারণে ছেলে-মেয়ে এবং সংসার থাকা স্বত্ত্বেও ৩২ বছর বয়সে দাখিল পরীক্ষা দিলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে জাকির হোসেন বলেন-শিক্ষার কোন নির্দিষ্ট বয়স নেই। জ্ঞান অর্জনের জন্যই পড়ালেখা করেছি। কারন-মুর্খ বন্ধুর চেয়ে শিক্ষিত শত্রু অনেক ভালো। আমি চাই-সমাজের সকলেই শিক্ষিত হয়ে যাক। তাহলে সমাজে আর হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানি থাকবে না। সকলেই আল্লাহর নির্দেশিত পথেই চলবে।

    এদিকে কৃষক নুরুল ইসলামের তিন ছেলের মধ্যে জাকির হোসেন সবার ছোট। সাংবাদিক ও স্থানীয়দের মাধ্যমে ছেলের সাফল্যের খবর পেয়ে তিনিও আনন্দিত হয়ে আল্লাহর নিকট শুকরিয়া প্রকাশ করেছেন।
    এ ব্যাপারে মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাখছুদুর রহমান বলেন, জাকির হোসেন নামের ছেলেটি খুবই পরিশ্রমী। তার সাফল্যে আনন্দিত হয়েছি। আমি তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করছি।

     

  • অর্ধবয়সী ছেলের সঙ্গে প্রেম, দেখা করতে এসে গণধর্ষণ!

    অনলাইন ডেস্ক:
    ১৫ বছরের এক স্কুলছাত্রের সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে রাজশাহীতে এসে ৩৫ বছর বয়সী এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এমনকি তাকে দলবেঁধে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী ও নারী।নগরীর চন্দ্রিমা থানা এলাকায় একটি লিচু বাগানে গণধর্ষণের শিকার ওই নারী এখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি রয়েছেন।

    এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে খুলনা থেকে ওই নারী রাজশাহী এসেছিলেন।ওসি আরও বলেন, গত ২ মে সকালে ওই নারী থানায় গিয়ে জানান- তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। চার যুবক তাকে ধর্ষণ করে। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসির হেফাজতে দেয়া হয়।

    পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ওই নারীর বাবা-মা ঢাকায় থাকেন। তাদের খবর দেয়া হয়েছে। তাদের রাজশাহীতে আসার কথা রয়েছে। তারা আসার পর মামলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।ধর্ষণের শিকার ওই নারীর অভিযোগের বরাত দিয়ে ওসি হুমায়ুন জানান, ওই এলাকার রংমিস্ত্রি গাজু মিয়ার ছেলে আকাশের সঙ্গে ওই নারীর মোবাইল ফোনে পরিচয় ঘটে।

    পরিচয়ের জের ধরে গত ১ মে ওই নারী রাজশাহীতে আসেন। দুপুরে আকাশের দুই বন্ধুর সঙ্গে ওই নারী গাজু মিয়ার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে ওই নারী আকাশের সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্কের কথা জানান এবং বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু আকাশের বাবা-মা এতে রাজি না হয়ে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেন।পরে আকাশের দুই বন্ধু ওই নারীকে নিয়ে চলে যায়। রাতে স্থানীয় একটি লিচু বাগানে রেখে চার যুবক মিলে ধর্ষণ করে বলে ওই নারীর অভিযোগ।

    এ ঘটনার সঙ্গে তার ছেলে জড়িত ছিল না বলে দাবি করে আকাশের বাবা গাজু মিয়া বলেন, ওই মেয়ের বয়স প্রায় ৩৫ বছর। আর আমার ছেলে আকাশের বয়স ১৫ বছর। সে নবম শ্রেণির ছাত্র। তাদের দুপুরে খাওয়ানোর পর বাড়ি থেকে চলে যেতে বলা হয়। আকাশের দুই বন্ধু ওই মেয়েকে নিয়ে চলে যায়। এর পর কী হয়েছে সে ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই।তবে পরের দিন চন্দ্রিমা থানার ওসি তাকে জানিয়েছে- ওই মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন

  • চাচি শাশুড়ির সঙ্গে পরকীয়ায় যুবলীগ নেতাকে পুড়িয়ে হত্যা

    অনলাইন ডেস্ক:
    চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এক যুবলীগ নেতাকে পরিকল্পিতভাবে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে দূর সম্পর্কের চাচি শাশুড়ির সঙ্গে পরকীয়ার জেরে আবুল হাসেম প্রকাশ বাচা মিয়াকে (৫৫) হত্যা করা হয়েছে।

    শনিবার (৫ মে) রাতে জেবু আক্তারকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে আবুল হাসেমের ব্যবহৃত ৩টি মোবাইল ও একটি ট্যাব উদ্ধার করা হয়।গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে জেবু আক্তার।এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ‘যুবলীগ নেতা আবুল হাসেম প্রকাশ বাচা মিয়ার সঙ্গে তার দূর সম্পর্কের চাচি জেবু আক্তারের পরকীয়া ছিল। আর এরই জেরে তাকে ‘পরিকল্পিতভাবে’ আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আগুনে পুড়ে আবুল কাসেমের মৃত্যু হয়নি। তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনিই বিস্তারিত জানিয়েছেন।’

    এই কর্মকর্তা বলেন, ‘জেবু আক্তারও একই এলাকার বাসিন্দা। হাসেমের সঙ্গে তার পরকীয়া ছিল। কিন্তু, তিনি নানাভাবে তাকে হয়রানি করতেন। এতে অতিষ্ট হয়েই জেবু আক্তার যুবলীগ নেতাকে হত্যা করেন বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করছেন তিনি।’জেবু আক্তার জানিয়েছেন, জুসের সঙ্গে তিনি হাসেমকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান। এরপর সিলিন্ডার খুলে দিয়ে আগুন লাগানোর ব্যবস্থা করে ওই বাসা থেকে বেরিয়ে যান।

    এর আগে শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া ইছামতী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে আবুল হাসেমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন।

    আর সে সময় রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি ইমতিয়াজ ভূঁইয়া জানিয়েছিলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে আবুল হাসেমের লাশ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে লাগা আগুনে তিনি দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন।স্ত্রী-সন্তান বেড়াতে যাওয়ায় হাশেম রাতে একাই বাড়িতে ছিলেন বলেও জানিয়েছিলেন ওসি।

  • জিনসাপ তাড়াতে ‘ঝাড়ফুঁকের’ রমরমা নাটক!

    অনলাইন ডেস্ক:
    অদৃশ্য সাপ আতঙ্ককে পুঁজি করে চুয়াডাঙ্গায় আলমডাঙ্গার পল্লী বলেশ্বরপুর গ্রামে গত কয়েকদিন ধরে চলছে বাপ-ব্যাটার হাত চালানসহ ঝাড়ফুঁকের রমরমা নাটক। এর আড়ালে রয়েছে অর্থ-বাণিজ্যের ফাঁদপাতার পায়তারা। গত বুধবার থেকে এ ঝাড়ফুঁক নাটকের সাথে যুক্ত হয়েছে একই উপজেলার বেলগাছি শেখ পাড়ার সুফিয়া খাতুন নামের এক নারী কবিরাজ। তিনি ও ধ্যানের নামে জিনসাপের কথা বলে আতঙ্কের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুণ। ফলে বলেম্বরপুর উত্তরপাড়া বা স্কুল পাড়ার আবাল বৃদ্ধ বনিতা এখন জিনসাপের খুশি করতে ছিন্নি-সালাতের আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

    জানা গেছে, আলমডাঙ্গা শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরের গ্রাম বলেশ্বরপুর। আলমডাঙ্গা আইলহাস ইউনিয়ের বলেশ্বরপুর স্কুলপাড়ায় গত বুধবার কে বা কারা সাপ আতঙ্ক ছড়ায়। অদৃশ্য সাপে কাটছে বলে আতঙ্ক ছড়ালে মহল্লায় বেশ ক’জন তাতে আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। কেউ মাঠে গিয়ে কাঠির খোঁচায় কাটলেও সাপে কেটেছে বলে আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে ওই বাপ-ব্যাটা ওঝার কাছে গিয়ে চিকিৎসা নিতে শুরু করেন। কেউ বাড়ির বাইরে রাস্তায় দাড়িয়েই সর্প দংশনের শিকার হয়েছে বলে ছুটতে শুরু করেন ওঁঝার বাড়িতে। এভাবে যত আতঙ্ক ছড়াতে থাকে, ততই আক্রান্ত হতে থাকে শিশু-কিশোর, নারী-পুরুষ।তবে স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, এটা গণমনস্তাত্ত্বিক সমস্যা ছাড়া কিছুই নয়।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাবাসী জানায়, সাপ দেখা যাচ্ছে না। অদৃশ্য সাপে কেটেছে বলে সন্দেহ হতেই গায়ে জ্বালাপোড়া শুরু হচ্ছে। ওঝার কাছে গেলে হাতচালান দিয়ে, কারো ক্ষেত্রে বলছে বিষ বুক পর্যন্ত উঠেছে, আবার কারো বলছে গলা পর্যন্ত বিষ উঠে গেছে। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির আতঙ্কের মাত্রা আরো বেড়ে যাওয়ায় ঘাড় পর্যন্ত বাকা হয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে গ্রামের কেউ কেউ গত বৃহস্পবার খবর দেন বেলগাছি শেখ পাড়ার গ্রামের নারী ওঝা সুফিয়া খাতুনকে। তিনি বৃহস্পতিবার খবরে পেয়ে রাতে বলেম্বরপুর গ্রামের ওঝা মনোয়ার মন্ডলের বাড়ি বসে শুরু করেন ধ্যানের নামে নাটক। এই মনোয়ার মণ্ডলই বাপ-ব্যাটা দু’জন মিলে কয়েকদিন ধরে ঝাড়ফুঁক নামে নাটক চালিয়ে যাচ্ছেন। ধ্যানের ভান করে দীর্ঘ সময় বসে থাকার পরে তিনি বলেন, জিনসাপের উপদ্রব হয়েছে। এ জিনসাপ তাড়াতে হলে গ্রামে খাসি মেরে ছিন্নি করতে হবে। গত শুক্রবার চাল-ডাল তুলে খিচুড়ি রান্না করে ছিন্নি করা হয়েছে।

    বলেশ্বরপুর উত্তর পাড়ার মনোয়ার মন্ডল ঠিক কবে, কখন থেকে ওঝাগিরি শুরু করেছেন তা স্পষ্ট করে তেমন কেউ বলতে পারেনি। গত বুধবার তিনি রিপা নামের ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে সাপে কেটেছে বলে ঝাড়ফুঁক শুরু করেন। নিজের বাড়িতে এ ঝাড়ফুঁকের নাটক করা হয়। এই দৃশ্য দেখে ও সাপে কাটার গল্প শুনে আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে ৯ বছরের শিশু বায়েজিদও সাপে কেটেছে বলে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। তাকে নেয়া হয় ওই ওঝার কাছে। শুর হয় ঝাড়ফুঁক। একই দিন মুক্তা (২৩) ও রকিবুল ইসলাম (১৭) সহ রবিবার (৬ মে) পর্যন্ত গ্রামটির ৩৩ জন কথিত জিনসাপের দংশনে অসুস্থ হয়েছে।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, যে ৩৩ জন কথিত জিনসাপে দংশন করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তারা সবাই একই মহল্লার বাসিন্দা এবং পরস্পরের আত্মীয়। তাদের শরীরে কোথাও কাটা-ছেঁড়ার দাগ পাওয়া যায়নি। অথচ তারা প্রচার করছেন, কারো পায়ে, কারো হাতে, কারো শরীরে দংশন করেছে জিনসাপ। সবাই অভিন্ন ভাষায় শরীর দুর্বল, মাথা ঝিমঝিম করা ও শরীর জ্বলে যাওয়ার কথা বলছেন।

    যারা জিনসাপের অস্তিত্ব নেই বলে মত দিয়েছেন, তারা বলছেন, এক শ্রেণির মানুষ বৃথা আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তাদের লক্ষ্য, টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়া।এমন ভাষ্যের সত্যতা মিলল ওঝা মনোয়ারের বাড়িতে অবস্থানকালেই। সেখানে আসেন ঝিনাইদহের সাপুড়ে লিটন মল্লিক। তিনি দাবি করেন, গ্রামটিতে জিনসাপকে সন্তুষ্ট করতে ঝাঁপান (ডুলিবিশেষ, মনসাপূজার অনুষ্ঠানাদির অঙ্গবিশেষ) গানের আয়োজন করতে হবে। এতে প্রায় ১২ হাজার টাকা খরচ হবে।

    হাড়োকান্দি-বলেশ্বপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির ছাত্র হৃদয় আলী বলেন, তার ছোট বোন রিপা খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসক জানিয়েছেন, সে গণমনস্তাত্ত্বিক রোগে ভুগছে। হৃদয় আরো বলেন, আমিও জিনসাপে বিশ্বাস করি না।ওই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক ছানোয়ার হোসেন বলেন, ইসলাম ধর্মে কোথাও জিনসাপের অস্তিত্ব নেই। এটা এক ধরনের কুসংস্কার।

    আলমডাঙ্গা উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, যারা জিনসাপে কামড়িয়েছে বলে দাবি করছে, তারা আসলে গণমনস্তাত্ত্বিক রোগে ভুগছে। এটা আসলে একজনের দেখাদেখি অন্যজন অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা।

    চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা: খাইরুল আলম বলেন, ‘বলেশ্বরপুর গ্রামে সাপের উৎপাতের খবর আমি শুনেছি’। সাপে দংশন করা রোগীর চিকিৎসার জন্য ইনজেকশন আছে হাসপাতালে। গ্রামে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিতে হবে। গ্রামটিতে মেডিকেল টিম পাঠানো হবে।