Author: bikedokan@gmail.com

  • আইপিএলে এসে প্রেমে পড়লেন ডোয়েন ব্রাভো? কে এই অভিনেত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:
    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১১তম আসর জমে উঠেছে। প্রতিটি ম্যাচেই চলছে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর জন্য এরই মধ্যে কয়েকটি দল প্লে’অফের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১০ মে) পর্যন্ত মাল্টি মিলিয়ন ডলারের এবারের টুর্নামেন্টে পয়েন্ট টেবিলের সবার উপরে অর্থাৎ প্রথম অবস্থানে রয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এরপর যথাক্রমে দ্বিতীয় অবস্থানে চেন্নাই সুপার কিংস, তৃতীয় অবস্থানে কিংস ইলাভেন পাঞ্জাব, চতুর্থ অবস্থানে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, পঞ্চম অবস্থানে কলকাতা নাইট রাইডার্স, ষষ্ঠ অবস্থানে রাজস্থান রয়েলস, সপ্তম অবস্থানে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালুরু, অষ্টম অবস্থানে দিল্লী ডেয়ারডেভিলস রয়েছে।

    এদিকে, আইপিএলের ফাঁকে প্রেম করছেন ডোয়েন ব্রাভো? এমন গুঞ্জন শোন যাচ্ছে। একজন ভারতীয় অভিনেত্রীর সঙ্গে নাকি যেখানে সেখানে দেখা যাচ্ছে ক্যারিবিয়ান তারকাকে। কে সেই সুন্দরী পাত্রী, কেউ কিছু আন্দাজ করতে পেরেছেন?

    ক্রিকেট মাঠের বাইশ গজে রান তাড়া করার ফাঁকে এক ভারতীয় সুন্দরীর প্রেমে নাকি হাবুডুবু খাচ্ছেন এই ক্যারিবিয়ান তারকা। তবে এ নিয়ে পাত্র-পাত্রী কেউই কিন্তু প্রেমের কথা স্বীকার করেননি।

    ভারতীয় সুপার মডেল ও অভিনেত্রী নাতাশা সুরির সঙ্গে বেশ কয়েক বার দেখা গিয়েছে ব্রাভোকে। সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটি কফি শপেও নাতাশা-ব্রাভোকে ক্যামেরাবন্দি করেছেন পাপারাৎিজরা। কিন্তু কে এই নাতাশা সুরি?

    ২০০৬ সালে ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ড খেতাব জেতেন নাতাশা। মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতাতেও প্রথম দশের মধ্যে ছিলেন তিনি।

    মডেলিংয়ের পাশাপাশি অভিনয়তেও সমান স্বচ্ছন্দ নাতাশা। ২০১৬ সালে ‘কিং লায়ার’ মালয়ালম ছবি দিয়েই অভিনয় জীবনে পা রাখেন। ২০১৮ সালে বলি ছবি ‘বা বা ব্ল্যাক শিপ’-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যায় তাকে। ওয়েব সিরিজ ‘ইনসাইড এজ’-এও অভিনয় করেছেন নাতাশা।

    আইপিএলের উত্তেজনা ছাড়িয়েও নাতাশা-ব্রাভো সম্পর্ক এখন হিট লিস্টে। বেশ কয়েকবার স্টেডিয়ামে বসে চেন্নাই সুপার কিংসের ম্যাচ দেখতেও দেখা গিয়েছে নাতাশাকে। ভাল করে খেলার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রাভোকে আগাম অভিনন্দনও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ব্রাভোর সঙ্গে নিজস্বী পোস্ট করেছেন নাতাশা। তবে সেখানে ব্রাভোকে ভাল বন্ধু বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি।

    উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই প্রেমিকা মডেল রেগিনা রামজিতের সঙ্গে ব্রেক আপ হয়ে গিয়েছে ব্রাভোর। ফের কি তাহলে তিনি প্রেমে মজেছেন? এমনই গুঞ্জন উঠেছে।

  • যে কারণে ঈদে মুক্তি পাচ্ছে না শাকিবের ‘ভাইজান এলো রে’

    অনলাইন ডেস্ক:
    শাকিব খানের নতুন ছবি ‘ভাইজান এলো রে’ নিয়ে যেন দর্শকদের উৎসাহের কমতি নেই। কলকাতার এই ছবিটি নির্মাণ করেছে জয়দীপ মুখার্জি। সাফাটা চুক্তির আওতায় ছবিটি আসছে রোজার ঈদে বাংলাদেশে মুক্তি দেয়ার কথা থাকলেও তা আর সম্ভব হচ্ছে না।

    একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে হাইকোট থেকে রুল জারি করা হয়েছে যে বাংলাদেশে কোন উৎসবে বিদেশি ছবি প্রদর্শন করা যাবে না। এখন শুধু কাগজে কলমে সময়ের অপেক্ষা।

    এদিকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন ‘ভাইজান এলো রে’সহ বিদেশি কোনো ছবি বাংলাদেশে মুক্তি পাবে না উল্লেখ করে বিডি২৪লাইভকে বলেন, ‘জয়দীপ মুখার্জি আমাদের সমিতিতে সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছেন। পৃথিবীর যেকোনো দেশের নাগরিক যদি বাংলাদেশের স্থানীয় ছবি নির্মাণ করতে চান, তাহলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সদস্যপদের জন্য আবেদন করতে হবে ছবি নির্মাণের আগে।

    সেক্ষেত্রে তিনি যে দেশের নাগরিক, তার পাসপোর্টের ফটোকপি, সেই দেশের পরিচালক সমিতির সনদসহ কিছু প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিতে হবে। সঙ্গে কোন ছবিটি আপনি নির্মাণ করতে চান, তার নাম অবশ্যই জমা দিতে হবে শিল্পীদের নামসহ। জয়দীপ মুখার্জি সব কাগজ জমা দিয়েছেন, আমরা সমিতিতে উনার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। কিন্তু আমরা যতটুকু জানি কলকাতায় তার ‘ভাইজান এলো রে’ ছবির কাজ শেষ এমনকি ডাবিং ও শেষ। সুতরাং তিনি এখন মিথ্যা বলে সদস্যপদ নিতে চাইলে তো আমরা তাকে দিয়ে দিবো না।

    তামিল ছবির রিমেক-এর আলোকে এই ছবিটি প্রযোজনা করছে কলকাতার এসকে মুভিজ। শাকিব-শ্রাবন্তী, দীপা খন্দকার, ‌মনিরা মিঠু ছাড়াও এতে আরো অভিনয় করছেন বাংলাদেশের শাহেদ আলী, কলকাতার রজতাভ দত্ত, বিশ্বনাথ, শান্তিলাল মুখার্জি। ছবিতে শাকিব দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করবেন। আর শাকিবের বিপরীতে আছেন দুই নায়িকা। তারা হলেন শ্রাবন্তী ও পায়েল সরকার।গত ২১ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় ‘ভাইজান এলো রে’ ছবির ঘরোয়া মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • যে কারণে ৪ ক্রিকেটারকে আইপিএল ছাড়ার নির্দেশ !

    খেলা ডেস্ক:
    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) এগারোতম আসর জমে উঠেছে। প্রতিটি ম্যাচেই চলছে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর জন্য এরইমধ্যে এলো একটি খারাপ খবর। আইপিএলের বিভিন্ন দলে খেলা চার ক্রিকেটারকে জরুরী ভিত্তিতে দেশে ডেকে পাঠিয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।

    মাল্টি মিলিয়ন ডলারের এবারের টুর্নামেন্ট চলার শেষ দিকে হোমগ্রাউন্ডে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড। ২৪ মে ক্রিকেটের মক্কাখ্যাত লর্ডসে প্রথম ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াবে ওই সিরিজ। তা সামনে রেখে আগামী ১৭ মের মধ্যে ৪ ইংলিশ ক্রিকেটারকে আইপিএল ছেড়ে দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড।

    সঙ্গত কারণে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বেন স্টোকস, ক্রিস ওকস, মঈন আলি ও মার্ক উডের সেবা পাবে না দলগুলো। চারজনের মধ্যে অবশ্য স্টোকস ছাড়া বাকি কেউই এবারের আইপিএলে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না।

    রাজস্থান রয়্যালসে খেলছেন স্টোকস। তবে তার পারফরশ্যান্স আশাব্যঞ্জক নয়। বারবার প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হচ্ছেন বিশ্ব কাঁপানো অলরাউন্ডার।

    রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে আছেন ওকস। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামলেও এর পর আর সুযোগ পাননি তিনি। একই দলে আছেন সতীর্থ মঈন আলি। তবে এখনও কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি এ অলরাউন্ডারা। আর চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে খেলছেন উড। তিনিও নিয়মিত দলে সুযোগ পাচ্ছেন না।

    কদিন আগে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস বোলিং পরামর্শক লাসিথ মালিঙ্গাকে ডেকে পাঠায় শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)। তবে দেশের ডাক উপেক্ষা করেই আলো ঝলমলে আইপিএলকেই আপাতত বেছে নেন ভিন্নধর্মী অ্যাকশনের এ পেসার। এবার বোর্ডের ডাকে ৪ ইংলিশ ক্রিকেটার কত দ্রুত ও ইতিবাচক সাড়া দেয় তাই দেখার।

  • মুরাদনগরে বজ্রপাত ও বিদ্যৎস্পৃষ্টে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫

    (মো: নাজিম উদ্দিন, মুরাদনগর )

    কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বিভিন্নস্থানে বজ্রপাত ও বিদ্যূৎস্পৃষ্ট এবং জানালায় মাথা আটকা পড়ে এক শিশুসহ ৫জন নিহত হয়েছে।বুধবার বিকেলে উপজেলার যাত্রাপুর, কড়ইবাড়ী ও চাপিতলায় এই ঘটনা গুলো ঘটে।

    নিহতরা হলেন যাত্রাপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ফিরোজ মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়া(১৮) একই পাড়ার হামিদ মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া (১৪), আকবপুর ইউনিয়নের কড়ইবাড়ী গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে রুবেল মিয়া(২৭), চাপিতলা গ্রামের সরকার বাড়ীর মৃত বারেক মিয়ার ছেলে জীবন মিয়া (৩৫) এবং যাত্রাপুর গ্রামের দক্ষিনপাড়ার ইউসুফ মিয়ার শিশুপুত্র আবদুল্লাহ(২)।

    জানা যায়, উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের দক্ষিন পাড়া খেলার মাঠ সংলগ্ন বোরোর ফসলি জমিতে সেলিম, ইমনসহ বেশ কয়েকজন কিশোর দিনমজুর হিসেবে ধান কাটতে যায়। বিকেলে হঠাৎ বৃষ্ঠি শুরু হওয়ায় ইমন ও সেলিম দৌড়ে বাড়ী ফেরার পথে মাঠের মধ্যেই বজ্রপাতে পতিত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরন করে। একই সময়ে আকবপুর ইউনিয়নের কড়ইবাড়ী গ্রামে কৃষি জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে রুবেল মিয়া নামের একজন কৃষক নিহত হয়।

    অপরদিকে বুধবার বিকেলে বৃষ্টি পরবর্তী সময়ে চাপিতলা সরকার বাড়ী সংলগ্ন বিদ্যূতের একটি খুটি ঝড়ে হেলে পড়লে ঠিকাদার কবির হোসেন খুটিটিকে সোজা করার জন্য ৮/৯জন লোককে ডেকে নিয়ে যায়। খুটিটি সোজা করার সময় হঠাৎ একটি ক্যাবল ছিড়ে পড়লে বিদ্যূৎস্পৃষ্ট হয়ে জীবন মিয়া (৩৫) ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এসময় ইসমত আলী(৪০) নামে একজন আহত হয়।

    এদিকে বুধবার বিকেলে যাত্রাপুর পশ্চিমপাড়ার ইউসুফ মিয়ার দুই বছরের শিশুপুত্র আবদুল্লাহ তার বসত ঘরের বিছানায় খেলা করার সময় বিছানা সংলগ্ন জানালার কাঠের ফাকে মাথা আটকে মারা যায়।

    মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুর আলম ও বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার হোসেন চৌধুরী ঘটনার সত্যাতা নিশ্চিত করেছেন।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিতু মরিয়ম বলেন বজ্রপাতে নিহতদের পরিবারকে উপজেলা প্রশাসন থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

  • যে বদঅভ্যাস গুলো কিডনিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে

    অনলাইন ডেস্ক :
    আপনার বদঅভ্যাস কি কিডনিকে ধ্বংস করছে? শরীরে কোনো বিষাক্ত বর্জ্য জমতে দেয় না কিডনি। তাই কিডনি আমাদের দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর একটি। প্রতিদিন আমাদের দুটি কিডনি ১২০-১৫০ কোয়ার্ট রক্ত, বর্জ্য এবং অতিরিক্ত তরল ফিল্টার করে ১-২ কোয়ার্ট পেশাব উৎপাদন করে। ইলেকট্রোলাইট নিয়ন্ত্রণ এবং হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখার হরমোন উৎপাদনও করে কিডনি। এছাড়া লাল রক্ত কনিকা উৎপাদন এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে কিডনি।

    এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কীভাবে ভালো থাকবে তা জানাটা যে জরুরি সেটা বলাই বাহুল্য। এখানে রইল প্রতিদিনের এমন ১০টি অভ্যাসের বিবরণ যেগুলো আপনার কিডনিকে ধ্বংস করছে।

    ১. অতিরিক্ত মদপান

    প্রতিদিন এক পেগের বেশি মদপান করলে কিডনি বিকল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। কারণ অ্যালকোহল কিডনি এবং লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে।

    ২. পেশাব ধরে রাখা

    সময় মতো পেশাব না করে তা চেপে রাখলে কিডনির ওপর যে চাপ পড়ে তার ফলে কিডনি বিকল হওয়া এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার মতো বিপদ ডেকে আনতে পারে।

    ৩. পর্যাপ্ত পানি পান না করা

    আপনি যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করেন তাহলে দেহ থেকে যেসব বর্জ্য এবং বিষ বের হয়ে যাওয়ার কথা ছিল সেসব না বের হয়ে জমা হতে থাকবে। যার ফলে কিডনির মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    ৪. অতিরিক্ত চিনি খাওয়া

    গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন দুইবাবের বেশি মিষ্টি পানীয় পান করেন তাদের পেশাবে প্রোটিন দেখা দেয়। কিডনি বিকল হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণগুলোর একটি এটি।

    ৫. অতিরিক্ত লবণ খাওয়া

    শরীরে অতিরিক্ত সোডিয়াম প্রবেশ করলে কিডনি ড্যামেজ হতে পারে। কারণ তা কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করে এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।

    ৬. ঘুম কম হওয়া

    দীর্ঘদিন ধরে ঘুম কম হলে কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে। কেননা কিডনিতে দিনের বেলায় যে ড্যামেজ হয় তা মেরামতের জন্য রাতে ভালো ঘুম দরকার হয়।

    ৭. ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি

    আপনি যেসব খাবার খান সেসবের ওপরই কিডনির ভালো থাকা না থাকার বিষয়টি নির্ভর করে। আপনার শরীরে যদি ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিন বি৬ এর ঘাটতি থাকে তাহলে আপনার দেহ ঠিকঠাক মতো কাজ করবে না।

    ৮. অতিরিক্ত কফি পান

    ক্যাফেইন কিডনির ওপর চাপ এবং রক্তচাপ বাড়ায়। দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত কফি পান করলে কিডনি বিকল হয়ে পড়তে পারে।

    ৯. ব্যাথানাশক ওষুধের অপব্যবহার

    যন্ত্রণা এবং ব্যাথা দূর করার জন্য যেসব ওষুধ সেবন করা হয় সেসবের বেশ কয়েকটিতে আছে বিপজ্জনক সব রাসায়নিক। যা থেকে দেহে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর এসবের ওষুধের মারাত্মক ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর একটি হলো কিডনি এবং লিভার ধ্বংস।

    ১০. অতিরিক্ত প্রাণিজ প্রোটিন খাওয়া

    লাল মাংসের মতো প্রাণিজ প্রোটিন বেশি খাওয়ার ফলে কিডনির বিপাকীয় প্রক্রিয়ার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। সুতরাং লাল মাংস না খাওয়াই কিডনি ভালো রাখার উপায়।

  • কয়েক মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড কুমিল্লা !

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    হঠাৎ করে মেঘ, বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় লণ্ডভণ্ড কুমিল্লা। দুপুর ১২ টার দিক থেকে মেঘে ঢাকতে শুরু করে কুমিল্লার আকাশ। মুহূর্তে সেই মেঘ পরিণত হয় কালো বজ্রমেঘে। দিনেই রাতের মতো কালো আঁধার নেমে আসে। সাথে ঝড়ো হাওয়া। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও কোন ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

    বৃহস্পতিবার (১০ মে)  ১২ টার ২০মিনিটের দিকে কালো আকাশ ভেঙে নামে বৃষ্টি। সঙ্গে শুরু হয়ে ঝড়ো হাওয়া। ঝড়ো হাওয়ায় কুমিল্লা বিভিন্ন এলাকার গাছ ভেঙ্গে পড়েছে রাস্তায়। কোথাও কোথাও রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সাড়ে ১২ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত  ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে।

    এদিকে হঠাৎ বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। বৃষ্টির কবলে পড়া মানুষদের ছাতা উল্টিয়ে ফেলতে দেখা গেছে কুমিল্লার কান্দিরপাড়।

    কুমিল্লায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রীসহ ৬ নারী পুরুষ আটক

    লাকসাম প্রতিনিধি:
    লাকসামে পতিতাবৃত্তির অভিযোগে এক প্রবাসীর স্ত্রীসহ ৬ নারী পুরুষকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে শহরের বাইপাস নশরতপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। বুধবার আটককৃতদের কুমিল্লা আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

    আটককৃতরা হলো বাগেরহাট জেলার মোল্লার হাটের খান আতাউর রহমানের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদাউস (২৪), জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার মাতপুর গ্রামের লিটন মিয়ার স্ত্রী হাসনা বেগম (২০), সদর দক্ষিণ উপজেলার কালরা গ্রামের প্রবাসী হারুন মিয়ার স্ত্রী সাহিদা বেগম (৪০), নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে মিজানুর রহমান (৪২), একই উপজেলার পরিকোট গ্রামের মৃত আলী হোসেনের ছেলে শাহাবুদ্দীন (৪৮) এবং লাকসাম উপজেলার কাদরা গ্রামের মৃত আবদুল কাদেরের ছেলে মোঃ সাফায়েত হোসেন (২৪)।

    জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে শহরের বাইপাস নশরতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে থেকে পুলিশ ওই ৩নারী ও ৩পুরুষকে আটক করে।

    লাকসাম থানার এস আই জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে অসামাজিক কার্যকালঅপের অভিযোগে মামলা দায়ের করা জয়েছে। বুধবার আটককৃতদের কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

    মিসকল থেকে পরকীয়া শুরু, হত্যায় সমাপ্তি

    অনলাইন ডেস্ক:
    মুঠোফোনে পরিচয় হওয়ার পরে পরকীয়ার টানে প্রথম স্বামীর সংসার ছেড়ে বরিশালের গৌরনদী পৌর এলাকার গেরাকুল মহল্লায় জাহিদুর রহমান মৃধার সঙ্গে সংসার বেঁধেছিলেন এক সন্তানের জননী নাদিয়া বেগম (২০)।

    পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে এক বছর সংসার করে অবশেষে দ্বিতীয় স্বামী জাহিদুরের নির্যাতনের শিকার হয়ে সোমবার রাতে মারা গেছে নাদিয়া বেগম। মঙ্গলবার সকালে হাসপাতাল থেকে নাদিয়া বেগমের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    মিসকল থেকে পরকীয়া শুরু, হত্যায় সমাপ্তি
    মিসকল থেকে পরকীয়া শুরু, হত্যায় সমাপ্তি

    নাদিয়ার স্বজনরা জানান, প্রায় ৩ বছর আগে মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার চরপালরদী গ্রামের কবির আকনের মেয়ে নাদিয়ার সঙ্গে আগৈলঝাড়া উপজেলার মো. মনির হোসেনের (৩০) সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। স্বামী মনির হোসেন ঢাকায় থাকা সুবাদে নাদিয়া বেগম সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করতেন। দেড় বছর আগে মুঠোফোনের মিস কলের সূত্র ধরে নাদিয়া বেগমের পরিচয় হয় গৌরনদী পৌর এলাকার গেরাকুল মহল্লার মৃত মো. সেলিম মৃধার ছেলে জাহিদুর রহমান মৃধার (২১) সঙ্গে। ফোনে কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরকীয়ার এক পর্যায়ে গত বছর (২০১৭) এপ্রিল মাসে নাদিয়া স্বামীর ঘর ছেড়ে পরকীয়া প্রেমিক জাহিদুরকে বিয়ে করে তার সঙ্গে সংসার শুরু করেন।

    নিহত নাদিয়ার মা আলেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ে নাদিয়ার দ্বিতীয় স্বামী জাহিদুর রহমান একজন মাদক সেবি। সে মাদক সেবন করে প্রায়ই নাদিয়াকে মারধর করতো। নাদিয়া বিষয়টি পূর্বেই তাকে জানান। গত সোমবার রাতে নাদিয়ার সঙ্গে স্বামী জাহিদুরের ঝগড়াঝাটি হয়। এক পর্যায়ে জাহিদুর নাদিয়াকে পিটিয়ে হত্যা করে মৃতদেহ ঘরে ঝুলিয়ে রাখে। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সকালে নাদিয়ার লাশ হাসপাতালে রেখে আমাকে আত্মহত্যার কথা জানিয়ে খবর দেয়। আমি এসে নাদিয়ার গায়ে নির্যাতনের চিহ্ন দেখতে পাই। আমার কন্যা নাদিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগের ব্যাপারে জাহিদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। এলাকার লোকজন জানান, হাসপাতাল থেকে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করার পর থেকে জাহিদুর রহমান গা ঢাকা দিয়েছে।

    গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইকবাল কবির জানান, অভিযোগ পেয়ে সকালে হাসপাতাল থেকে গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে থানায় ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রির্পোট হাতে পাওয়ার পরে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে হত্যা মামলা রুজু করা হবে।

    ছাত্রীদের ফ্লাটে নেয়া সেই শিক্ষকের অপকর্মের বর্ণনা দিলো ছাত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:
    মাদারীপুরের শিবচর উমেদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে তিন বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠা সেই শিক্ষক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর মা।

    সোমবার রাতে শিবচর থানায় মামলাটি করা হয়। মামলার এক মাত্র আসামি শিক্ষক রবিউল গত দেড় মাস ধরে পলাতক। মায়ের সঙ্গে থানায় মামলা করতে এসে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ে ওই ছাত্রী। কান্না করতে করতে পুলিশের কাছে শিক্ষক রবিউলের অপকর্মের বর্ণনা দেয় ছাত্রী।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবচর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন। তিনি বলেন, ওই ছাত্রীকে নিয়ে তার মা থানায় আসেন। তখন মেয়েটি কান্না করছিল। কান্নারত অবস্থায় ওই ছাত্রী রবিউলের নানা অপকর্মের বর্ণনা দেয়। পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) শাজাহান মিয়া এবং আমি ওই ছাত্রীকে বারবার স্বাভাবিক করার চেষ্টা করি। রবিউলকে গ্রেফতার ও শাস্তির আশ্বাস দিই। তবুও কিছুতেই থামছিল না মেয়েটির কান্না। অনেক বুঝিয়ে-শুনিয়ে তাদের বাড়ি পাঠাই।

    ওসি বলেন, শিক্ষক রবিউলের বিরুদ্ধে মেয়েটি যে তথ্য দিয়েছে তা লোমহর্ষক। প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে তিন বছর ধরে ওই ছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছে রবিউল। এছাড়া আরও দুই ছাত্রী অভিযোগ দিয়েছে। মামলা হয়েছে। মামলা ও স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে রবিউলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছি আমরা। তাকে ধরতে ইতোমধ্যে আমাদের অভিযান শুরু হয়েছে।

    ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর দাবি, পুলিশ নিজে থেকেই আমাদের বাড়ি ও স্কুলে গিয়ে ঘটনার খোঁজ-খবর নিয়েছে। আমি রবিউলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

    মামলার বাদী ছাত্রীর মা বলেন, শিক্ষক রবিউল আমার মেয়েসহ অনেক মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিয়েছে। তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক। আমরা তার শাস্তি চাই।প্রসঙ্গত, উপজেলার উমেদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রবিউল ইসলাম ৫ম ও ৮ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রীদের দেখভাল করতো। সেইসঙ্গে ছাত্রীদের ফ্ল্যাটে নিয়ে দাওয়াত খাওয়াতো ও পড়াতো।

    এর মধ্যে বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীর ওপর নজর পড়ে তার। ওই ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে রবিউল। এরপর তাকেও ফ্ল্যাটে নিয়ে দাওয়াত খাওয়ায় ১ সন্তানের জনক রবিউল।স্ত্রী অন্য উপজেলায় চাকরি করার সুবাদে রবিউলের ফ্ল্যাটে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতো সবাই। এর মধ্যে একদিন ৭ম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে রবিউল।

    এরপর শুরু হয় ব্ল্যাকমেইল। ধর্ষণের ওই ভিডিও ফাঁস করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিক বার ধর্ষণ করা হয় ওই ছাত্রীকে। এভাবে চলে তিন বছর। এর মধ্যে একাধিকবার ছাত্রীর গর্ভপাত ঘটায় রবিউল।কিছুদিন আগে অন্য ছাত্রীদের ফ্ল্যাটে ডেকে নেয়া দেখে আপত্তি জানায় ওই ছাত্রী। একপর্যায়ে ছাত্রী জানতে পারে, বিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন ছাত্রীকে একই ধরনের কাজে বাধ্য করেছে রবিউল। তাদের সঙ্গেও রবিউলের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি সবাইকে জানানোর কথা বললে ওই ছাত্রীকে আবারও ধর্ষণ করে রবিউল। এভাবে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রবিউল ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে।

    অবশেষে উপায় না পেয়ে রবিউলের বিচার চেয়ে গত ১৩ মার্চ ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটি বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়। এরপরই একের পর এক বের হয়ে আসে রবিউলের অপকর্মের তথ্য।

    ৮ম, ৯ম ও দশম শ্রেণির আরও তিন ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে নাম প্রকাশে না করার শর্তে শিক্ষক রবিউলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির কাছে। সেইসঙ্গে একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে রবিউলের আপত্তিকর ছবি অডিও ও ভিডিও দেয় তারা।

    এসব অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও সহকারী শিক্ষকরা। তবে অভিযোগ ওঠার পরই বিদ্যালয় থেকে ছুটি না নিয়ে পালিয়ে যায় শিক্ষক রবিউল। অবশেষে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। সূত্র: জাগোনিউজ

     

  • দুর্দান্ত বোলিং করেও যে কারণে একাদশে নেই মোস্তাফিজ

    অনলাইন ডেস্ক:
    এবারের আইপিএলে শুরু থেকেই ছন্দহীন ছিল মোস্তাফিজের মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ম্যাচের পর ম্যাচ হারতে হারতে তলানিতে গিয়েও ঠেকেছিল তারা। তবে যে ম্যাচ গুলো মুম্বাই হেরেছে সে ম্যাচ গুলোতে বল হাতে প্রায় দুর্দান্ত ছিলেন মোস্তাফিজ। টাইগার এই পেসার দুর্দান্ত পারফর্মেন্স করলেও তার দল হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছিল না। শঙ্কায় পরে দলটির কোয়ালিফাই রাউন্ডে খেলা নিয়ে। কিন্তু টানা তিন ম্যাচ জিতে এখন শেষ চারে টিকে থাকার স্বপ্ন ধরে রেখেছে রোহিত শর্মার দল।

    যখন দলের এই রকম বাজে পারফর্মেন্স ঠিক সেই সময় দলে একাধিক পরির্বতন আনে মুম্বাই। মোস্তাফিজ আর পোলার্ডকে বাদ দিয়ে একাদশে নেন ডুমিনি ও কাটিংকে। এতে বদলেও যায় মুম্বাইয়ের চেহারা।

    এই আসরে মুম্বাইয়ের জার্সিতে ছয় ম্যাচে মাঠে নামেন কার্টার মাস্টার। কিন্তু কাইরান পোলার্ড ফর্ম না থাকায় তার পরিবর্তে ডুমিনিকে নেয়া নিয়ে কোন বির্তক হচ্ছে না। কিন্তু মোস্তাফিজ ধারাবাহিক থাকার পরও কেন থাকছে না একাদশে, এ নিয়ে ভারতের সাবেক খেলোয়াড়রাও সমালোচনায় ব্যস্ত। আকশ চোপড়া তো মুম্বাইয়ের পরিকল্পনা খুব বেশি কাজে আসবে না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।

    এতদিন সমালোচনা করলেও এবার মোস্তাফিজকে দলে না নেয়ার কারণ জানিয়েছেন জহির খান। কলকাতার বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে মোস্তাফিজের না থাকা নিয়ে এই পেসার বলেন, ‘হার্দিক ব্যাট আর বলে দুর্দান্ত করছে। এখন সে চার ওভার করেই বল করছে। আর হার্দিক চার ওভার করে বল করতে পারায় দলে কাটিংকে নিয়ে ব্যাটিং শক্তি বাড়াতে পারছে মুম্বাই। মূলত এর কারণেই মোস্তাফিজের মতো কাটার মাস্টার ছাড়াই খেলতে পারছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ানরা।

  • বজ্রপাতে নিহতের লাশ চুরি হয় কেন? অন্ধবিশ্বাস নাকি বাস্তব !

    অনলাইন ডেস্ক:
    এপ্রিল মাসে বজ্রপাতে মৃত্যু ৫০ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। চলতি মে মাসের প্রথম কয়েক দিনেও মৃত্যুর খবর এসেছে বিভিন্ন এলাকা থেকে। আজও দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৭ জন। বুধবার (৯ মে) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে হাওয়া ঝড় ও বজ্রবৃষ্টিতে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

    ঝড় ও বৃষ্টির সময় বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনায় যেমন আতঙ্ক বাড়ছে, সেই সঙ্গে বাড়ছে লাশ চুরির আতঙ্ক।

    জানা গেছে, রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলায় গত সপ্তাহে বজ্রপাতে মারা যায় স্থানীয় যুবক মতিন মণ্ডল। কিন্তু তাকে কবর দেয়ার পর লাশ চুরি হয়ে যেতে পারে এই আশঙ্কায় রাত জেগে কবর পাহারা দেয় তার পরিবারের স্বজন ও আশে-পাশের অন্যরা। এ নিয়ে তাদের মধ্যে এতটাই আতঙ্ক তৈরি হয় যে পরদিনই তারা কবরটি সিমেন্ট দিয়ে পাকা করে ফেলে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসিনা বেগম বলেন, ‘সেখানকার মানুষজনের মধ্যে লাশ চুরির গুজব ছড়িয়ে পড়ে। আমরাও খবর পেয়ে লোক পাঠাই। তারা বলে যে এরকম চেষ্টা হয়েছিল। ফলে ওইদিন কবর দিয়েও তারা রাত জেগে পাহারা দিয়েছে। পরের দিন কবরটি পাকা করে ফেলে।’

    এমন আতঙ্ক কেন জানতে চাইলে ওসি হাসিনা বেগম বলেন, ‘বজ্রপাত হলে লাশ চুম্বক হয়ে যায় বলে এলাকায় মানুষের মাঝে একধরনের ‘রিউমার’ আছে। এ কারণে অনেক সময় লাশ চুরির আশঙ্কা দেখা যায়।’

    এমনই আরেকটি ঘটনার খবর জানা যায় নাটোরের লালপুর উপজেলায় গত বছরের এপ্রিল মাসের শেষদিকে। বজ্রপাতে নিহত এক যুবকের লাশ চুরির আশঙ্কায় তার পরিবার তাকে গোরস্থানে কবর না দিয়ে বাড়ির আঙিনার ভেতর গরুর ঘরের পাশে কবর দেয়।

    লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া গ্রামের পুলিশ ইন্সপেক্টর মো. সেলিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে একধরনের ‘মিথ’ প্রচলিত আছে।

    বিবিসি বাংলা তাদের এক প্রতিবেদনে লিখেছে, গ্রাম এলাকায় এ ধরনের আতঙ্ক নতুন নয়। কবর থেকে বজ্রপাতে নিহত নারী কিংবা পুরুষের লাশের কঙ্কাল চুরি যাওয়ার খবর পত্র-পত্রিকাতেও এসেছে।

    প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত কয়েক বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে বজ্রপাতে বহু মানুষ মারা যাচ্ছে। বছরের এ সময়টিতে বৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে বজ্রপাতও হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

    এভাবে লাশ চুরির পেছনে কী কারণ?

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ বলেন, ‘এর পেছনে কারণ এক ধরনের মিথ্যা বিশ্বাস।’

    ‘অনেকেই মনে করেন, বজ্রপাতে নিহত মানুষের শরীরে মূল্যবান জিনিস তৈরি হয়। তারা হয়তো ধারণা করে লোহার ভেতর দিয়ে ইলেক্ট্রিসিটি পাস হলে (প্রবাহিত হলে) যেভাবে লোহা চুম্বক হয়ে যায়, এক্ষেত্রেও সেরকম কোনকিছু হয়। কিন্তু এটা তো পুরোটাই অন্ধবিশ্বাস। আর এসব কারণেই অনেক সময় মানুষ লাশ চুরির চেষ্টা করে।’

    তবে গ্রাম্য অনেক কবিরাজ বা ওঝা’র ঝাড়ফুঁক কাজের জন্য এই ধরনের লাশের হাড়-গোড় দরকার মনে করে, আর সে ধরনের কুসংস্কার থেকেও এই লাশ চুরির ধারণাটি চলে আসছে বলেও অনেকেই মনে করেন।

    ড: সোহেল মাহমুদ জানান, ‘আসলে ইলেকট্রিক শক খেয়ে মৃত্যু হলে লাশ যেমন হয়, বজ্রপাতে মৃত মানুষের লাশ ঠিক একইরকম হয়। কোনো পার্থক্য থাকে না।’

  • ভাই সেজে স্ত্রীকে বিয়ে দিল স্বামী, অতঃপর…

    অনলাইন ডেস্ক:
    অভিনব কায়দায় ফুপাতো ভাই সেজে মাদারীপুরের শিবচরে স্ত্রীকে বিয়ে দিয়েছেন চাঁনমিয়া খান (৫০) নামে এক ব্যক্তি। ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার প্রতারক ওই স্বামী-স্ত্রীকে আটক করে শিবচর থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। প্রতারক নারীর এটি চতুর্থ বিয়ে বলে সে স্বীকার করেছেন।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক বছর আগে উপজেলার পাঁচ্চর ইউনিয়নের লপ্তেরচর গ্রামের পাঁচ সন্তানের জনক সোহরাব শেখের (৬০) স্ত্রী মারা যান। সন্তানদের কাছে সংসার ও নিজের খেয়াল রাখতে দ্বিতীয় বিয়ের ইচ্ছা পোষণ করেন সোহরাব।

    প্রায় পনের দিন আগে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কাউলিপাড়া ইউনিয়নের তোজাপুর গ্রামে তার মেয়ের জামাইয়ের বাড়িতে আয়না বেগম (৪০) নামে এক নারী ভিক্ষা করতে যান। আয়না নিজেকে নিঃসন্তান ও বিধবা বলে পরিচয় দেন।

    এ কথা শুনে সোহরাবের মেয়ে ও মেয়েজামাই তার বাবার সোহরাব শেখের জন্য আয়নাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে আয়না তাৎক্ষণিকভাবেই রাজি হয়ে যান।পরদিন আয়না বেগম তাদের সঙ্গে শিবচরে সোহরাবের বাড়িতে বিয়ে করতে আসেন। কিন্তু গ্রামবাসী ওই নারীর কোনো আত্মীয়স্বজন বা অভিভাবক ছাড়া বিয়ে করাতে আপত্তি তুলেন।

    পরদিন ওই নারী ফুপাতো ভাই পরিচয়ে চাঁনমিয়া খানকে (৫০) সোহরাবের বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে কাজী ডেকে সোহরাব ও আয়নার বিয়েসম্পন্ন করা হয়।

    বিয়েতে ১০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়। বিয়ের কাবিননামায় আয়নার সাক্ষী ও অভিভাবক হিসেবে চাঁন মিয়া স্বাক্ষর করেন। সেখানে তিনি নিজেকে আয়নার ফুপাতো ভাই বলে উল্লেখ করেন।এরপর ভালোই কাটছিল আয়না ও সোহরাবের নতুন সংসার। গত সোমবার প্রতারক স্বামী চাঁনমিয়া সোহরাব শেখকে ফোন করে বাড়িতে নতুন ধান উঠেছে বলে আয়না বেগমকে বাড়ি নিয়ে যেতে চান। সোহরাবও তাতে রাজি হন।

    পরদিন মঙ্গলবার বিকালে চাঁনমিয়া আয়নাকে নিতে সোহরাবের বাড়িতে আসেন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির লোকজনদের চাঁনমিয়া ও আয়নার আচার-আচরণে সন্দেহ হয়।একপর্যায়ে এলাকাবাসী তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজনেই স্বীকার করে স্বামী-স্ত্রী।পরে এলাকাবাসী গ্রাম পুলিশের সহায়তায় মঙ্গলবার গভীর রাতে এই দুই প্রতারক স্বামী-স্ত্রীকে থানায় সোপর্দ করে। আটককৃতদের বুধবার মাদারীপুর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

    প্রতারক আয়না ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কাউলিপাড়া ইউনিয়নের তোজাপুর গ্রামের মৃত আমের আলী মাতুব্বরের মেয়ে। এটি তার চতুর্থ বিয়ে। তিনি দুই সন্তানের জননী বলে জানায়।প্রতারক চাঁনমিয়া একই ইউনিয়নের পল্লীবেড়া গ্রামের মৃত হানিফ খানের ছেলে। আয়না ও চাঁনমিয়া উভয়েরই এটি তৃতীয় বিয়ে। এ ব্যাপারে বুধবার বিকালে প্রতারণার শিকার সোহরাব শেখ বাদী হয়ে শিবচর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    প্রতারণার শিকার সোহরাব শেখ বলেন, চাঁনমিয়া ফুপাতো ভাই পরিচয়ে কাবিননামায় সই দিয়ে আয়নার সঙ্গে আমার বিয়ে দিয়েছেন। এখন দেখি ওরা স্বামী-স্ত্রী। আমার ধারণা, প্রতারণা করে ওরা আমার টাকা-পয়সা, সম্পদ লুট করে আমাকে মেরে ফেলত।

    প্রতারক আয়না বলেন, এটি আমার চতুর্থ বিয়ে। প্রথম স্বামী নয় বছর আগে দুই বাচ্চা রেখে মারা যান। এরপর বরিশালের আমার দ্বিতীয় স্বামীও দশ দিন সংসার করে পালিয়ে যায়।চাঁনমিয়ার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছে প্রায় সাত মাস আগে। চাঁনমিয়া ফুপাতো ভাই সেজে সোহরাবের সঙ্গে আমার বিয়ে দিয়েছেন।চাঁনমিয়া শেখ বলেন, আয়না সোহরাবকে বিয়ে করতে চায় তাই আমি ফুপাতো ভাই সেজে আয়নার বিয়ে দিয়েছি। আমরা ভুল করছি, আমাগো মাফ কইরা দেন।

    পাঁচ্চর ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হাওলাদার বলেন, আমার ধারণা, এরা প্রতারক চক্র। এরা নিজেরাই সব স্বীকার করেছে। প্রতারক না হলে এমন জঘন্য কাজ করা সম্ভব নয়।

    শিবচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাজাহান মিয়া বলেন, এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। উভয়ই দোষ স্বীকার করেছে। আসামিদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর।

  • কুমিল্লায় স্পর্শকাতর অঙ্গে গরম পানি ঢেলে শিশুকে নির্যাতন

    ( জাগো কুমিল্লা.কম)
    কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নোমান নামে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে নির্মমভাবে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বিপুলাসার নূরানী হাফেজিয়া ইসলামি একাডেমির প্রথম জমাতের ওই শিশুকে নির্যাতনে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক এমদাদ হোসেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা আলোচনার ঝড় তোলে কুমিল্লাজুড়ে।

    শিশু নোমান উপজেলার বিপুলাসার ইউনিয়নের কাঁচি গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে নোমানকে ভালভাবে পাঠ দেওয়ার নামে এমদাদ তার আবাসিক হোস্টেলে রাখছিলেন। গত কয়েকদিন ধরে নোমানের বাবা-মা তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে এমদাদ বিভিন্ন কথা বলে তাদের ফিরিয়ে দিচ্ছিলেন।

    এতে শিশুটির বাবা-মায়ের মনে সন্দেহ হলে তারা জোর করে দেখা করতে যান। তখন দেখা যায়, শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেতের আঘাত। নোমানের দুই উরুতে বেতের আঘাত ও চোখ-মুখে জখমের ছাপ দেখে বাবা-মা চিৎকার শুরু করেন। নোমানের সঙ্গে কথা বললে সে জানায়, এমদাদ তার স্পর্শকাতার অঙ্গেও গরম পানি ঢেলে নির্যাতন করে।

    স্থানীয়রা আরও জানান, এমদাদের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। নোমানকে এভাবে নির্যাতনের খবরে ওই শিক্ষককে বিচারের আওতায় আনার দাবি করেছেন সচেতন মহল। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র বলছে, ২০ হাজার টাকায় শিশু নির্যাতনের বিষয়টি ‘সমঝোতার’ মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা চালাচ্ছেন এমদাদের পক্ষের একটি গ্রুপ।

    এ বিষয়ে মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন খান বলেন, বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তবে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।