Author: bikedokan@gmail.com

  • শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র আমার কাছে নেই: রাষ্ট্রপতি

    অনলাইন ডেস্ক:

    রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, তিনি শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু তার কাছে এ-সংক্রান্ত কোনও দালিলিক প্রমাণ বা নথিপত্র নেই। মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি এ মন্তব্য করেন।

    সাক্ষাৎকারটি গত শনিবার (১৮ অক্টোবর) পত্রিকার রাজনৈতিক ম্যাগাজিন সংস্করণ ‘জনতার চোখ’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

    মতিউর রহমান চৌধুরীর মতে, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগপত্র যদি সত্যিই জমা দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সেটির অনুলিপি কারও না কারও কাছে থাকার কথা। কিন্তু তিন সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন জায়গায় অনুসন্ধান চালালেও এর খোঁজ কেউ দিতে পারেনি তাকে। এমনকি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগেও যোগাযোগ করা হয়েছে, যেখানে সাধারণত প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদত্যাগপত্র সংরক্ষিত থাকে। কিন্তু সেখানেও কিছু পাওয়া যায়নি। তাই শেষমেশ রাষ্ট্রপতির কাছেই সরাসরি এর উত্তর জানার সুযোগ মেলে।

    ৫ আগস্ট ছাত্র-আন্দোলন ও গণবিক্ষোভের মুখে দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। সংবিধানের ৫৭ (ক) ধারা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, তার কাছে শেখ হাসিনার কোনও পদত্যাগপত্র বা সংশ্লিষ্ট কোনও প্রমাণ পৌঁছায়নি।

    রাষ্ট্রপতির ভাষ্যে, ‘আমি বহুবার পদত্যাগপত্র সংগ্রহের চেষ্টা করেছি, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। হয়তো তার সময় হয়নি।’

    কথোপকথনের সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, ৫ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে বঙ্গভবনে ফোন আসে, তখন বলা হয়েছিল যে প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আসবেন। এরপরই বঙ্গভবনে প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এক ঘণ্টার মধ্যে আরেকটি ফোন আসে যে তিনি (শেখ হাসিনা) আসছেন না।

    তখনকার অস্থির সময়ের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘চারদিকে অস্থিরতার খবর। কী হতে যাচ্ছে জানি না। আমি তো গুজবের ওপর নির্ভর করে বসে থাকতে পারি না। তাই সামরিক সচিব জেনারেল আদিলকে বললাম খোঁজ নিতে। তার কাছেও কোনো খবর নেই। আমরা অপেক্ষা করছি। টেলিভিশনের স্ক্রলও দেখছি। কোথাও কোনও খবর নেই। একপর্যায়ে শুনলাম, তিনি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। আমাকে কিছুই বলে গেলেন না।’

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার যখন বঙ্গভবনে এলেন, তখন জানার চেষ্টা করেছি প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন কি না? একই জবাব—শুনেছি তিনি পদত্যাগ করেছেন। মনে হয় সে সময় পাননি জানানোর।’

    তিনি বলেন, ‘সবকিছু যখন নিয়ন্ত্রণে এল, তখন একদিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব এলেন পদত্যাগপত্রের কপি সংগ্রহ করতে। তাকে বললাম, আমিও খুঁজছি।’

    মতিউর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এ বিষয়ে আর বিতর্কের সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী চলে গেছেন এবং এটাই সত্য। তবু এই প্রশ্নটি যাতে আর কখনও না ওঠে, তা নিশ্চিত করতে আমি সুপ্রিম কোর্টের মতামত চেয়েছি।’

    রাষ্ট্রপতির পাঠানো রেফারেন্সের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ ৮ আগস্ট এ সম্পর্কে তাদের মতামত দেন। তাতে বলা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক শূন্যতা দূর করতে এবং নির্বাহী কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা যেতে পারে। প্রেসিডেন্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টামণ্ডলীকে শপথবাক্য পাঠ করাতে পারবেন বলে আপিল বিভাগ মতামত দেন।

    শেখ হাসিনাকে যে কথা বলতে দেওয়া হয়নি‘উনি তো কিছুই বলে গেলেন না’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনের শেষে বলা হয়েছে, ‘পালিয়ে যাওয়ার আগমুহূর্তে রেডিও-টেলিভিশনে ভাষণ দেওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছিলেন শেখ হাসিনা। বলেছিলেন, দীর্ঘ নয়, অল্প সময় কথা বলবেন তিনি। কিন্তু পরিবেশ-পরিস্থিতি এবং সেনাপ্রধানের অনাগ্রহে সে সুযোগ পাননি শেখ হাসিনা। তখন তাকে বলা হয়, চারদিকে লোকজন জড়ো হয়ে গেছে। সবাই মারমুখী। অল্প সময়ের মধ্যেই তারা গণভবনে পৌঁছে যেতে পারে। তার নিরাপত্তার কথা ভেবেই তাকে সে সুযোগ দেওয়া যাবে না। হাসিনা বিরক্ত, ক্ষুব্ধ। কিন্তু কিছুই করার ছিল না। বক্তৃতার একটি খসড়া তৈরি করেছিলেন তিনি।’

    ‘নানা সূত্রে জানা যায়, এতে তিনি বলতে চেয়েছিলেন, তার ইচ্ছায় নয়, বলপূর্বক তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। কারা এবং কোন বিদেশি শক্তি তার সরকারকে উৎখাত করতে চেয়েছে, এটাও তিনি দেশবাসীকে জানাতে চেয়েছিলেন। তার শাসনকালে দেশের কী কী উন্নয়ন হয়েছে, তারও বয়ান ছিল। সকাল থেকে দুপুর, এ সময় নানাভাবে দর-কষাকষিও চলছিল। বারবার ফোন আসছিল নয়াদিল্লি থেকে। বলা হচ্ছিল, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা যেন বিঘ্নিত না হয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ঢাকার তরফে দিল্লিকে বলা হয়েছিল, তারা যেন বিমান পাঠিয়ে হাসিনাকে নিয়ে যান। সে অনুরোধে সাড়া দেয়নি দিল্লি। এরপর বাংলাদেশের উদ্যোগে বিমানবাহিনীর একটি সি-১৩০ বিমানে তাকে দিল্লি পাঠানো হয়। হাসিনাকে বহনকারী বিমানে আরও দুজন ছিলেন। তার ছোট বোন শেখ রেহানা ও নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক।’

  • কুমিল্লায় জমি দখল নিয়ে সাবেক এমপি বাহারের নেতা কর্মীর হুমকি ও চাঁদা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন( ভিডিও)

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    গত দুই বছর যাবত কুমিল্লার সাবেক সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের নেতাকর্মীরা এক পরিবারের জমি দখল চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন হুমকিধামকির অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২০ অক্টোবর) কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন পরিবারের মা ও সন্তান।

    অভিযোগকারী ওই ব্যক্তি কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার কাশারীপট্টির আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মোহাম্মদ ইমরান হাসান ও তার মা রঙ্গি বিবি।

    অভিযোগ করতে গিয়ে মো. ইমরান হাসান বলেন, কুমিল্লা নগরীর তেলিকোনা এলাকার গুধিরপুকুর পাড়ের দক্ষিণ কর্নারে আমি মায়েরসূত্রে কিছু সম্পত্তি পায়। সেখানে আমরা প্রায় ১৫ বছর ধরে টিনসেট ৪ টি ঘর উঠিয়ে ভাড়াও নিচ্ছি। গত ২০২২ সালে আমরা পুকুরপানিতে যেন ভেঙে না যায় সেই কারণে বাড়ির চারপাশে দেয়ালের বাউন্ডারির কাজের সংস্কার করলে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নং ওয়ার্ডের তেলিকোনা এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা জামরুল হুদা, মাজেদ মিয়া, সেলিম মিয়া, জুয়েল মিয়া ও কাসেম মিয়াসহ কয়েকজন আমাদের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমরা চাঁদা না দেয়ায় তারা বিষয়টি রাজনৈতিক প্রভাবে নিয়ে যায়।

    তারা দাবি করে এটি পার্শ্ববর্তী মসজিদের জায়গা। পরে আমরা স্থানীয় কাউন্সিলর, তৎকালীন মেয়র তাহসিন বাহার সূচনাসহ এলাকার সবাইকে জানাই। কাউন্সিলর মোহাম্মদ হানিফ আমাদের সোজা বলে দেন, ‘তিনি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যেতে পারবেন না।’ এরপর মেয়রের কাছে গিয়েও আমরা কোন সুরাহা পাইনি। পরে অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে গত মে মাসে উল্টো পুলিশ এসে আমাদের কাজ বন্ধ করে দিয়ে আমাদের শ্রমিকদের নিয়ে যায়। যখন জিজ্ঞেস করি, ‘আপনি এমন করছেন কেন? আমাদের শ্রমিক থানায় নিচ্ছেন কেন?’ থানার ওসি আমাকে বলেন, ‘এমপি বাহারের নির্দেশ আছে।’

    পরবর্তীতে ২৯ই সেপ্টেম্বর আমরা আবার বাড়ির সংস্কার কাজ শুরু করলে তারা আবার আমাদের বাধা দেয়, এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে। পরে আমরা গিয়ে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার সহযোগিতা না পেয়ে আমরা আজ সাংবাদিক সম্মেলন করেছি।

    এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে সাবেক এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের ছত্রছায়ায় তার নেতাকর্মীরা আমাদের নিজেদের জমি দখল নেয়ার চেষ্টা করে। আমরা এখনো আমাদের জমি দখলে আছি কিন্তু তারা হুমকি দিচ্ছে যেকোনো সময় আমাকে মেরে ফেলবে এবং সেই জমি যেন আমরা দিয়ে দেই। অথচ এই জমি আমার মায়ের থেকে আমি পেয়েছি। আমি এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।

    ইমরানের মা রঙ্গি বিবি বলেন, ছেলেটা এসব বিষয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে করতে তার চাকরিটাও হারিয়েছে। এখন ঘরে বসা। তখন এমপি বাহারের লোকজন আমাদের শান্তিতে থাকতে দেয়নি। এখনো তারা এলাকাবাসীর মাধ্যমে আমাদের জমি দখলের চেষ্টা করছে। আমি এর সুষ্ঠু সমাধান দেশবাসীর কাছে চাই। এই ছাড়াও প্রশাসনিক সহযোগিতা যেন আমাদের করা হয় সেই অনুরোধ জানাই।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবুল কাশেম ও মো. মাজেদের মোবাইলে একাধিক কল দিলেও তারা রিসিভ করেন নি। তাই বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

    এই বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিনুল ইসলাম বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়ে চকবাজার ফাঁড়িতে কর্মরত পুলিশ উপ পরিদর্শক খায়রুল ইসলামকে বিষয়টি তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমরা এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছি।

    লাইভ ভিডিও লিংক: https://www.facebook.com/share/v/yBZtG7Yz8svMFLKp/

  • কুমিল্লায় গোমতী নদী খননের দাবিতে মানববন্ধন

    মো.হাবিবুর রহমান মুন্না।।

    কুমিল্লায় ভারতে থেকে আসা সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের বসত-ভিটা ও ফসল রক্ষার জন্য গোমতী নদী খননের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    বুধবার(১৬ অক্টোবর) বিকালে সদরের চাঁনপুর স্টীলব্রীজ সংলগ্ন এলাকার সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর ব্যানারে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন হয়।

    মানবব অন্ধনে বক্তারা বলেন, চলতি বছরে ভারতে থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে আসা গোমতীর পানি পাড়ের কৃষকের জমিতে পড়ে। বর্তমানে ইজারা বন্ধ থাকায় নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। তাই
    উপদেষ্টা নৌ- পরিবহন মন্ত্রণালয় কাছে দাবি, গোমতীর নদীর দুই পারে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ নদী খনন করে যেন ফসলি জমি রক্ষা করা হয়।

    মানববন্ধনে সর্বস্তরের কৃষকের পক্ষে বক্তব্য দেন খন্দকার ইয়াসির আহমেদ, জহিরুল ইসলাম বেলাল,আবু সারোয়ার উৎপল,গোলাম মোস্তফা, মো.মামুন খন্দকার,আবদুল বারেক,কামাল খন্দকার,মো.শামীম খন্দকার সহ আরোঅনেকে।

  • পথশিশুকে অপহরণ করে কুমিল্লায় এনে ধর্ষণ ! আটক ২

    মারুফ আব্দুল্লাহ:

    ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে এক পথশিশুকে অপহরণ করে এনেছিলেন কুমিল্লার এক নারী। অপহরণের শিকার শিশুটিকে (৬) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ওই নারীর স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে করা হতো শারীরিক নির্যাতন। মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) ওই শিশুকে নির্যাতনের শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা হাতেনাতে ধরলে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। পরে প্রতিবেশীর মামলায় গ্রেফতার হন অভিযুক্ত দম্পতি।

    মামলায় ধর্ষণের অভিযোগে সুমন ও শিশুকে তুলে আনার অভিযোগে তার স্ত্রী রিনাকে আসামি করা হয়। ভুক্তভোগী শিশুর পরিচয় জানা যায়নি। তবে কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে তুলে এনেছে বলে জানিয়েছেন রিনা।

    মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় সুমন ও তার স্ত্রী ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে এক শিশুকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে আসেন কুমিল্লার রেলওয়ে কোয়াটারের হারুন মিয়ার ভাড়া বাসায়। সেখানে তারা থাকতেন। বাসায় আনার পর রিনা ঘরের বাইরে গেলেই সুমন বিভিন্ন সময় শিশুকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। এ সময় ওই শিশু কয়েকবার ধর্ষণের শিকারও হয়। যার কারণে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পায়। নির্যাতনের প্রভাবে তার চোখ-মুখ ফুলে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বিকাল ৫টায় বিষয়টি জানতে পেরে সুমন ও রিনাকে আটক করে গণপিটুনি দেন স্থানীয়রা । পরে তারা ওই শিশুকে উদ্ধার করেন।

    কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ওসি মহিনুল ইসলামকে বলেন, ওই যুবককে স্থানীয় জনতা গণপিটুনি দিলে সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় আনলে এক প্রতিবেশীর মামলায় তাকে ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

  • বরুড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলার প্রস্তুতি সভা

    (হাসিবুল ইসলাম সজিব, বরুড়া)

    কুমিল্লার বরুড়া থানাধীন আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা প্রস্তুতি মূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩ ঘটিকায় বরুড়া থানার হলরুমে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বরুড়া থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী নাজমুল হক এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সদর দক্ষিণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এ কে এম এমরানুল হক মারুফ,উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা জালাল আহমেদ।

    সদর দক্ষিণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এ কে এম এমরানুল হক মারুফ বলেন, প্রতিটি পূজা মন্ডপের সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো বাধ্যতামূলক। কোথাও কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে সাথে সাথে যোগাযোগ করবেন। গুজব ছড়ানো আগে আমাদের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত করবে। প্রয়োজনে সকল পূজা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীকে নিয়ে একটি গ্রুপ তৈরি করা হবে। শান্তিপূর্ণ ভাবে পূজা অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

    আরো উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল ইসলাম স্বপন,উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন কল্লব, উপজেলা জামায়াতে আমীর মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন,উপজেলা পূজা কমিটির সভাপতি ডা তপন ভৌমিক, সাধারণ সম্পাদক মাস্টার তপন বনিক, ভবানীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ রেজাউল হক, কুমিল্লা জেলা গন-অধিকার পরিষদের সদস্য কামাল উদ্দিন,উপজেলা খেলাফত ইসলামির সভাপতি মাওলানা ইলিয়াস, উপজেলা হেফাজত ইসলামের সভাপতি মাওলানা আহমেদ উল্লাহ, বরুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমেদ, বরুড়া থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল খন্দকার প্রমুখ।

  • কুমিল্লায় গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্সের ১১ বছর পদার্পণ উদযাপন

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লায় গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্সের ১১ বছর পদার্পণ উদযাপন করা হয়েছে।

    সোমবার বাদুরতলা কিউ আর টাওয়ারের গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্সের কুমিল্লা রিজিওন অফিসে বর্নিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।

    গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্স কুমিল্লা রিজিওন এর ভিপি ও আরবিডিএম মোস্তাক আহমেদ মোহন এর সভাপতিত্বে
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের এনেসথ্যাসিয়া বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা: মো: আতোয়ার রহমান।

    বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সরেন্স চট্টগ্রাম রিজিওনের আর বিডি এম নূরুল আবসার, মিচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার এ. কে. এম মাহবুবুল ইসলাম ভূঁইয়া, ব্র্যাক ব্যাংকের অপারেশন ম্যানেজার মো: মোজাম্মেল হোসেনসহ কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শাখা ম্যানেজার মেহেদী হাসান।

    দেশের সকল মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা প্রদান করে সবার জন্যে বীমা নিশ্চিত করতে ১১ বছর আগে যাত্রা শুরু করে গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড। এপেক্স, ব্র্যাক এবং স্কয়ার এর স্পন্সরে গঠিত গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্সে দেশজুড়ে বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ২০ লক্ষ এবং বীমা দাবি পরিশোধ হার শতকরা ৯৮ ।

  • কুমিল্লা মডার্ণ হসপিটালের আয়োজনে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

     অনলাইন ডেস্ক:

    “হৃদয় দিয়ে কর্মদ্যোগ গ্রহন করুন” এই শ্লোগানে বিশ্ব র্হাট দিবস উপলক্ষ্যে কুমিল্লা মডার্ণ হসপিটালের আয়োজনে দিনব্যাপী কর্মসূচী পালিত হয়েছে। সকাল ভোরে কুমিল্লা নগর উদ্যানে প্রাতঃভ্রমণে আসা জনসাধানের ফ্রি বিপি ও সুগার টেস্ট করা হয়। পরে কুমিল্লা শাকতলা মডার্ণ হসপিটাল প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষীন করে আবার হসপিটালে এসে শেষ হয়। বিকালে হসপিটালে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে রোগীদের সেবা ও ৫০% ছাড়ে সকল পরীক্ষা করা হয়। 

    হসপিটালের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মজিবুর রহমানের পরিচালনায়  র‌্যালীতে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর মাহাবুবুল ইসলাম মজুমদার, ডা. বেলাল হোসেন, ডা. কামরুল হাসান, প্রফেসর আবুল বাশার, ডা. মোশতাক আহম্মেদ, ডা সাজেদুর রহমান, ডা. শফিকুর রহমান, ডা. ওাশেদুজ্জামান রাজিব, ডা. আবুল হাসনাত ভ’ইয়াসহ মডার্ণ হসপিটালের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। 

    মেডিকেল ক্যাম্পে সেবা প্রদান করেন অধ্যাপক ডা. আব্দুল্লাহ শাহরিয়ার, ডা. মোঃ বেলাল হোসেন, ডা. কাজী ফাহিম মজুমদার ও ডা. মোঃ কামরুল হাসান।

  • চৌদ্দগ্রামে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত

    অনলাইন ডেস্ক:
    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বেপরোয়া মোটর সাইকেলের ধাক্কায় জাহাঙ্গীর হোসেন(৪৮) নামের এক অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের বাঙ্গালমুড়ী গ্রামের মৃত আলী আহমেদের ছেলে। শুক্রবার রাতে উপজেলার কাশিনগর-মিয়াবাজার সড়কের আবদুল্লাহপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। শনিবার দুপুরে তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিহতের ছেলে জাহিদ হোসেন।

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর হোসেন প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি আসছিল। এসময় একই গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে এরশাদ ও তার বন্ধু আরফান বেপরোয়া গতিতে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে অটোরিকশাকে পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশা চালক গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাহাঙ্গীর হোসেনকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়। ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর রাতে জাহাঙ্গীর হোসেন মারা যান।

    চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই সুজন চক্রবর্তী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অটোরিকশা চালক জাহাঙ্গীর হোসেনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ছাত্র আন্দোলনে ১৫৮১ জন নিহত হয়েছেন- স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ-কমিটি

    অনলাইন ডেস্ক:

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের তালিকা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ-কমিটি। সর্বশেষ তথ্যমতে সারা দেশে মোট ১৫৮১ জন নিহতের খবর প্রকাশ করেছে এ কমিটি।

    শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের অডিটোরিয়ামে স্বাস্থ্য উপ-কমিটি, নাগরিক কমিটিসহ অংশীজনদের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

  • ভারতে পালানোর সময় এমপি বাহারের সহযোগী ‘টাইগার টিপু’ গ্রেফতার

    মারুফ আব্দুল্লাহ:
    ভারতের পালানোর সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের হাতে ধরা পড়েছেন এক আওয়ামী লীগ নেতা। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় আরও এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

    শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৬০ বিজিবির অধিনায়ক এ এম জাবের বিন জব্বার।

    জানা গেছে, ওই আওয়ামী লীগ নেতা কুমিল্লার সাবেক এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. টিপু সুলতান ওরফে টাইগার টিপু (৫২)। তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ঠাকুরপাড়া এলাকার নসিব উল্লাহর ছেলে। অপর ব্যক্তি ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল মানরা গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে মো. মারজানুর রহমান (৪৮)।

    টাইগার টিপু কুমিল্লার বাহাউদ্দিন বাহারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ একজন টেন্ডারবাজ ঠিকাদার। তিনি কুমিল্লা সদর উপজেলা মহানগর আওয়ামী লীগের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সহসাংগঠনিক সম্পাদক। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষে সরাসরি অংশগ্রহণ করে গোলাগুলিসহ বিভিন্ন হামলা ও নির্যাতনে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আগে থেকেই তিনি ঠাকুরপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় স্থানীয়দের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আতঙ্কিত করে রাখতেন। বিভিন্ন সময় অস্ত্রের মহড়া দেওয়ায় টাইগার টিপু নামে তার পরিচিতি রয়েছে। তা ছাড়া কোতয়ালী মডেল থানা সূত্রে জানা যায়, তার নামে বিভিন্ন অপরাধে দুটি মামলা রয়েছে।

    বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুজন ভারতে পালানোর উদ্দেশ্যে সীমান্ত অতিক্রম করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় বিজিবির একটি দল সীমান্ত পিলার ২০৭৮-এম থেকে ১৪০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নিশ্চিন্তপুর পাকা সড়ক এলাকায় তাদের মোটরসাইকেলসহ আটক করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।