Author: bikedokan@gmail.com

  • চাঁদ দেখা গেছে, সৌদি আরবে কাল ঈদ; বাংলাদেশে কবে?

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক

    সৌদি আরবের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে। দেশটিতে আগামীকাল রোববার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। আজ এক বৈঠকের পর দেশটির সুপ্রিমকোর্ট এ ঘোষণা দিয়েছেন। খবর খালিজ টাইমসের। 

    খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভারত ও পাকিস্তানেও আগামী সোমবার (৩১ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। আগামীকাল দেশটিতে খালি চোখে ঈদের চাঁদ দেখা যাবে। 

    এদিকে ইন্দোনেশিয়ায় আজ ঈদের চাঁদ দেখা যায়নি। দেশটিতে আগামী সোমবার ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। 

    মালয়েশিয়াও আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ৩১ মার্চ সোমবার দেশটিতে ঈদ উদযাপন করা হবে। সে হিসেবে এ বছর ৩০টি রোজা পালন করবে মালয়েশিয়া। আগামীকাল রোববার সহজেই খালি চোখে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাবে বলে আশা করছে দেশটি। 

    এদিকে ব্রুনাইও ঈদুল ফিতরের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী সোমবার উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। তবে দেশটিতে এবার রোজা হচ্ছে ২৯টি। 

    এর আগে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। দেশটিতে আগামী সোমবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। আজ শনিবার দেশটির ফতোয়া পরিষদ এই ঘোষণা দিয়েছে। 

    এদিকে বাংলাদেশে কাল রোববার (৩০ মার্চ) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক বসবে। এদিন বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল ও ঈদের চাঁদের অনুসন্ধান করা হবে। তবে বাংলাদেশে চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক বসার আগেই সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র আজ শনিবার জানিয়েছে, বাংলাদেশে কাল চাঁদ দেখা যাবে। আর সোমবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

    আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র তাদের এক্স অ্যাকাউন্টে আরবি ভাষায় একটি পোস্ট করেছে। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩৮ মিনিটে করা এ পোস্টে তারা লিখেছে, ‘বাংলাদেশ: সোমবার ৩১ মার্চ, ঈদুল ফিতর। বাংলাদেশে এখন সূর্য অস্ত গেছে। আজ (সেখানে) ২৮ রমজান। কাল রোববার খালি চোখে চাঁদ দেখা যাবে।’

  • কুমিল্লায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক আটক

    অনলাইন ডেস্ক:

    কুমিল্লায় ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ভারতীয় এক নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) সকালে কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ (উত্তর) ইউনিয়নের রায়পুর সিংগুলা গ্রামে মুস্তাফার ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে।

    আটককৃত ওই ভারতীয় নাগরিকের নাম তাজিনদার সিং (৫০)। ভারতের লদিহানা পাঞ্জাব চণ্ডীগড় জেলার বাসিপাঠানা গ্রামের পাল সিং এর ছেলে। তাজিনদার দীর্ঘদিন যাবত দাউদকান্দি উপজেলার মোহাম্মদপুর এলাকায় এগ্রো এমবুস লিমিটেডের একটি কারখানায় প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি করছেন।    

    আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: জুনায়েদ চৌধুরী।   

    পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ভারতীয় তাজিনদার সিং দীর্ঘদিন যাবত দাউদকান্দি উপজেলার মোহাম্মদপুর এলাকায় এগ্রো এমবুস লিমিটেড নামে একটি ফ্যাক্টরিতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি করছেন। সেই সুবাদে সিংগুলা গ্রামের মুস্তাফার ‘মা মঞ্জিলে’ বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। বৃহস্পতিবার সকালে শিশুকে চকলেট দেওয়ার কথা বলে টেনে তার রুমে নিয়ে যান তাজিনদার । ঘরে নিয়ে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। বিষয়টি অপর একটি শিশু দেখে তার মাকে খবর দেয়। শিশুটির মায়ের আর্তচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে অভিযুক্ত তাজিনদার সিং কে আটক করেন।  

    দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো জুনায়েদ চৌধুরী  বলেন, ধর্ষণের চেষ্টা করলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাজিনদার সিংকে পিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। প্রথমে তাকে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়। ভুক্তভোগী ওই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। সে অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রধানউপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ


    নিজস্ব প্রতিবেদক।।

    হামলা, চাঁদাবাজি, প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র।
    সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দিয়েছে অনেকবার। এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার এবং র‌্যাব ১১ কোম্পানি কমান্ডারসহ গোয়েন্দা সংস্থার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমার দায়ের করা মামলায় দীর্ঘ সাত মাসে পুলিশ এজহারনামীয় মাত্র একজন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে। বাকি আসামীরা এখনও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। এতে প্রাণনাশের শঙ্কা নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
    মওদুদ শুভ্র জানান, আমার স্ত্রী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। তাকে সন্ত্রাসীরা কলেজে যাওয়ার সময় এসিড মারার হুমকি দেয়। আমার স্ত্রীর কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে এজন্য তার পড়ালেখা বন্ধ হয়ে গেছে।
    আমি কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় দুর্বত্তদের নাম উল্লেখ করে জিডি করি যার নাম্বার:- ১১৩৮-১৫/১/২০২৫ইং।
    আমার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ২০১৭ সাল থেকে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে আসছি। ১৪ নভেম্বর কোতোয়ালি মডেল থানায় আমি ৮ জনের নামসহ অজ্ঞাত ৪ থেকে ৫ জনের নামে মামলা দায়ের করি। গত বছরের ১৯ আগস্ট দ্রুত বিচার আইনে অজ্ঞাতনামা ৩ জন পুরুষ ও একজন মহিলাকে আসামি করে মামলা দায়ের করা করি। যা কুমিল্লা জেলা পিবিআইয়ের তদন্তনাধীন রয়েছে।
    সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, কোতয়ালি মডেল থানার প্রথম জিডি করেন ২০১৭ সালের ৩ মে যার নম্বর ১৫৭। আসামীরা তারপরও আটক না হওয়ার তিনি পুনরায় ২০১৮ সালের ২৮ জুন দ্বিতীয়বারের মত জিডি করেন যার নম্বর ১৫৩৮। মওদুদ শুভ্র একের পর এক হামলা নির্যাতনের কারণে তিনি ২০২৩ সালের ১৪ জানুয়ারি কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন যার এসডিআর নাম্বার ১৯২।
    সন্ত্রাসীরা আরো ক্ষিপ্ত হওয়ার কারণে মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রকে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেয়ার কারণে দ্রুত বিচার আইন আদালতে ২০২৪ সালের ১৯ আগষ্ট মামলা করেন যার নম্বর সি আর ৩৬/২৪।
    কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানায় চাঁদাবাজি, চুরি ও ছিনতাইয়ের কারণে মামলা করা হয় ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর যার নম্বর ৪১/৮৫০। একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায়।
    এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ এই মামলাটির আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। তিনি জানান, অতি দ্রুত আসামিদেরকে গ্রেফতারসহ তথ্যসূত্রে মূল আসামিদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ভুক্তোভোগী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র জানিয়েছেন তাকে মোটরসাইকেলে এসে অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার নলেজে আসার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়েছি তার নিরাপত্তার জন্য।
    কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজির আহমেদ খাঁন বলেন, আমি মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রকে বলেছি, কোন সমস্যা হলে যেকোন সময় আমাকে ফোন দিবেন আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
    মানবধিকার কর্মী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র তার ও তার পরিবারের আইনগত সুরক্ষা এবং প্রশাসনিক সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এবং আসামীদেরকে দ্রুত গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
    এছাড়া মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় ড. মুহাম্মদ ইউনুসে নিকট আকুল সাহায্যে প্রার্থনা করেন তিনি।

  • বাংলাদেশের জার্সিতে আর  দেখা যাবে না মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে!

    অনলাইন ডেস্ক:

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আগেই টেস্ট ও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। এবার ওয়ানডে থেকেও বিদায় নিলেন। তাই বাংলাদেশের জার্সিতে আর বাইশ গজে দেখা যাবে না এই অলরাউন্ডারকে।

    গত ১০ মার্চ কেন্দ্রীয় চুক্তির নতুন তালিকা প্রকাশ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যেখানে নাম ছিল মাহমুদউল্লাহর। তবে নিজেকে সেই তালিকা থেকে সরিয়ে নেন মাহমুদউল্লাহ। ফলে ধারণা করা হচ্ছিল, এখানেই শেষ হচ্ছে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। অবশেষে সেটাই সত্যি হয়েছে।

    আজ (১২ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন মাহমুদউল্লাহ। যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর। আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার সকল সতীর্থ, কোচ এবং বিশেষ করে আমার ভক্তদের ধন্যবাদ দিতে চাই, যারা সবসময় আমাকে সমর্থন দিয়েছে।’

    ‘বিশেষ ধন্যবাদ দিতে চাই, আমার মা-বাবাকে, আমার শ্বশুরকে এবং আমার ভাই এমদাদউল্লাহকে, যে একজন কোচ এবং পরামর্শক হিসেবে শৈশব থেকেই আমার পাশে ছিল।’-যোগ করেন তিনি।

    সমৃদ্ধ এক আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষটা মাঠ থেকে না হওয়া যেকোনো ক্রিকেটারের জন্যই কিছুটা হলেও কষ্টের। মাহমুদউল্লাহরও সেই আক্ষেপ নিশ্চয়ই থাকবে। তিনি লিখেছেন, ‘সবকিছুই যে নিখুঁতভাবে শেষ হয় তা নয় কিন্তু আপনাকে মেনে নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। শান্তি…আলহামদুলিল্লাহ। আমার দল এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য শুভকামনা।’

    ২০০৭ সালের ২৫ জুলাই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু মাহমুদউল্লাহর। শেষটাও করলেন ওয়ানডে দিয়েই। এই সংস্করণের ক্রিকেটে সবমিলিয়ে খেলেছেন ২৩৯ ম্যাচ। যেখানে ৩৬ গড়ে করেছেন ৫ হাজার ৬৮৯ রান। ৩২ ফিফটির পাশাপাশি হাঁকিয়েছেন চার সেঞ্চুরি। পাশাপাশি বল হাতে শিকার করেছেন ৮২ উইকেট।

    এ ছাড়া ৫০ টেস্ট খেলে প্রায় ৩৩ গড়ে করেছেন ২ হাজার ৯১৪ রান। যেখানে তার নামের পাশে ১৬ ফিফটির আর ৫ সেঞ্চুরি। পাশাপাশি বল হাতে শিকার করেছেন ৪৩ উইকেট। 

    বাংলাদেশের জার্সিতে মাহমুদউল্লাহ টি-টোয়েন্টি খেলেছে ১৪১ টি। যেখানে প্রায় ২৪ গড়ে করেছেন ২ হাজার ৪৪৪ রান। পাশাপাশি বল হাতে শিকার করেছেন ৪১ উইকেট।

  • চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভারতের রেকর্ড

    অনলাইন ডেস্ক:

    এক যুগ পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ফের চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত। টুর্নামেন্টের ৯টি আসরের মধ্যে তিনবার শিরোপা জিতে রেকর্ড গড়ল টিম ইন্ডিয়া।

    সবশেষ ২০১৩ সালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জিতে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বাধীন ভারত।

    আইসিসির ওয়ানডে ফরম্যাটে দীর্ঘ ১২ বছর পর আজ ফের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হলো রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় ক্রিকেট দল।

    তবে ২০০২ সালে টুর্নামেন্টের তৃতীয় আসরে শ্রীলংকার সঙ্গে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। 

    এতদিন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দুটি শিরোপা জিতে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে ছিল ভারত।

    আজ নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে তৃতীয় শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শীর্ষে উঠে গেল টিম ইন্ডিয়া।

    অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড ২০০০ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দ্বিতীয় আসরে প্রথমবার ফাইনালে উঠেই ভারতকে হারিয়ে প্রথম শিরোপা জয়ের স্বাদ পায়। ২৫ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠে সেই ভারতের কাছেই হেরে গেল নিউজিল্যান্ড।

    রোববার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে উড়ন্ত সূচনা করে নিউজিল্যান্ড।

    ইনিংসের প্রথম ৪৭ বলে কিউইদের সংগ্রহ ছিল কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৭ রান। ইনিংসের শুরু থেকে গড়ে সাতের উপরে রান করে যাওয়া দলটি এরপর মাত্র ৫১ রানে প্রথমসারির ৪ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে।

    উইলি ইয়াং, রাচিন রবিন্দ্র, কেন উইলিয়ামসন ও টম ল্যাথামের উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। এরপর গ্লেন ফিলিপস ও ড্যারেল মিচেল দলকে খেলায় ফেরাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। তারা ৮৭ বলে মাত্র ৫৭ রানের জুটি গড়েন।

    শেষ পর্যন্ত ড্যারেল মিচেলের ১০১ বলের গড়া ৬৩ এবং মিচেল ব্রাসওয়েলের ৪০ বলের অপরাজিত ৫৩ রানের সুবাদে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫১ রান করে নিউজিল্যান্ড।

    টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই ব্যাটিং তাণ্ডব চালান ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। দলীয় রান যখন ৬৫ তখন রোহিত শর্মা ফিফটি পূর্ণ করেন।

    রোহিত উইকেটের একপ্রান্তে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকালেও অন্যপ্রান্তে দেখেশুনে ব্যাটিং করে যান তরুণ ওপেনার শুভমান গিল। তিনি ৫০ বলে ৩১ রান করে দলীয় ১০৫ রানে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন। 

    এমন ভালো সূচনার পরও ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ২ বল খেলে ১ রানে আউট হয়ে ফেরেন ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার বিরাট কোহলি। দলীয় ১২২ রানে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন ওপেনার রোহিত শর্মাও। তার আগে ৮৩ বলে ৭টি চার আর তিন ছক্কার সাহায্যে করেন দলীয় সর্বোচ্চ ৭৬ রান।

    এরপর অক্ষর প্যাটেলকে সঙ্গে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে ৭৫ বলে ৬১ রানের জুটি গড়েন স্রেয়াশ আইয়ার। দলীয় ১৮৩ রানে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন স্রেয়াশ। তিনি ৬২ বলে দুই চার আর দুই ছক্কায় ৪৮ রান করেন।

    দলীয় ২০৩ রানে ফেরেন অক্ষর প্যাটেল। পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরার আগে তিনি করেন ৪০ বলে ২৯ রান। সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতে নেমে ১৮ বলে ১৮ রান করে ফেরেন অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া।

    তবে অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতে নামা আরেক অলরাউন্ডার রবিন্দ্র জাদেজাকে সঙ্গে নিয়ে ৯ বলে ১৩ রানের ছোট এবং কার্যকরী জুটি গড়ে ৬ বল আগেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান লোকেশ রাহুল।

  • বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি কুমিল্লার উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

    বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি কুমিল্লার উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হয়। 

    ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ উপলক্ষে শনিবার সকালে বিকো চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গনে দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘অ্যাক্সিলারেট অ্যাকশন’এর আলোকে বর্নাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় ।

    অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতির সভাপতি এডভোকেট আ হ ম তাইফুর

    আলম। বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. এ কে এম আব্দুস সেলিম এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ

    ডা. মৃণাল কান্তি ঢালী।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমিতির কোষাধ্যক্ষ অশোক কুমার বড়ুয়া, নির্বাহী সদস্য

    মো: শাহজাহান সিরাজ, মো: আব্দুল হালিম, মেডিকেল অফিসার ডা. রিজওয়ানা আফতাব লিরা, ডা.আইরিন আক্তার, ডা. উম্মে জোহরা টুকটুক, ডা. কাউছার আহম্মেদসহ বিকো ও চক্ষু হাসপাতালের

    সকল স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

  • ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

    অনলাইন ডেস্ক:

    আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই দিনটি অনন্য। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে শেখ মুজিবুর রহমান এই ভাষণের মধ‍্য দিয়ে পরবর্তী দিক নির্দেশনা দেন। 

    এইদিন লাখো মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিতিতে শেখ মুজিব বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেবো। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো, ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা।’ এই ভাষণ বাঙালির স্বাধীনতা-মুক্তি ও জাতীয়তাবোধের প্রতীক হয়ে ওঠে সেসময়। হয়ে ওঠে মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল।

    বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ বাঙালির রাজনৈতিক দলিল। বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণটি যুদ্ধকালে বাঙালি জাতির জীবনে অত্যন্ত গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহন করেছে এবং বাঙালি জাতির অনুপ্রেরণার অনির্বাণ শিখা হয়ে অফুরন্ত সাহস যুগিয়েছে। মাত্র ১৯ মিনিটের ভাষণে তিনি ইতিহাসের পুরো চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরেন। তিনি ভাষণে সামরিক আইন প্রত্যাহার, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরসহ সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া এবং বিভিন্ন স্থানের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের দাবি জানান। 

    এ ভাষণ শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলিলই নয়, জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় করিয়ে দেয়। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ জাতিসংঘের ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এছাড়া এ ভাষণটি পৃথিবীর অনেক ভাষায় অনুদিত হয়েছে।

  • ঢাকা চট্টগ্রাম  মহাসড়কে টানা ডাকাতির ঘটনার কুমিল্লায় ওসি প্রত্যাহার!

    অনলাইন ডেস্ক:

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম অংশের ডাকাতি প্রতিরোধে ব্যর্থতার ঘটনায় মিয়া বাজার হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ জসিম উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপারের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খাইরুল আলম।

    তিনি বলেন, মহাসড়কে চৌদ্দগ্রাম অংশে সাম্প্রতিক সময়ে ডাকাতির ঘটনা বেড়ে গেছে। এ ঘটনা হাইওয়ে পুলিশ উদ্বেগ প্রকাশ করছে। মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা প্রতিরোধে ব্যর্থতার অভিযোগে ওসি জসিম উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, মহাসড়কে চৌদ্দগ্রাম অংশে গত ২ মাসে ৪টি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ১৫ জানুয়ারী মহাসড়কের মিশ্বানী এলাকায় ৩০০ বস্তা চাল ভর্তি ট্রাক পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। গত ৮ ফেব্রুয়ারী মহাসড়কের পাশে অবস্থিত মিয়া বাজার মসজিদ মার্কেটে প্রীতি জুয়েলার্স নামে স্বর্ণ দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসময় ডাকাত দল গুলি বর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরন ঘটায়। লুট হয় ৩৫ ভরি স্বর্ণ। ডাকাতদের গুলিতে আহত হন মোশারফ নামে এক ব্যবসায়ী। 

    ২৭ ফেব্রæয়ারী ভোরে  ফাল্গুনকরা মাজার নামক স্থানে কুয়েত প্রবাসী নাইমুল ইসলামের বহনকৃত মাইক্রোবাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ১লা মার্চ একই জায়গায় মালেশিয়ান প্রবাসী বেলাল হোসেনের বহনকৃত প্রাইভেটকারেও একই কায়দায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সকল ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের ব্যর্থতার অভিযোগে ওসি মোঃ জসিম উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

  • প্রাণনাশের শঙ্কায় দিন কাটছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মী মওদুদ শুভ্র’র,প্রধান উপদেষ্টার দৃস্টি আকর্ষণ

    কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মী এবং স্থানীয় সাংবাদিক মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রর ওপর একাধিকবার হামলাকারী দুর্বৃত্তদের মধ্যে এজহারনামীয় মাত্র দুই জনকে অবস্থান সনাক্ত করতে পেরেছে পুলিশ আর বাকিরা এখনও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। এতে প্রাণনাশের শঙ্কা নিয়ে চলাচল করছেন তিনি।

    মওদুদ শুভ্র জানান, আমার স্ত্রী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। তাকে সন্ত্রাসীরা কলেজে যাওয়ার সময় এসিড মারার হুমকি দেয়। যার দরুন আমার স্ত্রীর কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে এজন্য তার পড়ালেখা বন্ধ হয়ে গেছে । ভিকটিম শুভ্রর ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইমো তথ্য প্রজুক্তি অপব্যবহার করে হ্যাকিং ও ক্লোনিং করা সহ পরোক্ষ লোকদারা জনমনে অপুরনীয় ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে নানা বিধ তথ্য বিভ্রান্তি ও তথ্য গুজব চাদাবাজি ও মামলা প্রত্যাহার করার অসৎ উদ্দেশ্যে উক্ত কথিত প্রশাসনের নাম ধারী ” স্যার গ্রুপ ” নামীয় অস্ত্রধারী দুঃস্কৃতিকারিরা।

    এ বিষয়ে মওদুদ শুভ্র বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের সাবেক ক্ষমতাসীন নেতার অনুসারী সন্ত্রাসীরা আমার বাসার সামনে পুরাতন চোধুরী পাড়ার ডেলুনি বাড়ি গলিতে কালিবাড়ীর পুকুর পাড়ে দু’টি মোটরসাইকেলে এসে অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যায়। এসময় তারা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং আমাকে মামলা প্রত্যাহার করতে আল্টিমেটাম দেয়। মামলা প্রত্যাহার না করলে উল্টো তারা মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে ফাঁসাবে বলে আল্টিমেটাম দিয়ে যায়। আমাকে তারা উঠিয়ে নিয়ে যাবে এবং জানে মেরে ফেলবে। সেই সঙ্গে লাশ গুম করে ফেলবে বলেও হুমকি দিয়ে যায়। আমি কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় পুরো ঘটনা জানিয়ে তাদের নাম উল্লেখ করে জিডি করা হয় যাহার নাম্বার:- ১১৩৮-১৫/১/২০২৫ইং(কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা)

    মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র জানান, আমি অফিসে যাওয়ার পথে তিনটি মোটরসাইকেলে ৬ জন সন্ত্রাসী আমার ওপর হামলা চালায়। এসময় তারা আমাকে উপর্যুপরি কিল ঘুসি মেরে আঘাত করে। আমাকে রড দিয়ে আঘাত করে। এতে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং কুমিল্লা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেই। চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করার পর আমি কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।

    গত বছরের ৩ আগস্ট রাতে আমি টিক্কচর ব্রিজ অতিক্রম করে শহরের দিকে আসছিলাম। এসময় বিগত আওয়ামী লীগের ১৩/১৪ জন সন্ত্রাসী ৪ থেকে ৫টি মোটরসাইকেল ও একটি সিনএনজিতে এসে আমার সিএনজির গতিরোধ করে। এসময় সন্ত্রাসীরা আমার কাছে দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমার সঙ্গে থাকা মোবাইল ও টাকা পয়সা এবং সাংবাদিকতার কাজে ব্যবহৃত ক্যামেরা, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন সিম সহ ছিনিয়ে নেয়। তখন আমি তাদেরকে বলি দশ লাখ টাকা চাঁদা কেন দিতে হবে? তখন তাদের মধ্যে কয়েকজন বলে- কুমিল্লার এই শহরে কাজ করলে আমাদেরকে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি করলে তারা আমাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। আমি সিএনজি চালকের সাহায্যে আমার বন্ধু কুমিল্লা জজকোর্টের আইন পেশায় নিয়োজিত মোহাম্মদ জিল্লুর সহ অন্যান্য বন্ধুদের ফোন করি।তারা কয়েকজন কিছু ক্ষিনের ভীতরে এসে আমাকে নিয়ে ওই রাতেই কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করায় ও বাম হাতে সেলাই সহ পুরো শরীরে সন্ত্রাসীদের আঘাতের জখমী চিকিৎসা সেবা দেন।

    ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মধ্যে পতনের দু’দিন আগে ৩ আগস্ট থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকার কারণে গত বছরের ১৯ আগস্ট দ্রুত বিচার আইনে অজ্ঞাতনামা ৩ জন পুরুষ ও একজন মহিলাকে আসামি করে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরসহ মামলা দায়ের করা করি। যাহা কুমিল্লা জেলা পিবিআইয়ের তদন্তনাধীন রয়েছে। মামলার ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় কুমিল্লা জেলা পিবিআইয়ের ইন্সপেক্টর মোসলেহ উদ্দিন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চূড়ান্ত প্রতিবেদন বিজ্ঞ আদালতে দাখিলের পর্যায়ে রয়েছে।
    আমার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ২০১৭ সাল থেকে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে আসছি। আমাকে অস্ত্র দিয়ে জখম, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের দরুন কোতোয়ালি মডেল থানায় ১৪ নভেম্বর আমি ৮ জনের নামসহ অজ্ঞাত ৪ থেকে ৫ জনের নামে মামলা দায়ের করি।

    সন্ত্রাসীবাহিনীরা পুনরায় ভিক্টিম মওদুদ আব্দুল্লাহ দ্রুত তার করা মামলা প্রত্যাহার চাপ প্রদান করে আসছে শুধু তাই নয় বিভিন্ন প্রশাসনের পরিচয় প্রদান এই মামলা প্রত্যাহার না করলে সন্ত্রাসী পক্ষের পরোক্ষ লোকেরা সরাসরি যে কোন মামলা দিয়ে তুলে নিয়ে সরাসরি গুম করে ইট ভাটায় লাশ পুড়িয়ে ফেলবে বলে জানায় এবং এরই সুত্র ধরে গত দিন গুলো ধরে অপরিচিত বিভিন্ন অজ্ঞাত নামা হ্যালমেট পড়া লোকজন প্রতিনিয়ত ভিক্টিম মওদুদ শুভ্র চারপাশে ঘুরাফেরা করছে। যে কোন মুহূর্তে যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে এবং সুনিশ্চিত করার সম্ভাবনা রয়েছে।এই ব্যাপারে তার ও তার পারিবারিক নিরাপত্তা বিষয়ক কুমিল্লা কোতোয়ালি অফিসার ইনচার্জ সহ তদন্তের আইও, কুমিল্লা জেলা ডি বি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সহ সেনাবাহিনী কুমিল্লার ক্যাম্প কমান্ডার সকলকে সন্ত্রাসীদের অপরাধের কার্যকলাপ লিখিতভাবে ও মৌখিকভাবে জান – মালের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়ে অবগত করে দ্রুত অপরাধীদের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

    মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র কুমিল্লা জেলা প্রশাসক বরাবর ২৭ নভেম্বর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। একই তারিখে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর এবং কুমিল্লা র‍্যাব ১১ কোম্পানি কমান্ডার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

    গত বছরের ৪ ডিসেম্বর জেলা ডিজিএফআই এবং এনএসআই কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। ২০১৭ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশাসনিক মহলে অভিযোগ করেও সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। সন্ত্রাসীরা এতটাই বেপোরোয়া যে তারা কাউকে ভ্রুক্ষেপ পর্যন্ত করে না। প্রশাসনিক নিরাপত্তাসহ আইনগত সুরক্ষার কোন ধরনের ফল না পেয়ে হতাশ এই তরুণ সাংবাদিক এবং মানবধিকার কর্মী ।

    তিনি কোতয়ালি মডেল থানার প্রথম জিডি করেন২০১৭ সালের ৩ মে যার নম্বর ১৫৭। আসামীরা তারপরও আটক না হওয়ার তিনি পূণরায় ২০১৮ সালের ২৮ জুন দ্বিতীয়বারের মত জিডি করেন যার নম্বর ১৫৩৮। মওদুদ শুভ্র একের পর এক হামলা নির্যাতনের কারণে তিনি ২০২৩ সালের ১৪ জানুয়ারি কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন যার এসডিআর নাম্বার ১৯২।

    সন্ত্রাসীরা আরো ক্ষিপ্ত হওয়ার কারণে মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রকে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেয়ার কারণে দ্রুত বিচার আইন আদালতে ২০২৪ সালের ১৯ আগষ্ট মামলা করেন যার নম্বর সি আর ৩৬/২৪ ।

    কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানায় চাঁদাবাজি,চুরি ও ছিনতাইয়ের কারণে মামলা করা হয় ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর যার নম্বর ৪১/৮৫০।
    একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায়। অভিযোগ থেকে জানা গেছে, মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র মানবধিকার কর্মী ও মেসার্স মওদুদ ভ্যারাইটিজ কনস্ট্রাকশন এবং মওদুদ বিল্ডার্সের একক স্বত্বাধিকারী। আসামি পক্ষের চেনা জানা লোকজন এই বিবাদীর মোবাইল নাম্বারে হুমকি প্রদান করে আসছে। অপরাধীরা বিভিন্নভাবে মওদুদ শুভ্রকে নাজেহাল, মারধরসহ চাঁদা দাবি করছে। মওদুদ শুভ্র’কে হত্যার উদ্দেশ্যে উক্ত সন্ত্রাসীরা ছুরিকাঘাতও করেছে। তখন এই সন্ত্রাসী বাহিনীকে পুরাপুরি শনাক্ত করতে না পেরে থানায় মামলা করা যায়নি এবং আসামিরা বেশিরভাগ আওয়ামী লীগ নেতাদের অনুসারী হওয়ায় সকল স্থানে আধিপত্য বিস্তার করত। তাকে আহত করার পর পুনরায় এসে চাঁদা দাবি করায় আসামিদের চিহ্নিত করে অজ্ঞাতনামাসহ আরও কিছু আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

    আর দুটি বিষয়ে দুটি মামলা হয় ৪ আগস্ট হত্যার উদ্দেশ্য ছুরি ও অস্ত্র প্রদর্শন করে শারীরিক ভাবে আহত করে এবং নিয়মিত ভাবে চাদা চাইতে থাকে চাদা না দেওয়াতে ছুরিকাঘাত, টাকা পয়সা, মোবাইল ও সাংবাদিকতার ক্যামেরা সব ছিনিয়ে নেয় পরে থানায় মামলা এই বিষয়ে না নেওয়াতে আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাদাবাজি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার নাম্বার -দ্রুত সি আর-৩৬/২৪, তারিখ:১৯.০৮.২০২৪ ইং।ধারা – আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ ( দ্রুত বিচার) আইন ২০০২ ( সংশোধনী /২০১৯) এর ৪/৫ নং । অত:পর পুনরায় এই সন্ত্রাসী চক্র গত ১৩ -১৬ অক্টোবর চাদাবাজি পুনরায় করতে থাকে সরাসরি এসে এবং হুমকি ধমকি দিতে থাকে সাথে মোবাইল কল ও এস এম এস দিতে থাকে।যেটা ভিক্টিম মওদুদ শুভ্র’র মোবাইলে সব সংরক্ষিত আছে অত:পর এজহার নামীয় সন্ত্রাসী বাহিনী সহ তাদের পরোক্ষ অজ্ঞাত নামা লোক জন এবং প্রশাসনের নাম অপব্যবহার করা কঠিত অস্ত্রধারী খুনী নারী পুরুষ সম্মিলিত ” স্যার গ্রুপ ” হত্যার হুমকি ধমকি এবং সুজগ খুজতে থাকে পরে বাধ্য হয়ে শারিরিক জখমি থেকে শুরু করে সার্বিক অপরাধের বিষয় অবগত করে পৃথক আরেকটি ১৪ই নভেম্বর, ২০২৪ ইং থানায় ৮ জনকে অভিজুক্ত করে সাথে অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনকে আসামি করে এফ আই আর / জি আর মামলা দায়ের করা হয়।
    কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার মামলা নাম্বার-৪১/ ৮৫০, ধারা-১৪৩/৩৪২/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৪২৭/৩৮৫/৫০৬(২)/৩৪ প্যানেল কোড ১৮৬০।
    মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জানান, মামলা দায়েরের পর প্রশাসনসহ যৌথ বাহিনী আসামিদের গ্রেপ্তার করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আসামিরা পলাতক থাকায়, আসামি পক্ষের অচেনা লোকজন প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ছদ্মবেশে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ইত্যাদি দ্বারা মওদুদ শুভ্র’র চলাফেরা, গতিবিধি অনুসরণ করে হুমকি দেয়। চাঁদার টাকা না পেলে আমাকে যেকোন উপায়ে গুম-খুন করার হুমকি দেয়। এবংআমারপরিবার-পরিজনের ক্ষয়ক্ষতি করবে বলে প্রকাশ্যে, মোবাইল ফোনে ও এসএমএস দিয়ে হুমকি দেয়। ইতোমধ্যে তারা আমার ফেসবুক আইডি হ্যাকও করেছে এবং নানাবিধ অপরাধের আশ্রয় নিচ্ছে।

    ভুক্তভোগী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র বলেন, আসামীদের বিরুদ্ধে আমি দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয়।
    তিনি আরও বলেন বিগত চার মাস ধরে এজহার নামীয় বাকী আসামীদের আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধব স্যার গ্রুপ নাম দিয়ে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে মামলা তুলে নেয়ার জন্য । তারা আমার ফেসবুক আইডি হ্যাক করে এবং আমার মোবাইল নাম্বার ক্লোন করেছে। ১০ লাখ টাকা না দিলে আমার আমার ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন অশ্লিল ছবি ও ভিডিও পোস্টসহ নানা ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে। এজন্য (১৫ ফেব্রুয়ারি) আমি থানায় জিডি করি সাইবার ক্রাইম ও জিটিটাল নিরাপত্তার জন্য।

    জিডির সূত্রে জানা যায়, স্যার গ্রুপ নামের চক্রটি মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র’র আইডি থেকে পরিচালিত একটি অনলাইন পত্রিকার পেইজ হ্যাক করে নানাভাবে ব্ল্যাক মেইলিংয়ের চেষ্টা করছে। আসামি মহিউদ্দিন গ্রেফতার হওয়ায় এজহার নামীয় অন্যান্য আসামীরা আমাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে মামলা তুলে নেয়ার জন্য। আমি অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি এবং প্রশাসনের কাছে আমার জীবনের নিরাপত্তা দাবি করছি।

    মাসিক মানবাধিকার খবর’র সম্পাদক ও প্রকাশক রিয়াজ উদ্দিন বলেন, মানবিক ও সামাজিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র উচ্চ শিক্ষিত মানুষ। তার উপর বিগত দিনে এমন বর্বরতামূলক আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানাই। অতি দ্রুত আসামিদেরকে গ্রেপ্তার করাসহ বর্তমানে যে বা যারা তাকে চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে বিভিন্ন চক্রান্ত করে; তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তার ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
    ভুক্তভোগী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র বলেন, দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয় প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জখম করার জন্য এবং কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয় চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির জন্য।

    এ ব্যাপারে হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এডভোকেট সাঈদ শাওন বলেন, মওদুদ শুভ্র একজন মানবিক ও সামাজিক ব্যাক্তিত্ব এবং মানবাধিকার কর্মী, অপরাধীদের এই ধরনের অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশাসন সহ যৌথ বাহিনীর উক্ত ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুদৃস্টি কামনা করছি।

    কুমিল্লা জজকোর্টের আইনজীবী সৈয়দ আল ইমরান পাশা বলেন, মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রর বাবা ও মা দু’জনেই সরকারি স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। সন্ত্রাসীদের অবস্থান হয়ত তার বাসার সামনে যার দরুন তাকে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে, আহত করেছে। শুভ্রর গতিবিধি লক্ষ্য করে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। ছিনতাই ও চাঁদা দাবি করার জন্য তিন কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জখম করার জন্য দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেছেন। এক বিষয় নিয়ে দু’টি আদালতে মামলা করা যায় না। এজন্য মওজুদ শুভ্র দু’টি ভিন্ন বিষয়ে আলাদভাবে মামলা করেছেন।

    এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ এই মামলাটির আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। তিনি জানান, অতি দ্রুত আসামিদেরকে গ্রেফতারসহ তথ্যসূত্রে মূল আসামিদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ভুক্তোভোগী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র জানিয়েছেন তাকে মোটরসাইকেলে এসে অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার নলেজে আসার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়েছি তার নিরাপত্তার জন্য। তারা চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী তাই ভুক্তভোগীর কাছে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গায়।

    কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজির আহমেদ খাঁন বলেন, আমি মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রকে বলেছি, কোন সমস্য হলে যেকোন সময় আমাকে ফোন দিবেন আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

    কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই ও মামলার আইও খাজু মিয়া জানান, এজহার নামীয় অভিযুক্ত অপরাধীসহ তাদের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী গ্রেফতারের ব্যবস্থা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

    মানবধিকার কর্মী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র তার ও তার পরিবারের আইনগত সুরক্ষা এবং প্রশাসনিক সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এবং আসামীদেরকে দ্রুত গ্রেফতার এবং আসামীদের মদদদাতা – পৃষ্ঠপোষক কথিত খুনী সিন্ডিকেইট বাহিনী ” অস্ত্রধারী স্যার গ্রুপের ” সনাক্ত করে তাদের মদদে এই ধরনের নাসকতা ছড়ানোর জন্য ভিক্টিম মওদুদ শুভ্র বাসস্থানের আশে পাশে এবং পরোক্ষ মামলা প্রত্যাহার জন্য চাপ প্রয়োগ ও চাদাবাজির আইনি বিচার চেয়ে পুরো প্রশাসনের নাম অপ- ব্যবহারকারী বে- আইনি স্যার গ্রুপকে গ্রেপ্তার করার জন্য মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় ড. মুহামদ ইউনুস এবং মাননীয় সরাস্ট্র উপদেষ্টা নিকট আকুল সাহায্যে প্রার্থনা করেন।

  • কুমিল্লা সরকারি কলেজ হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠনের নতুন কমিটি ঘোষণা

    কুমিল্লা সরকারি কলেজ হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব গভর্নমেন্ট কলেজ, কুমিল্লা’-এর ২০২৫-২০২৬ বর্ষের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। দুই বছর মেয়াদী এই কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কলেজটির হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আনোয়ার পারভেজ (২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষ)।
    গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা নগরীর গ্র্যান্ড দেশপ্রিয় রেস্টুরেন্টে সংগঠনটির ৫ম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে আগামি দুই বছরের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেন সংগঠনের উপদেষ্টা কলেজটির হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর আজহারুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও বিভাগের সাবেক শিক্ষক প্রফেসর আব্দুছ সালাম, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপসচিব সাবেক বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক সাফায়েত মিয়া এবং সহকারী অধ্যাপক কাজী স্বপ্না আক্তার। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের প্রাক্তন শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম বাবু (২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষ)।
    নবনির্বাচিত কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মিজানুর রহমান (২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষ), আতিকুল ইসলাম (২০০২-০৩ শিক্ষাবর্ষ), আব্দুল হান্নান মিয়া (২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষ), সাইফুল আলম মুন্না (২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষ), শফিকুল আলম (২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষ), মো. শফিক (২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষ), মো. কামাল হোসেন (২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষ), মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়া (২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষ), মাইনুল হাসান (২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষ), দ্বীন ইসলাম নয়ন (২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষ), জনি দেবনাথ (২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষ), এবং মাইদুল ইসলাম ইমন (২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষ)।
    যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মনজিল হোসেন পলাশ (২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষ) এবং কামরুল ইসলাম রাসেদ (২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষ)। অর্থ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন রিফাত জাহান সোহানা (২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষ), সহ-অর্থ সম্পাদক তাহমিনা আলম নিধি (২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ)। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাইফুল ইসলাম বাবু (২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষ), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নয়ন সরকার (১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষ)। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খন্দকার মহিবুল হক (২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষ), সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অমিত মজুমদার (২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষ)। দপ্তর সম্পাদক রবিউল আওয়াল শাকিল (২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষ), সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. আল মামুন (২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ)। তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইমাম হোসেন ইমন (২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ), সহ-তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মামুন হোসেন (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ)। শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক মহিবুল হাসান (২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষ), সহ-শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক শাকিল হোসেন (২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ)। সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজমুল হোসেন (২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ), সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক বাধন মজুমদার জয়া (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ)। ক্রীড়া সম্পাদক নন্দন ভৌমিক (২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষ), সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মেহেদী হাসান রাজু (২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ)। সমাজকল্যাণ সম্পাদক সামিনা আক্তার (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ)। নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নয়ন ধর (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) ও আলম মিয়া (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ)।
    কমিটি ঘোষণার পর উপস্থিত সদস্যরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন এবং কেক কেটে সংগঠনের ৫ম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন। কমিটি ঘোষণার সাথে সাথে, কলেজটির হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী স্বপ্না আক্তারকে সংগঠনটির উপদেষ্টা হিসাবে ঘোষণা দেওয়া হয় এবং ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। নতুন কমিটির সদস্যরা সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তাদের দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।