স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে ৪ সন্তান রেখেই হালিমার আত্মহত্যা

(মো. ফখরুল ইসলাম সাগর, দেবিদ্বার)
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রসূলপুর গ্রামের ৪ সন্তানের জননী হালিমা খাতুন (৩৫)পারিবারিক কলেহের জের ধরে স্বামীর সাথে অভিমান করে রোববার বিকেলে শুশুর বাড়ীতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় দুই জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ ও হালিমার পিতা মোহাম্মদ আলী জানান আমার মেয়ে হালিমা খাতুন এর সাথে রসুলপুর এলাকার মৃত শামছু মিয়ার ছেলে মো. মোস্তফার সাথে ১৭ বছর পূর্বে সামাজিক ভাবে বিয়ে হয়। কয়েক মাস পর থেকে মোস্তফা প্রায় সময় হালিমা খাতুনের সাথে পারিবারিক ঝগড়া বিবাদ ও মানসিক শারীরিক নির্যাতন করে আসছিল। ওই ঘটনা পারিবারিক ভাবে মিমাংসা করতে ৪ লক্ষ টাকা সিএনজি কিনে দেওয়া হয়। তবে ওই টাকা প্রতিদিন ৫শত টাকা করে দেওয়ার কথা থাকলেও আমাকে কোন টাকা পয়সা দেয়নি। বেশ কিছুদিন যাওয়ার পর আবারও পারিবারিক সূত্র ধরে নির্যাতন শুরু হয়।

এদিকে মেয়ের কথা বিবেচনা করে বিদেশ যাওয়ার জন্য ২লক্ষ টাকা দিয়ে তাকে বিদেশে পাঠাই। কথা ছিল বিদেশ গিয়ে আমার ছেলে হাবিবুর রহমান কে বিদেশ নিবে। কিন্তু আমার ছেলেকে বিদেশ না নিয়ে দুই বছর পর বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আসে। এর পর থেকে তার স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে রোববার বিকালে হালিমা আত্মহত্যা করে। হালিমা’র আত্মহত্যা’র পরস্পর খবর শুনে শশুর বাড়িতে না পেয়ে। থানায় এসে আমার মেয়ের লাশ দেখতে দেখি। এদিকে আমার মেয়ে স্বামী মোস্তফার নির্যাতন সইতে না পেরে অভিমান করে গলায় ফাঁসি দিয়ে মারা গেছে। এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও এস আই প্রেমধন জানান, ওই গৃহবধুর আতœত্যার ঘটনায় তার বাবা মোহাম্মসদ আলী বাদী হয়ে স্বামী সহ দুইজনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনায় ৩০৬ দ্বারায় দেবিদ্বার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন

এই বিভাগের আরও খবর

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

এই সংবাদটি নিয়ে আপনার মূল্যবান মতামত জানান: